Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন। চলছে উত্তর-পূর্বের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে একের পর এক বৈঠক। বৈঠকের উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব বিল এনে সারা দেশে এনআরসি চালু করার পটভূমি রচনা করা।
রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব—দিলীপ ঘোষ থেকে বিজয় বর্গীয় সকলেই এই বিপর্যয়ের কারণ বুঝলেও এনআরসি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে পারছেন না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বিরোধিতা করার মতন জায়গায় তাঁরা নেই। তাই দিলীপ ঘোষদের বলতে হচ্ছে, এনআরসি নিয়ে তাঁরা মানুষকে বোঝাতে পারেননি। উল্টো দিকে তাঁদের বক্তব্য, তৃণমূল এনআরসি নিয়ে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল, যার প্রভাবে মানুষ বিজেপির থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। রাজ্যে বিজেপি নেতৃবর্গ এনআরসি ইস্যুকে এইভাবে আড়াল করলেও বাস্তবে এনআরসির প্রভাবকে ‘শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যাবে না’। কালিয়াগঞ্জে বিজেপির পরাজিত প্রার্থী কমলকুমার সরকার ভোটের ফল প্রকাশের পর প্রকাশ্যে জানিয়েছেন, এনআরসির জন্যই তাঁকে পরাজয়ের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের বুথভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট  ধরা পড়ে, কেন এই উপনির্বাচনে এনআরসি বিজেপির পরাজয়ের পিছনে মূল কারণ ছিল। অসমের অভিজ্ঞতা তো আছেই, বাংলার মানুষ এনআরসির হয়রানি কেবল প্রচারে শুনেছেন তা নয়, মিডিয়ার দৌলতে তা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করতে পারছেন। এনআরসিতে নাম নথিভুক্তকরণের জন্য প্রতিনিয়ত অসমের মানুষকে একদিকে যেমন দুশ্চিন্তায় ও হয়রানিতে রেখেছে, তেমনি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর ১২  লক্ষ হিন্দুর নাম বাদ পড়ায় হিন্দু ভোটারদের মনেও আতঙ্ক গ্রাস করেছে। অসম থেকে প্রতিনিয়ত খবর সামাজিক মাধ্যমের দৌলতে প্রত্যন্ত বাংলার গ্রামের মানুষের কাছে পৌঁছচ্ছে, তাঁরাও এনআরসি সম্পর্কে ধারণা তৈরি করতে পারছেন।
অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই মোদি-অমিত শাহ-রা সারা দেশে এনআরসি চালু করার কথা ঘোষণা করেন। এনআরসি নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের ঘোষণার পর বাংলার ঘরে ঘরে নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি খোঁজার হিড়িক পড়ে যায়। আতঙ্কিত হয়ে ওঠেন ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে কোটি কোটি মানুষ। বিগত দু-তিন মাস ধরে গ্রাম-শহরের সর্বত্র মানুষ নাগরিকত্বের সপক্ষে প্রমাণ খুঁজতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য মানুষের দীর্ঘ লাইন দিয়ে অপেক্ষা করার ছবি সমস্ত ধরনের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। আতঙ্ক অনেকগুণ বেশি লক্ষ করা গেছে রাজ্যের মুসলমান বহু মানুষের মধ্যে। ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দুদের মধ্যেও এনআরসি নিয়ে আতঙ্ক গ্রাস করেছে। ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ার নতুন করে নাম তোলা, আধারের সঙ্গে ভোটার কার্ডের সংযোগ, ডিজিটাল রেশন কার্ড পাওয়ার বিষয়ে গ্রামের মানুষ মরিয়া হয়ে উঠেছেন। আট ঘণ্টা, দশ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানোর পর ভোটার-আধার কার্ডের সংযোগ, নথি যাচাইয়ের কাজ করতে গিয়ে মানুষের যে হয়রানি হয়েছে, সেই হয়রানিকে ন্যূনতম বোঝার চেষ্টা রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব কখনওই করেননি। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস তো মানুষের এই হয়রানি নিয়ে প্রশ্ন তুলবে, এটাই স্বাভাবিক।
মানুষ যখন হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তখন রাজ্য বিজেপি নেতৃবর্গের মধ্যে দিলীপ ঘোষ হুংকার দিচ্ছেন—লাশের উপর দিয়ে আমরা এনআরসি করব। আবার রাজ্য স্তরের অনেক নেতাই বলছেন, মুসলমানদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে ওপার বাংলায় পাঠিয়ে দেওয়া হবে। বিজেপি নেতৃত্বের এই অমানবিক হুংকার ও উদ্ধত আচরণ মানুষ যে পছন্দ করেনি তার ভোটের বুথভিত্তিক ফলাফল থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলেছে। এনআরসি নিয়ে বিজেপি নেতৃবর্গ যত হুংকার ছুড়েছেন ততই বিজেপিকে ঠেকাতে সংখ্যালঘু মুসলমান ভোটারদের অনেকে অন্য সমস্ত রাজনৈতিক দল ছেড়ে তৃণমূলকেই একমাত্র ভরসাস্থল বলে মনে করেছেন।
এই উপনির্বাচনের তিনটি কেন্দ্রেই বাম-কংগ্রেসের অবশিষ্ট সংখ্যালঘু কর্মী সমর্থকরাও পুরোপুরিভাবে তৃণমূলের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। একদিকে সংখালঘু ভোটের পূর্ণ মেরুকরণ তৃণমূলের পক্ষে যেমন হয়েছে, অন্যদিকে ওপার বাংলা থেকে আসা উদ্বাস্তুরাও এবার বিজেপিকে ছেড়ে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছে। কালিয়াগঞ্জ এবং করিমপুরের ফলাফলে স্পষ্ট ধরা পড়েছে উদ্বাস্তু মানুষের রায় এবার বিজেপির পক্ষে ছিল না।
এনআরসি কিন্তু বিজেপির জন্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও গলার কাঁটা হয়ে রইল। এমন এক কাঁটা, যা বিজেপি না পারবে গিলতে আবার না পারবে উগরে দিতে। বিজেপি নেতৃত্ব যদি এখন গলায় গামছা দিয়ে করজোড়ে এনআরসি থেকে সরে আসার কথাও বলে, তৃণমূল কিন্তু তার পরেও বিজেপির এই ঘোষণার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকবে। আবার যতই নাগরিকত্ব বিল সামনে আনা হোক না কেন এনআরসিকে কেন্দ্র করে মুসলমান এবং উদ্বাস্তু হিন্দুদের মধ্যে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, তাতে আগামীদিনে মুসলমান ভোটারদের একাংশের সমর্থন পাওয়ার যেমন  বিজেপির পক্ষে সম্ভাবনা থাকছে না, তেমনি উদ্বাস্তু হিন্দুদের মন জয় করাও বিজেপির পক্ষে কঠিন হবে বলে মনে হয়।
সংখ্যালঘু ভোটারদের কোনও একটি দলের পক্ষে মেরুকরণ সবসময়ই নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে ১৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটারদের মেরুকরণ এই তিনটি উপনির্বাচনের মতন ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও যদি তৃণমূলের পক্ষে থাকে, তবে ২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের থেকেও আরও অনেক বেশি আসন নিয়ে তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে।
রাজ্যে যত দিন এনআরসির খাঁড়া ঝুলতে থাকবে, ততদিন সংখ্যালঘু মুসলমানদের ভোট শাসক তৃণমূলের পক্ষেই থাকবে। হিন্দু ভোটারদের তরফ থেকেও প্রশ্ন তোলা হচ্ছে, এনআরসিতে নাম তুলতে গিয়ে একজন নাগরিককে কেন লাইনে দাঁড়াতে হবে? কেন প্রমাণপত্র নিয়ে রাষ্ট্রের দরজায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হবে নাগরিক তালিকায় নাম ওঠানোর জন্য? যাঁদের পূর্বপুরুষ হাজার বছর ধরে এই বাংলা তথা ভারতে বাস করছেন তাঁদের এনআরসির ইস্যু কিন্তু আত্মসম্মানের ইস্যুর সঙ্গে সম্পর্কিত। আর যাঁরা ওপার বাংলা থেকে ভিটেমাটি ছেড়ে উদ্বাস্তু হয়ে এসেছেন, তাঁরাও পারবেন তো সঠিক সময়ে লাইনে দাঁড়িয়ে সরকারি আধিকারিকদের সঠিক নথি দিতে?
আপাতত পুরনো ট্রাঙ্ক থেকে বাড়ির দলিল বের করে বার বার চোখ বুলাচ্ছেন অনেকেই। কেউ আবার পঞ্চাশ,ষাট, সত্তরের দশকের ভোটার তালিকা খুঁজতে ব্যস্ত। আর রাষ্ট্র যখন নাগরিকত্ব বিল নিয়ে মুসলমান এবং অবশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন টানে, তখন মুসলমান কৌমের মানসিক অবস্থা কোন পর্যায়ে যায় তার নতুন কোনও ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সুযোগ ছিল বর্তমান সরকারের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণগুলিকে সামনে রেখে বিকল্প সরকার দেবার। কিন্তু এনআরসি আপাতত বিজেপির অগ্রগতির পথে কাঁটা হয়ে রইল বলা যায়।
 লেখক  রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক 
03rd  December, 2019
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল হবিবপুর ব্লকের কেন্দপুকুর আকতৈল গ্রাম পঞ্চায়েতে। শুক্রবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা দেহটি দেখতে পান। তাঁদের দাবি, ওই ব্যক্তিকে খুন করে সেখানে ঝুলিয়ে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মেডিক্যাল পরীক্ষা এবং পুলিস ভেরিফিকেশন না হওয়ায় বহু শিক্ষকের চাকরি পাকা হয়নি। অথচ চাকরি পাওয়ার পর কেটে গিয়েছে দু’বছর। নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছর পর চাকরি পাকা হবে। কিন্তু তার জন্য পুলিস ও মেডিক্যাল রিপোর্ট ইতিবাচক হতে হবে।  ...

উত্তরপ্রদেশে ফের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ঘটনাটি ঘটে বান্দা জেলায়। কিন্তু শুক্রবার ওই কিশোরীর মা স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।   ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM