Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন। তাঁরা প্রত্যেকেই ক্ষেত্রনির্দিষ্ট নিয়ম, চুক্তি ও কর বিষয়ক সাধারণ আইন, ব্যবসার রীতিনীতি এবং ক্রেতা-বিক্রেতার সম্পর্কের দিকটি অবশ্য করে মেনে চলেন। এগুলি আমাদের জানা; বস্তুত সবরকমে জানা (ইংরেজিতে যাকে বলে ‘known knowns’)। তাহলে বলব যে, বেস্ট নোন নোনজ হল মানি বা টাকা। আমাদের এই কাহিনীতে প্রধান চরিত্র যিনি নোন নোনজের ভিত্তিতে তিনিই উপযুক্ত সিদ্ধান্তটি নেবেন।
প্রধান চরিত্রটি ভ্রান্ত প্রমাণিত হতে পারেন, অজানাগুলির জন্য। দায়ী দু’রকম অজানা—যেটা আমরা জানি যে আমাদের জানা নেই (ইংরেজিতে যাকে বলে known unknowns) এবং যেটা আগাম অনুমান করা সম্ভব নয় এমন সমস্ত অজানাগুলি (ইংরেজিতে যাকে বলে unknown unknowns)। অনেক অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রধান চরিত্ররা অজানা বিষয়গুলি (unknowns) সামলানোর ব্যাপারেও ওস্তাদ হয়ে উঠতে পারেন।   
প্রধান চরিত্রটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হতে পারেন এবং রাজ্যবাসীর মন জয় করার মতো সুশাসনও দিতে পারেন। তিনি যতদিন সবরকমে জ্ঞাত জিনিসটি, মানে টাকাকড়ির দিকটি সামলে দিতে পারবেন, ততদিন বাকি সমস্ত জানা এবং অজানা দিকগুলিও ‘ম্যানেজ’ হয়ে যাবে। সমস্যা শুধুমাত্র তখনই হয় যখন প্রধান চরিত্রকে জ্ঞাত এবং অজ্ঞাত ক্ষেত্রের বাইরে বেরিয়ে কিছু সামলাতে হয়। এই সমস্যাটিকেই মার্কেট বা বাজার বলে। বাজারটি যখন একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কশূন্য অসংখ্য ব্যক্তি-মানুষের, যেখানে ভয়-ভীতি ও অনিশ্চয়তার পরিবেশে এমন ব্যক্তিদের নিজ নিজ সিদ্ধান্ত নিতে হয় এবং তারা নানা উদ্দেশ্যে চালিত হয়, তখন বাজার আর, একটি সামান্য সমস্যা থাকে না, বাজার হয়ে ওঠে এক মস্ত ঝঞ্ঝাট (big trouble)।
‌‌‌বাজার এমন একটি বিষয়, যত সতর্ক পদক্ষেপই করা হোক না কেন সেখানে কিছু গড়বড় ঘটে যেতেই পারে। ব্যাপারটি বাজারের আকার আয়তনের উপরেও নির্ভর করে। একটি ব্যালান্সড বা স্বাভাবিক বাজেট নিয়ে পরীক্ষার ফলের সঙ্গে একটি সরকারের বাজেটের কোনও তুলনা হবে না, কারণ সরকারকে বাজেট তৈরি করার সময় অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা মাথায় রাখতে হয়। আবার একটি রাজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি দেশ পরিচালনার মতো বিপুল চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করার প্রয়োজন হয় না। 
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন ছিলেন ১২ বছর। তাঁর অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ। তাঁরা ভাবলেন, একত্রে তাঁরা পারবেন না কেন? —তাঁরা ভারতের অর্থনীতি সালটে দেওয়ার উপযুক্ত অর্থনীতিবিদ। 
হায়, তাঁরা এমন একটি অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছেন যে ভারতের পড়ন্ত এবং বিধ্বস্তপ্রায় অর্থনীতির নেতৃত্বে তাঁরাই। বিগত ছয়টি কোয়ার্টার বা ত্রৈমাসিকের সরকারি তথ্য হাতে নিয়ে বলতে পারি যে, ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হারটি (শতাংশ)) যথাক্রমে ছিল এইরকম: ৮.০, ৭.০, ৬.৬, ৫.৮, ৫.০ ও ৪.৫। সমস্ত সূত্রে জানতে পারছি যে এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী দু’জনেই উদ্বিগ্ন, কিন্তু তাঁরা মচকাবেন না—অন্তত এখনও পর্যন্ত সেটাই তো দেখছি। প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর কাজের মধ্যে আপাত একটি বিভাজন রয়েছে: সিদ্ধান্তগুলি নেয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর (পিএমও) এবং অর্থমন্ত্রকের মাধ্যমে সেগুলি রূপায়িত হয়। কিন্তু তাদের ভিতর একটি পারস্পরিক অবিশ্বাস কাজ করে এবং এই দুই গুরুত্বপূর্ণ অফিসের বিশেষ কিছু কর্মীর মধ্যে দোষারোপের পালা (ব্লেম গেম) চলে। 
এখন এই কাহিনীর প্রধান দুই চরিত্র নিরীহ পেঁয়াজের দাম বাগে আনতে নাকানি-চোবানি খাচ্ছেন। বলা বাহুল্য, পেঁয়াজ এমন একটি জিনিস যেটি গরিব এবং মধ্যবিত্তের রোজকার পাতে অপরিহার্য। পেঁয়াজের বিকল্পও কিছু হয় না। 
পাশাপাশি, ন্যাশনাল স্যাম্পেল সার্ভে অর্গানাইজেশনের (এনএসএসও) মতে, পরিবারগুলি যত কেনাকাটা বা উপভোগ করত সেটি কমে  গিয়েছে। গ্রামীণ ভারতে শ্রমিকরা যে-হারে মজুরি পেতেন কমে গিয়েছে সেটিও। বিভিন্ন ক্ষেত্রের উৎপাদকরা তাঁদের পণ্যের যে-দাম  পেতেন, বিশেষত কৃষকরা, সেটিও হ্রাস পেয়েছে। দিনমজুররা মাসে ১৫ দিনের বেশি কাজ পাচ্ছেন না। ফলে, একশো দিনের (এমজিএনআরইজিএ) কাজের চাহিদা বাড়ছে। দীর্ঘকাল ব্যবহার্য এবং স্বল্পকাল ব্যবহার্য—দু’ধরনেরই ভোগ্যপণ্য এখন কম দামে বিকোচ্ছে। পাইকারি দামের স্ফীতি (হোলসেল প্রাইস ইনফ্লেশন) ঘটেছে ১.৯২ শতাংশ পর্যন্ত এবং উপভোক্তার দামের স্ফীতি (কনজ্যুমার প্রাইস ইনফ্লেশন) ৪.৬২ শতাংশে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সমস্ত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর প্রায় ৪৯ শতাংশ। এর অর্থ হল, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির উৎপাদন ক্ষমতার অর্ধেকও কাজে লাগানো হচ্ছে না। শাট ডাউন করে রাখা হয়েছে। আর তার কারণ, বিদ্যুতের চাহিদার অভাব। 
সরকার ভাবে যে আসন্ন বিপর্যয়টি সে ইচ্ছে করবে আর গায়েব হয়ে যাবে। এই সরকারের সমস্যাটি হল, অতীতে গৃহীত অযৌক্তিক সিদ্ধান্তগুলিকে [যেমন ডিমনিটাইজেশন, ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি, ট্যাক্স  টেররিজম, ব্যাঙ্কিংক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের নামে বাড়াবাড়ি (রেগুলেটরি ওভারকিল), দেশীয় শিল্পক্ষেত্রের জন্য সংরক্ষণ নীতি (প্রটেকশনিজম), পিএমওটিকে সমস্ত সিদ্ধান্তগ্রহণের কেন্দ্র বানিয়ে ফেলা প্রভৃতি] আড়াল করতে একগুঁয়ে এবং খচ্চর গোছের ‘ডিফেন্স’ খাড়া করে।
২০১৬ সালে ৮ নভেম্বর তারিখের বিমুদ্রাকরণকে ধন্যবাদ দেব, এই কারণে যে, এটি মানুষের তৈরি করা একটি বিপর্যয়কে প্রকট করেছিল। হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও সরকার পরিণাম গণনা করে নিতে
একটু থামেওনি। ‘দি ইকনোমিস্ট’ সরকারকে অর্থনীতির অযোগ্য মাতব্বর (ইনকমপিটেন্ট ম্যানেজার) বলেছে। 
আর কিছু করার নেই, মন্ত্রীরা ফের ধাপ্পাবাজির লাইনেই (ব্লাফ অ্যান্ড ব্লাস্টার) ফিরেছেন। 
অর্থনীতি মন্থর গতিতে চলছে (স্লো ডাউন) বলে সরকার কবুল করেছে, কিন্তু কাঠামোগত (স্ট্রাকচারাল) কোনও সমস্যার কথা, যার সমাধানে মনোযোগ দরকার, এমনটা তারা মানতে চায়নি। সমস্যাগুলিকে সরকার আবর্তনকালীন বা ‘সাইক্লিকাল’ বলে বর্ণনা করেছে। ভাগ্যিস, কারণগুলিকে তারা ঋতুকালীন (সিজনাল) বলে শনাক্ত করে দেয়নি!
ভারতের অর্থনীতি চলছে যোগ্য অর্থনীতিবিদদের সাহায্য এবং পরামর্শ ছাড়াই। শেষ একজনই ছিলেন ড. অরবিন্দ সুব্রামনিয়ন। কল্পনা করুন সেইরকম একটি পরিস্থিতির কথা, যখন কোনও প্রফেসর ছাড়াই ডক্টরাল প্রোগামে শিক্ষাদান চালু রয়েছে কিংবা কোনও জায়গায় একটি জটিল সার্জারি করা হচ্ছে ডাক্তারকে বাদ দিয়ে! প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদদের তোয়াক্কা না-করে—এবং অযোগ্য  ম্যানেজারদের দিয়ে একটি অর্থনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া—এই দুটির ভিতর কোনও প্রভেদ নেই। 
09th  December, 2019
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পতিরাম: পুরসভার আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশ হতেই এবার বালুরঘাটে পুরভোটের হাওয়া গরম করতে বিজেপি আন্দোলনে নেমে পড়েছে। আসন্ন পুরভোটের আগে তাদের স্লোগান, এই পুরসভা অনাথ আশ্রমের মতো। কোনও পরিষেবাই তারা দিতে পারে না। হয় না নির্বাচনও।  ...

সংবাদদাতা, ঘাটাল: সোমবার রাস্তা সংস্কারের দাবিতে পথ অবরোধ করলেন ব্যবসায়ীরা। এদিন সকালে দাসপুরের সোনাখালি বাজার সংলগ্ন এলাকায় সুলতাননগর-গোপীগঞ্জ সড়ক অবরোধ করা হয়।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মনোজ তিওয়ারির অপরাজিত ট্রিপল সেঞ্চুরির সৌজন্যে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রানের পাহাড়ে বাংলা। সোমবার চা-বিরতির পর প্রথম ইনিংসে তারা ৭ উইকেটে ৬৩৫ রান তুলে ...

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর পুরসভা এলাকায় প্রোমোটারদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে একাধিক বেআইনি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে চেয়ারম্যান, এমনই অভিযোগ তুলেছেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম কুণ্ডু। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতান্তরে না যাওয়াই শ্রেয়। কর্মক্ষেত্রে স্থান পরিবর্তন হতে পারে। ব্যবসায় উপার্জন বাড়বে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫- স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসুর মৃত্যু
১৯৫০- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের মৃত্যু
১৯৬৮- চারটি হাইড্রোজেন বোমা সহ গ্রিনল্যান্ডে ভেঙে পড়ল আমেরিকার বি-৫২ যুদ্ধবিমান
১৯৮৬- অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্ম  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪৯ টাকা ৭২.৬২ টাকা
পাউন্ড ৯০.২৮ টাকা ৯৪.৬২ টাকা
ইউরো ৭৭.০৪ টাকা ৮০.৭৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০, ৬০০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮, ৫২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯, ১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ৭৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ৮৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ মাঘ ১৪২৬, ২১ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, দ্বাদশী ৪৮/২৬ রাত্রি ১/৪৫। জ্যেষ্ঠা ৪৩/২১ রাত্রি ১১/৪৩। সূ উ ৬/২২/৪৯, অ ৫/১২/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫২ গতে ১২/৫২ মধ্যে. রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে। 
৬ মাঘ ১৪২৬, ২১ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, দ্বাদশী ৫০/৫৪/৪৮ রাত্রি ২/৪৭/৫৬। জ্যেষ্ঠা ৪৬/৪১/৪৮ রাত্রি ১/৬/৪৪। সূ উ ৬/২৬/১, অ ১/১৬/৪৯, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ১/৫৯ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। কালবেলা ১/৯/১৩ গতে ২/২৯/৫৩ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫০/৩২ গতে ৮/২৯/৫২ মধ্যে। 
২৫ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সোনারপুরে অটো-পুলকারের সংঘর্ষ, মৃত ১ 

20-01-2020 - 07:02:00 PM

দিনহাটা কলেজে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গোলমাল, জখম বেশ কয়েকজন 
তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দিনহাটা ...বিশদ

20-01-2020 - 05:58:00 PM

ইসলামপুরের দাঁড়িভিটে সড়ক অবরোধ
 

ইসলামপুরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন দাঁড়িভিট কাণ্ডে নিহতদের পরিবার। ...বিশদ

20-01-2020 - 04:47:00 PM

৪১৬ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

20-01-2020 - 04:43:44 PM

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন  জগৎপ্রকাশ নাড্ডা
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে নির্বাচিত হলেন জগৎপ্রকাশ ...বিশদ

20-01-2020 - 03:37:00 PM

সততার নজির হোমগার্ডের 
সততার নজির ময়নাগুড়ি থানার এক হোমগার্ডের। কুড়িয়ে পাওয়া একটি মোবাইল ...বিশদ

20-01-2020 - 03:28:00 PM