Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভারত-মার্কিন সহযোগিতাই ঠেকাতে পারবে
অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বিপদ 
কেনেথ আই জাস্টার

কেউ কি ভাবতে পেরেছিল, সামান্য একটি ছাতাপড়া ‘মেলন’ জাতীয় ফলের ভিতর লুকিয়ে রয়েছে অগণিত মানুষের জিয়নকাঠি? হ্যাঁ, পেনিসিলিন—এটাই হল সর্বপ্রথম অ্যান্টিবায়োটিক। আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯২৮-এ। আমরা জানি, আবিষ্কার করেছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্দার ফ্লেমিং। তবু ১৯৪২-এর আগে অবধি ক্যানটালোপের ভিতরে সঞ্চিত রহস্যের সাহায্যে পেনিসিলিয়ামের বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব হয়নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হাজার হাজার অসুস্থ সৈনিকের জীবনদায়ী পেনিসিলিয়াম উৎপাদনের সূত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের ঔষধ শিল্প দ্রুত বিকশিত হতে পেরেছিল।
আমরা জানি, প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আহত সৈনিকরা যত সংখ্যায় না মরেছিল, তার তুলনায় বেশি সৈনিকের বেঘোরে প্রাণ গিয়েছিল নানাবিধ ইনফেকশন সারাতে না-পারার কারণে। উল্লেখযোগ্য ঘটনা এই, পেনিসিলিয়াম মিরাকল বা চমৎকার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকাল থেকে মানবসভ্যতার কাছে বিরাট এক আশীর্বাদ হয়ে উঠল, আমরা আগের বিপদটির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সক্ষম হলাম। নিউমোনিয়া এবং নানা ধরনের চর্মরোগের মতো সাধারণ অসুখে মৃত্যুর ব্যাপক হারটিও হঠাৎ করে কমিয়ে আনা সম্ভব হল। এই যে অগ্রণী এক যুগ এসে গেল, অনেকের মতে, সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইতে আমরা নিশ্চিতরূপে জয় ছিনিয়ে আনতে পারলাম। পেনিসিলিনের কার্যকারিতা হ্রাসের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মোকাবিলা করা গিয়েছিল নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের মাধ্যমে। তার ফলে, ১৯৮৫ সালে এসেও ইনফেকশাস ডিজিজেস সোসাইটি অফ অ্যামেরিকা তার বার্ষিক অধিবেশনে—সংক্রামক ব্যাধির জন্য স্পেশালিস্ট বা বিশেষজ্ঞদের আদৌ প্রয়োজন আছে কি না—এরকম একটি প্রশ্ন তোলার অবকাশ পেয়েছিল।
অথচ, তার পর ৩৫ বছর পেরনোর আগেই আমাদের সামনে নতুন এক কঠিন বাস্তব এসে হাজির হয়েছে যে, এই সমস্ত জীবনদায়ী ওষুধ আর বেশিদিন কার্যকরী নাও থাকতে পারে। এই যে নির্দিষ্ট রোগের চিকিৎসায় নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এর নাম দিয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টান্স (এএমআর)। সারা পৃথিবীতে মানুষের স্বাস্থ্যের সামনে যে ভয়ঙ্কর দশটি বিপদ উপস্থিত হয়েছে, এএমআর তারই একটি। বছরে ২ লক্ষ ১৪ হাজার নবজাতকের মৃত্যুর কারণ এএমআর প্যাথোজেনস অথবা ‘সুপারবাগস’। ‘প্যাথোজেন’ শব্দের বাংলা করা যায় ‘রোগের জনক’ বা যে ‘এজেন্ট’ রোগসৃষ্টির জন্য দায়ী। অন্যদিকে, ‘সুপারবাগ’ হল সেইসব মারাত্মক জীবাণু—নির্দিষ্ট জীবাণুপ্রতিরোধী ওষুধ প্রয়োগের পরেও যারা নির্বিকার থাকতে পারে। অর্থাৎ প্রতিটি ‘এএমআর প্যাথোজেন’ই হল জীবনঘাতী ‘সুপারবাগ’। বিশ্বজুড়ে এএমআর বেড়ে চলেছে। বলা দরকার, এটা পৃথিবীর যে-কোনও জায়গার যে-কোনও বয়সি মানুষের ক্ষতি করতে পারে। সামান্য ব্যাকটিরিয়াসংক্রমণের কারণে একসময় হরবখত মানুষ মারা যেত। ভয় হচ্ছে যে, অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্টান্সের বিপদ সেই ফেলে আসা দুঃসময়কেই না ফিরিয়ে আনে!
সোজা করে বললে বলতে হয় যে, অ্যান্টিবায়োটিকের মতো অমূল্য সম্পদের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে আমরা একেবারে ‘কেয়ারলেস’। আমরা এতটাই অবিবেচক যে অ্যান্টিবায়োটিক নিজেদের উপর এবং পশুদের উপরেও মুড়িমুড়কির মতো প্রয়োগ করে থাকি। এই যে সমস্যা তার মূলে আমাদের মধ্যে চারিয়ে যাওয়া কিছু সাধারণ ভুল ধারণা, যেমন ঠান্ডালাগা বা জ্বরজ্বালাতেও অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে—অথচ, বাস্তবটা হল, এইসব অ্যান্টিবায়োটিক কোনোভাবে ভাইরাসের ক্ষতি করতে পারে না। এবংবিধ ভুল ধারণা থেকেই আমাদের ভিতর অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের বদঅভ্যাস গড়ে উঠেছে এবং কিছু ডাক্তারও প্রয়োজনের অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার বা ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে চলেছেন। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে, হাসপাতালগুলিতে যত ‘অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল’ ব্যবহার হচ্ছে তার প্রায় অর্ধেকের কোনও প্রয়োজন নেই অথবা যেমনভাবে ব্যবহার করা দরকার ঠিক সেইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে না।
অ্যান্টিবায়োটিকের আনাড়ির মতো এবং লাগামছাড়া ব্যবহার চলছে অন্যপ্রাণীদেরও উপর। যখন অগণিত মানুষের জীবনরক্ষার তাগিদে অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা অক্ষুণ্ণ রাখা কর্তব্য, তখন এই ধরনের অনেকগুলি ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে—খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত কিংবা খাদ্যপ্রদায়ী পশুপাখিদের দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধির লোভ নিয়ে। পশুপাখির রোগসংক্রমণের চিকিৎসায় যত না তারা এইসব ওষুধ ব্যবহার করছে, তার চেয়ে বেশি করছে উপরোক্ত বাণিজ্যিক কারণে। চার দশকের বেশি হয়ে গেল, নতুন শ্রেণীর কোনও অ্যান্টিবায়োটিক ‘ডেভেলপ’ করা সম্ভব হয়নি, তার মধ্যে চলা এই কাণ্ডটিকে উপদ্রবকর বলেই মনে হচ্ছে।
‘এএমআর থ্রেট’-এর মোকাবিলায় ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার নেপথ্যে রয়েছে একটি ‘কমন ইন্টারেস্ট’। বিশ্বজুড়ে যেসব দেশে মাথাপিছু অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অন্যতম একটি। অন্যদিকে, অ্যান্টিবায়োটিকের সবর্মোট ব্যবহারের প্রশ্নে ভারত অন্য সমস্ত দেশকেই পিছনে ফেলে দিয়েছে। এই চ্যালেঞ্জিং সিচুয়েশনেও বলতে চাই যে, আশা হারিয়ে ফেলার মতো অবস্থায় কিন্তু আমরা পৌঁছে যাইনি। একটা সম্ভাবনাময় সমাধানের লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত দুই দেশই অভিনব শক্তিতে সমুজ্জ্বল হয়ে উঠতে অভ্যস্ত।
ওষুধ আবিষ্কারের প্রশ্নে এবং সংক্রামক ব্যাধির বিরুদ্ধে লড়াইতে যুক্তরাষ্ট্র একটি অগ্রণী দেশ। ভারতের রয়েছে সমৃদ্ধ ফার্মাসিউটিকাল সেক্টর এবং প্রাণচঞ্চল পাবলিক হেলথ কমিউনিটি। সমস্যাগুলিকে বিভিন্ন দিক থেকে মোকাবিলা করার কাজটি আমরা ইতিমধ্যেই শুরু করেছি। এর মধ্যে রয়েছে হাসপাতালগুলির রোগসংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও চাঙ্গা করা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-রেজিস্টান্ট ইনফেকশনের উপর নজরদারির ব্যবস্থা গড়ে তোলা, এএমআর সল্যুশানের বিষয়ে যেসব বিজ্ঞানী ও গবেষক কাজ করছেন তাঁদের পাশে দাঁড়ানো এবং জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নতুন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ডেভেলপমেন্টের জন্য তহবিল জোগানো।
এএমআর বিষয়ে গবেষণা ও নীতিনির্ধাণের উদ্দেশ্যে কলকাতায় একটি নতুন হাব গড়ে তোলা হয়েছে। সেটির উদ্বোধন উপলক্ষে গত মাসে আমার সঙ্গে সচিব তথা ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ (আইসিএমআর)-এর ডিরেক্টর জেনারেল বলরাম ভার্গবের সাক্ষাৎ হয়েছিল। সেখানেই এই বিপদ মোকাবিলার অঙ্গীকারটি পুনরাবৃত্ত হয়েছিল। আমি আশ্বস্ত করেছি যে, আমাদের ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিবিড়ভাবেই কাজ চালিয়ে যাবে। উল্লেখ্য যে, এএমআর-এর বিপদ মোকাবিলায় আমাদের ইন্ডিয়ান পার্টনারদের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক, আইসিএমআর এবং বায়োটেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট।
যখন আমাদের সরকার দুটি পদ্ধতি মেনে পরিকল্পিত উপায়ে এই সমস্যার সমাধানে একযোগে কাজ করে, তখন এএমআর-এর মতো কঠিন বিপদটি নিয়ে আমাদেরও ব্যক্তিগত স্তর থেকে সমষ্টিগতভাবে জরুরি ভিত্তিতে সোচ্চার হতে হবে, সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্যপরিষেবার গ্রহীতা হিসেবে যে-কোনও অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বা অন্যভাবে নেওয়ার আগে আমাদের কর্তব্য হল উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ। সংক্রামক ব্যাধি ছড়ানো ঠেকাতে প্রত্যেককেই বিরত থাকতে হবে। এজন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের যথাযথ ধারণা। এই ধারণা থাকলে আমরা হাত পরিচ্ছন্ন রাখব, মুখ খুলে কাশি দেব না, অসুস্থ শরীর নিয়ে বাইরে বেরব না। রোগসংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতে হবে, চিকিৎসার স্বীকৃত গাইডলাইন বা নির্দেশিকা অনুসরণ করতে হবে, প্রেসক্রিপশনে অপ্রয়োজনেও অ্যান্টিবায়োটিক লেখায় ক্ষান্ত দিতে হবে। আর যেটা দরকার তা হল, সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে চালু ভ্যাকসিন বা টিকাগুলি যাতে মানুষ ঠিকমতো নেয় তার জন্য প্রচার বাড়াতে হবে। কৃষকদের উচিত গবাদি পশুপাখিদের টিকাকরণের উপর গুরুত্ব দেওয়া। কেবলমাত্র সংক্রামক ব্যাধি নিরাময়ের প্রয়োজনেই গবাদি পশুপাখিদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া দরকার এবং অবশ্যই তা প্রয়োগ করতে হবে উপযুক্ত পশুচিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে। নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিকের উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে আমাদের শিল্পও গড়ে তুলতে হবে। একইসঙ্গে আমাদের দায়িত্বশীল অভিভাবক হয়ে ওঠাও প্রয়োজন। অব্যবহার্য অ্যা঩ন্টিবায়োটিকের ‘ডিসপোজাল’-এর বিষয়েও বিবেচনাপূর্ণ ভূমিকা থাকা দরকার।
এই বিরাট চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় আমাদের ব্যক্তিগতভাবে এবং সমষ্টিগতভাবে—দু’ভাবেই সক্রিয় হতে হবে। এএমআর মোকাবিলায় আমাদের সহযোগিতা দুই দিক থেকে প্রতিনিধিত্ব করবে। একদিকে, ইউএস-ইন্ডিয়া কোঅপারেশন একটি সিম্বল হয়ে উঠবে। অন্যদিকে, এমন একটি ‘লঞ্চ প্যাড’ হিসেবে ভাস্বর থাকবে, যেখানে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে এবং যেখান থেকে আমাদের দুটি দেশ তো বটেই সারা পৃথিবীও উপকৃত হবে।
 লেখক ভারতে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত 
20th  November, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ধানের নাড়া পোড়ানো নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ধান কাটার পর নাড়া তুলে ফেলতে হবে, পুড়িয়ে দেওয়া যাবে না। ধানের নাড়া পোড়ানোর জন্যই দূষণ মারাত্মক আকার নিচ্ছে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: রোগীকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া হতে দেরি হওয়ার অভিযোগে বুধবার বিকেলে ফুলেশ্বরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভাঙচুর চালাল রোগীর আত্মীয়রা। এই ঘটনাকে ...

ফতেপুর, ১১ ডিসেম্বর (পিটিআই): উত্তরপ্রদেশে একের পর এক ধর্ষণ এবং সেই সংক্রান্ত অপরাধের ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার সেই রাজ্যের ফতেপুর জেলার জাফরগঞ্জে ১৬ বছরের এক ধর্ষিতাকে পুড়িয়ে মারার হুমকি দিল অভিযুক্তদের পরিবার। শীর্ষস্থানীয় পুলিস অফিসারদের কাছে ওই নাবালিকা এমনটাই অভিযোগ ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

আত্মবিশ্বাস এত বৃদ্ধি পাবে যে, কোনও কাজই কঠিন মনে হবে না। সঞ্চয় বেশ ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১১: রদ হল বঙ্গভঙ্গ
১৯১১: নতুন রাজ্য হল বিহার ও ওড়িশা
১৯১১: কলকাতা থেকে রাজধানী স্থানান্তরিত হল দিল্লিতে
১৯৫০: অভিনেতা রজনীকান্তের জন্ম
১৯৫৭: পূর্ব রেলে ইএমইউ ট্রেনযাত্রা চালু
২০০৫: পরিচালক রামানন্দ সাগরের মূত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০৪ টাকা ৭১.৭৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৪৭ টাকা ৯৪.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.১৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৭০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/১৯ দিবা ১০/৪২। রোহিণী ০/২৮ দিবা ৬/২২। সূ উ ৬/১০/৪৫, অ ৪/৪৯/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৬ গতে ২/৪১ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৬ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৪/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১০ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২৯ গতে ১/৯ মধ্যে।
২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পূর্ণিমা ১১/৫৬/৫১ দিবা ১০/৫৯/৫। রোহিণী ২/৩৮/১৪ দিবা ৭/১৫/৩৯, সূ উ ৬/১২/২১, অ ৪/৪৯/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১/২৩ গতে ২/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৯/২৩ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৪/৩৩ গতে ৬/১৩ মধ্যে, কালবেলা ২/১০/২১ গতে ৩/৩০/১ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/১ গতে ১/১১/২১ মধ্যে।
১৪ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট মেট্রোয়
কলকাতা মেট্রোয় ফের বিদ্যুৎ বিভ্রাট। তার জেরে কিছুক্ষণের জন্য টানেলেই ...বিশদ

08:21:00 PM

অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট

04:54:33 PM

সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে গ্রেপ্তার যুব কং কর্মীরা 
ই-মলের সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হল যুব কং কর্মীদের। আজ, ...বিশদ

04:43:00 PM

সেক্টর ফাইভে ভুয়ো ডেটিং সাইট খুলে প্রতারণা, মুম্বইতে গ্রেপ্তার ৩ অভিযুক্ত 

04:26:00 PM

১৬৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

04:01:36 PM

 অনশন উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের
 অবশেষে উঠল পার্শ্বশিক্ষকদের অনশন। টানা ৩২ দিন ধরে আন্দোলন, যার ...বিশদ

04:00:00 PM