Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 
নভেম্বর ৪, ২০১৯ তারিখটা ভারতের ইতিহাসে একটি মাইলস্টোন হিসেবেই সংযোজিত হয়ে গেল। বৃহৎ আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য আরসিইপি (রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ) থেকে ভারত আপাতত দূরে থাকার বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছে এই দিনটিতে। ক্রমোন্নত ভারত যে তার স্বার্থ ও সুরক্ষার প্রয়োজনে যে-কোনও সাহসী পদক্ষেপ করতে সক্ষম, এই সিদ্ধান্তটি দেশকে সেই মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছে। নরেন্দ্র মোদির সুযোগ্য নেতৃত্বে আজকের নতুন ভারত থেকে নতুন আত্মপ্রত্যয়ের প্রতিফলন ঘটছে।
আরসিইপি-তে ভারত যোগদান না-করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কারণটি সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। তিনি বলেছেন, ‘‘আরসিইপি-তে কোন স্বার্থে ভারতের যোগদান করা প্রয়োজন, তা খুঁজতে গিয়ে আমি কোনও ইতিবাচক উত্তর পাইনি। গান্ধীজির আত্মনির্ভর- শীলতার নীতি এবং আমার চিন্তাচেতনা —কোনও দিক থেকেই আরসিইপি-তে ভারতের যোগদানের সম্মতি পাইনি।’’
সিদ্ধান্তটি এই কারণে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে যে, এটা দেখিয়ে দিয়েছে—কৃষক, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগী, টেক্সটাইল, ডেয়ারি ও ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প, ওষুধ, ইস্পাত ও রাসায়নিক শিল্পের স্বার্থরক্ষার প্রয়োজনে তিনি যত দূর সম্ভব যেতে পারেন। এই বাণিজ্য চুক্তিটি যেহেতু ভারতের বিপুল বাণিজ্য ঘাটতি বা ক্ষতি এবং পণ্যের অনাবশ্যক ডাম্পিংয়ের বিষয়টি বিবেচনার মধ্যে রাখে না, তাই তিনি বিষয়টির সঙ্গে কোনোরকম আপস করেননি। যে-কোনও একপেশে এবং দেশের কৃষক ও শিল্পোদ্যোগীদের স্বার্থ-বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তিতে ভারতের যোগদান করা অনুচিত বলে আমিও মনে করি। এই ব্যাপারে আমার মনোভাবও খুব স্পষ্ট ও দৃঢ়।
কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার দেশের স্বার্থরক্ষায় কতটা ব্যর্থ ছিল তা আমরা জানি। ২০০৭ সালে তৎকালীন সরকার চীনের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিতে (আরটিএ) শামিল হওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছিল। ইউপিএ জমানায় চীনের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য কতখানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল? ভারতের বাণিজ্যিক ক্ষতি ২৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। যে ক্ষতির পরিমাণ ২০০৫ সালে ১.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল, সেটা ২০১৪ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশীয় শিল্পের উপর এই আঘাত কী ভয়ানক হয়েছিল তা আর বুঝিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না।
বস্তুত কংগ্রেসের ইতিহাস হল ভারতের কৃষক ও শিল্পের স্বার্থের সঙ্গে আপস করা। এর একটি দৃষ্টান্ত—২০১৩ সালের বালি এগ্রিমেন্ট। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের নেতৃত্বে তৎকালীন বাণ্যিজ্যমন্ত্রী আনন্দ শর্মা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লুটিও) সম্মেলনে অংশ নিতে গিয়ে কৃষিতে ভর্তুকি এবং সহায়ক মূল্যের যে ব্যবস্থা ও অবস্থান আমাদের রয়েছে সেটাকে বিস্ময়করভাবে তাঁরা দুর্বল করে দিলেন। যদি না ২০১৪ সালে যথাসময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হস্তক্ষেপ করতেন কৃষকের বিরাট ক্ষতি হয়ে যেত। আমাদের কৃষকদের স্বার্থে তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ইউপিএ সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাবটি বাতিল করে দিয়েছিলেন।
এটাই মজার ব্যাপার যে, এই ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তিগুলি নিয়ে যে-কংগ্রেসের দুর্বল ভূমিকার ইতিহাস আমরা জানি, সেই কংগ্রেসই আরসিইপি থেকে প্রধানমন্ত্রীর দূরে থাকার সিদ্ধান্তের কৃতিত্বের ভাগ দাবি করছে এবং মরিয়া হয়ে! বস্তুত, ইতিহাসই সাক্ষ্য দিচ্ছে যে কংগ্রেস নেতৃত্বের দূরদৃষ্টির অভাবের কারণেই ভারতকে এই ধরনের দেশের স্বার্থ-বিরোধী আন্তর্জাতিক চুক্তির অংশ হতে হয়েছিল। আদি রূপ ধরলে আরসিইপি-তে আসিয়ানভুক্ত দশটি দেশের বাইরে শুধুমাত্র চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া যোগ দিয়েছিল। কংগ্রেসের দূরদর্শিতার অভাব এবং ছোট উদ্যোগী ও কৃষকদের ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ না-থাকার জন্যই ইউপিএ সরকার এই ধরনের আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর অংশ হয়েছিল। গোড়া থেকেই স্পষ্ট যে এটাই ভারতে অবাধে চীনা পণ্য প্রবেশের ‘ফ্লাড গেট’ খুলে দিতে পারত। অন্যদিকে, এই আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীভুক্ত কোনও দেশের উপর ভারত তার পক্ষে অনুকূল কোনও বাণিজ্য-শর্ত আরোপ করতে পারেনি।
আসিয়ান ফ্রি ট্রেড এরিয়া এগ্রিমেন্টেও (এফটিএ) ভারতের স্বার্থের সঙ্গে কংগ্রেস আপস করেছিল। অথচ, ভারতের মতো দুর্বল মানসিকতার পরিচয় দেয়নি তুলনায় ছোট দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম। যেখানে ইন্দোনেশিয়া এবং ভিয়েতনাম তাদের মার্কেট শেয়ারের যথাক্রমে ৫০ শতাংশ ও ৬৯ শতাংশ ভারতের জন্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেখানে ভারত তাদের পণ্যের বাজারের ৭৪ শতাংশ এই বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। এমন কিছু অবিবেচক সিদ্ধান্তের সৌজন্যেই আরসিইপি দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যে আমাদের বিপুল আর্থিক ক্ষতি মেনে নিতে হয়েছিল। ক্ষতির পরিমাণ ২০০৪ সালের ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০১৪ সালে বেড়ে হয়েছিল ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বৈদেশিক মুদ্রার হালফিল বিনিময় মূল্যমানে বলতে হয়—ক্ষতির পরিমাণ ২০০৪ সালের ৫০ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০১৪ সালে বেড়ে হয়েছিল ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার কোটি টাকা।
২০১৪ সালে মোদি সরকার আসার পর থেকে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের ভুল সিদ্ধান্তগুলির ধারাবাহিক সংশোধন জারি রয়েছে। আরসিইপি আলোচনায় ভারত সবসময় দৃঢ়তার সঙ্গে তার স্বার্থ সুরক্ষার উপর জোর দিয়েছে। সদস্য দেশগুলির সঙ্গে বাণিজ্যে অনুকূল শর্তই আরোপ করেছে ভারত। যেমন অন্যসকল শর্তাবলির সঙ্গে এই প্রথমবার ভারতের জন্য সার্ভিস সেক্টর
উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ভারত থেকে বেশি পরিমাণ পণ্য রপ্তানির শর্ত চাপানো হয়েছে।
চুক্তি ২০১৬ সাল থেকে কার্যকরী হবে ধরে নিয়েও, ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারিতে প্রযোজ্য আমদানি শুল্কের (ইমপোর্ট ডিউটি) ভিত্তিতে (বেস রেট) কংগ্রেস আরসিইপি-র অংশ হয়ে উঠতে ব্যগ্র ছিল। ২০১৪ সালের বেস রেট মেনে নিয়ে এই ব্যবস্থায় অংশ নেওয়ার কারণে ভারতের বাজারে বিদেশি প঩ণ্যের প্রবেশ অবাধ হয়ে যেত এবং তাতে আমাদের দেশীয় শিল্পের সর্বনাশ হতে পারত। অবশ্য, গত কয়েক বছরে অনেকগুলি বিদেশি পণ্যের উপর আমদানি শুল্ক কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দৃঢ়চেতা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালের বেস রেট ধার্য করার দাবিতেই সওয়াল করে গিয়েছেন।
আরসিইপি কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি এবং তাঁর বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল দেশের কৃষক, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগী এবং ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পের স্বার্থরক্ষার বিষয়েই তাঁদের মতামত পেশ করে গিয়েছেন। তাঁরা এই বিষয়ে যেসব সংশোধনী দাবি করেছেন তারও পিছনে ছিল শুধু দেশের স্বার্থ।
তাঁদের পেশ করা প্রধান ও উল্লেখ্যযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে ছিল: ট্যারিফ ডিফারেন্সিয়াল সংশোধন, কাস্টমস ডিউটির বেস রেট পরিবর্তন, চুক্তির অংশ হিসেবে ‘র‌্যাচিট অবলিগেশনস’ (একমুখী ব্যবস্থা)-এ ছাড় এবং লগ্নির সময় ভারতের ফেডারেল ব্যবস্থাকে মর্যাদা দানের দাবি। অগ্রণী ইস্যুগুলির সমাধানে ভারত যে আপস না-করার নীতিতে অবিচল হতে পেরেছে, তার জন্য মোদিজির ‘ডায়নামিক’ ব্যক্তিত্বের কাছে আমাদের কৃতজ্ঞ থাকতে হবে। সত্তরটি আইটেমের অ্যাজেন্ডা নিয়ে আলোচনায় ভারতের উদ্বেগের বিষয় ছিল পঞ্চাশটি—তার থেকেই একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হয়েছে।
আমরা আসিয়ান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) পুনর্মূল্যায়নের কাজ শুরু করেছি। জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় এবং অন্য উন্নত দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যসম্পর্ক প্রভাবিত করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এই উদ্যোগ ভারতকে পাঁচ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থনীতিতে উন্নীত করতে সাহায্য করবে। এবং, প্রত্যাশিত যে, আমাদের কৃষকরা, ছোট ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগীরা এবং ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টর এর সুবিধা পাবে।
আমরা বুঝতে পারছি যে, মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে।
 লেখক ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
 
13th  November, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য নার্সিং কাউন্সিলের রেজিস্ট্রারের সই ও লেটারহেড জাল করে ভুয়ো নার্সিং স্কুল খুলে প্রতারণা ব্যবসা চালানো হচ্ছে বলে কিছুদিন আগেই অভিযোগ করা হয়েছিল বিধাননগর উত্তর থানায়। এবার রানিগঞ্জ থানায়ও একই অভিযোগ জানিয়ে অবিলম্বে লোক ঠকানোর এই ব্যবসা ...

মঙ্গল ঘোষ, গাজোল, সংবাদদাতা: দেশলাইয়ের বিভিন্ন মার্কা ও কাঠি দিয়ে নানা শিল্পকর্ম করে সাড়া ফেলে দিয়েছেন ইংলিশবাজার শহরের বাসিন্দা সুবীর কুমার সাহা। কখনও আর্ট পেপারে ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

নয়াদিল্লি, ১০ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে সংসদের বাইরে আরও সরব কংগ্রেস। দলের দুই অন্যতম প্রধান মুখ রাহুল এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী সোশ্যাল সাইটে এই বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন। তাঁদের দু’জনের মতে, গণতন্ত্র ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে কেন্দ্র।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২২: অভিনেতা দিলীপকুমারের জন্ম
১৯২৪: সাহিত্যিক সমরেশ বসুর জন্ম
১৯৩৫: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪২: সঙ্গীত পরিচালক আনন্দ শংকরের জন্ম
১৯৬১: অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তীর মৃত্যু
১৯৬৯: ভারতীয় দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের জন্ম
২০০৪: সঙ্গীতশিল্পী এম এস শুভলক্ষ্মীর মৃত্যু
২০১২: সেতারশিল্পী রবিশঙ্করের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৪২ টাকা ৭২.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.১৯ টাকা ৯৫.৫৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৫ টাকা ৮০.৪৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,২৭৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১২/৩ দিবা ১০/৫৯। রোহিণী অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৪/৪৯/০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ৮/১৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৫ গতে ১২/৩৩ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ৩/৩০ মধ্যে, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১০/১০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩০ গতে ১২/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪৯ গতে ৪/৩০ মধ্যে।
২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্দশী ১১/৩৯/৪১ দিবা ১০/৫১/২৭। কৃত্তিকা ০/৪১/৪৪ প্রাতঃ ৬/২৮/১৭, সূ উ ৬/১১/৩৫, অ ৪/১/১৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৪৪ গতে ৮/৩২ মধ্যে ও ১০/৩৩ গতে ১২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৮ গতে ৬/৪১ মধ্যে ও ৮/২৯ গতে ৩/৩৯ মধ্যে, কালবেলা ৮/৫১/২ গতে ১০/১০/৪৫ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৫১/২ গতে ৪/৩১/১৯ মধ্যে।
১৩ রবিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দুবরাজপুরে মাটির নীচ থেকে ধোঁয়া, চাঞ্চল্য 
সাত সকালে মাটির নীচ থেকে ধোঁয়া বেরনো ঘিরে চাঞ্চল্য দুবরাজপুরের ...বিশদ

11:35:44 AM

কোচবিহারের শীতলকুচির ডাকঘড়া বাজারে ৩টি বোমা উদ্ধার 

10:46:00 AM

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল: উত্তর-পূর্বে বনধ, বাতিল একাধিক ট্রেন 
নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলকে ঘিরে উত্তপ্ত উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্য। অসম, ত্রিপুরাজুড়ে ...বিশদ

10:39:02 AM

বাগুইআটিতে যুবক খুন 
বাগুইআটির দেশবন্ধুনগরে ড্রেন থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের দেহ। মৃতের ...বিশদ

10:22:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, বুধবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:06:24 AM

কনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ সবচেয়ে প্রবীণ প্রধানমন্ত্রীর
‘বুড়োদের থেকে পরামর্শ নেওয়া ভালো।’ মঙ্গলবার, বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীকে এই ...বিশদ

09:40:00 AM