Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। তিনি ইউরোপীয় ছিলেন। সোনিয়াও তাই। তাহলে বিদেশিনী তকমার জন্য তিনি দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দলের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না, এই যুক্তি মোটেও খাটে না। মোহিত সেনের নিবন্ধের সারমর্ম ছিল, কংগ্রেসের অবক্ষয় ঠেকাতে পারে শুধুই গান্ধী পরিবার। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই তখন নাক কুঁচকে ছিলেন। সোনিয়া? ১৯৯৮ সালে কিন্তু ইন্দিরা গান্ধীর সেই পুত্রবধূই দলের সভানেত্রী হলেন। ধীরে ধীরে নিজের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ডালপালা বিস্তার করলেন। এবং মাত্র ১৪৫টি আসন নিয়েও ২০০৪ সালে কংগ্রেস জোট সরকার গঠন করল। অপ্রত্যাশিত।
প্রশ্ন উঠতেই পারে, এখন আবার ওই প্রসঙ্গ কেন? কারণ একটাই। কংগ্রেস আজ আবার ধসে যাওয়ার মুখে। নিন্দুকে চিরকাল বলে এসেছে, গান্ধী পরিবারের ট্যাগ না থাকলে কি কংগ্রেস চলতে পারে না? উত্তরটা কিন্তু দলের নবীন-প্রবীণ লোকজনই এবার দিয়ে দিয়েছেন। তাঁরা কেউই আর রাহুল গান্ধীর ছেড়ে যাওয়া জুতোয় পা গলাতে নারাজ। তাই দলের মৃত্যুপথযাত্রা ঠেকাতে ভরসা সেই সোনিয়া গান্ধী। এক কঠিন সময়ে তিনি কংগ্রেসের দায়িত্ব নিয়েছেন। সামনেই তিন রাজ্যের ভোট। যার মধ্যে হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রে ২১ অক্টোবর, ঝাড়খণ্ডে ডিসেম্বর মাসে। যদিও ঝাড়খণ্ড নয়, অন্য দুই রাজ্যের দিকেই আপাতত দেশের নজর। তাই বানপ্রস্থ থেকে ফিরিয়ে আনা হল ৭২ বছরের ‘বিদেশিনী’কেই। অপ্রত্যাশিতভাবেই।
গত লোকসভা ভোটের ফল দেখে কংগ্রেস নিয়ে এত আলোচনা বাতুলতা মনে হতে পারে। কিন্তু রাজনীতির এই প্রান্তে আলোকপাত করাটাও প্রয়োজন। কেন? মূল কারণ হল, যদি মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার নিরিখে রাজনীতির জমি জরিপ করা হয়, তাহলে দুই রাজ্যেই বিজেপির শাসন-ইতিহাস খুব মসৃণ নয়। শুরু করা যাক মহারাষ্ট্র দিয়ে। রাজ্যের বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী সম্প্রতি মন্তব্য করেছিলেন, গত পাঁচ বছরে গোটা দেশে যত কর্মসংস্থান হয়েছে, তার ২৫ শতাংশই নাকি হয়েছে মহারাষ্ট্রে। যদিও এর বিস্তারিত তথ্য তিনি কিছু দিতে পারেননি। সিএমআইই’র সমীক্ষা কিন্তু বলছে, গত তিন বছরে মহারাষ্ট্রের বেকারত্বের হার ৪.৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৬ শতাংশ হয়েছে। তার উপর চাপ রয়েছে কৃষক সমাজের। সব্জির দাম চড়ছে। পেঁয়াজের অবস্থা তো ভয়াবহ! কৃষিঋণ মকুবের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন ফড়নবিশ। এবং ভোটের ঠেলায় আরও বেশ কিছু প্রকল্পের নিদান দিয়েছেন তিনি। তার মধ্যে রয়েছে জল সংরক্ষণ এবং সেচ সংক্রান্ত কর্মসূচি। কিন্তু উদ্বেগ বাড়িয়েছে শিল্প। ধাক্কা খেয়েছে একের পর এক বিনিয়োগের সম্ভাবনা। শিল্পে বৃদ্ধির হার গত আর্থিক বছরের তুলনায় বেশ খানিকটা কমে গিয়েছে। উপরন্তু গাড়ি শিল্প ধাক্কা খাওয়ায় সঙ্কট তৈরি হয়েছে পুনের কাছে চাকানে, যা কি না মহারাষ্ট্রের ‘কার হাব’।
যদিও গাড়ি শিল্পের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা খেয়েছে হরিয়ানা। গুরুগ্রাম-মানেসর-বাওয়াল এলাকায় ভারতের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ গাড়ি তৈরি হয়। প্রায় এক বছর হতে চলল, গাড়ি বিক্রির হার তলানিতে। উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। চলছে কর্মী ছাঁটাই এবং পরিকাঠামোগত খরচ বাঁচাতে দু’-একদিন করে কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও নিতে হয়েছে মারুতি সুজুকির মতো কোম্পানিকে। বেকারত্বও বাড়ছে।
অর্থাৎ, দুই রাজ্যের বিধানসভা ভোটেই মসৃণ জয় বিজেপির জন্য অপেক্ষা করে থাকার কথা নয়। তা সত্ত্বেও কেন অ্যাডভান্টেজ নরেন্দ্র মোদি বাহিনী? উত্তর একটাই, দুর্বল বিরোধী। বিশেষত কংগ্রেস। দলত্যাগ করেছেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক তনওয়ার। দলের মধ্যে ক্ষোভের হাওয়া, রাহুল গান্ধী যে তরুণ প্রজন্মের কাঁধে কংগ্রেসের দায়িত্ব সঁপেছিলেন, কোপ পড়ছে তাঁদের উপর। সোনিয়া গান্ধী কার্যকরী সভানেত্রী হয়ে ফিরে আসার পর প্রবীণরা খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। কুমারী সেলজাকে প্রদেশ সভাপতি করার পর হরিয়ানায় যে তিক্ততা আরও বেড়েছে। পাশাপাশি উঠছে নির্বাচনী টিকিট বিলি নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও। মহারাষ্ট্রেও সঞ্জয় নিরুপমের মতো কংগ্রেস নেতা দলের বিরুদ্ধে চাপা বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন। শচীন পাইলট, জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া, বা আর এক রাহুল-ঘনিষ্ঠ মিলিন্দ দেওরাও ক্ষোভ চেপে রাখেননি। ত্রিপুরার প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি প্রদ্যোৎ দেববর্মন তো সরাসরি দাবি করেছেন, রাহুল গান্ধীর হাত ধরে উঠে আসা তরুণ নেতৃত্বকে নানাভাবে হেনস্তা হতে হচ্ছে দলে।
এর থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার। সোনিয়া গান্ধীর হাতে কোনও জাদুকাঠি নেই। একের পর এক ভোটে বিপর্যয়ের কাহিনী কংগ্রেসের মনোবলে বড়সড় আঘাত হেনেছে। মাঝে রাজস্থান, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন ছাড়া গত এক দশকে রাহুল গান্ধী এবং তাঁর নব্য ব্রিগেডের ঝুলিতে তেমন কোনও সাফল্য নেই। মোদি হাওয়া আর নেই বলে গত লোকসভা ভোটে কংগ্রেস যে প্রচার চালিয়েছিল, তা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নোট বাতিল এবং জিএসটি সমস্যাও বিশল্যকরণী হয়ে কংগ্রেসের কাছে দেখা দেয়নি। দেশের মানুষই নরেন্দ্র মোদিকে আর একবার সুযোগ দিয়েছেন। ভোটার ভরসা রাখেননি কংগ্রেসে। আর এখন দলও হয়তো রাখছে না। কংগ্রেসে সোনিয়া গান্ধীর দাপট এবং জনপ্রিয়তা কিছুটা হলেও যে স্তিমিত হয়েছে, একের পর এক রাজ্যে ‘বিদ্রোহ’ই তার প্রমাণ। সোনিয়া গান্ধীও কিন্তু এবার আর হাল ফেরাতে পারছেন না। তাঁর কাছে এতটা প্রত্যাশা করাটাও অবশ্য অমানবিক। তাঁর বয়স এবং অসুস্থতা সত্ত্বেও পালিয়ে না গিয়ে সোনিয়া দলকে চাঙ্গা করার চেষ্টা করছেন... এটাই অনেক বড় ব্যাপার। কিন্তু দলীয় কোন্দল মিটিয়ে দেশবাসীর মনে কংগ্রেসের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরানোর কাজটা একা সোনিয়া করতে পারবেন না। কারণ এক হাতে তালি বাজে না। দলের প্রত্যেক সদস্যকে তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সেই সমর্থন জোগাতে হতো। যার লেশমাত্র হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্রে দেখা যাচ্ছে না।
অর্থাৎ বিজেপির সামনে এই দুই রাজ্যে ফাঁকা মাঠই পড়ে রয়েছে। শুধু ঠিকঠাক পাস বাড়িয়ে গোল দেওয়ার অপেক্ষা। পাস বাড়ানো মানে শরিকদের সামলে এগিয়ে যাওয়া। মহারাষ্ট্রে শরিক বলতে শিবসেনা। গত কয়েকটি ভোটের ঠিক আগে শিবসেনার সঙ্গে বিজেপির একটা দড়ি টানাটানির সমীকরণ দেখা যাচ্ছে। পরে অবশ্য সবই মিটে যায়। আগামী ২১ তারিখের ভোটের জন্য অবশ্য নতুন চমক উদ্ধব থ্যাকারের ছেলে আদিত্য। এই প্রথম থ্যাকারে পরিবারের কেউ নির্বাচনী লড়াইতে আসছেন। আর মনোনয়ন জমা করার সময় আদিত্য নিজেই ঘোষণা করেছেন, এবার হয়তো মহারাষ্ট্র থ্যাকারে পরিবারের কাউকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখবে। তারপরও কিন্তু মহারাষ্ট্রে এনডিএ সরকারই হবে। সেই লিখন বদলাতে পারার মতো পরিস্থিতি বিরোধীদের মধ্যে দেখা যাচ্ছে না।
শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব থ্যাকারে নিজে সক্রিয় ভোট রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি ছিলেন কিংমেকার। মারাঠা জাত্যাভিমানকে সামনে রেখে যে আবেগের রাজনীতি তিনি মহারাষ্ট্রে আমদানি করেছিলেন, তাকে রীতিমতো সফলই বলতে হয়। তাঁর দল দীর্ঘকাল যাবৎ মহারাষ্ট্রে এনডিএর সিনিয়র অংশীদার হিসেবেই ছড়ি ঘুরিয়ে এসেছে। বদলটা দেখা যায় ২০১৪ সালে। প্রবল মোদি ঝড়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর মহারাষ্ট্রেও বিধানসভা নির্বাচনে বেশি আসন দাবি করে বিজেপি। শিবসেনা রাজি হয়নি। তাই শেষমেশ দুই পার্টি আলাদা লড়াই করে এবং বিজেপিই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পায়। তখন থেকেই জুনিয়রের মর্যাদায় রাজ্যে বাস করছে শিবসেনা। গত লোকসভা নির্বাচনেও সেই অবস্থানের বদল হয়নি। উপরন্তু যেটা হয়েছে, জাত-ধর্ম-স্থানীয় সত্ত্বার বাধা ভেঙে প্রায় সব ধরনের ভোটারেরই আশীর্বাদ কুড়িয়েছে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি। উচ্চবর্ণ এবং আদিবাসী, অ-মারাঠি ভোট আগেই বিজেপির ব্যাঙ্কে ছিল। গত ভোটে এই সবের সঙ্গে সঙ্গে মারাঠি এবং মুসলিম ভোটও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে নিয়েছে তারা। সেই প্রবণতা যদি বজায় থাকে, ভালো মার্জিন নিয়েই এবার ক্ষমতায় ফেরার কথা বিজেপির। যদি না থ্যাকারে ম্যাজিকে সত্যিই কিছু ওলট পালট হয়ে যায়। ওই রাজ্যে থ্যাকারে শব্দটি সত্যিই একটা আলাদা আবেগ। সেক্ষেত্রে মহারাষ্ট্র বাল থ্যাকারের উত্তরসূরিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখা যেতেই পারে।
আবার হরিয়ানায় গত লোকসভা ভোটে ১০টি আসনই জিতে নিয়েছে বিজেপি। চোখে পড়ার মতো বেড়েছে জাঠ ভোট। যা ২০১৪ সালে মাত্র ১৯ শতাংশ ছিল, সেটাই হয়ে গিয়েছে ৫২ শতাংশ। পাশাপাশি দলিত এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণীর মানুষও ঢেলে ভোট দিয়েছেন মোদি বাহিনীকে। তাই পূর্ববর্তী বিধানসভা ভোটে ৯০টির মধ্যে ৪৩ আসন দখল করা বিজেপি নানা দুর্বলতা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতা সত্ত্বেও বিরোধীদের দশ গোল দিয়ে এগিয়ে রয়েছে। এবার যদি তারা ৭০টির বেশি আসন মনোহরলাল খট্টরের নেতৃত্বে জিতে নেয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কংগ্রেস তো নয়ই, অন্য স্থানীয় দলগুলিও এখানে আপাতত বিজেপিকে বেগ দেওয়ার মতো জায়গায় নেই।
অর্থাৎ, বিষয়টা জলের মতো স্পষ্ট—দু’টি রাজ্যেই বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা প্রবল। কংগ্রেস হয়তো একটা লড়াই দিতে পারত... কিন্তু অর্ন্তদ্বন্দ্বের ঠেলায় তা দূরঅস্ত। সোনিয়া গান্ধী দায়িত্ব নিয়েছেন ঠিকই। তাতে আসন্ন ভোটের সংখ্যাতত্ত্বে বদল আসবে না। তাঁকে এই দল ঢেলে সাজতে হবে। মানুষকে আবার বিশ্বাসের, আস্থার সেই জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে। বোঝাতে হবে, কংগ্রেস শেষ হয়ে যায়নি। কিন্তু আগামী সপ্তাহের দুই রাজ্যের নির্বাচনে?
কংগ্রেস যদি কিছু করতে পারে, সেটা অপ্রত্যাশিতই হবে।
15th  October, 2019
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্টে বিস্ময়করভাবে ভারতের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি ঋদ্ধিমান সাহার। বাংলার উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানটির বাদ পড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ...

নাগপুর, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর শাখা গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করল। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ভীম আর্মি রেশিমবাগ ময়দানে শর্তসাপেক্ষে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করতে পারবে বলে জানিয়ে দিল কোর্ট। সুনীল শুক্রে এবং মাধব জমদার দ্বারা গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই ...

জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট বাঁধলেও দুর্বল সংগঠনের জেরে প্রার্থী মেলাই দায়। আসন্ন পুরভোটের মুখেও সাংগঠনিক সঙ্কটের গ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি কংগ্রেস ও বাম শিবির। জোট অথবা একক লড়াই, বিশেষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না দুই তরফের নেতারাই।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহ থেকেই ফের টানেল কাটার কাজ শুরু করবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ। দ্বিতীয় বোরিং মেশিন দিয়ে সামগ্রিকভাবে বাকি থাকা টানেল কাটার কাজ আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল হবে।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দ্দশী ৩২/১৮ রাত্রি ৭/৩। শ্রবণা ১২/৫৮ দিবা ১১/১৯। সূ উ ৬/৮/৯, অ ৫/৩২/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, চতুর্দ্দশী ৩১/৮/৪২ রাত্রি ৬/৩৮/৫১। শ্রবণা ১৩/৩/৪১ দিবা ১১/২৪/৫০। সূ উ ৬/১১/২২, অ ৫/৩১/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১২ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬/২২ মধ্যে ও ৪/৬/২৪ গতে ৫/৩১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৬/২৩ গতে ৬/১০/৩৪ মধ্যে। 
২৭ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হোলির পরেই ইপিএফের সুদের হার নির্ধারণে বৈঠকের সম্ভাবনা 
হোলির পরেই কর্মচারী প্রভিডেন্ড ফান্ডের (ইপিএফ) সুদের হার নির্ধারণে বৈঠকে ...বিশদ

09:51:37 AM

 ট্রাফিক নিয়ে অভিযোগ: বিশেষ নম্বর
ট্রাফিক নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে তা যাতে তাঁরা ...বিশদ

09:18:56 AM

রণথম্ভোর থেকে উধাও ২৬ বাঘ 
রণথম্ভোর জাতীয় উদ্যান থেকে ২৬টি বাঘ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে। এমনই ...বিশদ

09:15:00 AM

অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকদের বর্ধিত পেনশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ 
অবশেষে স্বস্তি পেলেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকরা। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ ...বিশদ

09:00:00 AM

অবসরের দিনই পিএফের টাকা মেটাতে চায় কেন্দ্র 
গ্রাহকরা যাতে অবসরের দিনই তাঁর প্রাপ্য টাকা পেতে পারেন, তার ...বিশদ

08:48:52 AM

পুলকার দুর্ঘটনা: লড়াই শেষ, মৃত্যু ঋষভের 
এক সপ্তাহের দীর্ঘ লড়াই শেষ। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল পোলবায় ...বিশদ

08:33:00 AM