Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

আমরা সবাই তো আর সকাল বিকেল পড়াশোনা করি না। তাই জেইই মেনস খায় না মাথায় দেয় সেটা প্রথমে একটু বুঝে নিলে আলোচনাটা এগনো সহজ হবে। দেশের বিভিন্ন প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্নাতকস্তরে পড়াশোনা করার জন্যে এই পরীক্ষা। আমাদের দেশে পড়াশোনার ক্ষেত্রে এখনও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেই বেশি শ্রদ্ধা করা হয়। কয়েকটি মাত্র ভালো বেসরকারি প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আছে এদেশে, বাকি বেশিরভাগেরই অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। তাই সব থেকে বেশি লড়াই সরকারি কলেজে জায়গা পাওয়ার জন্যে। কেমন সেই লড়াই? দশ থেকে পনেরো লক্ষের মধ্যে লড়াই করে প্রথম তিরিশ হাজার জনের তালিকায় স্থান পেলে তবেই সরকারি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ থাকে। আমাদের রাজ্যে এই ধরনের জায়গা শিবপুরের আইআইইএসটি (ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি) আর দুর্গাপুরের এনআইটি। সারা দেশে এরকম বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আছে। এগুলোতে ভর্তি হওয়ার জন্যে যে পরীক্ষা, তার নাম জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন বা ইংরেজিতে প্রথম অক্ষরগুলো নিয়ে জেইই। আমাদের পশ্চিমবঙ্গের একটা আলাদা জয়েন্ট এন্ট্রান্স আছে, তবে সেটা যাদবপুর, কল্যাণী, উত্তরবঙ্গ—এরকম কয়েকটি জায়গায় পড়ার জন্য। এবার বোঝা যাক কেন এই সর্বভারতীয় পরীক্ষার নাম জেইই মেনস। তার কারণ এই পরীক্ষা থেকে প্রথম দু’লক্ষের মতো সফল প্রার্থীকে নিয়ে আর একটি পরীক্ষায় বসানো হয়, যার নাম জেইই অ্যাডভান্সড। সেখান থেকে বানানো হয় দেশের বিভিন্ন আইআইটি (ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি)-তে ভর্তির তালিকা। আমাদের রাজ্যে যেমন খড়গপুর আইআইটি-র কথা অনেকেই জানেন। এখানে প্রতিযোগিতা আরও তীব্র। নামকরা আইআইটিগুলোতে সুযোগ পেতে গেলে হাজার দুইয়ের মধ্যে থাকতে হয়, আর দেশে নতুন তৈরি হওয়া জায়গাগুলোকে ধরলেও (যেমন আইআইটি জম্মু) হাজার দশের মধ্যে থাকতে পারলে তবেই কিছুটা সুযোগ থাকে। এইসব প্রবেশিকায় প্রতিযোগিতার তীব্রতা নিয়ে এখানে আর বেশি লিখছি না, তার সঙ্গে আছে কোচিং সেন্টারের ব্যবসা। ষোল থেকে আঠারো বছর বয়সি উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বিজ্ঞান পড়ুয়াদের যে কী সাংঘাতিক বিপদের মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে তা ভুক্তভোগী মাত্রেই জানেন।
সাম্প্রতিক যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে তা হল এই পরীক্ষার ভাষা নিয়ে। অর্থাৎ প্রশ্ন কোন ভাষায় হবে? এই পরীক্ষাগুলোর উত্তর সাধারণভাবে লিখতে হয় না, চারটে বিকল্পের মধ্যে টিক মেরে নিজের মত জানাতে হয়। অল্প কিছু ক্ষেত্রে শুধু একটি দুটি শব্দে উত্তর লিখতে হবে। আর মোটের উপর এখন সব পরীক্ষাই কম্পিউটারে, আর তাই ইংরেজিতে বোতাম টেপাই দস্তুর। মূল গোলমাল প্রশ্নের ভাষা নিয়ে। আগে সাধারণভাবে ইংরেজি আর হিন্দিতে প্রশ্ন করা হতো। যারা আজকাল এই ধরনের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান, অর্থাৎ ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ), তাঁরা এবার গুজরাতিতেও প্রশ্ন বানাচ্ছেন। এখানেই চটে গেছেন আমাদের রাজ্যের শাসক দল। গুজরাতে বিজেপির দাপট বেশি। সেই হিসেবে তৃণমূলের বক্তব্য যে, সেই ভাষায় প্রশ্ন হলে বাংলায় নয় কেন? আর বিজেপি বলছে যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্য সরকার আদৌ কোন উদ্যোগ নেয় নি। পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনআইটি দাবি করেছে যে যেকোনও রাজ্য সরকার তাদের কাছে বিশেষ ভাষায় প্রশ্নপত্র বানাতে বললে তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন। গুজরাত সময়মত তাদের দাবি তুলেছিল, আর অন্য কোন রাজ্য কিছুই জানায় নি। গুজরাত সরকারের দাবি মেনে নিয়ে এবার তাই প্রশ্ন হবে গুজরাতিতে, ইংরেজি আর হিন্দি ছাড়াও। বিষয়টা এখন পড়াশোনার বাইরে বেরিয়ে পুরোপুরি রাজনীতির আঙিনায় পৌঁছে গেছে।
পড়াশোনা যে সবাইকেই করতে হবে এমনটা নয়। মেসি কিংবা রোনাল্ডো কলনবিদ্যার অঙ্ক কষতে পারেন কিনা তাই দিয়ে তাঁদের বিচার হয় না। তাঁদের ক্ষেত্রে তাঁরা মহান। আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রেও সেকথা প্রযোজ্য। অসাধারণ ব্যুৎপত্তির সঙ্গে তাঁরা ভারতবর্ষের যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধরে রেখেছেন। কিন্তু রাজনীতিবিদদের প্রিয়জনেরাও বলবেন না তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ পড়াশোনায় ভালো। অবশ্যই আমাদের রাজ্যে এবং দেশে উচ্চশিক্ষিত রাজনীতিবিদ কয়েকজন আছেন, তবে তার বাইরে বেশিভাগেরই মাধ্যমিকের অঙ্ক কষতে গেলে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে। ঠিক যেমন অঙ্কের গবেষক রাগবি খেলতে গেলে হাড়গোড় ভাঙার সম্ভাবনা প্রবল। অর্থাৎ যার কাজ তারই করা সাজে। এবার এই ভাষা বিতর্কে পাড়ায় পাড়ায় যদি মিটিং মিছিল শুরু হয়, সেক্ষেত্রে পড়ুয়াদের উপর তা যথেষ্ট প্রভাব ফেলবে। দেশ বা রাজ্যে যে সমস্ত বিপুল অর্থনৈতিক দুর্নীতি হয়ে থাকে তাতে একটা বড় অবদান থাকে রাজনীতিবিদদের। রাজনীতির বড় মাপের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার মালিকেরা, আর রাজনৈতিক কর্মীরা হয়ে যান অর্থসংগ্রহের এজেন্ট। তাঁরাই জনগণকে বোঝান যে ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসে টাকা না রেখে বেসরকারি ব্যাঙ্ক বা শেয়ার মার্কেটে টাকা খাটাও। সাময়িকভাবে কিছু কাজের ক্ষেত্র হয়তো তৈরি হয়, কিন্তু শেষমেশ আমজনতা বিপদে পড়ে। ঠিক একই কথা সত্যি জেইই মেনস দিতে যাওয়া ছাত্রছাত্রীদের। পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। তাঁরা ইংরেজিতে প্রশ্ন পড়েই পরীক্ষা দেন, এ রাজ্যে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ইংরেজিতে বিজ্ঞান বোঝার মত পরিকাঠামো আছে, আর যাঁরা এই ধরনে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সত্যি সফল হন তাঁদের ইংরেজিতে প্রশ্ন বুঝতে এতটুকু অসুবিধে হয় না।
আসলে বিজ্ঞানের কোনও ভাষা নেই। পুরোটাই যুক্তির খেলা। বিজ্ঞান বা অঙ্ক যেখানে যুক্তি দিয়ে কোনও কিছুর সমাধান করতে পারে না, সেখানে সে নিজের অসম্পূর্ণতার কথা স্বীকার করে নেয়। যুগে যুগে বিবর্তিত হয় বিজ্ঞান। গে লুসাকের পরমাণু সংক্রান্ত তত্ত্ব নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন ডালটন। আবার তার পরে ডালটনের পরমাণুবাদ ভুল প্রমাণিত হয় অ্যাভোগ্রাডোর তত্ত্বের মাধ্যমে। সময়ের সঙ্গে বিজ্ঞান উন্নততর হয়, মানুষ শেখেন সঠিক উত্তর। ধর্ম আর রাজনীতি সেখানে পুরো চড়াই উৎরাইয়ের রাস্তায় চলে। সেখানে আজ যেটা সত্যি তা পরের মূহূর্তেই মিথ্যে হয়ে যায়। বিজ্ঞানের নাম করে মাটির তলায় মন্দির ছিল নাকি বৌদ্ধিক স্তূপ, তাই নিয়ে অগভীর বিশ্লেষণ ডানা মেলে। গ্যালিলিওকে থামিয়ে রাখা হয় ধমকে। এদিকে পশ্চিমবঙ্গের বাম আমলে ঘোষিত হয় “মার্কসবাদ সর্বশক্তিমান, কারণ এটাই সত্য”। এটা যে চরম সত্য নয় সেকথা মার্কস সাহেবই বলে গিয়েছিলেন, বাংলার বাম বুঝলো উল্টো। ঠিক সেই রকমই ধর্ম, রাজনীতি এবং ভাষার সরবত বানানো নিয়ে রাজ্যে লড়াই করছে বিজেপি আর তৃণমূল। কেন্দ্রীয় পরিসরে কংগ্রেস ধান্দা করছে কীভাবে নরম হিন্দুত্বের কথা বলে দুদিকই সামলানো যায়। মুশকিল হল রাজনীতির কারবারিরা সবসময় দাবি করেন যে তাঁরা সত্যি কথা বলছেন। এইখানেই সবথেকে বড় মিথ্যে। ঠিক সেইরকমই গুজরাতি বা বাংলায় প্রযুক্তিবিদ্যার প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টিতে পরীক্ষার্থীদের কোনও সুবিধে নেই। পুরোটাই আপাতত বিজেপি আর তৃণমূলের ভাষাভিত্তিক লড়াই। এখানে বিজ্ঞানের ভাষা বিপর্যয়ের প্রশ্নই নেই। শুধু বাংলায় কেন, গুজরাতের পরীক্ষার্থীদেরও বুঝতে হবে যে বিজ্ঞানের বেশিরভাগ ভালো বই-ই ইংরেজিতে লেখা। সেগুলো মন দিয়ে পড়লে সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি। আর কয়েকমাসের মধ্যেই জেইই মেনস। এই সময় ছাত্রছাত্রীদের চিত্তবিক্ষিপ্ত না হওয়াই ভালো।
সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, রাজনীতিতে যে শিক্ষিত মানুষজন আছেন তাঁদের তো আর সোনা মেশানো দুধ গণেশকে খাইয়ে দিন চলবে না। তাঁরা দায়িত্ব নিন সারা দেশে যেন ভালো করে ইংরেজি পড়ানো হয়। তাতেই নেওয়া হোক উচ্চমাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞানের সব পরীক্ষা। অঙ্কে অসমীকরণের সমাধান করতে কয়েকটা চিহ্ন লাগে মাত্র। সেখানে অজানা চলরাশি ইংরেজির এক্স ধরা হয়, বাংলার ক-এ মধ্যন্য-শয়ে ক্ষিও নয়। যেভাবে বিজ্ঞান এগিয়েছে তাকে বাম কিংবা দক্ষিণপন্থার সমাজনীতি, কিংবা ভাষার সুড়সুড়ি দিয়ে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব। বাংলা ভাষা নিয়ে রাজ্যের রাজনীতিবিদদের বেশি না ভাবাই মঙ্গল। সেক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথের আত্মা ভয় পেয়ে বাংলা ছেড়ে অযোধ্যার রামমন্দিরের তলায় গিয়ে সেঁধোবে। উপসংহারে সারা দেশের সমস্ত উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের শুভেচ্ছা, আর অনুসিদ্ধান্ত হল আমাদের দেশের আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে ইঁরেজিতে বিজ্ঞান শেখাটাই সাফল্যের এক প্রাথমিক ধাপ। জেইই মেনসে আর সব ভাষায় প্রশ্ন করা বন্ধ করে শুধু রাখা হোক ইংরেজি। দু-একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ দিতে গেলে শুধু তামিল, তেলুগু, ওড়িয়া, অসমীয়া নয়, কোনও এক দিন অলচিকি-তেও জেইই মেনসের প্রশ্ন করার দাবি উঠবে!
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত
13th  November, 2019
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

05th  August, 2020
নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
একনজরে
মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা। সঙ্গে থাকা-খাওয়া ফ্রি। তবে, এই কাজের যোগ্যতার মাপকাঠি একটু অন্যরকম। শুধুমাত্র করোনা জয়ী হলেই মিলবে সুযোগ। দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বিপুল। তাই এমন অফার পেয়ে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন পড়ে যাওয়ার ...

অধিনায়ক হিসেবে দল পরিচালনার ক্ষেত্রে অদ্ভুত এক তত্ত্ব মেনে চলেন রোহিত শর্মা। ‘হিটম্যান’ জানিয়েছেন, নেতৃত্বভার কাঁধে থাকলে ড্রেসিং রুমে নিজেকেই সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য বলে ...

ভিসা ও অন্যান্য নথির মেয়াদ ফুরনোয় সৌদি আরবে এখন জেলবন্দি রয়েছেন প্রায় ৪৫০ জন ভারতীয়। তার মধ্যে অনেকেই এই বাংলার আদি বাসিন্দা। ...

তুফানগঞ্জ পুরসভা তহবিলের অভাবে উন্নয়নমূলক কোনও কাজ করতে পারছে না। করোনা পরিস্থিতিতে মার্চ মাসের শেষসপ্তাহে লকডাউন শুরু হতেই এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

হিরোশিমা দিবস
১৮৬৫ - চার্লি চ্যাপলিনের মা তথা ইংরেজ অভিনেত্রী, গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী হান্নাহ চ্যাপলিনের জন্ম
১৮৮১- পেনিসিলিনের আবিষ্কারক ফ্লেমিংয়ের জন্ম
১৯০৫- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস প্রকাশ করলেন বন্দে মাতরম পত্রিকা
১৯০৬ - বিপিনচন্দ্র পালের সম্পাদনায় বন্দে মাতরম্ (সংবাদপত্র) প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯১৪ - কলকাতা থেকে দৈনিক বসুমতী প্রথম প্রকাশিত হয়।
১৯২৫ - বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী স্যার সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৪৫-হিরোশিমায় পরমাণু বোমা ফেলল আমেরিকা



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.১৪ টাকা ৭৫.৮৬ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৪৬ টাকা ৯৯.৮৭ টাকা
ইউরো ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  August, 2020

দিন পঞ্জিকা

২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া ৪৭/৩৪ রাত্রি ১২/১৫। শতভিষানক্ষত্র ১৫/১১ দিবা ১১/১৮। সূর্যোদয় ৫/১৩/৪৮, সূর্যাস্ত ৬/১১/৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪৮ গতে ৩/১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২১ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০, তৃতীয়া রাত্রি ১১/২। শতভিষানক্ষত্র দিবা ১১/২১। সূর্যোদয় ৫/১৩, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ১০/২৩ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৯ গতে ৬/১৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪৩ গতে ১/৬ মধ্যে।
১৫ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কর্ণাটকে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৬১৯ 
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৬১৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:12 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত ৬১ জন
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২,৮১৬ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 08:48:08 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১০,৩০৯ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৩০৯ ...বিশদ

05-08-2020 - 08:35:32 PM

নয়াদিল্লিতে আজ করোনায় আক্রান্ত আরও ১০৭৬  
নয়াদিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১০৭৬ জন করোনা ...বিশদ

05-08-2020 - 07:03:13 PM

করোনা:কেরলে নতুন করে আক্রান্ত আরও ১১৯৫ 
কেরলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১১৯৫ জনের শরীরে ...বিশদ

05-08-2020 - 06:56:34 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05-08-2020 - 03:36:02 PM