Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। কিন্তু বিপদ যখন একেবারে ঘাড়ের কাছে তখনই আমেরিকা, চীন এবং ভারতের মত দেশগুলি ২০১৫ তে প্যারিসে গৃহীত হওয়া ক্লাইমেট প্যাক্ট থেকে সরে আসতে চাইছে। সমীক্ষায় দেখা গেছে বিশ্বের বৃহৎ শক্তিধর দেশগুলিসহ প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশই তাদের দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য মাত্রা পূরণ করতে পারেনি। আমরা সবাই জানি উন্নত দেশগুলি তাদের দূষণের দায় অন্য দেশগুলির উপর চাপিয়ে দেয়। দায়িত্ব এড়াতে কয়েকটি শক্তিশালী রাষ্ট্র এখন এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছে। এমন একটা সময়ে এটা ঘটছে যখন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন উষ্ণায়নের ফলে ২০৫০ এর মধ্যেই সমুদ্রের জলস্তর আরও প্রায় সাড়ে চার ইঞ্চি বাড়বে, প্লাবিত হবে বহু দেশ।
এই সতর্কবাণী কিন্তু পরিবেশবিজ্ঞানীরা মানুষকে কোনও ভয় দেখানোর জন্য দিচ্ছেন না, কাউকে আতঙ্কিত করাও তাঁদের উদ্দেশ্য নয়। তাঁরা শুধু বলছেন এই অবস্থা মোকাবিলার প্রস্তুতিটা আরও জোরদার করার কথা। নইলে পরিস্থিতি একেবারে আয়ত্তের বাইরে চলে যাবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুত হওয়ার জন্য আমরা অনেকটা সময় পেয়েছিলাম, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। দূষণ বেড়েছে, কিন্তু যাঁরা তা আটকানোর কাজে নেতৃত্ব দেবেন সেই রাষ্ট্রনায়কেরা কোন বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে পারেন নি। দেখেশুনে মনে হয় বোধবুদ্ধি তেমন বাড়েনি তাঁদের। বহুজাতিক সংস্থার চাপে তাঁরা গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর ব্যাপারটা ঠিকঠাক করে উঠতে পারেন নি, তৈরি হয়নি এই গ্যাস নিঃসরণ রোখার উপযোগী কোনও গাইড লাইন। ফলে পৃথিবীর উপকূলবর্তী জনপদগুলির একটা বিরাট অংশের মানুষ এক বিপর্যয়ের সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। আমাদের দেশের কথাই বলি, সমুদ্রের জলস্তর বাড়লে আমাদের দেশের ৩টি উপকূলবর্তী শহর সুরাত, কলকাতা, মুম্বাই এবং ওড়িশা, কেরল ও চেন্নাই—এই তিন রাজ্যের মানুষ এরফলে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়বেন।
ট্রাম্প যখন ২০১৫তে প্যারিসে তৈরি আন্তর্জাতিক জলবায়ু চুক্তি থেকে বেড়িয়ে আসতে চাইছেন ঠিক তার কিছুদিন আগেই প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের পরিবেশ বিজ্ঞানী ও সাংবাদিকদের সংস্থা ক্লাইমেট সেন্ট্রালের রিপোর্ট। কোস্টালডেম নামে একটি নতুন সফটওয়্যার ব্যবহার করে সংগৃহীত এই রিপোর্টে বলা হয়েছে ভারতের প্রায় ৩৬ মিলিয়ন মানুষ সমুদ্রের জলস্ফীতির ফলে বন্যার কবলে পড়বেন। পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলির মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিপদ সবচেয়ে বেশি। প্লাবিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর, উত্তর ২৪পরগনার বনগাঁ, হুগলির হরিপাল ও সিঙ্গুর, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ও ঘাটাল। এরফলে বাড়িঘর ছাড়া হবেন রাজ্যের প্রায় ৪কোটি মানুষ। অথচ এমন হওয়ার কোনও কথাই ছিল না। পরিবেশে এই বিপদের আভাস ছিল। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু আমরা সতর্ক হইনি। রাষ্ট্রনায়কেরা তার জন্য আমাদের প্রস্তুত করেননি।
রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, প্রস্তুত থাকার নামই সভ্যতা। বর্বরতা সবসময়ই অপ্রস্তুত। কথা হচ্ছে বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়কেরা তো তথাকথিত অশিক্ষিত ও বর্বর নন, তাঁরা এই ভুল করলেন কেন? এর একটাই উত্তর, সীমাহীন লোভ ও পরিবেশের উপর একচেটিয়া লুঠপাট, গাছকাটা, জলাভূমি বিলোপ করা, বায়ুদূষণ ছড়ানোর কাজে লাগাতার মদত দিয়ে গেছেন তাঁরা। কার্বন নিঃসরণ কম করার জন্য তেমন কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার বদলে আকাশছোঁয়া বাড়ি, পুলকার ও সাইকেলের বদলে অসংখ্য গাড়ি, জঙ্গল পাহাড় কেটে আবাসন গড়ার কাজে মদত দিয়েছেন তাঁরা। জলবায়ু দূষণ রুখতে মিলেমিশে কাজ করার বদলে নিজেদের অহম নিয়েই ব্যস্ত থেকেছেন। প্রযুক্তি এসে গেছে কিন্তু এখনও বহু দেশ জিআইএস নির্ভর জরুরি দূষণমুক্তি ব্যবস্থা চালু করেনি। এই সঙ্কটের মুহূর্তেও জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবো বলে চাপ সৃষ্টির রাজনীতি করে চলেছেন ট্র্যাম্প অ্যান্ড কোং।
অথচ পৃথিবীর উপকূলরেখা ও মানুষের বাসভূমির অবস্থানের দিকে তাকালে সমস্যাটার গুরুত্ব বোঝা যায়। বিশ্বের প্রায় ১১০ মিলিয়ন মানুষই বাস করেন এখন জোয়ারের জল সর্বোচ্চ যে উচ্চতায় ওঠে তার অনেক নীচে। এর পাশাপাশি প্রায় ২৫০ মিলিয়ন মানুষ বাস করেন বন্যার সময় বার্ষিক জলস্তর যে জায়গায় পৌঁছায় তার চেয়ে নিচু জমিতে। স্বাভাবিকভাবেই সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা বাড়লে এরা যে বিপদে পড়বেন তা বুঝতে কোনও বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার হয় না। এ নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের সতর্কতা কোনও নতুন ঘটনাও নয়। বছর দুয়েক আগেও বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদ্যোগে তৈরি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অন ক্লাইমেটিক চেঞ্জ তাদের রিপোর্টে জানিয়েছিল, বৃহত্তর কলকাতার প্রায় ১কোটি ৪ লক্ষ মানুষ তাঁদের বাসভূমি প্লাবিত হওয়ার ফলে ২১০০ সালের মধ্যেই গৃহহীন হবেন।
এখন এই বিপদ আরও বেশি, প্রায় চতুর্গুণ। এবং ব্যাপারটা এমন নয় যে এই বিপদ ঘটবে কোনও অনাগত ভবিষ্যতে। বিপদের বৃত্ত আরও প্রসারিত হয়েছে এখন। শাটল রাডার টপোগ্রাফি মিশন মোটামুটিভাবে তার সময়কালও জানিয়েছে। বিশ্বের উপকূলবর্তী এলাকার প্লাবন ভারত, বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ডের প্রায় ২৩ কোটি ২৭ লক্ষ মানুষের জীবনকে বিপন্ন করবে। এটা শুধু ঘরবাড়ি ডুবে যাওয়ার মত ব্যাপার নয়, বিষয়টার কবলে পড়া দেশগুলির অর্থনীতি, শহরের উপকূলরেখা সহ গোটা অঞ্চলটার চেহারাতেই যাকে বলে একেবারে আমূল পরিবর্তন আসবে। যার প্রভাব পড়বে জনবসতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রগুলির গঠন, রাজনীতি, সংস্কৃতি, জীবনযাপন, বাণিজ্য, যোগাযোগ সবকিছুর উপর।
আমাদের এখানে একটা মুশকিল আছে। কিছু মানুষ এই ধরনের সমীক্ষার রিপোর্ট বা আশঙ্কাতে একটা মুখরোচক আলোচনার বিষয় করে নেয়। তাতে কাজের কাজ কিছু হয়না, বরং তৈরি হয় একটা অহেতুক আতঙ্কের পরিবেশ। আরেক দল ঠিক উল্টোটা, তাঁরা বলতে শুরু করেন, দূর ছাড়ো তো, ওরকম কত রিপোর্ট দেখলাম, এসব শুধু বাজার গরম করার জন্য গল্প। এসব আলোচনার গণ্ডি পেরিয়ে জলবায়ুর পরিবর্তন এখন একটা বাস্তবতা। তা শুধুই ‘ঘটবে’ তে আটকে নেই। ইতিমধ্যেই ঘটতে শুরু করেছে। অযথা আতঙ্ক না বাড়িয়ে বা বিতর্ক তৈরি না করে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করলে অবস্থাটা অনেকটাই সামাল দেওয়া যাবে বলে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রের কাজ রাষ্ট্র করবে, কিন্তু সব দায়টা রাষ্ট্রের উপর চাপিয়ে নিজেরা চুপ করে বসে থাকাটা কোনও কাজের কথা নয়। বর্জ্যের পুনঃব্যবহার এবং গৃহস্থালির বর্জ্যের অর্ধেক পুনঃব্যবহারযোগ্য করলেই বছরে অনেকটা গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো যায়। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার এবং অকারণে খাবার জিনিস ও জল ইত্যাদি গরম করার অভ্যাস কমালে বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইড কমে। গাছ লাগানো মানেই দূষণ কমানো। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান বইতে পড়ে আসছি গাছ কার্বন ডাই অক্সাইড টেনে নিয়ে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়।
কিন্তু তা শুধুই বইয়ের পাতাতেই রয়ে গেল! নিজেদের জীবনে আমরা তার কোন প্রয়োগ করলাম না। গাছ কাটাই যেন আমাদের সাধারণ অভ্যাস। কোনও নিত্যব্যবহার্য জিনিস কেনার আগে তাতে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হয় কিনা দেখে নিন। এসব ছোট ছোট পদক্ষেপই কিন্তু কার্বন নিঃসরণের বিপদ অনেকটা কমাতে পারে। সত্যি বলতে কী মানুষ এখন ঠেকে শিখেছেন। আমাদের ছোট ছোট অভ্যাসের বদল কিন্তু কালক্রমে একটা বিরাট শক্তিতে পরিণত হয়ে রাষ্ট্রনায়কদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে, তাদের নতুন করে ভাবতে শেখাবে। অহম আর অত্যাধিক পরিমাণে কার্বন নিঃসরণ করা শিল্পগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার কাজে আরও জোর দেবেন তাঁরা।
এটা কোনও ব্যক্তিগত লড়াই নয়, কোনও নির্দিষ্ট দেশের লড়াইও নয়, উষ্ণায়নের বিরুদ্ধে বিশ্বের মানুষের লড়াই। জলবায়ু চুক্তি ভেঙে বেরিয়ে আসার দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ নয়, আগামী ৩০ বছরের মধ্যে প্রতিটি দেশের অর্ধেক সবুজ করা গেলে এই বিপদকে অনেকটা আটকানো যায়। আর রাষ্ট্রনায়কদেরও ভাবতে হবে রাষ্ট্রই যদি না থাকে তাহলে তাঁরা মাতব্বরি করবেন বা জোর খাটাবেন কার উপর?
16th  November, 2019
রাজনৈতিক স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গে
আগুন নিয়ে খেলা বন্ধ হোক
হিমাংশু সিংহ

 শনিবার যখন এই লেখা লিখছি তখনও চারদিক থেকে গণ্ডগোল, অবরোধ, আগুন লাগানোর খবর আসছে। নাগরিক বিল নিয়ে এককথায় রাজ্য উত্তাল। কিন্তু এই অশান্তি কোনওমতেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে তাই মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন মেনে হাঙ্গামায় প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ হোক।
বিশদ

এনআরসি দেশ গড়ার পথ, নাকি ক্ষমতায় পৌঁছনোর ইস্যু
তন্ময় মল্লিক

পরিবর্তনই জীবনের বৈশিষ্ট্য। তাই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যায় সবকিছুই। কিন্তু পরিবর্তনের এই ধারায় সমস্ত কিছুকে ছাপিয়ে যাচ্ছে রাজনীতির অভিমুখ ও উপাদান। একটা সময় রাজনীতিতে সাফল্য লাভের প্রধান উপাদান ছিল উন্নয়ন। এখন রাজনীতিতে সাফল্য লাভের উপাদান জবরদস্ত ইস্যু। ইস্যু তৈরি করতে পারলেই কেল্লা ফতে। 
বিশদ

14th  December, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

13th  December, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন, ১৪ ডিসেম্বর (পিটিআই): ‘আমার কোনও দোষ নেই। তবু আমাকে ইমপিচ করা হচ্ছে। এটা অন্যায়।’ শুক্রবার ট্যুইটারে এভাবেই ইমপিচমেন্ট বিতর্কে ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন কংগ্রেসের জুডিশিয়ারি কমিটি ট্রাম্পের ‘অপসারণ’ অনুমোদন করে দেওয়ায় তা এখন হাউস অব ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: জমির রেকর্ড নিজের নামে না থাকায় চাষিদের অনেকেই বুলবুলের ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এনিয়ে কৃষক মহলে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কৃষক সংগ্রাম পরিষদ।   ...

 শিলং, ১৪ ডিসেম্বর: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তাল উত্তর-পূর্ব ভারত। আন্দোলন চলছে পশ্চিমবঙ্গ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যেও। এরমধ্যে নতুন বিতর্ক তৈরি করলেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল তথাগত রায়। শুক্রবার ট্যুইটারে তাঁর বার্তা, আপনি যদি বিভেদকামী গণতন্ত্র না চান, তাহলে আপনার উত্তর কোরিয়া ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনকে কেন্দ্র করে শনিবার রণক্ষেত্রের চেহারা নিল কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। গড়ফার কাছে সকাল থেকে অবরোধের পর আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হল অন্তত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

পিতার স্বাস্থ্যহানী হতে পারে। আর্থিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব হবে না। পঠন-পাঠনে পরিশ্রমী হলে সফলতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক চা দিবস
১৮৭৭- টমাস এডিসন ফোনোগ্রাফের পেটেন্ট নিলেন,
১৯০৮- রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বামী রঙ্গনাথানন্দের জন্ম,
১৯৫০- সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের মৃত্যু,
১৯৭৬- ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়ার জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮০ টাকা ৭১.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৪৩ টাকা ৯৬.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৪৪ টাকা ৮০.৪৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
14th  December, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৪৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৪৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭, ০৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪, ০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪, ১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ২/৪৫ দিবা ৭/১৮ পরে চতুর্থী ৫৮/২৫ শেষরাত্রি ৫/৩৫। পুষ্যা ৫৪/৩০ রাত্রি ৪/১। সূ উ ৬/১২/৩৫, অ ৪/৫০/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ১/৪৪ মধ্যে পুনঃ ২/৩৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/১২ গতে ১২/৫১ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১১ গতে ২/৫১ মধ্যে। 
২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, তৃতীয়া ৫/৩৫/৫৭ দিবা ৮/২৮/৫০। পুনর্বসু ১/১৯/৩২ প্রাতঃ ৬/৪৬/১৬ পরে পুষ্যা ৫৮/৫৩/৩৭ শেষরাত্রি ৫/৪৭/৫৪, সূ উ ৬/১৪/২৭, অ ৪/৫০/২৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১২/১ গতে ২/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৯ গতে ৯/২৬ মধ্যে ও ১২/৭ গতে ১/৫৪ মধ্যে ও ২/৪৭ গতে ৬/১৫ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩২/২৬ গতে ১২/৫১/৫৫ মধ্যে, কালরাত্রি ১/১১/৫৬ গতে ২/৫৩/২৬ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৭ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উলুবেড়িয়ায় আজ বিকেল ৪টে থেকে সোমবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকবে

04:02:37 PM

প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ১৩৭/৩ (৩০ ওভার) 

03:51:09 PM

এনআরসির প্রতিবাদে কুলতলিতে তৃণমূলের মিছিল 
আজ সকালে এনআরসির প্রতিবাদে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলিতে তৃণমূল কংগ্রেস ...বিশদ

03:44:00 PM

বজবজ লাইনের আক্রা স্টেশনে এখনও চলছে রেল অবরোধ, টিকিট কাউন্টার লুট করার চেষ্টা

03:42:37 PM

নদীয়ার চাপড়ায় সড়ক অবরোধ

03:38:51 PM

প্রথম ওয়ান ডে: ভারত ১০৪/৩ (২৫ ওভার) 

03:26:33 PM