Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। কেন্দ্রীয় সরকার এবং ইউনাইটেড নেশনসের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন সিকিওরিটি অ্যানালিসিস ইন্ডিয়া, ২০১৯ শীর্ষক একটা রিপোর্টে পরিষ্কার বলা হয়েছে দেশের দরিদ্রতম অংশের শিশুরা যেন আটকে পড়েছে দারিদ্র্য ও অপুষ্টির ফাঁদে। এ ফাঁদ যেন চিরকালীন। দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি করার মত অজস্র খাদ্য, এসব সাফল্য কাহিনী ও সরকারের অজস্র যোজনার আলোকমালায় সাজানো যে ভারতের গল্প আমরা শুনি এই ব্ল্যাকহোলে তার যেন প্রবেশ নিষেধ। সরকারি রিপোর্টই বলছে এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০২২ সালে দেশে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুর সংখ্যা দাঁড়াবে ৩১.৪ শতাংশ।
শারীরিক বৃদ্ধি সঙ্গত কারণেই ব্যাহত করবে এদের মানসিক বৃদ্ধিকে। জীবনের ফুটে ওঠার অবস্থায় পুষ্টির অভাবে ব্যাহত হবে এদের বুদ্ধিবৃত্তি। এ এক অদ্ভুত চক্র! স্কুলে যাওয়ার জন্য সরকারি যোজনা রয়েছে, কিন্তু অপুষ্টি তো শিশুর শেখার ক্ষমতাটাই আটকে দেয়। আবার শেখার অক্ষমতা আটকায় তার মানসিক বৃদ্ধির সুযোগ। সে কোনও পেশার জন্যই শরীর ও মনে প্রস্তুত হতে পারে না। প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে জীবনভোর দারিদ্র্যের সঙ্গে যুদ্ধ করে চলে। গ্রাম শহরে প্রতিদিনই এই মানুষগুলির সঙ্গে আমাদের দেখা হয়। বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী, শাসক ও বিরোধী সবার খাতাতেই এরা বাতিল। এরা শুধু নামহীন কিছু সংখ্যা হয়ে জেগে থাকে পরিসংখ্যানে। আজকের ক্ষুধার্ত, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুটি উপযুক্ত সময় ও বয়সে শরীরে ও মনে বাড়ার সুযোগ না পেলে আগামী দিনে অনিবার্যভাবে ক্ষুধার্ত বেকার এবং অশিক্ষিত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ হয়েই থাকবে।
যা লিখলাম তা কিন্তু বিরাট কিছু নতুন কথা নয়। শিশুরাই দেশের সবচেয়ে অসুরক্ষিত অংশ। এদের পুষ্টির ব্যবস্থা করতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য লাগাতারভাবে সরকারের সমালোচনা করা হচ্ছে। বারবার বলা হচ্ছে কম বয়সের শিশুদের বেশি করে পুষ্টির ব্যবস্থা করার কথা। কিন্তু অবস্থা বিশেষ বদলায়নি। ভারত বিশ্বের সবচেয়ে অপুষ্টিতে ভরা দেশের অন্যতম হয়েই রয়েছে। পরিসংখ্যান দেখিয়ে কেউ হয়তো বলবেন, কেন ২০০৫-৬ এর তুলনায় ২০১৫-১৬ সালে তো দেশে লাগাতার অপুষ্টিতে ভোগা শিশুর সংখ্যা কমেছে, কমেছে অ্যানিমিয়া, ওজন কম শিশুর সংখ্যাও এখন আগের তুলনায় কম। কিন্তু এই অগ্রগতি হচ্ছে খুব ধীর গতিতে। বছরে মাত্র ১ শতাংশ হারে। বৃদ্ধির হার প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। আর এই দেরি হওয়াটাই দেশের বহু শিশুকে যাকে বলে ‘খরচের খাতায়’ ফেলে দিচ্ছে। তারা জীবনটা শুরু করছে অনেক পিছিয়ে থেকে। জীবনের সূচনা থেকে তারা যেন ‘লাস্ট বয়।’
সরকার এসব কথা যে একেবারে ভাবছে না তা নয়। ন্যাশনাল নিউট্রিশন মিশন, এখন যার নাম পাল্টে হয়েছে পোষণ অভিযান, তাতে বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের সংখ্যা বছরে ২ শতাংশ কমিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে এভাবে এই শিশুদের সংখ্যা ২০২২ এর মধ্যে ২৫ শতাংশ করে ফেলা যাবে। কিন্তু এই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলেও অগ্রগতির হার এখনকার তুলনায় দ্বিগুণ করতে হবে। পোষণ অভিযানের সঙ্গে জড়িত সরকারি মহলের কর্তাব্যক্তিদের কথাবার্তা শুনে কিন্তু এব্যাপারে আশ্বস্ত হওয়ার বিরাট কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। পোষণ অভিযান প্রকল্প শুরু হওয়ার একবছর পরেও রাজ্য সরকার এবং দেশের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি মোট বরাদ্দের মাত্র ১৬ শতাংশ খরচ করতে পেরেছে। দেশের শিশুদের পুষ্টি বাড়ানোর জন্য প্রতিটি রাজ্যের সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল একটি জেলায় গত মার্চ থেকে উৎকৃষ্ট মানের চাল এবং দুধ দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পের কর্তারা এখন স্বীকার করছেন কাজটা শুরু করা যায়নি। দেশের গণবন্টন ব্যবস্থা ছাড়া একাজ সম্ভব নয়। কিন্তু তাদের সঙ্গে নিয়ে প্রকল্প রূপায়ণের কাজটি এখনও ঠিকমত করে ওঠা যায়নি। অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা এই প্রকল্প রূপায়ণের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বিহার ও ওড়িশার মত রাজ্যে যেখানকার শিশুদের একটা বড় অংশ এই সমস্যার শিকার সেখানে অঙ্গনওয়াড়ি তৈরি করা, কর্মী নিয়োগ করা ইত্যাদি ব্যাপারে সমস্যার কোনও সমাধান করা যায়নি।
সমস্যার ব্যাপকতা নিশ্চয় আছে, রয়েছে পরিকাঠামো এবং মানুষের সচেতনতার সমস্যাও, কিন্তু দেশে খাদ্য নেই বলে যে গরিব শিশুদের পুষ্টির জন্য খাদ্য দেওয়া যাচ্ছে না তা নয়। এটাই সবচেয়ে দুঃখের, সবচেয়ে লজ্জার। গত দু’দশকে দেশে খাদ্যশস্যের উৎপাদন ৩৩ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। খাদ্যশস্য উৎপাদনে এখন আমরা বস্তুত স্বয়ম্ভর। কিন্তু সেই অনুপাতে চাল, গম এবং অন্যান্য জরুরি খাদ্যশস্য মানুষের পক্ষে ততটা সহজলভ্য হয়ে ওঠেনি। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, অসাম্য, খাদ্য নষ্ট হওয়া, রপ্তানি বাণিজ্য সহ আরও কিছুকেই এরজন্য দায়ী করা চলে। যার পরিণতিতে এখনও দেশের দরিদ্রতম অংশের প্রায় ৩০ শতাংশেরও বেশি মানুষ প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম খাদ্যশস্য পান। দরিদ্র শিশুদের মধ্যে এই অপ্রাপ্তির হার আরও বেশি।
আবার দেশের সব অংশে এই সমস্যা সমান নয়। খারাপ অবস্থারও রকমফের রয়েছে। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের মত বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার সমস্যা এতটা ব্যাপক না হলেও ন্যাশনাল ফ্যামেলি হেলথ সার্ভের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমাদের পশ্চিমবঙ্গেও এই সমস্যা কম নয়। এটা যে শুধু আর্থিক কারণেই ঘটছে তা নয়। বহু জায়গায় আর্থ-সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিও একটা বড় সমস্যা। বিশেষ করে তফশিলি জাতি ও উপজাতি এবং অনগ্রসর সম্প্রদায়ভুক্ত পরিবারে এই সমস্যা অনেকে বেশি। কেউ বলতে পারেন বাড়ির ছোটদের তো সবাই ভালোবাসেন। বাড়ির লোক তাদের না খাইয়ে বা কম খাইয়ে কেন রাখবেন? ঠিক কথা, কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। বৃদ্ধি ব্যাহত ও অপুষ্টি কিন্তু শিশুদের নয়, শুরু হয় তাদের মায়েদের থেকে। অপুষ্টি ও রক্তাল্পতায় ভোগা একটা কমবয়সি মায়ের শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং অপুষ্টিতে আক্রান্ত হওয়ার সমস্যা সবথেকে বেশি।
আগামী পাঁচ বছরে দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দেশে পরিণত করার কথা বলছেন সরকার। খুব ভালো কথা, কিন্তু বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের বিপুল বোঝা তো এ রাস্তায় দেশের এগনোর পথে বাধা সৃষ্টি করবে। সবচেয়ে দুঃখের কথা হল, এই সমস্যা তৈরি হয়েছে সম্পদ নয়, সমাধানের রাস্তাটা তৈরি করতে না পারার জন্য। পরিষেবা পাওয়ার সামাজিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক কাঠামোর অসুবিধা দূর করতে না পারলে অবস্থা বদলাবে না। বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিও। সবার আগে প্রান্তবাসী শিশুদেরও দেশের ভাবী নাগরিক মনে করে জীবনের ফুটে ওঠার অবস্থায় তাদের সামনের সারিতে আনার প্রস্তুতি নিতে হবে। ভারতে এই সমস্যাটা শুধুমাত্র বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের বা তার বাবা মায়েদের সমস্যা নয়, সামগ্রিক ভাবে গোটা দেশের সমস্যা। যে শিশুরা দেশের কর্মক্ষম, উৎপাদনশীল, সচেতন নাগরিক হতে পারতো তাদের সামনে নিয়ে না আসার ব্যবস্থা করলে গোটা দেশই পিছিয়ে থাকবে। যাদের আয় দেশের সম্পদ বাড়াতে পারতো এখন তাদের জন্যই অনুৎপাদক ভর্তুকি দিতে হচ্ছে দেশকে।
দেশ, সমাজ, সময়, সভ্যতা সব কিছু এগয় কিন্তু শিশুদের নিয়ে। শিশুদের শারীরিক বিকাশ এখন উন্নয়নের একটা বড় সূচক। কিন্তু দেশের দুই-পঞ্চমাংশ গরিব পরিবারের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া শিশুদের নিয়ে আমাদের তো উন্নয়নের রাস্তায় চলাটাই সমস্যা হবে। আধুনিক অর্থনীতি তো তাদের স্পর্শই করতে পারবে না। এক থেকে পাঁচ বছরের ছোটরা চিরকাল ছোট হয়ে থাকলে দেশের বৃদ্ধিই ছোট হয়ে যাবে, ছোট হবে দেশের মুখ। এই অবস্থা বদলাতেই হবে। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘পশ্চাতে রেখেছ যারে সে তোমারে পশ্চাতে টানিছে।’ বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া, পিছিয়ে থাকা এই অসংখ্য শিশু কিন্তু দেশের অগ্রগতির রথকে পিছনে টানছে।
19th  October, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
অবরুদ্ধ কাশ্মীরে বিদেশিদের সফর, রহস্যময়ী
ম্যাডি শর্মা ও পাঁচ বাঙালির নৃশংস হত্যা 
হিমাংশু সিংহ

কাকতালীয় ঘটনা হলেও সত্যি! বাংলার পাঁচ শ্রমিককে অপহরণ করে নৃশংসভাবে খুন করার দিনেই নরেন্দ্র মোদি সরকারের সৌজন্যে অবরুদ্ধ কাশ্মীর সফর করেছেন একঝাঁক বিদেশি প্রতিনিধি।
বিশদ

03rd  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বোল্লাকালীর অন্যতম ভোগ চিনির বাতাসা তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন মিষ্টি বিক্রেতারা। শুক্রবারই মায়ের পুজো। তাই নাওয়াখাওয়া ভুলে কয়েক কুইন্টাল চিনি জাল দিয়ে তৈরি হচ্ছে কদমা, বাতাসা। দূরদূরান্ত থেকেন বোল্লাকালীর পুজো দিতে আসেন ভক্তেরা।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: গত দু’দিনের বৃষ্টিতে হাওড়া শহরে ডেঙ্গু ও অজানা জ্বরের প্রকোপ ফের বেড়েছে। হাওড়া জেলা হাসপাতাল ও সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল ও নার্সিংহোম এখন ...

 নয়াদিল্লি, ১২ নভেম্বর (পিটিআই): কংগ্রেস নেতা শশী থারুরের বিরুদ্ধে জামিনযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল দিল্লি আদালত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। ...

সংবাদদাতা, বর্ধমান: সর্বভারতীয় স্কুল পর্যায়ের যোগাসন প্রতিযোগিতায় অনূর্ধ্ব-১৭ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে জেলার মুখ উজ্জ্বল করল সর্বশ্রী মণ্ডল। রিদমিক যোগায় প্রথম হয়ে সে সোনার মুকুট পায়। এমাসের ৪ নভেম্বর সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গণে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও চুক্তিবদ্ধ কাজে যুক্ত হবার যোগ আছে। ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে। বিবাহের যোগাযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪০: ফরাসি ভাস্কর অগ্যুস্ত রদ্যঁর জন্ম
১৮৯৩: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তরেখা ডুরান্ড লাইন চুক্তি স্বাক্ষরিত
১৮৯৬: পক্ষীবিদ সালিম আলির জন্ম
১৯৪৬: পণ্ডিত মদনমোহন মালব্যের মৃত্যু  

12th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৭০ টাকা ৭২.৮৫ টাকা
পাউন্ড ৮৯.০৬ টাকা ৯৩.৩৬ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৩ টাকা ৮০.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
12th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৫৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৫৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,১০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/৩৬ রাত্রি ৭/৪২। কৃত্তিকা ৪০/২৩ রাত্রি ১০/১। সূ উ ৫/৫১/২৯, অ ৪/৫০/১৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১৯ গতে ৮/৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৫ গতে ১২/২৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৬/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৮/১৯ গতে ৩/১৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩৫ গতে ৯/৫৮ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৬ গতে ৪/১৪ মধ্যে।
 ২৬ কার্তিক ১৪২৬, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, প্রতিপদ ৩৪/২৪/৩৯ রাত্রি ৭/৩৮/৩৩। কৃত্তিকা ৪২/২৪/১১ রাত্রি ১০/৫০/২১, সূ উ ৫/৫২/৪১, অ ৪/৫০/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪৭ মধ্যে ও ৭/৩০ গতে ৮/১২ মধ্যে ও ১০/২১ গতে ১২/২৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪০ গতে ৬/৩৩ মধ্যে ও ৮/১৯ গতে ৩/২৪ মধ্যে, বারবেলা ১১/২১/৪৪ গতে ১২/৪৪/০ মধ্যে, কালবেলা ৮/৩৭/১৩ গতে ৯/৫৯/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৭/১২ গতে ৪/১৪/৫৬ মধ্যে।
১৫ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দুর্বল নদী বাঁধ দ্রুত মেরামতের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 

01:07:00 PM

সবাই যাতে ত্রাণ পায় দেখতে হবে, বসিরহাটে প্রশাসনিক বৈঠকে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

01:03:00 PM

বাগদায় অস্ত্র সহ ধৃত দুষ্কৃতী 
উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করল ...বিশদ

12:35:13 PM

গভীর রাতে দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে ফের ২টি বাইকে আগুন, চাঞ্চল্য 

11:30:00 AM

দুর্গাপুরে ধৃত ২ ভুয়ো চিকিৎসক 
দুর্গাপুরে দুই ভুয়ো চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ২০১৭ সাল থেকে ...বিশদ

11:25:11 AM

পঞ্চসায়র থেকে মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ 
পঞ্চসায়রের একটি হোমের সামনে থেকে এক মৃগীরোগীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ...বিশদ

11:20:35 AM