Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও। কিন্তু সেই সঙ্গে আছে বিষও। প্লাস্টিকের বিষ। আমেজটা বেশি, নাকি বিষের পরিমাণটা, সে নিয়ে তর্কও চলতে পারে বিন্দাস। এবং আমার মত চা-প্রিয় লোক যে খবরটা শুনে আঁতকে উঠবে, সে কথা বলাই বাহুল্য। তাই বিষয়টা একটু তলিয়ে দেখতেই হল।
এখানে অবশ্য টি-ব্যাগের সাহায্যে তৈরি করা চায়ের কথাই বলা হচ্ছে। হোটেলে রেস্তরাঁয়, অধিকাংশ টি শপ আর কফি শপে চা তৈরি করা হয় এভাবেই। আজকাল অনেক পাড়ার চায়ের দোকানেও চা তৈরি হয় টি-ব্যাগ গরম জল বা দুধে ডুবিয়ে। এমনকী অনেক বাড়িতেও আজ তা একেবারেই স্বাভাবিক সাধারণ এক ঝঞ্ঝাট-বিহীন প্রকরণ। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, একটু ভালো টি-ব্যাগ তৈরি করতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাইলন বা প্লাস্টিকের ব্যবহার করা হয়েছে। খুব বেশিদিনের কথা নয়, খুঁজে-পেতে দেখছি, মাত্র ১৩ বছর আগে, ২০০৬ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমস্‌-এর এক আর্টিকেলে নাইলনের টি-ব্যাগকে বর্ণনা করা হয়েছে ‘‘বড় মাপের পুনরাবিষ্কার’’ হিসেবে। লেখিকার মতে, চা পানের ক্ষেত্রে নাইলনের টি-ব্যাগ নাকি এনেছে এক বিপ্লব। এ এক ছিমছাম চা তৈরির পদ্ধতি। পড়ে থাকা চা-পাতা পরিষ্কারের কোনও ঝঞ্ঝাট নেই।
আজ কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, এই টি-ব্যাগ বস্তুটা মোটের উপর যেমন নিরীহ বলে মনে হয়, সে রকম নয় একেবারেই। এক কাপ চায়ের মধ্যে যে কতটা বিপদ লুকিয়ে থাকতে পারে, তা ঠিকঠাক ভাবাই যায় নি তখন। রোম্যান্স আর নস্টালজিয়ার মায়ামেদুর আলো-আঁধারি থেকে বাস্তবের শান-বাঁধানো সিঁড়িতে এনে ফেলে চায়ের এক নতুন কিস্‌সা শুনিয়েছেন এক কানাডিয়ান অধ্যাপক, যে গল্প এতদিন বলেন নি কেউ। ওই যে বললাম, অধিকাংশ টি-ব্যাগ তৈরিতেই ব্যবহার করা হয় খানিকটা প্লাস্টিক। বিপদটা সেখান থেকেই। কানাডার মন্ট্রিয়ল শহরের ম্যাক্‌গিল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর এক অধ্যাপকের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে মাত্র একটা টি-ব্যাগ থেকে এক কাপ চায়ে মিশে যায় কোটি কোটি অতি ক্ষুদ্র মাইক্রোপ্লাস্টিকের টুকরো। সঠিক ভাবে বললে সংখ্যাটা অবিশ্বাস্য শোনাবে। ৯৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার জলে চা তৈরি করলে একটি টি-ব্যাগ থেকে মেশে ১১৬০ কোটি মাইক্রোপ্লাস্টিক, আর সেই সঙ্গে ৩১০ কোটি আরও ক্ষুদ্র ন্যানোপ্লাস্টিকের টুকরো! মাইক্রোপ্লাস্টিকের ব্যাস ৫ মিলিমিটারের কম। আর তা ১০০০ ন্যানোমিটারের কম হলে তাকে বলে ন্যানোপ্লাস্টিক। যাই হোক, প্রতি কাপ চায়ে মিশে থাকা ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র প্লাস্টিকের টুকরোর মোট ওজন দাঁড়ায় প্রায় ১৬ মাইক্রোগ্রাম। এগুলি মোটামুটি নাইলন এবং পেট (পলি-ইথিলিন টেরেফথালেট)-এর টুকরো। এই ন্যানোপ্লাস্টিকের টুকরোগুলো আবার মোটামুটি একটি চুলের ১৫০ ভাগের একভাগ পুরু, যার ব্যাস ১৫০ মাইক্রোমিটারের কম, এবং মানবদেহের অভ্যন্তরে যা হয়তো ঢুকে যেতে পারে মানুষের টিস্যু, এমনকী কোষের মধ্যেও।
চায়ের কাপে প্লাস্টিকের টুকরোর পরিমাণ কিন্তু অন্য খাদ্যে পাওয়া প্লাস্টিকের টুকরোর চাইতে অনেক বেশি। যেমন, গত বছরই নিউ ইয়র্কের স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষকের গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, পৃথিবীর সব বোতলজাত জলের ৯০ শতাংশেই হয় মাইক্রোপ্লাস্টিকের দূষণ। একবার ব্যবহার-যোগ্য প্লাস্টিকের বোতলের এক লিটার জলে থাকে কোথাও ৪৪টি, কোথাও ৩২৫টি মাইক্রোপ্লাস্টিকের টুকরো। সমুদ্রের গভীরে প্লাস্টিক পৌঁছে গেছে চিংড়ি, মাছ, ঝিনুকের মধ্যে। একটা ঝিনুকের মধ্যে থাকে ৯০টি প্লাস্টিকের টুকরো। এমনকী এক কিলোগ্রাম নুনের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে ৬০০টি, যার সম্মিলিত ওজন এক মাইক্রোগ্রামের অর্ধেক। আবার আমাদের খাবারে যে ধুলোকণা পড়ে, তা থেকেও বছরে ৭০ হাজার প্লাস্টিকের টুকরো ঢোকে আমাদের শরীরে। কিন্তু এই সমস্ত হিসেবকে যেন ছাপিয়ে উঠেছে আমাদের বড় আমেজের ধোঁয়া-ওঠা এক কাপ চা।
আসলে প্লাস্টিক বোধহয় মানুষের এক বিষাক্ত প্রেম-কথা। প্লাস্টিক আমাদের সভ্যতার মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি, আর তার ফলশ্রুতিতে এক ভয়াবহ দূষণের সম্মিলিত গল্প। আমাদের প্লাস্টিক-প্রিয়তা এবং প্লাস্টিক-নির্ভরতার একটা চমৎকার দৃষ্টান্ত হতে পারে ব্রিটিশ যুবক ড্যানিয়েল ওয়েব-এর কীর্তি। ২০১৭-র প্রথম দিনে সমুদ্রের জলে ভেসে আসা পুরনো খেলনা, প্লাস্টিকের বোতল, এইসব বর্জ্য-পদার্থ দেখে এক অদ্ভুত পরিকল্পনা করে ড্যানিয়েল। গোটা বছরে সে তার প্লাস্টিকের বর্জ্যগুলিকে জমিয়ে রাখে, যা বছর শেষে হয় ২২টি ৮০ লিটারের গারবেজ ব্যাগ! এই এক বছরের প্লাস্টিক-আবর্জনা দিয়ে আর্ট এক্সিবিশনই করে ফেলল ড্যানিয়েল। নাম ‘এভ্‌রিডে প্লাস্টিক’। সে এক দেখার মত অভিনব প্রদর্শনী। ১৩ মিটার লম্বা রঙচঙে ছবি তৈরি করা হয়েছে ৪,৪৯০ টুকরো প্লাস্টিক দিয়ে, যাতে রয়েছে ওষুধের পাতা, চিপ্‌঩সের প্যাকেট, বোতলের ছিপি, চকলেটের র‌্যাপার, কী নয়। আমাদের প্লাস্টিক-নির্ভরতাকে একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো।
এই সমস্ত প্লাস্টিকের ছোট্ট ছোট্ট কণা কিন্তু খাবার, পানীয়, নিশ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্য দিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের শরীরের একদম গভীরে। আজ প্লাস্টিকের দূষণ নিয়ে আমরা ভেবে চলেছি-- আলোচনা করে চলেছি সভায়, সমিতিতে, সংবাদপত্রে, টিভিতে। কিন্তু ঠিক এতটা আমরা আদৌ এতদিন বুঝে উঠতে পেরেছি কিনা সন্দেহ। আমাদের শরীরে ঢুকছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, যা জমে জমে বিষাক্ত হয়ে উঠতে পারে শরীরের বিভিন্ন অঞ্চল।‘এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক জার্নালে প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক স্টাডিতে দেখা যাচ্ছে, প্রতি বছর আমাদের শরীরে মাইক্রোপ্লাস্টিক ঢোকে ৩৯ থেকে ৫২ হাজার। নিশ্বাসের প্লাস্টিক ধরলে সংখ্যাটা ৭৪ হাজারের বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, আজকের পৃথিবীর মানুষরা গড়ে প্রতি সপ্তাহে ৫ গ্রাম মাইক্রোস্কোপিক প্লাস্টিকের কণা খেয়ে চলে, যার ওজন মোটামুটি একটা ক্রেডিট কার্ডের ওজনের সমতুল্য। বছর জুড়ে এর সম্মিলিত পরিমাণ প্রায় ২৬০ গ্রাম। আমরা কি কখনও ভেবেছি, এতটা পরিমাণ প্লাস্টিক ঢুকছে আমাদের প্রত্যেকের শরীরে?
স্বাস্থ্যের উপর এই প্লাস্টিকের কী প্রভাব তার ঠিকঠাক মূল্যায়ন অবশ্য হয় নি এখনও। তবে অনুমান করা কঠিন নয় যে, স্বাস্থ্যে এর প্রভাব খুব একটা সুবিধার নয়। এই প্লাস্টিক গণ্ডগোল করে দিতে পারে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে, ঘটাতে পারে নানা অসুখ-বিসুখ।
কিন্তু তাই বলে আমরা প্লাস্টিক-শূন্য খাবার খেয়ে যাব বা খেতে পারব, এটা কি একেবারেই সম্ভব আজকের পৃথিবীতে? খুব সম্ভবত, না। আবার সেই সঙ্গে আমাদের নিঃশ্বাসের মধ্য দিয়েও শরীরে ঢুকবে প্লাস্টিকের বিষ। কোনও মুক্তি নেই আমাদের। এ বিষ আমাদেরই সৃষ্টি। শুরুতে তা হয়তো হয়েছিল না জেনেই, মানুষের জীবনযাত্রায় সুবিধা আনার জন্য বিজ্ঞানের সৃজন। কিন্তু এখন তো আমরা জেনেছি লয়-ক্ষয়-হীন প্রায়-অমর এই প্লাস্টিকের চরিত্র। তবু তার উৎপাদন, তার ব্যবহারে কোনও কমতি নেই। জেনেশুনে বিষ বানিয়ে তুলছি আমরা। বাড়িয়েও তুলছি। জেনেশুনেই খেলছি বিষ নিয়ে। সেই প্রবল হলাহল ছড়িয়ে পড়ছে সভ্যতার কোনায় কোনায়। জলে, স্থলে, বাতাসে। সমতলে, পাহাড়ে, সমুদ্রের অতলে।
তা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরছে সভ্যতাকে। এবং সেই সঙ্গে তা ছাড় দিতে নারাজ আমাদের শরীরকেও। প্রতি বছর গড়ে ৪৮ থেকে ১২৭ কোটি মেট্রিক টন প্লাস্টিক মিশে যাচ্ছে মহাসাগরের জলে। সমুদ্রের প্রাণীদের খাবারের সঙ্গে তাদের শরীরে ঢুকছে এই প্লাস্টিক। এমনকী প্লাঙ্কটনের মতো ক্ষুদ্র জীবকেও জড়িয়ে ফেলতে পারে, বা তাদের হজমের পদ্ধতিতেও জড়িয়ে যেতে পারে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক। মাছ, পাইলট তিমি বা ডলফিনের মত সামুদ্রিক প্রাণীর পেটে পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক। সামুদ্রিক পাখি খাবার ভেবে খেয়ে ফেলছে প্লাস্টিকের টুকরো। তাদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ভয়াবহ ক্ষতি হয়ে চলেছে এর ফলে। সার্বিকভাবে প্লাস্টিক যেন আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরছে আমাদের বাস্তুতন্ত্রকে। এ আমাদের অবশ্যম্ভাবী ভবিতব্য। আপাতত এর থেকে মুক্তি নেই আমাদের। বড়জোর আমরা সচেতনতা বাড়িয়ে কমিয়ে ফেলতে পারি আমাদের প্লাস্টিক খাবার পরিমাণটা।
কল্পনার সুপারহিরো প্লাস্টিক-ম্যানের কথা এ প্রসঙ্গে মনে পড়তে পারে আমাদের। সুপারম্যান কিংবা ব্যাটম্যানের মত জনপ্রিয় না হলেও প্লাস্টিক-ম্যানের গল্প কিন্তু প্রথম হিউমারকে মিশিয়ে দিতে পেরেছিল অ্যাকশনের সাথে। এ গল্পে প্লাস্টিক-ম্যান তার শক্তি পেয়েছিল এক দুর্ঘটনার মধ্য দিয়ে। তাকে স্নান করানো হয় এক অজানা শিল্প রাসায়নিক মিশ্রণে, বন্দুকের জখমের মাধ্যমে যে মিশ্রণ ঢুকেছিল তার রক্ত-প্রবাহে। ফলশ্রুতিতে এক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় রূপান্তর ঘটেছিল তার। শরীরটাকে ভেঙেচুরে প্রায় যা-খুশি করতে পারত প্লাস্টিক-ম্যান। আজ শরীরের অভ্যন্তরে প্লাস্টিকের বিষ বয়ে নিয়ে চলে আমরাও কিন্তু হয়ে উঠছি এক একজন প্লাস্টিক-মানুষ। তবে প্লাস্টিক-দানবের এই আক্রমণে পরাজিত, বিধ্বস্ত আমরা সুপারহিরো হতে পারছি না একেবারেই। উল্টে শরীরে প্লাস্টিক ঢুকে ঢুকে আমরা ক্রমে পৌঁছে যাচ্ছি এক অচেনা বিপদের জগতে। এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের গহ্বরে।
আপাতত চা আর তার মধ্যে বিলিয়ন বিলিয়ন প্লাস্টিকের ক্ষুদ্র কণা নিয়ে দেশ-বিদেশের চা-রসিকের আড্ডায় ‘‘টেবিলেতে তুফান ওঠে চা-পেয়ালার তলে,/ বিষম লেগে শৌখিনদের চোখ ভেসে যায় জলে।’’
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
10th  October, 2019
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
একনজরে
বিএনএ, বহরমপুর: প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে এনে গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিকের বাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রঘুনাথগঞ্জের কেওড়াপাড়া এলাকার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই যুবতী জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।  ...

থানে, ১৮ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): মহারাষ্ট্রের কল্যাণ ডোম্বিভালি পুরসভার এক বরিষ্ঠ আধিকারিকের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। আর তার ভিত্তিতে সোমবার দুর্নীতি দমন শাখার পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বালাসাহেব যাদব পেশায় পুরসভার এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়র। ...

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিরণচন্দ্র মেমোরিয়াল আন্তঃকলেজ টি-২০ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় মঙ্গলবার প্রথম খেলায় বাগডোগরার কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয় ৬ উইকেটে পরাজিত করে বানারহাট কার্তিক ওঁরাও হিন্দি কলেজকে। এদিন টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কালীপদ ঘোষ তরাই মহাবিদ্যালয়।  ...

সৌম্যজিৎ সাহা, কলকাতা: শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে চলেছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। তার মধ্যে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ক্লারিকাল পদ এবং প্রায় সাত বছর পর গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হবে। তার লিখিত পরীক্ষার জন্য এই প্রথম একটি বাইরের এজেন্সিকে দায়িত্ব দিল ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

মানসিক অস্থিরতার জন্য পঠন-পাঠনে আগ্রহ কমবে। কর্মপ্রার্থীদের যোগাযোগ থেকে উপকৃত হবেন। ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৭৩: জ্যোতির্বিজ্ঞানী কোপারনিকাসের জন্ম
১৬৩০: মারাঠারাজ ছত্রপতি শিবাজির জন্ম
১৮৬১: দক্ষিণেশ্বরে কালীমন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রানি রাসমণির মৃত্যু
১৮৯১: দৈনিক হিসেবে প্রকাশিত হল অমৃতবাজার পত্রিকা
১৯১৫ : ভারতীয় রাজনীতিবিদ গোপালকৃষ্ণ গোখলের মৃত্যু
১৯৭৮: রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পঙ্কজকুমার মল্লিকের মৃত্যু
১৯৮৬: কম্পিউটার রিজার্ভেশন ব্যবস্থা চালু করল রেল





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৫৯ টাকা ৭২.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯১.২৪ টাকা ৯৪.৫৬ টাকা
ইউরো ৭৫.৯২ টাকা ৭৮.৮৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৬৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৫১০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,১০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) একাদশী ২২/১১ দিবা ৩/৩। পূর্বাষাঢ়া অহোরাত্র। সূ উ ৬/১০/১৮, অ ৫/৩১/৪, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪০ মধ্যে পুনঃ ৯/৫৭ গতে ১১/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/১৫ গতে ৪/৪৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ১/৫৭ গতে উদায়াবধী। বারবেলা ৯/০ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৫০ গতে ১/১৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/০ গতে ৪/৩৫ মধ্যে।
৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, একাদশী ২৭/৪২/৫৮ সন্ধ্যা ৫/১৮/৩৯। মূলা ৬/২৭/৫৬ দিবা ৮/৪৮/৩৮। সূ উ ৬/১৩/২৮, অ ৫/২৯/৫৬। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩১ মধ্যে ও ৯/৫১ গতে ১১/২৪ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ১/৫১ গতে ৬/১৩ মধ্যে। কালবেলা ৯/২/৩৫ গতে ১০/২৭/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ৩/২/৩৫ গতে ৪/৩৮/২ মধ্যে।
২৪ জমাদিয়স সানি

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ 
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া ব্যবস্থা। প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও ফের মাধ্যমিকের প্রশ্ন ...বিশদ

01:49:16 PM

ক্ষতবিক্ষত হয়ে অকালে চলে গেলেন তাপস পাল, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে মন্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর 
অভিনেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল এমপি তাপস পালকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ...বিশদ

12:46:16 PM

ধূপগুড়িতে গাড়ি দুর্ঘটনা, আহত কয়েকজন 
ধূপগুড়িতে জলঢাকা সেতু সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী গাড়ি। আজ ...বিশদ

12:12:13 PM

শ্রীরামপুরে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার 

11:56:00 AM

অভিনেতা তাপস পালকে শ্রদ্ধা জানাতে রবীন্দ্র সদনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

11:42:00 AM

শান্তিপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে বোমাবাজি 
শান্তিপুরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাঘাযতীনপাড়ায় স্থানীয় ওয়ার্ড তৃণমূলের কার্যকারী সভাপতি ...বিশদ

11:25:19 AM