Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়। প্রথম প্রশ্ন, ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যত হিন্দু বাঙালি প্রথমে পূর্ব পাকিস্তান এবং পরে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছে, তাদের মধ্যে কতজন আছে, যাদের এখনও পর্যন্ত কোনও নথিই নেই ভারতের নাগরিকত্বের? আমরা তো সকলেই জানি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা একবার সীমান্ত পেরিয়ে এপার বাংলায় ঢুকে পড়ার পর, প্রথম যে কাজটি করে, তা হল একটা রেশন কার্ড জোগাড় করা। যখন বামফ্রন্ট ক্ষমতায় ছিল তাদের স্থানীয় নেতাদের ধরাধরি করে রেশন কার্ড পেয়ে যেত বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষ। আর পরবর্তী কালে তৃণমূল ক্ষমতাসীন হওয়ার পরও একই চিত্র। আর যাদের রেশন কার্ড নেই, তারা আজকের দিনে পেয়ে যাচ্ছে আধার কার্ড। এরকম উদাহরণ প্রচুর। কারণ অত্যন্ত স্বাভাবিক। ভোটব্যাঙ্ক। যে সরকারই ক্ষমতায় থাকবে সেই চাইবে নতুন আসা মানুষকে আমি সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দিলে সে আমারই ভোটার হয়ে থাকতে বাধ্য হবে। সেই প্রবণতা থেকে এই রেশন কার্ড ইস্যু হয়। সেই কারণেই বিগত ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে দেখা যায় সর্বদাই পশ্চিমবঙ্গে জনগণনা অনুযায়ী মোট জনসংখ্যার থেকে রেশন কার্ডের সংখ্যা বেশি। সুতরাং, বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষেরা এদেশে একটানা বিনা নথিতে পাঁচ বছর থাকলেই নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে এই ঘোষণার তাৎপর্যপূর্ণ দিক এটা নয় যে লক্ষ লক্ষ মানুষ এবার নাগরিকত্ব পেতে চলেছে। কারণ, পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে পশ্চিমবঙ্গে বাস করছে, অথচ রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড কিছুই নেই, এরকম মানুষের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য হবে সেটা বলাই বাহুল্য। আর পাঁচ বছর আগেও যে লোকটি কোনও না কোনওভাবে রেশন কার্ড জোগাড় করে নিয়েছে, সে আবার নতুন করে নিজেকে নথিপত্রহীন বাংলাদেশি বলে সরকারের কাছে ঘোষণা করবে? কেন করবে? তার ভয় করবে না হাতে রেশন কার্ড থাকা সত্ত্বেও আবার নিজেকে অবৈধ ঘোষণাতে? কারণ, একবার যখন রেশন কার্ড বা ভোটার কার্ড পাওয়া হয়েই গিয়েছে, তখন আবার নিজেকে অনুপ্রবেশকারী বা শরণার্থী হিসাবে ঘোষণা করতে কেউ কেন যাবে? বিল পাশ হয়ে যাওয়ার পর, এখন দেখার বিষয় এটাই যে, আদৌ কতজন মানুষ আবেদন করছে নিজেকে নথিপত্রহীন ঘোষণা করে। যদি এই যুক্তির পাল্টা যুক্তি এটা দেওয়া হয় যে, অবশ্যই কোটি কোটি মানুষ আছে, যাদের কোনও নথিই নেই, তা হলে তো পরোক্ষে স্বীকার করে নেওয়া হচ্ছে বামফ্রন্ট অথবা তৃণমূল কোনও সরকারই অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক ভেবে ভোটার কার্ড বা রেশন কার্ড পাইয়ে দেয়নি! কোনটা ঠিক?
প্রশ্নটা অন্য। ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর যারা বাংলাদেশ থেকে এসেছে কিংবা আগামীদিনেও আসবে, তাদের ক্ষেত্রেও কি এই আইন প্রযোজ্য হবে? নতুন আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু, আইনে বলা হয়েছে হিন্দুরা (এবং অন্য পাঁচটি অমুসলিম ধর্মীয় সম্প্রদায়) ধর্মীয় অত্যাচারে ভারতে আশ্রয় পেতে চাইছে এবং তাই তাদের শরণার্থী আখ্যা দিয়ে ভারত মানবিকতার স্বার্থে নাগরিকত্ব দেবে। খুব ভালো কথা। কিন্তু সেই অত্যাচার তো আগামীকালও হতে পারে? তা হলে সেই সম্ভাব্য অত্যাচারিত হিন্দু মানুষগুলি কী দোষ করল? তাদের ভারতে ঢুকতে কি বাধা দেওয়া হবে? যদি বাধা দেওয়া না হয়, তা হলে কি তাদেরও আগামী পাঁচ বছর ভারতে থাকার পর সমানভাবে নাগরিকত্ব দিয়ে দেওয়া হবে? অর্থাৎ সেক্ষেত্রে আমরা কি ধরে নিতে পারি যে, বাংলাদেশ থেকে আগামীদিনে হিন্দু বাঙালিরা সক঩লেই যদি ভারতে এসে নাগরিকত্ব পেতে চায়, সকলকেই ভারত নিজেদের নাগরিক করে নেবে? প্রশ্নটার কারণ হল, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারংবার বলেছেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর চরম অত্যাচার শুরু হয়েছে মুজিবর রহমানের মৃত্যুর পর। সেই অত্যাচার আজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে এমন কথা বলা হচ্ছে না। তাহলে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর কেন? এখন যারা বাংলাদেশ থেকে চলে আসতে চাইবে তাদেরও তো অনুমতি ও নাগরিকত্ব দেওয়া উচিত নীতি অনুযায়ী? বিনীত প্রশ্ন, কারা ২০১৪ সালের আগে এসেছে আর কারাই বা গতকাল এসেছে, এটা প্রমাণ হবে কী ভাবে? প্রমাণপত্র লাগবে না এটা তো সরকারই বলেছে। সেলফ ডিক্লারেশনই যথেষ্ট।
দ্বিতীয় প্রশ্ন, নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের পর গোটা দেশে এনআরসি চালু হবে সরকারই ঘোষণা করেছে। এনআরসিতে স্বাভাবিকভাবেই নিশ্চয়ই ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর তারিখই সময়সীমা হবে? এটাই প্রত্যাশিত। অর্থাৎ এনআরসিতে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যারা ভারতে এসেছে, তাদেরই স্থান দেওয়া হবে। সেক্ষেত্রে অসমে যে ১৯ লক্ষ মানুষ বাদ গিয়েছে তাদের সিংহভাগই আবার নাগরিকত্ব পেয়ে যাবে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু নতুন এনআরসি যখন সমাপ্ত হবে, তখন যারা ভারতের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাদের নিয়ে কী করা হবে? ভারতের অভ্যন্তরে এনআরসি আর নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যতটা আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কথা বলছে, শেখ হাসিনাকে তো কি‌ছুই বলা হচ্ছে না! বরং সম্প্রতি শেখ হাসিনা ভারতে আসার পর বলেছেন, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশের চিন্তার কারণ নেই এনআরসি নিয়ে। এর অর্থ কী? ভারতে লক্ষ লক্ষ অথবা কোটি কোটি বেআইনি নাগরিক যখন ধরা পড়বে, তাদের তার মানে পাকিস্তান অথবা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে না? কী করা হবে? ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হবে? কতদিন? নিয়ম হল ১৪ ফরেনার্স অ্যাক্টে অনুপ্রবেশকারীদের পুশব্যাক করা। সেটা হবে না?
তৃতীয় প্রশ্ন, এনআরসিতে বিভিন্ন স্থানে যত মানুষ বাদ যাবে অবৈধ নাগরিক হিসাবে, তাদের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও ইস্তফা দেবেন তো? কারণ যে মানুষটি ভারতের নাগরিকই নয়, তার ভোটও অবৈধ। সুতরাং ভারতব্যাপী এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় জেলায় জেলায়, শহরে, গ্রামে, ব্লকে, পঞ্চায়েতে যখন অবৈধ নাগরিক ধরা পড়বে একজনও, তখন নীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী থেকে পঞ্চায়েত প্রধান, এমপি থেকে কাউন্সিলার, সক঩লেই নিশ্চয়ই পদত্যাগ করবেন? একজনও অবৈধ নাগরিকের ভোটে নির্বাচিত এমপি, বিধায়ক, কাউন্সিলর, পঞ্চায়েত সদস্যের নির্বাচনটাও তো অবৈধ হয়ে যাবে! তাই তখন সকলের উচিত নয় কি পদত্যাগ করা? অসমে সাড়ে ১৯ লক্ষ মানুষ বাদ গিয়েছেন। এটা যদি চূড়ান্ত এনআরসি তালিকাই হয়, তা হলে কেন্দ্র ধরে ধরে জেলায় জেলায় প্রত্যেক জনপ্রতিনিধির ইস্তফা দেওয়া উচিত। সহজ যুক্তি, অবৈধ নাগরিক মানে হল নাগরিকত্ব নেই। সুতরাং ভোটদানের অধিকার নেই। তার অর্থ ভোটেরও তো বৈধতা নেই! অসমের এমপি, এমএলএ, কাউন্সিলার, পঞ্চায়েত সদস্যরা ইস্তফা দিচ্ছেন না কেন?
শেষ প্রশ্ন। যখন এনআরসি প্রক্রিয়া চালু হবে, তখন আমাদের, যাঁদের কাছে সমস্ত রকম নথিপত্র আছে, যাঁরা বছরের পর বছর আয়কর দিয়ে গেলাম, যাঁরা বছর বছর ভোট দিয়ে যাচ্ছি, যাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে পেনশন অ্যাকাউন্ট, সবই আছে, যাঁদের বার্থ সার্টিফিকেট থেকে আধার সার্টিফিকেট, সবই আছে, ভোটার কার্ড থেকে পাশপোর্ট, সবই আছে, তাঁদের কেন লাইন দিয়ে, ভিড় ঠেলে, ফর্ম ফিল আপ করে, কাজের সময় নষ্ট করে, নিজেদের আবার ভারতীয় প্রমাণ করতে হবে? বৈধ ভারতীয়দের কাছে এভাবে বারংবার বৈধতার প্রমাণ চাওয়া কি তাদের অপমান করা নয়! মাননীয় সরকার এনআরসি প্রক্রিয়া চালু করার আগে একটু ভেবে দেখবেন অনুগ্রহ করে! এটুকু সম্মান কি প্রাপ্য নয় বৈধ নাগরিকদের? সে নাগরিক ধনীই হন অথবা দরিদ্র।  
13th  December, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 কলকাতার নামীদামি, সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৭টি হাসপাতাল তাদের বর্জ্য পদার্থ (বায়ো-মেডিক্যাল ওয়েস্ট) নিয়ম মেনে সরাচ্ছে না। এমনকী তরল বর্জ্য পরিশোধনেও ব্যাপক গাফিলতি রয়েছে। ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 করোনায় আক্রান্ত রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক। আপাতত তিনি উদয়পুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ...

 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM