Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন 

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। কেন্দ্রীয় সরকার এবং ইউনাইটেড নেশনসের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন সিকিওরিটি অ্যানালিসিস ইন্ডিয়া, ২০১৯ শীর্ষক একটা রিপোর্টে পরিষ্কার বলা হয়েছে দেশের দরিদ্রতম অংশের শিশুরা যেন আটকে পড়েছে দারিদ্র্য ও অপুষ্টির ফাঁদে। এ ফাঁদ যেন চিরকালীন। দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি করার মত অজস্র খাদ্য, এসব সাফল্য কাহিনী ও সরকারের অজস্র যোজনার আলোকমালায় সাজানো যে ভারতের গল্প আমরা শুনি এই ব্ল্যাকহোলে তার যেন প্রবেশ নিষেধ। সরকারি রিপোর্টই বলছে এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০২২ সালে দেশে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়াবে ৩১.৪ শতাংশ।
শারীরিক বৃদ্ধি সঙ্গত কারণেই ব্যাহত করবে এদের মানসিক বৃদ্ধিকে। জীবনের ফুটে ওঠার অবস্থায় পুষ্টির অভাবে ব্যাহত হবে এদের বুদ্ধিবৃত্তি। এ এক অদ্ভুত চক্র! স্কুলে যাওয়ার জন্য সরকারি যোজনা রয়েছে, কিন্তু অপুষ্টি তো শিশুর শেখার ক্ষমতাটাই আটকে দেয়। আবার শেখার অক্ষমতা আটকায় তার মানসিক বৃদ্ধির সুযোগ। সে কোনও পেশার জন্যই শরীর ও মনে প্রস্তুত হতে পারে না। প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে জীবনভোর দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করে চলে। গ্রাম শহরে প্রতিদিনই এই মানুষগুলির সঙ্গে আমাদের দেখা হয়। বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী, শাসক ও বিরোধী সবার খাতাতেই এরা বাতিল। এরা শুধু নামহীন কিছু সংখ্যা হয়ে জেগে থাকে পরিসংখ্যানে। আজকের ক্ষুধার্ত, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুটি উপযুক্ত সময় ও বয়সে শরীরে ও মনে বাড়ার সুযোগ না পেলে আগামী দিনে অনিবার্যভাবে ক্ষুধার্ত বেকার এবং অশিক্ষিত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হয়েই থাকবে।
এ বিরাট নতুন কথা নয়। শিশুরাই সবচেয়ে অসুরক্ষিত। এদের পুষ্টির ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য লাগাতারভাবে সরকারের সমালোচনা করা হচ্ছে। বারবার বলা হচ্ছে কম বয়সের শিশুদের বেশি করে পুষ্টির ব্যবস্থা করার কথা। কিন্তু অবস্থা বিশেষ বদলায়নি। ভারত বিশ্বের সবচেয়ে অপুষ্টিতে ভরা দেশের অন্যতম হয়েই রয়েছে। পরিসংখ্যান দেখিয়ে কেউ হয়তো বলবেন, কেন ২০০৫-৬ এর তুলনায় ২০১৫-১৬ সালে তো দেশে লাগাতার অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা কমেছে, কমেছে অ্যানিমিয়া, ওজন কম শিশুর সংখ্যাও এখন আগের তুলনায় কম। কিন্তু এই অগ্রগতি হচ্ছে খুব ধীর গতিতে। বছরে মাত্র ১ শতাংশ হারে। বৃদ্ধির হার প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। আর এই দেরি হওয়াটাই দেশের বহু শিশুকে যাকে বলে ‘খরচের খাতায়’ ফেলে দিচ্ছে। তারা জীবনটা শুরু করছে অনেক পিছিয়ে থেকে। জীবনের সূচনা থেকে তারা যেন ‘লাস্ট বয়।’
সরকার এসব কথা যে একেবারে ভাবছে না তা নয়। ন্যাশনাল নিউট্রিশন মিশন, এখন যার নাম পাল্টে হয়েছে পোষণ অভিযান, তাতে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের সংখ্যা বছরে ২ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে এভাবে এই শিশুদের সংখ্যা ২০২২ এর মধ্যে ২৫ শতাংশ করে ফেলা যাবে। কিন্তু এই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলেও অগ্রগতির হার এখনকার তুলনায় দ্বিগুণ করতে হবে। পোষণ অভিযানের সঙ্গে জড়িত সরকারি মহলের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা শুনে কিন্তু এব্যাপারে আশ্বস্ত হওয়ার বিরাট কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। পোষণ অভিযান প্রকল্প শুরু হওয়ার একবছর পরেও রাজ্য সরকার এবং দেশের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি মোট বরাদ্দের মাত্র ১৬ শতাংশ খরচ করতে পেরেছে। দেশের শিশুদের পুষ্টি বাড়ানোর জন্য প্রতিটি রাজ্যের সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল একটি জেলায় গত মার্চ থেকে উৎকৃষ্ট মানের চাল এবং দুধ দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পের কর্তারা এখন স্বীকার করছেন কাজটা শুরু করা যায়নি। দেশের গণবন্টন ব্যবস্থা ছাড়া একাজ সম্ভব নয়। কিন্তু তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প রূপায়ণের কাজটি এখনও ঠিকমত করে ওঠা যায়নি। অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা এই প্রকল্প রূপায়ণের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বিহার ও ওড়িশার মত রাজ্যে যেখানকার শিশুদের একটা বড় অংশ এই সমস্যার শিকার সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি তৈরি করা, কর্মী নিয়োগ করা ইত্যাদি ব্যাপারে সমস্যার কোনও সমাধান করা যায়নি।
সমস্যার ব্যাপকতা নিশ্চয় আছে, রয়েছে পরিকাঠামো এবং মানুষের সচেতনতার সমস্যাও, কিন্তু দেশে খাদ্য নেই বলে যে গরিব শিশুদের পুষ্টির জন্য খাদ্য দেওয়া যাচ্ছে না তা নয়। এটাই সবচেয়ে দুঃখের, সবচেয়ে লজ্জার। গত দু’দশকে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৩৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। খাদ্যশস্য উৎপাদনে এখন আমরা বস্তুত স্বয়ম্ভর। কিন্তু সেই অনুপাতে চাল, গম এবং অন্যান্য জরুরি খাদ্যশস্য মানুষের পক্ষে ততটা সহজলভ্য হয়ে ওঠেনি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অসাম্য, খাদ্য নষ্ট হওয়া, রপ্তানি বাণিজ্য সহ আরও কিছুকেই এরজন্য দায়ী করা চলে। যার পরিণতিতে এখনও দেশের দরিদ্রতম অংশের প্রায় ৩০ শতাংশেরও বেশি মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম খাদ্যশস্য পান। দরিদ্র শিশুদের মধ্যে এই অপ্রাপ্তির হার আরও বেশি।
আবার দেশের সব অংশে এই সমস্যা সমান নয়। খারাপ অবস্থারও রকমফের রয়েছে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মত বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার সমস্যা এতটা ব্যাপক না হলেও ন্যাশনাল ফ্যামেলি হেলথ সার্ভের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমাদের পশ্চিমবঙ্গেও এই সমস্যা কম নয়। এটা যে শুধু আর্থিক কারণেই ঘটছে তা নয়। বহু জায়গায় আর্থ-সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিও একটা বড় সমস্যা। বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও উপজাতি এবং অনগ্রসর সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারে এই সমস্যা অনেকে বেশি। কেউ বলতে পারেন বাড়ির ছোটদের তো সবাই ভালোবাসেন। বাড়ির লোক তাদের না খাইয়ে বা কম খাইয়ে কেন রাখবেন? ঠিক কথা, কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। বৃদ্ধি ব্যাহত ও অপুষ্টি কিন্তু শিশুদের নয়, শুরু হয় তাদের মায়েদের থেকে। অপুষ্টি ও রক্তাল্পতায় ভোগা একটা কমবয়সি মায়ের শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা সবথেকে বেশি।
আগামী পাঁচ বছরে দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশে পরিণত করার কথা বলছেন সরকার। খুব ভালো কথা, কিন্তু বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের বিপুল বোঝা তো এ রাস্তায় দেশের এগনোর পথে বাধা সৃষ্টি করবে। সবচেয়ে দুঃখের কথা হল, এই সমস্যা তৈরি হয়েছে সম্পদ নয়, সমাধানের রাস্তাটা তৈরি করতে না পারার জন্য। পরিষেবা পাওয়ার সামাজিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক কাঠামোর অসুবিধা দূর করতে না পারলে অবস্থা বদলাবে না। বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিও। সবার আগে প্রান্তবাসী শিশুদেরও দেশের ভাবী নাগরিক মনে করে জীবনের ফুটে ওঠার অবস্থায় তাদের সামনের সারিতে আনার প্রস্তুতি নিতে হবে। ভারতে এই সমস্যাটা শুধুমাত্র বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের বা তার বাবা মায়েদের সমস্যা নয়, সামগ্রিক ভাবে গোটা দেশের সমস্যা। যে শিশুরা দেশের কর্মক্ষম, উৎপাদনশীল, সচেতন নাগরিক হতে পারতো তাদের সামনে নিয়ে না আসার ব্যবস্থা করলে গোটা দেশই পিছিয়ে থাকবে। যাদের আয় দেশের সম্পদ বাড়াতে পারতো এখন তাদের জন্যই অনুৎপাদক ভর্তুকি দিতে হচ্ছে দেশকে।
দেশ সমাজ সময় সভ্যতা সব কিছু এগয় শিশুদের নিয়ে। শিশুদের শারীরিক বিকাশ এখন উন্নয়নের একটা বড় সূচক। কিন্তু দেশের দুই-পঞ্চমাংশ গরিব পরিবারের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের নিয়ে আমাদের তো উন্নয়নের রাস্তায় চলাটাই সমস্যা হবে। আধুনিক অর্থনীতি তো তাদের স্পর্শই করতে পারবে না। এক থেকে পাঁচ বছরের ছোটরা চিরকাল ছোট হয়ে থাকলে দেশের বৃদ্ধিই ছোট হয়ে যাবে, ছোট হবে দেশের মুখ। এই অবস্থা বদলাতেই হবে। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।’ বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, পিছিয়ে থাকা এই অসংখ্য শিশু কিন্তু দেশের অগ্রগতির রথকে পিছনে টানছে। 
21st  October, 2019
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
একনজরে
জুরিখ, ৩১ মে: করোনা ভাইরাসের ওষুধ, ভ্যাকসিন ও পরীক্ষা করার কিট পাওয়া নিয়ে যাতে বৈষম্য তৈরি না হয়, তার জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে একযোগে আর্জি জানাল ৩৭টি দেশ। মারণ এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে চলে এলে তার পেটেন্ট নিয়ে লড়াই ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ভাঙড়-১ ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ থেকে বোমাবাজির জেরে জখম হয়েছেন কয়েকজন। আহতরা সকলে যুব শিবিরের অনুগত। প্রতিবাদে যুব গোষ্ঠী রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ করে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: আজ, সোমবার থেকে বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির খোলার কথা ঘোষণা করা হলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সেই সিদ্ধান্ত বদল করল মন্দির কর্তৃপক্ষ। ভক্তদের জন্য এখনই মন্দির খোলা হবে না। ...

মৃণালকান্তি দাস, কলকাতা: চার্লস মিলারের গল্পটা জানেন তো? স্কটল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে চার্লস ব্রাজিলে ফিরেছিলেনএকটি ফুটবল হাতে নিয়ে। সবাই জানতে চেয়েছিল, ‘ওই গোল জিনিসটা কী?’ উত্তর ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদন্নোতির সূচনা। গুপ্ত শত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
১৮৭৪ - ইষ্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানি বিলুপ্ত হয়।
১৯২৬- আমেরিকার মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা মেরিলিন মনরোর জন্ম
১৯২৯- অভিনেত্রী নার্গিসের জন্ম
১৯৩৪ - কবি, নাট্যকার ও চিত্রনাট্যকার মোহিত চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৬৪- সঙ্গীত পরিচালক ইসমাইল দরবারের জন্ম
১৯৬৮- মার্কিন লেখিকা ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের মৃত্যু
১৯৭০- অভিনেতা আর মাধবনের জন্ম
১৯৮৫ - ভারতীয় ক্রিকেটার দিনেশ কার্তিকের জন্ম।
১৯৯৬-ভারতের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডির মৃত্যু
২০০১- নেপাল রাজপরিবারে হত্যাকাণ্ড। যুবরাজ দীপেন্দ্র গুলি করে হত্যা করে বাবা, মা, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র এবং রানি ঐশ্বর্যসহ পরিবারের একাধিক সদস্যকে।
২০০২ - দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হানসি ক্রোনিয়ের মৃত্যু,
২০০৯- রিও ডি জেনেইরো থেকে প্যারিস আসার পথে অতলান্তিক মহাসাগরে ভেঙে পড়ল এয়ার ফ্রান্সের এয়ারবাস এ ৪৪৭। মৃত ২২৮ আরোহী।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৯ টাকা ৭৬.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০৩ টাকা
ইউরো ৮২.৪৬ টাকা ৮৫.৫০ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
31st  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী ২৫/৫ দিবা ২/৫৮। হস্তা নক্ষত্র ৫০/১৮ রাত্রি ১/৩। সূর্যোদয় ৪/৫৫/৩৬, সূর্যাস্ত ৬/১২/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/৫ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৩ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।
১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ১ জুন ২০২০, সোমবার, দশমী দিবা ১২/১৪। হস্তানক্ষত্র রাত্রি ১১/১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০ গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ২/৫৫ গতে ৪/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে।
৮ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
  রাজ্যসভার নির্বাচন ১৯ জুন
১৮টি সিটের রাজ্য সভার নির্বাচন হবে আগামী ১৯ জুন ২০২০। ...বিশদ

05:55:30 PM

 কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ল কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিং

05:01:00 PM

বাংলাদেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৩৮১, মৃত ২২ 
বাংলাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৮১ জন। ...বিশদ

04:53:59 PM

পাকিস্তানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ২৯৬৪, মৃত ৬০ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৯৬৪ জন। ...বিশদ

04:48:49 PM

ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ কেন্দ্রের
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা ঋণ ...বিশদ

04:31:00 PM

৮৭৯ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 
আজ ৮৭৯.৪২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স। ফলে ২.৭১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ...বিশদ

04:14:12 PM