Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

রুশ বিপ্লবের গৌরবগাথা শুনেই আজকের বাঙালি বড় হয়েছে। জারের অত্যাচার থেকে রাশিয়ার মানুষকে বাঁচানোর জন্য বিপ্লব হয়েছিল কমরেড লেনিনের নেতৃত্বে। আশির দশক পর্যন্ত বাঙালির ঘরে ঘরে ‘সোভিয়েত দেশ’ পত্রিকা আসত। ওইসব পত্রিকায় প্রকাশিত ছবি দেখে আর দেশের বর্ণনা পড়ে মনে হতো পৃথিবীতে যদি স্বর্গ কোথাও থেকে থাকে তো সেটা সোভিয়েত রাশিয়া। আর এই স্বর্গের যিনি নির্মাতা তিনি কমরেড জোসেফ স্তালিন।
১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন ভেঙে গেল কেবল তখনই বাইরের সংবাদমাধ্যম রাশিয়ার ভেতরটা দেখতে পেল। দেখা গেল স্বর্গ তো দূরের কথা, দারিদ্র্য, অপুষ্টি, দুর্নীতিতে জর্জরিত দেশটার অবস্থা নরকের থেকেও খারাপ। ক্ষুধা এতটাই ভীষণ যে একটি ১৭ বছরের মেয়ে একবেলা পেট ভরে খেতে পাওয়ার বিনিময়ে জীবনের সবটুকু দিতেও রাজি আছে! সবকিছুই লুকিয়ে রাখা হতো। চেরনোবিল-এর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভয়ানক ঘটনাও কমিউনিস্ট সরকার প্রথমে লুকাবার চেষ্টা করেছিল।
সোভিয়েতের পতনের পরে ধীরে ধীরে সব সত্য সামনে এসে গেল। এমনকী রুশ গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি’র অতি গোপন ফাইলও সারা পৃথিবীর মানুষ দেখতে পেল। আজকের গবেষণার মাধ্যমে প্রাপ্ত বিস্তৃত বর্ণনা, বৈজ্ঞানিক যুক্তিবোধ এসবের নিরিখে নভেম্বর বিপ্লবের পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন। কেবল কমিউনিজমের প্রতি ভক্তিভাব নিয়ে এই ঐতিহাসিক ঘটনার বিশ্লেষণ করা এক ধরনের ধর্মান্ধতা। আধুনিক যুক্তির আলোকে রুশ বিপ্লবের ঘটনাকে ফিরে দেখা প্রয়োজন।
প্রথমেই বলা দরকার যে, ১৯১৭ সালের নভেম্বর মাসের ৭ তারিখে মস্কোতে জারের শাসনের পতন হয়নি। সে বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই জারের সাম্রাজ্য শেষ হয়ে গিয়েছিল। দেশে একটি গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা শুরু হয়েছিল। একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার, কিয়েরেনস্কির নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা আর দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধরে রাখার জন্য একটি সংসদও গঠিত হয়েছিল, রুশ ভাষায় যাকে ‘ডুমা’ বলা হতো। ৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন। পেত্রোগার্দ, মানে আজকের সেন্ট পিটার্সবাগে ঐতিহাসিক ভাষণ দেন লেনিন।
৫ মে ১৯২০ আরও একটি বিখ্যাত ভাষণ দেন লেনিন। মস্কোর শ্রেদলোফ স্কোয়ারে সেই বক্তৃতাস্তম্ভের ঠিক নীচে দাঁড়িয়েছিলেন লিঁওফ ত্রোৎস্কি। যাঁর আসল নাম ছিল লেভ ডাভিডোভিচ ব্রণস্টেইন। পরে অবশ্য স্তালিন সেই ছবিটিকে বিকৃত করে বিশ্বের দরবারে পেশ করেন। ত্রোৎস্কিকে সরিয়ে সেখানে কয়েকটি কাঠের তক্তা রাখা হয়। সেটা ফটোশপের যুগ ছিল না, তবু রুশ শিল্পীরা ভালোই কাজ করেছিলেন কমরেড স্তালিনের আদেশে। ঐতিহাসিক ওই দিনগুলির কথা বিস্তৃতভাবে লিখেছিলেন এক তরুণ মার্কিন সাংবাদিক জন রিড। ‘দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন’ পুস্তকে ত্রোৎস্কির বীরত্বের কথাই বলা আছে। ১৯১৯ সালে লেনিন এই বইটি প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘পৃথিবীর শ্রমিকদের কাছে এই বইটি পড়ার জন্য আমি সুপারিশ করছি। আমি চাই পৃথিবীর সব ভাষায় এই সত্যনিষ্ঠ বইটির কোটি কোটি কপি ছাপা হোক’। ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর জনের মাত্র ৩৩ বছর বয়সে মৃত্যু হওয়ার পর তাঁকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে ক্রেমলিন ওয়াল নেক্রোপলিস প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়। কিন্তু লেনিনের মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টাতে থাকে। যেহেতু জন রিড তাঁর গ্রন্থে স্তালিনের ভূমিকা বিশেষ বর্ণনা করেননি, তাই খোদ রাশিয়াতেই নিষিদ্ধ হয়ে গেল ‘দুনিয়া কাঁপানো দশ দিন’।
শুরু হল ত্রোৎস্কিকে মুছে ফেলার পালা। ত্রোৎস্কি ১৯১৮ সালের বসন্তে ‘রেড আর্মির’ প্রধান হয়েছিলেন। সেই বীরকেই নিজের দেশ ছেড়ে যেতে হল প্রাণ বাঁচাতে, স্ত্রী আর পুত্রকে নিয়ে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। প্রথমে তুরস্কে, তারপর ফ্রান্সে, এরকম হতে হতে তাঁর শেষ ঠিকানা হয়েছিল মেক্সিকো। কিন্তু ১৯৩৯ সালের শেষের দিকে স্তালিন ত্রোৎস্কিকে মারার জন্য এন কে ভি ডি’র আধিকারিক পাভেল সুডোপলাটভকে নিয়োগ করলেন। তাঁরা মেক্সিকোর স্থানীয় দু-একজন পেশাদার খুনিকেও ভাড়া করেন। ১৯৪০ সালের ২৪ মে এই দল ত্রোৎস্কির বাড়ি আক্রমণ করে, তাঁর ১৪ বছরের নাতিকে গুলি করে আততায়ীরা। সেই বছর ৮ জুন ত্রোৎস্কি লিখলেন, ‘স্তালিন আমার মৃত্যু চান।’ তারপর শেষের সেই দিন এসে গেল। ১৯৪০ সালের ২০ আগস্ট বরফ কাটার কুড়ুল দিয়ে মাথার পিছনে আঘাত করা হল তাঁকে। একদিন পরেই মৃত্যু হল লেনিনের মূল সহযোগী ত্রোৎস্কির, হত্যার মূল যন্ত্রী ছিলেন জোসেফ স্তালিন।
রোমানভ পরিবারের হত্যাকাণ্ডও পৃথিবীর নির্মমতার ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। জার দ্বিতীয় নিকোলাস তো বহুদিন ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। তার পর থেকে ওই পরিবারকে জবাই করতে
আনা পশুর মতো এক স্থান থেকে অন্য স্থানে
নেওয়া হতে থাকে।
পরিবারের সদস্যরা; জার, জারিনা আলেকজান্দ্রা, চার মেয়ে ওলগা, মারিয়া, তাতিয়ানা, আনাস্তাসিয়া, একটি মাত্র ছোট ছেলে অ্যালেক্সি। ইকাটেরিনবুর্গের এক ইঞ্জিনিয়ারকে হত্যা করেছিল বলশেভিকরা। শেষে সেই বাড়িটাতেই রোমানভদের রাখা হয়েছিল। বাড়ির কোনও দরজায় ছিটকানি ছিল না। চার-চারটি প্রাপ্তবয়স্ক মেয়েকে নিয়ে জারিনার জীবন মৃত্যুর সমান হয়ে গিয়েছিলেন। বাইরের যে কোনও লোক তাঁদের শয়ন কক্ষে, স্নানঘরে ঢুকে পড়ত। এত অত্যাচার করেও ওই পরিবারের সদস্যদের নিস্তার দেওয়া হয়নি। ১৯১৮ সালের ১৭ জুলাই ওই পরিবারের সব সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়। দুটি মেয়ে গুলি লাগার পরেও নড়ছিল। তাই বলশেভিকরা তাদের বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।
ইউরোভস্কি নামে চেকার এক অফিসার এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনিই জারকে এক লাইনের বিচার শুনিয়েছিলেন, ‘নিকোলাই আলেকজান্দ্রোভিচ, যেহেতু তোমার আত্মীয়রা এখনও সোভিয়েত রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তাই ইউরাল এক্সিকিউটিভ কমিটি তোমাদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’ জার বাচ্চাদের দেখছিলেন, একবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী? কী বললে?’ ইউরোভস্কি ঝটপট রায়টি আরেকবার পড়েই নিজের কোল্ট রিভলভার বের করে গুলি চালানো শুরু করলেন। মারিয়া, ওলগা পালানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মিলিটারি অফিসার পিটার ইরমাকভের বন্দুক গর্জে উঠল। এই হত্যাকাণ্ডের বিস্তৃত বর্ণনা ইউরোভস্কি শ্রদ্ধাভরে মস্কোতে পাঠিয়েছিলেন।
এতকিছুর পরেও যে শাসন ব্যবস্থা রাশিয়াতে এসেছিল, তা যে কত নিষ্ঠুর ছিল সেটাও আলোচনা প্রয়োজন। সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেতরে মানুষ কেমন ছিলেন? সে স্বপ্নের কথা শুনে বাংলার দুই প্রজন্ম বড় হয়েছে। সেই শ্রেণীহীন সমাজ বা সমগ্র সমাজে শ্রেণীচেতনার বিকাশ কেমন হয়েছিল? ১৯৯১ সালে সাত দশকের সোভিয়েত শাসনের পরে যখন ইউনিয়ন ভেঙে গেল তখন তার থেকে চারটি ইসলামিক রাষ্ট্র আজারবাইজান, তুর্কমেনিস্তান, কাজাকিস্তান আর উজবেকিস্তানের জন্ম হয়েছে। এত বছরের কমিউনিস্ট শাসনেও এইসব জায়গায় একবিন্দুও শ্রেণীচেতনা বাড়েনি আর মৌলবাদের প্রভাবও কমেনি।
কমিউনিস্ট শাসকরা এক একটি প্রাচীন জাতির উপর নিজেদের মত চাপিয়েছিলেন। যেসব জনগোষ্ঠী তা মানতে চায়নি তাদের উপর নির্দয় অত্যাচার নেমে এসেছে। এই রকম শত শত মর্মন্তুদ ঘটনার মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ছিল ইউক্রেনের ‘হলোডোমার’। হলোডোমার অপারেশন স্তালিন চালিয়েছিলেন ১৯৩১-৩২ সালে। কেবল খাদ্যশস্য বন্ধ করে দিয়ে স্তালিন এক বছরের কিছু বেশি সময় প্রায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার সাধারণ ইউক্রেনবাসীকে হত্যা করেছিলেন।
যতদিন পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের অস্তিত্ব ছিল ততদিন সারা পৃথিবীতে কমিউনিজমের নামে এই নিষ্ঠুরতাকে নির্লজ্জভাবে চালানো হয়েছে। শিক্ষিত রুচিশীল বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একাংশ বৃহত্তর মানবিক স্বার্থের নামে এইসব অমানবিক কাজের সমর্থন করতেন। ডুমা সদস্যদের হত্যা এক অর্থে গণতন্ত্রের হত্যাই ছিল। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সমাপ্তি না ঘটালে সর্বহারার একনায়কতন্ত্র সম্ভব নয়। তাই গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে যারাই যুক্ত, তাদেরকে শেষ করলেই বিশ্বজুড়ে যৌথ খামার হবে। এই আকাশকুসুম কল্পনাতে লক্ষ লক্ষ নিরীহ মানুষের প্রাণ গেছে।
এই বছরই এপ্রিল মাসে ওড়িশার কান্দামাল জেলায় লোকসভা ভোটের সময় সংযুক্তা দিগলের হত্যায় আবার এক প্রশ্ন সামনে উঠে এল। ৩১ বছরের তফসিলি জাতির দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সংযুক্তা ছিলেন প্রথম প্রজন্মের শিক্ষিত। সরকারি আধিকারিকের চাকরি পেয়েছিলেন নিজের যোগ্যতায়। গত বছরই বিয়ে হয়েছিল সংযুক্তার। কিন্তু অতিবিপ্লবীরা ভোট নিতে যাওয়ার অপরাধে তাঁর সব স্বপ্ন শেষ করে দিল। নভেম্বর বিপ্লবের শতবর্ষে ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে’ ডেভিড স্যাটারের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল, ‘হান্ড্রেড ইয়ার্স অফ কমিউনিজম অ্যান্ড হান্ড্রেড মিলিয়ন ডেড’। লেখায় উঠে এসেছে গত ১০০ বছরে বিপ্লবের নামে কীভাবে ১০ কোটি মানুষের প্রাণ গিয়েছে।
এই তালিকায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন বা কান্দামালের সংযুক্তা দিগলের মতো নিরপরাধ মানুষের নামও যুক্ত হওয়া উচিত। ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লবের দিবস সেই সব মানুষের বলিদানেরও স্মরণের দিন।
 লেখক কলকাতায় সাহা ইনস্টিটিউট অফ
নিউক্লিয়ার ফিজিক্স-এ কর্মরত।
07th  November, 2019
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: উম-পুনে ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক মানুষ ও স্বসহায়ক দলগুলিকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হাঁস ও মুরগির বাচ্চা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের এক মাসের খাবারও কিনে দেবে ...

  ওয়াশিংটন: ভুয়ো লাইসেন্সধারী পাইলটদের উপর বিশ্বাস নেই। ইউরোপের পর এবার আমেরিকাতেও নিষিদ্ধ হল পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স (পিআইএ)। ...

সুমন তেওয়ারি  আসানসোল: করোনার দাপটের মধ্যেই এবার ডেঙ্গু হানা দিল পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল, দুর্গাপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এখনও ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,২২০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৩৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
12th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কর্ণাটকে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২,৬২৭
কর্ণাটকে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২,৬২৭ জনের শরীরে ...বিশদ

12-07-2020 - 08:57:56 PM

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩০ হাজার ছাড়াল
রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ৩০ হাজার ছাড়াল। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় ...বিশদ

12-07-2020 - 07:28:42 PM

কেরালায় একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪৩৫ 
কেরালায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ৪ ...বিশদ

12-07-2020 - 06:54:11 PM

২৪ ঘণ্টায় নয়াদিল্লিতে করোনায় আক্রান্ত ১,৫৭৩
২৪ ঘণ্টায় নয়াদিল্লিতে নতুন করে আরও ১,৫৭৩ জনের শরীরে মিলল ...বিশদ

12-07-2020 - 06:47:29 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,২৪৪ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ২৪৪ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

12-07-2020 - 06:41:48 PM

বিহারে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,২৬৬ 
বিহারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৬৬ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

12-07-2020 - 04:47:18 PM