Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট।
বুড়ো হওয়াতে বড্ড ভয় ছিল ছোটবেলা থেকে। সেটা মরার ভয় যত না, তার চাইতে বেশি ভয় ভীমরতি হবার। এমনিতে ছেলেবেলা থেকেই 'হযবরল' গেঁথে আছে রক্তে আর মস্তিষ্কে। সেখানে উধোবুড়ো আর বুধোবুড়ো একেবারে পরিষ্কার বলছে, তারা বুড়ো হয়ে মরতে চায় না। তাই তাদের বয়স নিয়ন্ত্রণের এক অদ্ভুত ব্যবস্থা। চল্লিশ বছর বয়স হলেই তারা বয়সের গতিপথ ঘুরিয়ে দেয়। একচল্লিশ, বেয়াল্লিশ না হয়ে তাদের বয়স তখন গড়াতে থাকে ঊনচল্লিশ, আটত্রিশ করে পিছনের দিকে। এমন ভাবে চলে দশ পর্যন্ত। তারপর তা আবার বাড়ে চল্লিশ অবধি, তারপর আবার কমে। এমনি করে পেন্ডুলামের দোলনার মত দশ থেকে চল্লিশের সীমারেখার মধ্যে ওঠাপড়া করতে থাকে বয়স। এবং আপাতভাবে আটকে থাকে চির-যৌবন। আচ্ছা, চল্লিশ কি তাহলে বয়স বাড়ার ক্ষেত্রে একটা বিপদ-সীমা? আর পঞ্চাশ তাহলে কি? পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ, এমন কথা সত্যিই কি শাস্ত্রে বলে?
আর সেই শাস্ত্রকে ধ্রুব মেনেই কি এগনো উচিত? নাকি আজকের দিনে বদলে দিতে হবে সেই সব শাস্ত্রের বিধান? কারণ উধো-বুধো পারলেও আমরা তো আর ঘুরিয়ে দিতে পারব না বয়সের গতিপথ। আমরা তো আর সুকুমারী জগতের বাসিন্দা নই।
নিজেকে সুস্থ আর তরতাজা রাখার জন্য তাই নিয়ন্ত্রিত জীবন-যাপন করা প্রয়োজন নিশ্চয়ই। বয়স বাড়লে কমবেশি টুকটাক শারীরবৃত্তীয় সমস্যা দেখা দেওয়াটাই স্বাভাবিক। তার জন্য কিছু ওষুধ-বিষুধ, আর সেই সঙ্গে কিছুটা হাঁটাহাঁটি, শরীরচর্চা, ব্যাস। ডাক্তার, বন্ধুবান্ধব, শুভানুধ্যায়ী সকলেরই দেখছি মোটামুটি একই নিদান। পরামর্শ তো ঠিক আছে, কিন্তু করে কে? আমার মত অলস লোক করবে শরীরচর্চা? খুব উৎসাহ নিয়ে একদিন মর্নিং ওয়াক করে তার পরের দিন ঘুম থেকে উঠলাম সাড়ে আটটায়। শেষে আমার এক সিনিয়র সহকর্মীর পরামর্শ পাওয়া গেল। তিনি বললেন, এইসব শরীরচর্চা ইত্যাদির মাধ্যমে তুমি তোমার বার্দ্ধক্যকেই দীর্ঘায়িত করতে পারবে, যৌবনকে নয়। কথাটা মনে ধরল খুব। থ্যাঙ্কু, দাদা। আমার মত অলস লোকের এমনই একটা অবলম্বন দরকার ছিল।
যাই হোক, আমি তো শতাব্দীর আধখানা পার করার আগেই ঝিমিয়ে পড়েছি। ওদিকে চারদিকে যেন উচ্চস্বরে বার্দ্ধক্যের জয়গান উঠছে। প্রৌঢ় লোকজন জিমে ছুটছে। দৌড়াচ্ছে সকাল বিকেল। যতই হাঁফ ধরুক না কেন। হাহা হিহি করে হেসে যাচ্ছে লাফিং ক্লাবে গিয়ে। চারধারে শুনছি, বয়স নাকি আসলে একটা সংখ্যা মাত্র। তা হবে। তবে সব সংখ্যার যে মাহাত্ম্য সমান, তাই বা কে বলল? আলু আর আলুবখরা কি এক হল? বড় সংখ্যা আর ছোট সংখ্যার ভ্যালু কি এক? জিডিপি ৮ শতাংশ নাকি ৫, তা নিয়ে তবে এত মাথা ঘামানো কেন বাপু? হেড অফিসের বড়বাবু আর পিয়ন তাহলে একই মাইনে পাক আজ থেকে। তবু খুঁজে-পেতে কিছু তথ্য জোগাড় করে ফেললাম। তার জন্য বেশিরভাগ ধন্যবাদটাই অবশ্য গুরু গুগলের পাওনা।
যেমন, এ বছর অনেকেই বোধহয় প্রস্তুত হয়ে ছিল, নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসের কনিষ্ঠতম বিজেতাকে পাবার জন্য। হ্যাঁ, গ্রেটা থুনবার্গ নামে ১৬ বছরের সুইডিশ মেয়েটির কথা বলছি আমি। পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের জন্য শান্তির নোবেলটা গ্রেটা পেতে পারে বলে ভেবেছিল সংশ্লিষ্ট অনেকেই। মিডিয়াও বেশ হইচই করেছিল এ বিষয়ে। বাস্তবে কিন্তু হয়নি তেমনটা। পরিবর্তে আমরা পেলাম নোবেল পুরষ্কারের ইতিহাসের বরিষ্ঠতম বিজেতাকে। তিনি ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিনের অধ্যাপক জন গুডএনাফ। ৯৭ পেরনো এই বিজ্ঞানী এবার নোবেল পেয়েছেন রসায়নে। মজার কথা হল, তিনি রেকর্ড ভেঙেছেন তাঁরই সমবয়সি আর এক বিজ্ঞানীর, আর্থার অ্যাশকিন-এর, যিনি ৯৬ বছর বয়সে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছিলেন মাত্র গত বছরই। নোবেলের দুনিয়ায় সাম্প্রতিক অতীতে তাই বয়সের জয়জয়কার।
একটু তথ্য ঘাঁটলে দেখা যাবে, অনুপ্রেরণার কোনও অভাব নেই কোথাও। বুড়ো বয়সের দাপট দেখানো কীর্তিরও কমতি নেই একদম। কানাডিয়ান অভিনেতা ক্রিস্টোফার প্লামার যেমন অস্কার পান ৮২ বছর বয়সে। ওদিকে ৭২ বছর বয়সে অলিম্পিক মেডেল পান অস্কার সোয়ান, সেই ১৯২০র এন্টোয়ার্প অলিম্পিকে। জন গ্লেন আবার ৭৭ বছর বয়সে স্পেসে গেলেন। ৬৪ বছর বয়সে ডায়ানা নিয়াড সাঁতরে পারি দেন কিউবা থেকে ফ্লোরিডা এই ১১০ মাইল। ৯২ বছর বয়সে ম্যারাথন দৌড়েছিলেন গ্ল্যডিস বুরিল নামে এক মহিলা। ১০০ বছর বয়সে মাউন্ট ফুজি জয় করেছিলেন টেইচি ইগারাশি নামে এক অভিযাত্রী। ডরোথি ড্যাভেনহিল হির্‌শ উত্তর মেরুতে যান ৮৯ বছর বয়সে। রাজনীতির ক্ষেত্রেও চমক আছে। এই তো গত বছরই, রাজনৈতিক অবসর ভেঙে ফিরে এসে ৯৩ বছর বয়সে আবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হলেন মাহাথির মহম্মদ। অবশ্য এসব কীর্তি নিয়ে বলা যেতেই পারে যে, এগুলির জন্যে দরকার দীর্ঘ দিনের অনুশীলন, অভ্যাস। এসব তাই নেহাতই হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়। কিন্তু সব উদ্যোগই যে এ রকম হতে হবে, তেমনটা তো নয়।
সাধারণ মানুষও তো দেখছি বয়স ভুলে এগিয়ে চলেছে জীবনের পথে। এই তো সেদিন খবরে দেখলাম, ত্রিচীর ভারতীদশন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন ৯১ বছরের এক চার্টার্ড অ্যাকান্টেন্ট। বেশ ভালো লাগল। সত্যিই তো। যতদিন বাঁচার, চলার পথটাকে রাঙিয়ে নিয়ে বাঁচার মত করেই তো বাঁচা উচিত।
আমার যেমন কত রকমের ব্যবসায়ের পরিকল্পনা গিজগিজ করে মাথার ভিতরে। কিছুই তো করা হল না জীবনে। পঞ্চাশের কাছে এসে এখন দম ফুরিয়ে যাবার জোগাড়। একটু হাঁটলে হাঁফ ধরে, চোখে চালশে, আর মনের উপরেও যেন ধূসর এক পুরু আস্তরণ। ওদিকে খুঁজে-পেতে দেখি, কর্নেল স্যান্ডার্স নামে থুতনিতে দাড়িওয়ালা এক মার্কিন ভদ্রলোক ৬৫ বছর বয়সে হাতে পান তাঁর প্রথম সোশ্যাল সিকিউরিটির চেক, ৯৯ ডলারের। আর তাই দিয়ে খুলে ফেলেন মুরগি ভাজা বিক্রির এক ব্যবসা। না, আর পাঁচটা চপ-তেলেভাজার দোকানের মত আর একটা দোকান হয়েই থাকে নি কেন্টাকি ফ্রায়েড চিকেনের এই ব্যবসাটা। আজ ১৪১টা দেশে রয়েছে কেএফসি-র উপস্থিতি। ২০১৫-তেই বিশ্বজুড়ে সাড়ে বাইশ হাজারের বেশি তার আউটলেট, আর ২০১৩-তেই আয়ের পরিমাণ ছিল ২৩ বিলিয়ন ডলার। তাই নড়ে-চড়ে বসার, কিংবা উদ্যোগ নিয়ে কিছু একটা শুরু করার কোনও বয়স হয়তো সত্যিই নেই। এটা হয়তো প্রায় সব কিছুর জন্যেই সত্যি। তাই আমার বোধহয় এখনও সময় আছে।
আন্না মেরি রবার্টসন বিখ্যাত হয়ে আছেন মার্কিন গ্রামীণ জীবনশৈলী নিয়ে তাঁর নস্টালজিক পেন্টিং-এর জন্য। গ্র্যান্ডমা মোজেস নামেই বেশি পরিচিত এই শিল্পী ছবি আঁকা শুরু করেন ৭৮ বছর বয়সে। আহা, আমারও তো এক বয়সে শখ ছিল ছবি আঁকার। আর ৭৮ হতে এখনও ঢের দেরি।
আসলে স্বপ্ন দেখতে তো কোনও আপত্তি নেই। হোক না তা অলীক চিন্তা। যেমন, অল্প বয়সে কখনও মনে হতো, কোনও এক পনেরই আগস্ট লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে পারলে বেশ হতো। কিন্তু সে সব তো দূরের কথা, রাজনীতিই করলাম না কখনও এত বয়সের মধ্যে। অবশ্য রোনাল্ড রেগন যে ৫৫ বছর বয়সে প্রথম রাজনীতিতে ঢোকেন, এটা জেনে খুব আমোদ হল। আর মনমোহন সিং রাজনীতির আঙিনায় পা রাখেন ৫৯ বছরে। আমার তাহলে আশা আছে এখনও!
চায়ের কাপটায় শেষ চুমুকটা দিয়ে বেশ উজ্জীবিত হয়ে উঠলাম। না, একটু নড়েচড়ে বসা যাক। কিছু একটা করতেই হবে। যতদিন টিকবো, বাঁচতে হবে বাঁচার মত করে। সত্যিই তো, এই পৃথিবীর রূপ-রস-গন্ধ-বর্ণ একবার পরখ করে দেখতেই পারি। রবি-কবি তো বলেইছেন, ঘরের কোণে বসে পয়সা-কড়ি জমা করা, বিষয়-পত্র দেখা, আর মামলা-মোকদ্দমা চালানোটা বুড়োদের কাজ। আর যুবাদের কাজ হল, কঠিন ব্রতে রত থাকা। মন বলে উঠল, উত্তিষ্ঠত জাগ্রত। সোফায় এলিয়ে পড়া শরীরটাকে তুলে চট্‌ করে উঠে দাঁড়ালাম। হতচ্ছাড়া কোমরের ব্যথাটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করে উঠল। তাকে যোগ্য সঙ্গত দিল হাঁটুর যন্ত্রণাটা। বুকটা ধড়ফড় করতে লাগল, মনে পড়ল হার্টের ওষুধটা খাওয়া হয় নি এখনও। কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে ভাবতে লাগলাম, সোফায় আবার বসে পড়ে আর এক কাপ চা চাইব, নাকি দরজা ঠেলে বাইরে বের হব। খোলা হাওয়ায়, অন্তত একবার...
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
09th  November, 2019
রাজনীতি আর অসভ্যতার
মধ্যবর্তী ফারাক
শান্তনু দত্তগুপ্ত

এবার কুরুক্ষেত্র বাংলার মাটি। আর এখানে পাঁচ পাণ্ডবের একটাই নাম—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে জয় তাদেরই হবে, শ্রীকৃষ্ণ থাকবেন যে পক্ষে। আর ভোটে শ্রীকৃষ্ণের ভূমিকায় কে? বাংলার মানুষ...। বিশদ

‘হুবহু কথাগুলো’য় একটা
বেইমানির ইঙ্গিত 
পি চিদম্বরম

আমাকে ভাবাচ্ছে কথাগুলো কে ‘বলছিলেন’ এই ব্যাপারটা। সরকারের অংশ নয় এমন এক ব্যক্তির (নন-গভর্নমেন্ট পার্সন) উপস্থিতিতে এই কথাগুলো কেন বলা হয়েছিল? ‘প্রোটেক্টেড ইনফর্মেশন’ শেয়ার করার মতলব নিয়েই কি তাঁরা কথাগুলো বলেছিলেন? বিশদ

25th  January, 2021
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

24th  January, 2021
অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
একনজরে
সাধারণতন্ত্র দিবসের আগে রবিবার রাতে দুঃসাহসিক ডাকাতি হল দুর্গাপুরে। রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে নিরাপত্তারক্ষীকে ঘরে বন্দি করে সশস্ত্র ডাকাত ...

উত্তরবঙ্গের বহু বিধানসভা কেন্দ্রে লোকসভা ভোটের লিড ধরে রাখা নিয়ে সংশয়ে পদ্ম শিবির। সম্প্রতি শিলিগুড়ি ও রায়গঞ্জে তাদের যোগদান শিবির কার্যত ফ্লপ হওয়ায় বিজেপির একাংশ এরকমই আশঙ্কা করছে। ...

করোনার টিকা নিয়ে কোনওরকম গুজব ছড়ালে কড়া শাস্তি পেতে হবে। এমনই নিদান দিল কেন্দ্র। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা। চিঠিতে বলা হয়েছে, করোনা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ভিত্তিহীন কিংবা বিভ্রান্তিকর খবর ...

ফুটবলার হিসেবে জিতেছিলেন একাধিক ট্রফি। স্বপ্ন ছিল, চেলসি কোচের পদেও সাফল্যের সেই ধারাবহিকতা বজায় রাখবেন। তবে মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই কোচের পদ থেকে ছাঁটাই হলেন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের ক্ষেত্রে আজকের দিনটা শুভ। কর্মক্ষেত্রে আজ শুভ। শরীর-স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। লটারি, শেয়ার, ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৬৯ - বাঙালি ধর্মসংস্কারক অনুকূলচন্দ্র ঠাকুরের মৃত্যু
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই
২০১৮ - অভিনেত্রী সুপ্রিয়া দেবীর মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.১৬ টাকা ৭৩.৮৭ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৩২ টাকা ১০১.৭৬ টাকা
ইউরো ৮৭.৩১ টাকা ৯০.৪৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী ৪৫/৮ রাত্রি ১২/২৫। মৃগশিরা নক্ষত্র ৪৮/৫৫ রাত্রি ১/৫৬। সূর্যোদয় ৬/২১/৫৮, সূর্যাস্ত ৫/১৬/২। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫৩ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ১১/২২ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৪ গতে ৪/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৭/৪৩ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৭, সোমবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২১, দ্বাদশী রাত্রি ১১/১৮। মৃগশিরা নক্ষত্র ১/২৫। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৮ মধ্যে ও ১০/৪৪ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৪ গতে ৮/৪৯ মধ্যে ও ১১/২৫ গতে ২/৫২ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৩/৯ গতে ৪/৩৮ মধ্যে। কালবেলা ৭/৪৬ গতে ৯/৭ মধ্যে ও ২/৩২ গতে ৩/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১১ গতে ১১/৫০ মধ্যে। 
১১ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
ছুটি
আজ, মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারি দেশের ৭২তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই ঐতিহাসিক ...বিশদ

02:00:00 AM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন শিল্পী নারায়ণ দেবনাথ

25-01-2021 - 10:00:53 PM

পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন মৌমা দাস

25-01-2021 - 09:55:01 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ও চেন্নাই এফসি-র ম্যাচটি ১:১ গোলে ড্র

25-01-2021 - 09:43:06 PM

আইএসএল: মুম্বই সিটি এফসি ১ (২১ মিনিট) -চেন্নাই এফসি ১ (৭৬ মিনিট)

25-01-2021 - 09:24:17 PM

অসুস্থ সমবায় মন্ত্রী  অরূপ রায়কে দেখতে হাসপাতালে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

25-01-2021 - 04:22:06 PM