Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অতঃ কিম্‌
মেরুনীল দাশগুপ্ত

প্রশ্নটা অনিবার্যভাবেই উঠছে। চারদিকের পরিবেশ পরিস্থিতিই সাধারণ জনমনে প্রশ্নটা তুলে দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, কখনও-সখনও অপ্রত্যাশিত ঘটনার আকস্মিক ধাক্কায় প্রশ্নটা জিজ্ঞাসার সীমা ছাড়িয়ে কার্যত আমাদের বিস্ময়ে বিহ্বল করে দিচ্ছে। হচ্ছেটা কী! পুলওয়ামার অমন ভয়ঙ্কর কাণ্ড হল, উরি হল, তারপর দু-দুটো সার্জিকাল স্ট্রাইক হল, পরমাণু বোমা নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপান উতোর চলল কিছুদিন, স্পষ্ট বোঝা গেল— কেবল সামরিক সামর্থ্যেই নয় দেশের সংহতি ও অখণ্ডতা রক্ষার নীতিগত দিক থেকেও ভারত এখন অনেক কঠিন কঠোর অনেক বলশালী, ঢিল মারলে পাটকেলের চেয়েও বিধ্বংসী কিছু প্রাপ্তি অসম্ভব নয় এবং ভারতের এই অবস্থানকে সন্ত্রাস-বিরোধী বিশ্ব একবাক্যে সমর্থন জানাল, আমেরিকা রাশিয়া ফ্রান্সের মতো শক্তিধরেরা সন্ত্রাস দমনে ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিল, ক’দিন আগে সিরিয়ার বরিশা গ্রামে মার্কিন বাহিনীর হাতে আইএসের প্রধান বাগদাদি নিকেশ সেই বার্তার যাথার্থ্যও বুঝিয়ে দিল স্পষ্ট করে, তার আগেই আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্র সংঘ-সভায় তাদের সন্ত্রাস-বিরোধী অবস্থানের দুর্বলতার জন্য রীতিমতো নিন্দিত সমালোচিত হল, কাশ্মীরে সীমান্ত সন্ত্রাস বন্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাক সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ল, হুঁশিয়ারিও উড়ে আসতে লাগল— তারপরও ফের এক ব্যাপার!
আবার জঙ্গি হানা! আবার রক্তাক্ত কাশ্মীর! আবার পাঁচ-পাঁচটা নিতান্ত নিরীহ নিরপরাধ তাজা প্রাণ চলে গেল! এবং ঘটনাচক্রে হতাভাগ্যদের পাঁচজনই এই বাংলার বাসিন্দা। কী অপরাধ করেছিল তারা? পেটের জ্বালা ঘর-সংসারের দায় মেটাতে দুটো টাকা রোজগারের আশায় তারা গিয়েছিল দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাঁওয়ে আপেল বাগানের কাজে। একদা শান্তির ভূস্বর্গ যে এখনও যথেষ্ট ভয়ঙ্কর সেকথা কে না জানেন? কিন্তু সেই ভয়ঙ্করের জঙ্গি বীভৎসতা যে আপেল বাগানও এভাবে রক্তাক্ত করে দেবে তা হয়তো বিশ্বাস করতে পারেনি ওই পাঁচ হতভাগ্য। অবশ্য এই পাঁচজনই নয়, গত কয়েকদিনে জঙ্গিদের হামলায় আরও জনাপাঁচেক প্রাণ হারিয়েছেন ওই কাশ্মীরেই। এই হতভাগ্যদের কেউ ট্রাক চালক কেউ ব্যবসায়ী কেউ সামান্য শ্রমিক। গত সোমবার উত্তর কাশ্মীরের সোপরে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কুড়িজনেরও বেশি ঘায়েল হলেন। এদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক! হয়েই চলেছে! দেখে শুনে মনে হচ্ছে, ওই জঙ্গিদের কাছে কে কী বলছে থোড়াই কেয়ার! বিশ্বজোড়া প্রতিবাদ আমেরিকা রাশিয়ার মতো শক্তিধরদের হুঁশিয়ারি ভারতের কড়া মনোভাব সশস্ত্র প্রতিক্রিয়া— কোনও কিছুকেই যেন তোয়াক্কা করছে না ওই নরকের কীটগুলো! ভূস্বর্গ জুড়ে নিরীহ মানুষ খুনের নারকীয় কাণ্ড ঘটিয়েই চলেছে!
কিন্তু, ভারতই হোক কি আমেরিকা রাশিয়া— সামরিক শক্তির তো অভাব নেই! ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কাশ্মীরে যাতে অশান্তি ছড়াতে না পারে তার জন্য বিপুল সংখ্যায় সেনা সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে। কাশ্মীরি জনতার নিরাপত্তার স্বার্থে যে যে ব্যবস্থা করা দরকার সেনাবাহিনী সব করেছে। অন্তত খবর তেমনই। অবশ্য, সেই ‘ব্যবস্থা’ নিয়ে নানা মহলে ইতিমধ্যেই নানা সন্দেহ সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। জঙ্গি দমনের নামে তল্লাশির নামে সেখানে নাকি আম পাবলিককে হেনস্তা করা হচ্ছে, নানান কড়াকড়ি বাড়াবাড়িতে স্বাভাবিক জনজীবনের অভাবে ধুঁকছে গোটা রাজ্য ইত্যাদি ইত্যাদি নানাবিধ অভিযোগের ফলঝুরি ৩৭০ বিলোপের পর থেকেই ঝরছে! সে সবের সত্যতা কতটা আছে বা নেই সেই বিতর্কে যাচ্ছি না। কিন্তু, একটা প্রশ্ন মনে জাগছেই— এত বজ্র আঁটুনির মধ্যেও কি গোরো আলগা আছে কিছু? না হলে সোপরে বাসস্ট্যান্ডে গ্রেনেড ছুঁড়ে কী করে পালায় জঙ্গি? সাম্প্রতিকে দেখা যাচ্ছে জঙ্গিরা সাধারণ মধ্য বা নিচুতলার মানুষজনকেই টার্গেট করছে— বাস ড্রাইভার, শ্রমিক, ছোট-মাঝারি ব্যবসায়ী ইত্যাদি। তো, এ সত্য যদি সামান্য কটা খবর পড়ে লোকে এই বাংলায় বসে বুঝতে পারেন তবে ঘটনাস্থলে প্রহরারত ভারতের দুর্দান্ত চৌখস সেনাবাহিনী ও তাঁদের কর্তারাও নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। তাহলে দিনের পর দিন এই অকারণ প্রাণহানি রোধ করা যাচ্ছে না কেনও?
কেউ কেউ বলছেন, রাজনীতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিশেষ করে এই অভিযোগ উঠেছে। ওই সমালোচকদের বক্তব্য, নির্বাচন এলেই নাকি কাশ্মীরে অশান্তি ছড়ায় আর তা ঠেকাতে সেনা সক্রিয় হয়! সম্প্রতি মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার নির্বাচনের দিকে লক্ষ রেখেই নাকি কিছুদিন আগে সীমান্তে ফের গোলাগুলি চলেছে। যাঁরা এই কথা বলেছেন, তাঁরা ভোটফল বেরনোর পর আর তেমন রা কাড়ছেন না। তার কারণটি বলা বাহুল্য। দুই রাজ্যের কোনওটিতেই নরেন্দ্র মোদিজি’র পদ্ম বাহিনী প্রত্যাশিত ফল পায়নি। দুই রাজ্যে বিজেপি’ই সরকারে থাকবে কিন্তু তার পথ এবার অন্তত কুসুমাস্তীর্ণ হল না— যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হল। কেন হল? যদি কাশ্মীর এবং জঙ্গি ইস্যু দিয়েই ভোট জেতা যেত তাহলে তো হওয়ার কথা নয়। কেউ কেউ বলছেন, ওই দুই রাজ্যে যথেষ্টভাবে মোদিজিকে ব্যবহার করা হয়নি তাই ঠিকঠাক ফল ফলেনি। এবং এতদ্বারা নাকি এটাই প্রমাণ হয়— মোদিজি ছাড়া বিজেপি অচল। ইন্দিরা গান্ধীর আমলে একসময় যেমন ধুয়ো উঠেছিল— ইন্দিরা ইজ ইন্ডিয়া তেমনি ওঁরা বলতে চান— বিজেপি মানেই মোদিজি।
কিন্তু, মুশকিলটা হল— এঁরা কেউ ভোটদাতা জনতার মুখের ছবিটা খেয়াল করছেন না! করলে দেখতে পেতেন সেখানে দেশ জোড়া মন্দার ছায়া কতটা ঘনীভূত, সেই ছায়ায় কালোমুখ মানুষ তাঁদের ঘর সংসার পরিবার পরিজনের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় কতটা গ্রস্ত। তাঁরা অনেকেই জানেন, বিশ্ব বাজার জুড়েই এখন একটা মন্দার হাওয়া বইছে। কিন্তু তাঁদের একাংশের বক্তব্য মনমোহন সিংয়ের আমলে আমেরিকার মতো মহা অর্থনীতি যখন মন্দায় কাহিল হয়েছে ভারত তখনও বহাল তবিয়তে কাজকাম ব্যবসা-বাণিজ্য চালিয়ে গেছে। এখন তবে কী হল? কেন অর্থনীতি নিয়ে এত সংশয়? নোবেলজয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য এক্ষেত্রে ইন্ধন জুগিয়েছে আরও— তাহলে কি সত্যিই এ দেশে গরিবের অর্থ সামর্থ্য বাড়েনি!? সেজন্যই বাজার ক্রমশ রুগ্ন হয়ে পড়ছে? অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে একটি ব্যাঙ্কের ঘট উল্টোনো থেকে বিএসএনএল সমেত সর্বত্র বেসরকারিকরণের জল্পনা গাড়ি শিল্পে মন্দা সোনার দাম লাফিয়ে বাড়া ইত্যাদি প্রভৃতিতে একটা যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে দেশ জুড়ে তা-ই বা অস্বীকার করবেন কে?
আজকাল পথেঘাটে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, লোকে বলছে— কী চাইছেন বলুন তো?! গরিব মধ্যবিত্তরা কি দেশে থাকবে না? হু হু করে সবকিছুর দাম বেড়ে যাচ্ছে, কলকারখানা বন্ধ, তার জমিতে বিশ-চল্লিশ তলা উঠে যাচ্ছে, কোটি কোটিতে বিকোচ্ছে মুনাফা উঠছে! স্থায়ী চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়েও নিশ্চিন্তে থাকা যাচ্ছে না— বেসরকারিকরণের খাঁড়া ঝুলছে রেলের মতো বিশ্বের সর্ববৃহৎ সরকারি প্রতিষ্ঠানে! শিক্ষা বিশেষত উচ্চশিক্ষাও মহার্ঘ থেকে মহার্ঘতর হয়ে যাচ্ছে রোজ প্রতিদিন! তাহলে কি গরিব, মধ্যবিত্তের ঘরের ছেলেমেয়েরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে না ভবিষ্যতে! কী চাইছে বলুন তো সরকার? সরকার বলছে, ভালো দিনের কথা। ভালো দিন নিশ্চয়ই চাই। কিন্তু, তার নমুনা কি এই— চারদিক জুড়ে কেবল সমস্যা আর সমস্যা! আমার এক বন্ধু বলছিলেন, একদম ঠিক। লোকে এবার জানতে চাইছে। চাইবে না? সামান্য একটা ভিটামিন সি ট্যাবেলেটের ১৫টার পাতা ছিল ১৫ টাকা। এক লাফে সেটা হয়েছে ৬০ টাকা! আর একটা কী কাশির সিরাপ শুনলাম ৩০ টাকা থেকে এক ধাক্কায় একশো! শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয় কিন্তু, গোটা দেশেই। সুতরাং, গোটা দেশের সাধারণ মানুষের ভাবনা আমাদের থেকে আজ আর আলাদা নয়। ভোটে এই ভাবনারই প্রতিফলন ঘটছে। মহারাষ্ট্র হরিয়ানাতেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আসলে আজকাল মানুষ কী ভাবছে সেটা ভাবেন ক’জন নেতা? সকলে তো ধরেই নিয়েছেন— এ আমার লোক আর ও ওদের। ব্যস। হয়ে গেল। কিন্তু এই হিসেব আর বেশি মিলবে না। আমার বন্ধুটির এই মন্তব্য এককথায় উড়িয়ে দেওয়া যায় কি? বিদ্বজ্জনেরা কী বলবেন জানি না তবে সাধারণজনেরা এই কথাগুলোই রাস্তাঘাটে আলাপে আড্ডায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলছেন। তাঁরা এও বলছেন, কাশ্মীরে এত সহজে স্বচ্ছন্দে সন্ত্রাসের এমন উপদ্রবের কারণগুলো সংশ্লিষ্ট সকলে জানেন। সে সব নিয়ে বিস্তর রচনাবলি লিখিত ও পঠিত হয়েছে। নতুন করে বলার নেই। বলার যেটা তা হল— এখনও কারণগুলো যথারীতি আছে, ভূস্বর্গে সন্ত্রাসের সূচনার এত এত বছর বাদেও! এবং, তার জন্যই কাশ্মীর উপত্যকা জুড়ে সীমান্তের এপারে-ওপারে সারাক্ষণ একটা চাপা উত্তেজনার বাতাবরণ, গোলাগুলি সেনা কারফু বিপর্যস্ত জীবন আর একের পর এই ঘটনায় বলি হচ্ছেন সাধারণ মানুষজন! শেষ বলি বাংলার পাঁচ হতভাগ্য।
বাঙালির পুজো মরশুম প্রায় শেষ। মহামায়ার আবাহন বিসর্জন কেন্দ্র করে বাঙালির ঘরে বাইরে যে মহোৎসবের সূচনা হয়েছিল, বান ডেকেছিল আনন্দের তার রেশ এখন অনেকটাই ফিকে। এবং, গত রবিবার মা কালীর বন্দনা শেষে আর পাঁচটা বছরের মতো এবারও ছুটি ফুরনো কাজের বাঁশি বেজে উঠেছে গোটা বঙ্গে। আফিস কাছারি থেকে বাণিজ্য ফিরতে শুরু করেছে চেনা ছন্দে। কিন্তু, মুর্শিদাবাদে ওই পাঁচ হতভাগ্যের পরিবার কি সহজে ফিরতে পারবে জীবনের চেনা ছন্দে? তার চেয়েও বড় কথা, এভাবে আর কতদিন! আর কত ঘর খালি হলে কাশ্মীরে জঙ্গি যন্ত্রণা মিটবে, ভূস্বর্গ ফিরে পাবে তার মহিমা! উত্তর মেলে না। অপেক্ষার রাত শুধু বেড়ে যায়। অতঃ কিম্‌।
31st  October, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আজ, সোমবার থেকে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির খোলার কথা ঘোষণা করা হলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করল মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভক্তদের জন্য এখনই মন্দির খোলা হবে না। ...

 সুখেন্দু পাল, বহরমপুর: সালাউদ্দিন পর্দার আড়ালে যেতেই রাজ্যে জেএমবির সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিল আব্দুল করিম। সামশেরগঞ্জে বসে সে বাংলাদেশেও জেএমবির সংগঠন মনিটরিং ...

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: গঙ্গারামপুর পুরসভায় প্রশাসক বোর্ড দায়িত্ব নিয়েই শহরের জল প্রকল্প ও নিকাশি নালার কাজের উপর জোর দিল। গত ২০ মে পুরসভায় তৃণমূল পরিচালিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের নির্দেশে পাঁচ জনের প্রশাসক বোর্ড ২৩ মে দায়িত্ব নিয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গত ২৪ ঘণ্টায় গুজরাতে করোনা আক্রান্ত আরও ৪৩৮ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৭৯৪ 

31-05-2020 - 09:35:59 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,৪৮৭ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭,৬৫৫ 

31-05-2020 - 09:16:18 PM

রাজস্থানে করোনা পজিটিভ আরও ২১৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৮৩১ 

31-05-2020 - 09:08:26 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ১,১৪৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২,৩৩৩ 

31-05-2020 - 06:59:00 PM

জলপাইগুড়িতে ৩২ লক্ষ টাকার বেআইনি মদ উদ্ধার 
অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে বিপুল পরিমাণ ...বিশদ

31-05-2020 - 06:46:00 PM

মাধ্যমিক: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খাতা জমা দেওয়ার হুঁশিয়ারি পর্ষদের 
এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা জমা না দেওয়া পরীক্ষাকদের চরম হুঁশিয়ারি ...বিশদ

31-05-2020 - 06:45:35 PM