Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি। আমাদের দেশের নেতানেত্রীরা যখন ব্রাত্য তখনই আর্ন্তজাতিক ‘বিজনেস ব্রোকার’ রহস্যময়ী ম্যাডি শর্মার ব্যবস্থাপনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের আঠাশজন প্রতিনিধি তিনদিনের ভারত সফরে এসেছিলেন। কাশ্মীরে গিয়েছিলেন তাঁদের মধ্যে ২৩ জন। বাকি পাঁচজন কেন দিল্লি এসেও কাশ্মীরে সরকারি কন্ডাকটেড ট্যুরে গেলেন না তা অজ্ঞাত। মূলত দুটো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে ইউরোপীয় প্রতিনিধিরা এদেশে এসেছিলেন। এক নম্বর উদ্দেশ্য, যখন কাশ্মীরে দেশের তাবড় নেতানেত্রী, সাধারণ মানুষই যাওয়ার ছাড়পত্র পাচ্ছেন না, তখন সেখানে গিয়ে কেন্দ্রের সমর্থনে সব ঠিক হ্যায় সার্টিফিকেট দেওয়া ও বিরোধীদের অভিযোগকে নস্যাৎ করা। এবং এভাবেই তাদের দেওয়া সেই শংসাপত্রের জোরে দেশে বিদেশে সরকারের মুখ উজ্জ্বল করা। আর দ্বিতীয় উদ্দেশ্য, সেই ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করা। কথা বলা। সে রাজনীতি নিয়েও হতে পারে অথবা বাণিজ্যিক আদানপ্রদান। এককথায় ‘গিভ অ্যান্ড টেক’। কিছু দাও বদলে কিছু নাও। অর্থাৎ যে কাশ্মীর ভারতের একান্ত সার্বভৌম অংশ, যেখানে কোনও বিদেশি শক্তির দৌত্য কিম্বা হস্তক্ষেপ আমরা মানব না বলে বারংবার বিশ্বমঞ্চে জানিয়ে দিয়েছি, হঠাত্ই বিশেষ উদ্দেশ্যপূরণের জন্য তা লঙ্ঘন করে পুরো বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সামনে কাশ্মীরের দরজা হাট করে খুলে দেওয়া। সবচেয়ে আশ্চর্যের, সবটাই হল ভারত সরকারের নিজের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায়। যার সুযোগ নিল কিছু বিদেশি প্রতিনিধি এবং ইউরোপের একটি এনজিও।
কিন্তু এত করেও কি শান্ত স্বাভাবিক কাশ্মীরের সর্বাঙ্গ সুন্দর ছবিটা দুনিয়ার সামনে তুলে ধরা গেল? প্রমাণ কি দেওয়া গেল যে দেখে যাও, ৩৭০ ধারা হটিয়ে সন্ত্রাসকে পুরোপুরি জব্দ করা গিয়েছে? পরখ করো, সন্ত্রাসহীন কাশ্মীরকে। উল্টে সামনে এল নতুন সমস্যা। কাশ্মীরি-অকাশ্মীরি বিরোধ। বিদ্বেষ। ভিনরাজ্য থেকে কাজের টানে যেসব শ্রমিক কর্মচারী কাশ্মীরে আছেন তাদের উপর একটা আক্রোশ। আর সেই বিদ্বেষের মূল কারণ, ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি। বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর একটা ধারণার সৃষ্টি হয় যে ভিনরাজ্যের লোকজন এবার কাশ্মীরের স্থাবর সম্পত্তি কিনে তার মালিক হতে পারবেন। এতদিন তা হতো না। কিন্তু নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হওয়ার পর উপত্যকার জমি কেনায় আর কোনও বাধা রইল না। এতে সাধারণ কাশ্মীরিরা গোটা উপত্যকার জনসংখ্যা ও জনভিত্তির পরিবর্তনের আশঙ্কায় ভীত হয়ে উঠছে। তারই জেরে বিগত ১৪ অক্টোবর থেকে একের পর এক কাশ্মীরের বুকে ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের উপর বর্বরোচিত জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটছে। ষষ্ঠ ঘটনাটি ঘটল গত মঙ্গলবার। শেষটায় বাঙালিদের উপর। এই নিয়ে গত আড়াই সপ্তাহে মোট ১১ জন অসহায় শ্রমিক ও ট্রাক ড্রাইভার প্রাণ হারালেন। গত ১৪ অক্টোবর প্রথম ঘটনাটি ঘটে এক নিরীহ ট্রাক ড্রাইভারের হত্যা দিয়ে। তাঁর নাম ছিল মহম্মদ শরিফ। শরিফ রাজস্থানের লোক, কাজের আশায় কাশ্মীরে ডেরা বেঁধেছিলেন। এরপর ১৬ অক্টোবর পাঞ্জাবের চিরঞ্জিত সিং ও চণ্ডীগড়ের শেঠি কুমার সাগর জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারান। ২৩ অক্টোবর হত্যা করা হয় মহম্মদ ইলিয়াস ও জাহিদকে। দু’জনেই রাজস্থান থেকে কাশ্মীরে কাজ করতে গিয়েছিলেন। এরপর গত সোম ও মঙ্গলবার ফের ভিনরাজ্যের শ্রমিকরা প্রাণঘাতী হামলার শিকার হলেন। এই ঘটনা ঘটল ইউরোপীয় প্রতিনিধিদলের সফরের মধ্যেই। সব মিলিয়ে এপর্যন্ত ভিনরাজ্যের শ্রমিক হত্যার ঘটনা সংক্রামিত হতে শুরু করেছে। আর ভয়টা সেখানেই। এর থেকেই স্পষ্ট, ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির পর কাশ্মীরে জঙ্গিরা নতুন পথ বেছে নিয়েছে। জন্ম নিয়েছে নতুন ধরনের ঘৃণা ও আক্রোশের। যার সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত অপহরণ করে নৃশংসভাবে পশ্চিমবঙ্গের পাঁচ অসহায় শ্রমিকের নির্মম হত্যা। এই ঘটনা আরও একবার জানান দিল ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি কাশ্মীর সমস্যার প্রকৃত সমাধান হতে পারে না। উল্টে তা আরও বড় সমস্যার জন্ম দিতে বাধ্য। আর তা ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে। কাজে যাওয়া অসহায় পরিবারগুলোর কী দোষ? পেটের দায়ে এদেশের যেকোনও স্থানে একজন নাগরিক যেতে পারেন। কাজ করতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গেও ভিনরাজ্যের বহু শ্রমিক কাজ করছেন। সংবিধানই দেশের প্রত্যেক নাগরিককে এই অধিকার দিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের এই নয়া সাংবিধানিক পরিবর্তন সেখানকার অসহায় শ্রমিকদের সেই অধিকারই কি কেড়ে নিতে চলেছে?
এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ভিনরাজ্যের প্রায় দশ লক্ষেরও বেশি শ্রমিক কাশ্মীরে এই মুহূর্তে কর্মরত। মূলত পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, উত্তরপ্রদেশ, পাঞ্জাব ও রাজস্থানের শ্রমিকরা কাশ্মীরে কর্মরত। অথচ পরিবারগুলো ভয়ঙ্কর এক বিপন্নতা ও আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। কখন কার উপর আক্রমণ নেমে আসে কেউ জানে না। ৩৭০ ধারার অবলুপ্তির পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বার বার বলছেন, এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের অর্থই না কি কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ এক কথায় খতম করা। এবার ভূস্বর্গে শুধুই উন্নয়ন শুরু হবে। আপাতত মোদি সরকারের সেটাই লক্ষ্য। সেই মতো গত ১ নভেম্বর সরকারিভাবে পূর্ণরাজ্য জম্মু ও কাশ্মীর ভেঙে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের জন্মও হয়ে গিয়েছে। দুজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর শপথ নিয়ে কাজও শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু কাশ্মীর কি স্বাভাবিক হয়েছে। সেখানকার সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কি ভালো আছে? অজানা আশঙ্কা ও আতঙ্ক মানুষের আত্মবিশ্বাসকে ধ্বংস করে। আর নিরাপত্তাহীন বিপন্ন জীবন তাকে বিপথে যেতে বাধ্য করে। কাশ্মীরে নতুন করে সেই অধ্যায়ই শুরু হচ্ছে না তো?
মোদি ও অমিত শাহের বৈপ্লবিক সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতিতেই গত ৫ আগস্ট সংসদে ঐতিহাসিক কাশ্মীর পুনর্গঠন বিলটি পাশ হয়। আর মাত্র গত শুক্রবারই পূর্ণ রাজ্যের তকমা হারিয়ে গোটা জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে। শুরু হয়েছে নতুন পথচলা। কিন্তু এখনও দেশের সাধারণ মানুষ বিনা বাধায় কাশ্মীরে যাওয়ার ছাড়পত্র পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। নেতানেত্রীদের সুপ্রিম কোর্টের ছাড়পত্র জোগাড় করতে হচ্ছে। পরিস্থিতিটা এতই খারাপ যে আগস্টের পর থেকে বহু এলাকায় দোকানপাট, স্কুল কলেজ, অফিস কাছারি আজও স্বাভাবিক হয়নি। স্কুল খুললেও অজানা আশঙ্কায় কেউ ছেলে মেয়েদের পাঠাচ্ছেন না। দোকানপাট সকালে খুব অল্প সময়ের জন্য খুলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অনেক দোকানে আবার স্থানীয় লোকজন ছাড়া অন্যদের জিনিসপত্রই বিক্রি করা হচ্ছে না। আর এই অন্যায় ও আশঙ্কার কারণেই উৎসব মরশুমেও ভূস্বর্গ কার্যত পর্যটকশূন্য হয়েই থেকে গিয়েছে। একেই বোধহয় বলে অঘোষিত জনতা কার্ফু। যেখানে সাধারণ মানুষ নিজে থেকেই নিজেকে ঘরবন্দি করে রেখে প্রতিবাদ জানায়। সরকারি নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখানো তথা পত্রপাঠ প্রত্যাখ্যান করার এ এক অভিনব উপায়, সন্দেহ নেই। গত তিন মাসে শ্রীনগর বিমানবন্দরে নেমেই ফিরতে হয়েছে অনেককে। পরে অবশ্য দু’একজন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ নিয়ে উপত্যকায় ঢুকেছেন। কিন্তু রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা, পুত্র ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতি এখনও কার্যত অন্তরালেই। বহু ছোট ব্যবসায়ী কাজ হারিয়ে রোজগার হারিয়ে অসহায় দিনযাপন করছেন। সেই আগস্ট মাস থেকে পর্যটন শিল্প মুখ থুবড়ে পড়েছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে কৃষি ও হস্তশিল্পও। এই সব কাজে নিযুক্ত কৃষক, শ্রমিক, হস্তশিল্পী, রাজমিস্ত্রিরা দলে দলে এসেছে ভিনরাজ্য থেকে। এতদিন তাদের সঙ্গে কাশ্মীরের মানুষের শত্রুতা তৈরি হয়নি। কিন্তু এবার বাইরের রাজ্যের লোকেরা জমি বাড়ি সম্পত্তি কেনার আইনি অধিকার পেতে চলেছেন বলে যেই রটছে, তখনই বিদ্বেষের সৃষ্টি হচ্ছে। এই কাশ্মীরি আর অকাশ্মীরি বিভেদ ও দূরত্ব আগামী দিনে আরও বাড়তে বাধ্য। কিন্তু এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সুদূর ব্রাসেলসের একটি এনজিও ও তার প্রধান অখ্যাত ম্যাডি শর্মার আমন্ত্রণে কাশ্মীর দেখতে আসছেন একদল ইউরোপীয় প্রতিনিধি, এটাই অবাক করা ঘটনা। ব্যাপারটা মোটেই সহজবোধ্য নয়। আবার বলা হচ্ছে এটা না কি তাঁদের ব্যক্তিগত সফর! বিরোধীরা স্বভাবতই জোরালো ভাষায় প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন। যদি সরকার এর সঙ্গে যুক্ত নাই থাকে তবে কার অঙ্গুলিহেলনে ‘ওয়েস্ট’ নামে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হল, তা চরম রহস্যাবৃত। দেশের লোকের যাওয়ার অনুমতি নেই অথচ বেমালুম কিছু বিদেশি শুধু শ্রীনগর ঘুরে সর্বত্র শান্তি বিরাজ করছে বলে সার্টিফিকেট দিচ্ছেন, এ বড়ই বেমানান। তার উপর একজন বিদেশি মহিলা সেই সফরের মূল আয়োজক এটাই নানা সন্দেহেরও জন্ম দিতে বাধ্য। যার পরিষ্কার উত্তর সরকারি তরফেও এখনও দেওয়া হয়নি। তবে একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে যতই ঢাক ঢোল পেটানো হোক, উপত্যকায় এখনই জঙ্গি কার্যকলাপ বন্ধ হওয়া দূরঅস্ত! আগামী দিনে ভূস্বর্গে সন্ত্রাস নতুন চেহারায় সামনে আসবে এবং ক্রমাগত সাধারণ মানুষকে বিপন্ন করবে, এই আশঙ্কাই বদ্ধমূল হচ্ছে।  
03rd  November, 2019
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (জিপিএফ)-এর টাকা নিয়ে অনিয়ম আটকাতে পুরো ব্যবস্থাটিকে অনলাইনে এইচআরএমএস পোর্টালে নিয়ে আসা হচ্ছে। অতীতে জিপিএফ নিয়ে সরকারি অফিসে একাধিক অনিয়মের ঘটনা ধরা পড়েছে। ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: শনিবার থেকে রায়গঞ্জের আব্দুলঘাটা ফরেস্টে হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং অ্যান্ড ট্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে দু’দিনের প্রকৃতি পাঠ শিবির শুরু হয়েছে। রায়গঞ্জ, ইটাহার, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে চার থেকে ১৪ বছর বয়সের ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই শিবির শুরু হয়েছে। ...

 অভিমন্যু মাহাত, বারাকপুর, বিএনএ: ‘আমি অনুতপ্ত। ওভারটেক করতে গিয়েই দুর্ঘটনা। আমি এই দুর্ঘটনা ভুলে যেতে চাই। আচ্ছা, ঋষভ এখন কেমন আছে?’ কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ...

ওয়েলিংটন, ২২ ফেব্রুয়ারি: অন্তিম সেশনে ইশান্ত-সামি-অশ্বিনরা যেভাবে লড়াইয়ে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন, তা ভারতের পক্ষে খুবই ইতিবাচক। বাইশ গজে দারুণ জমে যাওয়া কেন উইলিয়ামসন ও রস ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের মানসিক স্থিরতা রাখা দরকার। প্রেম-প্রণয়ে বাধাবিঘ্ন থাকবে। তবে নতুন বন্ধু লাভ হবে। সাবধানে পদক্ষেপ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) অমাবস্যা ৩৭/১৭ রাত্রি ৯/২। ধনিষ্ঠা ১৮/৫৮ দিবা ১/৪৩। সূ উ ৬/৭/২৩, অ ৫/৩৩/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৩ গতে ৯/৫৬ মধ্যে। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ২/৫৮ মধ্যে। 
১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, রবিবার, অমাবস্যা ৩৪/৪২/৪০ রাত্রি ৮/৩/৩৭। ধনিষ্ঠা ১৭/৩৭/৪৩ দিবা ১/১৩/৩৮। সূ উ ৬/১০/৩৩, অ ৫/৩১/৫৮। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ গতে ৯/৪৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ১১/৫১/১৬ গতে ১/১৬/২৬ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৬/৫ গতে ৩/০/৫৪ মধ্যে। 
২৮ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হলদিয়ায় ২ মহিলার আধপোড়া দেহ উদ্ধারের ঘটনার কিনারা
হলদিয়ায় নদীর চরে আধপোড়া দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যে ...বিশদ

08:38:14 PM

হলদিয়ায় দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ধৃত ২ 
হলদিয়ায় নদীর চরে আধপোড়া দুই মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শনিবার ...বিশদ

04:13:53 PM

দঃ দিনাজপুরে বিরোধী শিবির থেকে তৃণমূলে নাম লেখাল ৫০০০ নেতা-কর্মী 
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিজেপিতে বড়সড় ধস। বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের জেলা ...বিশদ

03:59:00 PM

পুরসভা ভোট নিয়ে দিনহাটায় দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী 

03:48:00 PM

তৃণমূলে যোগ দিলেন আব্দুল মান্নানের ভাই 
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নানের ভাই যোগ ...বিশদ

03:24:38 PM

কড়েয়ায় খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ১ 

03:17:00 PM