Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বারাণসীতে জটলা কোর্ট চত্বরে। আইনজীবী এবং সাধারণ মহিলারা আছেন সেখানে। মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন একে অপরকে।
চুঁচুড়ায় পুলিসকর্মীদের হাতে রাখী পরাচ্ছেন যুবতীরা।
মুম্বইতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন মহিলারা। একজন সামনে দাঁড়িয়ে নাগাড়ে ড্রাম বাজিয়ে যাচ্ছেন। চলছে স্লোগান... এতদিনে পুলিস একটা কাজের কাজ করল।
এই সব ছবি শুক্রবারের। সকাল ৮টা নাগাদ শোনা গিয়েছিল খবরটা। আর দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল আগুনের মতো। হায়দরাবাদের ২৫ বছরের পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণে যারা অভিযুক্ত ছিল, সেই চারজনকে এনকাউন্টারে নিকেশ করেছে তেলেঙ্গানার পুলিস। ব্রিজের উপর তখন সার বেঁধে মানুষ দাঁড়িয়ে। নীচ দিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে পুলিস যাচ্ছে, আর তাদের উপর হচ্ছে পুষ্পবৃষ্টি। গোটা দেশ একবাক্যে সমর্থন করেছে এই এনকাউন্টারকে। মতটা স্পষ্ট, এমনই হওয়া উচিত ছিল। নৃশংসতা সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। নির্ভয়া কাণ্ডের বিবরণ শুনে শিউরে উঠেছিল ভারত। প্রতিবাদে নেমে পড়েছিল রাস্তায়। নাঃ, কোনও রাজনৈতিক দলের আয়োজন ছিল না। সবটাই ছিল স্বতঃপ্রণোদিত। নির্ভয়াকে হয়তো বাঁচানো যায়নি। তাঁর লড়াই শেষ হয়ে গিয়েছিল হাসপাতালের বিছানায়। কিন্তু সেই প্রতিবাদের ঝড় ধর্ষণের মতো অপরাধ সংক্রান্ত আইনে বদল আনতে বাধ্য করেছিল। নাবালক যদি এই নৃশংসতা দেখাতে পারে, তাহলে তার বিচারও জুভেনাইল আদালতে হতে পারে না। সংশোধিত আইনে এমন ঘটনায় নাবালককেও আজ সাবালক হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু প্রশ্ন হল, সেটাও কি যথেষ্ট?
না, যথেষ্ট নয়। তাই আজ ফের হায়দরাবাদের মতো ঘটনায় দেশ কেঁপে ওঠে। এরপর মালদহে উদ্ধার হয় যুবতীর দগ্ধ দেহ। উন্নাওয়ে জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিযুক্ত প্রকাশ্যে গায়ে আগুন দেয় ধর্ষিতাকে। ত্রিপুরাতেও ধর্ষণের পর জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। মুজফ্‌ফরনগরে ধর্ষণের মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করায় অভিযোগকারিণীর মুখে অ্যাসিড ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। একের পর এক এমন ঘটনা কী প্রমাণ করে? উত্তর একটাই, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে আজ হয়তো আমরা নারী স্বাধীনতা, সমান অধিকারের স্লোগানে আকাশ-বাতাস কাঁপাই, কিন্তু শিকড়টাই যে পচে গিয়েছে!
হয়তো কাকতালীয়...। মাস দুয়েক আগে একটি হিন্দি ছবির ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, রাজস্থানের কোটায় এক দুষ্কৃতী মেয়েদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে এবং তারপর তার গায়ে আগুন দিয়ে দেয়। আশ্চর্যজনকভাবে তারপরই এ ধরনের ঘটনা আরও বেড়ে গেল। ধর্ষণের পর খুনের ঘটনা আগেও ঘটেছে। সরকারের পক্ষ থেকে পাওয়া শেষ রিপোর্ট ২০১৭ সালের। ওই বছর দেশের ৩২ হাজার ৫০০টি ধর্ষণের ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। যাদের মধ্যে ৩০ শতাংশই নাবালিকা। ওই বছরের শেষ পর্যন্ত দেশের আদালতে মোট ১ লক্ষ ২৮ হাজার ধর্ষণের মামলা পড়ে রয়েছে, যার ফয়সালা হয়নি।
এই সব ঘটনাই খাতায়-কলমে নথিভুক্ত। অভিযোগ হয়নি, এমন বহু ঘটনা গ্রামে-গঞ্জের বাতাসে হারিয়ে যায়। আধপেটা খাওয়া পরিবারগুলোর বাড়ি থেকে মেয়েরা উধাও হয়ে যায়। কেউ ফিরে আসে। কেউ আসে না। পুলিস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিযোগ নিতে চায় না। সেই সংখ্যাটা সরকারি হিসেব কখনও আসে না...। এক্ষেত্রে পুলিসকে আমরা ঠুঁটো, অপদার্থ, রাজনৈতিক দলের তাঁবেদার বলে গাল দিয়ে থাকি। কিন্তু পুলিস চাইলে পারে না, এমন কোনও কাজ নেই। সাইবারাবাদের ঘটনাই তার প্রমাণ। একদিকে উত্তরপ্রদেশে উন্নাওয়ের অভিযুক্ত ধর্ষিতার গায়ে আগুন দিচ্ছে, নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যাপারে পুলিস নির্বিকার। আবার অন্যদিকে তেলেঙ্গানায় এনকাউন্টারে খতম করে দেওয়া হচ্ছে বর্বরতার ধারক ও বাহক চার অমানুষকে। অর্থাৎ, পুলিস কাজ করছে। এখানেও আবার পাল্টা সমালোচনা, মানবিকতার হত্যা...। উভয় সঙ্কট পুলিসের। তারা কাজ না করলেও বিপদ, করলেও। মানুষ অবশ্য এই শ্রেণীর সরকারি কর্মীকে কখনওই সন্দেহের ঊর্ধ্বে রাখতে পারে না। কথায় আছে না, বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, আর পুলিস ছুঁলে...। অনেক ক্ষেত্রেই শোনা যায়, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ। কাউকে মাদক মামলায়, কাউকে ধর্ষণের। বর্তমানের এক সাংবাদিক বহু বছর আগে এমনই এক ‘দুর্ঘটনা’র সম্মুখীন হয়েছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনার একটি থানায় ঢুকে দেখেছিলেন, গোরু পাচারকারীদের ধরে তাদের থেকে টাকা আদায় চলছে। টাকা দিলে মুক্তি, না হলে জেল। হঠাৎ সেই অফিসারের খেয়াল হয়, অন্য একটি লোক সেখানে দাঁড়িয়ে। তাঁর প্রথম কাজ হয়, বর্তমানের সেই সাংবাদিকদে লক আপে পোরা। তারপর সরাসরি হুমকি, দেব নাকি ধর্ষণের মামলায় ফাঁসিয়ে? কালকেই কোর্টে তুলব। এই ঘটনা প্রকাশ্যে এসে যাওয়ায় তখন রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। বিষয়টি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। সে অন্য প্রসঙ্গ। এই ঘটনা উত্থাপনের কারণ একটা বিষয়ই স্পষ্ট করে দেওয়া, পুলিস চাইলে সব করতে পারে। তাই আজ সাইবারাবাদের এনকাউন্টারের পর মানবাধিকার সংগঠনগুলি মাথা তুলেছে... ওরা তো অভিযুক্ত! দোষী সাব্যস্ত নয়। তাহলে এই এনকাউন্টারের মানেটা কী? রাত তিনটের সময় ঘটনার পুনর্নির্মাণ মোটেই আইনসঙ্গত নয়। ওই সময়টাতেই কেন নিয়ে যাওয়া হল? ভিডিওগ্রাফি কোথায়? ওই অভিযুক্তরা যে পুলিসের অস্ত্র ছিনিয়ে হামলা করে, তার প্রমাণ কী? ওরা এগিয়ে এসে পুলিসের অস্ত্র কেড়ে নিল, আইন রক্ষকরা তখন কী করছিলেন? এমন বহু প্রশ্ন কিন্তু সমালোচকরা তুলতে শুরু করেছেন। এর অপর একটা কারণ হল, সন্দেহের নেপথ্যে অতীতের আরও কিছু এনকাউন্টার রয়েছে। যা হায়দরাবাদ পুলিস করেছিল। একই যুক্তি, একই প্লট। কাজেই প্রশ্ন উঠবেই।
পুলিস অবশ্য এসবে গা করছে না। করবেও না। কারণ, গোটা দেশ আজ তাদের পাশে। জয়া বচ্চন সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, এ ধরনের অপরাধীদের রাস্তায় পিটিয়ে, মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া উচিত। সেই বক্তব্যেই হয়তো সিলমোহর দিল তেলেঙ্গানার পুলিস।
আমরাও কি সম্পূর্ণ দায়মুক্ত হতে পারি? কোন মেয়ে কী জামাকাপড় পরে রাস্তায় বেরবে, কেন বেশি রাতে বাড়ি ফিরবে, এসবের উপর খবরদারি না করে বাড়ির পুত্রসন্তানের শিক্ষায় বেশি জোর দেওয়াটা বেশি দরকারি। এই সমাজকে বাসযোগ্য করে তোলার একটাই শিক্ষা, নারীসমাজকে সম্মান। সুরক্ষাটা সর্বতোভাবে সামাজিক। এবং এই সমাজের মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়েই রয়েছে। জীবন, সম্মান... এই সবই সাংবিধানিক অধিকার। সমাজে ‘না’ শব্দটির অর্থ সর্বতোভাবেই ‘না’। এর বিরুদ্ধে কোনও জোর চলে না। চলতে পারে না। সমাজকে সচেতন করতে পারি আমরাই।
ওই চার দুষ্কৃতী কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকার করেছিল, ধর্ষণ ও খুন তারাই করেছে। এরপর তৈরি হতো চার্জশিট, তারপর বিচার। চার্জশিট তৈরি হতেই মাসের পর মাস চলে যায়। তার মধ্যে কখনও কখনও চলে আসে প্রভাবশালী তত্ত্ব। টাকার প্রলোভন। কেস হাল্কা করার চেষ্টা। এরপর নিম্ন আদালত, হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট। মৃত্যুদণ্ডের আদেশ জারি হলেও বছরের পর বছর জেলে বসিয়ে করদাতাদের টাকায় ভরণ-পোষণ চলে ওই বজ্জাতদের। শেষ অস্ত্র রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা। কামদুনির মামলা এখনও হাইকোর্টে পড়ে রয়েছে। সরকারি এই দীর্ঘসূত্রতা ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙে। মনে হয়, এদের গুলি করে মেরে ফেললেই ভালো হতো। আর সেটাই হয়েছে। আইন হাতে তুলে নেওয়া ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশে মোটেও কাম্য নয়। পুলিসেরও না। কিন্তু সমাজটাকে পশুর খোঁয়াড়ে পরিণত করাটাও তো মেনে নেওয়া যায় না! আজ তেলেঙ্গানা..., কাল যদি উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গে এই ‘সাজা’ কার্যকর হয়, তাহলে অন্তত দুষ্কৃতীদের মনে ভয়টা ঢুকবে। বিকৃত মনগুলো একবার হলেও ভাববে, পরিণতিটা কী হতে পারে। এনকাউন্টার সমর্থনযোগ্য নয়। কিন্তু আমাদের আইনও তো এই ধরনের মামলায় নাবালকত্বের পর্যায়ে রয়ে গিয়েছে! চার্জশিট হয় না। মামলার ফয়সালা হয় না। হতাশা জন্ম দেয় বিরক্তির, রাগের। কিন্তু আমরা সমাজবদ্ধ জীব। হতাশায় কাঁদতে পারি। কিন্তু তারপরও উল্টোদিকের লোকটাকে বলি, কোর্টে দেখে নেব। কারণ, আমরা এখনও আইনে ভরসা রাখি। বিশ্বাস করি, আইনই পারে মানুষকে ন্যায়বিচার দিতে। দীর্ঘসূত্রতার গেরো কাটিয়ে আইন যদি আরও কঠোর হয়, এই ধরনের দুষ্কৃতীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়, তবেই মানুষের আস্থা বজায় থাকবে। গণতন্ত্রে সেটাই কাম্য। না হলে যেভাবে হোক, ন্যায়বিচার দাবি করবে জনগণ। মোরাদাবাদের ছাত্রীদের হাতের প্ল্যাকার্ড কিন্তু নিঃশব্দে সেই কথাই বলছে। বিচার চাই। যে কোনও পথে। 
10th  December, 2019
মহামারীর কাছে আমরা কেন এত অসহায়?
মৃণালকান্তি দাস

 কেমন যেন স্লো মোশনের একটা সিনেমার দৃশ্যের ভিতরে ঢুকে পড়েছি আমরা! গোটা দুনিয়াটাই হঠাৎ করে যেন আটকে গিয়েছে এক জায়গায়। মানুষের থেকে অনেক ক্ষমতাবান কিছু একটা যেন স্তব্ধ করে দিয়েছে সবকিছু। চীন, ইতালি, স্পেন ছাড়িয়ে মার্কিন মুলুকেও ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই ক্ষমতাবান অদৃশ্য শত্রু।
বিশদ

নাগরিক সমাজকেও প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 করোনার ভয়াবহ বিপর্যয় কতদিন ধরে চলবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। আজ সারা পৃথিবীটাই করোনায় আক্রান্ত। শুধু ইউরোপেই মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।
বিশদ

করোনাকালেও অব্যাহত পাকিস্তানের নষ্টামি
হারাধন চৌধুরী

 গত ১৬ মার্চ কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইসিস তার সদস্য ও অনুগামীদের ইউরোপ সম্পর্কে হুঁশিয়ার করে বলেছিল—‘‘দি ল্যান্ড অফ দি এপিডেমিক!’’ লন্ডন থেকে তাদের ‘অ্যাডভাইজারি’ ছিল যে: বিশ্ব মহামারীর এই নতুন কেন্দ্রে তাদের কেউ যেন আপাতত পা না-রাখে এবং ইউরোপে অবস্থানকালে কেউ যদি ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রামিত হয়ে গিয়ে থাকে তবে সে/তারা যেন কোনওভাবেই সংগঠনে এসে ভিড়ে না-যায়।
বিশদ

09th  April, 2020
ড্রেনের জল পরীক্ষা করেই গোষ্ঠী সংক্রমণের আগাম হদিশ মিলতে পারে
মৃন্ময় চন্দ

 নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা বিশ্ব প্রকম্পিত। রোগটির চালচলন বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক মহলে মোটেই পরিচিত নয়। শুধু চীন কেন, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ইরান—সর্বত্রই বয়স্কদের উপর বেশি আঘাত হানতে শুরু করেছিল এই মারণ ভাইরাস।
বিশদ

09th  April, 2020
করোনার পরেও আছে এক অন্ধকার সময়
সন্দীপন বিশ্বাস

 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তখন যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর ওই অবস্থা নিয়ে সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘আমরা চাঁদা তুলে মারব কীট/... বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে সে কীসের বসন্ত!’
বিশদ

08th  April, 2020
জরুরি দ্রুত এবং ব্যাপক জনমুখী পদক্ষেপ
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

করোনা ভাইরাস ভারতীয় অর্থনীতির সামনে একই সঙ্গে একটা বড় ধাক্কা এবং কিছুটা সুযোগ দিয়ে গেল। এমনিতেই বৃদ্ধির হার কমতে কমতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। আশা করা যাচ্ছিল এবার হয়তো সেটা ৫ শতাংশের কাছে পৌঁছবে।
বিশদ

08th  April, 2020
গ্যালারি শো কতদিন?
খাবার জুটবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ব্যবসার কাজে হংকং গিয়েছিলেন বেথ এমহফ। কাজ সেরে পার্টি... তারপর দেশে ফেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শিকাগো হয়ে যখন মিনিয়াপোলিস ফিরলেন, ততক্ষণে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দুই, চার, ১৬, ২৫৬... বাড়তে শুরু করল সংখ্যা। সর্দি, কাশি, জ্বর... মৃত্যু। এটাই ছিল চক্র। বিশদ

07th  April, 2020
যাও সুখের সন্ধানে যাও
অতনু বিশ্বাস

 সাম্প্রতিক ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন দিল্লির একটি সরকারি স্কুলে। পূর্বনির্ধারিত ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এ যোগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুখের ক্লাস দেখতে। বিশদ

07th  April, 2020
এখন সবাই জেলবন্দি
পি চিদম্বরম

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) ২০৫টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাস হল সংক্রমণ ঘটাতে পটু এক ধরনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বস্তু, যা কেবলমাত্র প্রাণীদেহের জীবিত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে চলে। বিশদ

06th  April, 2020
ধর্মীয় গোঁড়ামির কাছে কি শেষে
হার মানবে করোনা বিরোধী লড়াই?
হিমাংশু সিংহ

 এই ভয়ঙ্কর মহামারীর দিনে দিল্লির নিজামুদ্দিনে লকডাউন ভেঙে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জমায়েত থেকে মানবসভ্যতার কী লাভ হল? কিংবা গত বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে রামনবমীর ভিড়ে ঠাসা মেলায়? সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের রামমন্দিরের সামনে মানুষের লম্বা লাইনে?
বিশদ

05th  April, 2020
আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে।
বিশদ

04th  April, 2020
হাঁটার গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত 

অনেকবার আবেদন করেও আধার কার্ড পায়নি রতু লাল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করা হলে রেশনও পাওয়া যায় না। সুতরাং সে রেশন পায় না। তার খুব দুঃখ ছিল, সরকারের কোনও কাগজ তার কাছে নেই বলে। সেই কষ্ট ঘুচল। অবশেষে করোনা ভাইরাসের দৌলতে এই প্রথম সরকারিভাবে একটি স্বীকৃতি পেল রতু লাল। কোনও কাগজ, সার্টিফিকেট নয়। আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসুজি।   বিশদ

03rd  April, 2020
একনজরে
  আগামী ৩ মে নিট হচ্ছে না। আয়োজক সংস্থা এনটিএ যদিও বা বলেছে, মে মাসের শেষ সপ্তাহে নিট হতে পারে, বর্তমান পরিস্থিতি যা পূর্বাভাস দিচ্ছে, তাও হওয়া কঠিন। ...

রাজীব সরকার, শিলিগুড়ি, বিএনএ: করোনার প্রকোপে উত্তরবঙ্গের চা শিল্প। কোভিড-১৯’র কারণে দেশজুড়ে লকডাউন চলছে। পাশাপাশি উৎপাদনও প্রভাব পড়েছে। এই দু’য়ের কারণে বিপুল ক্ষতির মুখে দার্জিলিংয়ের ...

  অর্ক দে, কলকাতা: লকডাউনের মধ্যেই কাজ এগল দ্রুত। টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ প্রায় শেষের পথে। এই সেতুকে ঘিরে উত্তর কলকাতা বা উত্তর শহরতলির মানুষের ৭৫ বছরের সেই ‘আবেগ’ চলে গেল স্মৃতির অতলে। টালা ব্রিজ বা হেমন্ত সেতু এখন শুধুই ...

সংবাদদাতা, কাটোয়া: লকডাউনে সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকায় এবার ইউটিউবের মাধ্যমে ‘ই-ক্লাস’ চালু করল কাটোয়ার সুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষকরা প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে ইউটিউবের মাধ্যমেই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে তুলে ধরছেন। পড়ানোর শেষে ছাত্র-ছত্রীদের কাছে ফোন করে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মলাভের যোগ রয়েছে। ব্যবসায়ী যুক্ত হওয়া যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রশংসা দুযবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৭: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনের জন্ম
১৯০১: কবি ও সাহিত্যিক অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৩১ - বিশিষ্ট লেখক নিমাই ভট্টাচার্যের জন্ম
১৯৬৪: বিশিষ্ট শেফ সঞ্জিব কাপুরের জন্ম
১৯৭৩: ব্রাজিলের ফুটবলার রবার্তো কার্লোসের জন্ম
১৯৮৬: অভিনেত্রী আয়েষা টাকিয়ার জন্ম
১৯৯৫: চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের মৃত্যু
২০১৫: অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট অধিনায়ক রিচি বেনোর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.৫৪ টাকা ৭৭.২৬ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৫ টাকা ৯৬.২৭ টাকা
ইউরো ৮১.৪৭ টাকা ৮৪.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২৭ চৈত্র ১৪২৬, ১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার, (চৈত্র কৃষ্ণপক্ষ) তৃতীয়া ৪০/১৯ রাত্রি ৯/৩২। বিশাখা ৪১/১৫ রাত্রি ৯/৫৫। সূ উ ৫/২৪/৪০, অ ৫/৫১/২১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৫৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/১২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৬ গতে ৩/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩১ গতে ১১/৩৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৪ গতে ১০/১০ মধ্যে।
২৭ চৈত্র ১৪২৬, ১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার, তৃতীয়া ৫১/১২/২৪ রাত্রি ১/৫৪/৫৪। বিশাখা ৫১/৫৩/২৭ রাত্রি ২/১১/১৯। সূ উ ৫/২৫/৫৬, অ ৫/৫২/৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে ও ৭/৫৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে২/৩২ মধ্যে ও ৪/১১ গতে ৫/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ও ৩/৭ গতে ৩/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩২/২৯ গতে ১০/৫/৪৫ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৪৫ গতে ১১/৩৯/১ মধ্যে।
১৬ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল 
করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ...বিশদ

09:48:00 PM

করোনা: অন্ধ্রপ্রদেশে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ১৬ জন, মোট আক্রান্ত ৩৮১ 

09:34:22 PM

লকডাউনের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে জম্মু ও কাশ্মীরে গ্রেপ্তার ১১০ জন 

09:27:00 PM

করোনা: ঘরের বাইরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, নির্দেশ পাঞ্জাব সরকারের 

09:25:42 PM

করোনা: তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত আরও ৭৭ 
তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ৭৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ ...বিশদ

07:27:33 PM

ভারতে করোনা আক্রান্ত আরও ৮৯৬
নতুন করে দেশে ৮৯৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস। মৃত্যু ...বিশদ

05:59:37 PM