Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। কিন্তু বিপদ যখন একেবারে ঘাড়ের কাছে তখনই আমেরিকা, চীন এবং ভারতের মত দেশগুলি ২০১৫ তে প্যারিসে গৃহীত হওয়া ক্লাইমেট প্যাক্ট থেকে সরে আসতে চাইছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলিসহ প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশই তাদের দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য মাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আমরা সবাই জানি উন্নত দেশগুলি তাদের দূষণের দায় অন্য দেশগুলির উপর চাপিয়ে দেয়। দায়িত্ব এড়াতে কয়েকটি শক্তিশালী রাষ্ট্র এখন এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। এমন একটা সময়ে এটা ঘটছে যখন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন উষ্ণায়নের ফলে ২০৫০ এর মধ্যেই সমুদ্রের জলস্তর আরও প্রায় সাড়ে চার ইঞ্চি বাড়বে, প্লাবিত হবে বহু দেশ।
এই সতর্কবাণী কিন্তু পরিবেশবিজ্ঞানীরা মানুষকে কোনও ভয় দেখানোর জন্য দিচ্ছেন না, কাউকে আতঙ্কিত করাও তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। তাঁরা শুধু বলছেন এই অবস্থা মোকাবিলার প্রস্তুতিটা আরও জোরদার করার কথা। নইলে পরিস্থিতি একেবারে আয়ত্তের বাইরে চলে যাবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হওয়ার জন্য আমরা অনেকটা সময় পেয়েছিলাম, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। দূষণ বেড়েছে, কিন্তু যাঁরা তা আটকানোর কাজে নেতৃত্ব দেবেন সেই রাষ্ট্রনায়কেরা কোন বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে পারেন নি। দেখেশুনে মনে হয় বোধবুদ্ধি তেমন বাড়েনি তাঁদের। বহুজাতিক সংস্থার চাপে তাঁরা গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর ব্যাপারটা ঠিকঠাক করে উঠতে পারেন নি, তৈরি হয়নি এই গ্যাস নিঃসরণ রোখার উপযোগী কোনও গাইড লাইন। ফলে পৃথিবীর উপকূলবর্তী জনপদগুলির একটা বিরাট অংশের মানুষ এক বিপর্যয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমাদের দেশের কথাই বলি, সমুদ্রের জলস্তর বাড়লে আমাদের দেশের ৩টি উপকূলবর্তী শহর সুরাত, কলকাতা, মুম্বাই এবং ওড়িশা, কেরল ও চেন্নাই—এই তিন রাজ্যের মানুষ এরফলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়বেন।
ট্রাম্প যখন ২০১৫তে প্যারিসে তৈরি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছেন ঠিক তার কিছুদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের পরিবেশ বিজ্ঞানী ও সাংবাদিকদের সংস্থা ক্লাইমেট সেন্ট্রালের রিপোর্ট। কোস্টালডেম নামে একটি নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার করে সংগৃহীত এই রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতের প্রায় ৩৬ মিলিয়ন মানুষ সমুদ্রের জলস্ফীতির ফলে বন্যার কবলে পড়বেন। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিপদ সবচেয়ে বেশি। প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর, উত্তর ২৪পরগনার বনগাঁ, হুগলির হরিপাল ও সিঙ্গুর, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও ঘাটাল। এরফলে বাড়িঘর ছাড়া হবেন রাজ্যের প্রায় ৪কোটি মানুষ। অথচ এমন হওয়ার কোনও কথাই ছিল না। পরিবেশে এই বিপদের আভাস ছিল। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু আমরা সতর্ক হইনি। রাষ্ট্রনায়কেরা তার জন্য আমাদের প্রস্তুত করেননি।
রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, প্রস্তুত থাকার নামই সভ্যতা। বর্বরতা সবসময়ই অপ্রস্তুত। কথা হচ্ছে বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়কেরা তো তথাকথিত অশিক্ষিত ও বর্বর নন, তাঁরা এই ভুল করলেন কেন? এর একটাই উত্তর, সীমাহীন লোভ ও পরিবেশের উপর একচেটিয়া লুঠপাট, গাছকাটা, জলাভূমি বিলোপ করা, বায়ুদূষণ ছড়ানোর কাজে লাগাতার মদত দিয়ে গেছেন তাঁরা। কার্বন নিঃসরণ কম করার জন্য তেমন কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আকাশছোঁয়া বাড়ি, পুলকার ও সাইকেলের বদলে অসংখ্য গাড়ি, জঙ্গল পাহাড় কেটে আবাসন গড়ার কাজে মদত দিয়েছেন তাঁরা। জলবায়ু দূষণ রুখতে মিলেমিশে কাজ করার বদলে নিজেদের অহম নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন। প্রযুক্তি এসে গেছে কিন্তু এখনও বহু দেশ জিআইএস নির্ভর জরুরি দূষণমুক্তি ব্যবস্থা চালু করেনি। এই সঙ্কটের মুহূর্তেও জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবো বলে চাপ সৃষ্টির রাজনীতি করে চলেছেন ট্র্যাম্প অ্যান্ড কোং।
অথচ পৃথিবীর উপকূলরেখা ও মানুষের বাসভূমির অবস্থানের দিকে তাকালে সমস্যাটার গুরুত্ব বোঝা যায়। বিশ্বের প্রায় ১১০ মিলিয়ন মানুষই বাস করেন এখন জোয়ারের জল সর্বোচ্চ যে উচ্চতায় ওঠে তার অনেক নীচে। এর পাশাপাশি প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মানুষ বাস করেন বন্যার সময় বার্ষিক জলস্তর যে জায়গায় পৌঁছায় তার চেয়ে নিচু জমিতে। স্বাভাবিকভাবেই সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা বাড়লে এরা যে বিপদে পড়বেন তা বুঝতে কোনও বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার হয় না। এ নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সতর্কতা কোনও নতুন ঘটনাও নয়। বছর দুয়েক আগেও বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদ্যোগে তৈরি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেটিক চেঞ্জ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, বৃহত্তর কলকাতার প্রায় ১কোটি ৪ লক্ষ মানুষ তাঁদের বাসভূমি প্লাবিত হওয়ার ফলে ২১০০ সালের মধ্যেই গৃহহীন হবেন।
এখন এই বিপদ আরও বেশি, প্রায় চতুর্গুণ। এবং ব্যাপারটা এমন নয় যে এই বিপদ ঘটবে কোনও অনাগত ভবিষ্যতে। বিপদের বৃত্ত আরও প্রসারিত হয়েছে এখন। শাটল রাডার টপোগ্রাফি মিশন মোটামুটিভাবে তার সময়কালও জানিয়েছে। বিশ্বের উপকূলবর্তী এলাকার প্লাবন ভারত, বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডের প্রায় ২৩ কোটি ২৭ লক্ষ মানুষের জীবনকে বিপন্ন করবে। এটা শুধু ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার মত ব্যাপার নয়, বিষয়টার কবলে পড়া দেশগুলির অর্থনীতি, শহরের উপকূলরেখা সহ গোটা অঞ্চলটার চেহারাতেই যাকে বলে একেবারে আমূল পরিবর্তন আসবে। যার প্রভাব পড়বে জনবসতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রগুলির গঠন, রাজনীতি, সংস্কৃতি, জীবনযাপন, বাণিজ্য, যোগাযোগ সবকিছুর উপর।
আমাদের এখানে একটা মুশকিল আছে। কিছু মানুষ এই ধরনের সমীক্ষার রিপোর্ট বা আশঙ্কাতে একটা মুখরোচক আলোচনার বিষয় করে নেয়। তাতে কাজের কাজ কিছু হয়না, বরং তৈরি হয় একটা অহেতুক আতঙ্কের পরিবেশ। আরেক দল ঠিক উল্টোটা, তাঁরা বলতে শুরু করেন, দূর ছাড়ো তো, ওরকম কত রিপোর্ট দেখলাম, এসব শুধু বাজার গরম করার জন্য গল্প। এসব আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন এখন একটা বাস্তবতা। তা শুধুই ‘ঘটবে’ তে আটকে নেই। ইতিমধ্যেই ঘটতে শুরু করেছে। অযথা আতঙ্ক না বাড়িয়ে বা বিতর্ক তৈরি না করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করলে অবস্থাটা অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে বলে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রের কাজ রাষ্ট্র করবে, কিন্তু সব দায়টা রাষ্ট্রের উপর চাপিয়ে নিজেরা চুপ করে বসে থাকাটা কোনও কাজের কথা নয়। বর্জ্যের পুনঃব্যবহার এবং গৃহস্থালির বর্জ্যের অর্ধেক পুনঃব্যবহারযোগ্য করলেই বছরে অনেকটা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো যায়। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার এবং অকারণে খাবার জিনিস ও জল ইত্যাদি গরম করার অভ্যাস কমালে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড কমে। গাছ লাগানো মানেই দূষণ কমানো। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান বইতে পড়ে আসছি গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড টেনে নিয়ে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়।
কিন্তু তা শুধুই বইয়ের পাতাতেই রয়ে গেল! নিজেদের জীবনে আমরা তার কোন প্রয়োগ করলাম না। গাছ কাটাই যেন আমাদের সাধারণ অভ্যাস। কোনও নিত্যব্যবহার্য জিনিস কেনার আগে তাতে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হয় কিনা দেখে নিন। এসব ছোট ছোট পদক্ষেপই কিন্তু কার্বন নিঃসরণের বিপদ অনেকটা কমাতে পারে। সত্যি বলতে কী মানুষ এখন ঠেকে শিখেছেন। আমাদের ছোট ছোট অভ্যাসের বদল কিন্তু কালক্রমে একটা বিরাট শক্তিতে পরিণত হয়ে রাষ্ট্রনায়কদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে, তাদের নতুন করে ভাবতে শেখাবে। অহম আর অত্যাধিক পরিমাণে কার্বন নিঃসরণ করা শিল্পগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার কাজে আরও জোর দেবেন তাঁরা।
এটা কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নয়, কোনও নির্দিষ্ট দেশের লড়াইও নয়, উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে বিশ্বের মানুষের লড়াই। জলবায়ু চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে আসার দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ নয়, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে প্রতিটি দেশের অর্ধেক সবুজ করা গেলে এই বিপদকে অনেকটা আটকানো যায়। আর রাষ্ট্রনায়কদেরও ভাবতে হবে রাষ্ট্রই যদি না থাকে তাহলে তাঁরা মাতব্বরি করবেন বা জোর খাটাবেন কার উপর?
16th  November, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
আবাসনের নীচেই পাওয়া গেল বৃদ্ধের রক্তাক্ত মৃতদেহ। বুধবার ভোরে ঘটনাটি ঘটেছে ফুলবাগান থানা এলাকার নারকেলডাঙা মেন রোডের একটি আবাসনে। মৃতের নাম রামকিশোর কেজরিওয়াল (৭৩)। তিনি ...

 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...

 পেটে দানাপানি নেই। সঙ্গে দোসর টানা হাঁটার নিদারুণ ক্লান্তি। প্রবল গরমে ফলস্বরূপ রাস্তায় ঘটেছে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা। কিন্তু ঠিক কত পরিযায়ী শ্রমিক এভাবে শয়ে শয়ে ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM

 করোনা: মণ্ডপে গণেশ পুজোর অনুমতি দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল ভূবনেশ্বর পুলিস কমিশনারেট

01:50:02 PM

করোনা আক্রান্ত কলকাতা পুলিসের এক শীর্ষ কর্তা 

01:16:00 PM