Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

তিন নোবেলজয়ী বাঙালির প্রেসিডেন্সি
শুভময় মৈত্র

রবীন্দ্রনাথ খুব তাড়াতাড়ি স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন। বাকিদের ক্ষেত্রে তেমনটা নয়। অমর্ত্য সেন ঢাকায় সেন্ট গ্রেগরি স্কুলে পড়া শুরু করেছিলেন। তারপর ১৯৪১-এ ভর্তি হন শান্তিনিকেতনের পাঠভবনে। স্কুলের পড়া শেষ করার সময় আইএ পরীক্ষায় সারা বাংলার মধ্যে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় পড়েছেন কলকাতার বেশ নামী স্কুল সাউথ পয়েন্টে। ১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়ে স্নাতকস্তরের পরীক্ষা সম্পূর্ণ করেন তিনি। পঞ্চাশের দশকের শুরুতে এমনটাই ফল ছিল অমর্ত্য সেনেরও।
এঁদের মেধা নিয়ে আলোচনার কোনও অর্থ নেই, সকলেই নিজের নিজের ক্ষেত্রে জগতের সেরা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। অবশ্যই এঁদের মতোই মেধাবী এবং বুদ্ধিমান কিছু মানুষ আছেন যাঁরা নোবেল পুরস্কার পাননি। সেটাই স্বাভাবিক। বছরে সব মিলিয়ে জনা দশ পনেরোর বেশি মানুষকে নোবেল দেওয়া শক্ত। ফলে নোবেল পেতে গেলে কিছুটা ভাগ্যের হাত থাকতেই হয়। তবে এই তিনজনের ক্ষেত্রেই যে কথাটা সত্যি তা হল তাঁদের কাজের গুণমান নোবেল প্রাইজ পাওয়ার আগেই সারা বিশ্বে যথেষ্ট পরিচিত ছিল। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে বাঙালিদের অথবা কলকাতায় কাজ করা মানুষদের মধ্যে নোবেল প্রাইজের সংখ্যা তুলনায় বেশি। অবশ্যই তা মার্কিন দেশের সবথেকে নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর থেকে সংখ্যায় কম। তবে ভারতের মধ্যে বিচার করলে নোবেল জয়ীদের সঙ্গে কলকাতার সম্পর্ক যে অন্য যে-কোনও জায়গার তুলনায় কয়েক যোজন এগিয়ে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এরকম একটা অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা জায়গায় বড় হয়ে বা কাজ করে যে নোবেল পাওয়া যায় এতে কলকাতার শিক্ষিত লোকজনের মনে কিছুটা আত্মশ্লাঘা জন্মাতেই পারে। আর এ নিয়ে তো কোনও সন্দেহই নেই যে ভারতের মধ্যে মেধা এবং বুদ্ধির দিক দিয়ে বাঙালিরা অনেকটা এগিয়ে। বাঙালি না-হলেও যারা কলকাতায় থাকেন তাঁদের ওপরেও এই শহর এবং শহরতলির কিছু প্রভাব পড়ে। সব মিলিয়ে অভিজিৎবাবুর নোবেল পাওয়া বাঙালিদের শিক্ষা এবং গবেষণায় উৎকর্ষের আর একটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদাহরণ। বাঙালি যে সফল ব্যবসায়ী হওয়ার থেকে অধ্যাপক হওয়াকে বেশি গুরুত্ব দেয়, সেকথা অস্বীকার না-করাই ভালো।
অভিজিৎবাবুর ক্ষেত্রে এই বাংলার পড়াশোনার একটি বিশেষ সময় বর্তমান। আগেই বলেছি যে ১৯৮১ সালে স্নাতকস্তরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। অর্থাৎ ১৯৭৮-এ দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষা পাশ করেন, যাকে আমাদের এখানে বলা হয় উচ্চমাধ্যমিক। সত্তর দশকের শুরুর উত্তাল সময় তখন দশকান্তে অনেকটাই শান্ত। বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এসে গেছে। পড়শোনায় হঠাৎ করে পশ্চিমবঙ্গের খুব উন্নতি না-হলেও আগের থেকে কিছুটা নিয়মিত ফল প্রকাশিত হচ্ছে। এই সত্তরের দশকের শেষ থেকে নব্বই দশকের শুরুর দিক পর্যন্ত উচ্চশিক্ষায় পশ্চিমবঙ্গের একটা ধারা বজায় ছিল। সেখানে যেমন বাঙালিরা চেষ্টা করত ভালো প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিবিদ্যা, চিকিৎসাশাস্ত্র কিংবা রাশিবিজ্ঞানের পাঠ নিতে, তেমনই একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ পড়ার জায়গা ছিল প্রেসিডেন্সি কলেজ (তখনও বিশ্ববিদ্যালয় নয়)।
পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে স্নাতকস্তরে বিজ্ঞান বা সাহিত্য নিয়ে পড়ার চল ছিল বেশি। সেই সময় অবশ্যই কলকাতার সেরা ছাত্রছাত্রীরা প্রেসিডেন্সির দিকে তাকিয়ে থাকতেন। কিন্তু সত্তর দশক থেকেই আমাদের রাজ্যে প্রযুক্তিবিদ কিংবা চিকিৎসক হওয়ার চাহিদা বাড়তে থাকে। শিক্ষিত বাঙালি মধ্যবিত্তের ভাবনা অনুযায়ী ঠিক হতে শুরু করে তাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় ভালো হলে কোন রাস্তায় যাবেন। সেই হিসেবে পঞ্চাশের দশকের শুরুতে অমর্ত্য সেনের প্রেসিডেন্সিতে অর্থনীতি নিয়ে পড়তে যাওয়ার যে প্রেক্ষিত, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে তা কিছুটা আলাদা। সংবাদমাধ্যমের খবর যে এই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ সফল হয়েছিলেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও। কিন্তু সপ্তাহখানেক রাশিবিজ্ঞানের পাঠ নেওয়ার পর তিনি স্থির করেন অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করবেন প্রেসিডেন্সিতে। অর্থাৎ সেই সময়েও সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সি কলেজকে একেবারে প্রথম সারিতে রাখতেন।
উল্লেখ্য যে সত্তর আশির দশকে আইআইটি বা যাদবপুরে প্রযুক্তিবিদ্যা, রাজ্যের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাবিজ্ঞান কিংবা আইএসআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে রাশিবিজ্ঞান পড়তে যেতেন রাজ্যের সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারাই। কিন্তু তাদের মধ্যেও কয়েকজন নিজের সিদ্ধান্তে প্রেসিডেন্সিতে যাওয়ার কথা ভাবতেন। নব্বইয়ের দশক থেকে বিষয়টা ভীষণভাবে বদলাতে শুরু করে। তখন কিন্তু সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সিতে আর আসতেন না। দু-একজন ব্যতিক্রমী থাকতেই পারেন, কিন্তু জানা নেই যে নব্বই সালের পর আইআইটি খড়গপুর বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা ইলেক্ট্রনিক্স বিভাগে পড়ার সুযোগ ছেড়ে কোনও বাঙালি প্রেসিডেন্সিতে পদার্থবিদ্যা, অর্থনীতি বা অঙ্ক করতে আসছেন, অথবা মেডিকেল কলেজে না-পড়ে জীবনবিজ্ঞান নিয়ে পড়ছেন কলেজ স্ট্রিটের নামকরা কলেজে। এই পরিবর্তন কেন সে নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে এবং হবে।
তবে এর একটা অন্যদিকও আছে, যেখানে স্নাতকস্তরে পড়ার বিষয় নিয়ে ২০০০ সালের পর থেকে বাঙালিদের চিন্তার ধারা বেশ গোলমেলে। নব্বইয়ের দশকের ভাবনায় প্রেসিডেন্সির থেকে আগে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্ব পেত, সেখানে সত্যি উচ্চমানের পরিকাঠামো ছিল। কিন্তু তার পরের দশকে অবস্থা আরও সাংঘাতিক। এই সহস্রাব্দের শুরুতে অনেকে প্রেসিডেন্সিতে না-পড়ে দিকশূন্যপুরের অত্যন্ত নিম্নমানের বেসরকারি প্রযুক্তিবিদ্যার কলেজে পড়তে গিয়েছেন এমন উদাহরণ আছে। একইভাবে যাদবপুর বা শিবপুরে কম্পিউটার সায়েন্স পড়ার সুযোগ না-পেয়ে কেউ বেসরকারি কলেজে সেই বিশেষ বিষয়টি নিয়ে পড়তে ছুটেছেন।
কিন্তু জয়েন্ট এন্ট্রান্সের মেধাতালিকার ভিত্তিতে সেই পড়ুয়া খুব সহজেই যাদবপুর বা শিবপুরে প্রযুক্তিবিদ্যার অন্যান্য বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে পারতেন। প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসলে হয়তো প্রেসিডেন্সিতেও পড়ার সুযোগ পেতেন বিজ্ঞান বা অর্থনীতি নিয়ে। অর্থাৎ স্নাতকস্তরের শিক্ষা নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের ভাবনাচিন্তা গুলিয়ে গেছিল অনেকটা। এর মূল কারণ এই সহস্রাব্দের প্রথম দশকে সফটওয়্যারের চাকরি ছিল বেশ সহজলভ্য। অপটু শিক্ষকমণ্ডলী এবং অনুপযুক্ত পরিকাঠামো সত্ত্বেও বেসরকারি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান থেকে কোনোভাবে স্নাতকস্তরের একটা ডিগ্রি জোগাড় করে বেশ ভালো চাকরি পেয়েছেন অনেকে। সেই ধারা অবশ্য বদলে গিয়েছে এই দশকের মাঝামাঝি এসে। বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পড়ে আর বেশি চাকরি পাওয়া যাচ্ছে না। শুধু আমাদের রাজ্যে নয়, সারা দেশেই এই ধরনের বেসরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার উৎসাহ কমেছে পড়ুয়াদের। আর্ধেকের বেশি আসন ফাঁকা। ব্যবসায়িক কারণে উঠে যেতে শুরু করেছে এই ধরনের অনেক কলেজ।
অর্থাৎ এখানে যে কথা বলার তা হল, বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কারণে নব্বইয়ের দশকে সবথেকে মেধাবী পড়ুয়ারা প্রেসিডেন্সি কলেজে কম গিয়েছেন। তারপর পরিস্থিতি আরও নেতিবাচক। এই সহস্রাব্দে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও ছাত্রছাত্রীরা কম্পিউটার সায়েন্স গোছের বিষয় শেখার তাগিদে ছুটেছেন তুলনায় অনেক নিম্নমানের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কিংবা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত উৎসাহ সত্ত্বেও ২০০০ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে মেধাবী ছাত্রছাত্রীরা অর্থনীতি বা বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে প্রেসিডেন্সিতে খুব বেশি যাননি। সাম্প্রতিককালে অত্যন্ত বড় মাপের শিক্ষাবিদদের এনে প্রেসিডেন্সির মানোন্নয়নের চেষ্টা হয়েছে। তবে তাতে ভালো ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষণের ক্ষেত্রে খুব কাজ হয়েছে সেকথা বলা যাবে না। এদিকে এটা মানতেই হবে যে প্রেসিডেন্সির শিক্ষক শিক্ষিকাদের মান যথেষ্ট ভালো, পরিকাঠামো নিয়েও বিশেষ সমস্যা নেই। সেখানে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের আনাগোনা যথেষ্ট। আসলে এখানে একটা বড় বিষয় হল সঠিক প্রচার। মনে রাখতে হবে, পৃথিবীতে খুবই কম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে যেখানকার অর্থনীতি বিভাগে স্নাতকস্তরে পড়াশোনা করা দু’জন নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। আর শুধু নোবেলই বা কেন, সত্তর বা আশির দশকে প্রেসিডেন্সিতে পড়া ছাত্রছাত্রীরা আজকের দিনে দুনিয়া কাঁপাচ্ছেন। সেই বিজ্ঞাপন আগামী দিনের পড়ুয়াদের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি।
সরকারের বিশেষ দায়িত্ব আছে এই বিষয়ে। শুধু একটু সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা মাথায় নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের সেরা ছাত্রছাত্রীদের একটা বড় অংশকে টেনে আনতে হবে এই প্রতিষ্ঠানে। মনে করিয়ে দিতে হবে কলকাতার আর একজন নোবেলজয়ীও এই কলেজে পড়েছিলেন। স্কুল পালানো সেই বাঙালি পালিয়েছিলেন কলেজ থেকেও! বয়সকালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষণ দিতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মনে করিয়ে দিয়েছিলেন তাঁর প্রেসিডেন্সি কলেজে প্রথমদিনের কথা। “আমার জীবনে প্রথম বয়সে স্বল্পক্ষণস্থায়ী ছাত্রদশা কেটেছে অভ্রভেদী শিক্ষাসৌধের অধস্তন তলায়। তার পর কিশোরবয়সে অভিভাবকদের নির্দেশমত একদিন সসংকোচে আমি প্রবেশ করেছিলুম বহিরঙ্গছাত্ররূপে প্রেসিডেন্সি কলেজের প্রথমবার্ষিক শ্রেণীতে। সেই এক দিন আর দ্বিতীয় দিনে পৌঁছল না।” প্রেসিডেন্সিতে ছাত্র হিসেবে পা দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথ, অমর্ত্য এবং অভিজিৎ। পরের দু’জন পড়া শেষ করে নোবেল পেয়েছেন, প্রথমজন পালিয়ে গিয়ে!
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মতামত ব্যক্তিগত 
21st  October, 2019
এবারের ২৩ জানুয়ারির শিক্ষা
হিমাংশু সিংহ 

পরাক্রমতার সঙ্গে অনন্ত দেশপ্রেম আর তার বিশ্বজোড়া ব্যাপ্তি মিশলে তবেই নেতাজির নাগাল পাওয়া যায়। এই সার সত্যটা বুঝতেই পারলেন না অমিত শাহরা। বাংলার মনন ও সংস্কৃতির আসল সুরটাকে ধরতে না পারার সমস্যাটা এখানেই। দেশপ্রেম দিবস কিংবা দেশনায়ক দিবসই নেতাজিকে সম্মান জানানোর পক্ষে যথার্থ। বিশদ

অপরাজেয় সুভাষ
পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়

১৯৪১ সালের ১৭ জানুয়ারি ইংরেজ পুলিসের চোখে ধুলো দিয়ে এলগিন রোডের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন সুভাষচন্দ্র। পরদিন গোমো থেকে ফ্রন্টিয়ার মেলে চড়ে পৌঁছে গেলেন পেশোয়ার। সম্পূর্ণ একা। ওখানে দেখা হল আবিদ হাসান ও অন্যান্যদের সঙ্গে এবং অবশ্যই ভগৎরাম তলোয়ারের সঙ্গে। বিশদ

23rd  January, 2021
ইতিহাস গড়ার মুখে
ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত মমতার
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন কমিশনের কর্তাদের রাজ্যে আসা-যাওয়া, প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে ঘন ঘন বৈঠক বুঝিয়ে দিচ্ছে, ‘অঘটন’ হচ্ছে না। ভোট হবে কমিশনের তত্ত্বাবধানেই। অর্থাৎ বঙ্গে ৩৫৬ ধারা জারির সম্ভাবনা নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বেই হবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। অতএব বোঝা যাচ্ছে, বিজেপি নেতাদের ৩৫৬ ধারা জারি করে ভোট করানোর দাবিটা ছিল দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করার কৌশল। বিশদ

23rd  January, 2021
সুভাষচন্দ্র: বাঙালি, ভারতীয়
ও আন্তর্জাতিক নেতা
অমিত শাহ

সুভাষচন্দ্র বসুর মতো নেতা প্রতিটি ভারতীয়ের হৃদয়ে বাস করেন। কংগ্রেস এবং বামপন্থীরা নেতাজিকে সেই আমলেও সম্মান দেয়নি, আজও দেয় না। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিজি সুভাষবাবুর স্বপ্ন এবং বিচার দিয়ে গড়া এক আত্মনির্ভর ও  শক্তিশালী ভারত নির্মাণের সঙ্কল্প নিয়েছেন। বাংলা ও সারা ভারতের লোক তাঁকে সমর্থন করছেন। বিশদ

23rd  January, 2021
বাংলার তিন মনীষী
আত্মমর্যাদা শিখিয়েছেন
সমৃদ্ধ দত্ত

এখানে বিজেপির কে প্রার্থী হবেন এবং কে হবেন না সেই চূড়ান্ত সিলমোহর কোনও বাঙালি নেতা দেবেন? নাকি বাংলা বিজেপি স্রেফ লিস্ট তৈরি করে জমা দেবে দিল্লির নেতাদের কাছে? কাদের ক্ষমতা বেশি? এসব কি আত্মশক্তির লক্ষণ? বিশদ

22nd  January, 2021
দলভাঙানো রাজনীতি:
এ রাজ্যে নবতর সংযোজন

এই রাজ্যে দল ভাঙানোর অনৈতিক রাজনীতির যাঁরা প্রবর্তক, তাঁরা এখন হঠাৎ চিৎকার শুরু করলেন কেন? পাঁচিল ভেঙে পথ করেছে তৃণমূল। সেই পথ ধরেই বিজেপি আজ তৃণমূলের ঘর ভাঙছে।
বিশদ

21st  January, 2021
নবান্ন দখলের ভোট
ও প্রেশার পলিটিক্স
হারাধন চৌধুরী

বিজেপি নেতৃত্ব ভাবছে, নাটক আর প্রেশার পলিটিক্স দিয়েই হাঁড়ির হাল মেরামত করে ফেলবে। কিন্তু মাস্টার স্ট্রোকের পলিটিক্সে আজও যিনি অদ্বিতীয় সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বুঝিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রাম ভাঙিয়ে একটি পরিবারের রাজনীতিকে আর একপাও এগতে দেবেন না তিনি। বিশদ

20th  January, 2021
তৃণমূল বনাম তৃণমূল (বি)
শান্তনু দত্তগুপ্ত

হতে পারে বাংলার ভোট প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ব কায়েমের অ্যাসিড টেস্ট। কিন্তু একুশ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও প্রেস্টিজ ফাইট! দাঁড়িপাল্লার একদিকে কেন্দ্র, আর অন্যদিকে মমতার সরকারকে রাখলে উন্নয়ন এবং বেনিফিশিয়ারির নিরিখেই বিজেপি অনেক নীচে নেমে যাবে। বিশদ

19th  January, 2021
বাজেটের আগে অর্থমন্ত্রী
আরও বিভ্রান্ত করলেন
পি চিদম্বরম

যে-দেশে আমরা আজ বাস করছি সেটা দিনে দিনে অচেনা এবং বিস্ময়কর হয়ে যাচ্ছে। এটা খুব অবাক ব্যাপার নয় কি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত একটা সরকার তার পুরনো গোঁ ধরেই বসে থাকবে, বিশেষ করে দিল্লির ভয়ানক শীতের মধ্যেও কৃষকদের প্রতিবাদ আন্দোলন যখন ৫৬ দিনে পা দিয়েছে? বিশদ

18th  January, 2021
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

17th  January, 2021
ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
একনজরে
সিডনি টেস্টে হনুমা বিহারি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের জুটি ম্যাচ বাঁচাতে সাহায্য করেছিল টিম ইন্ডিয়াকে। চোট নিয়েও অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের বিরুদ্ধে যেভাবে তাঁরা রুখে দাঁড়িয়েছিলেন, তা এক ...

কালনা ফেরিঘাটে গাড়ি পারাপারের ভাড়ার (পারানি) রসিদ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন মহকুমা শাসক। এছাড়াও ভাড়ার অতিরিক্ত মাঝিদের বকশিসের বিষয়টি ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত দেখার নির্দেশ দেন। ...

শনিবার দিনে দুপুরে কালিয়াচকের সুজাপুরে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে লুটের চেষ্টা চলে। ছুটি থাকায় দুষ্কৃতীরা ওই ব্যাঙ্ক লুটের চেষ্টা করে। যদিও শেষ পর্যন্ত তাদের ছক বানচাল ...

শারীরিক অবস্থার অবনতি হল আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের। তাঁকে দিল্লি এইমসে স্থানান্তর করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর, রাঁচির হাসপাতালে আট সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের পঠনপাঠনে আগ্রহ বাড়বে। কর্মপ্রার্থীদের কর্মপ্রাপ্তির যোগ। বিশেষত সরকারি বা আধা সরকারি ক্ষেত্রে যোগ প্রবল। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় শিশুকন্যা দিবস
১৮২৬: ব্যারিস্টার জ্ঞানেন্দ্রমোহন ঠাকুরের জন্ম
১৮৫৭: প্রতিষ্ঠিত হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৪৫: পরিচালক সুভাষ ঘাইয়ের জন্ম
১৯৫০ - ড. রাজেন্দ্রপ্রসাদ ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন
১৯৫০: ভারতের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত হল ‘জনগণমন অধিনায়ক’
১৯৫২ - তৎকালীন বোম্বেতে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের শুরু
১৯৬৫ - ইংরেজ রাজনীতিবিদ ও লেখক উইন্স্টন  চার্চিলের মৃত্যু
১৯৬৬: বিজ্ঞানী হোমি জাহাঙ্গির ভাবার মৃত্যু
১৯৮৭ - উরুগুয়ের ফুটবল লুইস সুয়ারেরে জন্ম
১৯৮৮ - ভিটামিন ‘সি’র আবিষ্কারক প্রাণ-রসায়নবিদ চার্লস গ্লিন কিংয়ের মৃত্যু
২০১১ - হিন্দুস্থানী শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ভীমসেন জোশীর মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২২ টাকা ৭৩.৯৩ টাকা
পাউন্ড ৯৮.৫১ টাকা ১০১.৯৯ টাকা
ইউরো ৮৭.৩৯ টাকা ৯০.৫৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  January, 2021
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৬০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৪০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
23rd  January, 2021

দিন পঞ্জিকা

১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী ৪১/৩১ রাত্রি ১০/৫৮। রোহিণী নক্ষত্র ৪৪/৭ রাত্রি ১২/১। সূর্যোদয় ৬/২২/১১, সূর্যাস্ত ৫/১৫/২০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫ গতে ১০/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/৪৫ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ১/৩৭ মধ্যে। রাত্রি ৬/৭ গতে ৬/৫৯ মধ্যে পুনঃ ১২/১৪ গতে ৩/৪৪ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৬ গতে ১/৯ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে। 
১০ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২১, একাদশী রাত্রি ৯/৫০। রোহিণী নক্ষত্র রাত্রি ১১/২৯। সূর্যোদয় ৬/২৫, সূর্যাস্ত ৫/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/১ গতে ৯/৫৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৮ গতে ৮/৫১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/১ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ১/৪২ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১৭ গতে ৭/৮ মধ্যে ও ১২/১৭ গতে ৩/৪২ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৯ গতে ১/১১ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৯ গতে ৩/৮ মধ্যে। 
১০ জমাদিয়স সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: কেরল ব্লাস্টার্স ও গোয়ার ম্যাচটি ১ : ১ গোলে ড্র

23-01-2021 - 09:43:00 PM

আইএসএল: কেরল ১ - গোয়া ১ (৫৭ মিনিট)

23-01-2021 - 08:50:00 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (প্রথমার্ধ)

23-01-2021 - 08:31:03 PM

আইএসএল: কেরল ০ - গোয়া ১ (২৫মিনিট)

23-01-2021 - 08:07:55 PM

টিটাগড়ে গুলি করে খুন তৃণমূল কর্মীকে
টিটাগড়ে গুলি করে খুন হলেন এক যুবক। নাম গুমানি খান ...বিশদ

23-01-2021 - 08:02:11 PM

 প্রতিবাদ নুসরতের
নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর সরকারি অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক স্লোগান ওঠার ...বিশদ

23-01-2021 - 05:39:00 PM