Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে। নাম হয়ে যাচ্ছে বিক্ষোভ। বদহজমের রোগী বমি করার পর যেমন স্বস্তি বোধ করেন, ঠিক তেমনই ক্ষোভ উগরে দিয়ে পাবলিকও কিছুটা হালকা হচ্ছে। বমি আর ক্ষোভের দুর্গন্ধ মারাত্মক। টেকা দায়। অনেকের আবার অন্যের দেখে নিজের পেয়ে যায়। কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে এমন ভাব দেখাতে হয়, এ তো হতেই পারে। বিচক্ষণরা সেটাই করছেন। অনেকে আবার দুর্গন্ধের ভয়ে পোষ্যদের ঘেরাটোপে ‘জনসংযোগ’ সারছেন। গোছা গোছা ছবি পোস্ট করছেন। তবে, এই ‘জননেতা’দের উদ্ধার করার ক্ষমতা টিম পিকে কেন, স্বয়ং গোবিন্দেরও নেই। কিন্তু দুর্গন্ধ কোনওরকমে সহ্য করে হজমের দাওয়াই দিতে পারলেই ‘দিদিকে বলো’ তখন টনিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিপিএমের ‘নেগেটিভ’ ভোটের সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, ‘এই একবারই।’ তৃণমূলের দ্বিতীয়বারের ক্ষমতা দখল নিয়ে সন্দেহ ছিল দলের অনেক নেতা-কর্মীর মনেও। তাই পাঁচ বছর পর এলেবেলে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই প্রথম ইনিংসে খুল্লামখুল্লা খেলার সাহস পাননি। তখন সংগঠনও তেমন দানা বাঁধেনি। সিপিএমের ভূত তাড়া করছে। সবসময় কী হয়, কী হয় একটা ভাব।
ফলে নেতারা ছিলেন সংযত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রকল্পের দৌলতে লক্ষ লক্ষ বেনিফিসিয়ারি তৈরি করে ফেলায় ২০১৬ সালে তৃণমূল হই হই করে জিতে যায়। আর তারপরই নেতাদের ডানা গজানোর শুরু। ‘প্রোটিনে’ ভরপুর নেতাদের ডানার দ্রুত বৃদ্ধিতে নিজেরাই চমকে গেলেন। ভাবতে লাগলেন, আর বোধহয় মাটিতে নামতে হবে না। উড়ে উড়েই কেটে যাবে বাকি জীবনটা। কিন্তু পিকের হ্যাঁচকা টানে ওই ‘উড়নচণ্ডী’ নেতারা একে একে মাটিতে ল্যান্ডিং করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে ‘সফ্ট ল্যান্ডিং’ খুব কমই হচ্ছে। ‘হার্ড ল্যান্ডিং’ এর পর অনেকেরই ‘বিক্রম’-এর মতো দশা।
গাড়ি বা যে কোনও যন্ত্র বাজারে ছাড়ার আগে সমস্ত কিছু পরীক্ষার পর যেভাবে ‘টেস্টেড ওকে’ ছাপ মারা হয়, ঠিক সেভাবেই পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ২০২১ সালে মার্কেটে ছাড়ার আগে ‘পাবলিক ল্যাবরেটরি’তে টেস্টিং শুরু হয়েছে। সেই পরীক্ষা দিতে গিয়েই অনেকের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। কমোড ও এসিতে অভ্যস্ত জননেতাদের পক্ষে গ্রামে গিয়ে কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন যে কী ভয়ঙ্কর কষ্টের, তা অনেকেই টের পাচ্ছেন। কেউ মশার কামড় সহ্য করতে না পেরে বাড়ি বদল করছেন, কেউ আবার কর্মীর বাড়িতে কোনওরকমে রাতটা কাটিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই কমোডের সন্ধানে পাড়ি দিচ্ছেন। তবে বুদ্ধিমানদের ব্যাপারটা আলাদা, তাঁরা কিন্তু যাওয়ার আগে থেকেই পেট পরিষ্কারের প্রযুক্তির সন্ধান নিয়েই বেরচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার এক বিধায়ক তো ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে জোর বিপাকে পড়ে গিয়েছেন। ওই নেতা ভেবেছিলেন, চালাকির দ্বারাই মহৎ কাজটি সেরে ফেলবেন। কর্মীর বাড়িতে রাত্রিযাপন না করেই কর্মসূচি পালনের রিপোর্ট দিলেন। কিন্তু টিম খবর দিল, বিধায়ক বাড়িতেই ছিলেন। রিপোর্ট পেয়েই বিধায়ককে ফোন, যে বাড়িতে গিয়েছিলেন, সেই কর্মীর ফোন নম্বর দিন। বিধায়কের চটজলদি জবাব, ‘কর্মী খুবই গরিব, ফোন নেই।’ পাল্টা বলা হয়, ঠিকানা বলুন। তখন তো বিধায়কের ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’ অবস্থা। ভুল স্বীকার করে সে যাত্রায় রক্ষা পান।
ফুটবলের ময়দানে পিকের ভোকাল টনিক যেভাবে ঝিমিয়ে পড়া খেলোয়াড়দেরও তাতিয়ে তুলত, একইভাবে ভোটের মাঠের পিকেও টোটকা দিয়ে বেতোদের টাট্টু বানানোর চেষ্টা করছেন। পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়কের ধারণা, বিধানসভা ভোটের টিকিটে প্রশান্ত কিশোরের টিমের ভূমিকা থাকবে। তাই অনেক ‘বেতো’ ঘোড়াও ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি পালনের জন্য দৌড়চ্ছে।
এতদিন যাঁরা টিকিট বিলির আগে কলকাতায় ক্যাম্প করে থেকে নিজাম প্যালেসে, তৃণমূল ভবনে দাদা ধরতেন, এবার তাঁরা বুঝে গিয়েছেন, দিন বদলেছে, খেটে খেতে হবে। পাবলিক মৌমাছির মতো ছেঁকে ধরবে, হুল ফোটাবে বুঝেও এলাকায় যাচ্ছেন। অনেকের অবস্থা নাক টিপে, চোখ বুঝে খালি পেটে করলার রস খাওয়ার মতো। চোখের সামনে ভাসছে কয়লা, পাথর, বালি, বোল্ডার, আরও কত কিছু।
জনসংযোগ যাত্রায় সব চেয়ে বিপাকে পড়েছেন ‘ভাড়াটিয়া বিধায়করা’। যাঁরা জেলা শহরের বাসিন্দা হয়েও লবির জোরে গ্রামীণ এলাকার টিকিট জোগাড় করে বিধায়ক হয়েছেন। তাঁদের এক জায়গায় চাষ, অন্য জায়গায় বাস। ফলে জমির সঙ্গে তাঁদের তেমন সম্পর্ক নেই। এই সব বিধায়কের ভূমিকা অনেকটা জমি ভাগে দিয়ে ফসলের ভাগ নেওয়ার মতো। পৈত্রিকসূত্রে জমির মালিক হয়ে বসে আছেন, কিন্তু জমির আল মাড়ান না। তবে, ভাগের ফসল ঠিক ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র এলাকা দেখভালের জন্য একজন করে ভাগচাষি আছেন। তাঁদের সাদা পাজামা আর পাঞ্জাবিই সম্বল। পাশে পাবলিকের ‘প’ পর্যন্ত নেই। কিন্তু, তাঁরাই এলাকায় ছড়ি ঘোরান। দায়িত্ব পেয়েই দলের দক্ষ নেতাকে টাইট দিতে নেমে পড়েন। প্রশাসনিক সভায় তাঁরাই যান। বিধায়ক তহবিলের টাকা খরচের দায়িত্বও তাঁদের। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিনিধি এতটাই ‘পারদর্শী’ যে সরকার উন্নয়নের স্বার্থে টাকা দিলেও তা খরচ করতে পারেন না।
পিকের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বেশ কিছু ‘ভাড়াটে বিধায়ক’ বিপাকে পড়ছেন। শহরের ঝলমলে জীবন ছেড়ে অজ গাঁয়ে গিয়ে রাত কাটাতে হচ্ছে, প্রশ্নবাণে ক্ষতবিক্ষত হতে হচ্ছে। প্রশ্ন তো নয়, এক একটা যেন বুলেট। কাটমানি, তোলাবাজি থেকে কেন ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও জলের ব্যবস্থা হল না, কেন রাস্তায় আলো জ্বলল না, কেন বালি পাচার বন্ধ হচ্ছে না? এমন সব চোখা চোখা প্রশ্নে বিব্রত বহু বিধায়কের মুখে কেবল ‘জানতাম না তো, দেখছি... অ তাই বুঝি’ ছাড়া কোনও শব্দ বেরচ্ছে না।
অনেকেই বলছেন, ‘ভাড়াটে বিধায়ক’দের জন্য নৈশযাপন ও জনসংযোগ কর্মসূচি দ্বিগুণ করা হোক। কারণ তাঁরা প্রচারের সময় যেখান থেকে দাঁড়াচ্ছেন, সেই নির্বাচনী কেন্দ্রকে ‘সেকেন্ড হোম’ বলে দাবি করে থাকেন। সেই কেন্দ্রে বাড়ি ভাড়া করে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলছে, জেতার পর অধিকাংশ বিধায়কই দলীয় কর্মসূচি ছাড়া সেখানে পা রাখেন না। তাই এবার লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র কেন্দ্রেই তৃণমূলের বেশি বিপর্যয় ঘটেছে।
তবে, যাঁরা নিয়মিত নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, তাঁদের কাছে ‘দিদিকে বলো’ আর্শীবাদের কাজ করছে। এলাকার লোকজন বিধায়ককে ছোটখাটো সমস্যার কথা বলতে পারছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যার চটজলদি সমাধানও হয়ে যাচ্ছে। হুগলি জেলার এক বিধায়ক জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে আদিবাসী পাড়ায় রাত কাটানোর সময় শুনলেন, এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করেও কার্ড পাননি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, তিন মাস আগে তাঁর রেশনকার্ড বিডিও অফিসে এসে পড়ে রয়েছে। দু’দিনের মধ্যে তাঁর কাছে কার্ড পৌঁছে যাওয়ায় তিনি ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির গুণকীর্তন করে বেড়াচ্ছেন।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির একটা বিষয় কিন্তু নেতাদের বেশ ভাবাচ্ছে। ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিও জানাচ্ছেন। অধিকাংশ বিধায়কই তাঁদের দাবি লিখে নিচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে বিধায়করা অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। সেই বিধায়করা তাঁদের দাবি ও নামঠিকানা লিখে নেওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, এবার সমস্যার সমাধান হবে। তাই এই সব দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কেউ কেউ নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে সুফল পেয়েছেন। আর সেসব ঘটনা ফলাও করে প্রচার হওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, ‘দিদিকে বলো’ হল মুশকিল আসান। একবার ফোন লাগাতে পারলেই কাজ হাসিল। ‘দিদিকে বলো’ মানুষের মধ্যে কেমন প্রভাব ফেলেছে, তা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলে কিছুটা বোঝা যাবে।
কয়েকদিন আগে পরিচিত অবসরপ্রাপ্ত এক অধ্যাপিকা ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর জানতে চাইলেন। তাঁর গলায় উৎকণ্ঠার ছাপ স্পষ্ট। তিনি বললেন, তাঁর পরিচিত কলকাতার এক বৃদ্ধাকে ছেলে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ওই বৃদ্ধা নিরুপায় হয়ে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে এলাকায় শাসক দলের দাপুটে নেতা। তাই পুলিস পাত্তা দিচ্ছে না। খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটছে। তাই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করতে চান।
উপেক্ষা আর অবহেলায় অভ্যস্ত মানুষজন অনেকেই প্রতিকারের আশায় ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করছেন। কর্মসূচি শুরুর একদিনের মধ্যে প্রায় এক লক্ষ ফোনকল প্রমাণ করে, এখনও মমতা নামটির উপর মানুষের ভরসা রয়েছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, দিদির কানে পৌঁছে দিতে পারলেই সুরাহা মিলবে। কেউ কেউ হয়তো ফোন করে প্রতিকারও পাচ্ছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়। এটা একটা কর্মসূচি। জনগণের রায়ে নির্বাচিতদের মানুষের মুখোমুখি করানোর কর্মসূচি। প্রশান্ত কিশোর হয়তো উপলব্ধি
করেছেন, বিধায়কদের জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলেই, ভোট ফিরবে তৃণমূলে। তাই বেড়ে যাওয়া ডানা ছেঁটে মাটিতে নামিয়ে আনার চেষ্টা। কারণ ঘাসফুল ফোটে মাটিতেই। 
05th  October, 2019
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
ছুটি শব্দটাই আজ অর্থহীন, মনের অসুখ ডেকে আনছে লকডাউন, প্রবীণদের সঙ্কট আরও তীব্র
হিমাংশু সিংহ

যে বাঙালি ছুটি পাগল, সেও দু’মাস ঘরে থেকে আজ যে-কোনও মূল্যে কাজে যোগ দিতে মরিয়া। লকডাউন যে কাজের সঙ্গে ছুটির রসায়নটাকেও এভাবে রাতারাতি বদলে দেবে, কারও কল্পনাতেও ছিল না। রবিবারের আলাদা কোনও গুরুত্ব নেই। লোকে বার ভুলে সবদিনকেই আজ শুধু লকডাউন বলে চিহ্নিত করছে। চার দেওয়ালের শৃঙ্খল আর ভালো লাগছে না কারও।
বিশদ

17th  May, 2020
এমনটা তো হওয়ার ছিল না
তন্ময় মল্লিক

 একটু বেশি রোজগারের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন মালদহের রাজেশ মাহাত। গিয়েছিলেন ওড়িশায়। কিন্তু, ঘর তৈরির কাজে হাত দেওয়ার আগেই লকডাউন। রাজেশের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল। বুঝেছিলেন, সেখানে থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।
বিশদ

16th  May, 2020
জানা অজানার রাষ্ট্র
সমৃদ্ধ দত্ত

রাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, প্রত্যেক দেশবাসীকে আরোগ্য সেতু অ্যাপ মোবাইলে ডাউনলোড করতে হবে। আরোগ্য সেতু অ্যাপ না থাকলে ট্রেনে যাত্রা করতে দেওয়া হবে না। বিমানে উঠতে দেওয়া হবে না। অ্যাপ ডাউনলোড করা যায় কোন ফোনে? স্মার্ট ফোনে।
বিশদ

15th  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: সুপার সাইক্লোনের পাঁচ দিন পরেও বরানগর, কামারহাটি, পানিহাটির একাধিক ওয়ার্ড জলমগ্ন। পুরসভার কর্তারা জানাচ্ছেন, বাগজোলা খাল পরিপূর্ণ থাকায় বরানগর ও কামারহাটির ওয়ার্ডগুলি থেকে জল নামতে সময় লাগছে।  ...

নয়াদিল্লি, ২৫ মে: সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেও চলছে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার প্রস্তুতি। তার অংশ হিসেবে করোনা মহামারী মোকাবিলায় সারা দেশের সামনে চারটি শহরকে সম্ভাব্য রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরল কেন্দ্রীয় সরকার।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: হ্যাকারদের কাজে লাগিয়ে করোনা-ভ্যাকসিনের ফর্মুলা হাতাতে মরিয়া চীন। খোদ ইন্টারপোল এই তথ্য জানিয়েছে এদেশের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআইকে। এটা জানার পরই সিবিআই সতর্ক করেছে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে নিয়োজিত গবেষণাগারগুলিকে।   ...

সংবাদদাতা, কান্দি: সোমবার সকালে খড়গ্রাম থানার পুড্ডা গ্রামের মাঠে ধান কাটতে যাওয়ার সময় বাইকের ধাক্কায় মারাত্মকভাবে জখম হলেন এক চাষি। দুর্ঘটনার পর বছর ৪০-এর জখম চাষি গোপাল মণ্ডলকে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর নিয়ে চিন্তায় থাকতে হবে। মাথা ও কোমরে সমস্যা হতে পারে। উপার্জন ভাগ্য শুভ নয়। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৮৯ টাকা ৭৪.৮৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.৮৮ টাকা ৯০.৮৮ টাকা
ইউরো ৯০.৮৮ টাকা ৮৪.৩৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  May, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া ৫০/৫৪ রাত্রি ১/১৯। মৃগশিরানক্ষত্র ৩/২ প্রাতঃ ৬/১০। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৫৮, সূর্যাস্ত ৬/১০/৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/২৮ গতে ১০/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৯/২ গতে ১১/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/২১ গতে ২/৪৭ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ২/৫২ গতে ৪/৩২ মধ্যে । কালরাত্রি ১০/১২ গতে ১১/৩৩ মধ্যে।  
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৫ মে ২০২০, সোমবার, তৃতীয়া রাত্রি ১২/০। মৃগশিরানক্ষত্র প্রাতঃ৫/৩৩। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১২। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩০গতে ১০/১৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/৮ গতে ১১/৫৮ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫০ মধ্যে। কালবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে ও ২/৫৩ গতে ৪/৩৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৩৪ মধ্যে।  
১ শওয়াল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাস্টমার সার্ভিসে আমাদের সুনাম রয়েছে: সিইএসসি 

04:46:27 PM

যে কোনও দুর্যোগেই সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়: সিইএসসি 

04:44:16 PM

আজ মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূমে বৃষ্টির সম্ভাবনা 

04:44:00 PM

পুরসভার সঙ্গে সমন্বয়ের সমস্যা নেই: সিইএসসি 

04:43:40 PM

প্রায় ১৫০টি টিম কাজ করছে: সিইএসসি 

04:41:27 PM

বেহালা, সার্ভে পার্কে কাজ চলছে: সিইএসসি 

04:38:08 PM