Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। বছরের কিছু বিশেষ দিনে মক্কা মদিনা যাওয়ার বিষয়টিতেও অর্থনীতি জড়িয়ে আছে অনেকটা। খ্রিস্টানদের কাছে বড়দিন মানে তো বিশ্বজোড়া বিশাল উৎসব। ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় কেনাকাটা বেড়ে যায় সাংঘাতিক মাত্রায়। অর্থনীতিতে তার সুফল বুঝতে অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। ফলে আমাদের রাজ্যে দুর্গাপুজো নিয়ে যে হইচই তাতে অবাক হওয়ার খুব কারণ নেই। আপাতত সে পুজো শেষ, কিন্তু রেশ রয়ে গেছে সর্বত্র।
তবে কিছু বিষয় বদলেছে, যে-কথায় আমরা একে একে আসব। তার মধ্যে প্রথম হল পুজো শেষের বিষণ্ণতা। আশির দশকে যাঁরা কিশোর কিংবা যুবক ছিলেন তাঁদের মনে থাকবেই একাদশীর দিনটার কথা। ফাঁকা পুজো প্যান্ডেল। এদিক ওদিক ছড়িয়ে আছে পিতৃপরিচয়হীন ফুলের টুকরো, কাত হয়ে বিশ্রাম নেওয়া ঘট, তার মুখ থেকে গড়িয়ে পড়া গঙ্গাজল, ভিজে ধুলোর কাদা আর ধুনোমাখা পোড়া নারকোলের খোল। মা তার ছেলেমেয়েদের নিয়ে কৈলাসে ফিরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা, মফস্‌সল শহর, কিংবা গ্রামবাংলার প্রতিটি হিন্দু বাঙালির বুকটা একেবারে খালি হয়ে যেত। শেষ শরতের আবছা বিকেলে ঝুপ করে সন্ধে নামত এই বাংলায়। লক্ষীপুজোও হবে একই মণ্ডপে, তার আগে কেউ থানইটের উপর একটা প্রদীপ জ্বালিয়ে দিতেন। একটু দূরে সদ্য গোঁফ ওঠা ছেলেদের আড্ডায় উচ্ছ্বলতার অভাব প্রত্যক্ষ করা যেত প্রতি মুহূর্তে। পুজো শেষের সেই বিষণ্ণতা একেবারে হারিয়ে ফেলেছে বাংলার শহর আর শহরতলি। হয়তো-বা কলকাতা থেকে বহু দূরের কোনও এক গ্রামে এখনও পুজো শেষের অন্য গন্ধ ভেসে বেড়ায়। কিন্তু, গত কয়েক দশকে বদলে যাওয়া এই বাংলায় পুজোর সনাতন সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে একেবারেই।
এই আলোচনায় অবশ্যই বলতে হয় পুজো উদ্বোধনের কথা। রাজনৈতিক নেতা নেত্রীদের ফিতে কাটার চোটে পুজো আসার সঠিক সময়টাই গুলিয়ে গিয়েছে শহর থেকে শহরতলিতে। কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে এই সহস্রাব্দের শুরুতেও প্রতিমা আনা হতো পঞ্চমীর দিন। খুব তাড়াতাড়ি হলে চতুর্থী। দায়িত্ব নিয়ে ঢাকা থাকত প্রতিটি প্রতিমার মুখ। অনেক সময় সেই তালিকায় ইঁদুর, প্যাঁচা, হাঁস, ময়ূরও মুখ লুকোত। বোধনের আগে যথেষ্ট ভক্তিসহকারে উন্মোচিত হতো সেই আবরণ। বড় নেতা নেত্রী থাকতেন না, কিন্তু অনেক বেশি আদর করে ডাকা হতো এই বাংলার ঘরের মেয়ে আর তাঁর ছানাপোনাদের। মায়ের পিছনের দিকে মাথার উপর প্যান্ডেলের সঙ্গে আটকে ঝোলানো থাকত কাঁচে বাঁধানো শিবের ছবি।
এখন শিবের কথা ভুলেই যাচ্ছেন অনেকে, কোথাও-বা আকাশছোঁয়া প্রতিমার চালচিত্রে যেখানে সেখানে শিব এবং সঙ্গে অন্যান্য অনেক দেবদেবীর কোলাজ। হিন্দু বাঙালির জিজ্ঞেস করার জোরটুকুও চলে গেছে যে হচ্ছেটা কী? দেবীপক্ষ দূরে থাক, মহালয়ার আগেই হাসি হাসি মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে মাকে! সঙ্গে অসহায় তাঁর দুই ছেলে, দুই মেয়ে। কৈলাসের অমাবস্যা ভুলে হ্যালোজেনের তীব্রতায় গোটা পরিবারের চোখে এবার মহালয়ায় কালো চশমা লাগাতে হবে।
অন্যকোনও ধর্মে এভাবে বিব্রত হতে হয় না আরাধ্যা দেবীকে। কখনও দেখেছেন কি যে মুসলিম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন এই সমস্ত ধর্মের মানুষ তাদের নির্দিষ্ট আরাধনার সময়ের সাতদিন আগে থেকে হইচই শুরু করেছেন পুরোদমে? ধর্ম সমাজকে ধারণ করে, ধরে রাখে তার সংস্কৃতি, তার আচার। দেবতাকে ভয় পেতে হবে এমনটা আধুনিক বিশ্বে না-হওয়াই ভালো। কিন্তু তা বলে নিজেদের দেবতাকে হেলাফেলা করাটাও ভালো কথা নয়।
হিন্দুদের আরাধনার ক্ষেত্রেও নিয়ম বিশেষ বদলায়নি অন্য রাজ্যে। দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন উৎসব, মুম্বইয়ের গণেশ চতুর্থী ইত্যাদিতে জাঁকজমক হয়তো আগের থেকে বেড়েছে অনেক, কিন্তু অকারণে দিন বেড়ে যায়নি পুজোর। দেবতাকে অস্বীকার করে আরাধনার তিথি ক্যালেন্ডারে আঘাত করে নি যখন তখন।
ধর্মের সঙ্গে রাজনীতি থাকে সবসময়েই। ধর্মকে হাতিয়ার করেই বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক সন্ত্রাসবাদী হানাদারির। চলছে দেশে দেশে যুদ্ধ। ভারতের জায়গায় জায়গায় হিন্দু ধর্মের আরাধনায় রাজনীতিবিদদের শক্তিপ্রদর্শন কোনও নতুন কথা নয়। ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচারে ভারতের অন্যান্য রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের থেকে পিছিয়ে নেই মোটেই। কিন্তু সেখানে পুজোর নিয়মকানুনটুকু অন্তত নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয় বলেই খবর।
অন্যদিকে, হিন্দু বাঙালি উদারনীতিতে বিশ্বাসী, এবং প্রগতিশীল। তাই তো আমরা দেখেছি, আমেরিকা বা ইউরোপের বিভিন্ন জায়গায় প্রবাসী বাঙালিরা পুজো করছেন দিন বদলে দিয়ে, সপ্তাহান্তে, তিথি নক্ষত্র না-মেনে। তাঁরা নিজেরাই ঠিক করেছেন যে বিদেশে নিয়ম নাস্তি। সে তো না-হয় মেনে নেওয়া গেল কাজের প্রয়োজনে, প্রগতিশীলতার যুক্তিতে, প্রবাসী বাঙালির বাধ্যবাধকতায়।
কিন্তু কলকাতায় পুজোর হপ্তাখানেক আগে থেকে রাজনৈতিক নেতানেত্রীদের একাংশের মণ্ডপে মণ্ডপে হানাদারির উদ্দেশ্য কী? বিজয়া দশমীর পরেও তিন চারদিন ধরে ভাসানের প্রস্তুতি—এসব করে লাভটা কী হচ্ছে? রাজ্য সরকারের যুক্তি, এর ফলে উৎসাহিত হবেন পর্যটকেরা। কিন্তু সেরকম কোন পরিসংখ্যান কি খুঁজে পাওয়া গেছে? কলকাতায় আসার ট্রেনে বা বিমানে পুজোর মুখে যাঁরা ঘরে ফেরেন তাঁদের বেশিরভাগই হিন্দু বাঙালি। পুজোর পর তাঁরাই আবার কাজের জায়গায় ফিরে যান। অন্যদিকে ভ্রমণ-প্রিয় বাঙালিই বাইরে ঘুরতে যান এই সময়, তাঁরাই আবার ঘরে ফেরেন পুজো শেষে। অর্থাৎ পুজো পরিক্রমায় অন্য দেশ বা অন্য রাজ্য থেকে প্রচুর মানুষ এই রাজ্যে সম্পদ বিতরণ করে যাচ্ছেন এরকম কোন খবর আছে কি?
কেন্দ্রীয় সরকারের ট্রিলিয়ন ডলার বাজেটের সঙ্গে লড়তে চাওয়া এরাজ্যের শারদীয়া লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতির গল্প তাই বাঙালির পকেট কেটেই। তার একটা অংশ এই উৎসবের মরশুমে নিম্নবিত্ত বাঙালির কাছেও পৌঁছচ্ছে—আধা সামন্ততান্ত্রিক ব্যবস্থায় সেটুকুই এরাজ্যের মঙ্গল।
রাজ্য-রাজনীতির আলোচনায় বারবার এসেছে কর্মদিবস নষ্টের কথা। এদিকে পুজোর সময় দিন অপচয়ের ছড়াছড়ি। বাম রাজত্বে সিপিএম বাকি সমস্ত বিষয়ে দখলদারি বজায় রাখলেও, দুর্গাপুজোটা কংগ্রেস নেতাদের জন্যে ছেড়ে রেখেছিল। তারাই এখন তৃণমূলে। বামেদের অল্প কিছু পুজো কাঁপানো নেতাও সঠিক বিবর্তনে তৃণমূলে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবে ২০১১-র আগে পুজো পরিচালনায় দক্ষ নেতানেত্রীদের তৃণমূলে আশ্রয় নিতে সময় লেগেছে অনেকটা। এই বিবর্তনের গতি ছিল ধীর। গত কয়েকবছরে এই রাজ্যে পুজো বিশেষজ্ঞ রাজনীতিবিদরা চটজলদি পা বাড়াচ্ছেন শাসক বা বিরোধী দলের দিকে। পুজোর মঞ্চে তড়িৎ গতিতে এগিয়ে চলেছে দলবদল। রামনবমী কিংবা গণেশপুজোর অতিবিজ্ঞাপন তো পুরোটাই যেন এক লড়াই।
সেই পথেই সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের শারদীয় উৎসবও অনেকটা দখল হয়ে যাচ্ছে। আসলে প্রগতিশীলতার প্রেক্ষাপটে উদারনীতিতে বিশ্বাসী বাঙালি হিন্দু আপস করেছে তার সনাতন ধর্মাচরণের সঙ্গে। এর একটা কারণ বামফ্রন্টের তিন দশকাধিক রাজত্ব। আর সেই পথেই ঢুকে পড়েছেন কৌশলী রাজনীতির কারবারিরা। তাঁরা পুজোকে বদলে দিচ্ছেন নিজেদের মতো করে। প্রতিযোগিতামূলক ধর্মাচরণে শারদীয় উৎসব যেন অনেকটাই রাজনীতির পণ্য। অর্থাৎ পুজোয় যে ব্যবসা তা শুধু অর্থনীতির নয়, রাজনীতিরও।
তবে মা আছেন। সামনের বছর মহালয়ার সময় থেকে পুজোর উদ্বোধন রুখে দিলেন তিনিই। ২০২০-তে মহালয়ার দিন ১৭সেপ্টেম্বর। দুটি অমাবস্যার কারণে আগামী বছর আশ্বিন মল মাস। পুজো তাই পিছিয়ে কার্তিকে, অক্টোবরের ২২ তারিখ ষষ্ঠী। এমনটাই বলছে গুপ্তপ্রেস এবং বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত। এমন ঘটনা এর আগে ঘটেছে ১৯৮২ সালে, বামফ্রন্ট সরকার দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার বছরে। যা বোঝা যাচ্ছে, রাজনীতির আগ্রাসন রুখতে পারেন একমাত্র আমাদের আরাধ্য দেবীই। এবারের বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছায় তাই রাজনীতির হাত থেকে নিজেদের সনাতন ধর্মকে বাঁচিয়ে রাখার স্লোগান তুলুক জাত্যভিমান হারিয়ে ফেলা হিন্দু বাঙালি। তবে, অন্যদিকটা ভাবলে গা শিউরে উঠছে। পরের বছর রাজনীতির দড়ি টানাটানিতে মহালয়া থেকে শুরু হয়ে মায়ের পুজো দেড় মাস ধরে চলবে না তো?
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
12th  October, 2019
মূল্যবোধের রাজনীতি ও
মহারাষ্ট্রের কুর্সির লড়াই
হিমাংশু সিংহ

আজকের নির্বাচনী রাজনীতি যে কতটা পঙ্কিল ও নোংরা তারই জ্বলন্ত প্রমাণ আজকের মহারাষ্ট্র। সঙ্কীর্ণ স্বার্থসর্বস্ব রাজনীতিতে ক্ষমতা দখলের নেশায় ছোটবড় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই আজ মরিয়া। মহারাষ্ট্রের ফল বেরনোর পর গত তিন সপ্তাহের রাজনীতির নাটকীয় ওঠাপড়া সেই অন্ধকার দিকটাকেই বড় প্রকট করে তুলেছে। ভোটের ফল ও কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসবেন তা নিয়ে দুই পুরনো জোট শরিকের দ্বন্দ্ব যে দেশের বাণিজ্য পীঠস্থান মুম্বই তথা মহারাষ্ট্রকে এমন নজিরবিহীন সঙ্কটে ফেলবে, তা কে জানত? যে জোট পাঁচ বছর ধরে রাজ্য শাসন করল এবং এবারও গরিষ্ঠতা পেল, সেই জোটই ভেঙে খান খান!
বিশদ

ঘর ওয়াপসি ও কিছু প্রশ্ন
তন্ময় মল্লিক

 ঘর ওয়াপসি। ঘরে ফেরা। ‘ভাইজান’ সিনেমার ছোট্ট মুন্নির ঘরে ফেরার কাহিনীর দৌলতে ‘ঘর ওয়াপসি’ এখন আমবাঙালির অতি পরিচিত শব্দ। সেই পরিচিত শব্দটি অতি পরিচিতির মর্যাদা পেয়েছে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক নেতাদের একাংশের ঘন ঘন জার্সি বদলের দৌলতে।
বিশদ

16th  November, 2019
জল বেড়েছে, বোধ বাড়েনি
রঞ্জন সেন

 সমুদ্রের জলস্তর বাড়ার ফলে পৃথিবীর বহু উপকূলবর্তী দেশ ও দ্বীপ বিপন্ন হবে বলে পরিবেশবিজ্ঞানীরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। তাঁরা এটাও বলছেন আমরা সবাই মিলে এবং রাষ্ট্রনায়কেরা চাইলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমিয়ে এই অবস্থার মোকাবিলা করতে পারি। বিশদ

16th  November, 2019
সংবিধানই পথ
সমৃদ্ধ দত্ত

 তিন বছর ধরে সংবিধান রচনার কাজ অবশেষে যখন সমাপ্ত হল, তখন ১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর ভারতীয় সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া পেশ করে সংবিধান-সভায় তাঁর সর্বশেষ বক্তৃতায় সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান ড.ভীমরাও আম্বেদকর আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ভারতের এই সংবিধানের মূল সুর এবং গণতন্ত্র কি আদৌ শেষ পর্যন্ত আগামী দিনে রক্ষা করা সম্ভব হবে? বিশদ

15th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

14th  November, 2019
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গাজোল: চড়া দামের ঠেলায় পড়ে এবার ভাতের হোটেলগুলিতেও কোপ পড়েছে ‘ফ্রি পেঁয়াজ’-এর উপর। সেইসঙ্গে চাউমিন বা এগরোলের মধ্যেও কমেছে পেঁয়াজের পরিমাণ। শসার পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে জোড়াতালি।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকায় লজিস্টিকস বা পণ্য পরিবহণ ও মজুত রাখা সংক্রান্ত পরিকাঠামো গড়তে উৎসাহী বিশ্ব ব্যাঙ্ক। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে তাদের। ওই প্রকল্পের মাস্টার প্ল্যান আগামী সপ্তাহে চূড়ান্ত হতে পারে বলে শনিবার দাবি ...

সংবাদদাতা, আরামবাগ: বিভিন্ন দাবিতে শনিবার আরামবাগে মিছিল করে সিপিএম। সিপিএমের-১ ও ২ নম্বর এরিয়া কমিটির উদ্যোগে এদিন একটি পথসভাও হয়। আরামবাগের ধামসা বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে পথসভা ...

জীবানন্দ বসু, কলকাতা: ভোট যে বড় বালাই। তাই বছর ঘুরতে না ঘুরতেই নীতি, আদর্শ বা পরিকল্পনাকে আপাতত শিকেয় তুলে নিজেদের অবস্থান নিয়ে কার্যত ‘ডিগবাজি’ খেল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় আগ্রহ বাড়বে। মনোমতো বিষয় নিয়ে পঠন-পাঠন হবে। ব্যবসা স্থান শুভ। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সহনশীলতা দিবস
১৮১২ - ‘দ্য টাইমস’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জন ওয়ালটারের মৃত্যু ।
১৮৯০ -অবিভক্ত ভারতে প্রথম সিরাম ভ্যাকসিন ও পেনিসিলিন প্রস্তুতকারক বিশিষ্ট ভেষজ বিজ্ঞানী ও চিকিৎসক হেমেন্দ্রনাথ ঘোষের জন্ম।
১৯৪৬ - বিশ্বে প্রথমবারের মত কৃত্রিমভাবে বৃষ্টিপাত সৃষ্টি করা হয়।
১৯৬৩: ঝাড়খণ্ডে জন্মগ্রহণ করেন অভিনেত্রী মীনাক্ষি শেষাদ্রি
১৯৭১: পাকিস্তানের ক্রিকেটার ওয়াকার ইউনিসের জন্ম
১৯৮৮: এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হল অবাধ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন বেনজির ভুট্টো

16th  November, 2019




ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.০২ টাকা ৭৩.৫৬ টাকা
পাউন্ড ৯০.০৫ টাকা ৯৪.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.১৩ টাকা ৮১.২৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
16th  November, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৭০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,৮০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ৩১/১৫ রাত্রি ৬/২৩। পুনর্বসু ৪২/৪৪ রাত্রি ১০/৫৯। সূ উ ৫/৫৪/৩, অ ৪/৪৮/৫৭, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩৭ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৩ গতে ২/৩৮। রাত্রি ৭/২৬ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৮ গতে ১/৩৩ মধ্যে পুনঃ ২/২৪ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ১০/০ গতে ১২/৪৩ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/৩৯ মধ্যে।
৩০ কার্তিক ১৪২৬, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, পঞ্চমী ২৮/২৫/৫০ সন্ধ্যা ৫/১৭/৫৯। পুনর্বসু ৪১/৫৬/২২ রাত্রি ১০/৪২/১২, সূ উ ৫/৫৫/৩৯, অ ৪/৪৯/১৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫০ গতে ৮/৫৭ মধ্যে ও ১১/৪৮ গতে ২/৩৯ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৭ গতে ৯/১৪ মধ্যে ১১/৫৩ গতে ১/৪০ মধ্যে ও ২/৩৩ গতে ৫/৫৭ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/৪৫ গতে ১১/২২/২৬ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/২৬ গতে ১২/৪৪/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/৪৫ গতে ২/৩৯/৩ মধ্যে।
১৯ রবিয়ল আউয়ল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সবার উপরে ব্যাঙ্কক 
সম্প্রতি মাস্টার কার্ড সারা বিশ্বে সমীক্ষা চালিয়ে পর্যটকদের আকর্ষণীয় শহরের ...বিশদ

08:20:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
আন্তর্জাতিক ছাত্র দিবস১৫২৫ - সিন্ধু প্রদেশের মধ্য দিয়ে মোগল সম্রাট ...বিশদ

08:19:52 AM

হাউস বোট এবার ওড়িশাতেও 
ওড়িশার পর্যটন দপ্তর পর্যটকদের হাউস বোটে রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে। চিল্কা ...বিশদ

08:15:00 AM

আজকের রাশিফল
মেষ: পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত হলে ভালো হবে। বৃষ: কর্মপ্রার্থীদের সুখবর ...বিশদ

08:09:24 AM

ভালো রয়েছেন লতা মঙ্গেশকর
ভালো রয়েছেন লতা মঙ্গেশকর। শনিবার প্রবাদপ্রতিম এই শিল্পীর পারিবারিক মুখপাত্র ...বিশদ

08:00:00 AM

দুর্গাপুরে আন্দোলনে আদিবাসীরা 
দুর্গাপুরে স্থানীয় এক যুবককে মারধরের জেরে বড়সড় আন্দোলনে আদিবাসীরা। দীর্ঘ ...বিশদ

16-11-2019 - 03:54:46 PM