Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। আর ওদের যা যা ছিল, সব বেচেবুচে ওরা খেয়ে নিয়েছে এবং এখনও খাচ্ছে। পরিবারের আয় কমলে বা নির্দিষ্ট কোনও রোজগার না থাকলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। এখন ওদের দিন চলে জমিজমা আর ঘটিবাটি বেচে। কিন্তু এসব নিয়ে ঘণ্টেশ্বরদের কোনও হাহুতাশ নেই। কিছু বললেই ওরা বলে আমরা খুব ভালোই আছি। আর বেচাবেচির কথা বললে নাকটাকে উঁচু করে ও বলে, ‘ওসব তোরা বুঝবি না। অর্থনীতির ভাষায় এটাকে বলে প্রাইভেটাইজেশন। নিজেদের জমিদারি সত্ত্ব মুছে মানুষের মধ্যে ভোগের অধিকার তৈরি করছি আমরা। এটা একটা বড় স্বার্থত্যাগ। আমার দাদুর একটা বেলজিয়াম কাচের আয়না ছিল, সেটা আমরা একা ভোগ করতাম। বিক্রি করে দিলাম মানে সেটা অন্যকে ভোগ করার অধিকার দিলাম।’ এমনই অদ্ভুত ছিল ওর যুক্তি।
আজ যখন কেন্দ্রীয় সরকার নানাভাবে বিলগ্নিকরণ, প্রা‌ই঩ভেটাইজেশন ইত্যাদি গালভরা নামের মধ্য দিয়ে সব বেচে ফাঁকা তহবিল ভরাট করার চেষ্টা করছে, তখন আমার ছেলেবেলার বন্ধু ওই ঘন্টেশ্বরের কথা মনে পড়ে গেল। ওদের ছিল নামেই তালপুকুর ঘটি ডোবে না। এই সরকারের এখন রাজকোষ শূন্য। তাই প্রয়োজনের তাগিদে অনেক কিছুই এক এক করে বেচে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এই প্রাইভেটাইজেশন নিয়ে হাটে বাজারে নানা গালগল্পও ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে। হাটে-বাজারে, বাসে-ট্রেনে কান পাতলেই মানুষের নানা কথোপকথন আজ আমাদের কানে আসে। একজনকে সেদিন বাজারে বলতে শুনলাম। তিনি চায়ের দোকানে বসে অপর একজনকে বলছিলেন, ‘এখন দেশে বেচু যুগ চলছে। কত কিছু বেচে দিচ্ছে। একদিন তিল তিল করে এগুলি গড়ে উঠেছিল।’ অপরজন বললেন, ‘বলছে নাকি প্রাইভেটাইজেশন।’ আর একজন বললেন, ‘ওটা আসলে হবে প্রায়বেচাইজেশন’। আর একজন বললেন ‘উহুঁ, প্রায়বেচাইনেশন। মানে প্রায় সবকিছু বেচে যখন নেশন চালাতে হয়, তখনই তাকে বলে প্রায়বেচাইনেশন।’
ব্যাপারটা নিয়ে যতই হাসি মস্করা করি না কেন, এটা বলতে কিন্তু দ্বিধা হওয়ার কথা নয় যে আমাদের দেশের আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট তলানিতে পৌঁছে গিয়েছে। সেটা যেমন দেশের মানুষ বুঝতে পারছেন, তেমনই সরকারপক্ষও বুঝতে পারছে। কিন্তু তারা তা স্বীকার করছে না। রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতার কারণে অবশ্য সরকারকে অনেক সত্যই গোপন করতে হয়। তার একটা রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা থাকে। এখন সরকার ছেঁড়া কাপড়ে রেশমি ফুল বোনার চেষ্টা করে দেশের মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে সব ঠিক আছে। সব যে ঠিক নেই এখন এটা শিশুও বোঝে। বিভিন্ন ভুল সিদ্ধান্তের কুফল ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। যতদিন যাবে, ততই দৈন্যদশা প্রকট হয়ে উঠবে।
‘আচ্ছে দিন’-এর স্বপ্ন দেখালেই ভোট বাক্স কিন্তু ভরে ওঠে না। ১৯১৬ সালের ৮ নভেম্বর নোটবাতিল করে যে বিষবৃক্ষের ফল পোঁতা হয়েছিল, তার বিষময় ফল ফলতে শুরু করেছে। একক ব্যক্তিত্বের
ভুল আজ কাঁটা হয়ে ফুটছে। সেদিনও তিনি স্বীকার করেননি কাজটা ভুল হয়েছিল, আজও তিনি
স্বীকার করেন না, অর্থনীতিটা আসলে গোল্লায়
গিয়েছে। আচ্ছে দিনের স্বপ্ন ঘিরে কালো ধোঁয়া।
এই তো সরকারি রিপোর্টই বলছে, চলতি বছরে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বরে জিডিপি বৃদ্ধির হার নেমে গিয়েছে ৪.৫ শতাংশে। আমরা যেন সেই স্বাধীনতার সময়কার অর্থনীতির দিকে হাঁটছি। ১৯৯১ সালে মনমোহন সিংয়ের হাত ধরে অনেকটা সাবালক হয়েছিল আমাদের দেশের অর্থনীতি। তখন জিডিপি ছয় শতাংশ পর্যন্ত উঠেছিল। কিন্তু বিজেপি সরকারের আমলে নানা পরীক্ষা এবং তুকতাক সেই সূচককে নিম্নগামী করা তুলেছে। দেশটাই এখন আমার সেই বন্ধু ঘন্টেশ্বরের পরিবারের মতো।
এর থেকে বেরতেই হবে। দশে মিলি করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ। সবাইকে নিয়ে ভাবতে হবে। দেশের ভালো বা মন্দের ভাবনাটা কারও একার হতে পারে না। আর এনিয়ে ব্যক্তিগত ইগো বজায় রাখার চেষ্টা সার্বিক ধ্বংসের দিকেই আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যথার্থই বলেছেন, এই সঙ্কট কাটাতে গেলে সরকারের উচিত সবাইকে নিয়ে একটা বৈঠক ডাকা। সকলে মিলে নতুন আলোর সন্ধান করা।
এই ভাঙনটা যে আসবেই সেটা কিন্তু আগে থেকেই বোঝা যাচ্ছিল। সরকারের অর্থনীতি সংক্রান্ত মত মানতে না পেরে একের পর এক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা সরকারের সংস্রব ত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন। আজ আমাদের নতুন করে ভাবতে হবে কেন দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদরা নিজেদের গুটিয়ে নিয়ে সরে গিয়েছিলেন। কোনও চাপের মুখে কি তাঁরা সরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন? নাকি সরকারের কোন নীতির প্রতি তাঁরা অনাস্থা প্রকাশ করেছিলেন? নাকি তাঁরা অর্থনীতিটা ঠিক বুঝতেন না?
রঘুরাম রাজনের কথাই ধরা যাক। অসাধারণ কেরিয়ার তাঁর। অর্থনীতিতে তিনি কোনওদিন নোবেল পেলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। মনমোহন সিংয়ের মতো বিদগ্ধ অর্থনীতিবিদ তাঁকে সরকারের অর্থনীতির রূপায়ণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছিলেন। মোদিযুগে তাঁকে চলে যেতে হল। অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যমও এক বিদগ্ধ অর্থনীতিবিদ। তিনি তাঁর কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে পদত্যাগ করে চলে গেলেন। কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে? চলে যেতে হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর উর্জিত প্যাটেলকেও। আর একজন হলেন বিরল আচার্য। ছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি গভর্নর। তিনিও তাঁর মেয়াদ শেষের আগে পদত্যাগ করে চলে গিয়েছিলেন। এসবের উত্তর মেলেনি। কিন্তু কারণটা বোধহয় বুঝতে অসুবিধা হয় না। বিশেষ করে আজ যখন অর্থনীতির এই অবস্থা! আসলে সকলেই বুঝেছিলেন ভেঙে পড়াটা সময়ের অপেক্ষামাত্র। কিন্তু তার জন্য তিনি যেন নিজে দায়ী না হয়ে যান।
ভাবতে হবে কেন গাড়ি বিক্রির সংখ্যা হঠাৎ কমে গেল! সরকার পক্ষের লোকজন সঠিক ব্যাখ্যা না দিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করে মানুষকে একের পর এক বিভ্রান্ত করার প্রক্রিয়া চালিয়ে গেলেন। কেউ বললেন, ওলা-উবেরের জন্য গাড়ি বিক্রি কমেছে। কেউ দেশের অর্থনীতির হাল ভালো বোঝাতে গিয়ে সিনেমার টিকিট বিক্রি তো ভালোই হচ্ছে বললেন। এতে কি মানুষের কাছে নেতৃত্বের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে না!
কবি জীবনানন্দের সেই কবিতাটা অনেকেই জানেন। সেটা এক শাশ্বত সত্যের দিকনির্দেশ করে। ‘যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দেখে তারা।’
শরীরে ঘা যদি সত্যিই হয়, সেটা সারাতে হয়, প্রসাধনে ঘা ঢেকে রাখলে কয়েকদিন তাকে লুকানো যায়। কিন্তু অচিরেই তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তখন শত ওষুধেও কোনও কাজ হয় না। সরকার এই তত্ত্বটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবে, ততই দেশের, দশের এবং তাদের পার্টিরও মঙ্গল হবে।
নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে কম শক্তি নিয়েও একের পর এক কৌশল রচনা করে ক্ষমতা দখল করছেন, তার কিয়দংশও যদি অর্থনীতির পিছনে ব্যয় করতেন, তবে আজকের এই ভাঁড়ে মা ভবানী অবস্থা হতো না। অবশ্য মহারাষ্ট্র দেখিয়ে দিল, এসব কৌশলে আর কাজ হবে না। সেখানে সরকার গড়তে গিয়ে মুখ পুড়েছে বিজেপির। ঠিক তারপরেই দেখা গেল রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনে সাফ হয়ে গেল বিজেপি। লোকসভা ভোটের ফল দেখে অকারণ স্বপ্ন দেখার শুরু হয়েছিল।
স্বপ্ন সফল করতে গিয়ে শুরু হয়েছিল তৃণমূল ভাঙানোর খেলা। কিন্তু অচিরেই ধাক্কা খেল সেই প্রক্রিয়া। একটা কথা বুঝতে হবে, অমিত শাহ যত বলবেন, এখানে এনআরসি হবেই, বিজেপির ভোট ততই কমবে। একদিন কম খেলে মানুষ ফুঁসে উঠবে না। কিন্তু তাকে মাটি থেকে উৎখাত করলে সে বিদ্রোহ করবেই। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম সিপিএমকে সে কারণেই উচিত শিক্ষা দিয়েছে। বিজেপিকেও সেই শিক্ষা পেতে হবে। এই তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচন তার নমুনা মাত্র।
আরও প্রমাণ আছে। অসমে বিজেপি সরকারের এখন এনআরসি রিপোর্ট নিয়ে ভিক্ষে চাই না মা কুকুর সামলা অবস্থা। সরকারই কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়ে বলেছে, এই রিপোর্ট অবিলম্বে প্রত্যাহার করা দরকার। অসমের বিজেপি পার্টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিয়ে বলেছে, অবিলম্বে এই রিপোর্ট প্রত্যাহার না করলে আগামী নির্বাচনে বিজেপি সেখানে সাফ হয়ে যাবে। সে রাজ্যের হিন্দু এবং মুসলিম দুই পক্ষই তীব্র রাগে ফুঁসছে। গতকাল রবিবার তড়িঘড়ি এনিয়ে অমিত শাহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। বোঝাই যাচ্ছে, নৈঋতে জমছে সিঁদুরে মেঘ। অসম থেকে শিক্ষা নিয়ে এরাজ্যের মানুষও বুঝেছে, এনআরসি হলে শুধু মুসলিমদের গায়েই আঁচ পড়বে, তা কিন্তু নয়। নগরে আগুন লাগলে দেবালয় কখনও আগুনের হাত থেকে রক্ষা পাবে না।
আর এসব থেকে চোখ ঘোরাতে দেশভক্তির কথা শোনানো হচ্ছে। কিন্তু কেন হঠাৎ দেশভক্তির কথা! এটা তো কোনও স্বাধীনতার লড়াই নয়। এটা বিদেশি শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার লড়াইও নয়। এখন লড়াই ক্ষুধার বিরুদ্ধে। এখন লড়াই নিজের অস্তিত্বহীনতার বিরুদ্ধে। এখন লড়াই দুর্নীতির বিরুদ্ধে। এখন লড়াই দুর্বল অর্থনীতির বিরুদ্ধে। ধর্মের দোহাই দিয়ে অশিক্ষা, কুশিক্ষা, অবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব প্রচারের বিরুদ্ধে। এখন লড়াই করতে হবে শিক্ষার স্বার্থে, স্বাস্থ্যের স্বার্থে, আর্থিক উন্নয়নের স্বার্থে, একটু ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বার্থে। এইটুকুই তো মানুষ চায়। তার চাহিদা তো বেশি নেই। ক্ষুন্নিবৃত্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান।
এটুকু হলেই মানুষ ধন্য ধন্য করবে। এসব থেকে মুখ ঘোরাতে যদি দেশভক্তির মলম লাগাতে হয়, তাহলে বুঝতে হবে দুর্বলতা ঢাকার চেষ্টা চলছে। দেশভক্তিটা আবেগের। সেটা আপনা আপনিই জন্মায়। দেশভক্তিকে শৃঙ্খলের মতো ব্যবহার করলে তখন আর দেশভক্তি থাকে না। বরং উল্টে মানষের মনেই প্রশ্ন জাগে। তাঁদের কেউ হয়তো বলবেন, ‘স্যার আপনি যে আচ্ছে দিন আনবেন বলেছিলেন তার কী হল? আজ আমাদের এমন বুরা হাল কেন?’ তখনই হয়তো আর এক পক্ষ যাত্রার বিবেকের মতো গেয়ে উঠবে, ‘আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান, তুমি কি এমন শক্তিমান?’  
02nd  December, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...

 পুজোর আগে কাজের চাপে স্নান-খাওয়ার সময় থাকত না জাঙ্গিপাড়া, রাজবলহাট সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের তাঁতশিল্পীদের। করোনার কোপে তাঁরা আজ কাজ হারিয়ে কেউ রাজমিস্ত্রির জোগাড়ে, কেউবা ফেরিওয়ালা। ...

 করোনায় আক্রান্ত রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক। আপাতত তিনি উদয়পুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ...

 সরাসরি স্কুল-কলেজে গিয়ে ক্লাস করা সম্ভব না হলেও অনলাইনে ক্লাসের উপর জোর দিয়েছে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM