Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শিবসেনা ও একটি পরম্পরার অপমৃত্যু
শান্তনু দত্তগুপ্ত

শিবাজি পার্কের জনসভায় তির-ধনুকটা নামিয়ে বক্তৃতা শুরু করতে গিয়েও থমকে গেলেন বাল থ্যাকারে। শব্দবাজির দাপট কানের যাবতীয় সহ্যক্ষমতা অতিক্রম করছে। সঙ্গে চিৎকার... উল্লাস। অপেক্ষা করছেন শিবসেনা ‘প্রমুখ’। তির-ধনুক তাঁর দলের প্রতীক। পৌরুষের প্রতীক। তিনি নিজেও তাই। ১৯৯৫ সালের বিধানসভা ভোটের শেষ পর্বের প্রচার। আর এবার তিনি আত্মবিশ্বাসী, নিশ্চিত... মহারাষ্ট্রে সরকার হবে শিবসেনা-বিজেপিরই। বাজির শব্দ স্তিমিত হয়ে আসছে... বক্তব্য শুরু করলেন বাল থ্যাকারে। ভুল হল, বক্তব্য নয়। চোখা চোখা বাণের মতো শব্দবন্ধে আক্রমণ। শারদ পাওয়ারকে। সেবার ১৬৯টি আসনে প্রার্থী দিয়ে শিবসেনা জিতেছিল ৭৩টি। বিজেপি ১১৬টিতে লড়াই করে জয় পেয়েছিল ৬৫ আসনে। চাইলে কি সেবার মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না তিনি? আলবাৎ পারতেন। কিন্তু ওই ভোটের ফল ঘোষণার দিনকয়েক আগে একটি সাক্ষাৎকারে বালাসাহেব থ্যাকারে বলেছিলেন, ‘শপথ নিয়েছি... ওই কুর্সি (মুখ্যমন্ত্রীর) কোনওদিন ছুঁয়েও দেখব না। মানুষ আমাকে বিশ্বাস করে... কারণ তারা মনে করে, আমি অন্যদের থেকে আলাদা। সেই বিশ্বাস আমি ভাঙতে পারি না। ভাঙবও না।’... ঠিক তার পরের বিধানসভা নির্বাচন। ১৯৯৯। জিজ্ঞেস করা হল, প্রয়োজনে শারদ পাওয়ারের সঙ্গে জোট? বলেছিলেন, ‘লোকে বলে রাজনীতিটা স্কাউন্ড্রেলদের খেলা। আপনার উপর নির্ভর করছে আপনি ভদ্রলোক থাকবেন, নাকি স্কাউন্ড্রেল হবেন। কেউ যদি যেচে স্কাউন্ড্রেল হতে চায়... আটকানো যায় না। তবে আমি একজন স্কাউন্ড্রেলের সঙ্গে জোট বাঁধব না। ওই লোকটা অটলবিহারী বাজপেয়ির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গ্যারান্টি কি ভবিষ্যতেও করবে না?’
শারদ পাওয়ার তখন কংগ্রেসে। বিদেশিনী ইস্যু মাথাচাড়া দেয়নি। অর্থাৎ, সোনিয়া গান্ধীর নামে গাল পেড়ে দল ছাড়েননি তিনি। ১৩ মাসের অটলবিহারী বাজপেয়ি সরকারকে মাত্র এক ভোটে ক্ষমতাচ্যুত করার নেপথ্যে শারদ পাওয়ারের ভূমিকাই প্রবল বলে মনে করা হয়। এখন সময় বদলেছে। বালাসাহেব এখন অতীত। একজন কার্টুনিস্ট। শিল্পী। মারাঠা জাত্যাভিমানের লড়াইয়ের সেনাপতি। ‘সরকার’। ঠিক এই কারণে লোকে শিবসেনাকে মনে রাখে... ভোট দেয়। দলটা বাল থ্যাকারের। যে ভোট শিবসেনা পায়, তার বেশিটাই ওই গেরুয়া গায়ে, রুদ্রাক্ষের মালা পরা লোকটার লেগাসির জন্য। শুধু উদ্ধব থ্যাকারে বা আদিত্য থ্যাকারের ক্যারিশমায় আজকের দিনে কি ৫৬টা আসন শিবসৈনিকরা পেতে পারে? তর্কের ব্যাপার। কিন্তু সে যেভাবেই হোক, পেয়েছে। এবং এবার হয়তো দু’টোই হচ্ছে—মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে ‘পরিবারে’র কেউ, আর শারদ পাওয়ারের সঙ্গে জোট। অন্তত এনসিপি প্রধানের দাবি মানলে তো তাই মনে হচ্ছে। কংগ্রেস ও এনসিপি থেকে একজন করে উপ মুখ্যমন্ত্রী। আর মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার। অর্থাৎ, বাল থ্যাকারে যে আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন... এই পরিবার ক্ষমতার রসায়নের মধ্যে ঢুকে পড়লে মানুষের মধ্যে থেকে সেই বিশ্বাসযোগ্যতাটা চলে যাবে, সেই ভাবনাটাও আজ অতীত হতে বসেছে। হয়তো উদ্ধব থ্যাকারে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। কিংবা আদিত্য। আবার বিজেপিও কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। মহারাষ্ট্রজুড়ে কেমন একটা ঘোড়া কেনাবেচার গন্ধ। এর উপর বিজেপি আরও বলছে, এখনও সেনার জন্য দরজা খোলা। হাতে ১১৯টি আসন নিশ্চিত। শিবসেনা জোটে যোগ দিতে চাইলে দিতেই পারে। কিন্তু তার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।
এটা হল আপাতত মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি। যার কি খুব প্রয়োজন ছিল? উদ্ধবরা যদি মুখ্যমন্ত্রিত্বের দাবি নিয়ে প্রাণপণ দড়ি টানাটানি না করতেন, তাহলে এতদিনে মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন হয়ে যেত। আসলে ৫৬টি আসন ঝুলিতে চলে আসার পর শিবসেনা ভাবল, এই তো সুযোগ। ১০৫টা আসন নিয়ে বিজেপি একা সরকার গঠন করতে পারবে না। শিবসেনা যদি সমর্থন না করে, তাহলে হয় কংগ্রেস কিংবা এনসিপির সঙ্গে ওদের জোট বাঁধতে হবে। যা সম্ভব নয়। ২৯টি নির্দলের সবাইকে রাজি করাতে পারলেও ম্যাজিক ফিগার ১৪৫-এ পৌঁছনো যাবে না। ব্যাস! শিবসেনা দাবিতে অনড়... মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারই চাই। পুরো পাঁচ বছর না হোক, আড়াই বছর হলেও চলবে। আর বিজেপির গোঁ, দেবেন্দ্র ফড়নবিশই মুখ্যমন্ত্রী হবেন।
শিবসেনা আসলে একটা বিষয় স্পষ্ট বুঝে গিয়েছিল... হয় এবার নয় নেভার। আর দর কষাকষির ঘোরে উদ্ধবরা ভুলে গিয়েছিলেন, তাঁরা আসলে দলের রাজনৈতিক অস্তিত্বের ভিতেই কুড়ুল মেরে দিয়েছেন। বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, কংগ্রেস-এনসিপিও পুতুল নাচন নাচাচ্ছে। এমন অবস্থায় যদি সরকার গঠন না হয়ে মহারাষ্ট্রে ফের বিধানসভা ভোট করাতে হয়, তার দায় পুরোটাই চাপবে তাঁদের উপর। প্রত্যক্ষ দায় যদি সেনার হয়, বিজেপিও কিন্তু ধোয়া তুলসিপাতা হয়ে থাকতে পারবে না! কুমিরছানার মতো দিনের পর দিন তারা একটাই ছবি দেখিয়ে যাচ্ছে—‘সব ঠিক আছে’। বেকারত্ব, কমতে থাকা জিডিপি, বাজারে নগদের ঘাটতি, উধাও হয়ে যাওয়া শিল্প-সম্ভাবনা... তাও তাদের দাবি ‘সব কুছ ঠিক হ্যায়’। ভোটার কিন্তু বোকা নয়। আর লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনের গঠনতন্ত্রটাও আলাদা। প্রধানমন্ত্রী হবেন নরেন্দ্র মোদি। তার বিকল্প কোনও মুখ ভারতের ভোটাররা খুঁজে পাননি। তাই বিজেপিতেই ভোট-ভরসা। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচন নিজের রাজ্যের ব্যাপার। ঘরের ব্যাপার। বিকল্প অনেক বেশি। ছবিটা পরিষ্কার, ওভার কনফিডেন্সের চোরাবালিতেই ডুবতে শুরু করেছে বিজেপি। তারা মনে করছে, যেখানে হাত দেব সোনা ফলবে। তা কিন্তু হচ্ছে না! তাই মহারাষ্ট্রে নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ ডজন ডজন সভা করেও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা জোগাড় করতে পারেননি। এখনও অমিত শাহ কী ভেবে রেখেছেন জানা নেই। ধরে নেওয়া যেতেই পারে কোনও প্ল্যান বি রয়েছে। আপাতত সেটা সামনে আসেনি। বরং শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেসের মধ্যে নিত্য বৈঠক চলছে। ছকটা হয়েছে। এবার কাঠামোটা বানাতে হবে। যেনতেনপ্রকারেণ সরকার গড়তেই হবে—এই মনোভাব থাকলে বিজেপি কিন্তু শিবসেনাকে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছেড়ে দিত। তা তারা করেনি। বরং এনসিপি-কংগ্রেস তেমন একটা টার্গেট নিয়েই ময়দানে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সোনিয়া গান্ধী স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, সুযোগ যখন মিলেছে সদ্ব্যবহার করো। এখানেও আর একটা ‘কিন্তু’ রয়েছে। সেটা কী? ধরা যাক সরকার হয়ে গেল। তারপর? কেউ বলছে এই বিয়ে দু’বছর টিকলে হয়! তো কেউ বাজি ধরছে, ছ’মাসও টিকবে না। রাজনীতি যতটা অঙ্ক, তার থেকে অনেক বেশি রসায়ন। একের সঙ্গে অপর শরিকের সম্পর্কটা পাঁচ বছর ধরে ঠিক কতটা মধুর থাকবে, তার উপর নির্ভর করছে অনেক কিছু। ভুল হল, সব কিছু।
এবার প্রশ্ন হল উদ্ধব থ্যাকারের কি সেই রাজনৈতিক যোগ্যতা আছে? গত সাত বছর ধরে নিজেকে বাবার পর্যায়ে উন্নীত করতে পারেননি তিনি। বরং দলটাকে বাল থ্যাকারের লেগাসিতে মুড়েই চালিয়ে যাচ্ছেন। আর অনুসরণ করছেন বাল থ্যাকারের পলিসি। গ্রামের দিকে নজর। কম দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের প্রতিশ্রুতি, মারাঠা জাত্যাভিমান। বিজেপি যা বলতে বা করতে চেয়েছে, শিবসেনা তারই উল্টো গান গেয়ে ফড়নবিশ ও মোদি সরকারকে বিরক্ত করেছে। কখনও জনসমক্ষে বিবৃতি দিয়ে, তো কখনও ‘সামনা’র সম্পাদকীয়র মাধ্যমে। উদ্ধবের এখানেও একটা ঢাল রয়েছে। স্বয়ং বাল থ্যাকারে। দু’দশক আগে তাঁকে যখন ছেলে উদ্ধব এবং ভাইপো রাজের রাজনৈতিক অনভিজ্ঞতার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তিনি বলেছিলেন, ‘রাজীব গান্ধীও তো প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ওঁর রাজনৈতিক যোগ্যতা কী ছিল?’ রাজীব গান্ধীকে ডুবিয়েছিল তাঁর একের পর এক মিস-অ্যাডভেঞ্চার। উদ্ধব যদি মুখ্যমন্ত্রী হন, তাহলে অন্যরকম কিছু হতেই পারে। হয়তো ভালো কিছু! সেটা সময় বলবে। কিন্তু মহারাষ্ট্রের নিরিখে দেশজুড়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যে বেশ কিছুটা বিগড়ে গিয়েছে, সে নিয়ে সন্দেহ নেই। বিজেপিকে এখন আস্তিন থেকে নতুন কোনও তাস বের করতেই হবে। সেই তাস শুধু বিরোধী বা শরিক দলের জন্য হলে চলবে না। সেটা হতে হবে ভোটারকুলের জন্য।
এগুলো অবশ্যই পর্দার আড়ালে থাকা ছবি। সামনের ছবিটা হল, কংগ্রেস হাত মেলাচ্ছে শিবসেনার সঙ্গে। কট্টর হিন্দুত্ববাদী একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে। ক্ষমতায় থাকার জন্য যে কারও হাত ধরা যায়, এটাই আপাতত বিরোধী দলগুলির এজেন্ডা। শারদ পাওয়ারের মিষ্টি কথায় শিবসেনা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব ছেড়েছে। লোকসভার অধিবেশনে তারা এবার বসছে বিরোধী বেঞ্চে। আর দূরেরটা দেখলে? বিজেপি কিন্তু শক্তি হারাচ্ছে। আরও সোজাভাবে বলতে গেলে শরিকরা সরে যাচ্ছে। শিবসেনা সরে যাওয়ার পর জেডিইউ ছাড়া তেমন শক্তিশালী শরিক আর এনডিএতে নেই। সংখ্যায় হয়তো প্রচুর, কিন্তু ভোটারদের মধ্যে তাদের প্রভাব ফেলার ক্ষমতা দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। জয়ললিতা বেঁচে থাকাকালীন তাও এআইএডিএমকের কিছু জোর ছিল। এখন নেই। বিধানসভা ভোটগুলিতে শরিকহীনতার প্রমাণ পাচ্ছে বিজেপি। এই প্রবণতা আরও বাড়বে। মহারাষ্ট্রই তার পথনির্দেশক। বন্ধুসুলভ আচরণ নয়, শরিকদের উপর দাদাগিরিটাই মারাত্মক বেড়ে গিয়েছে বিজেপির। অভিভাবক হতে গেলে অনেক সহনশীল হতে হয়, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়। লোকসভায় তিন শতাধিক আসনে বলীয়ান বিজেপি সেসব রাজনৈতিক নীতিকথা ভুলেছে। প্রথম ইউপিএ সরকারের সময় ডিএমকে সুপ্রিমো এম করুণানিধি দেখা করতে এলে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং নিজে নেমে আসতেন পোর্টিকোয়। দাঁড়াতেন গাড়ির সামনে। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। শরিক দলের নেতাকে গাড়ির দরজা থেকে অভ্যর্থনা জানিয়ে নিয়ে না গেলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ত না। কিন্তু তিনি সেটাই করতেন জোট-রাজনীতির খাতিরে।
এটাই শিক্ষণীয়। আজ বিজেপির সঙ্গে শিবসেনার মতো শক্তিশালী বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার নেপথ্যে অবশ্যই শারদ পাওয়ার। সেই পাওয়ার, যিনি ’৮২ সালে টেক্সটাইল কর্মীদের ধর্মঘটে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন বালাসাহেব থ্যাকারের সঙ্গে। কিন্তু আদর্শে কট্টর বাল থ্যাকারে পরবর্তীকালে রাজনীতির মুদ্রায় শারদ পাওয়ারের উল্টো পিঠ হয়ে যান। যা কোনওদিন মিলতে পারে না। সেনা সুপ্রিমোর জীবদ্দশায় তা মেলেওনি। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরিরা? পদবিটা এক হতে পারে। চরিত্র নয়। তাই এই শারদ পাওয়ারই এখন লেজে খেলাতে শুরু করেছেন শিবসেনাকে। নিন্দুকে বলছে, দিল্লি থেকে নির্ঘাত হুমকি এসেছে। এনসিপির অজিত পাওয়ার ও প্রফুল্ল প্যাটেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের জালে পড়েছেন। আয়কর দপ্তরের হানা শুরু হয়েছে। এর থেকে বাঁচতে গেলে কিছু তো আত্মত্যাগ করতেই হবে। তাই শারদ পাওয়ার শেষ মুহূর্তে কোনদিকে যান, সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।
যদি বাল থ্যাকারে বেঁচে থাকতেন...! 
19th  November, 2019
হও এনকাউন্টারে বীর, হবে জয়
সন্দীপন বিশ্বাস

হবু বললেন, ‘আচ্ছা গবু, সামনেই তো আমাদের স্বতন্ত্রতা দিবস। এবার স্পেশাল কী অনুষ্ঠান করা যায়, একটু ভেবে দেখো। এমন কিছু করতে হবে, যাতে দেশের মানুষ মহামারীর কথা ভুলে গিয়ে আনন্দে বাড়ির ব্যালকনিতে হাততালি দিয়ে প্রদীপ জ্বালায়, বাজি ফাটায়।’  
বিশদ

বিকাশের হাত ধরেই
রাজনীতির ‘বিকাশ’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উত্থানের শুরুয়াত। ত্রাসেরও। কানপুরের আশপাশের চৌহদ্দিতে কান পাতলে এমন অনেক কথা শোনা যায় পণ্ডিতজি সম্পর্কে। লোকে এই নামে ডাকলে খুশি হতো বিকাশ দুবে। অর্জুন পণ্ডিত নামে সানি দেওলের একটি ছবি এসেছিল... তাতে গ্যাংস্টারের ভূমিকায় ছিলেন সানি। পছন্দের চরিত্র... পণ্ডিত হতে চেয়েছিল বিকাশ। মাফিয়া... মসিহাও। যদিও অতটা হয়নি।
বিশদ

14th  July, 2020
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

13th  July, 2020
ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, মালদহ: মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আধুনিক ট্রমা কেয়ার সেন্টারটি নভেম্বর মাস নাগাদ চালু হতে পারে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পরেই এই বিশেষ চিকিৎসা কেন্দ্রটি চালু করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষ।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: সোমবার গভীর রাতে আরামবাগ শহরের কালীপুরে তৃণমূলের পতাকা ও ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শাসক দলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই ওই কাজ করেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।   ...

সঞ্জয় সরকার, কলকাতা: বাবা পেশায় দিনমজুর। আয় আছে, নেই সঞ্চয়। দিন আনা, দিন খাওয়া পরিবারে জন্ম গ্রহণ করলেও একদিন ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে নিজেকে দেখতে ...

লখনউ: গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের ঘনিষ্ঠ এক সহযোগী তথা আত্মীয়কে গ্রেপ্তার করল উত্তরপ্রদেশ পুলিস। ধৃতের নাম শশীকান্ত ওরফে সোনু পাণ্ডে। তাকে জেরা করে এনকাউন্টারের দিন পুলিসের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

পড়শির ঈর্ষায় অযথা হয়রানি। সন্তানের বিদ্যা নিয়ে চিন্তা। মামলা-মোকদ্দমা এড়িয়ে চলা প্রয়োজন। প্রেমে বাধা।প্রতিকার: একটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮২০: সাহিত্যিক অক্ষয়কুমার দত্তের জন্ম
১৯০৩: রাজনীতিক কে কামরাজের জন্ম
১৯০৪: রুশ লেখক আস্তন চেকভের মৃত্যু
১৯৫৪: আর্জেন্তিনার ফুটবলার মারিও কেম্পেসের জন্ম  



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৪৬ টাকা ৭৬.১৭ টাকা
পাউন্ড ৯২.৯৩ টাকা ৯৬.২০ টাকা
ইউরো ৮৩.৮৮ টাকা ৮৬.৯৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯, ৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭, ২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১, ৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২, ০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী ৪৩/৯ রাত্রি ১০/২০। ভরণী ২৯/৭ অপঃ ৪/৪৩। সূর্যোদয় ৫/৪/৪২, সূর্যাস্ত ৬/২০/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৫ গতে ৫/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৩ গতে ১০/৩ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৩ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।  
৩০ আষাঢ় ১৪২৭, ১৫ জুলাই ২০২০, বুধবার, দশমী রাত্রি ৮/৪৩। ভরণী নক্ষত্র অপরাহ্ন ৪/৭। সূযোদয় ৫/৪, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৩ গতে ১১/১৬ মধ্যে ও ১/৫৬ গতে ৫/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৫৬ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ১/৩০ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৪ গতে ১০/৪ মধ্যে ও ১১/৪৩ গতে ১/২৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে।
২৩ জেল্কদ  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকে ষষ্ঠ অশোকনগরের অস্মি চৌধুরি চিকিৎসক হতে চায় 
মাধ্যমিকে রাজ্যে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেছে অশোকনগর বাণীপিঠ ...বিশদ

01:46:07 PM

বিহারে রাজভবনের ২০ জন কর্মী করোনায় আক্রান্ত 

01:36:04 PM

মাধ্যমিকে সপ্তম চন্দননগরের সুহা ঘোষ ভবিষ্যতে বিজ্ঞানের শিক্ষক হতে চায় 

01:35:35 PM

৭০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স

01:32:50 PM

মাধ্যমিকে দশম জুনায়েদ হাসান চিকিৎসক হতে চায় 

01:29:42 PM

ময়নাগুড়িতে  ব্যারিকেড করে বিজেপির মিছিল আটকাল পুলিস 

01:27:50 PM