Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। সেখানকার আর একটা সুবিধে হল যে গোটা বিষয়টার সঙ্গে বেসরকারি মুনাফার সেভাবে কোনও সম্পর্ক নেই। খুচরো বেনিয়ম আছে অনেক, তবে তার সুফল-কুফল সবটাই ভোগ করেন নিম্নবিত্ত মানুষ। সেখানে কয়েক লক্ষ টাকা দিয়ে যন্ত্র কিনে বছরখানেকের মধ্যে লাভ করার অঙ্ক কষতে হয় না। অনেকসময় যন্ত্র খারাপ হয়ে পড়ে থাকে, তবে কাজ করলে তা আম জনতার স্বাস্থ্য পরীক্ষাতেই ব্যবহৃত হয়। তুলনায় স্বচ্ছলদের জন্যে থিকথিকে মানুষে ভরা সরকারি হাসপাতাল স্বাভাবিক গন্তব্য নয়। আশির দশকেও কলকাতায় খুব বেশি মধ্যবিত্ত মানুষ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পেতেন না। তখনও সরকারি হাসপাতালই ছিল মূল গন্তব্য। তবে তারপর থেকে ধীরে ধীরে কলকাতার চরিত্র বদলাতে থাকে। বাড়ির বদলে ফ্ল্যাটের মতই সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি নার্সিং হোমের দিকে দলবেঁধে হাঁটতে শুরু করে মধ্যবিত্ত চিকিৎসাপ্রার্থী বাঙালি। সেই পথেই আজকের দিনে বাইপাসের ধারে উল্টোডাঙা থেকে বারুইপুর পর্যন্ত বেসরকারি হাসপাতালের অভাব নেই। তবে একমাত্র বাইপাসকে চিহ্নিত করে লাভ নেই। কলকাতার অন্যান্য রাস্তার ধারেও প্রচুর বেসরকারি হাসপাতাল আছে। শুধু রাস্তাই বা কেন, গলি কিংবা তস্য গলিতেও নার্সিং হোমের খোঁজ পাওয়া যাবে এই কলকাতায়। এই সমস্ত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অনেকের চিকিৎসা হয়, প্রচুর মানুষের চাকরির সুযোগ হয়, আর তাই সব মিলিয়ে এর গুরুত্বও অস্বীকার করা যায় না। আবার একইসঙ্গে লাভ না করলে এই সমস্ত চিকিৎসাকেন্দ্র চলবে না। এখন প্রশ্ন হল লাভ কতটা করা হবে এবং কোন পথে করা হবে। কলকাতার বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রের সবকিছুই যে খারাপ এমনটাও নয়। সেখানেও বেশ কয়েকজন অসাধারণ চিকিৎসক আছেন যাঁরা শুধু নিজের নামেই এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলির ঊর্ধ্বে। অত্যন্ত সৎভাবে রোগীর সেবা করেন তাঁরা। অন্যদিকে সব চিকিৎসকই যে মহৎ হবেন, এমন উপপাদ্যও কোথাও লেখা নেই। ফলে সেই জায়গাতে বাঙালি মধ্যবিত্তর হয়রানি যথেষ্ট। অনেকটা বেশি টাকা খরচ হলেও বিভিন্ন ঝকঝকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল বেশ খারাপ। সেই প্রেক্ষিতে মুনাফাভিত্তিক চিকিৎসাকেন্দ্রের বিষয়ে নেতিবাচক ধারণাও অমূলক নয়।
আজকের দিনে এমনটা বলাও ঠিক না যে রোগীর পরিবারের লোকজন একেবারে ধোয়া তুলসীপাতা। তাঁদের অনেকে চিকিৎসকদের অনেক বেশি উত্যক্ত করেন। এর একটি কারণ গুগুল করলেই চটজলদি আপাতভাবে অনেক কিছু জানা যায়। ফলে অল্প শিখে রোগীর আত্মীয় স্বজন আরও বেশি উদ্বিগ্ন হন, এবং সঙ্গে আসে অসহিষ্ণুতা। তাঁরা বারবার প্রশ্ন করেন রোগীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে, অনেক সময় তর্ক চলে অপ্রয়োজনে। এতে চিকিৎসকদের বিরক্তি উৎপাদন হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চিকিৎসাব্যবস্থারও উপযুক্ত বদল প্রয়োজন। চিকিৎসক এবং রোগীর পরিবারদের মধ্যে বদলা নেওয়ার প্রতিযোগিতায় রোগীর যে আদৌ কোনও লাভ হয় না সে বোধ সকলেরই আছে। তবু সমাধান দূরে থাক, গত একদশকে ডেঙ্গুর প্রাবল্যে বিষয়টি আরও জটিল হয়েছে। কোনও এক অজানা কারণে ডেঙ্গু সংক্রান্ত সঠিক পরিসংখ্যান প্রকাশ পাচ্ছে না। তবে গত এক বছরে ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টা আগের থেকে কিছুটা বেড়েছে, কমেছে ডেঙ্গু লুকিয়ে রাখার প্রবণতাও। তা সত্ত্বেও একথা বলতেই হয় সরকারের দিক থেকে আরও বেশি সতর্কতা জরুরি। রাজ্য জুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ যেরকম সাংঘাতিক, তাতে জনগণকে বাঁচতে গেলে মশারি ঘাড়ে নিয়ে চলাফেরা করা ছাড়া আর বিশেষ কোনও পথ দেখা যাচ্ছে না। আর এ রোগে চিকিৎসার একটা বড় অংশ বাড়িতে সম্ভব, কিন্তু বাড়াবাড়ি হলে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে। যেকথা আগেই বলছিলাম, অর্থনীতির নিয়মে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিম্নবিত্তদের যেতে হবে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আর মধ্যবিত্তদের স্থান হবে বেসরকারি হাসপাতালে।
সরকারি হাসপাতালে পরিষেবার অপ্রতুলতা থাকলেও টাকা পয়সা নিয়ে গোলমাল কম। অন্যদিকে অস্বীকার করার উপায় নেই যে মধ্যবিত্তদের মূল সন্দেহ হল বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল রোগীদের ঠকাচ্ছে কিনা। এই ঘটনা যে কোনও অসুখের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ এমনটা হতেই পারে যে অসুখ যেটুকু হয়েছে তার থেকে অনেকটা বেশি রোজগার করছে কিছু বেসরকারি চিকিৎসালয়। সাধারণভাবে এর সত্য মিথ্যা যাচাই করা কঠিন, তবে আমজনতার উপলব্ধি অমূলক নাও হতে পারে। ঠিক এরকমই একটা বিভ্রাট অণুচক্রিকার গণনায়। ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা প্লেটলেট (অণুচক্রিকা) কমে যাওয়া। এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় না গিয়েও যেটা বলা যায় তা হল একক মাইক্রোলিটার পরিমাণ রক্তের মধ্যে এর সংখ্যা থাকা উচিত অন্তত দেড় লক্ষের বেশি। কিন্তু ডেঙ্গুর আক্রমণে যদি এর পরিমাণ কয়েক হাজারে নেমে যায় তখন ভীষণ বিপদ। সেক্ষেত্রে হাসপাতালে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখতে হয় রোগীকে। অণুচক্রিকার সংখ্যা গোনার দুটি উপায় আছে। এক হল যন্ত্রের মাধ্যমে আর অন্য উপায় হল প্রশিক্ষিত চিকিৎসক যখন নিজের চোখে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে তা দেখেন। যন্ত্রের যে গণনা তা মূলত আনুমানিক। তাই চিকিৎসকের নিজের চোখে বিচার করা সংখ্যাই অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। শরীরে অণুচক্রিকার পরিমাণ বেশি থাকলে যন্ত্রই মাপুক, কিংবা চিকিৎসক, খুব কিছু যায় আসে না। কিন্তু সে সংখ্যা যখন কমে আসে মাত্র কয়েক হাজারে, তখন গোলমাল অনেক বেশি। উদাহরণস্বরূপ, যন্ত্রে যে মাপ আট হাজার, তাই হয়তো চোখে দেখলে আঠাশ হাজার। এবার অণুচক্রিকার সংখ্যা কম শুনে রোগীর পরিবারের দুশ্চিন্তা বেড়ে যায় অনেক বেশি, এবং সেই পরিস্থিতিতে বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষে মুনাফার পরিমাণ বাড়িয়ে নেওয়াও সহজ। অন্যদিকে যন্ত্র কিছুটা বেশি বলায় হয়তো বাড়ির লোক নিশ্চিন্ত হলেন, এদিকে চোখে দেখে কিছুক্ষণ পরে জানা গেল যে তা অনেকটাই কম। সে আর এক বিপদ।
এর সমাধান কি নেই? একটা পথ হল রোগীর পরিবার চাইলেই রক্তের কিছুটা নমুনা তার পরিবারের সদস্যদের মত অনুযায়ী অন্য কোনও জায়গা থেকে পরীক্ষা করে আনা যেতেই পারে। কিন্তু কিছু ব্যবসায়িক কারণ আর হয়তো বা কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মের বাধ্যবাধকতায় বেসরকারি হাসপাতালগুলি এ ব্যাপারে একেবারেই সহযোগিতা করে না। এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে সরকার নতুন করে কিছু নিয়মাবলী স্থির করতেই পারে। যার কাছে খরচ করার মত পয়সা আছে, সে যদি নিয়মিত একাধিক জায়গা থেকে অণুচক্রিকা গুনিয়ে আনে, তাতে বেসরকারি হাসপাতালের বাধা দেওয়ার কোন যুক্তিযুক্ত কারণ নেই। অন্যদিকে এই অনুমতি দিলে সেই প্রতিষ্ঠানের উপর মানুষের বিশ্বাস বাড়বে অনেকটা। দুটি ভিন্ন জায়গা থেকে কোনও নমুনা পরীক্ষা করলে যে সঠিক অনুমানের সম্ভাবনা বেশি তা রাশিবিজ্ঞানের গোড়ার পরিচ্ছেদেই লেখা থাকে। দ্বিতীয় কথা হল ডেঙ্গুর প্রকোপ যদি এভাবে বাড়তে থাকে সেক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসার জন্যে যন্ত্রগণকের বদলে বিশেষজ্ঞের চোখে দেখে অণুচক্রিকার সংখ্যা গোনা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চিকিৎসকের সংখ্যা যদি সীমিত হয় এবং নমুনার সংখ্যা থাকে অনেক বেশি, তাহলে অপেক্ষার সময় অনেকটা বেড়ে যাবে। চিকিৎসায় বিলম্ব হবে সঙ্কটাপন্ন রোগীর। অর্থাৎ বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কিছু কর্মী যদি চিকিৎসকদের এই চোখে দেখার কাজে সাহায্য করতে পারেন, তাহলে অনেক বেশি অসুস্থ মানুষের শারীরিক অবস্থার সঠিক নির্ণয় দ্রুততর হওয়া সম্ভব। একথা মেনে নিতেই হবে যে ডেঙ্গুর রমরমা বেসরকারি চিকিৎসাব্যবস্থাকে বছরভর অনেক বেশি অক্সিজেন দিচ্ছে। তবুও সামান্য অণুচক্রিকার সংখ্যা গোনা নিয়েই প্রতিদিন রোগীর পরিবার এবং বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দিনভর দ্বন্দ্ব। এর মধ্যেই বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়েই ঘরে ফিরছেন, কিন্তু দু-একটি ক্ষেত্রে তা ঘটছে না। সেকথা গত কয়েকদিন ধরে সংবাদমাধ্যমে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার এবং বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রের প্রশাসন অণুচক্রিকা বিভ্রাট আর একটু স্বচ্ছভাবে সামলাতে পারলে সব পক্ষেরই মঙ্গল।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
 
06th  December, 2019
মহামারীর কাছে আমরা কেন এত অসহায়?
মৃণালকান্তি দাস

 কেমন যেন স্লো মোশনের একটা সিনেমার দৃশ্যের ভিতরে ঢুকে পড়েছি আমরা! গোটা দুনিয়াটাই হঠাৎ করে যেন আটকে গিয়েছে এক জায়গায়। মানুষের থেকে অনেক ক্ষমতাবান কিছু একটা যেন স্তব্ধ করে দিয়েছে সবকিছু। চীন, ইতালি, স্পেন ছাড়িয়ে মার্কিন মুলুকেও ঝাঁপিয়ে পড়েছে সেই ক্ষমতাবান অদৃশ্য শত্রু।
বিশদ

নাগরিক সমাজকেও প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 করোনার ভয়াবহ বিপর্যয় কতদিন ধরে চলবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না চিকিৎসা বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা। আজ সারা পৃথিবীটাই করোনায় আক্রান্ত। শুধু ইউরোপেই মৃতের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার।
বিশদ

করোনাকালেও অব্যাহত পাকিস্তানের নষ্টামি
হারাধন চৌধুরী

 গত ১৬ মার্চ কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইসিস তার সদস্য ও অনুগামীদের ইউরোপ সম্পর্কে হুঁশিয়ার করে বলেছিল—‘‘দি ল্যান্ড অফ দি এপিডেমিক!’’ লন্ডন থেকে তাদের ‘অ্যাডভাইজারি’ ছিল যে: বিশ্ব মহামারীর এই নতুন কেন্দ্রে তাদের কেউ যেন আপাতত পা না-রাখে এবং ইউরোপে অবস্থানকালে কেউ যদি ইতিমধ্যেই করোনা সংক্রামিত হয়ে গিয়ে থাকে তবে সে/তারা যেন কোনওভাবেই সংগঠনে এসে ভিড়ে না-যায়।
বিশদ

09th  April, 2020
ড্রেনের জল পরীক্ষা করেই গোষ্ঠী সংক্রমণের আগাম হদিশ মিলতে পারে
মৃন্ময় চন্দ

 নোভেল করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে সারা বিশ্ব প্রকম্পিত। রোগটির চালচলন বিজ্ঞানী বা চিকিৎসক মহলে মোটেই পরিচিত নয়। শুধু চীন কেন, আমেরিকা, ইতালি, স্পেন, ইরান—সর্বত্রই বয়স্কদের উপর বেশি আঘাত হানতে শুরু করেছিল এই মারণ ভাইরাস।
বিশদ

09th  April, 2020
করোনার পরেও আছে এক অন্ধকার সময়
সন্দীপন বিশ্বাস

 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তখন যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর ওই অবস্থা নিয়ে সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘আমরা চাঁদা তুলে মারব কীট/... বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে সে কীসের বসন্ত!’
বিশদ

08th  April, 2020
জরুরি দ্রুত এবং ব্যাপক জনমুখী পদক্ষেপ
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

করোনা ভাইরাস ভারতীয় অর্থনীতির সামনে একই সঙ্গে একটা বড় ধাক্কা এবং কিছুটা সুযোগ দিয়ে গেল। এমনিতেই বৃদ্ধির হার কমতে কমতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। আশা করা যাচ্ছিল এবার হয়তো সেটা ৫ শতাংশের কাছে পৌঁছবে।
বিশদ

08th  April, 2020
গ্যালারি শো কতদিন?
খাবার জুটবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ব্যবসার কাজে হংকং গিয়েছিলেন বেথ এমহফ। কাজ সেরে পার্টি... তারপর দেশে ফেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শিকাগো হয়ে যখন মিনিয়াপোলিস ফিরলেন, ততক্ষণে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দুই, চার, ১৬, ২৫৬... বাড়তে শুরু করল সংখ্যা। সর্দি, কাশি, জ্বর... মৃত্যু। এটাই ছিল চক্র। বিশদ

07th  April, 2020
যাও সুখের সন্ধানে যাও
অতনু বিশ্বাস

 সাম্প্রতিক ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন দিল্লির একটি সরকারি স্কুলে। পূর্বনির্ধারিত ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এ যোগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুখের ক্লাস দেখতে। বিশদ

07th  April, 2020
এখন সবাই জেলবন্দি
পি চিদম্বরম

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) ২০৫টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাস হল সংক্রমণ ঘটাতে পটু এক ধরনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বস্তু, যা কেবলমাত্র প্রাণীদেহের জীবিত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে চলে। বিশদ

06th  April, 2020
ধর্মীয় গোঁড়ামির কাছে কি শেষে
হার মানবে করোনা বিরোধী লড়াই?
হিমাংশু সিংহ

 এই ভয়ঙ্কর মহামারীর দিনে দিল্লির নিজামুদ্দিনে লকডাউন ভেঙে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জমায়েত থেকে মানবসভ্যতার কী লাভ হল? কিংবা গত বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে রামনবমীর ভিড়ে ঠাসা মেলায়? সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের রামমন্দিরের সামনে মানুষের লম্বা লাইনে?
বিশদ

05th  April, 2020
আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে।
বিশদ

04th  April, 2020
হাঁটার গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত 

অনেকবার আবেদন করেও আধার কার্ড পায়নি রতু লাল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করা হলে রেশনও পাওয়া যায় না। সুতরাং সে রেশন পায় না। তার খুব দুঃখ ছিল, সরকারের কোনও কাগজ তার কাছে নেই বলে। সেই কষ্ট ঘুচল। অবশেষে করোনা ভাইরাসের দৌলতে এই প্রথম সরকারিভাবে একটি স্বীকৃতি পেল রতু লাল। কোনও কাগজ, সার্টিফিকেট নয়। আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসুজি।   বিশদ

03rd  April, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার প্রভাবে গৃহবন্দি প্রত্যেকেই। সাধারণ কিংবা অসাধারণ, রেহাই নেই কারও। জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সংযুক্ত ব্যক্তিরা অবশ্য কর্মব্যস্ত। কোভিড-১৯’এর চ্যালেঞ্জ টপকে কর্তব্যরত তাঁরা। ...

  অর্ক দে, কলকাতা: লকডাউনের মধ্যেই কাজ এগল দ্রুত। টালা ব্রিজ ভাঙার কাজ প্রায় শেষের পথে। এই সেতুকে ঘিরে উত্তর কলকাতা বা উত্তর শহরতলির মানুষের ৭৫ বছরের সেই ‘আবেগ’ চলে গেল স্মৃতির অতলে। টালা ব্রিজ বা হেমন্ত সেতু এখন শুধুই ...

 সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: রাজ্যের কয়েকশো সংস্কৃত টোল অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অবশেষে জট কাটল। শুধু তাই নয়, ভারতীয় শিক্ষার প্রাচীন ঐতিহ্য বহনকারী এই টোলগুলিতে এক দশকের বেশি ...

সংবাদদাতা, কাটোয়া: লকডাউনে সমস্ত স্কুল বন্ধ থাকায় এবার ইউটিউবের মাধ্যমে ‘ই-ক্লাস’ চালু করল কাটোয়ার সুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষকরা প্রতিটি বিষয় খুঁটিয়ে ইউটিউবের মাধ্যমেই ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে তুলে ধরছেন। পড়ানোর শেষে ছাত্র-ছত্রীদের কাছে ফোন করে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের সুবিধা অসুবিধার কথা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মলাভের যোগ রয়েছে। ব্যবসায়ী যুক্ত হওয়া যেতে পারে। কর্মক্ষেত্রে সাফল্য আসবে। বুদ্ধিমত্তার জন্য প্রশংসা দুযবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৭: স্বাধীনতা সংগ্রামী ও পশ্চিমবঙ্গের তৃতীয় মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনের জন্ম
১৯০১: কবি ও সাহিত্যিক অমিয় চক্রবর্তীর জন্ম
১৯৩১ - বিশিষ্ট লেখক নিমাই ভট্টাচার্যের জন্ম
১৯৬৪: বিশিষ্ট শেফ সঞ্জিব কাপুরের জন্ম
১৯৭৩: ব্রাজিলের ফুটবলার রবার্তো কার্লোসের জন্ম
১৯৮৬: অভিনেত্রী আয়েষা টাকিয়ার জন্ম
১৯৯৫: চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী মোরারজি দেশাইয়ের মৃত্যু
২০১৫: অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট অধিনায়ক রিচি বেনোর মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.৫৪ টাকা ৭৭.২৬ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৫ টাকা ৯৬.২৭ টাকা
ইউরো ৮১.৪৭ টাকা ৮৪.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২৭ চৈত্র ১৪২৬, ১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার, (চৈত্র কৃষ্ণপক্ষ) তৃতীয়া ৪০/১৯ রাত্রি ৯/৩২। বিশাখা ৪১/১৫ রাত্রি ৯/৫৫। সূ উ ৫/২৪/৪০, অ ৫/৫১/২১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৫৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/১২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/২৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৬ গতে ৩/৫২ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩১ গতে ১১/৩৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪৪ গতে ১০/১০ মধ্যে।
২৭ চৈত্র ১৪২৬, ১০ এপ্রিল ২০২০, শুক্রবার, তৃতীয়া ৫১/১২/২৪ রাত্রি ১/৫৪/৫৪। বিশাখা ৫১/৫৩/২৭ রাত্রি ২/১১/১৯। সূ উ ৫/২৫/৫৬, অ ৫/৫২/৭। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে ও ৭/৫৫ গতে ১০/২৪ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে২/৩২ মধ্যে ও ৪/১১ গতে ৫/৫২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ও ৩/৭ গতে ৩/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩২/২৯ গতে ১০/৫/৪৫ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৪৫ গতে ১১/৩৯/১ মধ্যে।
১৬ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ছাড়াল 
করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ...বিশদ

09:48:00 PM

করোনা: অন্ধ্রপ্রদেশে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ১৬ জন, মোট আক্রান্ত ৩৮১ 

09:34:22 PM

লকডাউনের নিয়ম ভাঙার অভিযোগে জম্মু ও কাশ্মীরে গ্রেপ্তার ১১০ জন 

09:27:00 PM

করোনা: ঘরের বাইরে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, নির্দেশ পাঞ্জাব সরকারের 

09:25:42 PM

করোনা: তামিলনাড়ুতে আক্রান্ত আরও ৭৭ 
তামিলনাড়ুতে করোনায় আক্রান্ত হলেন আরও ৭৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১ ...বিশদ

07:27:33 PM

ভারতে করোনা আক্রান্ত আরও ৮৯৬
নতুন করে দেশে ৮৯৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস। মৃত্যু ...বিশদ

05:59:37 PM