Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 
নভেম্বর ৪, ২০১৯ তারিখটা ভারতের ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন হিসেবেই সংযোজিত হয়ে গেল। বৃহৎ আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য আরসিইপি (রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ) থেকে ভারত আপাতত দূরে থাকার বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে এই দিনটিতে। ক্রমোন্নত ভারত যে তার স্বার্থ ও সুরক্ষার প্রয়োজনে যে-কোনও সাহসী পদক্ষেপ করতে সক্ষম, এই সিদ্ধান্তটি দেশকে সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে আজকের নতুন ভারত থেকে নতুন আত্মপ্রত্যয়ের প্রতিফলন ঘটছে।
আরসিইপি-তে ভারত যোগদান না-করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কারণটি সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তিনি বলেছেন, ‘‘আরসিইপি-তে কোন স্বার্থে ভারতের যোগদান করা প্রয়োজন, তা খুঁজতে গিয়ে আমি কোনও ইতিবাচক উত্তর পাইনি। গান্ধীজির আত্মনির্ভর- শীলতার নীতি এবং আমার চিন্তাচেতনা —কোনও দিক থেকেই আরসিইপি-তে ভারতের যোগদানের সম্মতি পাইনি।’’
সিদ্ধান্তটি এই কারণে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে, এটা দেখিয়ে দিয়েছে—কৃষক, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগী, টেক্সটাইল, ডেয়ারি ও ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প, ওষুধ, ইস্পাত ও রাসায়নিক শিল্পের স্বার্থরক্ষার প্রয়োজনে তিনি যত দূর সম্ভব যেতে পারেন। এই বাণিজ্য চুক্তিটি যেহেতু ভারতের বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি বা ক্ষতি এবং পণ্যের অনাবশ্যক ডাম্পিংয়ের বিষয়টি বিবেচনার মধ্যে রাখে না, তাই তিনি বিষয়টির সঙ্গে কোনোরকম আপস করেননি। যে-কোনও একপেশে এবং দেশের কৃষক ও শিল্পোদ্যোগীদের স্বার্থ-বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ভারতের যোগদান করা অনুচিত বলে আমিও মনে করি। এই ব্যাপারে আমার মনোভাবও খুব স্পষ্ট ও দৃঢ়।
কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার দেশের স্বার্থরক্ষায় কতটা ব্যর্থ ছিল তা আমরা জানি। ২০০৭ সালে তৎকালীন সরকার চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিতে (আরটিএ) শামিল হওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছিল। ইউপিএ জমানায় চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য কতখানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল? ভারতের বাণিজ্যিক ক্ষতি ২৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। যে ক্ষতির পরিমাণ ২০০৫ সালে ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, সেটা ২০১৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশীয় শিল্পের উপর এই আঘাত কী ভয়ানক হয়েছিল তা আর বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না।
বস্তুত কংগ্রেসের ইতিহাস হল ভারতের কৃষক ও শিল্পের স্বার্থের সঙ্গে আপস করা। এর একটি দৃষ্টান্ত—২০১৩ সালের বালি এগ্রিমেন্ট। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের নেতৃত্বে তৎকালীন বাণ্যিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লুটিও) সম্মেলনে অংশ নিতে গিয়ে কৃষিতে ভর্তুকি এবং সহায়ক মূল্যের যে ব্যবস্থা ও অবস্থান আমাদের রয়েছে সেটাকে বিস্ময়করভাবে তাঁরা দুর্বল করে দিলেন। যদি না ২০১৪ সালে যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হস্তক্ষেপ করতেন কৃষকের বিরাট ক্ষতি হয়ে যেত। আমাদের কৃষকদের স্বার্থে তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ইউপিএ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবটি বাতিল করে দিয়েছিলেন।
এটাই মজার ব্যাপার যে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলি নিয়ে যে-কংগ্রেসের দুর্বল ভূমিকার ইতিহাস আমরা জানি, সেই কংগ্রেসই আরসিইপি থেকে প্রধানমন্ত্রীর দূরে থাকার সিদ্ধান্তের কৃতিত্বের ভাগ দাবি করছে এবং মরিয়া হয়ে! বস্তুত, ইতিহাসই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে কংগ্রেস নেতৃত্বের দূরদৃষ্টির অভাবের কারণেই ভারতকে এই ধরনের দেশের স্বার্থ-বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তির অংশ হতে হয়েছিল। আদি রূপ ধরলে আরসিইপি-তে আসিয়ানভুক্ত দশটি দেশের বাইরে শুধুমাত্র চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া যোগ দিয়েছিল। কংগ্রেসের দূরদর্শিতার অভাব এবং ছোট উদ্যোগী ও কৃষকদের ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ না-থাকার জন্যই ইউপিএ সরকার এই ধরনের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর অংশ হয়েছিল। গোড়া থেকেই স্পষ্ট যে এটাই ভারতে অবাধে চীনা পণ্য প্রবেশের ‘ফ্লাড গেট’ খুলে দিতে পারত। অন্যদিকে, এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীভুক্ত কোনও দেশের উপর ভারত তার পক্ষে অনুকূল কোনও বাণিজ্য-শর্ত আরোপ করতে পারেনি।
আসিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া এগ্রিমেন্টেও (এফটিএ) ভারতের স্বার্থের সঙ্গে কংগ্রেস আপস করেছিল। অথচ, ভারতের মতো দুর্বল মানসিকতার পরিচয় দেয়নি তুলনায় ছোট দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম। যেখানে ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম তাদের মার্কেট শেয়ারের যথাক্রমে ৫০ শতাংশ ও ৬৯ শতাংশ ভারতের জন্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেখানে ভারত তাদের পণ্যের বাজারের ৭৪ শতাংশ এই বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। এমন কিছু অবিবেচক সিদ্ধান্তের সৌজন্যেই আরসিইপি দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যে আমাদের বিপুল আর্থিক ক্ষতি মেনে নিতে হয়েছিল। ক্ষতির পরিমাণ ২০০৪ সালের ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০১৪ সালে বেড়ে হয়েছিল ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার হালফিল বিনিময় মূল্যমানে বলতে হয়—ক্ষতির পরিমাণ ২০০৪ সালের ৫০ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০১৪ সালে বেড়ে হয়েছিল ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি টাকা।
২০১৪ সালে মোদি সরকার আসার পর থেকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলির ধারাবাহিক সংশোধন জারি রয়েছে। আরসিইপি আলোচনায় ভারত সবসময় দৃঢ়তার সঙ্গে তার স্বার্থ সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছে। সদস্য দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যে অনুকূল শর্তই আরোপ করেছে ভারত। যেমন অন্যসকল শর্তাবলির সঙ্গে এই প্রথমবার ভারতের জন্য সার্ভিস সেক্টর
উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ভারত থেকে বেশি পরিমাণ পণ্য রপ্তানির শর্ত চাপানো হয়েছে।
চুক্তি ২০১৬ সাল থেকে কার্যকরী হবে ধরে নিয়েও, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারিতে প্রযোজ্য আমদানি শুল্কের (ইমপোর্ট ডিউটি) ভিত্তিতে (বেস রেট) কংগ্রেস আরসিইপি-র অংশ হয়ে উঠতে ব্যগ্র ছিল। ২০১৪ সালের বেস রেট মেনে নিয়ে এই ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার কারণে ভারতের বাজারে বিদেশি প঩ণ্যের প্রবেশ অবাধ হয়ে যেত এবং তাতে আমাদের দেশীয় শিল্পের সর্বনাশ হতে পারত। অবশ্য, গত কয়েক বছরে অনেকগুলি বিদেশি পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দৃঢ়চেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালের বেস রেট ধার্য করার দাবিতেই সওয়াল করে গিয়েছেন।
আরসিইপি কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি এবং তাঁর বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল দেশের কৃষক, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগী এবং ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের স্বার্থরক্ষার বিষয়েই তাঁদের মতামত পেশ করে গিয়েছেন। তাঁরা এই বিষয়ে যেসব সংশোধনী দাবি করেছেন তারও পিছনে ছিল শুধু দেশের স্বার্থ।
তাঁদের পেশ করা প্রধান ও উল্লেখ্যযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে ছিল: ট্যারিফ ডিফারেন্সিয়াল সংশোধন, কাস্টমস ডিউটির বেস রেট পরিবর্তন, চুক্তির অংশ হিসেবে ‘র‌্যাচিট অবলিগেশনস’ (একমুখী ব্যবস্থা)-এ ছাড় এবং লগ্নির সময় ভারতের ফেডারেল ব্যবস্থাকে মর্যাদা দানের দাবি। অগ্রণী ইস্যুগুলির সমাধানে ভারত যে আপস না-করার নীতিতে অবিচল হতে পেরেছে, তার জন্য মোদিজির ‘ডায়নামিক’ ব্যক্তিত্বের কাছে আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। সত্তরটি আইটেমের অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনায় ভারতের উদ্বেগের বিষয় ছিল পঞ্চাশটি—তার থেকেই একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয়েছে।
আমরা আসিয়ান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) পুনর্মূল্যায়নের কাজ শুরু করেছি। জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় এবং অন্য উন্নত দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যসম্পর্ক প্রভাবিত করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই উদ্যোগ ভারতকে পাঁচ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীত করতে সাহায্য করবে। এবং, প্রত্যাশিত যে, আমাদের কৃষকরা, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগীরা এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর এর সুবিধা পাবে।
আমরা বুঝতে পারছি যে, মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে।
 লেখক ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
 
13th  November, 2019
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
একনজরে
এক দশকের ‘টার্গেট’। ২০২০ থেকে ২০৩০। রাজ্যের প্রতিটি পুর শহরের চালচিত্র বদলে ফেলতে দশম-বার্ষিকী পরিকল্পনা নিল রাজ্য সরকার। উম-পুনের ক্ষত মেরামত ও কোভিডের মোকাবিলা থাকছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। ...

 কয়লার গুণগত মান বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক স্তরের উপদেষ্টা সংস্থা নিয়োগ করতে চলেছে কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড। ...

 কেরলের ইদুক্কিতে ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২৪। শুক্রবার সকালে প্রবল বর্ষণের জেরে ইদুক্কি জেলায় একটি চা বাগানে ধস নামে, যার ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে যায় ২০টি বাড়ি। ...

আসানসোল বিসি কলেজের ফাঁকা জায়গায় একাধিক বিল্ডিং গড়ে তোলা হচ্ছে। যদিও এর জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ছোটখাট আঘাত লাগার সম্ভাবনা। নিকট আত্মীয় থেকে মানসিক কষ্ট পাওয়ার সম্ভাবনা। বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা বেশি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

নাগাসাকি দিবস
বিশ্ব আদিবাসী দিবস

১৭৭৬: ইতালির রসায়নবিদ আমাদিও অ্যাভোগাদ্রোর জন্ম
১৯৩১: ব্রাজিলের ফুটবলার তথা কোচ মারিও জাগালোর জন্ম
১৯৪৫: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের নাগাসাকি শহরে আমেরিকার ফেলা পরমাণু ৩৯ হাজার মানুষের মৃত্যু
১৯৭০ – বিপ্লবী ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৭৪: ওয়াটার গেট কেলেঙ্কারির কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিকসনের পদত্যাগ
২০০৮: গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে পুরুষদের ৪০০ মিটার ফ্রিস্টাইল সাঁতার প্রতিযোগিতা শুরু হয়।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.১৬ টাকা ৭৬.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৮৩ টাকা ১০০.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৬.৪৮ টাকা ৯১.১৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
08th  August, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৬,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫৪,০৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫৪,৮৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৭৫,০৩০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৭৫,১৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
08th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০, যষ্ঠী অহোরাত্র। রেবতীনক্ষত্র ৩৪/৩৮ রাত্রি ৭/৬। সূর্যোদয় ৫/১৪/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/৯/১২। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৬ গতে ৯/৩২ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ ৬/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ১/৫০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ৩/২ মধ্যে। অমৃতযোগ প্রাতঃ ৬/৬ গতে ৯/৩২ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ গতে ৯/৬ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ প্রাতঃ ৬/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ১/৫০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৪ গতে ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪ গতে ৩/২ মধ্যে। বারবেলা ১০/৫ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৫ গতে ২/২৮ মধ্যে।
২৪ শ্রাবণ ১৪২৭, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২০, যষ্ঠী শেষরাত্রি ৪/৩৩। রেবতীনক্ষত্র সন্ধ্যা ৬/২৪। সূর্যোদয় ৫/১৪, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৬/১০ গতে ৯/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৮/৫৯ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/১০ মধ্যে ও ১২/৫৪ গতে ১/৪৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪২ গতে ৭/২৮ মধ্যে ও ১১/১ গতে ৩/৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/৬ গতে ১/২০ মধ্যে। কালরাত্রি ১/৬ গতে ২/২৯ মধ্যে।
 ১৮ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল
রাজ্যে করোনায় মৃত্যু ২ হাজার ছাড়াল। এ পর্যন্ত মোট ২০০৫ ...বিশদ

08-08-2020 - 09:06:41 PM

কাজিরাঙ্গায় শিকারির গুলিতে মৃত গণ্ডার 
অসমের কাজিরাঙ্গা অভয়ারণ্যে আজ সকালে একটি মৃত গণ্ডার উদ্ধার করা ...বিশদ

08-08-2020 - 04:35:00 PM

গুজরাতে রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন 
 গুজরাতের একটি রাসায়নিক কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগল। আজ শনিবার ঘটনাটি ...বিশদ

08-08-2020 - 03:59:00 PM

কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রী হাসপাতাল থেকে মুক্ত 
কেরলে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানের ২৩ জন যাত্রীকে সুস্থ অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ...বিশদ

08-08-2020 - 03:45:00 PM

কেরলের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের আর্থিক সাহায্য ঘোষণা কেন্দ্রের
কেরলের কোঝিকোড়ে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের আর্থিক সাহায্য ঘোষণা ...বিশদ

08-08-2020 - 02:09:37 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

08-08-2020 - 01:33:00 PM