Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রচলিত ছকে মৌসুমি বায়ু চরিত্র বোঝা যাচ্ছে না
শান্তনু বসু

মৌসুমি বায়ু ১৫-১৮ অক্টোবরের আগে প্রত্যাহৃত হচ্ছে না—এই পূর্বাভাসে আবহবিদরা বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁরা আরও হিসেব করে দেখেছেন, বিগত ১০০ বছরের মধ্যে এবছরই (২০১৯) ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) বা স্কাইমেটের পূর্বাভাসকে ভুল প্রতিপন্ন করেছে। সেপ্টেম্বরের শেষ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ১১০ শতাংশ। আর, অক্টোবরের হিসেব ধরলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৩০ শতাংশ। বাঙালির অতি প্রিয় দুর্গাপুজো বিপর্যস্ত হয়েছে। বিহারের বন্যা বর্ণনাতীত বিপর্যয় ডেকে নিয়ে এসেছে। আর, কর্ণাটকে বন্যার রেশ থেকেছে দেড়মাসেরও বেশি। এই বিপর্যয়ের মধ্যেই ৩ অক্টোবর কর্ণাটকে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩৫.৬ মিমি। চিকমাগালুরে ২৪ মিমি বৃষ্টিপাত হয় আর মেলিনা হৃলুভাথি তালুকে বৃষ্টিপাত হয় ১০৬ মিমি।
কিন্তু, বিস্ময়ের কথাটি হল প্রশান্ত মহাসাগর এবং অতলান্তিক মহাসাগরে চিরপরিচিত এল নিনো এবং লা নিনা দিয়েও এই মৌসুমি বায়ুর চরিত্রকে ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। গত তাপমাত্রার চেয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বেশি হলেই এল নিনোর আবির্ভাব ঘটে এবং মৌসুমি বৃষ্টিপাত নেতিবাচক হয়ে যায় আর বিপরীতে ‘লা নিনা’ ঘটলে স্বাভাবিক কিংবা প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটে। কিন্তু, ১৯৯৭ সালকে বিবেচনায় আনলে দেখা যাবে, ‘এল নিনো’ সত্ত্বেও যে-বছর স্বাভাবিক মৌসুমি বৃষ্টিপাত ঘটেছে।
আরও তথ্য হল, ২০১৬ সালকে ধরা হয়েছিল ‘লা নিনা’ বছর। অর্থাৎ উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাতের বছর। কিন্তু, দীর্ঘকালীন গড় বৃষ্টিপাতের হিসেবে (এলপিএ) যে-বছর বৃষ্টিপাত ছিল ৯৭ শতাংশ আর সেই বছরই খরা দেখা দিয়েছিল পাঞ্জাব, হরিয়ানা, গুজরাত এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলে। ২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাতের নিরিখেই অতীতের এই সব তথ্যকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে।
১৮৭১ সাল থেকে তথ্য সংগ্রহে দেখা গেছে যে, জুনে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ৩০ শতাংশ কিংবা তার বেশি হলে বছর-শেষে স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টিপাতই ছিল প্রবণতা। আর, চলতি বছরে বৃষ্টিপাতের ঘাটতি ছিল ৩৩ শতাংশ, যা পূরণ করা যাবে না বলেই মনে করা হয়েছিল। কারণ, এতটা ঘাটতি অতীতে কখনোই পূরণ করা যায়নি। ২০১৯-এ তার ব্যতিক্রম ঘটে। জুন-পরবর্তী তিনমাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শুধুমাত্র সেপ্টেম্বরে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পায় ৫০ শতাংশের বেশি। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রঘু মুর্তেগুড্ডে বলেছেন, মৌসুমি বৃষ্টিপাতের শুরু, প্রত্যাহার, বর্ষার স্থায়িত্ব, বর্ষার অদৃশ্য হওয়া সবকিছুতেই এক বিশৃঙ্খলা দেখা দিচ্ছে। আর এরই সঙ্গে চরম বৃষ্টিপাতের ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। চরম বৃষ্টিপাত নিয়ে সর্বসম্মত কোনও সংজ্ঞা নেই। ২৪ ঘণ্টায় ১২ সেমি-র বেশি বৃষ্টিপাত হলে, সেটাকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত বলা হবে। আর সেই একই সময়ে ২৫ সেমি বৃষ্টিপাত হলে তাকে বলা হবে চরম বৃষ্টিপাত।
এলডোরাডো জলবায়ু সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, বিগত ২৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে পৃথিবীর যে ১৫টি জায়গায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে তার মধ্যে ৮টিই ভারতে। গুজরাতের নালিয়া শহরে বৃষ্টিপাত ঘটে ১০.৩ ইঞ্চি, তারপরেই সেই গুজরাতের ওখাতে ৬.৫৪ ইঞ্চি, রাজকোটে ৫.৮৩ ইঞ্চি এবং মহারাষ্ট্রের মহাবালেশ্বরে ৫.৫৯ ইঞ্চি, আর কেরলের কোচিতে ৪.৯৭ ইঞ্চি, আলাপ্পুঝাতে ৪.৪৫ ইঞ্চি এবং কোঝিকোড়ে ৪.৫৭ ইঞ্চি উল্লেখযোগ্য। আরও একটি তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ভারতে ১৩টি রাজ্যে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাত হয়েছে ১৮০০ শতাংশের বেশি! ব্যাপারটি কল্পনাতীত হলেও প্রাকৃতিক বাস্তব। পরিবেশবিদরা এর কারণকে সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের উপরেই নিয়ে ফেলেছেন। এবং, সতর্ক করেছেন এই বলে যে, এটাই নতুন বাস্তব। এই নতুন বাস্তবকে স্বীকার করে নিলে বোঝা যাবে, কেন গুজরাতের সৌরাষ্ট্র এবং কচ্ছ বা রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টায় ১০০০ শতাংশের বেশি বৃষ্টিপাত হয়! সৌরাষ্ট্রে ১১ আগস্ট ১,৮৪৪ শতাংশ বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে আর রাজস্থানের কোনও কোনও অংশে ১৯ জুন বৃষ্টিপাত হয়েছে ১,৩০৪ শতাংশের বেশি। এই অস্বাভাবিক একদিনের বৃষ্টিপাত রেকর্ড সৃষ্টি করেছে হিমাচলপ্রদেশেও। ২০১১-র পর এবছরের ১৮ আগস্ট এখানে বৃষ্টি হয় ১,০৬৪ শতাংশ আর পাঞ্জাবে ওই একই দিনে বৃষ্টিপাত ১,৩০০ শতাংশেরও বেশি!
খুব অল্প সময়ে অত্যধিক বৃষ্টিপাতের নজির আছে তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, জম্মু ও কাশ্মীর এবং গোয়াতে। আর, এই রাজ্যগুলোর বেশিরভাগই বন্যাদুর্গত। দিল্লির ডাউন টু আর্থ জানিয়েছে, হিমালয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে ২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যে-কারণে ২০৩০-এর মধ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয় অর্থাৎ বন্যা ও খরা বাড়বে ২-১২ শতাংশ। বেড়ে চলবে হড়পা বান বা ফ্লাশ ফ্লাড ও ভূধস। যেটা এখন কেরলে ঘটছে। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, বিগত বারো বছরের মধ্যে ২০১৯-এ মৌসুমি বৃষ্টিপাতের অগ্রগতি ছিল ধীরতম আর সেটা ঘটেছে জুনে। জুনেই বিগত ৭ বছরের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের ঘাটতি দেখা যায়। কিন্তু, তার চেয়েও যেটা বিস্ময়কর তথ্য সেটা হল, দেশের নানা প্রান্তে যখন খরা পরিস্থিতি চলেছে তখন উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে ৭২ ঘণ্টা টানা বৃষ্টিতে ভয়ানক বন্যা দেখা যায় এবং ১৫ লক্ষেরও বেশি মানুষ দুর্গত হয়ে পড়ে। ২০১৬-তে মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানে খরা চললেও জুলাই-আগস্টে সেখানে বন্যা দেখা দেয় আবার বিহার ও অসমে তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খরা দেখা দিয়েছিল। গত শতকে গোটা বিশ্বের মৌসুমি বৃষ্টিপাতের খামখেয়ালি চরিত্রে এক বিপজ্জনক প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টিপাতের দিনগুলোর সংখ্যা কমছে কিন্তু বৃষ্টিপাতের তীব্রতা সেটা একদিনেই ১০-১৫ সেমি হয়ে যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, গোটা বিশ্বের ৫০ শতাংশ বার্ষিক বৃষ্টিপাত ঘটেছে মাত্র ১১ দিনে। ‘নেচার কমিউনিকেশন’ জার্নালে মন্তব্য করা হয়েছে, ১৯৫০-২০১৫ এই ৬৬ বছরে মধ্য ভারতে বৃষ্টিপাতের তীব্রতা তিন গুণ হয়ে গিয়েছে। আবার এই মন্তব্যও করা হয়েছে যে, ভারতের এক-একটি অংশে দিনে ১৫ সেমি বৃষ্টিপাত হওয়ার পরেও যেখানে মৌসুমি বৃষ্টিপাত দুর্বল হয়ে যাওয়ার চিহ্ন ধরা পড়েছে।
২০১৯-এর এই উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত আবহাওয়াবিদদের হিসেবেই ছিল না। উদ্বৃত্ত বৃষ্টিপাত ভূগর্ভস্থ জলস্তরকে পুনরুজ্জীবিত করবে সন্দেহ নেই, কিন্তু আগামী বছর যদি আরও দেরিতে কেরলে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করে, ভারতের কৃষি আবার অনিশ্চয়তায় চলে যাবে। চলতি বছরের উদ্বৃত্ত জলকে ধরে রাখা হয়েছে—এমন সুখবর কিন্তু নেই।
 লেখক মালদহে চাঁচল কলেজের অধ্যাপক 
18th  November, 2019
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ: পুতুলনাচের ইতিকথা
জিষ্ণু বসু

নাচায় পুতুল যথা দক্ষ বাজিকরে/ নাচাও তেমনি তুমি অর্বাচীন নরে। —কবি নবীনচন্দ্র সেনের এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি আজ ভীষণ প্রাসঙ্গিক মনে হয়। গত মাসাধিক কাল সামান্য কিছু অতি বুদ্ধিমান আমাদের মতো অর্বাচীনদের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন। জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রচার মাধ্যমও অতি যত্নসহকারে তা পরিবেশন করছে। 
বিশদ

18th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে 
হারাধন চৌধুরী

বাঙালি বেড়াতে ভালোবাসে। বেড়ানোর সুযোগটা পাশপোর্ট ভিসা নিয়ে বিদেশে হলে তো কথাই নেই। কিন্তু গন্তব্য যদি বাংলাদেশ, আর দাবি করা হয় বিদেশ-ভ্রমণের, তবে অনেকেই মুখ টিপে হাসবেন। কারণ, বাংলাদেশকে ‘বিদেশ’ ভাবার মানসিকতা আমাদের গড়ে ওঠেনি। 
বিশদ

17th  January, 2020
হৃদয়জুড়ে মানবসেবা
মৃণালকান্তি দাস

সমকাল তাঁকে যথেষ্ট লজ্জা দিয়েছিল! নিজের দেশ ছেড়ে বিদেশ-বিভুঁইয়ে কপর্দকহীন এক সন্ন্যাসীকে নিগৃহীত করতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন ব্রাহ্মসমাজের প্রতিনিধি প্রতাপচন্দ্র মজুমদার।  স্বামীজির বিজয়কীর্তিকে ধূলিসাৎ করতে নিজের ‘ইউনিটি অ্যান্ড দি মিনিস্টার’ পত্রিকায় স্বামীজিকে ‘নবহিন্দু বাবু নরেন্দ্রনাথ দত্ত’ সম্বোধন করে বলা হয় যে, তিনি নাকি যুবাবয়সে ব্রাহ্মসমাজে আসেন  শুধুমাত্র  ‘নববৃন্দাবন’ থিয়েটারে অভিনয়ের জন্য।  
বিশদ

17th  January, 2020
প্রধানমন্ত্রীর সফর এবং হিন্দু ভোটের ভাগাভাগি
শুভময় মৈত্র

সম্প্রতি (১১-১২ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কলকাতা ভ্রমণকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছিল। সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ) সংক্রান্ত বিতর্কে হইচই চলছে সারা দেশে। কলকাতার এক বড় অংশের বামমনা বুদ্ধিজীবী মানুষ এর বিরুদ্ধে পথে নেমেছেন। প্রথম থেকেই তৃণমূল সিএএ বিরোধী আন্দোলন করছে।  
বিশদ

16th  January, 2020
উপমহাদেশে সহিষ্ণুতার আন্দোলনের ক্ষতি হচ্ছে
হারাধন চৌধুরী

সিএএ, এনআরসি প্রভৃতি ভারতের মানুষ গ্রহণ করবেন কি করবেন না, তা নিশ্চিত করে বলার সময় এখনও হয়নি। তবে, এটুকু বলা যেতে পারে—এই ইস্যুতে ব্যাহত হচ্ছে আমাদের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলি। অর্থনৈতিকভাবে আমরা দ্রুত পিছিয়ে পড়ছি। পাশাপাশি এই অধ্যায় বহির্ভারতে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। আমাদের এমন কিছু করা উচিত হবে না যার দ্বারা অন্তত বাংলাদেশে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াইটা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং উদ্বাহু নৃত্য করে পাকিস্তানের মৌলবাদী শক্তি। 
বিশদ

16th  January, 2020
রাজনীতির রঙের বাইরে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যে পড়ুয়ারা আজ পথে নেমেছে, তারা তো শিক্ষিত! এঁটেল মাটির তালের মতো। যুক্তি দিয়ে বোঝালে তারা অবাধ্য হয় না। তা না করে নয়াদিল্লি বা উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে পাল্টা ধোলাই দেওয়ার রাস্তা নিয়েছিল পুলিস। আর বলা হয়েছে, মানতে না পারলে পাকিস্তানে চলে যাও। এটাই কি ভারতের মতো গণতন্ত্রের থেকে পাওনা? যুব সমাজ কিন্তু মানছে না। মানবেও না। দিন নেই, রাত নেই তারা কখনও ক্যাম্পাসে ধর্নায় বসছে, কখনও রাজপথে। তাদের লড়াই আজ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে।
বিশদ

14th  January, 2020
হবু-গবুর রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ভক্ততন্ত্র তালিকা
সন্দীপন বিশ্বাস

সকালবেলা মন্ত্রী গবু হন্তদন্ত হয়ে হবুরাজার ঘরে ঢুকে গিয়ে দেখেন রাজামশাই কম্পিউটারের সামনে বসে ‘কমান্ডো এনকাউন্টার শ্যুটিং গেম’ খেলছেন। মহারাজা পুরোপুরি বাহ্যজ্ঞান লুপ্ত হয়ে কম্পিউটারের ভিতর যেন ঢুকে পড়েছেন। গেমটা খুব মজার এবং কঠিন। বন্দুক নিয়ে একজন কমান্ডার ঢুকে পড়েছে শত্রুদের ঘাঁটিতে। 
বিশদ

13th  January, 2020
একনজরে
 রাষ্ট্রসঙ্ঘ, ২১ জানুয়ারি (পিটিআই): শুধু ভারত নয়, বেকারত্ব বাড়ছে গোটা বিশ্বেই। এদেশে বেকারত্বের হার বৃদ্ধির অভিযোগকে মান্যতা দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু বিশ্বে বেকারদের সংখ্যা যে ...

 পাপ্পা গুহ, উলুবেড়িয়া: মানবধর্ম সবথেকে বড় ধর্ম। আপনারা যদি মানুষকে সঠিকভাবে সেবা করতে পারেন, তাহলে এর থেকে বড় কাজ আর হবে না। মঙ্গলবার সকালে উলুবেড়িয়া ...

 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ‘দলের লোকেরা দাদাকে মেরেছে, শিবু ফোন করে দাদাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরিকল্পনা করে খুন করেছে।’ মঙ্গলবার সকালে এই দাবি করলেন বাগনানের বাইনানের তৃণমূলের ...

নয়াদিল্লি, ২১ জানুয়ারি: আগামী শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ শুরু করছে ভারত। গ্লেন টার্নার-রিচার্ড হ্যাডলিদের দেশে পাঁচটি টি-২০, তিনটি একদিনের ম্যাচ এবং দু’টি টেস্ট খেলবে বিরাট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৬৬৬: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের মৃত্যু
১৯০০ - টেলিপ্রিন্টার ও মাইক্রোফেনের উদ্ভাবক ডেভিট এ্যাডওয়ার্ড হিউজ।
১৯০১: রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু
১৯২৭ - প্রথমবারের মতো বেতারে ফুটবল খেলার ধারাবিবরণী প্রচার।
১৯৭২: অভিনেত্রী নম্রতা শিরোদকরের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৬ টাকা ৭২.০৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.২৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৪ টাকা ৮০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৪৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৪৮/৩৬ রাত্রি ১/৪৯। মূলা ৪৪/৫৩ রাত্রি ১২/২০। সূ উ ৬/২২/৩৮, অ ৫/১৩/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/০ গতে ১১/২৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২ গতে ৪/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ২/০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৯/৫ গতে ১০/২৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/৬ গতে ৪/৪৪ মধ্যে।
৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ত্রয়োদশী ৮৯/২৭/৪৪ রাত্রী ২/১৩/৯। মূলা ৪৬/৪২/৪৪ রাত্রি ১/৭/৯। সূ উ ৬/২৬/৩, অ ৫/১১/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৭ মধ্যে ও ১০/০ গতে ৪/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৫ গতে ৮/৫০ মধ্যে ও ২/০ গতে ৬/২৬ মধ্যে। কালবেলা ৯/৭/২৭ গতে ১০/২৮/৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৩/৭/২৭ গতে ৪/৪৬/৪৫ মধ্যে।
 ২৬ জমাদিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 তানাজি ছবির ভাইরাল ভিডিওয় শিবাজি হলেন মোদি, বিতর্ক
বলিউড সিনেমা ‘তানাজি: দ্য আনসাং ওয়ারিয়র’ ছবির একটি ক্লিপিং এখন ...বিশদ

09:03:27 AM

ধুঁকছে সুদানের পাঁচ সিংহ, বাঁচাতে তৎপরতা
খাবার আর ওষুধের অভাবে ধুঁকছে গোটা পাঁচেক পশুরাজ। একেবারে কঙ্কালসার ...বিশদ

09:00:00 AM

 দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে পুরস্কৃত করবে নির্বাচন কমিশন
ভোটার তালিকা তৈরি এবং বিশেষভাবে সক্ষমদের ভোটদানে সহায়তা বা ‘অ্যাকসেসবল ...বিশদ

08:47:10 AM

  প্রধান শিক্ষকদের বাড়তি ভাতার দাবি পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষক সমিতির
৪১০০ টাকা পর্যন্ত গ্রেড পে প্রাপক শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের ১৮ ...বিশদ

08:41:41 AM

নিলামে উঠছে নীরব মোদির সংগ্রহে থাকা
শেরগিল, হুসেনের মাস্টারপিস, দামি ঘড়ি

পিএনবিকাণ্ডে এখনও পলাতক শিল্পপতি নীরব মোদি। বন্দি রয়েছেন লন্ডনের জেলে। ...বিশদ

08:40:00 AM

  ২৮টি স্কুলকে কম্পিউটার দেবে ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন নিগম
কর্পোরেট সংস্থার সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর তহবিল থেকে ২৮টি স্কুলকে ...বিশদ

08:35:00 AM