Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উৎসবের সুন্দরবন
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

কত কত আরামের মুড়ি-মুড়কি খুঁটতে খুঁটতে অবশেষে আমরা ফুরিয়ে ফেললাম পাঁচ-পাঁচটা দিন—ষষ্ঠী, মহাসপ্তমী ইত্যাদি, কোজাগরী, কালীপুজোটাও। মানুষ দেখল কত সোনার মা, রুপোর মা, তামার মা-কে, দেখল আলোর খেলা, থিমের পৃথিবী। চারপাশটা যখন এমন খুশির জোয়ারে ভরা, তখন উৎসবের ভিড়ে কেমন দেখেছেন সুন্দরবনটাকে? দেখেছেন কি ওখানকার ১৯টি ব্লকের অন্যতম দুটিকে—হিঙ্গলগঞ্জ-মিনাখাঁকে? ওখানকার মানুষের মুখগুলোতে এবার ছিল চাপা একটা কষ্ট। মুখ থেকে তবু হাসিটা মিলিয়ে যায়নি। কারণ নানান দুর্যোগে ওদেরকে বলতে শোনা যায়, ‘‘গাঙ আমাগো কত ভাসাবে ভাসাক। আমরা ভেসেই থাকপো, তাই বলে মরতিচি নে। তিন দিন বুক জলে দাঁড়িয়েও বাঁচতি পারি।’’ কথাগুলো ঠিকঠাক। এবারও তাই হল। এই উৎসবে ওরা জলেও ভেসেছে, উৎসবেও ভেসেছে। গোসাবার সাত জেলিয়ার এক জঙ্গল বিধবা (যার বর জঙ্গলে গিয়ে বাঘের খাদ্য হয়ে যায়) বলেছিল, ‘‘বাঘ-কুমির-হাঙরেও আমাগো কিচ্ছু করতি পারবে না। এই দেখো গো বাবুরা, আমরা বেঁচে আছি।’’ কথাটা সত্যি। ওরা বিধবাও হয়, বিপত্নীকও হয়ে যায়। বেঁচেও থাকে কষ্টে।
হাতে হাতে দেখুন না, এই এবারের মহাপঞ্চমীতে (০৩.১০.১৯) সহদেব হয়ে গেল বিপত্নীক। গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার কাছাকাছি ধন঩চি জঙ্গলে ওরা দুই লোকে গিয়েছিল কাঁকড়া ধরতে। নদীর চরে কাঁকড়া ধরছিল। আঙুরবালাকে টেনে নিয়ে গেল কুমিরে। উৎসবের মরশুমে দুই বেচারি বেরিয়েছিল কিছু পয়সা কামাতে, পুজোর বাজারটা একটু এনজয় করবে বলে। সেটা আর হয়ে উঠল না। বড় ধাক্কা পেল সহদেব। ওর অতএব কেমন কাটল উৎসব? বড় বিষণ্ণ। শুনেছি বন্ধুরা ওকে জোরজার করে নিয়ে গেছে উৎসবের ভিড়ে। ঝড়খালির ৪নং নেহরুপল্লির এক বেচারি মহালয়ার প্রাক্কালে (২৬.০৯.১৯) যাচ্ছিল হেড়োভাঙা নদীতে মাছ কাঁকড়ার সন্ধানে। এ সময়ে কার না একটু রোজগারের ধান্দা থাকে। কিন্তু, বেচারির রোজগার উঠল মাথার কাটে। পথে দেখল বাঘের পায়ের ছাপ। অমনি ভয়ে সেঁধিয়ে গেল ঘরের মধ্যে। আর এক বেচারি শাকিলা। ওর এবার মুখ ভার। মহাষষ্ঠীর দিন হারাতে হল বরকে। সকালে দুজনে ক্যানিং থেকে অটোয় যাচ্ছিল বাসন্তী। হাসপাতালের সেরা ঠাকুরটাও (এবার ওটা সেরা হয়েছে) হয়তো দেখে নিতে পেরেছিল। মাতলা-সেতুর উপর ওদের অটোটা আসতেই একটা বাস এসে শাকিলার বরকে ছিটকে ফেলে দিল। সইফুদ্দিন আর বাঁচল না। শাকিলা আর কোন মুখে পুজোর বাজার ঘুরবে বলুন। বাড়ির লোকজন তবু ওকে একলা ঘরে রাখেনি। দশমীর দুদিন পর সত্যনারাণপুরের (গোসাবা) কার্তিকটাও পড়ল বাঘের সামনে। পেটের টানে গিয়েছিল পিরখালির জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে। উৎসবের শেষাংশটুকুর ওম তার আর পাওয়া হল কই।
সোদপুরে এবার ঠাকুর দেখতে গেছেন? ওখানকার ওয়াটার-সাইড পুজোমণ্ডপে এবারের থিম ছিল বনবিবি দুর্গা। সেখানে দেখানো হয়েছে সুন্দরবনের কাঠুরে-মৎস্যজীবীদের জীবন। থিম দেখে কতটুকুই বা বুঝবেন ওদের। প্র্যাকটিক্যালি মৎস্যজীবীরা ট্রলার-ডুবিতে কত যে মরছে, জঙ্গলে যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে কত যে ওদের ভোগান্তি-অশান্তি! অবশ্য উৎসবের মুখে (২১.০৯.১৯) জেলা প্রশাসন কাকদ্বীপে গিয়ে এফডি নয়ন ও দশভুজা নামের ট্রলার দুটির নিখোঁজ ২৩টি মাছ-মারা পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ২ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। এটাই বা মন্দ কী! তবু পরিবারগুলো সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েছে। কিন্তু উৎসবে কিছুটা চাঙ্গা হলেও হয়েছে তারা।
এখানে যখন-তখন ওত পেতে থাকে বিপদ। নোনা গাঙগুলো নিয়ে আরেক জ্বালা। মুড়িগঙ্গা-রায়মঙ্গল-কালনাগিনী-কলাগাছিগুলো যেমন ভালো তেমনি খারাপ। ওরা উৎসব বাছে না। মনে করল তো বাঁধ ভাঙল। অবশ্য দীর্ঘদিন ওরা সিনক্রিয়েট করেনি। ভদ্রলোকের মতো তিরতির বয়ে গেছে। কী কোটালে, কী ষাঁড়াষাঁড়িতে। সেই যে গত মার্চে (২১.০৩.১৯) পর্ণিমার কোটালে সাগর-নামখানার কেটোখালি, বালিয়াড়া সাউথঘেরিতে, গোসাবার পাখিরালয়ে বাঁধ ভাঙল, তারপর থেকে এই এবারের মধ্য-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একদম লক্ষ্মী ওরা। মাঝখানে মে মাসে ‘ফণি’ আসতেই কাকদ্বীপ-নামখানা-মৌসুনি-ঘোড়ামারাদের ঊরু একটু কেঁপেছিল, কিন্তু প্রশাসনিক নজরদারিটা ছিল বলে পারা। উত্তরবঙ্গের মহানন্দা ফুলহার এত কাণ্ড করল কিন্তু নোনা গাঙগুলি বেগড়বাই করেনি। অবশেষে শেষ রক্ষে হল না। মিনাখাঁর বিদ্যে নদী, জগন্নাথ খাল কোনও তেরিমেরি করল না, করল বুড়িনদীটা। ভাঙবি ভাঙ জুলাই-আগস্টে ভাঙ, ভাঙলি উৎসবের মুখে? রাতের জোয়ারেই (২৮.০৯.১৯) খেল শুরু করে দিল বুড়ি। সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েই পরের দিন দুপুরে হুড়মুড়িয়ে জল ঢোকাল কোকিলপুর কচুরহুলো গড়গ্রামে। ১০০ পরিবারের ৪০০-৫০০-কে তুলতে হল কোকিলপুর প্রাথমিক ও আইসিডিএস সেন্টারে। বুড়ি প্রথম ক্ষেপে ১৫ পরের ক্ষেপে ৮০ এবং শেষমেশ মোটমাট ১৫০ ফুট ভাঙল। লোকে ভাবল এবার বুড়ি শান্ত। কিন্তু ষষ্ঠীর সকালে আবার ১৫ ফুট। একেবারে পাগল করে ছেড়েছে বুড়ি। এদিকে আটপুকুর পঞ্চায়েতে মোট ১১টি পুজো বড়সড় বাজেটের। শিবশক্তি সংঘের বাজেটটাই বেশি। ৬ লাখ টাকার বাজেট। একদিকে চলছে তখন বাজেট ছাঁটাই, অন্যদিকে চলছে ছুটোছুটি—মাটি কাটো, বাঁশ আনো, বস্তা আনো, মাটির পাউস আনো, পাইলেন করো ইত্যাদি। দৈনিক খরচ প্রায় ৩ লাখ, প্লাস টেনশন। বুড়ির পাশে তখন পঞ্চায়েত, সেচ দপ্তর—দিবারাত্রি। শহরে-গ্রামে যখন কেনাকাটার ধুম, অফিসে-স্কুলে ছুটির ধুম আর বাড়ি ফেরার উৎসব, তখন মিনাখাঁর আটপুকুর পঞ্চায়েতে উৎসবের উল্লাস ভোকাট্টা হয়ে গেছে। তবু ১১টা পুজোর সংগঠকেরা নাছোড়বান্দা। বাড়ির মরদগুলো লেগে গেল বাঁধের কাজে, আর দুগ্গাগুলো সামলাচ্ছিল ভাঙা ঘরবাড়িগুলোকে। ১০০টি মেছোঘেরি এখানে। এদের ১৫ কোটি টাকার মাছ উধাও। ৬০০০ বিঘের ধান গাছগুলো ফুলোমুখে নেতিয়ে পড়েছে। সেখানেই প্রায় ১০-১২ কোটি টাকা জলে গেল। ভাবুন একবার—কত টাকার গুনাগারি লাগাল এই বুড়ি নদী। তাহলে উৎসব জমল কেমন, আটপুকুর পঞ্চায়েত? ওখানে তবু একবার গিয়ে দেখে এসেছি—ওখানে বাদ্যি বাজনা বাজছে, বুড়ি নদীটা লোকালয় থেকে নোনা জলগুলো ফিরিয়ে নিয়েছে, শুকনো মুখগুলোয় একটু হাসি।
হিঙ্গলগঞ্জের কথা এখনও বলা হল না। এই ব্লকের হেমনগরে এক দুপুরবেলা (২৫.০৯.১৯) গোমতীর বাঁধে ধস নেমেছে। এবারটা ধরে দু’বার এখানে ধস নামল। বুঝতেই পারছেন উৎসবের মুখে এমন বিপদের মুহূর্তে মানুষ কত অস্বস্তি বোধ করেছে। এই ঘটনার দুদিন পর (২৭.০৯.১৯) এই ব্লকেরই ডাঁসা নদী টারগেট করল রুপামারি পঞ্চায়েতের এক মেছোঘেরিকে। মেছোঘেরির পাশে বেড়ের চকে বাঁধ ভাঙল। জল ঢুকল বাঁশতলা, হলদা, রুপামারির কিছু কিছু জায়গায়। মোটা ক্ষতি হল মেছোঘেরির। ব্লকের অনেক জায়গাতেই কংক্রিটের বাঁধ হওয়া সত্ত্বেও এখানকার বাঁধটা হয়ে ওঠেনি। বর্ষার আগেই বাঁধটা হয়ে গেলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাছাড়া এবার বাঁধের কাজের সুযোগও ছিল—বর্ষা নেমেছে অনেক দেরিতে। আসলে আমাদের এই আলসেমির সুযোগটাই নেয় নদীগুলো। রায়মঙ্গলটাও বসে ছিল না। বাঁধ ভাঙার ধান্দা করেছিল পুকুরিয়া গ্রামে। পেরে ওঠেনি। ধস নামিয়েছিল ২৩.০৯.১৯ তারিখে। উৎসবের আনন্দ মাটি হওয়ার জোগাড় হয়েছে। তবু সব ডিপ্রেশন চেপে মানুষ খুশি থাকতে চেয়েছে। অন্তত থাকার চেষ্টা করেছে।
উৎসবের সুন্দরবন কানে কানে অতএব আমাদের যেন বলে গেল, জলের তোড়ে জীবন এখানে ভেসেই চলে, তবু ফুরিয়ে যায় না।
29th  October, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গাজোল: চড়া দামের ঠেলায় পড়ে এবার ভাতের হোটেলগুলিতেও কোপ পড়েছে ‘ফ্রি পেঁয়াজ’-এর উপর। সেইসঙ্গে চাউমিন বা এগরোলের মধ্যেও কমেছে পেঁয়াজের পরিমাণ। শসার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জোড়াতালি।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ ও মজুত রাখা সংক্রান্ত পরিকাঠামো গড়তে উৎসাহী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে তাদের। ওই প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে বলে শনিবার দাবি ...

 দীপ্তিমান মুখোপাধ্যায়। হাওড়া: এবার আর ব্লক অফিসে নয়, গ্রাম পঞ্চায়েতস্তরে জেলা প্রশাসনের সমস্ত বিভাগকে নিয়ে গিয়ে বৈঠক করতে হবে জেলাশাসকদের। বছরে প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত তিন থেকে চারবার যাতে এই বৈঠক করা হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। ...

সংবাদদাতা, আরামবাগ: বিভিন্ন দাবিতে শনিবার আরামবাগে মিছিল করে সিপিএম। সিপিএমের-১ ও ২ নম্বর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এদিন একটি পথসভাও হয়। আরামবাগের ধামসা বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে পথসভা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সুপ্রিম কোর্টে অযোধ্যা মামলার রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাবে অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড 

04:12:19 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের আমিরাবাদ গ্রামে ট্রাকে আগুন লাগাল জঙ্গিরা 

03:21:29 PM

আইসিসি টেস্ট বোলারদের তালিকায় প্রথম দশে স্থান পেলেন মহঃ সামি 

03:21:00 PM

ইকো পার্কে জলে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের 

03:11:00 PM

কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীকে
চিকিৎসার জন্য কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। ...বিশদ

02:56:00 PM

পঃ বর্ধমানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তি ভাঙার অভিযোগ
শনিবার রাতে পশ্চিম বর্ধমানের মানকর স্টেশন রোড এলাকায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ...বিশদ

01:23:59 PM