Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

উৎসবের সুন্দরবন
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

কত কত আরামের মুড়ি-মুড়কি খুঁটতে খুঁটতে অবশেষে আমরা ফুরিয়ে ফেললাম পাঁচ-পাঁচটা দিন—ষষ্ঠী, মহাসপ্তমী ইত্যাদি, কোজাগরী, কালীপুজোটাও। মানুষ দেখল কত সোনার মা, রুপোর মা, তামার মা-কে, দেখল আলোর খেলা, থিমের পৃথিবী। চারপাশটা যখন এমন খুশির জোয়ারে ভরা, তখন উৎসবের ভিড়ে কেমন দেখেছেন সুন্দরবনটাকে? দেখেছেন কি ওখানকার ১৯টি ব্লকের অন্যতম দুটিকে—হিঙ্গলগঞ্জ-মিনাখাঁকে? ওখানকার মানুষের মুখগুলোতে এবার ছিল চাপা একটা কষ্ট। মুখ থেকে তবু হাসিটা মিলিয়ে যায়নি। কারণ নানান দুর্যোগে ওদেরকে বলতে শোনা যায়, ‘‘গাঙ আমাগো কত ভাসাবে ভাসাক। আমরা ভেসেই থাকপো, তাই বলে মরতিচি নে। তিন দিন বুক জলে দাঁড়িয়েও বাঁচতি পারি।’’ কথাগুলো ঠিকঠাক। এবারও তাই হল। এই উৎসবে ওরা জলেও ভেসেছে, উৎসবেও ভেসেছে। গোসাবার সাত জেলিয়ার এক জঙ্গল বিধবা (যার বর জঙ্গলে গিয়ে বাঘের খাদ্য হয়ে যায়) বলেছিল, ‘‘বাঘ-কুমির-হাঙরেও আমাগো কিচ্ছু করতি পারবে না। এই দেখো গো বাবুরা, আমরা বেঁচে আছি।’’ কথাটা সত্যি। ওরা বিধবাও হয়, বিপত্নীকও হয়ে যায়। বেঁচেও থাকে কষ্টে।
হাতে হাতে দেখুন না, এই এবারের মহাপঞ্চমীতে (০৩.১০.১৯) সহদেব হয়ে গেল বিপত্নীক। গোবর্ধনপুর কোস্টাল থানার কাছাকাছি ধন঩চি জঙ্গলে ওরা দুই লোকে গিয়েছিল কাঁকড়া ধরতে। নদীর চরে কাঁকড়া ধরছিল। আঙুরবালাকে টেনে নিয়ে গেল কুমিরে। উৎসবের মরশুমে দুই বেচারি বেরিয়েছিল কিছু পয়সা কামাতে, পুজোর বাজারটা একটু এনজয় করবে বলে। সেটা আর হয়ে উঠল না। বড় ধাক্কা পেল সহদেব। ওর অতএব কেমন কাটল উৎসব? বড় বিষণ্ণ। শুনেছি বন্ধুরা ওকে জোরজার করে নিয়ে গেছে উৎসবের ভিড়ে। ঝড়খালির ৪নং নেহরুপল্লির এক বেচারি মহালয়ার প্রাক্কালে (২৬.০৯.১৯) যাচ্ছিল হেড়োভাঙা নদীতে মাছ কাঁকড়ার সন্ধানে। এ সময়ে কার না একটু রোজগারের ধান্দা থাকে। কিন্তু, বেচারির রোজগার উঠল মাথার কাটে। পথে দেখল বাঘের পায়ের ছাপ। অমনি ভয়ে সেঁধিয়ে গেল ঘরের মধ্যে। আর এক বেচারি শাকিলা। ওর এবার মুখ ভার। মহাষষ্ঠীর দিন হারাতে হল বরকে। সকালে দুজনে ক্যানিং থেকে অটোয় যাচ্ছিল বাসন্তী। হাসপাতালের সেরা ঠাকুরটাও (এবার ওটা সেরা হয়েছে) হয়তো দেখে নিতে পেরেছিল। মাতলা-সেতুর উপর ওদের অটোটা আসতেই একটা বাস এসে শাকিলার বরকে ছিটকে ফেলে দিল। সইফুদ্দিন আর বাঁচল না। শাকিলা আর কোন মুখে পুজোর বাজার ঘুরবে বলুন। বাড়ির লোকজন তবু ওকে একলা ঘরে রাখেনি। দশমীর দুদিন পর সত্যনারাণপুরের (গোসাবা) কার্তিকটাও পড়ল বাঘের সামনে। পেটের টানে গিয়েছিল পিরখালির জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে। উৎসবের শেষাংশটুকুর ওম তার আর পাওয়া হল কই।
সোদপুরে এবার ঠাকুর দেখতে গেছেন? ওখানকার ওয়াটার-সাইড পুজোমণ্ডপে এবারের থিম ছিল বনবিবি দুর্গা। সেখানে দেখানো হয়েছে সুন্দরবনের কাঠুরে-মৎস্যজীবীদের জীবন। থিম দেখে কতটুকুই বা বুঝবেন ওদের। প্র্যাকটিক্যালি মৎস্যজীবীরা ট্রলার-ডুবিতে কত যে মরছে, জঙ্গলে যাওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে কত যে ওদের ভোগান্তি-অশান্তি! অবশ্য উৎসবের মুখে (২১.০৯.১৯) জেলা প্রশাসন কাকদ্বীপে গিয়ে এফডি নয়ন ও দশভুজা নামের ট্রলার দুটির নিখোঁজ ২৩টি মাছ-মারা পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ২ লাখ টাকার চেক দিয়েছেন। এটাই বা মন্দ কী! তবু পরিবারগুলো সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েছে। কিন্তু উৎসবে কিছুটা চাঙ্গা হলেও হয়েছে তারা।
এখানে যখন-তখন ওত পেতে থাকে বিপদ। নোনা গাঙগুলো নিয়ে আরেক জ্বালা। মুড়িগঙ্গা-রায়মঙ্গল-কালনাগিনী-কলাগাছিগুলো যেমন ভালো তেমনি খারাপ। ওরা উৎসব বাছে না। মনে করল তো বাঁধ ভাঙল। অবশ্য দীর্ঘদিন ওরা সিনক্রিয়েট করেনি। ভদ্রলোকের মতো তিরতির বয়ে গেছে। কী কোটালে, কী ষাঁড়াষাঁড়িতে। সেই যে গত মার্চে (২১.০৩.১৯) পর্ণিমার কোটালে সাগর-নামখানার কেটোখালি, বালিয়াড়া সাউথঘেরিতে, গোসাবার পাখিরালয়ে বাঁধ ভাঙল, তারপর থেকে এই এবারের মধ্য-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একদম লক্ষ্মী ওরা। মাঝখানে মে মাসে ‘ফণি’ আসতেই কাকদ্বীপ-নামখানা-মৌসুনি-ঘোড়ামারাদের ঊরু একটু কেঁপেছিল, কিন্তু প্রশাসনিক নজরদারিটা ছিল বলে পারা। উত্তরবঙ্গের মহানন্দা ফুলহার এত কাণ্ড করল কিন্তু নোনা গাঙগুলি বেগড়বাই করেনি। অবশেষে শেষ রক্ষে হল না। মিনাখাঁর বিদ্যে নদী, জগন্নাথ খাল কোনও তেরিমেরি করল না, করল বুড়িনদীটা। ভাঙবি ভাঙ জুলাই-আগস্টে ভাঙ, ভাঙলি উৎসবের মুখে? রাতের জোয়ারেই (২৮.০৯.১৯) খেল শুরু করে দিল বুড়ি। সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েই পরের দিন দুপুরে হুড়মুড়িয়ে জল ঢোকাল কোকিলপুর কচুরহুলো গড়গ্রামে। ১০০ পরিবারের ৪০০-৫০০-কে তুলতে হল কোকিলপুর প্রাথমিক ও আইসিডিএস সেন্টারে। বুড়ি প্রথম ক্ষেপে ১৫ পরের ক্ষেপে ৮০ এবং শেষমেশ মোটমাট ১৫০ ফুট ভাঙল। লোকে ভাবল এবার বুড়ি শান্ত। কিন্তু ষষ্ঠীর সকালে আবার ১৫ ফুট। একেবারে পাগল করে ছেড়েছে বুড়ি। এদিকে আটপুকুর পঞ্চায়েতে মোট ১১টি পুজো বড়সড় বাজেটের। শিবশক্তি সংঘের বাজেটটাই বেশি। ৬ লাখ টাকার বাজেট। একদিকে চলছে তখন বাজেট ছাঁটাই, অন্যদিকে চলছে ছুটোছুটি—মাটি কাটো, বাঁশ আনো, বস্তা আনো, মাটির পাউস আনো, পাইলেন করো ইত্যাদি। দৈনিক খরচ প্রায় ৩ লাখ, প্লাস টেনশন। বুড়ির পাশে তখন পঞ্চায়েত, সেচ দপ্তর—দিবারাত্রি। শহরে-গ্রামে যখন কেনাকাটার ধুম, অফিসে-স্কুলে ছুটির ধুম আর বাড়ি ফেরার উৎসব, তখন মিনাখাঁর আটপুকুর পঞ্চায়েতে উৎসবের উল্লাস ভোকাট্টা হয়ে গেছে। তবু ১১টা পুজোর সংগঠকেরা নাছোড়বান্দা। বাড়ির মরদগুলো লেগে গেল বাঁধের কাজে, আর দুগ্গাগুলো সামলাচ্ছিল ভাঙা ঘরবাড়িগুলোকে। ১০০টি মেছোঘেরি এখানে। এদের ১৫ কোটি টাকার মাছ উধাও। ৬০০০ বিঘের ধান গাছগুলো ফুলোমুখে নেতিয়ে পড়েছে। সেখানেই প্রায় ১০-১২ কোটি টাকা জলে গেল। ভাবুন একবার—কত টাকার গুনাগারি লাগাল এই বুড়ি নদী। তাহলে উৎসব জমল কেমন, আটপুকুর পঞ্চায়েত? ওখানে তবু একবার গিয়ে দেখে এসেছি—ওখানে বাদ্যি বাজনা বাজছে, বুড়ি নদীটা লোকালয় থেকে নোনা জলগুলো ফিরিয়ে নিয়েছে, শুকনো মুখগুলোয় একটু হাসি।
হিঙ্গলগঞ্জের কথা এখনও বলা হল না। এই ব্লকের হেমনগরে এক দুপুরবেলা (২৫.০৯.১৯) গোমতীর বাঁধে ধস নেমেছে। এবারটা ধরে দু’বার এখানে ধস নামল। বুঝতেই পারছেন উৎসবের মুখে এমন বিপদের মুহূর্তে মানুষ কত অস্বস্তি বোধ করেছে। এই ঘটনার দুদিন পর (২৭.০৯.১৯) এই ব্লকেরই ডাঁসা নদী টারগেট করল রুপামারি পঞ্চায়েতের এক মেছোঘেরিকে। মেছোঘেরির পাশে বেড়ের চকে বাঁধ ভাঙল। জল ঢুকল বাঁশতলা, হলদা, রুপামারির কিছু কিছু জায়গায়। মোটা ক্ষতি হল মেছোঘেরির। ব্লকের অনেক জায়গাতেই কংক্রিটের বাঁধ হওয়া সত্ত্বেও এখানকার বাঁধটা হয়ে ওঠেনি। বর্ষার আগেই বাঁধটা হয়ে গেলে এমন ঘটনা ঘটত না। তাছাড়া এবার বাঁধের কাজের সুযোগও ছিল—বর্ষা নেমেছে অনেক দেরিতে। আসলে আমাদের এই আলসেমির সুযোগটাই নেয় নদীগুলো। রায়মঙ্গলটাও বসে ছিল না। বাঁধ ভাঙার ধান্দা করেছিল পুকুরিয়া গ্রামে। পেরে ওঠেনি। ধস নামিয়েছিল ২৩.০৯.১৯ তারিখে। উৎসবের আনন্দ মাটি হওয়ার জোগাড় হয়েছে। তবু সব ডিপ্রেশন চেপে মানুষ খুশি থাকতে চেয়েছে। অন্তত থাকার চেষ্টা করেছে।
উৎসবের সুন্দরবন কানে কানে অতএব আমাদের যেন বলে গেল, জলের তোড়ে জীবন এখানে ভেসেই চলে, তবু ফুরিয়ে যায় না।
29th  October, 2019
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রাজ্য সরকার সোমবার থেকে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান খোলার ক্ষেত্রে ছাড় দিলেও এখনই খুলছে না তারাপীঠ মন্দির। শনিবার বৈঠকে বসে বেড়ে চলা করোনা আক্রান্তের কথা ভেবে এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি।  ...

নয়াদিল্লি, ৩০ মে: গতবছর বিশ্বকাপ সেমি-ফাইনালে ভারতীয় দলের বিদায়ের পরেই মহেন্দ্র সিং ধোনির অবসর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। আইপিএলে কামব্যাক করার থাকলেও তা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে যায় করোনার জন্য।  ...

  নয়াদিল্লি, ৩০ মে: ইসলাম ভীতি ও বিদ্বেষের অজুহাতে ভারতকে কলঙ্কিত করতে মরিয়া পাকিস্তান। আর সেই লক্ষ্যে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে ভারত বিরোধী দল পাকানোর তালে ছিল ইসলামাবাদ। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুলিসের চতুর্থ ব্যাটেলিয়ানে বিক্ষোভের ঘটনায় পাঁচজনকে সাসপেন্ড করা হল। সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

স্বাস্থ্য বেশ ভালোই থাকবে। আর্থিক দিকটিও ভালো। সঞ্চয় খুব ভালো না হলেও উপার্জন ভালো হবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
১৬১১: মুঘল সম্রাজ্ঞী নুরজাহানের জন্ম
১৮৫৮ - ওয়েস্টমিনিস্টার জুড়ে প্রথম ধ্বনিত হয়েছিল বিগ বেনের শব্দ
১৯২৬-ক্রিকেটার প্রবীর সেনের জন্ম
১৯২৮-ক্রিকেটার পঙ্কজ রায়ের জন্ম
১৯৩০- মার্কিন অভিনেতা ক্লিন্ট ইস্টউডের জন্ম
১৯৯৪: তবলা বাদক সামতা প্রসাদের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী ৩১/৪৪ অপরাহ্ন ৫/৩৭। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র ৫৫/১৩ রাত্রি ৩/১। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৪৫, সূর্যাস্ত ৬/১২/৩০। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪১ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৮ মধ্যে পুনঃ ১০/২৯ গতে ১২/৩৮ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০, রবিবার, নবমী দিবা ২/৪০। উত্তরফল্গুনী নক্ষত্র রাত্রি ১২/৪০। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে। বারবেলা ৯/৫৫ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১২/৫৫ গতে ২/১৬ মধ্যে।
৭ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গত ২৪ ঘণ্টায় গুজরাতে করোনা আক্রান্ত আরও ৪৩৮ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্ত ১৬,৭৯৪ 

09:35:59 PM

মহারাষ্ট্রে করোনা পজিটিভ আরও ২,৪৮৭ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৭,৬৫৫ 

09:16:18 PM

রাজস্থানে করোনা পজিটিভ আরও ২১৪ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮,৮৩১ 

09:08:26 PM

তামিলনাড়ুতে করোনা পজিটিভ আরও ১,১৪৯ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২,৩৩৩ 

06:59:00 PM

জলপাইগুড়িতে ৩২ লক্ষ টাকার বেআইনি মদ উদ্ধার 
অসম থেকে বিহার যাওয়ার পথে জলপাইগুড়ির গোশালা মোড়ে বিপুল পরিমাণ ...বিশদ

06:46:00 PM

মাধ্যমিক: ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে খাতা জমা দেওয়ার হুঁশিয়ারি পর্ষদের 
এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা জমা না দেওয়া পরীক্ষাকদের চরম হুঁশিয়ারি ...বিশদ

06:45:35 PM