Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট।
বুড়ো হওয়াতে বড্ড ভয় ছিল ছোটবেলা থেকে। সেটা মরার ভয় যত না, তার চাইতে বেশি ভয় ভীমরতি হবার। এমনিতে ছেলেবেলা থেকেই 'হযবরল' গেঁথে আছে রক্তে আর মস্তিষ্কে। সেখানে উধোবুড়ো আর বুধোবুড়ো একেবারে পরিষ্কার বলছে, তারা বুড়ো হয়ে মরতে চায় না। তাই তাদের বয়স নিয়ন্ত্রণের এক অদ্ভুত ব্যবস্থা। চল্লিশ বছর বয়স হলেই তারা বয়সের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয়। একচল্লিশ, বেয়াল্লিশ না হয়ে তাদের বয়স তখন গড়াতে থাকে ঊনচল্লিশ, আটত্রিশ করে পিছনের দিকে। এমন ভাবে চলে দশ পর্যন্ত। তারপর তা আবার বাড়ে চল্লিশ অবধি, তারপর আবার কমে। এমনি করে পেন্ডুলামের দোলনার মত দশ থেকে চল্লিশের সীমারেখার মধ্যে ওঠাপড়া করতে থাকে বয়স। এবং আপাতভাবে আটকে থাকে চির-যৌবন। আচ্ছা, চল্লিশ কি তাহলে বয়স বাড়ার ক্ষেত্রে একটা বিপদ-সীমা? আর পঞ্চাশ তাহলে কি? পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ, এমন কথা সত্যিই কি শাস্ত্রে বলে?
আর সেই শাস্ত্রকে ধ্রুব মেনেই কি এগনো উচিত? নাকি আজকের দিনে বদলে দিতে হবে সেই সব শাস্ত্রের বিধান? কারণ উধো-বুধো পারলেও আমরা তো আর ঘুরিয়ে দিতে পারব না বয়সের গতিপথ। আমরা তো আর সুকুমারী জগতের বাসিন্দা নই।
নিজেকে সুস্থ আর তরতাজা রাখার জন্য তাই নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন করা প্রয়োজন নিশ্চয়ই। বয়স বাড়লে কমবেশি টুকটাক শারীরবৃত্তীয় সমস্যা দেখা দেওয়াটাই স্বাভাবিক। তার জন্য কিছু ওষুধ-বিষুধ, আর সেই সঙ্গে কিছুটা হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা, ব্যাস। ডাক্তার, বন্ধুবান্ধব, শুভানুধ্যায়ী সকলেরই দেখছি মোটামুটি একই নিদান। পরামর্শ তো ঠিক আছে, কিন্তু করে কে? আমার মত অলস লোক করবে শরীরচর্চা? খুব উৎসাহ নিয়ে একদিন মর্নিং ওয়াক করে তার পরের দিন ঘুম থেকে উঠলাম সাড়ে আটটায়। শেষে আমার এক সিনিয়র সহকর্মীর পরামর্শ পাওয়া গেল। তিনি বললেন, এইসব শরীরচর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে তুমি তোমার বার্দ্ধক্যকেই দীর্ঘায়িত করতে পারবে, যৌবনকে নয়। কথাটা মনে ধরল খুব। থ্যাঙ্কু, দাদা। আমার মত অলস লোকের এমনই একটা অবলম্বন দরকার ছিল।
যাই হোক, আমি তো শতাব্দীর আধখানা পার করার আগেই ঝিমিয়ে পড়েছি। ওদিকে চারদিকে যেন উচ্চস্বরে বার্দ্ধক্যের জয়গান উঠছে। প্রৌঢ় লোকজন জিমে ছুটছে। দৌড়াচ্ছে সকাল বিকেল। যতই হাঁফ ধরুক না কেন। হাহা হিহি করে হেসে যাচ্ছে লাফিং ক্লাবে গিয়ে। চারধারে শুনছি, বয়স নাকি আসলে একটা সংখ্যা মাত্র। তা হবে। তবে সব সংখ্যার যে মাহাত্ম্য সমান, তাই বা কে বলল? আলু আর আলুবখরা কি এক হল? বড় সংখ্যা আর ছোট সংখ্যার ভ্যালু কি এক? জিডিপি ৮ শতাংশ নাকি ৫, তা নিয়ে তবে এত মাথা ঘামানো কেন বাপু? হেড অফিসের বড়বাবু আর পিয়ন তাহলে একই মাইনে পাক আজ থেকে। তবু খুঁজে-পেতে কিছু তথ্য জোগাড় করে ফেললাম। তার জন্য বেশিরভাগ ধন্যবাদটাই অবশ্য গুরু গুগলের পাওনা।
যেমন, এ বছর অনেকেই বোধহয় প্রস্তুত হয়ে ছিল, নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসের কনিষ্ঠতম বিজেতাকে পাবার জন্য। হ্যাঁ, গ্রেটা থুনবার্গ নামে ১৬ বছরের সুইডিশ মেয়েটির কথা বলছি আমি। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের জন্য শান্তির নোবেলটা গ্রেটা পেতে পারে বলে ভেবেছিল সংশ্লিষ্ট অনেকেই। মিডিয়াও বেশ হইচই করেছিল এ বিষয়ে। বাস্তবে কিন্তু হয়নি তেমনটা। পরিবর্তে আমরা পেলাম নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসের বরিষ্ঠতম বিজেতাকে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের অধ্যাপক জন গুডএনাফ। ৯৭ পেরনো এই বিজ্ঞানী এবার নোবেল পেয়েছেন রসায়নে। মজার কথা হল, তিনি রেকর্ড ভেঙেছেন তাঁরই সমবয়সি আর এক বিজ্ঞানীর, আর্থার অ্যাশকিন-এর, যিনি ৯৬ বছর বয়সে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছিলেন মাত্র গত বছরই। নোবেলের দুনিয়ায় সাম্প্রতিক অতীতে তাই বয়সের জয়জয়কার।
একটু তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, অনুপ্রেরণার কোনও অভাব নেই কোথাও। বুড়ো বয়সের দাপট দেখানো কীর্তিরও কমতি নেই একদম। কানাডিয়ান অভিনেতা ক্রিস্টোফার প্লামার যেমন অস্কার পান ৮২ বছর বয়সে। ওদিকে ৭২ বছর বয়সে অলিম্পিক মেডেল পান অস্কার সোয়ান, সেই ১৯২০র এন্টোয়ার্প অলিম্পিকে। জন গ্লেন আবার ৭৭ বছর বয়সে স্পেসে গেলেন। ৬৪ বছর বয়সে ডায়ানা নিয়াড সাঁতরে পারি দেন কিউবা থেকে ফ্লোরিডা এই ১১০ মাইল। ৯২ বছর বয়সে ম্যারাথন দৌড়েছিলেন গ্ল্যডিস বুরিল নামে এক মহিলা। ১০০ বছর বয়সে মাউন্ট ফুজি জয় করেছিলেন টেইচি ইগারাশি নামে এক অভিযাত্রী। ডরোথি ড্যাভেনহিল হির্‌শ উত্তর মেরুতে যান ৮৯ বছর বয়সে। রাজনীতির ক্ষেত্রেও চমক আছে। এই তো গত বছরই, রাজনৈতিক অবসর ভেঙে ফিরে এসে ৯৩ বছর বয়সে আবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হলেন মাহাথির মহম্মদ। অবশ্য এসব কীর্তি নিয়ে বলা যেতেই পারে যে, এগুলির জন্যে দরকার দীর্ঘ দিনের অনুশীলন, অভ্যাস। এসব তাই নেহাতই হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। কিন্তু সব উদ্যোগই যে এ রকম হতে হবে, তেমনটা তো নয়।
সাধারণ মানুষও তো দেখছি বয়স ভুলে এগিয়ে চলেছে জীবনের পথে। এই তো সেদিন খবরে দেখলাম, ত্রিচীর ভারতীদশন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন ৯১ বছরের এক চার্টার্ড অ্যাকান্টেন্ট। বেশ ভালো লাগল। সত্যিই তো। যতদিন বাঁচার, চলার পথটাকে রাঙিয়ে নিয়ে বাঁচার মত করেই তো বাঁচা উচিত।
আমার যেমন কত রকমের ব্যবসায়ের পরিকল্পনা গিজগিজ করে মাথার ভিতরে। কিছুই তো করা হল না জীবনে। পঞ্চাশের কাছে এসে এখন দম ফুরিয়ে যাবার জোগাড়। একটু হাঁটলে হাঁফ ধরে, চোখে চালশে, আর মনের উপরেও যেন ধূসর এক পুরু আস্তরণ। ওদিকে খুঁজে-পেতে দেখি, কর্নেল স্যান্ডার্স নামে থুতনিতে দাড়িওয়ালা এক মার্কিন ভদ্রলোক ৬৫ বছর বয়সে হাতে পান তাঁর প্রথম সোশ্যাল সিকিউরিটির চেক, ৯৯ ডলারের। আর তাই দিয়ে খুলে ফেলেন মুরগি ভাজা বিক্রির এক ব্যবসা। না, আর পাঁচটা চপ-তেলেভাজার দোকানের মত আর একটা দোকান হয়েই থাকে নি কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেনের এই ব্যবসাটা। আজ ১৪১টা দেশে রয়েছে কেএফসি-র উপস্থিতি। ২০১৫-তেই বিশ্বজুড়ে সাড়ে বাইশ হাজারের বেশি তার আউটলেট, আর ২০১৩-তেই আয়ের পরিমাণ ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলার। তাই নড়ে-চড়ে বসার, কিংবা উদ্যোগ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কোনও বয়স হয়তো সত্যিই নেই। এটা হয়তো প্রায় সব কিছুর জন্যেই সত্যি। তাই আমার বোধহয় এখনও সময় আছে।
আন্না মেরি রবার্টসন বিখ্যাত হয়ে আছেন মার্কিন গ্রামীণ জীবনশৈলী নিয়ে তাঁর নস্টালজিক পেন্টিং-এর জন্য। গ্র্যান্ডমা মোজেস নামেই বেশি পরিচিত এই শিল্পী ছবি আঁকা শুরু করেন ৭৮ বছর বয়সে। আহা, আমারও তো এক বয়সে শখ ছিল ছবি আঁকার। আর ৭৮ হতে এখনও ঢের দেরি।
আসলে স্বপ্ন দেখতে তো কোনও আপত্তি নেই। হোক না তা অলীক চিন্তা। যেমন, অল্প বয়সে কখনও মনে হতো, কোনও এক পনেরই আগস্ট লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে পারলে বেশ হতো। কিন্তু সে সব তো দূরের কথা, রাজনীতিই করলাম না কখনও এত বয়সের মধ্যে। অবশ্য রোনাল্ড রেগন যে ৫৫ বছর বয়সে প্রথম রাজনীতিতে ঢোকেন, এটা জেনে খুব আমোদ হল। আর মনমোহন সিং রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন ৫৯ বছরে। আমার তাহলে আশা আছে এখনও!
চায়ের কাপটায় শেষ চুমুকটা দিয়ে বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠলাম। না, একটু নড়েচড়ে বসা যাক। কিছু একটা করতেই হবে। যতদিন টিকবো, বাঁচতে হবে বাঁচার মত করে। সত্যিই তো, এই পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণ একবার পরখ করে দেখতেই পারি। রবি-কবি তো বলেইছেন, ঘরের কোণে বসে পয়সা-কড়ি জমা করা, বিষয়-পত্র দেখা, আর মামলা-মোকদ্দমা চালানোটা বুড়োদের কাজ। আর যুবাদের কাজ হল, কঠিন ব্রতে রত থাকা। মন বলে উঠল, উত্তিষ্ঠত জাগ্রত। সোফায় এলিয়ে পড়া শরীরটাকে তুলে চট্‌ করে উঠে দাঁড়ালাম। হতচ্ছাড়া কোমরের ব্যথাটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করে উঠল। তাকে যোগ্য সঙ্গত দিল হাঁটুর যন্ত্রণাটা। বুকটা ধড়ফড় করতে লাগল, মনে পড়ল হার্টের ওষুধটা খাওয়া হয় নি এখনও। কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে ভাবতে লাগলাম, সোফায় আবার বসে পড়ে আর এক কাপ চা চাইব, নাকি দরজা ঠেলে বাইরে বের হব। খোলা হাওয়ায়, অন্তত একবার...
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
14th  November, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
গুয়াংঝৌ, ১০ ডিসেম্বর: বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ ব্যাডমিন্টনে সোনা জেতার পর ফর্ম হারিয়েছেন পিভি সিন্ধু। বছরের শেষ টুর্নামেন্ট ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালে খেতাব ধরে রাখাই লক্ষ্য গোপীচাঁদের এই ছাত্রীর। ওয়ার্ল্ড ট্যুর ফাইনালে বিশ্বের প্রথম আটজন খেলার সুযোগ পেয়েছেন। সিন্ধুর এখন র‌্যাঙ্কিং ১৫।  ...

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: মঙ্গলবার সকালে চীনা মাঞ্জায় গলা কেটে খড়্গপুর শহরে এক স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। তার নাম মহম্মদ সাদেক(১৫)। বাড়ি পাঁচবেড়িয়া কাজি মহল্লায়। সে সাউথ সাইড হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে পড়ত।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারের সই ও লেটারহেড জাল করে ভুয়ো নার্সিং স্কুল খুলে প্রতারণা ব্যবসা চালানো হচ্ছে বলে কিছুদিন আগেই অভিযোগ করা হয়েছিল বিধাননগর উত্তর থানায়। এবার রানিগঞ্জ থানায়ও একই অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে লোক ঠকানোর এই ব্যবসা ...

নয়াদিল্লি, ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে সংসদের বাইরে আরও সরব কংগ্রেস। দলের দুই অন্যতম প্রধান মুখ রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সোশ্যাল সাইটে এই বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন। তাঁদের দু’জনের মতে, গণতন্ত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে কেন্দ্র।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বাগুইআটিতে যুবক খুন 
বাগুইআটির দেশবন্ধুনগরে ড্রেন থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের দেহ। মৃতের ...বিশদ

10:22:15 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:06:24 AM

কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রীর
‘বুড়োদের থেকে পরামর্শ নেওয়া ভালো।’ মঙ্গলবার, বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে এই ...বিশদ

09:40:00 AM

 মুম্বই মেলে অত্যাধুনিক রেক
যাত্রীদের সফর আরও সুরক্ষিত এবং অধিক স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত করতে হাওড়া-মুম্বই সিএসএমটি-হাওড়া ...বিশদ

09:30:00 AM

শীতের আমেজ উধাও !
শীতে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্ভাবনা আরও কমল। আরব সাগরের গভীর ...বিশদ

09:13:54 AM

পরীক্ষায় খারাপ ফল, ৬ পড়ুয়ার মুখে কালি  
বয়স কতোই বা হবে। এরমধ্যেই অধরা সাফল্যের শাস্তি পেয়ে গেল ...বিশদ

09:00:00 AM