Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট।
বুড়ো হওয়াতে বড্ড ভয় ছিল ছোটবেলা থেকে। সেটা মরার ভয় যত না, তার চাইতে বেশি ভয় ভীমরতি হবার। এমনিতে ছেলেবেলা থেকেই 'হযবরল' গেঁথে আছে রক্তে আর মস্তিষ্কে। সেখানে উধোবুড়ো আর বুধোবুড়ো একেবারে পরিষ্কার বলছে, তারা বুড়ো হয়ে মরতে চায় না। তাই তাদের বয়স নিয়ন্ত্রণের এক অদ্ভুত ব্যবস্থা। চল্লিশ বছর বয়স হলেই তারা বয়সের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয়। একচল্লিশ, বেয়াল্লিশ না হয়ে তাদের বয়স তখন গড়াতে থাকে ঊনচল্লিশ, আটত্রিশ করে পিছনের দিকে। এমন ভাবে চলে দশ পর্যন্ত। তারপর তা আবার বাড়ে চল্লিশ অবধি, তারপর আবার কমে। এমনি করে পেন্ডুলামের দোলনার মত দশ থেকে চল্লিশের সীমারেখার মধ্যে ওঠাপড়া করতে থাকে বয়স। এবং আপাতভাবে আটকে থাকে চির-যৌবন। আচ্ছা, চল্লিশ কি তাহলে বয়স বাড়ার ক্ষেত্রে একটা বিপদ-সীমা? আর পঞ্চাশ তাহলে কি? পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ, এমন কথা সত্যিই কি শাস্ত্রে বলে?
আর সেই শাস্ত্রকে ধ্রুব মেনেই কি এগনো উচিত? নাকি আজকের দিনে বদলে দিতে হবে সেই সব শাস্ত্রের বিধান? কারণ উধো-বুধো পারলেও আমরা তো আর ঘুরিয়ে দিতে পারব না বয়সের গতিপথ। আমরা তো আর সুকুমারী জগতের বাসিন্দা নই।
নিজেকে সুস্থ আর তরতাজা রাখার জন্য তাই নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন করা প্রয়োজন নিশ্চয়ই। বয়স বাড়লে কমবেশি টুকটাক শারীরবৃত্তীয় সমস্যা দেখা দেওয়াটাই স্বাভাবিক। তার জন্য কিছু ওষুধ-বিষুধ, আর সেই সঙ্গে কিছুটা হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা, ব্যাস। ডাক্তার, বন্ধুবান্ধব, শুভানুধ্যায়ী সকলেরই দেখছি মোটামুটি একই নিদান। পরামর্শ তো ঠিক আছে, কিন্তু করে কে? আমার মত অলস লোক করবে শরীরচর্চা? খুব উৎসাহ নিয়ে একদিন মর্নিং ওয়াক করে তার পরের দিন ঘুম থেকে উঠলাম সাড়ে আটটায়। শেষে আমার এক সিনিয়র সহকর্মীর পরামর্শ পাওয়া গেল। তিনি বললেন, এইসব শরীরচর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে তুমি তোমার বার্দ্ধক্যকেই দীর্ঘায়িত করতে পারবে, যৌবনকে নয়। কথাটা মনে ধরল খুব। থ্যাঙ্কু, দাদা। আমার মত অলস লোকের এমনই একটা অবলম্বন দরকার ছিল।
যাই হোক, আমি তো শতাব্দীর আধখানা পার করার আগেই ঝিমিয়ে পড়েছি। ওদিকে চারদিকে যেন উচ্চস্বরে বার্দ্ধক্যের জয়গান উঠছে। প্রৌঢ় লোকজন জিমে ছুটছে। দৌড়াচ্ছে সকাল বিকেল। যতই হাঁফ ধরুক না কেন। হাহা হিহি করে হেসে যাচ্ছে লাফিং ক্লাবে গিয়ে। চারধারে শুনছি, বয়স নাকি আসলে একটা সংখ্যা মাত্র। তা হবে। তবে সব সংখ্যার যে মাহাত্ম্য সমান, তাই বা কে বলল? আলু আর আলুবখরা কি এক হল? বড় সংখ্যা আর ছোট সংখ্যার ভ্যালু কি এক? জিডিপি ৮ শতাংশ নাকি ৫, তা নিয়ে তবে এত মাথা ঘামানো কেন বাপু? হেড অফিসের বড়বাবু আর পিয়ন তাহলে একই মাইনে পাক আজ থেকে। তবু খুঁজে-পেতে কিছু তথ্য জোগাড় করে ফেললাম। তার জন্য বেশিরভাগ ধন্যবাদটাই অবশ্য গুরু গুগলের পাওনা।
যেমন, এ বছর অনেকেই বোধহয় প্রস্তুত হয়ে ছিল, নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসের কনিষ্ঠতম বিজেতাকে পাবার জন্য। হ্যাঁ, গ্রেটা থুনবার্গ নামে ১৬ বছরের সুইডিশ মেয়েটির কথা বলছি আমি। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের জন্য শান্তির নোবেলটা গ্রেটা পেতে পারে বলে ভেবেছিল সংশ্লিষ্ট অনেকেই। মিডিয়াও বেশ হইচই করেছিল এ বিষয়ে। বাস্তবে কিন্তু হয়নি তেমনটা। পরিবর্তে আমরা পেলাম নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসের বরিষ্ঠতম বিজেতাকে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের অধ্যাপক জন গুডএনাফ। ৯৭ পেরনো এই বিজ্ঞানী এবার নোবেল পেয়েছেন রসায়নে। মজার কথা হল, তিনি রেকর্ড ভেঙেছেন তাঁরই সমবয়সি আর এক বিজ্ঞানীর, আর্থার অ্যাশকিন-এর, যিনি ৯৬ বছর বয়সে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছিলেন মাত্র গত বছরই। নোবেলের দুনিয়ায় সাম্প্রতিক অতীতে তাই বয়সের জয়জয়কার।
একটু তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, অনুপ্রেরণার কোনও অভাব নেই কোথাও। বুড়ো বয়সের দাপট দেখানো কীর্তিরও কমতি নেই একদম। কানাডিয়ান অভিনেতা ক্রিস্টোফার প্লামার যেমন অস্কার পান ৮২ বছর বয়সে। ওদিকে ৭২ বছর বয়সে অলিম্পিক মেডেল পান অস্কার সোয়ান, সেই ১৯২০র এন্টোয়ার্প অলিম্পিকে। জন গ্লেন আবার ৭৭ বছর বয়সে স্পেসে গেলেন। ৬৪ বছর বয়সে ডায়ানা নিয়াড সাঁতরে পারি দেন কিউবা থেকে ফ্লোরিডা এই ১১০ মাইল। ৯২ বছর বয়সে ম্যারাথন দৌড়েছিলেন গ্ল্যডিস বুরিল নামে এক মহিলা। ১০০ বছর বয়সে মাউন্ট ফুজি জয় করেছিলেন টেইচি ইগারাশি নামে এক অভিযাত্রী। ডরোথি ড্যাভেনহিল হির্‌শ উত্তর মেরুতে যান ৮৯ বছর বয়সে। রাজনীতির ক্ষেত্রেও চমক আছে। এই তো গত বছরই, রাজনৈতিক অবসর ভেঙে ফিরে এসে ৯৩ বছর বয়সে আবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হলেন মাহাথির মহম্মদ। অবশ্য এসব কীর্তি নিয়ে বলা যেতেই পারে যে, এগুলির জন্যে দরকার দীর্ঘ দিনের অনুশীলন, অভ্যাস। এসব তাই নেহাতই হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। কিন্তু সব উদ্যোগই যে এ রকম হতে হবে, তেমনটা তো নয়।
সাধারণ মানুষও তো দেখছি বয়স ভুলে এগিয়ে চলেছে জীবনের পথে। এই তো সেদিন খবরে দেখলাম, ত্রিচীর ভারতীদশন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন ৯১ বছরের এক চার্টার্ড অ্যাকান্টেন্ট। বেশ ভালো লাগল। সত্যিই তো। যতদিন বাঁচার, চলার পথটাকে রাঙিয়ে নিয়ে বাঁচার মত করেই তো বাঁচা উচিত।
আমার যেমন কত রকমের ব্যবসায়ের পরিকল্পনা গিজগিজ করে মাথার ভিতরে। কিছুই তো করা হল না জীবনে। পঞ্চাশের কাছে এসে এখন দম ফুরিয়ে যাবার জোগাড়। একটু হাঁটলে হাঁফ ধরে, চোখে চালশে, আর মনের উপরেও যেন ধূসর এক পুরু আস্তরণ। ওদিকে খুঁজে-পেতে দেখি, কর্নেল স্যান্ডার্স নামে থুতনিতে দাড়িওয়ালা এক মার্কিন ভদ্রলোক ৬৫ বছর বয়সে হাতে পান তাঁর প্রথম সোশ্যাল সিকিউরিটির চেক, ৯৯ ডলারের। আর তাই দিয়ে খুলে ফেলেন মুরগি ভাজা বিক্রির এক ব্যবসা। না, আর পাঁচটা চপ-তেলেভাজার দোকানের মত আর একটা দোকান হয়েই থাকে নি কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেনের এই ব্যবসাটা। আজ ১৪১টা দেশে রয়েছে কেএফসি-র উপস্থিতি। ২০১৫-তেই বিশ্বজুড়ে সাড়ে বাইশ হাজারের বেশি তার আউটলেট, আর ২০১৩-তেই আয়ের পরিমাণ ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলার। তাই নড়ে-চড়ে বসার, কিংবা উদ্যোগ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কোনও বয়স হয়তো সত্যিই নেই। এটা হয়তো প্রায় সব কিছুর জন্যেই সত্যি। তাই আমার বোধহয় এখনও সময় আছে।
আন্না মেরি রবার্টসন বিখ্যাত হয়ে আছেন মার্কিন গ্রামীণ জীবনশৈলী নিয়ে তাঁর নস্টালজিক পেন্টিং-এর জন্য। গ্র্যান্ডমা মোজেস নামেই বেশি পরিচিত এই শিল্পী ছবি আঁকা শুরু করেন ৭৮ বছর বয়সে। আহা, আমারও তো এক বয়সে শখ ছিল ছবি আঁকার। আর ৭৮ হতে এখনও ঢের দেরি।
আসলে স্বপ্ন দেখতে তো কোনও আপত্তি নেই। হোক না তা অলীক চিন্তা। যেমন, অল্প বয়সে কখনও মনে হতো, কোনও এক পনেরই আগস্ট লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে পারলে বেশ হতো। কিন্তু সে সব তো দূরের কথা, রাজনীতিই করলাম না কখনও এত বয়সের মধ্যে। অবশ্য রোনাল্ড রেগন যে ৫৫ বছর বয়সে প্রথম রাজনীতিতে ঢোকেন, এটা জেনে খুব আমোদ হল। আর মনমোহন সিং রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন ৫৯ বছরে। আমার তাহলে আশা আছে এখনও!
চায়ের কাপটায় শেষ চুমুকটা দিয়ে বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠলাম। না, একটু নড়েচড়ে বসা যাক। কিছু একটা করতেই হবে। যতদিন টিকবো, বাঁচতে হবে বাঁচার মত করে। সত্যিই তো, এই পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণ একবার পরখ করে দেখতেই পারি। রবি-কবি তো বলেইছেন, ঘরের কোণে বসে পয়সা-কড়ি জমা করা, বিষয়-পত্র দেখা, আর মামলা-মোকদ্দমা চালানোটা বুড়োদের কাজ। আর যুবাদের কাজ হল, কঠিন ব্রতে রত থাকা। মন বলে উঠল, উত্তিষ্ঠত জাগ্রত। সোফায় এলিয়ে পড়া শরীরটাকে তুলে চট্‌ করে উঠে দাঁড়ালাম। হতচ্ছাড়া কোমরের ব্যথাটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করে উঠল। তাকে যোগ্য সঙ্গত দিল হাঁটুর যন্ত্রণাটা। বুকটা ধড়ফড় করতে লাগল, মনে পড়ল হার্টের ওষুধটা খাওয়া হয় নি এখনও। কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে ভাবতে লাগলাম, সোফায় আবার বসে পড়ে আর এক কাপ চা চাইব, নাকি দরজা ঠেলে বাইরে বের হব। খোলা হাওয়ায়, অন্তত একবার...
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
09th  November, 2019
এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর
দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
জয়ন্ত কুশারী
 

এবার মহালয়ার ৩৫ দিন পর দুর্গাপুজো কেন, কী বলছে শাস্ত্র?
‘মা বুঝি চইলাছে কোয়ারেন্টিনে...’ বরেণ্য লোকগীতি শিল্পী অমর পাল জীবিত থাকলে বুঝি এমনটাই গাইতেন। যদিও তিনি গেয়েছিলেন, ‘মা বুঝি কৈলাসে চইলাছে...’ 
মহালয়া থেকে সপ্তমী, দিন পঁয়ত্রিশের এই ব্যবধান পাল্টে দিল এমন একটি গানের লাইন। আসলে মানুষের মুখে মুখে এখন যে ফিরছে এই কথাটি। 
বিশদ

কেন্দ্রের কথার খেলাপ, রাজ্যগুলোর অর্থাভাব
পি চিদম্বরম

কর ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি) একটা ভয়ানক লড়াই হয়ে উঠেছে। যে অর্থনীতিতে পূর্বাহ্নেই দ্রুত পতনের সূচনা হয়েছিল, সেটা যখন মহামারীতে আরও বিধ্বস্ত হল তখন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিরাট বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া উচিত ছিল। 
বিশদ

অর্থনীতিই নয়, ভয়াবহ বিপর্যয় বিদেশনীতিরও
হিমাংশু সিংহ

২০১৪ থেকে ২০২০। মাঝে মাত্র ৬ বছর। দুর্বল না হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী শক্তিশালী একনায়ক হলে রাষ্ট্রের বিপদ কী কী? এই ক’বছরেই তার মোক্ষম উত্তর পেয়ে গিয়েছে দেশ। এমনকী পরিস্থিতি আজ এমন জায়গায় দাঁড়িয়েছে যে, এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সরকারি অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির সঙ্গে নরেন্দ্রনাথ দত্তের তুলনা টানছেন বুক ফুলিয়ে।  
বিশদ

20th  September, 2020
কুকথায় হাততালি জুটলেও
দূরে সরে যায় মানুষ 
তন্ময় মল্লিক

রুটি সেঁকার জন্য তাওয়া গরম করতে হয়। আবার সেই তাওয়া বেশি তেতে গেলে রুটি যায় পুড়ে। তখন খাবারের থালার বদলে রুটির জায়গা হয় ডাস্টবিনে। রাজনীতিতেও তেমনটাই। কর্মীদের চাঙ্গা করার জন্য নেতারা গরম গরম ভাষণ দেন। কিন্তু তা মাত্রা ছাড়ালে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নেয়।  
বিশদ

19th  September, 2020
বাংলার সমাজ ও
রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ
সমৃদ্ধ দত্ত

সেদিন বিকেলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে নিয়ে যাওয়া হবে। কারণ, প্রবল শ্বাসকষ্ট। অক্সিজেন দিলেও কাজ হচ্ছে না তেমন। এইমস ডাক্তাররা বুঝলেন পরিস্থিতি ভালো নয়। অনেকদিন হয়ে গেল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন।   বিশদ

18th  September, 2020
‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর
রূপকার নরেন্দ্র মোদি
যোগী আদিত্যনাথ

রাজা কালস্য কারণম্‌। মহাভারতের ‘শান্তিপর্ব’-এ যুধিষ্ঠিরকে উপদেশ দিতে গিয়ে পিতামহ ভীষ্ম এই কালজয়ী কথাটি বলেছিলেন। কথাটি পিতামহ নিজের লোকদের বলেছিলেন বলে মনে হতে পারে। কিন্তু এর ভিতরে এই ভারতের সবার জন্যই একটি জোরালো বার্তা তিনি রেখে গিয়েছেন।  বিশদ

17th  September, 2020
কাজ দাও, মুলতুবি রাখো
গ্রেট গেরুয়া সার্কাস
হারাধন চৌধুরী

দু’দশক যাবৎ ভারতীয় মিডিয়ায় সার্কাসের এলিজি বা শোকগাথা লেখা হচ্ছে। বেশিরভাগ লেখা ভারী হয়ে উঠছে জোকারদের জন্য সহমর্মিতায়। জোকারের জীবন কঠিন। কেউ শখ করে জোকার হয় না। কারও কারও জীবনখাতায় এই ভবিতব্যই লেখা থাকে।  বিশদ

17th  September, 2020
 কোনও প্রশ্ন নয়, নো কোয়েশ্চেনস!
সন্দীপন বিশ্বাস

 মোদি, অমিত শাহ তথা বিজেপি নেমে পড়েছে বিহার জয়ে। সেখানে অবশ্য নীতীশের হাত ধরে বিজেপিকে ভোট বৈতরণী পার হতে হবে। সেখানে রাজপুত ভোট আর ক্ষত্রিয় ভোট নিজেদের বাক্সে আনতে বিজেপিকে খেলতে হল দু’টি খেলা। একজনকে ডাইনি বানানো হল, অন্যজনকে দেবী বানানো হল।
বিশদ

16th  September, 2020
 সত্যিটা দেখলাম না... দেখানো হল না
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এতকিছুর পরও আমেরিকার অর্থনীতি ধাক্কা খেল না। ট্রাম্প বুঝেছিলেন, ব্যবসাটা তিনি জানেন। করোনা ভাইরাসকে নয়। কাজেই শক্তিশালী অর্থনীতিকে বসিয়ে দেওয়ার মানে হয় না। করোনা আজ না হয় কাল কমবে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বছর লেগে যাবে। বিশদ

15th  September, 2020
ফেসবুক দিয়ে ঘৃণা-বিদ্বেষ
ছড়ালে কার লাভ হয়?

২০১৯। সাধারণ নির্বাচনের আগে একটি কাগজের হেডলাইন ছিল ‘গুগল কি ভারতীয় নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে?’ খবরটা বেরনোমাত্রই ‘গুগল’ অস্বীকার করেছিল। কিন্তু অন্যকিছু সংস্থা টের পায়, গুগলে যেভাবে প্রার্থীদের সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে সেই তথ্য একটু সংশ্লেষণ করলে দ্বিধান্বিত ভোটারদের সহজেই প্রভাবিত করা সম্ভব।
বিশদ

15th  September, 2020
দমনমূলক ফেডারালিজম চলছে
পি চিদম্বরম

এটা পরিষ্কার যে মোদি সরকার এবার তার বিপুল গরিষ্ঠতাকে ব্যবহার করবে। রাজ্যগুলির মতামতের কোনও তোয়াক্কা করবে না। ইচ্ছেমতো সংশোধনী পাশ করিয়ে নেবে। ফেডারালজিমকে আরেকটি ধাক্কা দেবে। ‘এক জাতি, এক সবকিছু’ পরিণামে ‘এক জাতি’কে ধ্বংস করে ছাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
নতুন জাতীয় শিক্ষানীতিতে
স্কুলশিক্ষার সর্বনাশ হবে
প্রদীপকুমার দত্ত

 সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো উন্নত করে শিক্ষাকে সব মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার জন্য যে অর্থের প্রয়োজন তা বরাদ্দের কোনও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এই শিক্ষানীতিতে নেই। বরং এই শিক্ষানীতি শিক্ষার বেসরকারিকরণের পথকেই প্রশস্ত করবে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ধনী-দরিদ্র বৈষম্য আরও বাড়বে।
বিশদ

14th  September, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রানাঘাট: রানাঘাটে জাতীয় সড়কের ধার থেকে চুরি যাওয়া একটি লরি উত্তর ২৪ পরগনা জেলা থেকে উদ্ধার করল পুলিস। বুধবার রাতে পায়রাডাঙায় জাতীয় সড়কের ধারের একটি পেট্রল পাম্পের পাশ থেকে ১২ চাকার ওই লরিটি চুরি যায়।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: রাজ্যের চটকল শ্রমিকদের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের প্রতি এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিশেষ নজর দিতে চলেছে। শ্রমিকদের চাকরির স্থায়িত্ব এই শিল্পের অন্যতম এবং বহু পুরনো সমস্যা হওয়ায় আপাতত তার সমাধানকেই পাখির চোখ করেছে শ্রমদপ্তর।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিইএসসির অফিসার বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করল জোড়াসাঁকো থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোহাম্মদ সুলেমান। বাড়ি তিলজলা এলাকায়। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে সিইএসসির জাল রসিদ।   ...

সংবাদদাতা, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় দলীয় সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সঙ্গে নিতে হবে বিপ্লব মিত্রকে। কলকাতায় বৈঠকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফ থেকে জেলা নেতৃত্বকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সম্পত্তিজনিত মামলা-মোকদ্দমায় জটিলতা বৃদ্ধি। শরীর-স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে। বিদ্যাশিক্ষায় বাধাবিঘ্ন। হঠাকারী সিদ্ধান্তের জন্য আপশোস বাড়তে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস
১৮৬৬: ব্রিটিশ সাংবাদিক, ঐতিহাসিক ও লেখক এইচ জি ওয়েলসের জন্ম
১৯৩৪: জাপানের হনসুতে টাইফুনের তাণ্ডব, মৃত ৩ হাজার ৩৬ জন
১৯৪৭: মার্কিন লেখক স্টিফেন কিংয়ের জন্ম
১৯৭৯: ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার ক্রিস গেইলের জন্ম
১৯৮০: অভিনেত্রী করিনা কাপুর খানের জন্ম
১৯৮১: অভিনেত্রী রিমি সেনের জন্ম
১৯৯৩: সংবিধানকে অস্বীকার করে রাশিয়ায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি করলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন
২০০৭: রিজওয়ানুর রহমানের মৃত্যু
২০১৩: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে ওয়েস্ট গেট শপিং মলে জঙ্গি হামলা, নিহত কমপক্ষে ৬৭



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.৮৯ টাকা ৭৪.৬০ টাকা
পাউন্ড ৯৩.৫৫ টাকা ৯৬.৯১ টাকা
ইউরো ৮৫.১০ টাকা ৮৮.২১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  September, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫২,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৯,৭০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫০,৪৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭৪০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮৪০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  September, 2020

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, পঞ্চমী ৪৫/৩৬ রাত্রি ১১/৪৩। বিশাখানক্ষত্র ৩৮/২১ রাত্রি ৮/৪৯। সূর্যোদয় ৫/২৮/৩৬, সূর্যাস্ত ৫/৩০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা
৭/৪ মধ্যে পুনঃ ৮/৪১ গতে ১১/৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ১১/৬ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে ৩/৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/৩০ গতে ৪/০ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/০ গতে ১১/৩০ মধ্যে।  
৪ আশ্বিন ১৪২৭, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, চতুর্থী দিবা ৭/৩৭ পরে পঞ্চমী শেষরাত্রি ৫/১৭। বিশাখানক্ষত্র রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৫/২৮, সূর্যাস্ত ৫/৩৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ৮/৪১ গতে ১১/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ১০/৫৯ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। কালবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৪/২ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১ গতে ১১/৩১ মধ্যে।  
মোসলেম: ৩ শফর। 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৮ সাংসদকে সাসপেন্ডের তীব্র প্রতিবাদ মমতার 
কৃষি বিল নিয়ে প্রতিবাদে মুখর হওয়ায় ডেরেক ও’ব্রায়ান, দোলা সেন ...বিশদ

12:26:02 PM

অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীকে খুনের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে 
অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিল কিশোরী। তাই নিয়ে বচসা চলাকালীন কাঠের আঘাতে ...বিশদ

12:08:51 PM

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হাঁসখালি থানার এক এসআইয়ের  
রাজ্যে আরও এক পুলিস কর্মীর প্রাণ নিল করোনা। মৃত্যু হল ...বিশদ

12:04:17 PM

আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা রোড বাজারে অভিযান পুলিসের 

11:56:00 AM

গর্ভের সন্তান ছেলে কি না জানতে স্ত্রীর পেট কাটল যুবক, গ্রেপ্তার 
পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতার আরও এক ঘৃণ্য নজির সৃষ্টি করল উত্তরপ্রদেশের বুদানের ...বিশদ

10:40:05 AM

আরও ২ জঙ্গির খোঁজ পেল এনআইএ
ধৃত আল-কায়েদা জঙ্গিদের জেরা করে মুর্শিদাবাদে আরও ২ জঙ্গির খোঁজ ...বিশদ

10:34:45 AM