Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

জয়বাংলার লোক/ মোটা মোটা চোখ/ আতপ চালের ভাত খেয়ে/ ক্যাম্পের মধ্যে ঢোক।
এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। তবু রয়ে গিয়েছে। শৈশবস্মৃতির শিকড় এতটাই গভীর কখনও। আজ বুঝতে পারি, কারণ, এই ছড়া আমার শুধু শ্রবণযন্ত্রকে অধিকার করেনি, দর্শনেন্দ্রিয়, এমনকী ত্বক রক্ত মাংস অস্থি ভেদ করে হৃদয়কে আন্দোলিত করেছে দীর্ঘকাল। এখনও করছে। পঞ্চাশ পেরনো অনেকেইর চেনা হয়তো ছড়াটি। সূচনার ‌‘জয়বাংলা’ শব্দবন্ধটি অবশ্যই গৌরবসূচক। কিন্তু, ছড়াটি কোনোভাবে মর্যাদাসূচক হয়ে ওঠেনি। বরং বাংলার একটি অংশের মানুষের প্রতি অবজ্ঞা তাচ্ছিল্য, এমনকী ঘৃণাই প্রকট হয়ে উঠেছে এই ছড়ার পরবর্তী শব্দগুলি চয়নের ভিতর দিয়ে।
‘জয়বাঙলা’ শব্দবন্ধটি, কাজী নজরুল ইসলাম প্রথম (১৯২২) ব্যবহার করেছিলেন। পূর্ববঙ্গে মাদারিপুরের ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনের নেতা পূর্ণ চন্দ্রের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কবি একটি প্রশস্তি লেখেন। তাতেই শব্দটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। পরে এটাই হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ‘মন্ত্র’। এই মন্ত্রশক্তির বলেই মুক্তিযোদ্ধারা সমস্ত ভয় তুচ্ছ করতে পেরেছিলেন, পরাস্ত করেছিলেন পাকিস্তানের জল্লাদ বাহিনীকে, জিন্না সাহেবের সাধের পূর্ব পাকিস্তান ২৪ বছরের ভিতরে ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ’ রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘জয়বাংলা’ নামে একটি সাপ্তাহিক কাগজও বেরত। ‘মুজিবনগর’ (কলকাতায়) থেকে। ছিল প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের মুখপত্র। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ‘স্বাধীনতার ঘোষণা’টি এই কাগজের প্রথম সংখ্যায় ছাপা হয়। পাকপন্থীরা অবশ্য ‘জয়বাংলা’ স্লোগানটিকে বাঙালির হৃদয় থেকে মুছে ফেলতে চায়। অন্যদিকে, স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখার পক্ষের বাংলাদেশিরা চান ‘জয়বাংলা’কেই সে-দেশের ‘রাষ্ট্রীয় স্লোগান’-এর স্বীকৃতি দেওয়া হোক।
মনে পড়ছে, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এবং তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর এপার বাংলায় পূর্ববঙ্গের শরণার্থীর ঢল নেমেছিল। দুই বাংলার সীমান্তে হেন জায়গা পাওয়া দুষ্কর ছিল যেখান দিয়ে পূর্ববাংলার মানুষ এপারে প্রবেশ করেনি—নদী খাল বিল, খেত-খামার, জঙ্গল কোনও কিছুকেই বাধা মানেনি তারা। উপায়ও ছিল না। কোনোরকমে প্রাণটাকে বাঁচাতে হবে। এই ছিল সবার লক্ষ্য, মোক্ষ। তাদের বেশিরভাগই চলে এসেছিল বস্তুত একবস্ত্রে, খালি পেটে আর একটি করে ভাঙা বুক নিয়ে। অবশ্য সবার সেই সৌভাগ্যও হয়নি। সীমান্ত পেরনোর আগেই খান সেনাদের নজরে পড়েছিল যারা, তাদের হয় কচুকাটা করেছিল, নয়তো এলোপাতাড়ি গুলিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছিল। দুধের শিশু থেকে নিরীহ নারী, অশক্ত বৃদ্ধবৃদ্ধা কারও জন্য তাদের এতটুকু মায়া মহব্বত ছিল না। নাবালিকা থেকে অন্তঃসত্ত্বা, এমনকী প্রৌঢ়া, বৃদ্ধাদেরও ইজ্জত লুটেছিল সেই বেজম্মার দল। বামপন্থীদের কল্যাণে ‘সর্বহারা’ কথাটির সঙ্গে আমরা বেশ পরিচিত। এতক্ষণ যে বাঙালি শরণার্থীদের কথা বলা হল, সর্বহারার সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত তো তারাই।
প্রথম দিকে তাদের কারও কারও অস্বাস্থ্যকর শরণার্থী ক্যাম্পগুলিতে জায়গা হয়েছে, আবার কারও হয়নি। তারা রাস্তা রেললাইন খাল নদী প্রভৃতির ধারে খোলা আকাশের নীচে, অথবা কোনোরকমে খাড়া করা ছাউনিগুলিতে ছিল। তার ভিতরেই শীত বর্ষাও কেটেছে মানুষগুলির। তাদের কাছে টাকাকড়ি বলতে কিছু নেই। সরকারি দানখয়রাতিই এক ও একমাত্র ভরসা। কিছুদিন রান্না খাবার, পাউরুটি, ছাতু, গুঁড়ো দুধ, জরুরি কিছু ওষুধ প্রভৃতি দেওয়া হয়েছে। তারপর রেশন মারফত দেওয়া হতো চাল। চাল বলতে আতপ চাল। এসব মিলিয়েই শরণার্থীদের হিউমিলিয়েট করার জন্য ‘জয়বাংলার লোক ...’ ছড়াকাটা হতো। ‘দিন আসবে’ ধরে নিয়ে হতভাগ্যরা কিছুই বলত না।
এই মানুষগুলি এমনভাবে থাকতে বাধ্য হতো যে তাদের মধ্যে পেটের ও ত্বকের নানা ধরনের অসুখ সংক্রামক হয়ে উঠেছিল। আর ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল চোখের চেনা অসুখ কনজাংটিভাইটিস। অস্বীকার করার উপায় নেই, কনজাংটিভাইটিস ওইসময় গণহারে ছড়িয়েছিল। অতএব, এই অসুখটির জন্য কেউ কেউ শরণার্থীদেরই দায়ী করল। শুধু দায় চাপাল না, অসুখটার নামও দিয়ে দিল ‘জয়বাংলা’! প্রকোপ অনেক কমে এলেও অসুখটা এখনও বিরল নয়। অবাক ব্যাপার, এখনও অনেক শিক্ষিত মানুষকেও বলতে শুনি—ওর ‘জয়বাংলা’ হয়েছে! সোজা কথায় পূর্ববঙ্গ থেকে আসা উদ্বাস্তু বা শরণার্থীদের সম্পর্কে ঘৃণা দেশভাগের ৭২ বছর পরেও দূর হয়নি।
আজ মানবেতর জীবনের সংজ্ঞা খুঁজতে গেলে প্রথমেই একাত্তরের সেই জীবন্মৃত মানুষগুলির ছবি সারি দিয়ে আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়ে। গৃহযুদ্ধে বিধ্বস্ত আফ্রিকার কিছু দেশ, সিরিয়া, প্যালেস্তাইন, আফগানিস্তান, কিংবা মার্কিনহানায় বিপর্যস্ত ভিয়েতনামের যেসব ছবি পরবর্তীকালে দেখেছি তাকে বাঙালির সেই দুর্দশার পাশে ন্যূন মনে হয়।
এই মানুষগুলির আদি পরিচয় কী? তারা ভারতসন্তান। ছোটবেলায় ইতিহাসে পড়েছি, ভারতকে অত্যাচারী ব্রিটিশের শাসনমুক্ত করার কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল মূলত তিনটি প্রদেশ—বাংলা, পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র। পূর্ববঙ্গ কোনোভাবেই তার বাইরে ছিল না। পূর্ববঙ্গের মানুষজন সমান লড়েছিল। তবেই ভারত স্বাধীন হয়েছিল। কিন্তু সেই ‘স্বাধীনতা’ যে তাদের একাংশের জীবনে চরম অভিশাপের নামান্তর হয়ে উঠবে, তা তারা দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি। আমরা জানি, সেই অভিশাপের নাম দেশভাগ। হতভাগ্য মানুষগুলি এজন্য সেকালের হাতে গোনা কিছু ন্যাশনাল লিডারকেই দায়ী করে, যাঁদের ক্ষমতার লোভ দেশভাগ অবশ্যম্ভাবী করে তুলেছিল। সাবেক বাংলা প্রদেশ দু’ভাগেই অবশ্য ক্ষান্ত হয়নি। বাংলার বেশিরভাগটা এসেছিল পশ্চিমবঙ্গে। (যদিও হিন্দুপ্রধান সাবেক খুলনা ও যশোহর জেলা পাকিস্তান কেন পেয়েছিল, সদুত্তর মেলনি।) আর কিছুটা গিয়েছে উত্তর-পূর্ব ভারতে। বরাক উপত্যাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল যুক্ত হয়েছে আজকের অসম প্রদেশের সঙ্গে আর কিছুটা নিয়ে গঠিত হয়েছে ত্রিপুরা রাজ্য। ভারতের মানচিত্র নিয়ে স্যার শেরিল র‌্যাডক্লিফের কাটাকুটির খেলা এখানেই শেষ হয়নি, দুই বাংলা আর অসমের মধ্যে তিনি দেড়শোর বেশি ছিটমহলেরও জন্ম দিয়ে গিয়েছেন। যে-যন্ত্রণা এই সেদিন অবধি বয়ে বেড়াতে হয়েছে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষকে।
তাহলে বলুন, এই মানুষগুলির নিজের দোষটা কোথায়? যাদের বসবাসের পুরনো অঞ্চল অসমের অন্তর্ভুক্ত করা হল তাদের কেন অসমে ‘বহিরাগত’ দেগে দেওয়া হবে? কেন কিছু মানুষকে সাত দশকের বেশিকাল ছিটমহলের জাঁতাকলে পেষাই করা হল? নেতাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণের কারণে কিছু মানুষকে পাকিস্তানে ফেলে রাখা হল। সেখানে একাধিক বার দাঙ্গার শিকার হল তারা। এইভাবে আড়াই দশক কাটার আগেই, একাত্তরে যুদ্ধের বলি হল তারা।
এখন জাতীয় নাগরিক পঞ্জির (এনআরসি) নতুন ধুয়ো তোলা হচ্ছে। সেখানে বাঙালিকে ফের প্রমাণ করতে হবে যে সে ‘ভারতীয়’! মানেটা কী? এই জাতিটার কি আর কোনও কাজ নেই। একটা করে ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে-না-উঠতেই তাকে আরেকটা নতুন ধাক্কা গ্রহণের জন্য তৈরি হতে হবে! কেন? কেন? কেন? এবং, আর কত বার, আর কত কাল চলবে এই পিং পং খেলা?
এখন শঙ্কিত স্বয়ং হেমন্ত বিশ্বশর্মা, মানে উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজেপির প্রধান মুখ তথা অসমের অর্থমন্ত্রী। চতুর্দিকে বিজেপির মুখ পুড়ছে বলেই না? বিশেষত অসমের চূড়ান্ত এনআরসি তালিকায় ১২ লক্ষাধিক হিন্দুর নাম বাদ পড়েছে। তিনি পরিষ্কার বুঝে গিয়েছেন, এই বার্তা ক্রমে রটে গেলে তাঁদের ঘৃণার রাজনীতি ফিনিশ হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২০ নভেম্বর হেমন্তবাবুই দাবি করেছেন, অসমের চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি বাতিল করা উচিত। তবে শুধু অসমের জন্য নয়, সারা ভারতের জন্য নতুন করে এনআরসি প্রস্তুত করা উচিত, যার একটি নির্দিষ্ট কাট অফ ডেট (অসমের জন্য ২৪ মার্চ, ১৯৭১ দিনটি ধার্য করা হয়) থাকা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। হেমন্তবাবু মনে করছেন, অসমে এনআরসি তালিকা তৈরিতে অনেক গলদ আছে। ২৮ নভেম্বর তিনি বলেন, এনআরসিতে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য যেসব হিন্দু বাঙালি আবেদন করেছিলেন তাঁদের জেলাভিত্তিক নাম প্রকাশ্যে আনা হবে।
তা, কী লভ্যটা হবে মশায়? ক্ষমতার কারবারিদের আরেক দফা চাপান-উতোর ছাড়া কী মিলবে? এখন কথা হল, বাঙালি কেন এত ভুগবে? এই দুর্ভোগের অগ্রে বাঙালির নামটিই রাখছি, কারণটি সোজা—এদেশের আর কোনও জাতিকে এই দুর্ভোগ পোহাতে হবে না—অমিত শাহের হুঙ্কার মতো সারা দেশে এনআরসি হলেও না। বাঙালি ছাড়া আর কাউকেই যাযাবর বা নিজভূমে পরবাসী বানায়নি এদেশের ঘৃণ্য রাজনীতি, পাঞ্জাবিদের কথা মাথায় রেখেই বলছি। এনআরসির পরীক্ষায় পাশ নম্বর পাওয়ার জন্য যেসব নথি রেডি রাখার ফতোয়া আসছে বলে শোনা যাচ্ছে, তা পশ্চিমবঙ্গের দু-চার কোটি বাঙালি জোগাড় করতে ব্যর্থ হবে। ১৯৭১-এর ২৪ মার্চের আগে ভারতে প্রবেশ করার সময় ক’জন বর্ডার স্লিপ নিতে পেরেছিল? নিয়ে থাকলেও ক’জন তা এতকাল গুছিয়ে রাখতে পেরেছে? ক’জন ওই কাগজের ভবিষ্যৎ গুরুত্ব বুঝেছিল? কোন জ্যোতিষ-গণনায় তারা টের পাবে যে, কোনও একদিন এক মহান সরকারের এনিয়ে বাই চাগাড় দিয়ে উঠবে?
শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ তৈরি হয়। তিনি হিন্দুসহ সমস্ত ধর্মীয় সংখ্যালঘুকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে নতুন দেশ হবে সবার, চলবে ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিতে। আর যায় কোথায়! পাকিস্তানের দালাল বাহিনী তাঁকে ‘হিন্দু ভারতের হাতের পুতুল’ দেগে দিয়ে খুন করল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসে। তাঁর মৃত্যুর পরই বাংলাদেশের উপর ‘রাষ্ট্রধর্ম’ ইসলাম চাপিয়ে দেওয়া হল। ফলে, মুজিব-উত্তর বাংলাদেশ বহু হিন্দুর কাছে মোটেই নিরাপদ মনে হয়নি। সব ছেড়েছুড়ে কিংবা যাবতীয় সহায় সম্বল জলের দরে বেচে দিয়ে তারা এদেশে চলে এসেছে। বাংলাদেশের প্রগতিশীল সমাজ বার বার দাবি জানালেও বাংলাদেশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়নি বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত সংবিধান। দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন থেকে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও তা পারেননি। হাসিনার সরকার হিন্দুসহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে আন্তরিক বলে শুনতে পাই। তবু, কেন যেন এখনও সে-দেশের হিন্দুদের একটা বড় অংশের মন থেকে ভয় দূর হয়নি।
অন্যদিকে বলব সেইসব মানুষের কথা, যারা এই বাংলা কিংবা এই ভারতের বাইরে পৃথিবীর কিছু আছে বলে জানে না, শোনেওনি, তাদের কথা। তারা এই বঙ্গে, এই ভারতে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহদের থেকেও বেশিকাল যাবৎ বসবাস করছে। হলফ করে বলা যায়, এমন বহু মানুষও এনআরসির প্রয়োজনীয় নথির জোগান দিতে পারবে না। যে-দেশের নানা অংশের মানুষ বংশপরম্পরায় ভূমিহীন গৃহহীন, ঝড়ঝঞ্ঝা বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ফি বছর যাদের সঙ্গী, অশিক্ষার অভিশাপ এখনও যাদের আষ্টেপৃষ্ঠে রেখেছে, তারা জানে না জন্ম সার্টিফিকেট, মৃত্যুর সার্টিফিকেট বলে যে কিছু হয়, সেসব গুছিয়ে রাখতে হয়, কীভাবে রাখতে হয়। একবেলার চাল আটা জোগাড় করতেই যাদের কালঘাম ছোটে তাদের জমির দলিল আবার কী মশায়? চাকরির নথি কোত্থেকে জুটবে? সাত জম্মে কেউ স্কুল-পাঠশালায় গিয়েছে? অফিসে ঢোকার পারমিশন জুটবে কোত্থেকে হে? এই লোকগুলোর কী বন্দোবস্ত? ভারতে ভবঘুরে লোকের সংখ্যা কত, সরকার হিসেব দিতে পারবে? সারা পৃথিবীতে জিপসি-রোমানি যারা, শুনেছি তারা আদিতে ভারতীয়! তাদের উপর ইউরোপে একসময় খুব অত্যাচার হয়েছে, হিটলারের জমানা থেকে, এখনও হচ্ছে। তারা আজকের ভারতেও চলমান—ভদ্রজনেরা তাদের বানাজারা বলি। এনআরসি-ওয়ালারা এদের কথা মাথায় রেখেছেন তো?
ভারতভাগের খেলা থেকে এ পর্যন্ত অনেক দেখলাম আমরা। নেতাদের খামখেয়াল বন্ধ হওয়া দরকার। তাঁরা একটু মানবিক হোন। মানুষকে মানুষ ভাবতে শিখুন। তাহলেই দেখবেন এসব বদবুদ্ধি মাথা থেকে জাস্ট উবে যাবে। শুধু একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক খুলে ফেললেই দায় মিটে যায় না, দেশবাসীই যে যথার্থ মানবসম্পদ (হিউম্যান রিসোর্স)—এই শ্রদ্ধাটি থাকা জরুরি। দেশকে দ্রুত এবং সুন্দরভাবে সাজাতে হলে এই অমূল্য সম্পদের সদ্ব্যবহার করতেই হবে। মানুষকে অকারণ, বারংবার, ব্যতিব্যস্ত করার পরিণাম—অপূরণীয় ক্ষতিই আহ্বান করা।
05th  December, 2019
আম আদমির বাজেট প্রত্যাশা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

কর্পোরেট কর ২৫ শতাংশ, আর ব্যক্তিগত আয়কর ৩০ শতাংশ... এটা তো হতে পারে না! কাজেই আসন্ন বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের দিক থেকে সাধারণ চাকরিজীবীরা লাভবান হতে পারেন। তাও বিষয়টা সম্ভাবনা আকারেই আছে। তার কারণ, লোকসভা নির্বাচন সদ্য শেষ হয়েছে। আগামী চার বছর তো মোদি সরকার নিশ্চিন্ত! এখনই আয়করে বড় ছাড়ের মতো ঘোষণা করে দিলে ভোটের আগে কী হবে?এই প্রশ্ন আপাতত শনিবার পর্যন্ত সিন্দুকে তোলা থাক।
বিশদ

সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর। ২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮।  বিশদ

26th  January, 2020
সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। 
বিশদ

26th  January, 2020
১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

25th  January, 2020
মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

25th  January, 2020
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
একনজরে
লুজিওবেলজানা, ২৭ জানুয়ারি (এএফপি): পদত্যাগের কথা ঘোষণা করলেন স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী মারযান সারেক। সোমবার তিনি নতুন করে নির্বাচনের ডাক দেন। ২০১৮ সালে স্লোভানিয়ার প্রধানমন্ত্রী হন সারেক। ...

সংবাদদাতা, কান্দি: সোমবার সকালে সালার থানার জলসূতি গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম চঞ্চল দাস (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।  ...

গোয়ালিয়র, ২৭ জানুয়ারি (পিটিআই): মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র সেন্ট্রাল জেলে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করল এক বন্দি। নাম নরোত্তম রাওয়াত। গত ২৩ জানুয়ারি থেকে জেলে ছিল সে। রবিবার রাতে জেল চত্বরের একটি গাছ থেকে নরোত্তমের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিল্প ও ব্যবসায় উৎসাহ দিতে সব ক্ষেত্রেই ৯২ শতাংশ ফায়ার লাইসেন্স ফি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। ২০১৭ সালের এই ফি খুব বেড়ে গিয়েছিল বলে বেশ কয়েকজন শিল্পপতি ও বণিকসভার প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শিক্ষার জন্য দূরে কোথাও যেতে পারেন। প্রেম-প্রণয়ে নতুন যোগাযোগ হবে। বিবাহের কথাবার্তাও পাকা হতে পারে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৫৬:দ্বিতীয় মোঘল সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যু
১৮৬৫: স্বাধীনতা সংগ্রামী পাঞ্জাব কেশরী লালা লাজপত রাইয়ের জন্ম
১৮৯৮: ভারতের মাটিতে পা রাখলেন ভগিনী নিবেদিতা
১৯২৫: বিজ্ঞানী রাজা রামান্নার জন্ম
১৯৩০: গায়ক যশরাজের জন্ম
১৯৩৭: গায়িকা সুমন কল্যাণপুরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৫ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৩২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,২০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৭৮০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) তৃতীয়া ৫/৩ দিবা ৮/২২। শতভিষা ৭/৩৪ দিবা ৯/২৩। সূ উ ৬/২১/২১, অ ৫/১৭/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩২ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/৫ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৯ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৬ গতে ১১/২২ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৬ গতে ৮/৩৪ মধ্যে।
১৩ মাঘ ১৪২৬, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, তৃতীয়া ০/৪৫/৪৫ প্রাতঃ ৬/৪২/৩৩। শতভিষা ৪/৩৯/৩৪ দিবা ৮/১৬/৫। সূ উ ৬/২৪/১৫, অ ৫/১৬/২৮, অমৃতযোগ দিবা ৮/৩১ গতে ১০/৪৩ মধ্যে ও ও ১২/৫৬ গতে ২/২৫ মধ্যে ও ৩/৯ গতে ৪/৩৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৩ মধ্যে ও ৮/৪৯ গতে ১১/২৫ মধ্যে। কালবেলা ১/১১/৫৩ গতে ২/৩৩/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৬/৫৪/৫৬ গতে ৮/৩৩/২৫ মধ্যে।
২ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গিরিশ পার্ক এলাকায় ১১ মাসের শিশুকে অপহরণের অভিযোগ

27-01-2020 - 04:55:03 PM

আনন্দপুরে একটি বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে বেঁধে লুটতরাজ দুষ্কৃতীদের, তদন্তে পুলিস 

27-01-2020 - 04:18:31 PM

৮৩ যাত্রী নিয়ে আফগানিস্তানের গজনিতে ভেঙে পড়ল বিমান

27-01-2020 - 04:15:59 PM

৪৫৮ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

27-01-2020 - 04:11:36 PM

আলিপুরদুয়ারে খুনের ঘটনায় থানায় আত্মসমর্পণ অভিযুক্তের
আলিপুরদুয়ার শহরের অরবিন্দ নগর এলাকায় বাপি পন্ডিত (২৩) নামের যুবক ...বিশদ

27-01-2020 - 04:11:00 PM

৪৮৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

27-01-2020 - 03:27:26 PM