Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। শিব প্রথমে অসুরের রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন।
অসুর লিখেছেন, ‘বাবা, আমি মুখ্যুসুখ্যু সাধারণ মানুষ। খুব বেশি কিছু বুঝি না। তবে মনে হল, এক সাংঘাতিক সময় আসতিসে। দ্যাশের মানুষের আর দ্যাশ বলে কিছু থাকবে নি। এক কলমের খোঁচায় সব অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাবে। সবার মধ্যে দেকতে পাচ্ছি এনআরসি আতঙ্ক। শুনলাম ওখানে নাকি বড় বড় খাঁচা বানাচ্ছে। সেখানে মানুষকে পুরে রাখবে। ডিটিনশন ক্যাম্প নাকি কী যেন বলছিল সব। ওরাই বলছিল, কে যেন এক হিটলার অমনই এক ক্যাম্প বানিয়েছেল। আমি তো ছোটজাত। অসুর। লোকে ঘেন্না করে আমায়। জানি না, সামনের বছর আর আমাকে মায়ের বাপের বাড়ি ঢুকতে দেবে কিনা! কে জানে হয়তো ওই ডিটিনশন ক্যাম্পেই আটকে রেখে দেবে। বড় ভয় বাবা, বড় ভয়!’
অসুরের রিপোর্ট পড়ে শিব চিন্তায় পড়লেন। ভাবলেন নন্দী-ভৃঙ্গী যুগলকে একবার মর্ত্যে পাঠিয়ে ডিটেলস রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন।
পরের রিপোর্ট গণেশের। পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘বাবা, বিশ্বকর্মাকাকু ফিরে এসে বলেছিলেন, দেশের সর্বত্রই শিল্পের দফারফা চলছে। চাঙ্গা একমাত্র চৌর্যশিল্প। যে যেখানে পারছে হাত মেরে কামাচ্ছে। তবে অধিকাংশ রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ী এ ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত। দুজনে লতায় পাতায় একেবারে মাসতুতো ভাই। এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ। প্রায় সর্বত্র লুটেপুটে খাওয়ার চিহ্ন স্পষ্ট। আমি গিয়ে সেটাই দেখলাম। ব্যাঙ্ক থেকে ব্যবসার জন্য টাকা নিয়ে গণেশ উল্টে সবাই বিদেশে পালাচ্ছে। এই ‘গণেশ ওল্টানো’ শব্দটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ওটা যে আমার কাছে কতটা অপমানজনক তা বলে বোঝাতে পারব না। ইচ্ছে করে সব ক’টাকে শুঁড়ে জড়িয়ে আছাড় মারি। এর সঙ্গে এবার যে মহা ঝামেলার ব্যাপার দেখলাম তা হল রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ব্রিজের টলোমলো অবস্থা। সর্বত্র একটা আতঙ্ক। এই বুঝি ভেঙে পড়ল। ঘরপোড়া গোরু তো সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাবেই। ’
রিপোর্ট পড়ে শিব একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। একবার বিশ্বকর্মাকে পাঠাতে হবে। সব ব্রিজের একটা তদন্ত রিপোর্ট অবিলম্বে তাঁর চাই।
পরের মেলটা সরস্বতীর। খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একটা কথা বলতেই হয়। সেটা হল শিক্ষার দৈন্যদশা সর্বত্র চলছে। শিক্ষার থেকে রেজাল্ট বড়। ভালো রেজাল্ট করার জন্য যা চলছে তা মোটেই কাম্য নয়। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বইয়ের ব্যাগ বইতে বইতে পিঠের শিরদাঁড়া বেঁকে যাওয়ার জোগাড়। আবার দেখলাম বহু পণ্ডিত পুরাণ, শাস্ত্রকে ইতিহাস আর বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ তো সমস্ত ওষুধের বিকল্প হিসাবে গোময় এবং গোমূত্রকে চালানোর পক্ষে সওয়াল করছেন। সব ঘেঁটে ঘ হয়ে যাচ্ছে। ওদিকে আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিন্য নিয়ে গর্ব করার মতো দিন ছিল আমাদের। সেই কৌলিন্য যেন ধুলোয় লুটিয়ে যেতে বসেছে। শিক্ষাঙ্গনে যা যা হচ্ছে তা আমি তোমাকে সব বলতে পারব না। রাজ্যের মানুষ তা জানে। রাজনীতি এক জিনিস, কিন্তু নোংরামি অন্য। শিক্ষার দেবী হয়ে লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাওয়ার জোগাড়। আমি শুধু বলতে পারি এই অশিক্ষার পরিবেশ অবিলম্বে দূর করা দরকার। সব থেকে ভালো হয়, যদি তুমি কাউকে আলাদা পাঠিয়ে একটা ডিটেলস রিপোর্ট তৈরি করাও।’
শিব ভাবলেন, সেটা করা দরকার। নিজের মনেই বললেন, একবার অশ্বিনীকুমার ভাইদের পাঠাবো ভাবছি।
এবার তিনি কার্তিকের পাঠানো রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন। ‘এবার ঘুরে এসে থেকে একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঘুরছে। শুনে এলাম কেন্দ্রীয় সরকার সব নাকি বেসরকারি হাতে বেচে দেবে। রেল, ব্যাঙ্ক, বিমা, বিমান আরও অনেক কিছু। আমি ঠিক করেছি, সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেচলেই আমি কিনে নেব। শুনলাম রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স নাকি লাইনে আছে। ঘোষণা হলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। পুরো দেশের প্রতিরক্ষা আমিই চালাব। আর মাঝে মাঝে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করব। লোকে আমার নামে ধন্য ধন্য করবে। তবে একটা কথা আমার মনে হয়েছে, যত টাকার অস্ত্র কেনা হয়, তার বড় অংশ যদি দেশের স্বাস্থ্য খাতে আর পরিবেশ খাতে ব্যয় করা যেত, তবে দেশটা অন্যরকম হত।’
শিব পড়ে মুচকি হাসলেন। নিজের মনেই বললেন, প্রতিরক্ষা শক্তি তো বাড়াতেই হবে। অস্ত্র কেনাটা সব সরকারেরই একটা অভ্যাস। সব ডিলই মোক্ষম ডিল। তাই অস্ত্র কেনাটা জরুরি কর্তব্য।
পরের ই-মেল লক্ষ্মীর। শিব পড়তে শুরু করলেন। ‘সব দেখলাম ভাঁড়ে মা ভবানী। রাজকোষ বাড়ন্ত। সরকার আর্থিক দুর্বলতার কথা স্বীকার না করলেও দেশের মানুষ সব জানে। ফেসবুকে ফেসবুকে এনিয়ে কত যে ব্যঙ্গ, মিম চলছে তা বলে বোঝানো যাবে না। আর সরকার বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছে, আর্থিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী এবং আর্থিক অগ্রগতি বোঁ বোঁ করে ছুটছে। সরকার বলছে, দেশে নোট বদলের প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। সরকারের এখন সবথেকে বড় মাথাব্যথা হল, আর্থিক ক্ষেত্রটাকে মসৃণ রাখা। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। যেসব নিয়মনীতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে অনেকেই অসন্তুষ্ট। কিন্তু শুধু সংখ্যার জোরে সরকার অনেক কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। বিরোধী বলে কিছু নেই। তাই পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছে।’
শিব বললেন, ‘যে দেশটা স্বাধীনতার পর থেকেই আকণ্ঠ দুনীর্তিতে ডুবে আছে, তার পরিণতি তো এমনই হবে। দুনীর্তিই হল দেশের মূল শত্রু।’
এবার দুর্গার ই-মেল খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একদিন আমি অসুর মেরে সমস্ত স্বর্গলোককে রক্ষা করেছিলাম। কিন্তু বারবার বাপের বাড়ি গিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ফিরে আসি, তাতে মনে হয়, আমি ব্যর্থ। কিছুই করতে পারলাম না। কত অসুর যে মর্ত্যলোকে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে, আমি দেখেও কিছু করতে পারি না।
একটা সাজানো অসুরকে আমি প্রতি বছর বধ করে দেশের মানুষের পূজিত হই। অথচ সমাজে কত অসুরের দল বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি দেখেছি অনেক রাজনৈতিক অসুর। তারা সমাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা মেয়েদের মর্যাদা দেয় না। রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে বলী হয়ে কোনও মেয়েকে ধর্ষণ করে। পুলিস অভিযোগ নেয় না। উল্টে তাদের বাড়ি গিয়ে শাসায়। সাক্ষীকে মাঝপথে ট্রাক চালিয়ে পিষে মেরে ফেলে। ধর্ষণ, পীড়ন চৌর্যবৃত্তির পর তাদের আত্মরক্ষার বর্ম হল রাজনীতি। ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের মধ্যেও এইসব অসুরকে আমি দেখেছি। আবার শিক্ষক অসুরও আছে। কন্যাসম ছাত্রীদের তারা শ্লীলতাহানি করে। এতটুকু বিবেক, মানবিকতা তাদের নেই। তাছাড়া প্রোমোটার অসুর, ডাক্তার অসুর, আইনজীবী অসুরদেরও আমি দেখেছি। এসব দেখে খুব হতাশ লাগে। অসুর আমার পায়ের কাছে বসে বলে, মা সব দেখছো তো? আমি বলি, সব দেখছি বাবা। কিছু করা যাবে না। যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের ধ্বংস হতে সময় লাগবে। তাছাড়া এখন চারিদিকে মানবাধিকার কর্মীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবাই আমাকে ফাঁসিয়ে দেবে। তোদের সময় মানবাধিকার ব্যাপারটা ছিল না বলেই তোকে বধ করতে পেরেছি। নাহলে তুইও বেঁচে যেতিস। অসুর আমায় বলেছিল, আমি তো বেঁচে আছি মা। তুমি তো আমাকে মারতে পারনি। রক্তবীজের মতো আমি মানুষের মধ্যে বেঁচে আছি। ক্ষমতায়, বাহুবলে, হিংসায়, লোভে, কামনায়, প্রবৃত্তিতে, লুণ্ঠন মানসিকতায়, পাপবোধে, আগ্রাসনে। আমরা মানুষের সব শুভবোধকে শেষ করে দেব। এই পৃথিবীকে করে তুলব অসুরদের বাসভূমি। তাই শুনে আমি বলেছি, তা আমি হতে দেব না। সুযোগ হলেই আমি তোদের বিনাশ করব। চণ্ডীর সইে শ্লোকটা জানিস তো! ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি / তদাতদাবতীর্য্যাহং করিষ্যামি অরিসংক্ষয়ম। আসুরিক অত্যাচারে এই ধরা পীড়িত হয়ে উঠলে আমি আবির্ভূত হয়ে সেই অসুরিক শক্তিকে বিনাশ করব। অসুরদের দমন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি আসবই।’
শিব অস্ফুটে বললেন, ‘তুমিই পারবে দুর্গা। নারীশক্তি যখন অপমানিত হয়, তখনই তো শুরু হয় ধ্বংসের খেলা। আমি সেই ধ্বংসের ছবি মানস চক্ষে দেখতে পাচ্ছি।’
 কার্টুন সুব্রত মাজী 
04th  November, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
চেন্নাই, ৩১ মে (পিটিআই): কেন্দ্রীয় সরকার ৩০ জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র কন্টেইনমেন্ট জোনে লকডাউন চালানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা সত্ত্বেও মহারাষ্ট্র সরকার গত নির্দেশিকা বদলের কোনও ঘোষণা করেনি। ...

মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: সালাউদ্দিন পর্দার আড়ালে যেতেই রাজ্যে জেএমবির সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল আব্দুল করিম। সামশেরগঞ্জে বসে সে বাংলাদেশেও জেএমবির সংগঠন মনিটরিং ...

জুরিখ, ৩১ মে: করোনা ভাইরাসের ওষুধ, ভ্যাকসিন ও পরীক্ষা করার কিট পাওয়া নিয়ে যাতে বৈষম্য তৈরি না হয়, তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে আর্জি জানাল ৩৭টি দেশ। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলে তার পেটেন্ট নিয়ে লড়াই ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উত্তর প্রদেশে করোনা আক্রান্ত আরও ২৯৬, মৃত ৫ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ২৯৬ জন। ...বিশদ

09:21:40 PM

মুম্বইয়ে করোনা আক্রান্ত আরও ১৪১৩, মৃত ৪০ 
মুম্বইয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৪১৩ জন। মৃত ...বিশদ

09:12:55 PM

গুজরাটে করোনা আক্রান্ত আরও ৪২৩, মৃত ২৫ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪২৩ জন করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

08:55:01 PM

বন্ধ কামাক্ষ্যা মন্দির, হচ্ছে না অম্বুবাচী মেলাও 
আগামী ৩০ জুন অবধি বন্ধ থাকছে কামাক্ষ্যা মন্দির। এজন্য এবছর ...বিশদ

08:46:05 PM

দিল্লিতে করোনা রোগীর আত্মহত্যা 
দিল্লির বাটরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত বৃদ্ধ আত্মঘাতী। ৬৩ বছর ...বিশদ

08:33:43 PM

দিল্লিতে আরও ৯৯০ জন করোনা আক্রান্ত 
দিল্লিতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৯০ জন করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

08:22:23 PM