Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। শিব প্রথমে অসুরের রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন।
অসুর লিখেছেন, ‘বাবা, আমি মুখ্যুসুখ্যু সাধারণ মানুষ। খুব বেশি কিছু বুঝি না। তবে মনে হল, এক সাংঘাতিক সময় আসতিসে। দ্যাশের মানুষের আর দ্যাশ বলে কিছু থাকবে নি। এক কলমের খোঁচায় সব অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাবে। সবার মধ্যে দেকতে পাচ্ছি এনআরসি আতঙ্ক। শুনলাম ওখানে নাকি বড় বড় খাঁচা বানাচ্ছে। সেখানে মানুষকে পুরে রাখবে। ডিটিনশন ক্যাম্প নাকি কী যেন বলছিল সব। ওরাই বলছিল, কে যেন এক হিটলার অমনই এক ক্যাম্প বানিয়েছেল। আমি তো ছোটজাত। অসুর। লোকে ঘেন্না করে আমায়। জানি না, সামনের বছর আর আমাকে মায়ের বাপের বাড়ি ঢুকতে দেবে কিনা! কে জানে হয়তো ওই ডিটিনশন ক্যাম্পেই আটকে রেখে দেবে। বড় ভয় বাবা, বড় ভয়!’
অসুরের রিপোর্ট পড়ে শিব চিন্তায় পড়লেন। ভাবলেন নন্দী-ভৃঙ্গী যুগলকে একবার মর্ত্যে পাঠিয়ে ডিটেলস রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন।
পরের রিপোর্ট গণেশের। পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘বাবা, বিশ্বকর্মাকাকু ফিরে এসে বলেছিলেন, দেশের সর্বত্রই শিল্পের দফারফা চলছে। চাঙ্গা একমাত্র চৌর্যশিল্প। যে যেখানে পারছে হাত মেরে কামাচ্ছে। তবে অধিকাংশ রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ী এ ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত। দুজনে লতায় পাতায় একেবারে মাসতুতো ভাই। এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ। প্রায় সর্বত্র লুটেপুটে খাওয়ার চিহ্ন স্পষ্ট। আমি গিয়ে সেটাই দেখলাম। ব্যাঙ্ক থেকে ব্যবসার জন্য টাকা নিয়ে গণেশ উল্টে সবাই বিদেশে পালাচ্ছে। এই ‘গণেশ ওল্টানো’ শব্দটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ওটা যে আমার কাছে কতটা অপমানজনক তা বলে বোঝাতে পারব না। ইচ্ছে করে সব ক’টাকে শুঁড়ে জড়িয়ে আছাড় মারি। এর সঙ্গে এবার যে মহা ঝামেলার ব্যাপার দেখলাম তা হল রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ব্রিজের টলোমলো অবস্থা। সর্বত্র একটা আতঙ্ক। এই বুঝি ভেঙে পড়ল। ঘরপোড়া গোরু তো সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাবেই। ’
রিপোর্ট পড়ে শিব একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। একবার বিশ্বকর্মাকে পাঠাতে হবে। সব ব্রিজের একটা তদন্ত রিপোর্ট অবিলম্বে তাঁর চাই।
পরের মেলটা সরস্বতীর। খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একটা কথা বলতেই হয়। সেটা হল শিক্ষার দৈন্যদশা সর্বত্র চলছে। শিক্ষার থেকে রেজাল্ট বড়। ভালো রেজাল্ট করার জন্য যা চলছে তা মোটেই কাম্য নয়। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বইয়ের ব্যাগ বইতে বইতে পিঠের শিরদাঁড়া বেঁকে যাওয়ার জোগাড়। আবার দেখলাম বহু পণ্ডিত পুরাণ, শাস্ত্রকে ইতিহাস আর বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ তো সমস্ত ওষুধের বিকল্প হিসাবে গোময় এবং গোমূত্রকে চালানোর পক্ষে সওয়াল করছেন। সব ঘেঁটে ঘ হয়ে যাচ্ছে। ওদিকে আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিন্য নিয়ে গর্ব করার মতো দিন ছিল আমাদের। সেই কৌলিন্য যেন ধুলোয় লুটিয়ে যেতে বসেছে। শিক্ষাঙ্গনে যা যা হচ্ছে তা আমি তোমাকে সব বলতে পারব না। রাজ্যের মানুষ তা জানে। রাজনীতি এক জিনিস, কিন্তু নোংরামি অন্য। শিক্ষার দেবী হয়ে লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাওয়ার জোগাড়। আমি শুধু বলতে পারি এই অশিক্ষার পরিবেশ অবিলম্বে দূর করা দরকার। সব থেকে ভালো হয়, যদি তুমি কাউকে আলাদা পাঠিয়ে একটা ডিটেলস রিপোর্ট তৈরি করাও।’
শিব ভাবলেন, সেটা করা দরকার। নিজের মনেই বললেন, একবার অশ্বিনীকুমার ভাইদের পাঠাবো ভাবছি।
এবার তিনি কার্তিকের পাঠানো রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন। ‘এবার ঘুরে এসে থেকে একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঘুরছে। শুনে এলাম কেন্দ্রীয় সরকার সব নাকি বেসরকারি হাতে বেচে দেবে। রেল, ব্যাঙ্ক, বিমা, বিমান আরও অনেক কিছু। আমি ঠিক করেছি, সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেচলেই আমি কিনে নেব। শুনলাম রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স নাকি লাইনে আছে। ঘোষণা হলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। পুরো দেশের প্রতিরক্ষা আমিই চালাব। আর মাঝে মাঝে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করব। লোকে আমার নামে ধন্য ধন্য করবে। তবে একটা কথা আমার মনে হয়েছে, যত টাকার অস্ত্র কেনা হয়, তার বড় অংশ যদি দেশের স্বাস্থ্য খাতে আর পরিবেশ খাতে ব্যয় করা যেত, তবে দেশটা অন্যরকম হত।’
শিব পড়ে মুচকি হাসলেন। নিজের মনেই বললেন, প্রতিরক্ষা শক্তি তো বাড়াতেই হবে। অস্ত্র কেনাটা সব সরকারেরই একটা অভ্যাস। সব ডিলই মোক্ষম ডিল। তাই অস্ত্র কেনাটা জরুরি কর্তব্য।
পরের ই-মেল লক্ষ্মীর। শিব পড়তে শুরু করলেন। ‘সব দেখলাম ভাঁড়ে মা ভবানী। রাজকোষ বাড়ন্ত। সরকার আর্থিক দুর্বলতার কথা স্বীকার না করলেও দেশের মানুষ সব জানে। ফেসবুকে ফেসবুকে এনিয়ে কত যে ব্যঙ্গ, মিম চলছে তা বলে বোঝানো যাবে না। আর সরকার বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছে, আর্থিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী এবং আর্থিক অগ্রগতি বোঁ বোঁ করে ছুটছে। সরকার বলছে, দেশে নোট বদলের প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। সরকারের এখন সবথেকে বড় মাথাব্যথা হল, আর্থিক ক্ষেত্রটাকে মসৃণ রাখা। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। যেসব নিয়মনীতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে অনেকেই অসন্তুষ্ট। কিন্তু শুধু সংখ্যার জোরে সরকার অনেক কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। বিরোধী বলে কিছু নেই। তাই পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছে।’
শিব বললেন, ‘যে দেশটা স্বাধীনতার পর থেকেই আকণ্ঠ দুনীর্তিতে ডুবে আছে, তার পরিণতি তো এমনই হবে। দুনীর্তিই হল দেশের মূল শত্রু।’
এবার দুর্গার ই-মেল খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একদিন আমি অসুর মেরে সমস্ত স্বর্গলোককে রক্ষা করেছিলাম। কিন্তু বারবার বাপের বাড়ি গিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ফিরে আসি, তাতে মনে হয়, আমি ব্যর্থ। কিছুই করতে পারলাম না। কত অসুর যে মর্ত্যলোকে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে, আমি দেখেও কিছু করতে পারি না।
একটা সাজানো অসুরকে আমি প্রতি বছর বধ করে দেশের মানুষের পূজিত হই। অথচ সমাজে কত অসুরের দল বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি দেখেছি অনেক রাজনৈতিক অসুর। তারা সমাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা মেয়েদের মর্যাদা দেয় না। রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে বলী হয়ে কোনও মেয়েকে ধর্ষণ করে। পুলিস অভিযোগ নেয় না। উল্টে তাদের বাড়ি গিয়ে শাসায়। সাক্ষীকে মাঝপথে ট্রাক চালিয়ে পিষে মেরে ফেলে। ধর্ষণ, পীড়ন চৌর্যবৃত্তির পর তাদের আত্মরক্ষার বর্ম হল রাজনীতি। ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের মধ্যেও এইসব অসুরকে আমি দেখেছি। আবার শিক্ষক অসুরও আছে। কন্যাসম ছাত্রীদের তারা শ্লীলতাহানি করে। এতটুকু বিবেক, মানবিকতা তাদের নেই। তাছাড়া প্রোমোটার অসুর, ডাক্তার অসুর, আইনজীবী অসুরদেরও আমি দেখেছি। এসব দেখে খুব হতাশ লাগে। অসুর আমার পায়ের কাছে বসে বলে, মা সব দেখছো তো? আমি বলি, সব দেখছি বাবা। কিছু করা যাবে না। যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের ধ্বংস হতে সময় লাগবে। তাছাড়া এখন চারিদিকে মানবাধিকার কর্মীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবাই আমাকে ফাঁসিয়ে দেবে। তোদের সময় মানবাধিকার ব্যাপারটা ছিল না বলেই তোকে বধ করতে পেরেছি। নাহলে তুইও বেঁচে যেতিস। অসুর আমায় বলেছিল, আমি তো বেঁচে আছি মা। তুমি তো আমাকে মারতে পারনি। রক্তবীজের মতো আমি মানুষের মধ্যে বেঁচে আছি। ক্ষমতায়, বাহুবলে, হিংসায়, লোভে, কামনায়, প্রবৃত্তিতে, লুণ্ঠন মানসিকতায়, পাপবোধে, আগ্রাসনে। আমরা মানুষের সব শুভবোধকে শেষ করে দেব। এই পৃথিবীকে করে তুলব অসুরদের বাসভূমি। তাই শুনে আমি বলেছি, তা আমি হতে দেব না। সুযোগ হলেই আমি তোদের বিনাশ করব। চণ্ডীর সইে শ্লোকটা জানিস তো! ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি / তদাতদাবতীর্য্যাহং করিষ্যামি অরিসংক্ষয়ম। আসুরিক অত্যাচারে এই ধরা পীড়িত হয়ে উঠলে আমি আবির্ভূত হয়ে সেই অসুরিক শক্তিকে বিনাশ করব। অসুরদের দমন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি আসবই।’
শিব অস্ফুটে বললেন, ‘তুমিই পারবে দুর্গা। নারীশক্তি যখন অপমানিত হয়, তখনই তো শুরু হয় ধ্বংসের খেলা। আমি সেই ধ্বংসের ছবি মানস চক্ষে দেখতে পাচ্ছি।’
 কার্টুন সুব্রত মাজী 
04th  November, 2019
সবচেয়ে ভালোর জন্য আশা করে সবচেয়ে খারাপের জন্য প্রস্তুতি
পি চিদম্বরম

আর একটি বছর শুরু হল, আর একটি বাজেট পেশের অপেক্ষা, এবং এটি ভারতীয় অর্থনীতির আর একটি গুরুতর বছর। ২০১৬-১৭ সাল থেকে প্রতিটি বছর আমাদের জন্য অনেক বিস্ময় এবং ব্যথা নিয়ে এসেছে। ২০১৬-১৭ গিয়েছে সর্বনাশা নোটবন্দির বছর। ত্রুটিপূর্ণ জিএসটি এবং সেটা তড়িঘড়ি রূপায়ণের বছর গিয়েছে ২০১৭-১৮।  বিশদ

সংবিধান ও গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হলে ভারতের আত্মাও বিপন্ন হতে বাধ্য
হিমাংশু সিংহ

১৫ আগস্ট যদি দেশের জন্মদিন হয়, তাহলে ২৬ জানুয়ারি হচ্ছে কোন মতাদর্শ ও আইন মেনে কীসের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, তার লিখিত বয়ান চূড়ান্ত করার বর্ণাঢ্য উদযাপনের শুভ মুহূর্ত। নবজাতক শিশু স্কুলে ভর্তি হলে একটা নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে ধীরে ধীরে পরিণত হয়। 
বিশদ

১৬০০ কোটি টাকায় কী হতে পারে?
মৃণালকান্তি দাস

শুধুমাত্র অসমে এনআরসি প্রক্রিয়া করতে গিয়েই সরকার খরচ করে ফেলেছে ১৬০০ কোটি টাকা! এত টাকা কীভাবে খরচ হল সেটা খতিয়ে দেখতে দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তের। শুধু তাই-ই নয়, এই এনআরসি করতে বিপুল আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন অসমের বিজেপি নেতা তথা অর্থমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেই দুর্নীতির কথা ধরা পড়েছে ক্যাগের প্রতিবেদনেও। এনআরসির মুখ্য সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলাকে মধ্যপ্রদেশে বদলি করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। মুখ লুকোনোর জায়গা পাচ্ছে না বিজেপি।
বিশদ

25th  January, 2020
মুখ হয়ে ওঠার নিরন্তর প্রয়াস
তন্ময় মল্লিক

কথায় আছে, মুখ হচ্ছে মনের আয়না। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সুন্দর মুখের জয় সর্বত্র। তাই অনেকেরই ধারণা, সাফল্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ উপাদানই হল মুখ। রাজনীতিতেও সেই মুখের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে রাজনীতিতে সৌন্দর্য অপেক্ষা অধিকতর প্রাধান্য পেয়ে থাকে মুখের কথা, ভাষাও।  
বিশদ

25th  January, 2020
নিরপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনার অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 আজকাল একটি বিশেষ শ্রেণীর কাছে দুটি শব্দ খুব অপছন্দের। সেকুলার এবং ইন্টেলেকচুয়াল। ওই লোকটিকে আমার পছন্দ নয়, কারণ লোকটি সেকুলার। ওই মানুষটি আসলে সুবিধাবাদী এবং খারাপ, কারণ তিনি ইন্টেলেকচুয়াল। সমাজের এই অংশের উচ্চকিত তর্জন গর্জন হাসি ঠাট্টা কটাক্ষ শুনলে মনে হবে, সেকুলার হওয়া বোধহয় সাংঘাতিক অপরাধ। বিশদ

24th  January, 2020
বাজেটের কোনও অঙ্কই মিলছে না, আসন্ন বাজেটে বৃদ্ধিতে গতি ফিরবে কীভাবে?
দেবনারায়ণ সরকার

বস্তুত, বর্তমান অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির চিত্র যথেষ্ট বিবর্ণ। সমৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে ৫ শতাংশে নামার ইঙ্গিত, যা ১১ বছরে সর্বনিম্ন। মুদ্রাস্ফীতি গত ৩ বছরে সর্বাধিক। শিল্পে সমৃদ্ধির হার ৮ বছরে সর্বনিম্ন। পরিকাঠামো শিল্পে বৃদ্ধির হার ১৪ বছরে সর্বনিম্ন। বিদ্যুতের চাহিদা ১২ বছরে সর্বনিম্ন। বেসরকারি লগ্নি ১৬ বছরে সর্বনিম্ন। চাহিদা কমায় বাজারে ব্যাঙ্ক লগ্নি কমেছে, যা গত ৫৮ বছরে সর্বনিম্ন। রপ্তানিও যথেষ্ট ধাক্কা খাওয়ার ইঙ্গিত বর্তমান বছরে। এর উপর ভারতে বেকারত্বের হার গত ৪৫ বছরে সর্বনিম্ন।
বিশদ

24th  January, 2020
ক্ষমা করো সুভাষ
জয়ন্ত চৌধুরী

মুক্তিপথের অগ্রদূত তিনি। অখণ্ড ভারত সাধনার নিভৃত পথিক সুভাষচন্দ্রের বৈপ্লবিক অভিঘাত বাধ্য করেছিল দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তরের পটভূমি রচনা করতে। দেশি বিদেশি নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের লেখনীতে আজাদ হিন্দের অসামান্য আত্মত্যাগ স্বীকৃত হয়েছে। সর্বাধিনায়কের হঠাৎ হারিয়ে যাবার বেদনা তাঁর জন্মদিনেই বড় বেশি স্পর্শ করে যায়।  
বিশদ

23rd  January, 2020
স্বামীজি, বিশ্বকবি ও নেতাজির খিচুড়ি-বিলাস
বিকাশ মুখোপাধ্যায়

মঙ্গলকাব্য থেকে কাহিনীটা এভাবে শুরু করা যেতে পারে।
সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই মা দুর্গা নন্দিকে তলব করেছেন, যাও ডাব পেড়ে নিয়ে এসো।
নন্দির তখনও গতরাতের গাঁজার খোঁয়ার ভাঙেনি। কোনওরকমে জড়ানো স্বরে বলল, ‘এত্তো সকালে মা?’  বিশদ

23rd  January, 2020
‘যে আপনকে পর করে...’
শান্তনু দত্তগুপ্ত

মহাত্মা গান্ধী একটা কথা বলতেন, মনপ্রাণ দিয়ে দেশের সেবা যিনি করেন, তিনিই সত্যিকারের নাগরিক। নাগরিক কাহারে কয়? বা নাগরিক কয় প্রকার ও কী কী? এই জাতীয় প্রশ্ন এখন দেশে সবচেয়ে বেশি চর্চিত। সবাই নিজেকে প্রমাণে ব্যস্ত। ভালো নাগরিক হওয়ার চেষ্টাচরিত্র নয়, নাগরিক হতে পারলেই হল। তার জন্য কাগজ লাগবে। এক টুকরো কাগজ প্রমাণ করবে, আপনি আমি ভারতের বাসিন্দা।   বিশদ

21st  January, 2020
আইন ও বাস্তব
পি চিদম্বরম

আপনি যখন এই লেখা পড়ছেন তখন ইন্টারনেট, আন্দোলন, জনসমাবেশ, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, ভাষণ ও লেখালেখি এবং কাশ্মীর উপত্যকার পর্যটকদের উপর নিয়ন্ত্রণ জারি রয়েছে। কোনোরকম ‘চার্জ’ ছাড়াই রাজনৈতিক নেতাদের হেপাজতবাসও চলছে যথারীতি। সুতরাং প্রশ্ন উঠছে—আদালতের রায়ের পরেও বাস্তবে কিছু পরিবর্তন হয়েছে কি?
বিশদ

20th  January, 2020
নেতাজি—আঁধারপথে অনন্ত আলোর দীপ্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

স্বাধীনতার পর অতিক্রান্ত বাহাত্তর বছর। কিন্তু আজও যেন তার নাবালকত্ব ঘুচল না। আসলে দেশের যাঁরা হাল ধরেন, তাঁরাই যদি নাবালকের মতো আচরণ করেন, তাহলে দেশও নাবালকই থেকে যায়। এই নাবালকত্ব আসলে এক ধরনের অযোগ্যতা। সেই অযোগ্যতার পথ ধরেই দেশ ডুবে আছে অসংখ্য সঙ্কটে। দুর্নীতিই হল সেই সঙ্কটের মধ্যমণি।  
বিশদ

20th  January, 2020
মানুষকে সঙ্কটে ফেলা ছাড়া নোটবাতিলের
আর কোনও উদ্দেশ্যই সফল হয়নি 
হিমাংশু সিংহ

আর-একটা সাধারণ বাজেট পেশ হতে চলেছে দু’সপ্তাহের মধ্যে। নিঃসন্দেহে এবারের বাজেটের প্রধান লক্ষ্য, বেনজির আর্থিক মন্দার মোকাবিলা করা, নতুন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা এবং একইসঙ্গে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে চাঙ্গা করা। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি ছাতির নরেন্দ্র মোদি যতই নিজের ঢাক পেটান না কেন, দেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে ভয়ঙ্কর সঙ্কটে জর্জরিত। 
বিশদ

19th  January, 2020
একনজরে
 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: যেসব শর্তে জলজীবন মিশন শুরু করতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার, তাতে আপত্তি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। এদিকে, কেন জলজীবন মিশন, তা বোঝাতে কেন্দ্রীয় সরকারের জলশক্তি মন্ত্রকের একটি বড় টিম রাজ্যে আসতে চাইছে। ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সিনিয়র অফিসারদের ওই টিম ...

 নয়াদিল্লি, ২৫ জানুয়ারি (পিটিআই): জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে শনিবার দেশের মানুষকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি কৃতজ্ঞতা জানালেন নির্বাচন কমিশনের প্রতি। নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে আরও প্রাণোচ্ছ্বল করে তোলা ও আরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণে কমিশনের ভূমিকার জন্য। ...

বিএনএ, তমলুক: রেশন সামগ্রী লরিতে ভর্তি করে পাচার করার সময় হাতে নাতে ধরে পাঁশকুড়া থানার পুলিসের হাতে তুলে দিলেন জেলা পরিষদের খাদ্য ও সরবরাহ স্থায়ী ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: এসপি১২৫, বিএস-VI এবং অ্যাকটিভা বিএস-VI নামে নতুন বাইক ও স্কুটির মডেল বাজারে নিয়ে এল হোন্ডা। ২৩ জানুয়ারি কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ ফুটবল গ্রাউন্ডে পিএমপি হোন্ডা ও প্রশান্ত হোন্ডার যৌথ উদ্যোগে ‘অ্যাডভান্সড ফেস্ট’ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই দুটি মডেলের ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কোনও কিছুতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভাববেন। শত্রুতার অবসান হবে। গুরুজনদের কথা মানা দরকার। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সুফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

সাধারণতন্ত্র দিবস
১৮৪১: আনুষ্ঠানিকভাবে হংকং দখল করল ব্রিটিশরা
১৯৩০: পরাধীন ভারতে এই দিনটিকে ‘পূর্ণ স্বরাজ দিবস’ বা ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসাবে ঘোষণা করল জাতীয় কংগ্রেস
১৯৫০: লাগু হল ভারতের সংবিধান। রাষ্ট্রপতি পদে রাজেন্দ্র প্রসাদ দায়িত্ব গ্রহণ করে সূচনা করলেন গণতন্ত্রের।
১৯৫৪: রাজনীতিবিদ মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যু
১৯৬৫- হিন্দিকে সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিল কেন্দ্র
১৯৯২: পরমাণু অস্ত্রের মাধ্যমে আমেরিকার বিভিন্ন শহরকে নিশানা করা থেকে রাশিয়া বিরত হবে বলে জানালেন বরিস ইয়েলৎসেন
২০০১: গুজরাতের ভুজে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হল প্রায় ২০ হাজার মানুষের
২০০৪: আফগানিস্তানের নয়া সংবিধানে স্বাক্ষর করলেন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫১ টাকা ৭২.২১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৯৮ টাকা ৯৫.৩২ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৮ টাকা ৮০.৩৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  January, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪০,৯৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৮,৮৮৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৪৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ শুক্লপক্ষ) দ্বিতীয়া ৫৯/৪৫ শেষ রাত্রি ৬/১৬। ধনিষ্ঠা অহোরাত্র। সূ উ ৬/২১/৫৩, অ ৫/১৬/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৭/১ গতে ৮/৪৬ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/১০ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১১ মাঘ ১৪২৬, ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, দ্বিতীয়া ৫৬/১৭/৫২ শেষরাত্রি ৪/৫৬/৫। ধনিষ্ঠা ৫৮/৫৪/২৯ শেষরাত্রি ৫/৫৮/৪৪। সূ উ ৬/২৪/৫৬, অ ৫/১৪/৫৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে ও রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। কালবেলা ১১/৪৯/৫৬ গতে ১/১১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৮/৪১ গতে ৩/৭/২৬ মধ্যে।
৩০ জমাদিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শুভেচ্ছা ও ছুটি

আজ রবিবার দেশের ৭১তম সাধারণতন্ত্র দিবস। এই উপলক্ষে বর্তমান পত্রিকার ...বিশদ

08:00:00 AM

পদ্মভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনহর পারিক্কর, ব্যবসায়ী আনন্দ মহিন্দ্রা ও ভেনু শ্রীনিবাসন, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, নাগাল্যান্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এস সি জমির এবং জম্মু ও কাশ্মীরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মুজাফ্ফর হোসেন বেগ 

25-01-2020 - 09:18:00 PM

পদ্মবিভূষণ পাচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলি, স্বরাজ, জর্জ ফার্ণান্ডেজ, বক্সার মেরি কম, মরিশাসের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অনিরুদ্ধ জগন্নাথ 

25-01-2020 - 09:13:00 PM

 পদ্মশ্রী পাচ্ছেন কঙ্গনা রানউত, একতা কাপুর, আদনান সামি এবং করণ জোহর

25-01-2020 - 09:07:04 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
জোহানেসবার্গ টেস্ট চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহারের অপরাধে ইংল্যান্ডের খেলোয়ার বেন ...বিশদ

25-01-2020 - 08:05:00 PM

ম্যাচ চলাকালীন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার, ম্যাচ ফি কাটা হল বেন স্টোকসের
আজ সিএএ, এনআরসি ইস্যু নিয়ে দলীয় বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ...বিশদ

25-01-2020 - 06:32:00 PM