Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
ভক্তিপূর্বক পুজো করলে অশ্বমেধ তুল্য ফললাভ হয়। এই জন্য এই পুজোয় বিধি-ব্যবস্থা অর্থাৎ সংবিধান রচনা করার প্রয়োজন অনুভব হওয়ায় নিবন্ধকারগণ দুর্গোৎসব বিষয়ে নিবন্ধ রচনা করে গিয়েছেন। বাংলাদেশে রঘুনন্দনকৃত তিথিতত্ত্বের অন্তর্গত দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব। মিথিলায় বিদ্যাপতিকৃত দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণী এবং বাচস্পতি মিশ্রকৃত কৃত্যচিন্তামণির অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। অসমের কামরূপীয় নিবন্ধের অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। এই সকল প্রবন্ধে দুর্গোৎসবের ব্যবস্থা প্রণীত হয়েছে। এছাড়াও শূলপাণিকৃত দুর্গোৎসববিবেক, দুর্গোৎসব প্রয়োগবিবেক, জীমূতবাহন বাহনকৃত কালবিবেকোক্ত দুর্গোৎসব নির্ণয়, শ্রীনাথ আচার্য চূড়ামণিকৃত কৃত্যতত্ত্বার্ণবেও দুর্গোৎসব প্রকরণ বিস্তৃত ভাবে লেখা হয়েছিল। বঙ্গদেশে রঘুনন্দনের প্রামাণ্যতা স্বীকার্য। কোনও একখানি পুরাণ অবলম্বন করে তাঁর প্রয়োগ রচনা করেননি। নানা পুরাণ ও নিবন্ধ থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করে রচনা করে গিয়েছেন তাঁর দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব।
‘অন্তরে ভক্তি থাকলে দেবতার পুজো যেভাবে খুশি করা যায়, এরজন্য কোনও প্রয়োগপদ্ধতির প্রয়োজন হয় না।’ এ ধরনের কথা প্রায়ই বলতে শোনা যায় অনেককে। কথাটা হয়তো ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে খাটে, সকল ক্ষেত্রে নয়। ইষ্টদেবতা বা দেবীর ধ্যান বা তাঁদের আরাধনার জন্যে মন্ত্র, নৈবেদ্য কিংবা উপকরণ অথবা কোনও প্রয়োগ পদ্ধতির দরকার হয় না। অন্তরে ভক্তি থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু যখন সমবেতভাবে অথবা সম্মিলিত উদ্যোগে কোনও পুজোর আয়োজন হয়, তখনই কথাগুলি অবাস্তব হয়ে পড়ে। প্রয়োগ-পদ্ধতি মেনে মাতৃ আরাধনা সমবেত হলেও সকলের মনের মধ্যে একই সুর বেজে ওঠে। পারিবারিক পুজোর মধ্যে এই ব্যাপারটা লক্ষ করা যায়।
কলির অশ্বমেধ যজ্ঞ হওয়ার জন্য শারদীয়া দুর্গাপুজোর রীতি-নীতি, প্রয়োগ পদ্ধতি বা উপকরণ আবার অন্যান্য পুজোর তুলনায় একটু অন্যরকম অনেকটাই বৃহদাকার। রীতি-নীতি প্রয়োগ-পদ্ধতি বা উপকরণের ক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর প্রথম দিন থেকে শেষদিন পর্যন্ত রয়েছে যথেষ্ট আকর্ষণ। যদি উপকরণ-এর বিষয়েই আসা যায়, সেক্ষেত্রে জল-এর ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ। যে বিপুল পরিমাণ জল-এর প্রয়োজন হয় এই পুজোর ক্ষেত্রে তা আমাদের যথেষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এমনও তো দিন আসতে পারে, যে দিন জলের চরম সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সেদিন কি এই পুজো হবে না?
এখন জল-এর হাল হকিকত জেনে নেওয়া যাক। কী মর্মান্তিক পরিস্থিতির দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি, তা জানলে আমরা চোখের জল ধরে রাখতে পারব না। আমি এ বিষয়ে ভূবিজ্ঞানীদের অভিমত তুলে ধরছি। তকঁদের অভিমত, ভূগর্ভস্থ সঞ্চিত জলরাশির ৬৭ শতাংশ জল আমরা ব্যবহার করে ফেলেছি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অবশিষ্ট ৩৩ শতাংশ জলে টেনেটুনে বড়জোর ১০ বছর চলতে পারে। তাও যদি অপচয় না করি। ভূবিশেষজ্ঞদের পরের ঘোষণাটি বড়ই হৃদয়বিদারক। যা শুনলে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর হৃৎস্পন্দন অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। তাঁরা বলছেন, এই দেদার জল অপচয়ের জন্য অদূর ভবিষ্যতে এমন একদিন আসবে, যেদিন স্রেফ এক বোতল জলের জন্য বহুগুণ টাকা বেশি দিলেও ওই সামান্য পরিমাণ জলটুকুও আপনি পাবেন না।
এই অশনি সংকেত আমরা পেয়ে গিয়েছি। কিছুদিন আগে পানীয় জলের হাহাকারে বুক ফেটেছে চেন্নাইয়ের মানুষের। একটু পানীয় জলের জন্য তাদের ট্রেনে করে যেতে হয়েছে পাশের রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের কোনও কোনও অঞ্চলেও দেখা দিয়েছিল পানীয় জলের সঙ্কট। আমাদের রাজ্যেও বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও এমনই জল সঙ্কট অদূর ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে। এমন সতর্কবাণী শুনিয়েছেন ভূবিজ্ঞানীরা।
পরিসংখ্যান বলছে, বৃহত্তর কলকাতায় পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ করতে কলকাতা পুরসভার রোজ খরচ হয় ২০ লক্ষ টাকা। শুধুমাত্র আমাদের সুজলা রাখার জন্য। আমরা যাতে কোনওভাবে জলকষ্টে না ভুগি। পরিবর্তে আমরা কি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি? আমরা কি সজাগ হচ্ছি দেদার জল অপচয় রোধ করতে? এ আত্ম জিজ্ঞাসা কি থাকবে না? রোজ পুরসভার প্রচার গাড়ি টহল দিচ্ছে পাড়ার অলিগলিতে। যথেচ্ছ জল অপচয় রোধ করতে। একই ভাবে প্রাকৃতিক জল অর্থাৎ বৃষ্টির জল ব্যবহার করার (পরিস্রুতকরণের মাধ্যমে) কথাও বলা হচ্ছে এই প্রচার গাড়ি থেকে। মোড়ে মোড়ে রাস্তার ধারে ধারে এ বিষয়ে সতর্ক করতে টাঙানো হচ্ছে ফ্লেক্স, হোর্ডিং। প্রিন্ট মিডিয়া, ভিস্যুয়াল মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত তোলপাড় করছে এবিষয়ে সজাগ করতে। পিছিয়ে নেই রাজনীতিবিদ থেকে বিদ্বজ্জনেরা। দেশজুড়ে জল সংরক্ষণের জন্য আর জল অপচয়ের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন তাঁরা। এই বিষয়ে রাজ্যের মানুষকে সচেতন করতে রাজপথে নেমেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এহেন সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে শারদীয়া দুর্গাপুজো শাস্ত্রসম্মতভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে জল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম দিতে হবে। ভবিষ্যপুরাণে এ বিষয়ে বলা হয়েছে অপচয়োন কর্ত্তব্যং দ্রব্যসংরক্ষণ মেব চ। সংকট কালো সমুৎপন্নে ন স দ্রব্যং ন তৎ ক্রিয়াম্‌। অর্থাৎ উপকরণ বা দ্রব্যের অপচয় কোনও ভাবে করা যাবে না। বরং যতটা প্রয়োজন ততটাই ব্যবহার করতে হবে। তার অতিরিক্ত নয়। এক্ষেত্রে আমাদের দ্রব্য সংরক্ষণের দিকে অধিক নজর দিতে হবে। কেননা দ্রব্য সঙ্কট উপস্থিত হলে সেই দ্রব্য পাওয়া যাবে না। আবার শাস্ত্রে একথাও বলছে, কৃত্য লোপং বিগর্হিতম। কৃত্য-কে লোপ কোনওভাবেই করা যাবে না। কেননা তা বিগর্হিত।
এ প্রসঙ্গে মৎস্যসূক্তও মুখর হয়েছে নাপচয়ং দ্রব্যং, নাপচয়ং সময়ং। দ্রব্যাভাবে সময়াভাবে চ ধর্মহানি প্রজায়তে। অর্থাৎ দ্রব্য অপচয় করা যাবে না, সময় অপচয় করা যাবে না। কেননা দ্রব্যের অভাবে আর সময়ের অভাবে দুর্গাপুজো কর্মরূপ ধর্মের হানি উৎপন্ন হবে।
ভবিষ্যপুরাণের অপচয়ো ন কর্ত্তব্যং... বচনের পরে আরও বলা হয়েছে যা সংযোজন না করলে বচনটির যথার্থতা আজকের জল সঙ্কটের নিরিখে কতটা প্রাসঙ্গিক তা অনুধাবন করা যাবে না। উক্ত বচনের পরের বক্তব্যটি হল প্রাত্যহিকে তু এবম্‌। অর্থাৎ শুধুমাত্র শারদীয়া দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে এমন সতর্কবাণী প্রযোজ্য নয়, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সচেতনতা’র কথা প্রাসঙ্গিকভাবে মাথায় রাখতে হবে। নইলে জীবনের হাল বেহাল হবে। এবং এই কথাটা যে দিনের আলোর মতো সত্য, তা জল সঙ্কটের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখিত বচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে বলা হল দ্রব্য সংরক্ষণের বিষয়টি। অপচয় রোধ আর দ্রব্যের ব্যবহার যথাযথভাবে করলে দ্রব্য সংরক্ষণ আপনার থেকে অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যাবে। যা বহু হাজার বছর আগে শাস্ত্রকাররা বলেছেন, তা অতি সাম্প্রতিককালে বললেন ভূবিজ্ঞানী সহ সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষ।
মৎস্যসূক্তে শারদীয়া দুর্গাপুজো বিষয়ের বচনটিতে দ্রব্য-এর সঙ্গে প্রাসঙ্গিকভাবে সময়ের ব্যাপারটাও খুব সচেতনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কেননা সমস্ত কাজেরই একটা নির্দিষ্ট কাল আছে। সময় উত্তীর্ণ হলে সেই কাজ তার প্রাসঙ্গিকতা হারায়। আর মূল্যহীন কাজ করাও যা, না করাও তা। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, শাস্ত্রকাররা পুজোর কাল নির্দেশ করেছেন পূর্বাহ্ণ পর্যন্ত। এই পূর্বাহ্ণ হল সূর্যোদয় থেকে সকাল ৯টা ২৭ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। একই কথা ঘুরেফিরে আসে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই খাটে। এক কথায় সময়-এর কাজ সময়ের মধ্যেই করতে হবে। তবেই জীবন চলবে সুষ্ঠুভাবে। স্বচ্ছন্দ গতিতে। বিরামহীনতার মধ্য দিয়ে। বলা বাহুল্য, দ্রব্য বলতে জল সহ প্রতিটি আনুষঙ্গিক উপকরণের বিষয়ে শাস্ত্রকারদের এই নির্দেশিকা।
এখন আসি প্রয়োগের ব্যাপারে। এই জলের অপচয় রোধ বা জল সংরক্ষণ কীভাবে করা হবে। মূলত তিন দিনের এই পুজোয় যে বিপুল পরিমাণ জল ব্যবহার করা হয়, তার অনেকটা জুড়ে আছে মহাস্নানের জল। যা সপ্তমী মহাষ্টমী ও মহানবমী’র পুজোগুলিতে লাগে। যেটুকু জল খরচ না করলে এই মহাপুজো থমকে যাবে না, সেটুকু জলই আমরা খরচ করব। মহাস্নানের ক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে ১০৮ ঘড়া জলের প্রয়োগ আছে। তা বিশেষ ক্ষেত্রে অর্থাৎ জল সঙ্কটকালে ১০৮ ঘটিতে করা যাবে। আবার এমনও বলা হয়েছে, সময়ের অভাবে অর্থাৎ তিথিস্বল্পতায় একটি বড় গামলায় মহাস্নানের প্রত্যেক দ্রব্য এবং সংশ্লিষ্ট জল মিশিয়ে নিয়ে সেখানে একটি ঘটি ডুবিয়ে সেই এক ঘটি জলে মায়ের মহাস্নান সারতে হবে। অন্যান্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে, ১৯৭৮ সালে ভয়াবহ বন্যার সময়ে সন্ধিপুজোয় বহু জায়গায় দেবীকে ১০৮টি পদ্মফুল দেওয়া যায়নি। কিন্তু পদ্ম শতদল হওয়ায় ১০৮টি পাপড়ি দিয়ে মাতৃআরাধনা হয়েছিল।
এখন দেখে নেওয়া যাক মায়ের মহাস্নানের সময় কোন কোন জল আমরা ব্যবহার করি। প্রথমে একঘটি ঈষদুষ্ণ জল বিল্বদন্তকাষ্ঠ দিয়ে মা দাঁত মাজবেন আর মুখ ধোবেন। এরপর পঞ্চামৃত, পঞ্চগব্য, পঞ্চকষায়, শিশিরের জল, আখের রস, ১০টি মাটি, বিষ্ণুতেল-তিল তেল, সর্বৌষধি-মহৌষধি, পঞ্চরত্ন মিশ্রিত জল, সাগরের জল, পদ্মরেণুজল, দুধ, মধু, অগুরু, চন্দন-কুঙ্কুম, বৃষ্টির জল ঝর্ণার জল, তাল ফলের জল ডাবের জল সপ্তসমুদ্রের জল সহস্রধারা দিয়ে বেয়ে পড়বে সপ্ত সমুদ্রের জল আর গঙ্গা প্রভৃতি সাতটি পুণ্যতোয়া নদীর জল, ঘট চতুষ্টয় এবং সবশেষে অষ্ট কলসের জল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উল্লেখিত জলরাশি আমরা সারা বছর ধরে সংগ্রহ করি। শাস্ত্রকারদের নির্দেশমতো যা আমরা বছরজুড়ে সংগ্রহ করে থাকি তা আসলে তো জল সংরক্ষণের বার্তাই বহন করে। তাই না। আপনারা কী বলেন? 
05th  October, 2019
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
একনজরে
সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: লকডাউনেও আলিপুরদুয়ার জেলায় প্রাত্যহিক চাহিদা অনুসারে মাছের জোগান স্বাভাবিক রাখতে এবার জেলার প্রান্তিক মৎস্য চাষিরা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণের সুবিধা পেতে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড পাবেন। জেলায় মাছ চাষে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ঋণ দেওয়ার সুবিধা এ বছরই প্রথম। ...

নয়াদিল্লি, ২৫ মে: সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেও চলছে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রস্তুতি। তার অংশ হিসেবে করোনা মহামারী মোকাবিলায় সারা দেশের সামনে চারটি শহরকে সম্ভাব্য রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরল কেন্দ্রীয় সরকার।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: সুপার সাইক্লোনের পাঁচ দিন পরেও বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটির একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন। পুরসভার কর্তারা জানাচ্ছেন, বাগজোলা খাল পরিপূর্ণ থাকায় বরানগর ও কামারহাটির ওয়ার্ডগুলি থেকে জল নামতে সময় লাগছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪৯ জন আক্রান্ত হলেন নোভেল করোনায়। মারা গেলেন আরও ৬ জন। এর মধ্যে কলকাতার ৪ জন রয়েছেন এবং বাকিরা ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাস্টমার সার্ভিসে আমাদের সুনাম রয়েছে: সিইএসসি 

04:46:27 PM

যে কোনও দুর্যোগেই সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়: সিইএসসি 

04:44:16 PM

আজ মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

04:44:00 PM

পুরসভার সঙ্গে সমন্বয়ের সমস্যা নেই: সিইএসসি 

04:43:40 PM

প্রায় ১৫০টি টিম কাজ করছে: সিইএসসি 

04:41:27 PM

বেহালা, সার্ভে পার্কে কাজ চলছে: সিইএসসি 

04:38:08 PM