Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড! ধরা যাক, কোনও যুবা প্রেমিকপুরুষ প্রেমিকার সঙ্গে নিভৃত মিলনের জন্যে একটি ডেট দিয়েছে। এবং, নির্দিষ্ট দিনক্ষণে ঘর ছেড়ে নিভৃত স্থানে প্রেমিকা চলেও এল। তখন প্রেমিক কী করবে? আবেগে রোমান্সে প্রেমিকার সঙ্গে মিলিত হবে নিশ্চয়। অবশ্যই কলহ বিতর্কে সুযোগটি মাটি করে দেবে না। কিন্তু, উল্লিখিত পুরুষ বিশারদটি করে বসল উল্টোটাই। এই বিশারদ কে? পিরিতির শিরোমণি গোপীকান্ত রাধাকান্ত স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ। মিলনের প্রাকরাস পর্বে একটি ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি করে ফেলল। একরকম অবাঞ্ছিত ঘোর অশান্তি।
কাত্যায়নী ব্রতদিনেই যমুনা পুলিনে হচ্ছে বস্ত্রহরণ। গোপীদের সেসময় কথা দিয়েছিল প্রেমিক কৃষ্ণ। শারদ পূর্ণিমার চাঁদিনি রাতে আমি তোমাদের সঙ্গে মিলিত হব। এবং, এই কথামতোই সেদিন যথাসময়ে বংশীধ্বনি করে আবাহনও করল কৃষ্ণ। মোহিনী রাত, উজ্জ্বল নীলাকাশ, ফুলময় কুঞ্জবনে ভ্রমরার গুঞ্জন। রাসপূর্ণিমার বহু বাঞ্ছিত রাত্রি। এবং স্বামী স্বজন পরিজন আর সর্বস্ব ছেড়ে একমাত্র কৃষ্ণমুখী হয়ে গোপীরা নিকুঞ্জবনে উপস্থিত। ওরা তখন প্রেমে উন্মাদিনী। এবং, হরিষে বিষাদ। অভাবনীয় সংকট শুরু। ভাবা যায় না।
এহেন পরিমণ্ডলে নাগর কানাইয়ের অবিশ্বাস্য প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি বদলে গেল। গোপীকান্তর চিত্রটা পুরো বিপরীত। গোপীদের দর্শন মাত্রই বিস্ময়। নির্লিপ্ত নির্বিকার উদাসীন এবং বিরক্ত। পারদ চড়ছে ক্রমে। অবজ্ঞা অবমাননা অপমান। নেপথ্য থেকে সবই দেখছে যোগমায়া, দেখছে প্রকৃতি। কৃষ্ণ-মানসের কী আশ্চর্য বৈপরীত্য! হঠাৎ করেই শুষ্ক সম্বোধন। ‘স্বাগতং বো মহাভাগাঃ’। সৌজন্যসার নিষ্প্রাণ সম্বোধনের পরেই বলছে, ‘‘তোমরা কেন এসেছ? বলো, আমি তোমাদের কী উপকার করতে পারি। ব্রজের কোনও অমঙ্গল হয়েছে কি?’’ ইত্যাদি মামুলি কথায় প্রেমিকাকুল শুধু বিস্মিতই নয়, নৈরাশ্যে শীতল। এ কী ব্যবহার প্রিয়তমের! অন্তর্যামী কৃষ্ণ, মনোবিদ কৃষ্ণ কিন্তু গোপীদের নৈরাশ্যটি ভালোই বুঝেছে। তারপরই বলছে, ‘‘তোমরা তো সুন্দরী যুবতী। তাতে আবার এখন রাত্রিকাল। নির্জন বন, পথঘাট বিপদ সংকুল। আর সবচেয়ে বড় কথা আমি তো একজন পরপুরুষ। তাই বলছিলাম কী, তোমাদের আর এখানে থাকা ঠিক নয়। ব্রজে ঘরে ফিরে যাও।’’
গোপীরা ভেবে কুলকিনারা পায় না। এসব কী শব্দাবলি। পরপুরুষ, ঘরে ফিরে যাও, প্রিয়তমের মুখে এসব কী কথা! এদিকে কৃষ্ণ আরেকটি বাক্যবাণ ছুঁড়ল—‘‘দেখো, আমি তো ব্রহ্মচারী, সবাই জানে লোকনিন্দা বলে তো একটা কথা আছে।’’ এত তীব্র উপেক্ষায় গোপীরা দিশাহারা। আবার বলছে কৃষ্ণ, ‘‘আমার ইচ্ছা ও নির্দেশ যদি তোমরা না মানো, তবে তোমরা থাকো। আমি এখান থেকে চলে যাচ্ছি। পরনারীর সঙ্গে এই নির্জন পরিবেশে থাকতে আমি রাজি নই। লোকনিন্দা লোকভয় আমার তো আছে। তোমরা চলে যাও।’’ ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে গোপিকাদের। উপেক্ষা অপমানে তির বেঁধা হংসী ওরা। তবু সংগ্রামী শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে ছাড়ছে না। ভাবছে, দেখা যাক না, কে হারে কে জেতে।
কোমল কণ্ঠেই বলল গোপীরা, ‘‘প্রাণধন তোমার পাদপদ্মই তো আমাদের সবচেয়ে নিরাপদ ঠাঁই। তবে কেন নিরাপত্তা পরপুরুষ লোকনিন্দার কথা বলছ। এ কী দুঃস্বপ্ন দেখছি আমরা!’’ চোখের জল ঝরিয়ে তারপর বলল, ‘‘না আমরা ঘরে ফিরব না। সর্বস্ব ত্যাগ করে যখন এসেছি, তখন ঘরে আর ফিরব না। বাঁশিতে ডেকে এনে এখন সাধু উপদেশ! তোমার চরণেই নিজেদের সঁপে দেব। এটা আমাদের দৃঢ় সিদ্ধান্ত।’’
কৃষ্ণের মন গলল না। বলছে, ‘‘তোমরা ঘরে গিয়ে পতিসেবা করো। শিশুদের দুগ্ধ পান করাও। জানি তোমরা আমাকে ভালোবাসো। ব্রজের পশুপাখিরাও আমাকে ভালোবাসে।’’ কৃষ্ণের এই যুক্তিতে হার মানল না গোপীকুল। অবাক হচ্ছে বরং। ব্রজের সবার সঙ্গে আমাদের ভালোবাসার উপমা! হায় বিধি। এমনতরো মূল্যায়ন ভালোবাসার! তির ছুঁড়ল আবার কৃষ্ণ—‘‘আমার প্রতি আসক্ত হয়ো না। সতী-ধর্ম নষ্ট কোরো না। আমি তো পরপুরুষ।’’ বজ্রসম এই যুক্তি। অচলা গোপীরা বলছে উত্তরে, ‘‘আমাদের অন্তর তো তুমি নয়। তোমার সেবাই তো আমাদের পতিসেবা। তুমি তো গোপীকান্ত।’’ সঙ্গে সঙ্গে কৃষ্ণের যুক্তি—‘‘পতি ছাড়া অন্য পুরুষে প্রেম খুবই কুৎসিত। স্বর্গপ্রাপ্তির বড় বাধা। এটা ঔপপত্য অপরাধ। ঘরে ফিরে যাও।’’—‘‘না, স্বর্গ চাহি না, পুণ্য চাই না, ঔপপত্য দোষ মানি না।’’ বাণ ফুরোয়নি কৃষ্ণের সহজে। বলছে, ‘‘তাই নাকি! কিন্তু এতে যে ভালোবাসা নেই, সেটা জানো না। আর এতে তো আমিও দোষী হয়ে যাব। তো আমার ক্ষতি করা কি তোমাদের ভালোবাসা? যদি তাই চাও, তবে সেই প্রেম আমি বুঝতে অক্ষম। বরং দূর থেকে আমার ধ্যান করো। কিন্তু অঙ্গস্পর্শে প্রেমকে এবং আমাকে কলঙ্কিত কোরো না। ঘরে গিয়ে গৃহধর্ম করো বরং।’’
যন্ত্রণায় বিদ্ধ হয়েও কৃষ্ণপ্রেমে অবিচল গোপীরা। নিখাদ প্রেম এমনই। রবীন্দ্র ভাবনায় দেখি, ভালোবাসা কারে কয়। তাই তো কবির কথা, ‘‘আরো আরো প্রভু আরো, এমনি করে আমায় মারো।... যা কিছু আছে সব কাড়ো কাড়ো।’ গোপীদের ভালোবাসা কি রবীন্দ্রকথাতে এমনি করেই প্রতিফলিত! সেই প্রতিফলিত আলোর অক্ষরেই দেখতে পাই,‘ও নিঠুর আরো কি বাণ তোমার তুণে আছে। তুমি মনে আমায় মারবে।’ গোপীপ্রেম-কৃষ্ণপ্রেম—উপেক্ষা কেমন যেন রহস্যময় হয়ে উঠছে। তবু আরও গভীরে যাওয়া যাক না।
গোপীদের বিরহ ও অন্তর্বেদনা প্রসঙ্গে একটি দৃষ্টান্তে শ্রীমদ্‌ মহানামব্রত ব্রহ্মচারী কী বলেছেন, সেটা ভাবা যাক। চৈতন্য পারিষদ সনাতন গোস্বামী কৃষ্ণের গোপীদের উদ্দেশে বলা দশটি শ্লোকের ব্যাখ্যা করেছেন। মহানামব্রতজি ভাগবতের ১০ম স্কন্ধের ২য় খণ্ডের ফেলালবে ওই বিশেষ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে বড় অন্তরস্পর্শী ইমেজ সৃষ্টি করেছেন। বলেছেন, ‘‘দশটি শ্লোক নয়, দশটি ইন্ধন—শুষ্ক কাষ্ঠ। তাতে সংযোগ করিয়াছেন ঔদাস্য বহ্নি।’’ অর্থাৎ কৃষ্ণের গোপীদের উদ্দেশে শ্লোক যেন গোপীদের বিরহের আগুনে ইন্ধন জুগিয়েছে। মহানামব্রতজি ফেলালবে আরও বলেছেন ‘করাতিরা যখন করাত দিয়া কাঠ ফাড়ে, তখন আগে কালো রেখা টানিয়া লয়, তারপর সেই দাগে কাটে। গোপীর অঙ্গে কালো রেখা খবর দিতেছিল এখনই কৃষ্ণের বিরহ ক্রকচ (করাত) তাঁহাদের দেহ কাটিয়া খণ্ড খণ্ড করিয়া ফেলিবে।’’ গোপী বিরহের উদাহরণ অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। গোপীরা এই যন্ত্রণা ও কৃষ্ণের উপেক্ষার মধ্যেও বলল, কৃষ্ণচরণে আত্মসমর্পণের কথা। বলল, ‘‘তোমার পদে রাখো আমাদের।’’ কৃষ্ণগত একনিষ্ঠ প্রাণই পারে এমন কথা বলতে। ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিল এই ‘পদে রাখো’ মিনতির কথা। তুমুল যুদ্ধ চলছিল। সুতীব্র উপেক্ষা অবমাননা। কিন্তু বিস্ময়ের এই যুদ্ধাগ্নিতে জল ঢেলে দিল গোপীদের ‘পদে রাখো’ কথাটি। এক মুহূর্তে। অমনি ভক্তের অবিচল প্রেম ভক্তির অন্তহীন নিষ্ঠায় বিগলিত হয়ে গেল যন্ত্রণাদাতা কৃষ্ণ। বলল, ‘‘চলো নিকুঞ্জে যাই। পূর্ণ হবে প্রেম তৃষ্ণা। স্বচ্ছন্দে বিহার করো। যাচ্ঞা করিয়াছ যাহা যাহা, লুটিয়া লও স্বচ্ছন্দে। খুলিয়া দিলাম অন্তরের কপাট।’’ তখন পদ্মপলাশ নয়নে কৃষ্ণের শুধু প্রেম আর করুণা।
কিন্তু, এই যে মিলনের সহৃদয় ডাক, তার আগে এত দীর্ঘকাল বিরহ যন্ত্রণায় গোপীদের দগ্ধ করার কী দরকার ছিল? বংশীধ্বনিতে আহ্বান করে কেন এত আঘাতের পর আঘাত। দরকার ছিল বইকি। কৃষ্ণ প্রেমভক্তির গভীরতার পরীক্ষা নিল যে। তাই পরীক্ষা, তাই বিরহ। বিরহ ছাড়া মিলন অপূর্ণ। রাসলীলার পরিপূর্ণ সর্বাত্মক আস্বাদনের জন্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন বিরহের। আর এটাই ছিল ‘যোগমায়া’র একটি মূল্যবান কৌশল। সেই কৌশলে বিরহ পরীক্ষায় সমর্যাদায় উত্তীর্ণ গোপীগণ। গোপীপ্রেম যে কত নিখাদ, কত গভীর কত পরিপূর্ণ তা সর্বৈব প্রমাণিত হয়ে গেল যোগমায়ার কৌশলাত্মক মহাপরীক্ষায়। কঠিন বেদনার পরীক্ষায় প্রেমের উজ্জ্বল বার্তাটি প্রকাশিত। যার যোগ্যতর উদাহরণ দুর্লভ।
এবার গোপীদের সঙ্গে প্রেমের রাসলীলা শুরু। শ্রীরাধারমণ গোপিকাকান্ত কৃষ্ণচন্দ্র গোপীদের নিবিড় বেষ্টনে প্রেমলীলায় ডুবে গেল। এখন মধুময় প্রেমময় নিকুঞ্জবন। আনন্দলহরীতে বংশীধ্বনি মূর্ছনায় রাসবাসর এবার মুখরিত।

 
11th  November, 2019
পরীক্ষার জন্য এই দীর্ঘ
প্রতীক্ষা তীব্র যন্ত্রণার
হারাধন চৌধুরী

একে লকডাউেনর ডিপ্রেশন, তার উপর এই নিত্য দ্বন্দ্ব। শিক্ষা বিভাগের কর্ণধাররা নিজেদের বুকে হাত রেখে বলতে পারবেন, আজকের পরিস্থিতিতে পড়লে তাঁদের কী দশা হতো? শিক্ষা তো যৌথ তালিকার বিষয়। তাহলে এমন গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর এক্ষেত্রে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের এতটা অভাব ঘটল কী কারণে?
বিশদ

অন্ধকারের অন্তরেতে
অশ্রুবাদল ঝরে
সন্দীপন বিশ্বাস

 আবার একটা স্বাধীনতা দিবসের সামনে দাঁড়িয়ে আছি আমরা। কয়েক দিন পরই সারাদেশ এই করোনার মধ্যেও মেতে উঠবে উন্মাদনায়। পতাকা তোলা, বীর সেনানীদের স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা দিনটি পালন করব। জাতীয়তাবোধের আবেগে রোমাঞ্চিত হব। বিশদ

12th  August, 2020
মোদি সরকারের জাতীয় শিক্ষানীতি
২০২০ কেন বিপজ্জনক

তরুণকান্তি নস্কর

জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার যে ভূমিকা পালন করছে তা নজিরবিহীন। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর তাঁদের মাথায় যে নতুন একটি জাতীয় শিক্ষানীতি প্রবর্তন করার চিন্তা কাজ করছে তা বোঝা যায়। ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকেই নানা কথাবার্তা শোনা যাচ্ছিল।
বিশদ

12th  August, 2020
পরিষেবা আর ব্যবসায়
কিছু ফারাক তো আছে!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলে এসেছেন, বাস বা ট্যাক্সিভাড়া হোক ফ্লেক্সিবল। মানে, তেলের দামের সঙ্গে ভাড়াও ওঠানামা করবে। তখন অবশ্য কেউ তাতে সাড়া দেননি। আর এখন চলছে ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কান্নাকাটি। তাঁরা ভাবছেন না... লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ কর্মহারা।
বিশদ

11th  August, 2020
 ভারতের সাধনা, শাস্ত্র, সংস্কৃতি সবই
শ্রীকৃষ্ণ মহিমায় পুষ্ট, বিকশিত
চৈতন্যময় নন্দ

দেবকীর প্রার্থনায় ভগবান তাঁর ঐশ্বরিকতা সংবরণ করে প্রকৃত শিশুর রূপ ধারণ করলেন এবং বসুদেবকে নির্দেশ দিলেন তাঁকে নিয়ে নন্দগোপের ঘরে রেখে আসতে। এরূপ আদেশ পেয়ে বসুদেব শিশুসন্তানকে স্কন্ধে নিতেই আপনা আপনিই লৌহশৃঙ্খলে আবদ্ধ কপাটের দরজা খুলে গেল।
বিশদ

11th  August, 2020
মনমোহন সিংয়ের পরামর্শও
উপেক্ষা করছে সরকার
পি চিদম্বরম

 ৩ আগস্ট, ২০২০। দ্য হিন্দু। প্রবীণ চক্রবর্তীর সঙ্গে যৌথভাবে ড. মনমোহন সিং একটি নিবন্ধ লিখেছেন। বিষয়: ভারতীয় অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন। তাতে তিনটি অভিমুখ ছিল: সাধারণ মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফেরানো।
বিশদ

10th  August, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির হাত ধরে
সমগ্র স্কুলশিক্ষা কোন দিকে যাচ্ছে
অরিন্দম গুপ্ত

এই প্রথম জাতীয় আয়ের ৬ শতাংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এটি শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দীর্ঘদিনের দাবি। এটি হতে চলেছে। এর চেয়ে স্বস্তি ও আনন্দের খবর আর কী হতে পারে?
বিশদ

10th  August, 2020
রাম রাজনীতির উত্তরাধিকার
হিমাংশু সিংহ

রামমন্দির নির্মাণ শেষ হলে এদেশের গেরুয়া রাজনীতির সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্রটাও কিন্তু রাতারাতি ভোঁতা হতে বাধ্য। যে স্বপ্নকে লালন করে তিন দশক দিনরাত পথচলা, তার প্রাপ্তি যেমন মধুর, তেমনই সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন, এর পর কী? বিশদ

09th  August, 2020
দল বদলের জেরে কুশীলবরাই হয়ে যান পুতুল
তন্ময় মল্লিক

রাজনীতিতে দল বদল খুবই স্বাভাবিক ঘটনা। তবে, যাঁরা দল বদলান, তাঁরা ‘ঘরের ছেলে’র মর্যাদা হারান। গায়ে লেগে যায় ‘সুবিধাবাদী’ তকমা। পরিস্থিতি বলছে, তাতে রাজনীতির কুশীলবরা‌ই হয়ে যান হাতের পুতুল। বিশদ

08th  August, 2020
রামমন্দিরের পর হিন্দুত্ববাদী
রাজনীতি কোন পথে?
সমৃদ্ধ দত্ত

নরেন্দ্র মোদি কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই উচ্চারণ করেছেন একাধিকবার ‘জয় সিয়ারাম’ ধ্বনি? উগ্র হিন্দুত্ব থেকে এবার কি অন্য নতুন এক সমন্বয়ের হিন্দুত্বে ফিরতে চান তিনি? সনাতন ভারতবর্ষ আশা করবে, হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিকে তিনি আগামীদিনে চালিত করবেন সহিষ্ণুতা, বহুত্ববাদ আর ঐক্যের পথে।
বিশদ

07th  August, 2020
ক্রীড়া ও বিনোদন অর্থনীতি:
কী ভাবছে সরকার?
হারাধন চৌধুরী

 ১০০ বছর ধরে মাঠ কাঁপাচ্ছে যে দল, সেই লাল-হলুদ ঝড়ের নাম ইস্টবেঙ্গল। এই স্লোগানের সঙ্গে বাঙালি বহু পরিচিত। গত ১ আগস্ট, ইস্টবেঙ্গলের শতবর্ষ পূর্ণ হল। যে-কোনও ক্ষেত্রে সেঞ্চুরির গরিমা কতটা সবাই জানেন। ক্রীড়ামোদী বাঙালি মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত—ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান।
বিশদ

06th  August, 2020
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

05th  August, 2020
একনজরে
 করোনায় আক্রান্ত রাজস্থান রয়্যালসের ফিল্ডিং কোচ দিশান্ত ইয়াগ্নিক। আপাতত তিনি উদয়পুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন। ...

 চেন্নাইয়ে জন্মেছিলেন দুই বোন। নিজেদের সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের যোগ রাখতে কমলা এবং তাঁর বোন মায়ার ‘সংস্কৃত’ নাম রেখেছিলেন তাঁদের মা। ছোটবেলায় কমলার জীবনের অনেকটা অংশ ...

ওড়িশার সেই লাল গাঁজা এখান থেকে ম্যাটাডর, ছোট গাড়িতে লোড হয়ে চলে যাচ্ছে বিহার, উত্তরপ্রদেশের মতো ভিন রাজ্যে। ...

 পেটে দানাপানি নেই। সঙ্গে দোসর টানা হাঁটার নিদারুণ ক্লান্তি। প্রবল গরমে ফলস্বরূপ রাস্তায় ঘটেছে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা। কিন্তু ঠিক কত পরিযায়ী শ্রমিক এভাবে শয়ে শয়ে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে। শরীর-স্বাস্থ্য ভালোই যাবে। পেশাগত পরিবর্তন ঘটতে পারে। শিল্পী কলাকুশলীদের ক্ষেত্রে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব হাতি দিবস
১৮৪৮: সাহিত্যিক তথা ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র দত্তর জন্ম
১৮৮৮: টেলিভিশনের আবিস্কারক জন বেয়ার্ডের জন্ম
১৮৯৯: ইংরেজ পরিচালক স্যার আলফ্রেড হিচককের জন্ম
১৯১০: আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের মৃত্যু
১৯১১: সমাজসেবিকা ও রাজনীতিবিদ ড.ফুলরেণু গুহর জন্ম
১৯২৬: কিউবার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রোর জন্ম
১৯৩২: পণ্ডিত, সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কৃষ্ণকমল ভট্টাচার্যর মৃত্যু
১৯৩৩: অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালার জন্ম
১৯৩৬: স্বাধীনতা সংগ্রামী ভারতের বিপ্লববাদের জননী হিসাবে পরিচিতা মাদাম কামার মৃত্যু ।
১৯৪৬: ইংরেজ সাহিত্যিক এইচ জি ওয়েলেসের মৃত্যু
১৯৬৩: অভিনেত্রী শ্রীদেবীর জন্ম
১৯৭৫: পাক ক্রিকেটার শোয়েব আখতারের জন্ম
১৯৮৭: অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
২০১৮: রাজনীতিবিদ তথা প্রাক্তন লোকসভার অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৯৪ টাকা ৭৫.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯৫.৭৫ টাকা ৯৯.১৪ টাকা
ইউরো ৮৬.১০ টাকা ৮৯.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৩,৩১০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫০,৫৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫১,৩৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী ১৯/১৬ দিবা ১২/৫৯। রোহিণীনক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৫/১৬/২৬, সূর্যাস্ত ৬/৬/২৩। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৯ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৬/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৪ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। বারবেলা ২/৫৪ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৫ মধ্যে।
২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, নবমী দিবা ৯/৪৫। রোহিণীনক্ষত্র রাত্রি ৩/২৫। সূর্যোদয় ৫/১৫, সূর্যাস্ত ৬/৯। অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৩ গতে ৩/৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১০/২২ গতে ১২/৫২ মধ্যে। কালবেলা ২/৫৬ গতে ৬/৫৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১১/৪২ গতে ১/৬ মধ্যে।
 ২২ জেলহজ্জ।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ে বাড়ির একাংশ ভেঙে মৃত ১, জখম ৪
মুম্বইয়ে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল একটি বাড়ির একাংশ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ...বিশদ

07:38:59 PM

প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নয়া রেকর্ড মোদির
অকংগ্রেসি প্রধানমন্ত্রীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দিন মসনদে থাকার রেকর্ড গড়লেন ...বিশদ

07:34:00 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫,৮৩৫ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫,৮৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

06:51:17 PM

মেডিক্যাল কলেজে ট্রলি থেকে করোনা রোগীর মৃতদেহ আছড়ে পড়ল রাস্তায়
হাসপাতালে ট্রলি করে নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় আছড়ে পড়ল ...বিশদ

05:57:00 PM

করোনা: কোন কোন দেশ বেশি আক্রান্ত? 
করোনায় আক্রান্তের বিচারে তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আমেরিকা। এদেশে করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

03:45:28 PM

জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত এক ব্যবসায়ী 
আজ বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে ছুরিকাহত হলেন এক ব্যবসায়ী। জেলার মণ্ডলঘাট বাজারে ...বিশদ

03:18:52 PM