Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
ভক্তিপূর্বক পুজো করলে অশ্বমেধ তুল্য ফললাভ হয়। এই জন্য এই পুজোয় বিধি-ব্যবস্থা অর্থাৎ সংবিধান রচনা করার প্রয়োজন অনুভব হওয়ায় নিবন্ধকারগণ দুর্গোৎসব বিষয়ে নিবন্ধ রচনা করে গিয়েছেন। বাংলাদেশে রঘুনন্দনকৃত তিথিতত্ত্বের অন্তর্গত দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব। মিথিলায় বিদ্যাপতিকৃত দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণী এবং বাচস্পতি মিশ্রকৃত কৃত্যচিন্তামণির অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। অসমের কামরূপীয় নিবন্ধের অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। এই সকল প্রবন্ধে দুর্গোৎসবের ব্যবস্থা প্রণীত হয়েছে। এছাড়াও শূলপাণিকৃত দুর্গোৎসববিবেক, দুর্গোৎসব প্রয়োগবিবেক, জীমূতবাহন বাহনকৃত কালবিবেকোক্ত দুর্গোৎসব নির্ণয়, শ্রীনাথ আচার্য চূড়ামণিকৃত কৃত্যতত্ত্বার্ণবেও দুর্গোৎসব প্রকরণ বিস্তৃত ভাবে লেখা হয়েছিল। বঙ্গদেশে রঘুনন্দনের প্রামাণ্যতা স্বীকার্য। কোনও একখানি পুরাণ অবলম্বন করে তাঁর প্রয়োগ রচনা করেননি। নানা পুরাণ ও নিবন্ধ থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করে রচনা করে গিয়েছেন তাঁর দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব।
‘অন্তরে ভক্তি থাকলে দেবতার পুজো যেভাবে খুশি করা যায়, এরজন্য কোনও প্রয়োগপদ্ধতির প্রয়োজন হয় না।’ এ ধরনের কথা প্রায়ই বলতে শোনা যায় অনেককে। কথাটা হয়তো ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে খাটে, সকল ক্ষেত্রে নয়। ইষ্টদেবতা বা দেবীর ধ্যান বা তাঁদের আরাধনার জন্যে মন্ত্র, নৈবেদ্য কিংবা উপকরণ অথবা কোনও প্রয়োগ পদ্ধতির দরকার হয় না। অন্তরে ভক্তি থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু যখন সমবেতভাবে অথবা সম্মিলিত উদ্যোগে কোনও পুজোর আয়োজন হয়, তখনই কথাগুলি অবাস্তব হয়ে পড়ে। প্রয়োগ-পদ্ধতি মেনে মাতৃ আরাধনা সমবেত হলেও সকলের মনের মধ্যে একই সুর বেজে ওঠে। পারিবারিক পুজোর মধ্যে এই ব্যাপারটা লক্ষ করা যায়।
কলির অশ্বমেধ যজ্ঞ হওয়ার জন্য শারদীয়া দুর্গাপুজোর রীতি-নীতি, প্রয়োগ পদ্ধতি বা উপকরণ আবার অন্যান্য পুজোর তুলনায় একটু অন্যরকম অনেকটাই বৃহদাকার। রীতি-নীতি প্রয়োগ-পদ্ধতি বা উপকরণের ক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর প্রথম দিন থেকে শেষদিন পর্যন্ত রয়েছে যথেষ্ট আকর্ষণ। যদি উপকরণ-এর বিষয়েই আসা যায়, সেক্ষেত্রে জল-এর ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ। যে বিপুল পরিমাণ জল-এর প্রয়োজন হয় এই পুজোর ক্ষেত্রে তা আমাদের যথেষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এমনও তো দিন আসতে পারে, যে দিন জলের চরম সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সেদিন কি এই পুজো হবে না?
এখন জল-এর হাল হকিকত জেনে নেওয়া যাক। কী মর্মান্তিক পরিস্থিতির দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি, তা জানলে আমরা চোখের জল ধরে রাখতে পারব না। আমি এ বিষয়ে ভূবিজ্ঞানীদের অভিমত তুলে ধরছি। তকঁদের অভিমত, ভূগর্ভস্থ সঞ্চিত জলরাশির ৬৭ শতাংশ জল আমরা ব্যবহার করে ফেলেছি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অবশিষ্ট ৩৩ শতাংশ জলে টেনেটুনে বড়জোর ১০ বছর চলতে পারে। তাও যদি অপচয় না করি। ভূবিশেষজ্ঞদের পরের ঘোষণাটি বড়ই হৃদয়বিদারক। যা শুনলে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর হৃৎস্পন্দন অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। তাঁরা বলছেন, এই দেদার জল অপচয়ের জন্য অদূর ভবিষ্যতে এমন একদিন আসবে, যেদিন স্রেফ এক বোতল জলের জন্য বহুগুণ টাকা বেশি দিলেও ওই সামান্য পরিমাণ জলটুকুও আপনি পাবেন না।
এই অশনি সংকেত আমরা পেয়ে গিয়েছি। কিছুদিন আগে পানীয় জলের হাহাকারে বুক ফেটেছে চেন্নাইয়ের মানুষের। একটু পানীয় জলের জন্য তাদের ট্রেনে করে যেতে হয়েছে পাশের রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের কোনও কোনও অঞ্চলেও দেখা দিয়েছিল পানীয় জলের সঙ্কট। আমাদের রাজ্যেও বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও এমনই জল সঙ্কট অদূর ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে। এমন সতর্কবাণী শুনিয়েছেন ভূবিজ্ঞানীরা।
পরিসংখ্যান বলছে, বৃহত্তর কলকাতায় পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ করতে কলকাতা পুরসভার রোজ খরচ হয় ২০ লক্ষ টাকা। শুধুমাত্র আমাদের সুজলা রাখার জন্য। আমরা যাতে কোনওভাবে জলকষ্টে না ভুগি। পরিবর্তে আমরা কি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি? আমরা কি সজাগ হচ্ছি দেদার জল অপচয় রোধ করতে? এ আত্ম জিজ্ঞাসা কি থাকবে না? রোজ পুরসভার প্রচার গাড়ি টহল দিচ্ছে পাড়ার অলিগলিতে। যথেচ্ছ জল অপচয় রোধ করতে। একই ভাবে প্রাকৃতিক জল অর্থাৎ বৃষ্টির জল ব্যবহার করার (পরিস্রুতকরণের মাধ্যমে) কথাও বলা হচ্ছে এই প্রচার গাড়ি থেকে। মোড়ে মোড়ে রাস্তার ধারে ধারে এ বিষয়ে সতর্ক করতে টাঙানো হচ্ছে ফ্লেক্স, হোর্ডিং। প্রিন্ট মিডিয়া, ভিস্যুয়াল মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত তোলপাড় করছে এবিষয়ে সজাগ করতে। পিছিয়ে নেই রাজনীতিবিদ থেকে বিদ্বজ্জনেরা। দেশজুড়ে জল সংরক্ষণের জন্য আর জল অপচয়ের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন তাঁরা। এই বিষয়ে রাজ্যের মানুষকে সচেতন করতে রাজপথে নেমেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এহেন সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে শারদীয়া দুর্গাপুজো শাস্ত্রসম্মতভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে জল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম দিতে হবে। ভবিষ্যপুরাণে এ বিষয়ে বলা হয়েছে অপচয়োন কর্ত্তব্যং দ্রব্যসংরক্ষণ মেব চ। সংকট কালো সমুৎপন্নে ন স দ্রব্যং ন তৎ ক্রিয়াম্‌। অর্থাৎ উপকরণ বা দ্রব্যের অপচয় কোনও ভাবে করা যাবে না। বরং যতটা প্রয়োজন ততটাই ব্যবহার করতে হবে। তার অতিরিক্ত নয়। এক্ষেত্রে আমাদের দ্রব্য সংরক্ষণের দিকে অধিক নজর দিতে হবে। কেননা দ্রব্য সঙ্কট উপস্থিত হলে সেই দ্রব্য পাওয়া যাবে না। আবার শাস্ত্রে একথাও বলছে, কৃত্য লোপং বিগর্হিতম। কৃত্য-কে লোপ কোনওভাবেই করা যাবে না। কেননা তা বিগর্হিত।
এ প্রসঙ্গে মৎস্যসূক্তও মুখর হয়েছে নাপচয়ং দ্রব্যং, নাপচয়ং সময়ং। দ্রব্যাভাবে সময়াভাবে চ ধর্মহানি প্রজায়তে। অর্থাৎ দ্রব্য অপচয় করা যাবে না, সময় অপচয় করা যাবে না। কেননা দ্রব্যের অভাবে আর সময়ের অভাবে দুর্গাপুজো কর্মরূপ ধর্মের হানি উৎপন্ন হবে।
ভবিষ্যপুরাণের অপচয়ো ন কর্ত্তব্যং... বচনের পরে আরও বলা হয়েছে যা সংযোজন না করলে বচনটির যথার্থতা আজকের জল সঙ্কটের নিরিখে কতটা প্রাসঙ্গিক তা অনুধাবন করা যাবে না। উক্ত বচনের পরের বক্তব্যটি হল প্রাত্যহিকে তু এবম্‌। অর্থাৎ শুধুমাত্র শারদীয়া দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে এমন সতর্কবাণী প্রযোজ্য নয়, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সচেতনতা’র কথা প্রাসঙ্গিকভাবে মাথায় রাখতে হবে। নইলে জীবনের হাল বেহাল হবে। এবং এই কথাটা যে দিনের আলোর মতো সত্য, তা জল সঙ্কটের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখিত বচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে বলা হল দ্রব্য সংরক্ষণের বিষয়টি। অপচয় রোধ আর দ্রব্যের ব্যবহার যথাযথভাবে করলে দ্রব্য সংরক্ষণ আপনার থেকে অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যাবে। যা বহু হাজার বছর আগে শাস্ত্রকাররা বলেছেন, তা অতি সাম্প্রতিককালে বললেন ভূবিজ্ঞানী সহ সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষ।
মৎস্যসূক্তে শারদীয়া দুর্গাপুজো বিষয়ের বচনটিতে দ্রব্য-এর সঙ্গে প্রাসঙ্গিকভাবে সময়ের ব্যাপারটাও খুব সচেতনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কেননা সমস্ত কাজেরই একটা নির্দিষ্ট কাল আছে। সময় উত্তীর্ণ হলে সেই কাজ তার প্রাসঙ্গিকতা হারায়। আর মূল্যহীন কাজ করাও যা, না করাও তা। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, শাস্ত্রকাররা পুজোর কাল নির্দেশ করেছেন পূর্বাহ্ণ পর্যন্ত। এই পূর্বাহ্ণ হল সূর্যোদয় থেকে সকাল ৯টা ২৭ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। একই কথা ঘুরেফিরে আসে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই খাটে। এক কথায় সময়-এর কাজ সময়ের মধ্যেই করতে হবে। তবেই জীবন চলবে সুষ্ঠুভাবে। স্বচ্ছন্দ গতিতে। বিরামহীনতার মধ্য দিয়ে। বলা বাহুল্য, দ্রব্য বলতে জল সহ প্রতিটি আনুষঙ্গিক উপকরণের বিষয়ে শাস্ত্রকারদের এই নির্দেশিকা।
এখন আসি প্রয়োগের ব্যাপারে। এই জলের অপচয় রোধ বা জল সংরক্ষণ কীভাবে করা হবে। মূলত তিন দিনের এই পুজোয় যে বিপুল পরিমাণ জল ব্যবহার করা হয়, তার অনেকটা জুড়ে আছে মহাস্নানের জল। যা সপ্তমী মহাষ্টমী ও মহানবমী’র পুজোগুলিতে লাগে। যেটুকু জল খরচ না করলে এই মহাপুজো থমকে যাবে না, সেটুকু জলই আমরা খরচ করব। মহাস্নানের ক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে ১০৮ ঘড়া জলের প্রয়োগ আছে। তা বিশেষ ক্ষেত্রে অর্থাৎ জল সঙ্কটকালে ১০৮ ঘটিতে করা যাবে। আবার এমনও বলা হয়েছে, সময়ের অভাবে অর্থাৎ তিথিস্বল্পতায় একটি বড় গামলায় মহাস্নানের প্রত্যেক দ্রব্য এবং সংশ্লিষ্ট জল মিশিয়ে নিয়ে সেখানে একটি ঘটি ডুবিয়ে সেই এক ঘটি জলে মায়ের মহাস্নান সারতে হবে। অন্যান্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে, ১৯৭৮ সালে ভয়াবহ বন্যার সময়ে সন্ধিপুজোয় বহু জায়গায় দেবীকে ১০৮টি পদ্মফুল দেওয়া যায়নি। কিন্তু পদ্ম শতদল হওয়ায় ১০৮টি পাপড়ি দিয়ে মাতৃআরাধনা হয়েছিল।
এখন দেখে নেওয়া যাক মায়ের মহাস্নানের সময় কোন কোন জল আমরা ব্যবহার করি। প্রথমে একঘটি ঈষদুষ্ণ জল বিল্বদন্তকাষ্ঠ দিয়ে মা দাঁত মাজবেন আর মুখ ধোবেন। এরপর পঞ্চামৃত, পঞ্চগব্য, পঞ্চকষায়, শিশিরের জল, আখের রস, ১০টি মাটি, বিষ্ণুতেল-তিল তেল, সর্বৌষধি-মহৌষধি, পঞ্চরত্ন মিশ্রিত জল, সাগরের জল, পদ্মরেণুজল, দুধ, মধু, অগুরু, চন্দন-কুঙ্কুম, বৃষ্টির জল ঝর্ণার জল, তাল ফলের জল ডাবের জল সপ্তসমুদ্রের জল সহস্রধারা দিয়ে বেয়ে পড়বে সপ্ত সমুদ্রের জল আর গঙ্গা প্রভৃতি সাতটি পুণ্যতোয়া নদীর জল, ঘট চতুষ্টয় এবং সবশেষে অষ্ট কলসের জল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উল্লেখিত জলরাশি আমরা সারা বছর ধরে সংগ্রহ করি। শাস্ত্রকারদের নির্দেশমতো যা আমরা বছরজুড়ে সংগ্রহ করে থাকি তা আসলে তো জল সংরক্ষণের বার্তাই বহন করে। তাই না। আপনারা কী বলেন? 
05th  October, 2019
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
একনজরে
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে পা রাখতে চলেছেন জ্যাডন স্যাঞ্চো। ইংল্যান্ডের এই উইঙ্গারকে ১০৮ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে নিতে চাইছে ম্যান ইউ।   ...

সংবাদদাতা, রানাঘাট: প্রতি বছর এই সময় নাওয়া খাওয়ার ফুরসত মেলে না। মহাজনের আর দোকানদারদের তাড়ায় অস্থির হতে হতো। কথা রাখতে রাতদিন বুনতে হতো শাড়ি। মাকুর ...

সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: এবছর স্বাধীনতা দিবসে রায়গঞ্জের ঘড়ি মোড় এলাকায় ১০৫ ফুট উঁচু স্তম্ভের সঙ্গে আকাশে উড়বে জাতীয় পতাকা। সেজন্য ইতিমধ্যেই প্রায় সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে ফেলা হয়েছে। মঙ্গলবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ঘড়ি মোড় এলাকায় পরিদর্শন করলেন রায়গঞ্জ পুরসভার ...

শুধু হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি নয়। আজ, বুধবার অযোধ্যায় সম্পূর্ণ হচ্ছে ব্যক্তি নরেন্দ্র মোদির ৩০ বছরের জার্নির একটি বৃত্ত। গুজরাত থেকে অযোধ্যা—১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে লালকৃষ্ণ আদবানির ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। গুপ্তশত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের জন্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৫ - বৃটিশ ভারতে কর কর্মকর্তা মহারাজা নন্দকুমারের মৃত্যু
১৯৩০ -মার্কিন নভোচারী তথা প্রথম মানুষ, যিনি চাঁদে অবতরণ করেন নীল আর্মস্ট্রংয়ের জন্ম
১৯৩১: অভিনেত্রী গীতা দে’র জন্ম
১৯৬২: অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মৃত্যু
১৯৬৯: প্রাক্তন ক্রিকেটার বেঙ্কটেশ প্রসাদের জন্ম
১৯৭৪: অভিনেত্রী কাজলের জন্ম
২০০০: ক্রিকেটার লালা অমরনাথের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩৮ টাকা ৭৬.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৬৯ টাকা ১০০.০৭ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৫ টাকা ৯০.১৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া ৪৪/৩ রাত্রি ১০/৫১। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১০/৪২ দিবা ৯/৩০। সূর্যোদয় ৫/১৩/২৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ২/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৫৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৯ গতে ১০/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র দিবা ৯/৪০। সূর্যোদয় ৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৬ ও ১১/৪৩ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে।
১৪ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
অযোধ্যায় ভূমিপুজো অনুষ্ঠান মঞ্চে কী বললেন মোদি
আজ গোটা দেশ রামময়। পাশাপাশি এখন গোটা বিশ্বে শোনা যাচ্ছে ...বিশদ

02:14:14 PM

রুপোর প্রধান শিলা সহ মোট ৯টি শিলার পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী 

01:13:04 PM

ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান সমাপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

01:07:44 PM

সুশান্ত মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের সুপারিশ গ্রহণ করল কেন্দ্র 
বিহার সরকারের সুপারিশ মেনে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্য ...বিশদ

12:18:32 PM

অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান
অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ...বিশদ

12:18:00 PM

অযোধ্যায় হনুমানগড়িতে পুজো দেওয়ার পর রামলালা দর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

12:08:00 PM