Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। অথচ চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি ৫ শতাংশে নেমে গত ছ’বছরের তলানিতে ছুঁয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে আর্থিক বৃদ্ধির পূর্বাভাস যথেষ্ট ছেঁটেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে শুরু করে বিশ্ব ব্যাঙ্ক, আইএমএফ এমনকী স্বনামধন্য মূল্যায়ন সংস্থা মুডিজও। গত অক্টোবরে শেষ রিপোর্টে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বৃদ্ধির পূর্বাভাস ছেঁটেছে ৬.৯ শতাংশ থেকে ৬.১ শতাংশে। বিশ্ব ব্যাঙ্ক ৭.৫ শতাংশ থেকে ৬ শতাংশে। আইএমএফ ৭ শতাংশ থেকে ৬.১ শতাংশ। মুডিজ ৬.২ শতাংশ থেকে ৫.৮ শতাংশ।
নোটবন্দির ঠিক পরে ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকারেরই জাতীয় নমুনা সমীক্ষা সংস্থার (এনএসএসও) রিপোর্টে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল গত ৪৫ বছরে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ। এই হার ছিল ৬.১ শতাংশ। অতি সম্প্রতি গত ১ নভেম্বর স্বনামধন্য উপদেষ্টা সংস্থা সিএমআইই (সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকনমি)-র রিপোর্ট তুলে ধরল অর্থনীতির চাকা বসে যাওয়ার জেরে দেশে কাজের বাজারের আরও বিবর্ণ ছবি। দেশে বেকারত্বের হার দাঁড়িয়েছে ৮.৫ শতাংশ। এই সংস্থার রিপোর্টে ২০১৬-র পরে সর্বোচ্চ। এমনকী ২০১৭ সালের এনএসএসও-র রিপোর্টের (৬.১ শতাংশ) থেকেও যথেষ্ট বেশি। বেকারত্বের বিবর্ণ ছবি গাড়ি শিল্প থেকে বিস্কুট শিল্প পর্যন্ত বিস্তৃত। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম তিন মাসেই উৎপাদন (ম্যানুফ্যাকচারিং) শিল্প সমৃদ্ধির অর্ধেকের দাবিদার গাড়ি ও যন্ত্রাংশ শিল্পে ছাঁটাই চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই তিন লক্ষেরও বেশি। অবস্থা আরও অনেক বেশি সঙ্গিন অসংগঠিত ক্ষেত্রে।
সরকারি পরিসংখ্যান সংস্থা গত ৩০ অক্টোবর সর্বশেষ রিপোর্টে জানাল অক্টোবরে দেশের ৮টি প্রধান পরিকাঠামো ক্ষেত্রে (কয়লা, অশোধিত তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, শোধনাগারজাত পণ্য, ইস্পাত, সিমেন্ট, বিদ্যুৎ, সার) উৎপাদন সরাসরি কমেছে ৫.২ শতাংশ। গত ১৪ বছরে সব থেকে কম। উল্লেখ্য যে, শিল্পোৎপাদন সূচকে এই ৮টি ক্ষেত্রের অবদান ৪০.২৭ শতাংশ। শিল্পোৎপাদনেরও সর্বশেষ রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে গত আগস্টে শিল্পোৎপাদন কমেছে ১.১ শতাংশ যা গত ৭ বছরে সর্বনিম্ন। গত জুনে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ গত ১৫ বছরে সর্বনিম্ন।
কৃষির সমৃদ্ধির হারও হ্রাস পেয়ে প্রায় ২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কার্যত প্রায় সর্বক্ষেত্রে চাহিদার অভাবে যেখানে বেসরকারি লগ্নি তলানিতে, অর্থনীতির ঝিমুনি নিয়ে শিল্প থেকে অর্থনীতিবিদ প্রায় সবাই যেখানে চরম উদ্বিগ্ন সেখানে অর্থমন্ত্রী দাবি করে চলেছেন অর্থনীতি ঠিকঠাক চলছে। নগদের অভাব কোথাও নেই। বাজারে কেনাকাটা হচ্ছে। প্রত্যন্ত এলাকায় যথেষ্ট চাহিদা। ব্যাঙ্কগুলি দরাজ হাতে ঋণ বিলি করছে। গাড়ি বিক্রি কমার দায় চাপাচ্ছেন নতুন প্রজন্মের পরিবর্তিত পছন্দের উপর। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের খারাপ অবস্থার দায় দিচ্ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও প্রাক্তন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের উপর। তথাপিও স্বীকার করতে রাজি নন যে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বিবর্ণ। কিন্তু বাস্তবটা উল্টো। সত্যকে স্বীকার করতে ভয় পাচ্ছেন।
তবে পরোক্ষভাবে সত্যটা স্বীকার করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থ দপ্তরের মুখ্য আর্থিক উপদেষ্টা কৃষ্ণমূর্তি সুব্রহ্মণ্যম। সম্প্রতি আমেরিকার শিকাগোর একটি অনুষ্ঠানের পরে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি গত এক দশকে ভারতের লগ্নির বিপুল ধাক্কা খাওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। প্রকাশিত বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন ভারতে ৫ বছরে ৫ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করতে লগ্নিই মূল হাতিয়ার। তিনি বলেছেন যে ২০০৮ সালে দেশে লগ্নির হার ছিল জিডিপির ৪০ শতাংশ। সেখানে ২০১৮ সালে তা নেমে দাঁড়িয়েছে জিডিপির ২৯ শতাংশ। কৃষ্ণমূর্তির মতে, ২০২৫ অর্থ বছরে অর্থাৎ আগামী ৫ বছরে ৫ লক্ষ ডলার মোদির প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হলে দেশে লগ্নি বাড়ানো ছাড়া গত্যন্তর নেই। বর্তমান বছরে বাজেট পেশ করার সময়ে এই বছরের আর্থিক সমীক্ষায়ও কৃষ্ণমূর্তি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, যে দেশে অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে গেলে উচ্চ সমৃদ্ধির হার আবশ্যক। উচ্চ সমৃদ্ধির হার বজায় রাখা তখনই সম্ভব যখন সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানি গুণগত চক্রের স্থায়িত্ব বজায় রাখা যায় (‘‘High Growth Rate Can Only be Sustained by a ‘Virtuous Cycle’ of Saving, Investment and Export’’)।
সরকারি পরিসংখ্যানই বলছে, ২০১১-১২ অর্থবছরে গৃহস্থের সঞ্চয় ছিল জিডিপির ২৩.৬ শতাংশ। ২০১৭-১৮-তে কমে ১৭.২ শতাংশ। মোট স্থির মূলধন গঠনের অনুপাত ২০১১-১২ অর্থবছরে জিডিপির ৩৬.৫ শতাংশ। ২০১৭-১৮-তে কমে প্রায় ৩০ শতাংশ। রপ্তানির অবস্থাও মোদির আমলে খুবই বিবর্ণ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় ছিল ৩১৪.৪ আমেরিকান বিলিয়ন ডলার। মোদি সরকার তার প্রথম ৪ বছরে অর্থাৎ ২০১৪-১৫ থেকে ২০১৭-১৮ পর্যন্ত সময়কালেও ইউপিএ আমলের শেষ বছরের পণ্য রপ্তানি আয়ের সীমা স্পর্শ করতে পারেনি। শুধুমাত্র গত অর্থবর্ষেই (২০১৮-১৯) ২০১৩-১৪ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের সীমা অতিক্রম করতে পেরেছিল। বর্তমান বছরেও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির আশা ক্ষীণ। বিশ্ব শুল্ক যুদ্ধে ভারতের পক্ষে সুবিধা পাওয়াও যথেষ্ট দুষ্কর। অন্যদিকে আমেরিকার চাপে আমদানি বাড়ার সম্ভাবনা বেশি। তাহলে রপ্তানি আয় বৃদ্ধির সম্ভাবনা থাকছে কোথায়?
প্রশ্ন হল, দেশে সঞ্চয়, বিনিয়োগ ও রপ্তানির চাকা ঘুরবে কীভাবে? কীভাবে দেশে লগ্নি বাড়বে? বর্তমান বছরে বাজেটের পরে ৪ দফা দাওয়াই দেওয়ার পরেও অর্থনীতিতে লগ্নির গ্যারান্টি দেবে কে? চতুর্থ দফা দাওয়াইয়ে কর্পোরেট ট্যাক্সে ছাড়ের ফলে বর্তমান বছরেই রাজস্ব আয় প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা কমতে চলেছে। এছাড়াও কমানো হয়েছে বিভিন্ন পণ্য পরিষেবায় জিএসটির হার। এমনকী বর্তমান অর্থবছরেই মাত্র ৮ মাসের মধ্যেই দেশে ঋণের জোগান বাড়াতে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট ১৩৫ বেসিক পয়েন্ট কমিয়েছে— যা একটি রেকর্ড। এর ফলে প্রবীণ নাগরিক সহ দেশের স্থায়ী সুদের আয়ের উপর নির্ভরশীল দেশের অধিকাংশ নাগরিকদের ব্যাঙ্ক ও স্বল্প সঞ্চয়ে আমানতি সুদ যথেষ্ট কমেছে। আমানতি সুদের উপর নির্ভরশীল অধিকাংশ জনগণের যথেষ্ট কষ্ট সত্ত্বেও বিভিন্ন ক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে একের পর এক ছাড় দিয়ে চলেছে দিল্লি। এত সুবিধা দেওয়ার পরেও নতুন লগ্নির কথা কার্যত মুখে আনছেন না লগ্নিকারীরা।
মূল সমস্যা হল অর্থনীতির অধিকাংশ ক্ষেত্রে চাহিদার চরম বিবর্ণ অবস্থা। আধুনিক অর্থবিদ্যার জনক জন মেনার্ড কেইনস-এর ‘‘The General Theory of Employment, Interest and Money (১৯৩৬)’’ গ্রন্থের প্রধান উপপাদ্য বিষয় ছিল ‘‘The Principle of Effective Demand’’ বা কার্যকরী চাহিদার নীতি। এর মূল বিষয় হল সারা বিশ্বে প্রতিটি দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম মৌলিক বিষয় হল জনগণের কার্যকরী চাহিদা। দেশে দ্রব্য ও সেবাকার্যের জন্য জনগণের কার্যকরী চাহিদার প্রসার ঘটলেই উৎপাদন, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ইত্যাদি সবকিছুরই প্রসার ঘটবেই। ১৯৩০ সালের বিশ্বমন্দার অন্যতম প্রধান কারণ যে জনগণের কার্যকরী চাহিদার চূড়ান্ত অভাব তা তিনি তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থে তুলে ধরেছিলেন।
এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে দেশের চাহিদার এরূপ বিবর্ণ অবস্থা ফেরানো সম্ভব? এ অবস্থা ফেরানোর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন কর্মসংস্থান ও চাকরির দ্রুত প্রসার ঘটানো এবং বর্তমান ছাঁটাই অনেকাংশে রদ করা। এর জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন বেসরকারি ও সরকারি বিনিয়োগ দ্রুত বাড়ানো। গত ৫ বছরে বেসরকারি ক্ষেত্রে বেশ কিছু সংস্কার করেও বিনিয়োগ বাড়েনি। বরং বেসরকারি ক্ষেত্রে সরকারি সুবিধার মাত্রা বাড়ালেও তারা সাধারণত বিনিয়োগ করে না। বর্তমান বাজেটেই কর্পোরেটদের প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা রাজস্বের ছাড় দেওয়া হয়েছে। এমনকী রিজার্ভ ব্যাঙ্ক গত ৮ মাসে ১৩৫ বেসিক পয়েন্ট রেপো রেট কমানোর ফলে দেশের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থায় ঋণে সুদের হার যথেষ্ট কমেছে।
কিন্তু বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা নূতন বিনিয়োগে কার্যত এগিয়ে আসছে না কেন? কেইনস তাঁর গ্রন্থে স্পষ্টভাবে বলেছেন, বেসরকারি বিনিয়োগের প্রধান চালিকাশক্তিই হল নিজেদের ধ্যান-ধারণা ও প্রত্যাশা যাকে কেইনস Animal Spirit হিসেবে উল্লেখ করেছেন। মোদ্দা কথা বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করে বাজারের চাহিদা দেখে, সরকারি সাহায্য দেখে নয়। তাহলে কীভাবে দেশের বিনিয়োগ বাড়বে? বাকি রইল সরকারি বিনিয়োগ।
গত ৫ বছরে মোদির আমলে সরকারি মূলধনী ব্যয়ের মাত্রা জিডির অনুপাতে ক্রমশ কমছে। এবারের বাজেটে সরকারি মূলধনী ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপির ১.৬ শতাংশ। টাকার অঙ্কে ৩.৩ লক্ষ কোটি টাকা। এই ব্যয় যথেষ্ট কমার সম্ভাবনা। কারণ কর্পোরেট ট্যাক্সে প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা ছাড় দেওয়ায় প্রত্যক্ষ কর থেকে আদায় অন্তত প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা কম হতে বাধ্য। জিএসটি থেকে আদায় এবারেও যথেষ্ট কমতে বাধ্য। প্রথম ৬ মাসের হিসেবে দেখা যাচ্ছে, প্রতি মাসে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা গড়ে ১.১৪ লক্ষ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে মাসে গড়ে ১.০১ লক্ষ কোটি টাকা কোনও মাসেই লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারেনি। ৬ মাসে আদায় কমেছে প্রায় ৮১ হাজার কোটি টাকা। ফলে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর মিলিয়ে এবারে রাজস্ব আয় অন্তত ৩ লক্ষ কোটি টাকা কম হবে। অন্যদিকে রাজকোষ ঘাটতি জিডিপির ৩.৩ শতাংশে বেঁধে রাখার লক্ষ্যমাত্রা হলেও বছরের প্রথম ৬ মাসে ঘাটতি পৌঁছেছে ৬.৫২ লক্ষ কোটিতে। ৭.৩ লক্ষ কোটির লক্ষ্যমাত্রায় প্রায় ৯৩ শতাংশ ছুঁয়েছে প্রথম ৬ মাসেই। এমতাবস্থায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থেকে ১.৭৬ লক্ষ কোটি টাকা কেন্দ্র সরকারি কোষাগারে গেলেও এই অর্থ বর্তমান বছরে বিপুল রাজস্ব ঘাটতি বা রাজকোষ ঘাটতি কোনওটিই পূরণ করা সম্ভব নয়। ফলে এবারেও সরকারি মূলধনী ব্যয় হ্রাস পেতে বাধ্য।
একদিকে কর্পোরেটদের প্রায় দেড় লক্ষ কোটি টাকা কর্পোরেট কর ছাড় দিয়ে এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে জিএসটির হার কমিয়েও বেসরকারি লগ্নি বৃদ্ধির আশা ক্ষীণ, অন্যদিকে সরকারি মূলধনী ব্যয়ের অনুপাত ক্রমশ কমছে। এর ফলে সরকারি ক্ষেত্রের মাধ্যমেও কর্মসংস্থান ও চাকরি সৃষ্টির আশা যথেষ্ট কম। বরং রেল থেকে শুরু করে সরকার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগামী কয়েকবছরে কয়েক লক্ষ চাকরি ছাঁটাইয়ের সম্ভাবনা। বর্তমান বছরে অর্থনীতির নোবেল লরিয়েট অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ভারতের বর্তমান অর্থনৈতিক দুরবস্থার জন্য মুখ্যত দায়ী বিমুদ্রাকরণ। চাহিদার এমন সঙ্কট অতীতে বহু বছর ভারত দেখেনি। ভুল নীতিই এর জন্য দায়ী। গরিবদের চাহিদা বৃদ্ধি ব্যতিরেকে ভারতীয় অর্থনীতির উন্নতি সম্ভব নয়। এ জন্য অর্থনীতিতে ‘জোরে ধাক্কাটা’ প্রথমে দিতে হবে সরকারকেই।
 লেখক প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক  
07th  December, 2019
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
নয়া স্থিতাবস্থা যুবসমাজকে রুষ্ট করছে
পি চিদম্বরম

এই ২০২০ সালের ভারতকে ১৯৬৮ সালের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেখাচ্ছে। ১৯৬৮-তে ফ্রান্সের পরিস্থিতিও অনুরূপ ছিল। আমার মনে আছে ১৯৬৮-তে যুক্তরাষ্ট্রে স্বাভাবিক রাজনৈতিক কাজকর্ম ভেঙে পড়েছিল। আর এই বিপর্যয় থেকে দেশকে উদ্ধারের দায়িত্ব বর্তেছিল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উপর। ১৯৬৮-র এই যে বিরাট সঙ্কট তার মূল কারণ ছিল ভিয়েতনাম যুদ্ধ।  
বিশদ

13th  January, 2020
স্বামী বিবেকানন্দের দৃষ্টিতে মানুষের কথা বলাই শ্রেষ্ঠ ধর্ম
হিমাংশু সিংহ

আজ ১২ জানুয়ারি। স্বামী বিবেকানন্দের জন্মদিন। তারকাখচিত বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহামানবের জন্মদিনের তালিকা কম দীর্ঘ নয়। তার মধ্যেও তিন শ্রেষ্ঠ ভারতসন্তানের জন্মদিনের মাহাত্ম্য শতবর্ষ পরেও প্রতিবছরই গোটা জাতিকে আবেগে শ্রদ্ধায় ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রথমজন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।  
বিশদ

12th  January, 2020
সরকারি প্রকল্প বনাম ভোট মেরুকরণ
তন্ময় মল্লিক

বিজেপির ভোট মেরুকরণের রাজনীতি মোকাবিলার একমাত্র হাতিয়ার সামাজিক প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা বাড়ানো। সে কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পে বেনিফিসিয়ারির সংখ্যা এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে দ্বিগুণ করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির ফিডব্যাক বলছে, বিধবা ভাতা, বার্ধক্য ভাতা এবং বাংলা আবাস যোজনায় ঘরের চাহিদা প্রচুর।
বিশদ

11th  January, 2020
নতুন ভারত
সমৃদ্ধ দত্ত

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনধিকারীদের প্রবেশে কেউ আপত্তি করলে, বিরুদ্ধমতাবলম্বীদের বাছাই করে করে মারতে হবে। এবং মাথায় মারাই নিয়ম এক্ষেত্রে। কারণ দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তাশক্তি এবং ভাবনায় ফারাক করে দেয় একটাই জিনিস, মাথা অর্থাৎ মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কেই থাকে মেধা। সুতরাং মাথাকে সবরকম ভাবে টার্গেট করাই যুক্তিযুক্ত ভাবা হচ্ছে। এভাবে একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, হয় মগজ ধোলাইয়ের কোর্স চালু হোক অথবা মাথা ফাটানোর পারমিশন দেওয়া হোক। একান্তই যদি এগুলো সম্ভব না হয়, তা হলে যে সব মনীষী আধুনিক উন্নত চিন্তাশক্তির জনক, তাঁদের মূর্তি ভাঙতে হবে। যেমন কলকাতার বিদ্যাসাগর কলেজে হয়েছে। ভাঙতে হলে বাঙালি মনীষীর মূর্তিই হয় টার্গেট। মাথায় মারতে হলেও বাঙালি ছাত্রী ও অধ্যাপিকাই টার্গেট হয়। বিশদ

10th  January, 2020
মিশন ২০২১: নাগরিকত্ব ইস্যু কি বঙ্গ বিজেপির পথের কাঁটা হয়ে উঠছে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

ক্ষমতায় আসার পর মমতা রাজ্যের যেখানে যা উন্নয়ন উন্নতি করেছেন তার ফল সরাসরি পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। বড় ও ভারী শিল্প হয়তো তিনি এখনও তেমন আনতে পারেননি, তবে ওই উন্নয়নের জোয়ারে এবং অব্যর্থতায় বাংলার গরিব সাধারণের জীবনযাত্রার মান ও গতিতে যে উন্নতি ঘটিয়েছেন— তা এই বঙ্গের ইতিহাসে অনন্য, মুখে না মানুন মনে মনে মানেন সকলেই। সিপিএম নেতৃত্বাধীন বাম আমলের সূচনায় ভূমি সংস্কার ছাড়া মমতার এই উন্নয়নের তুল্য উদ্যোগের নজির খুব কি আছে যাতে উপকৃত হয়েছেন গরিব প্রান্তিক মানুষ থেকে শহর বস্তির সাধারণজন?
বিশদ

09th  January, 2020
নিত্যযন্ত্রণা এবং সরকার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

আমাদের এই বাংলায় এক প্রবাদপ্রতিম ভদ্রলোক আছেন। তাঁর নাম গৌরী সেন। মানে টাকার জোগানদার। শুধু হাত পেতে দাঁড়ানোর অপেক্ষা... তিনি তো দেওয়ার জন্য মুখিয়েই আছেন! আমাদের এই পোড়া দেশে গৌরী সেন হল সরকার। তা সে রাজ্যই হোক বা কেন্দ্র। মানে, যে সরকারকে আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছি, সেই সরকার আমাদের ভর্তুকি দেবে। তেলে ভর্তুকি, গ্যাসে ভর্তুকি, চাল-চিনিতে ভর্তুকি...। ইদানীং এই গৌরী সেনের চরিত্র কিছুটা বদলেছে বলে বোধ হচ্ছে।
বিশদ

07th  January, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: যে রাধে সে যেমন চুলও বাঁধে, তেমনি যিনি চোর-ডাকাত-অপরাধীর পিছনে ছুটে বেড়ান, তিনি আবার সাহিত্যচর্চাও করেন। হরিরামপুর থানায় কর্তব্যরত পুলিস কর্মী তাপস মণ্ডল ডিউটির চাপ সামলেও সামান্য যেটুকু অবসর পেয়েছেন, তাতেই একটি বই লিখে ফেলেছেন।   ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

দিব্যেন্দু বিশ্বাস, নয়াদিল্লি, ১৬ জানুয়ারি: শুধুমাত্র নামের আদ্যক্ষর ব্যবহার করে টিকিট বুকিং করা যাবে না। দিতে হবে পুরো নাম এবং পদবি। দালালরাজ আটকাতে এবার টিকিট ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: গত কয়েক মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা রাজ্য সরকারের সঙ্গে অহি-নকুল সম্পর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্যপালের। সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর সঙ্গে দেখা করায় সমঝোতার আবহ তৈরি হলেও পরবর্তীকালে নানা ইস্যুতে ফের সংঘাতের বাতাবরণ ফিরে এসেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

গুরুজনের চিকিৎসায় বহু ব্যয়। ক্রোধ দমন করা উচিত। নানাভাবে অর্থ আগমনের সুযোগ। সহকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ায় ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪১: মহান বিপ্লবী সুভাষচন্দ্র বসুর মহানিষ্ক্রমণ
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯. ২০ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.১৯ টাকা ৯৪.৫৮ টাকা
ইউরো ৭৭.১০ টাকা ৮০.৮৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০, ৩৯৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮, ৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৮, ৯০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ২/৪০ দিবা ৭/২৮। চিত্রা ৪৭/৪ রাত্রি ১/১৩। সূ উ ৬/২৩/৭, অ ৫/৯/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৩২ গতে ১০/৪১ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ২/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। বারবেলা ৯/৪ গতে ১১/৪৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/২৮ গতে ১০/৭ মধ্যে। 
২ মাঘ ১৪২৬, ১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ১২/৪/১৯ দিবা ১১/১৫/২৬। হস্তা ০/৩/৫ প্রাতঃ ৬/২৬/৫৬ পরে চিত্রা নক্ষত্র দং ৫৬/৯/৪১ শেষরাত্রি ৪/৫৩/৩৪। সূ উ ৬/২৫/৪২, অ ৫/৮/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ১২/৫৫ গতে ২/২৩ মধ্যে ও ৩/৫১ গতে ৫/৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩ গতে ৮/৪৭ মধ্যে ও ৩/৪৪ গতে ৪/৩৬ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৬/৫৫ গতে ১১/৪৭/১৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/২৮/৮ গতে ১০/৭/৪৩ মধ্যে । 
মোসলেম: ২১ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ভারত ৩৬ রানে জিতল 

09:55:34 PM

অস্ট্রেলিয়া ২৩৫/৫ (৪০ ওভার), টার্গেট ৩৪১ 

08:50:02 PM

অস্ট্রেলিয়া ১৫১/২ (২৬ ওভার), টার্গেট ৩৪১

07:46:57 PM

অস্ট্রেলিয়াকে ৩৪১ রানের টার্গেট দিল ভারত 

05:12:00 PM

নির্ভয়া কাণ্ড: দোষীদের ফাঁসি ১ ফেব্রুয়ারি 
নির্ভয়া কাণ্ডে চারজন দোষীদের ফাঁসি ২২ জানুয়ারির বদলে হবে ১ ...বিশদ

05:08:00 PM

ভারত ২৪৯/৩ (৪০ ওভার) 

04:25:39 PM