Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
ভক্তিপূর্বক পুজো করলে অশ্বমেধ তুল্য ফললাভ হয়। এই জন্য এই পুজোয় বিধি-ব্যবস্থা অর্থাৎ সংবিধান রচনা করার প্রয়োজন অনুভব হওয়ায় নিবন্ধকারগণ দুর্গোৎসব বিষয়ে নিবন্ধ রচনা করে গিয়েছেন। বাংলাদেশে রঘুনন্দনকৃত তিথিতত্ত্বের অন্তর্গত দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব। মিথিলায় বিদ্যাপতিকৃত দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণী এবং বাচস্পতি মিশ্রকৃত কৃত্যচিন্তামণির অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। অসমের কামরূপীয় নিবন্ধের অন্তর্গত দুর্গোৎসব প্রকরণ। এই সকল প্রবন্ধে দুর্গোৎসবের ব্যবস্থা প্রণীত হয়েছে। এছাড়াও শূলপাণিকৃত দুর্গোৎসববিবেক, দুর্গোৎসব প্রয়োগবিবেক, জীমূতবাহন বাহনকৃত কালবিবেকোক্ত দুর্গোৎসব নির্ণয়, শ্রীনাথ আচার্য চূড়ামণিকৃত কৃত্যতত্ত্বার্ণবেও দুর্গোৎসব প্রকরণ বিস্তৃত ভাবে লেখা হয়েছিল। বঙ্গদেশে রঘুনন্দনের প্রামাণ্যতা স্বীকার্য। কোনও একখানি পুরাণ অবলম্বন করে তাঁর প্রয়োগ রচনা করেননি। নানা পুরাণ ও নিবন্ধ থেকে প্রমাণ সংগ্রহ করে রচনা করে গিয়েছেন তাঁর দুর্গোৎসব তত্ত্ব এবং দুর্গাপূজাতত্ত্ব।
‘অন্তরে ভক্তি থাকলে দেবতার পুজো যেভাবে খুশি করা যায়, এরজন্য কোনও প্রয়োগপদ্ধতির প্রয়োজন হয় না।’ এ ধরনের কথা প্রায়ই বলতে শোনা যায় অনেককে। কথাটা হয়তো ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রে খাটে, সকল ক্ষেত্রে নয়। ইষ্টদেবতা বা দেবীর ধ্যান বা তাঁদের আরাধনার জন্যে মন্ত্র, নৈবেদ্য কিংবা উপকরণ অথবা কোনও প্রয়োগ পদ্ধতির দরকার হয় না। অন্তরে ভক্তি থাকলেই যথেষ্ট। কিন্তু যখন সমবেতভাবে অথবা সম্মিলিত উদ্যোগে কোনও পুজোর আয়োজন হয়, তখনই কথাগুলি অবাস্তব হয়ে পড়ে। প্রয়োগ-পদ্ধতি মেনে মাতৃ আরাধনা সমবেত হলেও সকলের মনের মধ্যে একই সুর বেজে ওঠে। পারিবারিক পুজোর মধ্যে এই ব্যাপারটা লক্ষ করা যায়।
কলির অশ্বমেধ যজ্ঞ হওয়ার জন্য শারদীয়া দুর্গাপুজোর রীতি-নীতি, প্রয়োগ পদ্ধতি বা উপকরণ আবার অন্যান্য পুজোর তুলনায় একটু অন্যরকম অনেকটাই বৃহদাকার। রীতি-নীতি প্রয়োগ-পদ্ধতি বা উপকরণের ক্ষেত্রে দুর্গাপুজোর প্রথম দিন থেকে শেষদিন পর্যন্ত রয়েছে যথেষ্ট আকর্ষণ। যদি উপকরণ-এর বিষয়েই আসা যায়, সেক্ষেত্রে জল-এর ভূমিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ। যে বিপুল পরিমাণ জল-এর প্রয়োজন হয় এই পুজোর ক্ষেত্রে তা আমাদের যথেষ্ট দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এমনও তো দিন আসতে পারে, যে দিন জলের চরম সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সেদিন কি এই পুজো হবে না?
এখন জল-এর হাল হকিকত জেনে নেওয়া যাক। কী মর্মান্তিক পরিস্থিতির দিকে আমরা এগিয়ে চলেছি, তা জানলে আমরা চোখের জল ধরে রাখতে পারব না। আমি এ বিষয়ে ভূবিজ্ঞানীদের অভিমত তুলে ধরছি। তকঁদের অভিমত, ভূগর্ভস্থ সঞ্চিত জলরাশির ৬৭ শতাংশ জল আমরা ব্যবহার করে ফেলেছি। তাঁরা জানাচ্ছেন, অবশিষ্ট ৩৩ শতাংশ জলে টেনেটুনে বড়জোর ১০ বছর চলতে পারে। তাও যদি অপচয় না করি। ভূবিশেষজ্ঞদের পরের ঘোষণাটি বড়ই হৃদয়বিদারক। যা শুনলে ১৩০ কোটি ভারতবাসীর হৃৎস্পন্দন অনেকটা বেড়ে যেতে পারে। তাঁরা বলছেন, এই দেদার জল অপচয়ের জন্য অদূর ভবিষ্যতে এমন একদিন আসবে, যেদিন স্রেফ এক বোতল জলের জন্য বহুগুণ টাকা বেশি দিলেও ওই সামান্য পরিমাণ জলটুকুও আপনি পাবেন না।
এই অশনি সংকেত আমরা পেয়ে গিয়েছি। কিছুদিন আগে পানীয় জলের হাহাকারে বুক ফেটেছে চেন্নাইয়ের মানুষের। একটু পানীয় জলের জন্য তাদের ট্রেনে করে যেতে হয়েছে পাশের রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের কোনও কোনও অঞ্চলেও দেখা দিয়েছিল পানীয় জলের সঙ্কট। আমাদের রাজ্যেও বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও এমনই জল সঙ্কট অদূর ভবিষ্যতে দেখা দিতে পারে। এমন সতর্কবাণী শুনিয়েছেন ভূবিজ্ঞানীরা।
পরিসংখ্যান বলছে, বৃহত্তর কলকাতায় পরিস্রুত পানীয় জল সরবরাহ করতে কলকাতা পুরসভার রোজ খরচ হয় ২০ লক্ষ টাকা। শুধুমাত্র আমাদের সুজলা রাখার জন্য। আমরা যাতে কোনওভাবে জলকষ্টে না ভুগি। পরিবর্তে আমরা কি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি? আমরা কি সজাগ হচ্ছি দেদার জল অপচয় রোধ করতে? এ আত্ম জিজ্ঞাসা কি থাকবে না? রোজ পুরসভার প্রচার গাড়ি টহল দিচ্ছে পাড়ার অলিগলিতে। যথেচ্ছ জল অপচয় রোধ করতে। একই ভাবে প্রাকৃতিক জল অর্থাৎ বৃষ্টির জল ব্যবহার করার (পরিস্রুতকরণের মাধ্যমে) কথাও বলা হচ্ছে এই প্রচার গাড়ি থেকে। মোড়ে মোড়ে রাস্তার ধারে ধারে এ বিষয়ে সতর্ক করতে টাঙানো হচ্ছে ফ্লেক্স, হোর্ডিং। প্রিন্ট মিডিয়া, ভিস্যুয়াল মিডিয়া থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া পর্যন্ত তোলপাড় করছে এবিষয়ে সজাগ করতে। পিছিয়ে নেই রাজনীতিবিদ থেকে বিদ্বজ্জনেরা। দেশজুড়ে জল সংরক্ষণের জন্য আর জল অপচয়ের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন তাঁরা। এই বিষয়ে রাজ্যের মানুষকে সচেতন করতে রাজপথে নেমেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এহেন সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে শারদীয়া দুর্গাপুজো শাস্ত্রসম্মতভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে জল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও লাগাম দিতে হবে। ভবিষ্যপুরাণে এ বিষয়ে বলা হয়েছে অপচয়োন কর্ত্তব্যং দ্রব্যসংরক্ষণ মেব চ। সংকট কালো সমুৎপন্নে ন স দ্রব্যং ন তৎ ক্রিয়াম্‌। অর্থাৎ উপকরণ বা দ্রব্যের অপচয় কোনও ভাবে করা যাবে না। বরং যতটা প্রয়োজন ততটাই ব্যবহার করতে হবে। তার অতিরিক্ত নয়। এক্ষেত্রে আমাদের দ্রব্য সংরক্ষণের দিকে অধিক নজর দিতে হবে। কেননা দ্রব্য সঙ্কট উপস্থিত হলে সেই দ্রব্য পাওয়া যাবে না। আবার শাস্ত্রে একথাও বলছে, কৃত্য লোপং বিগর্হিতম। কৃত্য-কে লোপ কোনওভাবেই করা যাবে না। কেননা তা বিগর্হিত।
এ প্রসঙ্গে মৎস্যসূক্তও মুখর হয়েছে নাপচয়ং দ্রব্যং, নাপচয়ং সময়ং। দ্রব্যাভাবে সময়াভাবে চ ধর্মহানি প্রজায়তে। অর্থাৎ দ্রব্য অপচয় করা যাবে না, সময় অপচয় করা যাবে না। কেননা দ্রব্যের অভাবে আর সময়ের অভাবে দুর্গাপুজো কর্মরূপ ধর্মের হানি উৎপন্ন হবে।
ভবিষ্যপুরাণের অপচয়ো ন কর্ত্তব্যং... বচনের পরে আরও বলা হয়েছে যা সংযোজন না করলে বচনটির যথার্থতা আজকের জল সঙ্কটের নিরিখে কতটা প্রাসঙ্গিক তা অনুধাবন করা যাবে না। উক্ত বচনের পরের বক্তব্যটি হল প্রাত্যহিকে তু এবম্‌। অর্থাৎ শুধুমাত্র শারদীয়া দুর্গাপুজোর ক্ষেত্রে এমন সতর্কবাণী প্রযোজ্য নয়, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই সচেতনতা’র কথা প্রাসঙ্গিকভাবে মাথায় রাখতে হবে। নইলে জীবনের হাল বেহাল হবে। এবং এই কথাটা যে দিনের আলোর মতো সত্য, তা জল সঙ্কটের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতিই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। উল্লেখিত বচনের দ্বিতীয় পর্যায়ে বলা হল দ্রব্য সংরক্ষণের বিষয়টি। অপচয় রোধ আর দ্রব্যের ব্যবহার যথাযথভাবে করলে দ্রব্য সংরক্ষণ আপনার থেকে অর্থাৎ স্বাভাবিকভাবেই হয়ে যাবে। যা বহু হাজার বছর আগে শাস্ত্রকাররা বলেছেন, তা অতি সাম্প্রতিককালে বললেন ভূবিজ্ঞানী সহ সমাজের সর্বশ্রেণীর মানুষ।
মৎস্যসূক্তে শারদীয়া দুর্গাপুজো বিষয়ের বচনটিতে দ্রব্য-এর সঙ্গে প্রাসঙ্গিকভাবে সময়ের ব্যাপারটাও খুব সচেতনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কেননা সমস্ত কাজেরই একটা নির্দিষ্ট কাল আছে। সময় উত্তীর্ণ হলে সেই কাজ তার প্রাসঙ্গিকতা হারায়। আর মূল্যহীন কাজ করাও যা, না করাও তা। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো, শাস্ত্রকাররা পুজোর কাল নির্দেশ করেছেন পূর্বাহ্ণ পর্যন্ত। এই পূর্বাহ্ণ হল সূর্যোদয় থেকে সকাল ৯টা ২৭ মিনিট থেকে ৯টা ৩০ মিনিটের মধ্যে। একই কথা ঘুরেফিরে আসে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি কাজের ক্ষেত্রেই খাটে। এক কথায় সময়-এর কাজ সময়ের মধ্যেই করতে হবে। তবেই জীবন চলবে সুষ্ঠুভাবে। স্বচ্ছন্দ গতিতে। বিরামহীনতার মধ্য দিয়ে। বলা বাহুল্য, দ্রব্য বলতে জল সহ প্রতিটি আনুষঙ্গিক উপকরণের বিষয়ে শাস্ত্রকারদের এই নির্দেশিকা।
এখন আসি প্রয়োগের ব্যাপারে। এই জলের অপচয় রোধ বা জল সংরক্ষণ কীভাবে করা হবে। মূলত তিন দিনের এই পুজোয় যে বিপুল পরিমাণ জল ব্যবহার করা হয়, তার অনেকটা জুড়ে আছে মহাস্নানের জল। যা সপ্তমী মহাষ্টমী ও মহানবমী’র পুজোগুলিতে লাগে। যেটুকু জল খরচ না করলে এই মহাপুজো থমকে যাবে না, সেটুকু জলই আমরা খরচ করব। মহাস্নানের ক্ষেত্রে সম্মিলিতভাবে ১০৮ ঘড়া জলের প্রয়োগ আছে। তা বিশেষ ক্ষেত্রে অর্থাৎ জল সঙ্কটকালে ১০৮ ঘটিতে করা যাবে। আবার এমনও বলা হয়েছে, সময়ের অভাবে অর্থাৎ তিথিস্বল্পতায় একটি বড় গামলায় মহাস্নানের প্রত্যেক দ্রব্য এবং সংশ্লিষ্ট জল মিশিয়ে নিয়ে সেখানে একটি ঘটি ডুবিয়ে সেই এক ঘটি জলে মায়ের মহাস্নান সারতে হবে। অন্যান্য দ্রব্যের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে, ১৯৭৮ সালে ভয়াবহ বন্যার সময়ে সন্ধিপুজোয় বহু জায়গায় দেবীকে ১০৮টি পদ্মফুল দেওয়া যায়নি। কিন্তু পদ্ম শতদল হওয়ায় ১০৮টি পাপড়ি দিয়ে মাতৃআরাধনা হয়েছিল।
এখন দেখে নেওয়া যাক মায়ের মহাস্নানের সময় কোন কোন জল আমরা ব্যবহার করি। প্রথমে একঘটি ঈষদুষ্ণ জল বিল্বদন্তকাষ্ঠ দিয়ে মা দাঁত মাজবেন আর মুখ ধোবেন। এরপর পঞ্চামৃত, পঞ্চগব্য, পঞ্চকষায়, শিশিরের জল, আখের রস, ১০টি মাটি, বিষ্ণুতেল-তিল তেল, সর্বৌষধি-মহৌষধি, পঞ্চরত্ন মিশ্রিত জল, সাগরের জল, পদ্মরেণুজল, দুধ, মধু, অগুরু, চন্দন-কুঙ্কুম, বৃষ্টির জল ঝর্ণার জল, তাল ফলের জল ডাবের জল সপ্তসমুদ্রের জল সহস্রধারা দিয়ে বেয়ে পড়বে সপ্ত সমুদ্রের জল আর গঙ্গা প্রভৃতি সাতটি পুণ্যতোয়া নদীর জল, ঘট চতুষ্টয় এবং সবশেষে অষ্ট কলসের জল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উল্লেখিত জলরাশি আমরা সারা বছর ধরে সংগ্রহ করি। শাস্ত্রকারদের নির্দেশমতো যা আমরা বছরজুড়ে সংগ্রহ করে থাকি তা আসলে তো জল সংরক্ষণের বার্তাই বহন করে। তাই না। আপনারা কী বলেন? 
05th  October, 2019
এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
আচ্ছে দিন আনবে তুমি এমন শক্তিমান!
সন্দীপন বিশ্বাস

আমাদের সঙ্গে কলেজে পড়ত ঘন্টেশ্বর বর্ধন। ওর ঠাকুর্দারা ছিলেন জমিদার। আমরা শুনেছিলাম ওদের মাঠভরা শস্য, প্রচুর জমিজমা, পুকুরভরা মাছ, গোয়ালভরা গোরু, ধানভরা গোলা সবই ছিল। দেউড়িতে ঘণ্টা বাজত। ছিল দ্বাররক্ষী। কিন্তু এখন সে সবের নামগন্ধ নেই। ভাঙাচোরা বাড়ি আর একটা তালপুকুর ওদের জমিদারির সাক্ষ্য বহন করত। 
বিশদ

02nd  December, 2019
একনজরে
জম্মু, ৯ ডিসেম্বর (পিটিআই): কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর ফের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে গুলি চালাল পাক সেনা। সোমবার ভোর পৌনে চারটে নাগাদ জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে ভারতীয় সেনার চৌকি লক্ষ্য করে তারা গুলি চালায়। ...

সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চাঁচলে। এই সপ্তাহেই চাঁচলের খরবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। কলকাতার একটি নার্সিংহোমে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় তাঁর।  ...

তিরুবনন্তপুরম, ৯ ডিসেম্বর: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বিরাট কোহলি নিজের ব্যাটিং পজিশন ছেড়ে দিয়েছিলেন শিবম দুবেকে। তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগটা দারুণভাবে কাজে ...

অর্পণ সেনগুপ্ত, কলকাতা: স্কুলের কাছে ‘প্রায়র পারমিশন’ (পিপি) এসে পৌঁছনোর আগেই শিক্ষক পদপ্রার্থীদের হাতে তা চলে আসছে। আর তার প্রতিলিপি নিয়েই স্কুলে যোগ দিতে চলে আসছেন শিক্ষকরা। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই ঘটনা ঘটছে। বদলির আবেদন করা শিক্ষকদের হাতে এই পিপি ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস,
১৮৭০- ঐতিহাসিক যদুনাথ সরকারের জন্ম,
১৮৮৮- শহিদ প্রফুল্ল চাকীর জন্ম,
২০০১- অভিনেতা অশোককুমারের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৪৪ টাকা ৭২.১৪ টাকা
পাউন্ড ৯২.০৭ টাকা ৯৫.৩৭ টাকা
ইউরো ৭৭.৩৪ টাকা ৮০.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৫০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৬০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১১/২৬ দিবা ১০/৪৪। কৃত্তিকা ৫৯/২৯ শেষ রাত্রি ৫/৫৭। সূ উ ৬/৯/৩১, অ ৪/৪৮/৪৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫২ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৫ গতে ১১/৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/২৯ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৯/১৬ গতে ১১/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১/৪৩ গতে ৩/৩০ মধ্যে পুনঃ ৫/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৭/২৮ গতে ৮/৪৮ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৮ গতে ২/৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৮ গতে ৮/৮ মধ্যে। 
২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, ত্রয়োদশী ১০/২/৪৮ দিবা ১০/১২/৫। কৃত্তিকা ৬০/০/০ অহোরাত্র, সূ উ ৬/১০/৫৮, অ ৪/৪৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ৭/৪৫ গতে ১১/৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/২৯ মধ্যে ও ৯/২৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/৫২ গতে ৩/৩৯ মধ্যে ও ৫/২৭ গতে ৬/১২ মধ্যে, কালবেলা ১২/৪৯/৫৩ গতে ২/৯/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/২৯/২৬ গতে ৮/৯/৩৯ মধ্যে।
 
মোসলেম: ১২ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিধাননগরে বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন হবে অনলাইনে 
বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের কাজে গতি বাড়াতে ও প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ...বিশদ

08:55:00 AM

যাদবপুরে রোল শিট ৩ জানুয়ারি 
পড়ুয়াদের দাবি মেনে নির্বাচনের স্টুডেন্টস রোল শিট ৩ জানুয়ারিই দেবে ...বিশদ

08:50:00 AM

সুন্দরবনে ১৬টি সেতুর কাজ চলছে: মন্ত্রী 
সুন্দরবনে তিনটি সেতু তৈরি হয়ে গিয়েছে। আরও ১৬টি সেতুর নির্মাণকাজ ...বিশদ

08:45:00 AM

মানব উন্নয়ন সূচকে এক ধাপ এগিয়ে ১২৯তম স্থান দখল করল ভারত 
মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও এক ধাপ উঠে এল ভারত। চলতি বছরে ...বিশদ

08:40:00 AM

বিদেশ যাওয়ার অনুমতি রবার্ট ওয়াধেরাকে 
বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পেলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর জামাই রবার্ট ...বিশদ

08:39:49 AM

সিটুর আবেদনে সাড়া দিল না কোর্ট 
১১ ডিসেম্বর ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সমাবেশ করার অনুমতি পেল ...বিশদ

08:35:00 AM