Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

ভারতের বিস্তৃত অংশে যখন নবরাত্রি পালন ও দশেরার উৎসবমুখর আমেজ আমজনতাকে আবিষ্ট করে রেখেছে, তখন ভারতের বিদেশদপ্তর ব্যস্ত বাংলাদেশের সঙ্গে সমঝোতার খুঁটিনাটি নিয়ে ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করতে। ২০১৮-র ডিসেম্বরে জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভের পর শেখ হাসিনার দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রিত্বকালে এটি তাঁর প্রথম ভারত সফর। তাই নয়াদিল্লির সাউথ ব্লকে ও প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই সফর ঘিরে এত সাজসাজ রব।
বাংলাদেশ কেবল ভৌগোলিক দিক থেকে ভারতের পূর্ব দিকের প্রবেশদ্বারই নয়, বরং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের হৃদয় নৈকট্যের কারণ সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন। সময়ের সঙ্গে তাল রেখে এই সম্পর্কের রসায়ন ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্কে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে সড়ক, জলপথে যোগাযোগ, রেলপথ ছাড়াও জয়েন্ট বর্ডার ম্যানেজমেন্ট, জল সম্পদ বণ্টন, এনার্জি সিকিউরিটি—এই সবদিক থেকে বাংলাদেশের যেমন বিশেষ প্রত্যাশা রয়েছে, তেমনি ভারতও চায় বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলিকে আরও প্রসারিত করতে। সুতরাং উভয়ের সম্পর্কের এই পারস্পরিক উত্তাপ ও পরিপূরকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় যোগাযোগ ও প্রযুক্তিগত বিপ্লবের দরুন বাংলাদেশ হয়তো ভারতের থেকে যা প্রত্যাশা করে তা নৈকট্যের কারণে লেনদেন করা সুবিধাজনক ও লাভজনক হলেও, তারা অন্য কোনও রাষ্ট্রের থেকেও অনুরূপ সাহায্য হয়তো পেতেই পারে। আমাদেরও মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের বেশ কিছু ইউনিক সুবিধে রয়েছে, বেশ কিছু ধাপ রয়েছে যাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন। নবীন ও ক্ষুদ্র প্রতিবেশী বলে তাকে উপেক্ষা করা একেবারেই অনুচিত। তবে বাংলাদেশকে আমরা কতটা তাৎপর্যের সঙ্গে গ্রহণ করব, তার সঙ্গে আমাদের সহযোগিতার মূল নীতি কী হবে বা বৃহত্তর কোনও ইস্যুভিত্তিক ফর্মুলা আমরা নেব কি না, তার সুচিন্তিত ফ্রেম-ওয়ার্ক থাকা প্রয়োজন।
প্রথমত, ভারত মনে করে বাংলাদেশের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রত্যক্ষ সমীকরণ থাকাই বাঞ্ছনীয়। তার মধ্যে তৃতীয় শক্তির অন্তর্ভুক্তি কাম্য নয়। যেমন ফারাক্কা ব্যারেজের জলধারণ বাড়াতে গিয়ে ভারত যখন বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ব্রহ্মপুত্রের ফিডার খাল বানানোর কথা বলে তখন তার প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে নেপালকেও এই প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করে জলাধার নির্মাণের প্রস্তাব দেয়, ভারত যাতে প্রাথমিকভাবে গররাজি ছিল। এখান থেকে স্পষ্ট বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারত কোনও তৃতীয় শক্তি বা বহুপাক্ষিক ফ্রেমওয়ার্ক, আন্তর্জাতিক কোনও ফোরামের মধ্য দিয়ে মধ্যস্থতা করতে চায় না। অবশ্য বর্তমানে আমরা দেখছি ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় তার আঞ্চলিক নেতৃত্বের স্বার্থে বিমস্টেক ও বিবিআইএন-কে সক্রিয় করতে চাইছে। বলা বাহুল্য, এর জন্য বাংলাদেশের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন।
দ্বিতীয়ত, ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর মোদি হাসিনার হাত ধরেই দুপক্ষই ঐতিহাসিক ছিটমহল চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যাতে ভারতীয় পার্লামেন্ট শততম সংবিধান সংশোধন হিসেবে সিলমোহর দেয়। তবে এখনও নিউম্যুর দ্বীপ, কয়েকটি চর নিয়ে উভয়ের মধ্যে দাবি ও পাল্টা দাবির অমীমাংসিত বিতর্ক রয়ে গিয়েছে। প্রসঙ্গত বলা দরকার, ভারত বাংলাদেশের মধ্যে বিস্তৃত জমি ও জলাভূমি অধ্যুষিত যে সীমানা রয়েছে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। এই নিয়ে অতীতে বাংলাদেশের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ স্থিতাবস্থা রক্ষার পক্ষপাতী। তবে ভারতে বেশ কতকগুলি মারাত্মক নাশকতার ছক যেমন ২০০২ সালে কলকাতার মার্কিন সেন্টারে জঙ্গি হামলা, ২০১৪ বর্ধমানের খাগড়াগড়ে জঙ্গি নাশকতামূলক কার্যকলাপের যে ছক গোয়েন্দা অনুসন্ধানে উঠে আসে তাতে আমরা দেখেছি বাংলাদেশের হুজি জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে পাক জয়েশ ও লস্করের গোপন আঁতাঁত রয়েছে। ফলে ভারত বাংলাদেশকে এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে বোঝাতে সমর্থ হয়েছে। অবশ্য সম্প্রতি ভারতের কিছু অংশে উগ্র হিন্দুত্ববাদী হিংসার কিছু ঘটনা বাংলাদেশের জনমানসে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। তবে এই উদ্বেগ যে অমূলক তা বলাই যায়, কারণ অতীতে আমরা যেমন দেখেছি তেমনি বর্তমানেও আমরা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলতে পারি ভারত শক্তিশালী, ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র। তাছাড়া মোদি সরকার যেহেতু সুদৃঢ় রাজনৈতিক সমর্থনের উপর প্রতিষ্ঠিত, সেহেতু এ ধরনের বিচ্ছিন্ন ঘটনা রোধে সরকার যে পিছপা হবে না তা বলাই যায়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে এনডিএ সরকারের দ্বিতীয় ইনিংসের শততম দিন উদ্‌যাপনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর ভারতের 'Neighbourhood First'—নীতির যে দুটি উপাদানের কথা বলেন তার মধ্যে একটি হল বাংলাদেশের মতো প্রত্যক্ষ প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে একতরফা সুবিধে দেওয়া। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ভারতের থেকে একগুচ্ছ বাণিজ্যিক ছাড় পেয়ে থাকে, যা চটজাত দ্রব্য, ইলেকট্রনিক পণ্য, খাদ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ছোট প্রতিবেশী বলে বাংলাদেশের যে আবদার তাও যতটা সম্ভব মেটানোর নৈতিক দায় ভারতের উপর বর্তায়। দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা। এই তালমিল যে নেই তার বড় প্রমাণ সম্প্রতি ভারতে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করলে বাংলাদেশ সঙ্কটে পড়ে, যা নিয়ে হাসিনা ভারত বাংলাদেশ বাণিজ্য ফোরামে ক্ষোভ গোপন করেননি।
কিন্তু সামগ্রিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৮ সালে দুই দেশের মধ্যে দশ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য হয়েছে। তথাপি একথা বলা যাবে না যে উভয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক পূর্ণমাত্রায় পৌঁছেছে। কারণ উভয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক এখনও বাজারের চাহিদামতো গড়ে উঠেছে। উভয় তরফে আর্থিক যোগসূত্র যদিও ঘোষণা ও চুক্তির পর্যায়ে রয়েছে, তথাপি বাণিজ্য ঘাটতি বাংলাদেশের পক্ষে ক্রমশ শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে উঠেছে। যদিও কেবলমাত্র ভারত নয়, এমনকী চীনের সঙ্গেও বাংলাদেশের বড় রকমের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।
তথাপি এক্ষেত্রে একটা মৌলিক পার্থক্যও রয়েছে, তা হল বাংলাদেশে প্রচুর চীনা পুঁজির বিনিয়োগ হচ্ছে। সেই তুলনায় ভারতের বিনিয়োগ আশানুরূপ বৃদ্ধি পায়নি। তাই এবারের সফরে শেখ হাসিনার মুখে আমরা বাংলাদেশে ভারতীয় পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বানের কথা শুনেছি। বিশ্বায়নের ডাকে সাড়া দিয়ে অর্থনৈতিক উদারীকরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি গতি লাভ করলেও, একথা অনস্বীকার্য যে, প্রযুক্তিগতভাবে বিদেশি বিনিয়োগের নিরিখে ক্রয়ক্ষমতা ও মুদ্রার বিনিময় মূল্যের মতো সূচকের দিক থেকে ভারতের তুলনায়, বাংলাদেশের অর্থনীতি বেশ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। তাই বাংলাদেশকে একতরফা ছাড় দিলেও ভারতের উপরে তার বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। যেমন বাংলাদেশে জামদানি শাড়ির উপর ভারত শুল্ক ও কোটা আরোপ করায় রপ্তানি যখন আশানুরূপ বাড়েনি, তখন সেইসব বাধানিষেধ ভারতের তরফ থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, যদিও ক্রমঅভিজ্ঞতায় ভারত বুঝেছে যে, প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে সবসময় স্নেহপরবশ হয়ে হাত উপুড় করাটাও অনুচিত।
তাই পরের দিকে ভারত মুক্ত বাণিজ্যচুক্তির ফ্রেমওয়ার্কে থেকে রফা করতে চেয়েছে। অন্যদিকে কয়েকবছর যাবৎ বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে শুল্কমুক্ত পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাচ্ছে ভারতীয় যানবাহন। তাহলে কি ধরে নেব ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের কাঙ্ক্ষিত বিন্দুতে আমরা পৌঁছে গিয়েছি? এর উত্তর নিহিত রয়েছে উভয়ের ঐতিহাসিক যোগসূত্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে। যেমন বাংলাদেশ মনে করে ভারতের থেকে তাদের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।
অন্যদিকে চীনের উপর নজরদারি চালাতে এবং ভারত-ভুটানের বাণিজ্যের সুবিধার্থে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মঙ্গলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ পেতে চলেছে ভারত। সেই সঙ্গে সিসেলস, মালদ্বীপ প্রভৃতি দ্বীপপুঞ্জে ভারতের যে রেডার প্রযুক্তি রয়েছে অনুরূপ প্রযুক্তি ভারত বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলেও ইনস্টল করতে পারবে—এমন ছাড়পত্র মিলেছে। তবে অস্বস্তির কারণ তিস্তার জলবণ্টন নিয়ে কোনও অগ্রগতি হয়নি। সেইসঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের ইচ্ছামতো ভারত সরকার এখনই মায়ানমারের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চায় না। তাছাড়া নাগরিক পঞ্জির বিষয়েও ভারত কোনও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস বাংলাদেশকে দিতে চায়নি কারণ এটি তার অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবু নয় নয় করে শেখ হাসিনার এই সফরে দিল্লি-ঢাকা উড়ান পথে যোগাযোগ বাড়ানো, পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, শান্তিপূর্ণ ক্ষেত্রে পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সাইবার-নিরাপত্তার মতো বহুবিধ বিষয়ে সম্পর্কের যে নাড়াবাঁধা হল, তাও এককথায় কম কী?
 লেখক অধিকর্তা, অতীশ দীপঙ্কর, শ্রীজ্ঞান সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ, সিধো-কানহো-বীরসা বিশ্ববিদ্যালয় 
14th  October, 2019
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ‘খারাপ আচরণে’র পর এবার ‘জোর আঘাত’ মন্তব্য। ভারতে পা দেওয়ার আগে বাণিজ্য ইস্যুতে মোদি সরকারের উপর চাপ বজায় রাখলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...

নাগপুর, ২১ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): বুধবার বম্বে হাইকোর্টের নাগপুর শাখা গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করল। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ভীম আর্মি রেশিমবাগ ময়দানে শর্তসাপেক্ষে কর্মী সমাবেশের আয়োজন করতে পারবে বলে জানিয়ে দিল কোর্ট। সুনীল শুক্রে এবং মাধব জমদার দ্বারা গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ এই ...

জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট বাঁধলেও দুর্বল সংগঠনের জেরে প্রার্থী মেলাই দায়। আসন্ন পুরভোটের মুখেও সাংগঠনিক সঙ্কটের গ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি কংগ্রেস ও বাম শিবির। জোট অথবা একক লড়াই, বিশেষ আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন না দুই তরফের নেতারাই।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী সপ্তাহ থেকেই ফের টানেল কাটার কাজ শুরু করবে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো কর্তৃপক্ষ। দ্বিতীয় বোরিং মেশিন দিয়ে সামগ্রিকভাবে বাকি থাকা টানেল কাটার কাজ আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই শেষ হওয়ার সম্ভাবনা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষায় ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল হবে।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
১৮৪৮: কার্ল মার্ক্স প্রকাশ করেন কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো
১৮৭৮ - মিরা আলফাসা ভারতের পণ্ডিচেরি অরবিন্দ আশ্রমের শ্রীমার জন্ম
১৮৯৪: ডাঃ শান্তিস্বরূপ ভাটনগরের জন্ম
১৯৩৭: অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫২: পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিলেন চারজন
১৯৬১: নোবেলজয়ী ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৭০ - অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মাইকেল স্লেটারের জন্ম
১৯৯১: অভিনেত্রী নূতনের মৃত্যু
১৯৯৩ - বিশিষ্ট শিশু সাহিত্যিক ও কবি অখিল নিয়োগীর (যিনি স্বপনবুড়ো ছদ্মনামে পরিচিত) মৃত্যু
২০১৩: হায়দরাবাদে জোড়া বোমা বিস্ফোরণে ১৭জনের মৃত্যু

১৭৩২: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি জর্জ ওয়াশিংটনের জন্ম
১৯০৬: অভিনেতা পাহাড়ি সান্যালের জন্ম
১৯৪৪: মহাত্মা গান্ধীর স্ত্রী কস্তুরবা গান্ধীর মৃত্যু
১৯৫৮: স্বাধীনতা সংগ্রামী আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু
২০১৫: বাংলাদেশে নৌকাডুবি, মৃত ৭০

21st  February, 2020




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৯৪ টাকা ৭২.৬৫ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৮ টাকা ৯৪.৩০ টাকা
ইউরো ৭৬.০৫ টাকা ৭৯.০১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  February, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪২,৯৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৭৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৩৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৮,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৮,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দ্দশী ৩২/১৮ রাত্রি ৭/৩। শ্রবণা ১২/৫৮ দিবা ১১/১৯। সূ উ ৬/৮/৯, অ ৫/৩২/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৯/৫৬ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। রাত্রি ৮/৩ গতে ১০/৩৪ মধ্যে পুনঃ ১২/১৫ গতে ১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ২/৪৬ গতে ৪/২৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৩ মধ্যে ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে অস্তাবধি। কালরাত্রি ৭/৭ মধ্যে পুনঃ ৪/৩৩ গতে উদয়াবধি। 
৯ ফাল্গুন ১৪২৬, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার, চতুর্দ্দশী ৩১/৮/৪২ রাত্রি ৬/৩৮/৫১। শ্রবণা ১৩/৩/৪১ দিবা ১১/২৪/৫০। সূ উ ৬/১১/২২, অ ৫/৩১/২৫। অমৃতযোগ দিবা ৯/৪৯ গতে ১২/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/৬ গতে ১০/৩৩ মধ্যে ও ১২/১২ গতে ১/৪৯ মধ্যে ও ২/৩৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ৭/৩৬/২২ মধ্যে ও ৪/৬/২৪ গতে ৫/৩১/২৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬/২৫ মধ্যে ও ৪/৩৬/২৩ গতে ৬/১০/৩৪ মধ্যে। 
২৭ জমাদিয়স সানি  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, শনিবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইম। ...বিশদ

10:07:53 AM

হোলির পরেই ইপিএফের সুদের হার নির্ধারণে বৈঠকের সম্ভাবনা 
হোলির পরেই কর্মচারী প্রভিডেন্ড ফান্ডের (ইপিএফ) সুদের হার নির্ধারণে বৈঠকে ...বিশদ

09:54:52 AM

 ট্রাফিক নিয়ে অভিযোগ: বিশেষ নম্বর
ট্রাফিক নিয়ে সাধারণ মানুষের কোনও অভিযোগ থাকলে তা যাতে তাঁরা ...বিশদ

09:18:56 AM

রণথম্ভোর থেকে উধাও ২৬ বাঘ 
রণথম্ভোর জাতীয় উদ্যান থেকে ২৬টি বাঘ নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে। এমনই ...বিশদ

09:15:00 AM

অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকদের বর্ধিত পেনশনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ 
অবশেষে স্বস্তি পেলেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষকরা। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ ...বিশদ

09:00:00 AM

অবসরের দিনই পিএফের টাকা মেটাতে চায় কেন্দ্র 
গ্রাহকরা যাতে অবসরের দিনই তাঁর প্রাপ্য টাকা পেতে পারেন, তার ...বিশদ

08:48:52 AM