Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

চীনা সাম্রাজ্যবাদ
সমৃদ্ধ দত্ত

কোনও এক সময় শুরু হয়েছিল অন্ধ্রপ্রদেশে। কিন্তু পরবর্তীকালে প্রধানত বিহারের বিষহরি উৎসবের প্রধান হস্তশিল্প হিসাবে জনপ্রিয় হয়ে যায় মঞ্জুষা। ভাগলপুরে ব্রিটিশ আমলে মঞ্জুষা শিল্প এতটাই খ্যাতি ও বাণিজ্য পেয়েছিল যে, এমনকী ম্যানচেস্টারেও নিয়ম করে যেত ওই সিরিয়াল আর্ট। সেখানে ব্যবহার করা হতো নতুন রূপে। মঞ্জুষার বৈশিষ্ট্য হল প্রত্যেকটি পেন্টিং একটি করে গল্প বলে। সেই মঞ্জুষা আজ ক্ষয়প্রাপ্ত।
৯ মাস সময় লাগে একটি পার্সি গারা শাড়ি তৈরি করতে। ইরানে জন্ম হয়েছিল। তার পর এসে পৌঁছয় ভারতে। পার্সি এমব্রয়ডারি বিশ্বের অন্যতম সূক্ষ্ম এক শিল্পমাধ্যম। পার্সি এমব্রয়ডারিকে কেউ বাঁচিয়ে রাখতে পারেনি। মোটামুটি সমাপ্তই বলা যায়।
ওয়ালেট থেকে মোবাইল পাউচ। বেডশিট থেকে চাদর। একটি বিশেষ টাইপের ডিজাইন সর্বত্র দেখতে পাওয়া যায়। যার জন্মদাতা আদতে নীলগিরি পাহাড়ের পাদদেশে থাকা টোডা উপজাতি। এই মুহূর্তে মাত্র দেড় হাজার টোডা উপজাতি এই আর্ট ফর্মকে বাঁচিয়ে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের সরকার থেকে কোনও সহায়তা করা হয় না। বরং তারা জানতে পারছে সর্বত্র তাদের এই পেন্টিং-এর উপকরণ পাওয়া যায়। অথচ তাদের তো তেমন বিক্রি নেই? তাহলে রহস্যটা কী?
গোটা দেশে মাত্র ৬ জন এখনও রোগান পেন্টিং করে চলেছে। রাজস্থানের কচ্ছ এলাকার ক্ষেত্রি গ্রামের। ৬ ইঞ্জি মেটাল রড আর ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে এই রোগান পেন্টিং শাড়ির উপর আঁকা হয়। আর একজনও নেই এই পেন্টিং নিয়ে কাজ করার। অথবা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। কারণ, কিছু ফরেনার ট্যুরিস্টদের লোকাল ট্যুরিস্টরা নিয়ে আসে আর তাদের কাছেই যা বিক্রি হয়। সরকার থেকে কখনও আগ্রহ দেখানো হয়নি। তাই ওই ৬ জনই রোগান পেন্টিংয়ের শেষ শিল্পী।
রাজস্থানের কাঠপুতলি অথবা ওড়িশার কান্দেরা। কিংবা কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণির মাটির পুতুল। কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০ কোটি টাকার লোকাল ক্লাস্টার প্রকল্পগুলিতে স্থান পায়নি। তাই পুতুল আর খেলনা শিল্প মৃতপ্রায়। এই প্রায় ৩ হাজার বছরের পুরনো হস্তশিল্পটি সম্পূর্ণ চলছে সরকারি প্ল্যানের সহায়তা ছাড়াই।
এই প্রতিটি শিল্পের প্রসঙ্গ উত্থাপনের কারণ কী? কারণ হল, এই প্রতিটি শিল্পের নকলে বাজার ছেয়ে যাচ্ছে। কৃতিত্ব চীনের। অবিকল এই প্রাচীন ভারতীয় শিল্পগুলিকেই চীন প্রমোট করে নিজেদের প্রোডাক্ট বিক্রি করতে সচেষ্টা হয়েছে। এগ্রিকালচারাল প্রোডাক্টস, কটন টেক্সটাইলস, হ্যান্ডিক্র্যাফট—এই উপকরণ একটা সময় পর্যন্ত ভারত থেকেই আমদানি করত চীন। ক্রমেই সকলের অজান্তে সেই অনুপাত বদলে যাচ্ছে। খেলনা, ইলেকট্রিকাল প্রোডাক্ট, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ, গাড়ি, মিল্ক প্রোডাক্ট, সার, অ্যান্টিবায়োটিকস, মোবাইল ইত্যাদি প্রোডাক্ট দিয়ে ভারতের বাজার ভাসিয়ে দিয়েছে চীন, সেটা সবাই জানে। কিন্তু নতুন প্রবণতা হল, ভারত যে উপকরণ চীনকে রপ্তানি করত, এখন সেখানেও হাত বাড়িয়েছে চীন। আর ভারতেরই প্রাচীন শিল্প কিংবা হস্তশিল্পগুলির নকল করে বিপুল পরিমাণে ভারতকেই সাপ্লাই করছে চীন। আর তার ফলে চরম অসাম্যের এক বাণিজ্যিক অনুপাত তৈরি হচ্ছে দিন দিন। কতটা আগ্রাসী হয়েছে চীন? খোঁজ নিলে জানা যাবে ভারতীয় টায়ার কোম্পানিকে পিছনে ফেলে সস্তার টায়ার ভারতে সাপ্লাই করে চীন ক্রমেই বাজার দখল করে নিচ্ছে। এমনকী মাছ ধরার জাল এখন সব থেকে বেশি বিক্রি হয় চাইনিজ নেট। বিগত তিন বছরে ফার্মাসিউটিক্যালস শিল্পে ভারত যে সব দেশ থেকে আমদানি করেছে ওষুধ নির্মাণের উপকরণ, তার মধ্যে এক নম্বর দেশের নাম চীন। শুধু খেলনা শিল্পের দিকে তাকালে রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হবে। ভারতের ৮০ শতাংশ খেলনা বাণিজ্যই নিয়ন্ত্রণ করে চীন। মাত্র ২০ শতাংশ আসে অন্য দেশ থেকে। বণিকসভা অ্যাসোচেমের রিপোর্ট অনুযায়ী বিগত ৫ বছরে ৪০ শতাংশ ভারতীয় খেলনা কোম্পানি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ভারতের আমদানি করা মোবাইলের মধ্যে ৫২.৬ শতাংশ স্মার্টফোন আসে চীন থেকে। যে ক্রিকেট নিয়ে আমরা অত্যন্ত গর্বিত থাকি বিশ্বের সেরা র‌্যাঙ্কিং নিয়ে সেই ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমের স্পনসরশিপ রাইট ২০২২ সাল পর্যন্ত নিয়ে রেখেছে চীনের মোবাইল সংস্থা ওপ্পো। প্রশ্ন হল, চীনের এই আগ্রাসন ঠেকানো কি সম্ভব নয়? ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের বিধি অনুযায়ী কোনও দেশকে রপ্তানি করা থেকে অন্য কোনও চুক্তিবদ্ধ দেশ নিষিদ্ধ করতে পারে না। একমাত্র সম্ভব যদি কোনও সিকিউরিটি অথবা হেলথ সংক্রান্ত সমস্যা থাকে। ভারত ২০১৭ সালে ঘোষণা করেছিল যে সব মোবাইলের আইএমইআই নম্বর থাকবে না সেই সব চাইনিজ কোম্পানির মোবাইল ভারতে রপ্তানি করা যাবে না। চীন মেনে নিয়েছিল। এবং শান্ত ভাবে পাল্টা প্রত্যাঘাত করে ভারতের কিছু দুগ্ধজাত পণ্য নিষিদ্ধ করেছিল চীনে। কারণ স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। যা ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় আঘাত।
সম্প্রতি ভারতবাসী মিডিয়ায় একটি সংবাদ পাঠ করে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে উৎফুল্ল হয়েছে। সেটি হল, স্যামসাং এবং অ্যাপল তাদের চীনের প্রোডাকশন ইউনিটগুলি বন্ধ করে দিয়ে ভারতে চলে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ভেবে নিলাম এটা বোধহয় চীনকে জোর ধাক্কা দেওয়া গেল। আদতে উল্টো। চীনের ডোমেস্টিক মার্কেটে চীনের প্রথম সারির পাঁচটি মোবাইল সংস্থাই এত জনপ্রিয় যে অ্যাপল কিংবা স্যামসাং-এর প্রোডাক্ট বিক্রি হচ্ছে না। তাই তারা বাধ্য হয়ে ভারতে চলে আসছে। কারণ ভারত নিজেদের সম্পর্কে খুব উচ্চ ধারণা পোষণ করে, অথচ আজ পর্যন্ত এটা বিশ্বব্র্যান্ডের স্মার্টফোন পর্যন্ত তৈরি করতে পারল না। চীনের পাঁচটি মোবাইল কোম্পানির ব্র্যান্ড বিশ্বজয় করে চলেছে। ভারত মনপ্রাণ ঢেলে ফেক নিউজের গবেষণা করে, অথচ এখনও নিজস্ব একটা সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করতে পারল না। এখনও আমাদের জনপ্রিয়তম সার্চ ইঞ্জিন আমেরিকার গুগল, আমাদের জনপ্রিয়তম সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম আমেরিকার ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, ট্যুইটার। চীন এ সবের তোয়াক্কা করে না। তাদের নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া আছে।
এ সব বলার অর্থ হল, সারা বছর পাকিস্তানকে ভিলেন, হিন্দু বনাম মুসলিম, ঘটি বানাম বাঙাল, ৩৭০ আর রামমন্দির নিয়ে বিপুল এনার্জি ক্ষয় করে করে আমাদের আর নিজের দর তথা বিশ্ববাজারে বাণিজ্যিক ওজন ও স্ট্যাটাস বাড়ানোর কোনও ইচ্ছাই অবশিষ্ট থাকে না। ভারতে যখন বিভিন্ন বড় বড় দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা আসেন, আমরা ভাবি আমাদের বিরাট গুরুত্ব। আসলে একটু তলিয়ে দেখলে বুঝতে পারব, আমরা নেহাৎ একটা সার্বিক ক্রেতা। তাই আমাদের নানা ভাবে প্রশংসা করে হরেক রকম বিক্রেতার দল প্রোডাক্ট বিক্রি করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার নিয়ে চলে যায়। সেই প্রোডাক্ট কখনও অ্যাপাচে হেলিকপ্টার। কখনও রাফাল। কখনও সারফেস টু এয়ার ক্রুজ মিসাইল, কখনও স্যামসাং, কখনও অ্যাপল। আমাদের এ রকম মেক ইন ইন্ডিয়া প্রোডাক্ট কটা বিদেশি রাষ্ট্র ক্রয় করে?
চীন সম্পূর্ণ নিজেকে ফোকাস রেখে এগচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর ক্ষমতাসম্পন্ন রাষ্ট্র হওয়ার জন্য। কীভাবে? এশিয়া, আফ্রিকায় বৃহত্তম রপ্তানিকারী বাণি঩জ্যিক দেশ হওয়ার লক্ষ্যে চায়না পাকিস্তান ‌ইকনমিক করিডর চীনের সর্বাপেক্ষা তাৎপর্যপূর্ণ প্রকল্প। ভারত যখন কাশ্মীর, নিয়ন্ত্রণরেখা, তিন তালাক, ইংরেজি বনাম হিন্দির আলোচনায় মত্ত, তখন চীন ক্রমেই জট ছাড়াচ্ছে ইকনমিক করিডরের। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী, চীন এই করিডরে পাকিস্তানের সাড়ে ৬ হাজার একর কৃষিজমি লিজে নিয়ে নিয়েছে। সেখানে হবে ১৭টি প্রকল্প। সাড়ে ৮ লক্ষ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন সার কারখানার আস্ত প্ল্যান্ট হবে। ১০ লক্ষ টন শস্য ও সব্জি প্রক্রিয়াকরণ প্ল্যান্ট তৈরি হচ্ছে। পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সাহিওয়ালে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হবে। ১৯৫০ সালে মাও সে তুং জিংজিয়াং প্রদেশকে গড়ে তুলেছিলেন রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্র মডেলে। ঠিক সেই মডেলে পাকিস্তানের মধ্যেই একটি পৃথক চীনা বাণিজ্যিক রাষ্ট্র গড়ে তুলছে চীন। আর সেটা পাকিস্তানের পক্ষে সহায়ক। কারণ, প্রতিটি ক্ষেত্রে পাকিস্তান বিপুল ভাবে আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। এর ফলে ক্রমেই পাকিস্তানের আমেরিকা নির্ভরতা কমছে। বালুচিস্তান আর খাইবার পাখতুনওয়ালায় খনিজ সম্পদের অধিকার চীন নিয়ে নিচ্ছে পাকিস্তানের থেকে। এমনকী ওই এলাকার স্বর্ণখনির দিকে তাকিয়ে চীন এখানে গড়ে তুলছে মার্বেল ও গ্রানাইট প্রসেসিং সাইট। পাকিস্তানের গদরে চীন ইতিমধ্যেই একটি বন্দর বানিয়ে ফেলেছে। পশ্চিম এশিয়া আর আফ্রিকার দেশগুলিতে পণ্য রপ্তানির লঞ্চপ্যাড এই গদর বন্দর। আর গদর বন্দরের সঙ্গে যোগস্থান করা হয়েছে কারাকোরাম হাইওয়ের। গদর বন্দরেই চীন গড়ে ন্যাভাল বেস। অর্থাৎ নৌবাহিনীর কেন্দ্র। গালফ অব আদেনের জিবুতির পর এটাই হবে চীনের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক নৌবাহিনী কেন্দ্র। যা ভারতের কাছে বিপজ্জনক।
এই তথ্যাবলি সকলের জানা। এই তথ্য থেকে যে গোপন বার্তাটি বেরিয়ে আসছে তা হল আমরা কথায় কথায় পাকিস্তানকে নিয়ে হাসাহাসি করি, কটাক্ষ করি, ব্যঙ্গ বিদ্রুপ করি, একবারও তো ভাবি না যে এত আন্তর্জাতিক নিন্দা সমালোচনা সত্ত্বেও পাকিস্তান কেন বহাল তবিয়তে একই ভাবে জঙ্গি সাপ্লা‌ই করে যাচ্ছে? কীসের জোর পাকিস্তানের? জোর হল, চীনের এবং আমেরিকারও। আমেরিকা ভারতকে খুশি করতে হোয়াইট হাউস থেকে পাকিস্তানকে নরম গরম বকুনি দেয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত বিপুল আর্থিক কিংবা কূটনৈতিক ধাক্কা পাকিস্তান খায়নি। নাম কা ওয়াস্তে কিছু প্রতীকী নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়। কিন্তু দেখা যায় পাকিস্তান যথারীতি আমেরিকা থেকে সব রকম অস্ত্র ও বাণিজ্যিক লেনদেন করে চলেছে। আর পাকিস্তানের একটা বিরাট অংশ কার্যত চীনের কলোনিতে‌ই পরিণত হয়েছে। সুতরাং চীন নিজের স্বার্থেই পাকিস্তানের সঙ্গে চিরকাল থাকবে। চায়না পাকিস্তান ইকনমিক করিডর হয়ে গেলে আগামী দিনে চীন আরও বিপুল পরিমাণ পণ্য সাপ্লাই করবে ভারতে। আমাদের অভ্যন্তরীণ মার্কেট ক্রমেই ধ্বংস হবে। চীনের আগ্রাসনের প্রতিরোধ করতে আমাদের পাল্টা প্ল্যান কী?
প্রতিরক্ষা এবং বাণিজ্য, আন্তর্জাতিক পাওয়ার স্ট্রাগলে ক্ষমতার এই দুই প্রধান ভরকেন্দ্রের ক্ষেত্রেই চীন নিজেদের শক্তিতে বলীয়ান। আর আমরা সামরিক শক্তিতে বিদেশের থেকে ক্রয় করা অস্ত্রের উপর নির্ভরশীল আবার বাণিজ্য তথা অর্থনীতিতেও চরম মন্দায় আক্রান্ত। এই তথ্যটা কিন্তু তাবৎ বিশ্ব বুঝতে পারছে। অতএব, নন-সিরিয়াস বিষয় নিয়ে দিনভর মাতামাতি করার তুলনায় এখনই সরকারের উচিত ভারতের প্রকৃত শক্তিবৃদ্ধি করার কোনও সঠিক প্ল্যান করা! না হলে আগামীদিনে হয়তো ভাইফোঁটায় চীনের রসগোল্লাই বেশি করে বাজার দখল করবে! আবার আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও চীনই হবে বৃহত্তম শক্তি! সমস্যা হল, অর্থনীতি, বিদেশনীতি, কূটনীতি নিয়ে ভারত যে কী ভাবছে, সেটা‌ই স্পষ্ট নয়! রাজনৈতিক ঘোষণা, বিজ্ঞাপনে, সরকারি বিবৃতি অনেক হল। এবার আমরা সত্যিকারের শক্তিশালী হতে চাই ঘরে বিশ্বের দরবারে! সরকার কি পারবে? তারা নিজেরা কী ভাবছে নিজেদের ক্ষমতা সম্পর্কে? এটা জানা দরকার!
01st  November, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
একনজরে
 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়। হাওড়া: এবার আর ব্লক অফিসে নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরে জেলা প্রশাসনের সমস্ত বিভাগকে নিয়ে গিয়ে বৈঠক করতে হবে জেলাশাসকদের। বছরে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত তিন থেকে চারবার যাতে এই বৈঠক করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ...

ইন্দোর, ১৬ নভেম্বর: ইনিংস জয়ের হ্যাটট্রিক করে ফেলল ‘টিম ইন্ডিয়া’। গত সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ও তৃতীয় টেস্ট ইনিংসের ব্যবধানে জিতেছিল কোহলি বাহিনী। সাফল্য ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ ও মজুত রাখা সংক্রান্ত পরিকাঠামো গড়তে উৎসাহী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে তাদের। ওই প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে বলে শনিবার দাবি ...

 কলম্বো, ১৬ নভেম্বর: অপ্রীতিকর নানা ঘটনার মধ্যেই শনিবার সম্পন্ন হল শ্রীলঙ্কার ভোট। আর এই ভোটে শ্রীলঙ্কার দিকে বিশেষ নজর ছিল ভারতের। ভারতের মূল চিন্তা মহিন্দা রাজাপাকসে। যদি তাঁর দল পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে, তাহলে তা ভারতের জন্য খুব ভালো হবে না, ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাবে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড 

04:12:19 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের আমিরাবাদ গ্রামে ট্রাকে আগুন লাগাল জঙ্গিরা 

03:21:29 PM

আইসিসি টেস্ট বোলারদের তালিকায় প্রথম দশে স্থান পেলেন মহঃ সামি 

03:21:00 PM

ইকো পার্কে জলে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের 

03:11:00 PM

কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীকে
চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। ...বিশদ

02:56:00 PM

পঃ বর্ধমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তি ভাঙার অভিযোগ
শনিবার রাতে পশ্চিম বর্ধমানের মানকর স্টেশন রোড এলাকায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ...বিশদ

01:23:59 PM