Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। কারণ, গোধরা কাণ্ডের অতীত, দলের নরমপন্থী গোষ্ঠীর (প্রভাবশালী তো বটেই) বিপরীত মেরু এবং অবশ্যই একচ্ছত্র আধিপত্যে বিশ্বাসী এক রাজনীতিক। তাঁর ইতিবাচক দিক কী ছিল? অসম্ভব ভালো কথা বলতে পারেন, দারুণ প্রশাসক এবং গুজরাতের উন্নয়নে তাঁর প্রশংসনীয় ভূমিকা। এদেশের ভোটার এমন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কোনওদিন দেখেনি। গোটা ভারত প্রায় ঘুরেছিলেন তিনি, প্রচার করেছিলেন। বিজেপির এক একজন প্রার্থীর হয়ে। এভাবেই কি তিনি পছন্দের প্রার্থী হয়ে গিয়েছিলেন? নাঃ। ব্যাপারটা অতটা সহজ নয়। একের পর এক দুর্নীতির আগুনে পুড়ে তখন দ্বিতীয় ইউপিএ সরকার ছাই হতে বসেছে। শরিকদের বায়নার চাপ এবং আর্থিক কেলেঙ্কারি... এই সরকার আগে কত ভালো ভালো কাজ করেছে, সেটাই মানুষ ভুলতে বসেছিল। হয়তো পরিবারতন্ত্র থেকে একটু ছুটি চাইছিল ভারত। তাই মোদির পক্ষে কেবল নয়, কংগ্রেসের বিপক্ষেও বিলক্ষণ ভোট পড়েছিল। সেই প্রবণতা চলতি বছরের লোকসভা ভোটেও দেখা গিয়েছে। কেন? মোদির প্রতিপক্ষ হিসেবে রাহুল গান্ধীকে ভারতীয় ভোটাররা খুব একটা পছন্দ করেননি। তাই মোদির পক্ষে ভোট তো পড়েইছে, রাহুল গান্ধীর বিপক্ষেও গিয়েছে বিপুল একটা অংশ। তারপর ছ’মাস অতিক্রান্ত।
পসন্দ-না পসন্দের থিওরিটা যদি ১০০ শতাংশ কার্যকর বলে ধরি, তাহলে এখন খুব পরিষ্কার ছবিটা হল, হাওয়া ঘুরছে। লোকসভা ভোটে অর্থাৎ দেশ চালানোর জন্য নরেন্দ্র মোদির বিকল্প নেই ঠিকই, রাজ্য চালানোর জন্য তো আছে! তাই মধ্যপ্রদেশ-রাজস্থান-ছত্তিশগড় যদি সিনেমার ট্রেলার হয়, তাহলে হরিয়ানা-মহারাষ্ট্রের ফল থেকে পূর্ণাঙ্গ ছবিটা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপির ঝুলিতে এখনও ভোট আসছে। কিন্তু প্রতিপক্ষকে ‘পছন্দ না হওয়া’ জনমতের যে সমর্থনটা তারা গত পাঁচ বছর ধরে পেয়ে এসেছিল, তাতে ভাটা পড়েছে। এবং তার হাতে-গরম প্রমাণ অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন। লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন জয়ের পর বিজেপি মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাই তাদের দখলে। ফল যে এভাবে ঘুরে যাবে, ভোটের সময়ও এতটা আন্দাজ করা যায়নি। বিজেপি কিন্তু মনে করেছিল, কিছু না থাকতেই যদি এই ফল হয়, তাহলে তো বাংলার মানুষ আমাদেরই পাশে! যা হল না। বিষয়টা একেবারে পরিষ্কার, বিজেপির বোঝা উচিত, বাংলায় এখনও মমতার বিকল্প মমতাই। বরং যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি গত কয়েক বছর ধরে ফুলেফেঁপে উঠেছিল, সেদিকে আরও বেশি করে নজর দেওয়া উচিত। হরিয়ানার পর মহারাষ্ট্রেও মুখ পুড়েছে গেরুয়া শিবিরের। এতদিনের শরিক শিবসেনা সঙ্গ ছেড়েছে। শুধু বাল থ্যাকারের দলই নয়, রাজ্যে রাজ্যে শরিক সমস্যায় ভুগছে বিজেপি। এমনকী ঝাড়খণ্ডেও আসন রফা নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন (এজেএসইউ) এবার আর এনডিএতে নেই। তারা চেয়েছিল ১৮টি আসনে লড়তে। কিন্তু বিজেপি জানিয়েছিল, খুব বেশি হলে ১৩টি ছাড়া যাবে। আর তাতেই বেঁকে বসেছে এজেএসইউ। শনিবার থেকে শুরু হয়েছে পাঁচ দফার বিধানসভা ভোট। তারা কিন্তু আলাদাই লড়ছে। সাদা চোখে মারাত্মক কিছু মনে হচ্ছে না ঠিকই, এটা অবশ্যই বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা। একটা সময় ধারণা করা হচ্ছিল, ঝাড়খণ্ড বিজেপি হাসতে হাসতে দখল করবে। এখন কিন্তু অঙ্কটা অতটাও আর সহজ নেই। একটি সমীক্ষক সংস্থা মতামত সংগ্রহ করার পর দাবি করছে, খুব বেশি হলে ৩৩টি আসন পাবে। আর ৮১ বিধানসভা কেন্দ্রের ঝাড়খণ্ডে ম্যাজিক ফিগার ৪১।
গত কয়েকটি বিধানসভা নির্বাচনের ধারা দেখলে সমীকরণটা খুব অস্বাভাবিক নয়। আঞ্চলিক দলগুলি উল্লেখযোগ্যভাবে ইদানীং নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এবং ঝাড়খণ্ডেও বিজেপি-বিরোধী জোটের মধ্যে কংগ্রেস নয়, জনপ্রিয়তা বেড়েছে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার। চলতি ভোটে জেএমএমের হেমন্ত সোরেনই বিরোধী জোটে মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার কিন্তু এখনও রাজ্যে একটা স্থায়ী ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে। সরকারে না এলেও ওই ভোটে সাধারণত খুব একটা ঘাটতি হয় না। গত বিধানসভা ভোটেও যা ছিল ২০ শতাংশের মতো। এছাড়া ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা বা জেভিএম কিছুটা ভোট টানে। এই জেভিএম গত ভোটে ছিল ইউপিএর সঙ্গে। এবার তারা আবার আলাদা লড়ছে। অর্থাৎ, বিজেপি যেমন এজেএসইউয়ের ভোটটা পাচ্ছে না, ঠিক তেমনই জেভিএমের সমর্থন কংগ্রেস জোটের সঙ্গে নেই। এই দুই দলই কিন্তু বড় দলগুলি থেকে কিছুটা ভোট কাটবে বলেই আশা করা যায়। সেক্ষেত্রে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হওয়ার সম্ভাবনাটাই প্রবল। এমন পরিস্থিতিতে ছোটখাটো দল এবং নির্দলের উপরই সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। কম বিধানসভা আসনের ঝাড়খণ্ডে বিজেপির একটাই সুবিধা, ৩০-৩৫টা আসন পেলেও বাকিটা ম্যানেজ করা অসম্ভব নয়। যে সমস্যাটা তাদের মহারাষ্ট্রে হয়েছে। ম্যাজিক ফিগার ১৪৫, কিন্তু তাদের দখলে ছিল ১০৫টি আসন। ফারাক অনেকটা। তাই কোনও না কোনও আঞ্চলিক দলের উপর ভরসা করতেই হয়েছে বিজেপিকে। শিবসেনা তাদের উপর দাদাগিরি দেখিয়ে জোট ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পেরেছে। এনসিপির অজিত পাওয়ার হঠাৎ ঘরশত্রু বিভীষণ হয়ে বেরিয়ে এসে সমর্থন জুগিয়েছেন। আবার তারপর বেচাল হয়ে গিয়েছে বুঝতে পেরে ঘরে ফিরে গিয়েছেন। ভোররাতে শপথের ব্যবস্থা করেও তাই মুখ পুড়েছে বিজেপির।
ঝাড়খণ্ডে তেমন কিছু হোক, বিজেপি তা একেবারেই চাইবে না। তারা অবশ্য আশাবাদী, রঘুবর দাসই বিনা ঝড়ঝাপ্টায় ভোট বৈতরণী পার করিয়ে দেবেন। তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পাঁচ বছর টানা ঝাড়খণ্ডে সরকার চালিয়েছেন। ২০০০ সালে পৃথক রাজ্য হওয়ার পর এই প্রথম। তাহলে ধরে নেওয়া যেতেই পারে, তার মধ্যে নিশ্চয়ই সেই ক্ষমতা আছে! কিন্তু তাঁর জমানায় কি ঝাড়খণ্ডের দারুণ উন্নতি হয়েছে? হয়তো হয়েছে, কিন্তু তা চোখে পড়ার মতো নয়। ঝাড়খণ্ড খনি সমৃদ্ধ। দেশকে ‘কাঁচামাল’ সরবরাহ করে এই রাজ্য। অথচ এখানকার অধিকাংশ মানুষেরই দারিদ্র্যসীমার নীচে বসবাস। এ অবশ্য নতুন কিছু নয়। বিশ্বের যে দেশ, যে প্রান্তই খনি সমৃদ্ধ, সেখানে এটাই অতি পরিচিত ছবি। শিক্ষার অভাব, হাতে কাঁচা টাকা এবং সেটাও যথেষ্ট নয়। রঘুবর দাস নিশ্চিতভাবে পাঁচ বছর সরকার টেনেছেন, কিন্তু এই ছবিটা বদলাতে পারেননি। খনি সমৃদ্ধ ঝাড়খণ্ডের বহু কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীকে সেখানকার মানুষ শুধু ভোটের সময় দেখেছিল। পাঁচ বছরে যাঁদের আর হদিশ পাওয়া যায়নি। সেই ক্ষোভটা ভোটারদের মনে বিলক্ষণ রয়েছে। কাজেই যদি মারমার কাটকাট ফল করতে হয়, বিজেপিকে কিন্তু স্ট্র্যাটেজি বদলাতেই হবে। আর যদি মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকে দেখে ভোট হয়, রঘুবরের ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছেন হেমন্ত সোরেন। আর কালো ঘোড়া জেভিএমের বাবুলাল মারাণ্ডি। জেভিএমের প্রাপ্ত আসন যদি ১৫ টপকে যায়, তাহলে বাবুলাল অদূর ভবিষ্যতে ঝাড়খণ্ডের ‘উদ্ধব’ হতেই পারেন।
বিজেপি যেভাবে হোক এই রাজ্য ধরে রাখার চেষ্টা করবে, সে নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। কিন্তু শরিক ধরে বা নির্দল ম্যানেজ করে জিতলেও কি নরেন্দ্র মোদির সেই সম্মান থাকবে? মনে রাখতে হবে, ঝাড়খণ্ডে ভোট পাঁচ দফায়। আর দিন যত যাচ্ছে, দেশের অর্থনীতির ফাঁপা চেহারাটা ততই প্রকাশ্যে আসছে। জিডিপি কমছে, উৎপাদন শিল্প ধাক্কা খাচ্ছে, কাজ হারাচ্ছে মানুষ। একে তো হাতে টাকা নেই, উল্টোদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। এর প্রতিকার এখনও চোখে পড়ছে না। রামমন্দির ইস্যু দিয়ে আর নতুন করে বিজেপি ভোট করাতে পারবে না। সেটা অতীত হয়ে গিয়েছে। সবার অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা করে ঢুকে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ফের দিলে লোকে মারতে আসবে। তার থেকে যদি প্রত্যেক নাগরিকের দু’বেলা দু’মুঠো খাওয়াটা সরকার নিশ্চিত করতে পারে, সেটাই হবে পরম প্রাপ্তি। ভারতবাসী কিন্তু খুব অল্পেই সন্তুষ্ট হয়। নরেন্দ্র মোদি ‘আচ্ছে দিনে’র স্বপ্ন দেখালে আমরা তাতেই অন্ধের মতো বিশ্বাস করি। এখনও ভারত মনে করে, মোদিই পারবেন। তাই এই বিপুল জনমতে তাঁর ফিরে আসা। কেন্দ্রের মসনদে। এই বিশ্বাসের মর্যাদা দেওয়াটা কিন্তু তাঁরই কর্তব্য।
ফল মিলবে ভোটযন্ত্রে। কারণ, ভারত হোক বা ঝাড়খণ্ড... বিজেপির মুখ যে তিনিই। 
03rd  December, 2019
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
সন্তোষকুমার ঘোষ: অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, প্রচণ্ড
ক্ষমতাবান সাহিত্যিক ও যুগান্তকারী সাংবাদিক
বরুণ সেনগুপ্ত

খবরের কাগজ সাধারণ মানুষের জন্য। তাই সাধারণ মানুষ যেসব খবরে আগ্রহী সেইগুলিই বেশি করে লেখা উচিত। অথবা যেমন, খবরের কাগজে যা লেখার তা সোজাসুজি লেখা উচিত। ‘এটাও হয় ওটাও হয়’ গোছের ব্যাপার নয়। এই জিনিসগুলি হাতেকলমে শিখেছি সন্তোষকুমার ঘোষের কাছে।
বিশদ

13th  September, 2020
সিবিআইয়ের বন্দিদশা কাটবে কবে?
হিমাংশু সিংহ

 সুশান্তের মৃত্যু হয় ১৪ জুন। আর আজ ১৩ সেপ্টেম্বর। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ার পর ঠিক তিন মাস অতিক্রান্ত। প্রতিভাবান অভিনেতার মৃত্যু রহস্যের তদন্তে কোথাকার জল কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় তার তল খুঁজে পাচ্ছেন না তুখোড় সিবিআই গোয়েন্দারাও। কিংবা বলা ভালো, সত্যি তল খোঁজার চেষ্টা হচ্ছে কি?
বিশদ

13th  September, 2020
কঠোর আইন অপেক্ষা জরুরি
সন্তানের মূল্যবোধ তৈরি
তন্ময় মল্লিক

বাবা, মায়ের সুরক্ষার জন্য সরকারকে আনতে হচ্ছে আরও কঠোর বিল। যে কাজ করে সন্তানের ধন্য হওয়ার কথা, তা পালনের জন্য দেখাতে হচ্ছে জেলের ঘানি টানার ভয়। এ বড়ই দুর্ভাগ্য। লজ্জাও বোধহয় এদের দেখে লজ্জায় মুখ লুকায়!
বিশদ

12th  September, 2020
একনজরে
উত্তরপ্রদেশে ফের নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। গত শনিবার ঘটনাটি ঘটে বান্দা জেলায়। কিন্তু শুক্রবার ওই কিশোরীর মা স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।   ...

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে তৃণমূল বিধায়কের নার্সিংহোমে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। শুক্রবার ধৃতদের রামপুরহাট আদালতে তোলা হয়।  ...

নয়াদিল্লি: শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা ব্যক্তিগত কারণে নিজেকে আইপিএল থেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যার অভাব অনুভূত হবে বলে ইতিমধ্যেই মন্তব্য করেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিশেষজ্ঞদেরও ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতির জন্য এমবিবিএস, বিডিএস, আয়ুষ, নার্সিং সহ বিভিন্ন চিকিৎসা পাঠ্যক্রমের বহু ছাত্রছাত্রীর পরবর্তী বছরে প্রোমোশন হয়নি। মার্কশিটও পাননি। ফলে বৃত্তিও আটকে গিয়েছে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কথাবার্তা ও আচরণে সংযমের অভাবে বিপত্তির আশঙ্কা। কোনও হঠকারী বা দুঃসাহসিক কাজ না করাই ভালো। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,২৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৬০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া ৯/১৬ দিবা ৯/১১। চিত্রা নক্ষত্র ৪৯/৪১ রাত্রি ১/২১। সূর্যোদয় ৫/২৮/২, সূর্যাস্ত ৫/৩২/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৯/২৯ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ৩/৯ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৪২ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১/১ গতে ২/৩১ মধ্যে পুনঃ ৪/২ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি।  
২ আশ্বিন ১৪২৭, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, দ্বিতীয়া দিবা ১২/২৯। হস্তানক্ষত্র দিবা ৭/৫৬। সূর্যোদয় ৫/২৭, সূর্যাস্ত ৫/৩৫। অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে ও ৭/৭ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৫৫ মধ্যে ও ৩/৪২ গতে ৫/৩৫ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৮ গতে ২/১৭ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ রাত্রি ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৮ মধ্যে ও ১/২ গতে ২/৩৩ মধ্যে ও ৪/৪ গতে ৫/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪ মধ্যে ও ৩/৫৮ গতে ৫/২৮ মধ্যে।  
মোসলেম: ১ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ৩,১৯২ জন 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩,১৯২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

18-09-2020 - 08:42:07 PM

ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে পেটিএম অ্যাপ 
ফের গুগল প্লে স্টোরে মিলবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ই-ওয়ালেট অ্যাপ ...বিশদ

18-09-2020 - 07:40:01 PM

পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই
দোকানে মিলল ঝুলন্ত দেহ 

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পঞ্চায়েত অফিসের কাছেই, একটি দোকানের সামনের অংশে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:50:00 PM

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু শর্বরী দত্তর
মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয়েছে শর্বরী দত্তর। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ...বিশদ

18-09-2020 - 05:41:00 PM

বনগাঁয় ধৃত ৩ বাইক চোর 
বাইক চুরির চক্রের সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতদের ...বিশদ

18-09-2020 - 04:41:27 PM

হাবড়ায় জোড়া খুনের ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত 
হাবড়ায় প্রৌঢ় দম্পতি খুনের ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কিনারা করল ...বিশদ

18-09-2020 - 04:16:42 PM