Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। শিব প্রথমে অসুরের রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন।
অসুর লিখেছেন, ‘বাবা, আমি মুখ্যুসুখ্যু সাধারণ মানুষ। খুব বেশি কিছু বুঝি না। তবে মনে হল, এক সাংঘাতিক সময় আসতিসে। দ্যাশের মানুষের আর দ্যাশ বলে কিছু থাকবে নি। এক কলমের খোঁচায় সব অনুপ্রবেশকারী হয়ে যাবে। সবার মধ্যে দেকতে পাচ্ছি এনআরসি আতঙ্ক। শুনলাম ওখানে নাকি বড় বড় খাঁচা বানাচ্ছে। সেখানে মানুষকে পুরে রাখবে। ডিটিনশন ক্যাম্প নাকি কী যেন বলছিল সব। ওরাই বলছিল, কে যেন এক হিটলার অমনই এক ক্যাম্প বানিয়েছেল। আমি তো ছোটজাত। অসুর। লোকে ঘেন্না করে আমায়। জানি না, সামনের বছর আর আমাকে মায়ের বাপের বাড়ি ঢুকতে দেবে কিনা! কে জানে হয়তো ওই ডিটিনশন ক্যাম্পেই আটকে রেখে দেবে। বড় ভয় বাবা, বড় ভয়!’
অসুরের রিপোর্ট পড়ে শিব চিন্তায় পড়লেন। ভাবলেন নন্দী-ভৃঙ্গী যুগলকে একবার মর্ত্যে পাঠিয়ে ডিটেলস রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন।
পরের রিপোর্ট গণেশের। পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘বাবা, বিশ্বকর্মাকাকু ফিরে এসে বলেছিলেন, দেশের সর্বত্রই শিল্পের দফারফা চলছে। চাঙ্গা একমাত্র চৌর্যশিল্প। যে যেখানে পারছে হাত মেরে কামাচ্ছে। তবে অধিকাংশ রাজনীতিক এবং ব্যবসায়ী এ ব্যাপারে সিদ্ধহস্ত। দুজনে লতায় পাতায় একেবারে মাসতুতো ভাই। এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ। প্রায় সর্বত্র লুটেপুটে খাওয়ার চিহ্ন স্পষ্ট। আমি গিয়ে সেটাই দেখলাম। ব্যাঙ্ক থেকে ব্যবসার জন্য টাকা নিয়ে গণেশ উল্টে সবাই বিদেশে পালাচ্ছে। এই ‘গণেশ ওল্টানো’ শব্দটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। ওটা যে আমার কাছে কতটা অপমানজনক তা বলে বোঝাতে পারব না। ইচ্ছে করে সব ক’টাকে শুঁড়ে জড়িয়ে আছাড় মারি। এর সঙ্গে এবার যে মহা ঝামেলার ব্যাপার দেখলাম তা হল রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন ব্রিজের টলোমলো অবস্থা। সর্বত্র একটা আতঙ্ক। এই বুঝি ভেঙে পড়ল। ঘরপোড়া গোরু তো সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাবেই। ’
রিপোর্ট পড়ে শিব একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন। একবার বিশ্বকর্মাকে পাঠাতে হবে। সব ব্রিজের একটা তদন্ত রিপোর্ট অবিলম্বে তাঁর চাই।
পরের মেলটা সরস্বতীর। খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একটা কথা বলতেই হয়। সেটা হল শিক্ষার দৈন্যদশা সর্বত্র চলছে। শিক্ষার থেকে রেজাল্ট বড়। ভালো রেজাল্ট করার জন্য যা চলছে তা মোটেই কাম্য নয়। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বইয়ের ব্যাগ বইতে বইতে পিঠের শিরদাঁড়া বেঁকে যাওয়ার জোগাড়। আবার দেখলাম বহু পণ্ডিত পুরাণ, শাস্ত্রকে ইতিহাস আর বিজ্ঞান বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ তো সমস্ত ওষুধের বিকল্প হিসাবে গোময় এবং গোমূত্রকে চালানোর পক্ষে সওয়াল করছেন। সব ঘেঁটে ঘ হয়ে যাচ্ছে। ওদিকে আবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কৌলিন্য নিয়ে গর্ব করার মতো দিন ছিল আমাদের। সেই কৌলিন্য যেন ধুলোয় লুটিয়ে যেতে বসেছে। শিক্ষাঙ্গনে যা যা হচ্ছে তা আমি তোমাকে সব বলতে পারব না। রাজ্যের মানুষ তা জানে। রাজনীতি এক জিনিস, কিন্তু নোংরামি অন্য। শিক্ষার দেবী হয়ে লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাওয়ার জোগাড়। আমি শুধু বলতে পারি এই অশিক্ষার পরিবেশ অবিলম্বে দূর করা দরকার। সব থেকে ভালো হয়, যদি তুমি কাউকে আলাদা পাঠিয়ে একটা ডিটেলস রিপোর্ট তৈরি করাও।’
শিব ভাবলেন, সেটা করা দরকার। নিজের মনেই বললেন, একবার অশ্বিনীকুমার ভাইদের পাঠাবো ভাবছি।
এবার তিনি কার্তিকের পাঠানো রিপোর্ট পড়তে শুরু করলেন। ‘এবার ঘুরে এসে থেকে একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঘুরছে। শুনে এলাম কেন্দ্রীয় সরকার সব নাকি বেসরকারি হাতে বেচে দেবে। রেল, ব্যাঙ্ক, বিমা, বিমান আরও অনেক কিছু। আমি ঠিক করেছি, সরকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেচলেই আমি কিনে নেব। শুনলাম রাশিয়া, আমেরিকা, চীন, ফ্রান্স নাকি লাইনে আছে। ঘোষণা হলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে। পুরো দেশের প্রতিরক্ষা আমিই চালাব। আর মাঝে মাঝে পাকিস্তানে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করব। লোকে আমার নামে ধন্য ধন্য করবে। তবে একটা কথা আমার মনে হয়েছে, যত টাকার অস্ত্র কেনা হয়, তার বড় অংশ যদি দেশের স্বাস্থ্য খাতে আর পরিবেশ খাতে ব্যয় করা যেত, তবে দেশটা অন্যরকম হত।’
শিব পড়ে মুচকি হাসলেন। নিজের মনেই বললেন, প্রতিরক্ষা শক্তি তো বাড়াতেই হবে। অস্ত্র কেনাটা সব সরকারেরই একটা অভ্যাস। সব ডিলই মোক্ষম ডিল। তাই অস্ত্র কেনাটা জরুরি কর্তব্য।
পরের ই-মেল লক্ষ্মীর। শিব পড়তে শুরু করলেন। ‘সব দেখলাম ভাঁড়ে মা ভবানী। রাজকোষ বাড়ন্ত। সরকার আর্থিক দুর্বলতার কথা স্বীকার না করলেও দেশের মানুষ সব জানে। ফেসবুকে ফেসবুকে এনিয়ে কত যে ব্যঙ্গ, মিম চলছে তা বলে বোঝানো যাবে না। আর সরকার বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছে, আর্থিক সূচক ঊর্ধ্বমুখী এবং আর্থিক অগ্রগতি বোঁ বোঁ করে ছুটছে। সরকার বলছে, দেশে নোট বদলের প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। সরকারের এখন সবথেকে বড় মাথাব্যথা হল, আর্থিক ক্ষেত্রটাকে মসৃণ রাখা। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। যেসব নিয়মনীতি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাতে অনেকেই অসন্তুষ্ট। কিন্তু শুধু সংখ্যার জোরে সরকার অনেক কিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। বিরোধী বলে কিছু নেই। তাই পরিস্থিতি খুবই খারাপের দিকে যাচ্ছে।’
শিব বললেন, ‘যে দেশটা স্বাধীনতার পর থেকেই আকণ্ঠ দুনীর্তিতে ডুবে আছে, তার পরিণতি তো এমনই হবে। দুনীর্তিই হল দেশের মূল শত্রু।’
এবার দুর্গার ই-মেল খুলে পড়তে শুরু করলেন শিব। ‘একদিন আমি অসুর মেরে সমস্ত স্বর্গলোককে রক্ষা করেছিলাম। কিন্তু বারবার বাপের বাড়ি গিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা নিয়ে আমি ফিরে আসি, তাতে মনে হয়, আমি ব্যর্থ। কিছুই করতে পারলাম না। কত অসুর যে মর্ত্যলোকে ঘুরে ফিরে বেড়াচ্ছে, আমি দেখেও কিছু করতে পারি না।
একটা সাজানো অসুরকে আমি প্রতি বছর বধ করে দেশের মানুষের পূজিত হই। অথচ সমাজে কত অসুরের দল বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি দেখেছি অনেক রাজনৈতিক অসুর। তারা সমাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা মেয়েদের মর্যাদা দেয় না। রাজনৈতিক ক্ষমতার বলে বলী হয়ে কোনও মেয়েকে ধর্ষণ করে। পুলিস অভিযোগ নেয় না। উল্টে তাদের বাড়ি গিয়ে শাসায়। সাক্ষীকে মাঝপথে ট্রাক চালিয়ে পিষে মেরে ফেলে। ধর্ষণ, পীড়ন চৌর্যবৃত্তির পর তাদের আত্মরক্ষার বর্ম হল রাজনীতি। ব্যবসায়ী, শিল্পপতিদের মধ্যেও এইসব অসুরকে আমি দেখেছি। আবার শিক্ষক অসুরও আছে। কন্যাসম ছাত্রীদের তারা শ্লীলতাহানি করে। এতটুকু বিবেক, মানবিকতা তাদের নেই। তাছাড়া প্রোমোটার অসুর, ডাক্তার অসুর, আইনজীবী অসুরদেরও আমি দেখেছি। এসব দেখে খুব হতাশ লাগে। অসুর আমার পায়ের কাছে বসে বলে, মা সব দেখছো তো? আমি বলি, সব দেখছি বাবা। কিছু করা যাবে না। যাদের হাতে ক্ষমতা, তাদের ধ্বংস হতে সময় লাগবে। তাছাড়া এখন চারিদিকে মানবাধিকার কর্মীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। সবাই আমাকে ফাঁসিয়ে দেবে। তোদের সময় মানবাধিকার ব্যাপারটা ছিল না বলেই তোকে বধ করতে পেরেছি। নাহলে তুইও বেঁচে যেতিস। অসুর আমায় বলেছিল, আমি তো বেঁচে আছি মা। তুমি তো আমাকে মারতে পারনি। রক্তবীজের মতো আমি মানুষের মধ্যে বেঁচে আছি। ক্ষমতায়, বাহুবলে, হিংসায়, লোভে, কামনায়, প্রবৃত্তিতে, লুণ্ঠন মানসিকতায়, পাপবোধে, আগ্রাসনে। আমরা মানুষের সব শুভবোধকে শেষ করে দেব। এই পৃথিবীকে করে তুলব অসুরদের বাসভূমি। তাই শুনে আমি বলেছি, তা আমি হতে দেব না। সুযোগ হলেই আমি তোদের বিনাশ করব। চণ্ডীর সইে শ্লোকটা জানিস তো! ইত্থং যদা যদা বাধা দানবোত্থা ভবিষ্যতি / তদাতদাবতীর্য্যাহং করিষ্যামি অরিসংক্ষয়ম। আসুরিক অত্যাচারে এই ধরা পীড়িত হয়ে উঠলে আমি আবির্ভূত হয়ে সেই অসুরিক শক্তিকে বিনাশ করব। অসুরদের দমন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমি আসবই।’
শিব অস্ফুটে বললেন, ‘তুমিই পারবে দুর্গা। নারীশক্তি যখন অপমানিত হয়, তখনই তো শুরু হয় ধ্বংসের খেলা। আমি সেই ধ্বংসের ছবি মানস চক্ষে দেখতে পাচ্ছি।’
 কার্টুন সুব্রত মাজী 
04th  November, 2019
লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর।
বিশদ

31st  March, 2020
ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না। বিশদ

30th  March, 2020
 করোনা যুদ্ধের অক্লান্ত সৈনিক ডাক্তারবাবুরা,
দোহাই ওদের গায়ে আর কেউ হাত তুলবেন না
হিমাংশু সিংহ

পৃথিবীব্যাপী এক ভয়ঙ্কর যুদ্ধ চলছে। অদৃশ্য জৈবযুদ্ধ। এলওসিতে দাঁড়িয়ে মেশিনগান হাতে কোনও সেনা নয়, রাফাল নিয়ে শত্রু ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও নয়। হাসপাতালের আইসিইউতে নিরস্ত্র ডাক্তারবাবুরা বুক চিতিয়ে এই নির্ণায়ক যুদ্ধ লড়ছেন রাতের পর রাত ক্লান্তিহীন। বিশদ

29th  March, 2020
এ লড়াই বাঁচার লড়াই,
এ লড়াই জিততে হবে
তন্ময় মল্লিক

 এখন দোষারোপের সময় নয়। এখন আঙুল তোলার সময় নয়। এখন সমালোচনার সময় নয়। এখন লড়াইয়ের সময়। এ এক কঠিন লড়াই। এ লড়াই বাঁচার লড়াই। এ লড়াই জিততে হবে।
বিশদ

28th  March, 2020
মিসাইল বানানোর চেয়ে ডাক্তার
তৈরি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ
মৃণালকান্তি দাস

লিউয়েনহুক যখন সাড়ে তিনশো বছর আগে আতশ কাঁচের নীচে কিলবিল করা প্রাণগুলোকে দেখতে পেয়েছিলেন, তখনও তিনি জানতেন না যে তিনি এক নতুন দুনিয়ার সন্ধান পেয়ে গিয়েছেন। তিনিই প্রথম আণুবীক্ষণিক প্রাণের দুনিয়াকে মানুষের সামনে উন্মোচিত করেন। ওই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্রাণগুলোর নাম দেন ‘অ্যানিম্যালকুলস’। বিশদ

27th  March, 2020
করোনা ছুটছে গণিতের অঙ্ক মেনে,
থামাতে হবে ‘হাতুড়ি’র ঘা দিয়েই
ডাঃ সৌমিত্র ঘোষ

 জানেন কি, গণিতের নিয়ম মেনেই ভারত সহ গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে নোভেল করোনা ভাইরাস? একজন আক্রান্ত থেকে গুণিতক হারে অন্যদের মধ্যে ছড়াচ্ছে এই মারণ ভাইরাস! আর অসতর্কতার কারণে মাত্র এক-দু’সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক ঝটকায় অনেকটা বাড়ছে। ঠিক যেমন হয়েছে চীন, ইতালি, স্পেনের মতো দেশগুলিতে।
বিশদ

27th  March, 2020
পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ, অস্ত্র নাগরিক সচেতনতা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ডাঃ সুশীলা কাটারিয়া। জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যাঁদের জন্য পাঁচটা মিনিট সময় বের করার আর্জি জানিয়েছিলেন, ডাঃ কাটারিয়া তাঁদেরই মধ্যে একজন। গুরুগ্রামে একটি হাসপাতালের ইন্টারনাল মেডিসিনের ডিরেক্টর তিনি। বয়স ৪২ বছর। গত ৪ মার্চ যখন তাঁকে বলা হয়েছিল, আপনার দায়িত্বে ১৪ জন ইতালীয় পর্যটককে ভর্তি করা হচ্ছে, তখনও তিনি রোগের নাড়িনক্ষত্র ভালোভাবে জানেন না। 
বিশদ

24th  March, 2020
মন্বন্তরে মরিনি আমরা, মারী নিয়ে ঘর করি
 সন্দীপন বিশ্বাস

পৃথিবীর গভীর গভীরতর অসুখ এখন। আর এই ‘অসুখ’ থেকে বারবার মানুষ লড়াই করে ফিরে এসেছে। প্রতিবার অস্তিত্বের সঙ্কটের মুখে দাঁড়িয়ে একযোগে লড়াই করে মানুষ এগিয়ে গিয়েছে উত্তরণের পথে। প্রকৃতির কোনও মারণ আক্রমণেই সে পিছিয়ে পড়েনি। তাই মানুষ বারবার ঋণী মানুষেরই কাছে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
কোভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে লড়াই এবং তারপর
পি চিদম্বরম

আপনি এই লেখা যখন পড়ছেন, ততক্ষণে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) মোকাবিলায় ভারত এগতে পারল না কি পিছনে পড়ে গেল। সরকার ব্যস্ত ভিডিও কনফারেন্সে, আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে এবং করোনা থেকে বাঁচার জন্য নির্দেশিকা (হাত জীবাণুমুক্ত করা, নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং মাস্ক পরা) জারিতে।  
বিশদ

23rd  March, 2020
ভয় পাবেন না, গুজব ছড়াবেন না, জনতা কার্ফুতে ঘরে থাকুন, বিশ্বযুদ্ধে ভাইরাস পরাজিত হবেই
হিমাংশু সিংহ

 এক মারণ ভাইরাসের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী মহাযুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধের একদিকে করোনা আর অন্যদিকে গোটা মানবজাতির অস্তিত্ব। প্রবীণ মানুষরা বহু স্মৃতি ঘেঁটেও এমন নজির মনে করতে পারছেন না যেখানে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটা রোগ ঘিরে এমন ত্রাস, আতঙ্ক দানা বেঁধেছে মানুষের মনে।
বিশদ

22nd  March, 2020
লড়াই
তন্ময় মল্লিক

 করোনা ভাইরাস। এই দু’টি শব্দই গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিচ্ছে। করোনা আতঙ্কে থরহরি কম্প গোটা পৃথিবী। চীন, জার্মানি, ইতালি, আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স সহ বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলিকে ক্ষতবিক্ষত করে করোনা এবার থাবা বসাতে শুরু করেছে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে।
বিশদ

21st  March, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারকে আর্থিক সাহায্য করার লক্ষ্যে তৃণমূল বিধায়কদের কাছ থেকে দলীয় তহবিলে ১০ হাজার টাকা করে চেয়েছেন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।   ...

নারা, ৩১ মার্চ (এপি): জাপানের একটি বিখ্যাত শহর নারা। বসন্ত এলেই চেরি ফুলে সেজে ওঠে এই ঐতিহ্যবাহী শহরটি। কিন্তু বিগত বছরগুলির মতো এবছর সেখানে পর্যটকদের কোলাহল শোনা যাচ্ছে না।   ...

নয়াদিল্লি, ৩১ মার্চ (পিটিআই): করোনার বিস্তার রুখতে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে হবে। আর তা করবে স্বয়ংক্রিয় ড্রোন। এই প্রযুক্তি বানিয়ে ফেললেন গুয়াহাটি আইআইটির পড়ুয়ারা।  ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: করোনা ভাইরাসের দাপটে এবার ঐতিহ্যবাহী সরকারি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা বেঙ্গল কেমিক্যালস পড়েছে সঙ্কটে। কাঁচামালের অভাবে তাদের জনপ্রিয় ক্লোরোকুইন এবং অ্যাজিথ্রোমাইসিন গোষ্ঠীর ট্যাবলেট ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাওয়ার যোগ রয়েছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

এপ্রিল ফুলস ডে
১৬২১- শিখ ধর্মের নবম গুরু তেগ বাহাদুরের জন্ম,
১৮৮৯- রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কে বি হেডগেওয়ারের জন্ম,
১৯৩৭- মহম্মদ হামিদ আনসারির জন্ম,
১৯৪১- ক্রিকেটার অজিত ওয়াদেকারের জন্ম,
১৯৮৪- ক্রিকেটার মুরলী বিজয়ের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৬৪ টাকা ৭৬.৩৬ টাকা
পাউন্ড ৭৬.৩৬ টাকা ৯৪.৮৪ টাকা
ইউরো ৮১.৭৩ টাকা ৮৪.৭৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) অষ্টমী ৫৫/১৯ রাত্রি ৩/৪১। আর্দ্রা ৩৪/৫০ রাত্রি ৭/২৯। সূ উ ৫/৩৩/১, অ ৫/৪৮/১১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে পুনঃ ৯/৩৮ গতে ১১/১৬ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৪/২৯ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৫ গতে ৮/৫৬ মধ্যে ১০/৩০ মধ্যে। বারবেলা ৮/৩৬ গতে ১০/৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪১ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/৪ মধ্যে।
১৮ চৈত্র ১৪২৬, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার, অষ্টমী ৪১/১৫/৩৫ রাত্রি ১০/৪/৫৮। আর্দ্রা ২২/৩০/৫২ দিবা ২/৩৫/৫। সূ উ ৫/৩৪/৪৪, অ ৫/৪৮/৩১। অমৃতযোগ দিবা ৭/১২ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১২ মধ্যে ও ৩/২১ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/৩৪ মধ্যে। কালবেলা ৮/৩৮/১১ গতে ১০/৯/৫৪ মধ্যে।
 ৭ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কালিম্পংয়ে কোভিড-১৯-এ মৃত মহিলার ৪ আত্মীয়ও করোনা আক্রান্ত 
করোনা আক্রান্ত হলেন কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত কালিম্পংয়ের মহিলার চার ...বিশদ

08:08:08 PM

রাজ্যে আরও ১ করোনা আক্রান্তের মৃত্যু 
কয়েকদিনের যমে মানুষে টানাটানির ইতি। মৃত্যু হল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ...বিশদ

07:46:00 PM

স্থানীয়দের প্রতিরোধ, ধাপায় হল না করোনায় মৃতের শেষকৃত্য 
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিরোধের জেরে ধাপা শ্মশানে হল না করোনা আক্রান্ত ...বিশদ

07:24:05 PM

করোনা: ব্রিটেনে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হল 

07:22:24 PM

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬২, মৃত ৫৪: পিটিআই 

06:54:52 PM

দিল্লির ধর্মীয় সভায় অংশ নেওয়া তামিলনাড়ুর ১১০ জনের শরীরে মিলল করোনা ভাইরাস 

06:45:34 PM