Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে। স্কুলের পড়া শেষ করার সময় আইএ পরীক্ষায় সারা বাংলার মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় পড়েছেন কলকাতার বেশ নামী স্কুল সাউথ পয়েন্টে। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকস্তরের পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেন তিনি। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে এমনটাই ফল ছিল অমর্ত্য সেনেরও।
এঁদের মেধা নিয়ে আলোচনার কোনও অর্থ নেই, সকলেই নিজের নিজের ক্ষেত্রে জগতের সেরা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। অবশ্যই এঁদের মতোই মেধাবী এবং বুদ্ধিমান কিছু মানুষ আছেন যাঁরা নোবেল পুরস্কার পাননি। সেটাই স্বাভাবিক। বছরে সব মিলিয়ে জনা দশ পনেরোর বেশি মানুষকে নোবেল দেওয়া শক্ত। ফলে নোবেল পেতে গেলে কিছুটা ভাগ্যের হাত থাকতেই হয়। তবে এই তিনজনের ক্ষেত্রেই যে কথাটা সত্যি তা হল তাঁদের কাজের গুণমান নোবেল প্রাইজ পাওয়ার আগেই সারা বিশ্বে যথেষ্ট পরিচিত ছিল। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে বাঙালিদের অথবা কলকাতায় কাজ করা মানুষদের মধ্যে নোবেল প্রাইজের সংখ্যা তুলনায় বেশি। অবশ্যই তা মার্কিন দেশের সবথেকে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর থেকে সংখ্যায় কম। তবে ভারতের মধ্যে বিচার করলে নোবেল জয়ীদের সঙ্গে কলকাতার সম্পর্ক যে অন্য যে-কোনও জায়গার তুলনায় কয়েক যোজন এগিয়ে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এরকম একটা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জায়গায় বড় হয়ে বা কাজ করে যে নোবেল পাওয়া যায় এতে কলকাতার শিক্ষিত লোকজনের মনে কিছুটা আত্মশ্লাঘা জন্মাতেই পারে। আর এ নিয়ে তো কোনও সন্দেহই নেই যে ভারতের মধ্যে মেধা এবং বুদ্ধির দিক দিয়ে বাঙালিরা অনেকটা এগিয়ে। বাঙালি না-হলেও যারা কলকাতায় থাকেন তাঁদের ওপরেও এই শহর এবং শহরতলির কিছু প্রভাব পড়ে। সব মিলিয়ে অভিজিৎবাবুর নোবেল পাওয়া বাঙালিদের শিক্ষা এবং গবেষণায় উৎকর্ষের আর একটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদাহরণ। বাঙালি যে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার থেকে অধ্যাপক হওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেকথা অস্বীকার না-করাই ভালো।
অভিজিৎবাবুর ক্ষেত্রে এই বাংলার পড়াশোনার একটি বিশেষ সময় বর্তমান। আগেই বলেছি যে ১৯৮১ সালে স্নাতকস্তরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। অর্থাৎ ১৯৭৮-এ দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা পাশ করেন, যাকে আমাদের এখানে বলা হয় উচ্চমাধ্যমিক। সত্তর দশকের শুরুর উত্তাল সময় তখন দশকান্তে অনেকটাই শান্ত। বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এসে গেছে। পড়শোনায় হঠাৎ করে পশ্চিমবঙ্গের খুব উন্নতি না-হলেও আগের থেকে কিছুটা নিয়মিত ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই সত্তরের দশকের শেষ থেকে নব্বই দশকের শুরুর দিক পর্যন্ত উচ্চশিক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের একটা ধারা বজায় ছিল। সেখানে যেমন বাঙালিরা চেষ্টা করত ভালো প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিবিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র কিংবা রাশিবিজ্ঞানের পাঠ নিতে, তেমনই একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ পড়ার জায়গা ছিল প্রেসিডেন্সি কলেজ (তখনও বিশ্ববিদ্যালয় নয়)।
পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে স্নাতকস্তরে বিজ্ঞান বা সাহিত্য নিয়ে পড়ার চল ছিল বেশি। সেই সময় অবশ্যই কলকাতার সেরা ছাত্রছাত্রীরা প্রেসিডেন্সির দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কিন্তু সত্তর দশক থেকেই আমাদের রাজ্যে প্রযুক্তিবিদ কিংবা চিকিৎসক হওয়ার চাহিদা বাড়তে থাকে। শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তের ভাবনা অনুযায়ী ঠিক হতে শুরু করে তাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় ভালো হলে কোন রাস্তায় যাবেন। সেই হিসেবে পঞ্চাশের দশকের শুরুতে অমর্ত্য সেনের প্রেসিডেন্সিতে অর্থনীতি নিয়ে পড়তে যাওয়ার যে প্রেক্ষিত, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তা কিছুটা আলাদা। সংবাদমাধ্যমের খবর যে এই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ সফল হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও। কিন্তু সপ্তাহখানেক রাশিবিজ্ঞানের পাঠ নেওয়ার পর তিনি স্থির করেন অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করবেন প্রেসিডেন্সিতে। অর্থাৎ সেই সময়েও সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সি কলেজকে একেবারে প্রথম সারিতে রাখতেন।
উল্লেখ্য যে সত্তর আশির দশকে আইআইটি বা যাদবপুরে প্রযুক্তিবিদ্যা, রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাবিজ্ঞান কিংবা আইএসআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে রাশিবিজ্ঞান পড়তে যেতেন রাজ্যের সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারাই। কিন্তু তাদের মধ্যেও কয়েকজন নিজের সিদ্ধান্তে প্রেসিডেন্সিতে যাওয়ার কথা ভাবতেন। নব্বইয়ের দশক থেকে বিষয়টা ভীষণভাবে বদলাতে শুরু করে। তখন কিন্তু সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সিতে আর আসতেন না। দু-একজন ব্যতিক্রমী থাকতেই পারেন, কিন্তু জানা নেই যে নব্বই সালের পর আইআইটি খড়গপুর বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগে পড়ার সুযোগ ছেড়ে কোনও বাঙালি প্রেসিডেন্সিতে পদার্থবিদ্যা, অর্থনীতি বা অঙ্ক করতে আসছেন, অথবা মেডিকেল কলেজে না-পড়ে জীবনবিজ্ঞান নিয়ে পড়ছেন কলেজ স্ট্রিটের নামকরা কলেজে। এই পরিবর্তন কেন সে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে এবং হবে।
তবে এর একটা অন্যদিকও আছে, যেখানে স্নাতকস্তরে পড়ার বিষয় নিয়ে ২০০০ সালের পর থেকে বাঙালিদের চিন্তার ধারা বেশ গোলমেলে। নব্বইয়ের দশকের ভাবনায় প্রেসিডেন্সির থেকে আগে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্ব পেত, সেখানে সত্যি উচ্চমানের পরিকাঠামো ছিল। কিন্তু তার পরের দশকে অবস্থা আরও সাংঘাতিক। এই সহস্রাব্দের শুরুতে অনেকে প্রেসিডেন্সিতে না-পড়ে দিকশূন্যপুরের অত্যন্ত নিম্নমানের বেসরকারি প্রযুক্তিবিদ্যার কলেজে পড়তে গিয়েছেন এমন উদাহরণ আছে। একইভাবে যাদবপুর বা শিবপুরে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ার সুযোগ না-পেয়ে কেউ বেসরকারি কলেজে সেই বিশেষ বিষয়টি নিয়ে পড়তে ছুটেছেন।
কিন্তু জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধাতালিকার ভিত্তিতে সেই পড়ুয়া খুব সহজেই যাদবপুর বা শিবপুরে প্রযুক্তিবিদ্যার অন্যান্য বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারতেন। প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসলে হয়তো প্রেসিডেন্সিতেও পড়ার সুযোগ পেতেন বিজ্ঞান বা অর্থনীতি নিয়ে। অর্থাৎ স্নাতকস্তরের শিক্ষা নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের ভাবনাচিন্তা গুলিয়ে গেছিল অনেকটা। এর মূল কারণ এই সহস্রাব্দের প্রথম দশকে সফটওয়্যারের চাকরি ছিল বেশ সহজলভ্য। অপটু শিক্ষকমণ্ডলী এবং অনুপযুক্ত পরিকাঠামো সত্ত্বেও বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনোভাবে স্নাতকস্তরের একটা ডিগ্রি জোগাড় করে বেশ ভালো চাকরি পেয়েছেন অনেকে। সেই ধারা অবশ্য বদলে গিয়েছে এই দশকের মাঝামাঝি এসে। বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পড়ে আর বেশি চাকরি পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু আমাদের রাজ্যে নয়, সারা দেশেই এই ধরনের বেসরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার উৎসাহ কমেছে পড়ুয়াদের। আর্ধেকের বেশি আসন ফাঁকা। ব্যবসায়িক কারণে উঠে যেতে শুরু করেছে এই ধরনের অনেক কলেজ।
অর্থাৎ এখানে যে কথা বলার তা হল, বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কারণে নব্বইয়ের দশকে সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সি কলেজে কম গিয়েছেন। তারপর পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক। এই সহস্রাব্দে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীরা কম্পিউটার সায়েন্স গোছের বিষয় শেখার তাগিদে ছুটেছেন তুলনায় অনেক নিম্নমানের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত উৎসাহ সত্ত্বেও ২০০০ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা অর্থনীতি বা বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে প্রেসিডেন্সিতে খুব বেশি যাননি। সাম্প্রতিককালে অত্যন্ত বড় মাপের শিক্ষাবিদদের এনে প্রেসিডেন্সির মানোন্নয়নের চেষ্টা হয়েছে। তবে তাতে ভালো ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষণের ক্ষেত্রে খুব কাজ হয়েছে সেকথা বলা যাবে না। এদিকে এটা মানতেই হবে যে প্রেসিডেন্সির শিক্ষক শিক্ষিকাদের মান যথেষ্ট ভালো, পরিকাঠামো নিয়েও বিশেষ সমস্যা নেই। সেখানে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের আনাগোনা যথেষ্ট। আসলে এখানে একটা বড় বিষয় হল সঠিক প্রচার। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীতে খুবই কম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যেখানকার অর্থনীতি বিভাগে স্নাতকস্তরে পড়াশোনা করা দু’জন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। আর শুধু নোবেলই বা কেন, সত্তর বা আশির দশকে প্রেসিডেন্সিতে পড়া ছাত্রছাত্রীরা আজকের দিনে দুনিয়া কাঁপাচ্ছেন। সেই বিজ্ঞাপন আগামী দিনের পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।
সরকারের বিশেষ দায়িত্ব আছে এই বিষয়ে। শুধু একটু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সেরা ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশকে টেনে আনতে হবে এই প্রতিষ্ঠানে। মনে করিয়ে দিতে হবে কলকাতার আর একজন নোবেলজয়ীও এই কলেজে পড়েছিলেন। স্কুল পালানো সেই বাঙালি পালিয়েছিলেন কলেজ থেকেও! বয়সকালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রথমদিনের কথা। “আমার জীবনে প্রথম বয়সে স্বল্পক্ষণস্থায়ী ছাত্রদশা কেটেছে অভ্রভেদী শিক্ষাসৌধের অধস্তন তলায়। তার পর কিশোরবয়সে অভিভাবকদের নির্দেশমত একদিন সসংকোচে আমি প্রবেশ করেছিলুম বহিরঙ্গছাত্ররূপে প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রথমবার্ষিক শ্রেণীতে। সেই এক দিন আর দ্বিতীয় দিনে পৌঁছল না।” প্রেসিডেন্সিতে ছাত্র হিসেবে পা দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, অমর্ত্য এবং অভিজিৎ। পরের দু’জন পড়া শেষ করে নোবেল পেয়েছেন, প্রথমজন পালিয়ে গিয়ে!
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মতামত ব্যক্তিগত 
21st  October, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান, বিএনএ: মুখে ‘শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ’ স্লোগান দিলেও বামফ্রন্ট সরকারের আমলেই বন্ধ হয়েছিল ‘বর্ধমান ডেয়ারি’। টানা ১০ বছর বন্ধ থাকার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ওই বর্ধমান ডেয়ারি থেকে মাদার ডেয়ারিতে রূপান্তরিত হয়ে চালু হয়েছে।  ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: রাজ্য সরকারের বাংলা ভাষায় জয়েন্ট পরীক্ষার দাবি অনর্থক। কেন্দ্র অনেক আগেই সব রাজ্যকে জানিয়েছিল। বাংলার সরকার সেই সময় হ্যাঁ বা না কিছুই বলেনি। এখন নাটকবাজি শুরু করেছে। বাংলার মানুষকে বোঝাচ্ছে আমরা কত বাংলা দরদি।   ...

 ইসলামাবাদ, ১২ নভেম্বর (পিটিআই): প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার বিষয়টি মন্ত্রিসভায় অনুমাদনের আগে বিস্তারিত আলোচিত হল বিশেষ সাব-কমিটির বৈঠকে। পাক সরকারের তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত শরিফের নাম এখনও রয়েছে দেশের ‘নো ফ্লাই’ তালিকায়। ...

সংবাদদাতা, বর্ধমান: সর্বভারতীয় স্কুল পর্যায়ের যোগাসন প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করল সর্বশ্রী মণ্ডল। রিদমিক যোগায় প্রথম হয়ে সে সোনার মুকুট পায়। এমাসের ৪ নভেম্বর সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪০: ফরাসি ভাস্কর অগ্যুস্ত রদ্যঁর জন্ম
১৮৯৩: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত
১৮৯৬: পক্ষীবিদ সালিম আলির জন্ম
১৯৪৬: পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের মৃত্যু  

12th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭০ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৬ টাকা ৯৩.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৮০.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
12th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৫৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/৩৬ রাত্রি ৭/৪২। কৃত্তিকা ৪০/২৩ রাত্রি ১০/১। সূ উ ৫/৫১/২৯, অ ৪/৫০/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৮/৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৮/১৯ গতে ৩/১৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ৯/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/১৪ মধ্যে।
 ২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/২৪/৩৯ রাত্রি ৭/৩৮/৩৩। কৃত্তিকা ৪২/২৪/১১ রাত্রি ১০/৫০/২১, সূ উ ৫/৫২/৪১, অ ৪/৫০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ৮/১২ মধ্যে ও ১০/২১ গতে ১২/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/২৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২১/৪৪ গতে ১২/৪৪/০ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩৭/১৩ গতে ৯/৫৯/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৭/১২ গতে ৪/১৪/৫৬ মধ্যে।
১৫ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গভীর রাতে দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে ফের ২টি বাইকে আগুন, চাঞ্চল্য 

11:30:00 AM

দুর্গাপুরে ধৃত ২ ভুয়ো চিকিৎসক 
দুর্গাপুরে দুই ভুয়ো চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ২০১৭ সাল থেকে ...বিশদ

11:25:11 AM

পঞ্চসায়র থেকে মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ 
পঞ্চসায়রের একটি হোমের সামনে থেকে এক মৃগীরোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ...বিশদ

11:20:35 AM

কর্ণাটকের ১৭ বিধায়কের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত সঠিক, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের 
কর্ণাটকে কংগ্রেস ও জেডি(এস)-এর ১৭জন বিধায়কের পদ খারিজের সিদ্ধান্ত সঠিক ...বিশদ

10:53:00 AM

শিলিগুড়িতে গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন 

10:49:42 AM

বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা
সাত সকালে বেলঘরিয়া এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা। একটি বাইক ও গাড়ির মধ্যে ...বিশদ

10:12:00 AM