Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উপনির্বাচনের ফল ও বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ
তন্ময় মল্লিক

জনতা জনার্দন। ফের প্রমাণ হয়ে গেল। মাত্র মাস ছয়েক আগে লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন দখল করে গেরুয়া শিবির মনে করেছিল, গোটা রাজ্যটাকেই তারা দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় শুধু সময়ের অপেক্ষা। সেই বঙ্গেই তিন বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে একেবারে উল্টো হওয়া বইয়ে দিল মানুষ। না, হাওয়া নয়, বরং বলা ভালো তুফান। তুফানি শক্তি ছাড়া এক লহমায় ৪৫ হাজার, ৫৭ হাজারের মার্জিন ধুয়েমুছে সাফ করে দিয়ে ২০ হাজারের লিড নেওয়া ছিল অসম্ভব। ২৯৪টির আসনের তুলনায় তিন সংখ্যাটি খুবই সামান্য। কিন্তু, তিনটি আসনে উপনির্বাচনের এই ফলই ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের অভিমুখ ঠিক করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। উপনির্বাচনের ফলে উৎসাহিত তৃণমূল সেনারা ফের লম্ফঝম্প শুরু না করলে একথা বলা মোটেই বাড়াবাড়ি হবে না, তৃতীয়বার ঘাসফুল শিবিরের ক্ষমতা দখল সময়ের অপেক্ষা।
রাজনীতিতে হার জিত আছে। একদল জিতলে অন্যদল হারবে। এটাই স্বাভাবিক। এই হার জিতের গভীরে লুকিয়ে থাকে অসংখ্য কারণ। রাজনীতিতে ‘কেন’ শব্দটির গুরুত্ব অসীম। কেন পরাজয়, তার কারণ অনুসন্ধানের পর প্রতিকারের ব্যবস্থা করলে সাফল্য লাভ অনিবার্য হয়ে ওঠে।
এবার দেখা যাক, তৃণমূল কংগ্রেস কেন লোকসভা ভোটে বিপর্যস্ত হয়েছিল। একটা কথা প্রায় সকলেই স্বীকার করেন, ২০১১ সালে ক্ষমতা দখলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ‘মা-মাটি-মানুষে’র সরকার যে সমস্ত সরকারি পরিকল্পনা নিয়েছে, তা এর আগে কেউ নেয়নি। রাস্তাঘাট, পানীয় জল, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকীকরণ তো হয়েছেই। পাশাপাশি প্রচুর কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। নানা সরকারি প্রকল্পের মধ্যে দিয়ে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। সরকারি প্রকল্পের কোনও না কোনও সুযোগ সুবিধা পাননি, এমন পরিবারের সংখ্যা গ্রামেগঞ্জে খুবই কম। তা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে গিয়েছিল।
তার কারণ অনুসন্ধান করে দেখা গিয়েছে, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের ফুলে ফেঁপে ওঠা, দুর্নীতি, পঞ্চায়েত কব্জা করার জন্য মানুষের ভোটদানের অধিকার হরণ, স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতা ও গড়িমসি এবং অবশ্যই তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশের হামবড়া ভাব দলকে ডুবিয়েছিল। দম্ভের হাত ধরে জনবিচ্ছিন্নতা তার শিকড় বিস্তার করছিল অবলীলায়। জনবিচ্ছিন্নতা অনেকটা পরগাছা স্বর্ণলতার মতো। পরগাছা হু হু করে বাড়তে থাকে। আসল গাছটার রস শুষে খায়। ধীরে ধীরে শুকিয়ে যেতে থাকে মূল গাছ।
রাজনীতির দক্ষ কারিগর প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলকে ঘুরে দাঁড় করানোর দায়িত্ব নিয়েই হারের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করেছেন। এখন সকলে বুঝতে পারছেন, ভোটগুরুর তকমা তিনি ফোকটে পাননি। ‘দিদিকে বলো’ তাঁর মাস্টার স্ট্রোক। দিদিকে বলোর মধ্যে দিয়ে তিনি আমজনতার ক্ষোভের কারণ আঁচ করেছিলেন। বুঝেছিলেন, অনেক লড়াই-আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তৈরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাগানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বাকসর্বস্ব কিছু নেতা। উল্টোপাল্টা কথা বলে প্রচারে আসা নেতাদের সাধারণ মানুষ যে ভালো চোখে দেখে না, সেটা উপলব্ধি করেছিলেন। তাই প্রথমেই তিনি কাগুজে সর্বস্ব নেতাদের মুখে চাবি লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ইদানীং তাঁদের টিভির পর্দায় খুব একটা দেখা যায় না। অর্থাৎ ওষুধ কাজ করেছে।
জনবিচ্ছিন্নতা কাটানোর জন্য বিধায়ক থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের গ্রামে গিয়ে জনসংযোগ কর্মসূচি পালনের পরামর্শ দিয়েছিলেন। তাতে বালি, মোরাম, বোল্ডারে মগ্ন নেতাদের কোথাও কোথাও জনরোষের মুখে পড়তে হয়েছে। হেনস্তা হতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে, এতদিন কোথায় ছিলেন? তীক্ষ্ণ বাক্যবাণে জর্জরিত হতে হয়েছে। মানুষ মনের ঝাল মিটিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আর তাতে ভিতরে থাকা ক্ষোভটাও বেরিয়ে গিয়েছে। পিকে এবং তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব বুঝিয়ে দিতে পেরেছে, নেতা ধরে বা লবি করে আর টিকিট নয়। টিকিট পেতে লাগবে জনসংযোগ। কারণ বিধানসভা ও পুরসভার ভোটে টিকিট বিলির সময় নেতৃত্বের চোখ থাকবে টিম পিকের রিপোর্ট কার্ডে।
তৃণমূল জমানায় সমস্ত সরকারি পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কমিশন প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছিল। গরিব মানুষের আবাস যোজনার টাকা থেকে ১০০ দিনের কাজ। সবেতেই শাসক দলের স্থানীয় নেতাদের দিতে হয়েছে কাটমানি। নিজের হকের টাকা থেকে নেতাকে ভাগ দিতে হয়েছে। নেতাকে কাটমানি দিতে গিয়ে বহু ঘরের ছাউনিতে টালি, কিংবা টিন চাপেনি। তাতে ঘরের লোকও পর হয়েছে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে নেতাদের কাটমানির বিরুদ্ধে গলা ফাটাতে হয়েছে। মানুষ বিশ্বাস করেছে, নেতাদের চুরিতে উপরতলার সায় নেই।
শাসক দলের নেতাদের অত্যধিক পুলিস ও প্রশাসন নির্ভরতাও তৃণমূলের ভরাডুবির অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পুলিসের একটা বড় অংশ যে লুটপাট চালাচ্ছিল, সেটাও নেত্রীর সামনে এসেছিল। তারপরই তিনি বিভিন্ন প্রশাসনিক সভায় গিয়ে পুলিসকে সতর্ক করেছেন। সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বালি, বোল্ডার, পাথর, মাটির গাড়ি থেকে তোলা কোনও টাকাই কলকাতায় যায় না। কোনও নেতাকে টাকা দিতে হয় না। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনের দুর্নীতিকে আড়াল না করে প্রকাশ্যে সেকথা বলায় সাধারণ মানুষ সম্ভবত তাঁদের সেই ‘অগ্নিকন্যা’কেই খুঁজে পেয়েছেন।
তবে, এখনও অনেক ব্যাপারেই ক্ষোভ আছে। বিশেষ করে শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে মানুষের মনে বিস্তর ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ দূর করতে হবে। শিক্ষক নিয়োগে আইনি জটিলতা কাটাতেই হবে। যেভাবেই হোক বাম জমানার মতো প্রতি বছর নিয়ম করে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চালু করতে হবে। যদিও রাজ্যে বেকারত্বের হার জাতীয় হারের (৬ শতাংশ) চেয়ে কম, তবুও স্বস্তির কোনও জায়গা নেই। শিক্ষান্তে কাজের সুযোগ যে কোনও বেকারের প্রধান চাহিদা। লোকসভা ভোটে বালাকোট যদি জাতীয় আবেগ হয়ে থাকে, তাহলে যুব সমাজের আকর্ষণ ছিল নরেন্দ্র মোদির দেখানো ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’র স্বপ্ন। সেই যুবসমাজ পাশে না থাকলে যে কোনও দলের ক্ষমতায় থাকার স্থায়িত্ব দীর্ঘ হয় না।
এবার দেখা যাক, উপনির্বাচনে গেরুয়া শিবির এভাবে ধরাশায়ী হল কেন?
লোকসভা ভোটে এ রাজ্যে বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার পিছনে সব চেয়ে বড় ভূমিকা ছিল জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপট। লোকসভায় যদি ৪২ আসনই জিতে যেত তাহলেও তৃণমূল যে সরকার গড়তে পারবে না, সেটা সকলেই জানতেন। ফলে, সাধারণ মানুষ দেশে একটা স্থায়ী সরকার গঠনকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাই ঝড়ে বক মরলেও বঙ্গ বিজেপির অনেকেই ভেবেছিলেন তাঁদের ওঝাগিরির জন্যই এই সাফল্য। এখন তাঁরা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, জনগণের কাছে তাঁদের মূল্য কতটা!
দ্বিতীয়, এরাজ্যে লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের সাফল্যের পিছনে বালাকোটের জাতীয় আবেগ কিঞ্চিৎ কাজ করলেও প্রধান কারণ ছিল তৃণমূলের নেগেটিভ ভোট। তৃণমূলের পঞ্চায়েত, ব্লক ও জেলা নেতৃত্বের উপর মানুষের ক্ষোভ আছড়ে পড়েছিল ইভিএমে। বিজেপিকে ভালোবেসে নয়, মানুষ আন্তরিকভাবে চেয়েছিলেন তৃণমূলের অহঙ্কারের জবাব দিতে। তাই তৃণমূলের দখলে থাকা একের পর এক বিধানসভা আসন থেকে ৪০ হাজার ৫০ হাজার ভোটে লিড নিয়েছিল বিজেপি। লিড দেখে চমকে গিয়েছিলেন বিজেপির নেতারাও। কোনও সংগঠন ছাড়া স্রেফ হাওয়ার জোরে এভাবে সাফল্য যে ঘরে তোলা যায়, তা এর আগে এরাজ্য একবারই মাত্র প্রত্যক্ষ করেছিল। ১৯৮৪ সালের লোকসভা ভোটে। ইন্দিরা গান্ধীর অকাল প্রয়াণে। সেবার সহানুভূতির ঝড়ে টলে গিয়েছিল বামদুর্গের ভিত। কিন্তু, সেই ঝড় দীর্ঘমেয়াদি কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি।
লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের সাফল্য লাভের সঙ্গে সঙ্গে বেনোজলের স্রোত আছড়ে পড়ল। ক্ষমতার চিটেগুড়ের লোভে তৃণমূল ও সিপিএমের দাগী, পচাদের ভিড় বাড়তে লাগল। কেউ কেউ আবার নতুন দলের মাথায় চড়ে বসল। বহু জায়গায় প্রায় আট বছর ঘরের মধ্যে সেঁধিয়ে থাকা সিপিএমের হার্মাদরা গাঝাড়া দিয়ে একেবারে সামনের সারিতে চলে এল। বিভিন্ন এলাকায় স্বঘোষিত নেতাদের আবির্ভাবে পদ্ম শিবির তখন চাঙ্গা। ভাবখানা এমন, এই বুঝি ক্ষমতায় এসে গেল। শুরু হল চেয়ার দখল নিয়ে আদি ও নব্যের লড়াই। মণ্ডল কমিটি দখল নিয়েও চলল খেয়োখেয়ি। মানুষ এসব দেখে ভাবতে শুরু করল, এ তো টকের জ্বালায় পালিয়ে এসে তেঁতুলতলায় বাস।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এরাজ্যের শাসন ক্ষমতায় বসার আগে বছরের পর বছর সিপিএমের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। কয়েক দশক ধরে আন্দোলনের সুবাদে রাজ্যের কোণায় কোণায় তৈরি হয়েছে নিজের লোক। তারা মার খেয়েছে, জেল খেটেছে, খুন হয়েছে। তারপর ক্ষমতা দখল। এসব কিছু হওয়ায় হয়নি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিছনে সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস আছে। কিন্তু, বঙ্গ বিজেপির ক’জন তাঁদের রাজনৈতিক জীবনে লড়াই, সংগ্রামের কথা স্বগর্বে ঘোষণা করতে পারবেন? রাজনীতিতে অনেক অঘটনই ঘটে। কিন্তু, শুধু হাওয়ায় আর বেনোজলের তোড়ে রাইটার্স বা নবান্নে পৌঁছনোর মতো অঘটন ঘটে না।
লোকসভা ভোটে সাফল্য পাওয়ার পর থেকে বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্ব দল গড়ার থেকে দল ভাঙানোয় বেশি আগ্রহী হয়ে পড়েছিল। ভাড়াটে সেনা নিয়ে যে যুদ্ধ জেতা যায় না, এই সহজ সত্যিটা তাঁরা বুঝতে চাননি। রাজনীতি যে ১০০মিটারে স্প্রিন্ট নয়, ম্যারথন রেস তা বুঝতে চাননি। অনেকে বলছেন, সংগঠন না গড়ে অতিরিক্ত আরএসএস নির্ভরশীলতা এবং চট জলদি সাফল্য ঘরে তুলতে গিয়ে বিপদ ডেকে এনেছে বঙ্গ বিজেপি।
২০২১ সালের আগে এই উপনির্বাচনে বঙ্গ রাজনীতির অভিমুখ অনেকটা স্পষ্ট। এর ফলে বিজেপিতে ভাটার টান অনিবার্য। একইভাবে অনিবার্য, তৃণমূলের পার্টি অফিসগুলিতে ভিড় বৃদ্ধি। উপনির্বাচনে ফল ঘোষণা হতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে পটকা ফাটা। দলীয় কর্মীদের উচ্ছ্বাস খুবই স্বাভাবিক। এরপর হয়তো শুরু হবে বিজয় মিছিল বা মানুষকে ধন্যবাদ জানানোর নামে পদযাত্রা। সেই সব মিছিলে ফের মানুষের অপছন্দের মুখগুলি ভেসে ওঠার প্রাণপণ চেষ্টা চালাবে। এখানে বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ হিসেবে বলতেই হয়, অপছন্দের মুখ ফের সামনে এলে মুখ ফেরাবে জনতা জনার্দন। কারণ ক্ষমতার আস্ফালন আমজনতার নাপসন্দ।
30th  November, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 কলকাতার নামীদামি, সরকারি-বেসরকারি অন্তত ১৭টি হাসপাতাল তাদের বর্জ্য পদার্থ (বায়ো-মেডিক্যাল ওয়েস্ট) নিয়ম মেনে সরাচ্ছে না। এমনকী তরল বর্জ্য পরিশোধনেও ব্যাপক গাফিলতি রয়েছে। ...

 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM

 করোনা: মণ্ডপে গণেশ পুজোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল ভূবনেশ্বর পুলিস কমিশনারেট

01:50:02 PM

করোনা আক্রান্ত কলকাতা পুলিসের এক শীর্ষ কর্তা 

01:16:00 PM