Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে। নাম হয়ে যাচ্ছে বিক্ষোভ। বদহজমের রোগী বমি করার পর যেমন স্বস্তি বোধ করেন, ঠিক তেমনই ক্ষোভ উগরে দিয়ে পাবলিকও কিছুটা হালকা হচ্ছে। বমি আর ক্ষোভের দুর্গন্ধ মারাত্মক। টেকা দায়। অনেকের আবার অন্যের দেখে নিজের পেয়ে যায়। কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে এমন ভাব দেখাতে হয়, এ তো হতেই পারে। বিচক্ষণরা সেটাই করছেন। অনেকে আবার দুর্গন্ধের ভয়ে পোষ্যদের ঘেরাটোপে ‘জনসংযোগ’ সারছেন। গোছা গোছা ছবি পোস্ট করছেন। তবে, এই ‘জননেতা’দের উদ্ধার করার ক্ষমতা টিম পিকে কেন, স্বয়ং গোবিন্দেরও নেই। কিন্তু দুর্গন্ধ কোনওরকমে সহ্য করে হজমের দাওয়াই দিতে পারলেই ‘দিদিকে বলো’ তখন টনিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিপিএমের ‘নেগেটিভ’ ভোটের সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, ‘এই একবারই।’ তৃণমূলের দ্বিতীয়বারের ক্ষমতা দখল নিয়ে সন্দেহ ছিল দলের অনেক নেতা-কর্মীর মনেও। তাই পাঁচ বছর পর এলেবেলে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই প্রথম ইনিংসে খুল্লামখুল্লা খেলার সাহস পাননি। তখন সংগঠনও তেমন দানা বাঁধেনি। সিপিএমের ভূত তাড়া করছে। সবসময় কী হয়, কী হয় একটা ভাব।
ফলে নেতারা ছিলেন সংযত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রকল্পের দৌলতে লক্ষ লক্ষ বেনিফিসিয়ারি তৈরি করে ফেলায় ২০১৬ সালে তৃণমূল হই হই করে জিতে যায়। আর তারপরই নেতাদের ডানা গজানোর শুরু। ‘প্রোটিনে’ ভরপুর নেতাদের ডানার দ্রুত বৃদ্ধিতে নিজেরাই চমকে গেলেন। ভাবতে লাগলেন, আর বোধহয় মাটিতে নামতে হবে না। উড়ে উড়েই কেটে যাবে বাকি জীবনটা। কিন্তু পিকের হ্যাঁচকা টানে ওই ‘উড়নচণ্ডী’ নেতারা একে একে মাটিতে ল্যান্ডিং করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে ‘সফ্ট ল্যান্ডিং’ খুব কমই হচ্ছে। ‘হার্ড ল্যান্ডিং’ এর পর অনেকেরই ‘বিক্রম’-এর মতো দশা।
গাড়ি বা যে কোনও যন্ত্র বাজারে ছাড়ার আগে সমস্ত কিছু পরীক্ষার পর যেভাবে ‘টেস্টেড ওকে’ ছাপ মারা হয়, ঠিক সেভাবেই পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ২০২১ সালে মার্কেটে ছাড়ার আগে ‘পাবলিক ল্যাবরেটরি’তে টেস্টিং শুরু হয়েছে। সেই পরীক্ষা দিতে গিয়েই অনেকের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। কমোড ও এসিতে অভ্যস্ত জননেতাদের পক্ষে গ্রামে গিয়ে কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন যে কী ভয়ঙ্কর কষ্টের, তা অনেকেই টের পাচ্ছেন। কেউ মশার কামড় সহ্য করতে না পেরে বাড়ি বদল করছেন, কেউ আবার কর্মীর বাড়িতে কোনওরকমে রাতটা কাটিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই কমোডের সন্ধানে পাড়ি দিচ্ছেন। তবে বুদ্ধিমানদের ব্যাপারটা আলাদা, তাঁরা কিন্তু যাওয়ার আগে থেকেই পেট পরিষ্কারের প্রযুক্তির সন্ধান নিয়েই বেরচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার এক বিধায়ক তো ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে জোর বিপাকে পড়ে গিয়েছেন। ওই নেতা ভেবেছিলেন, চালাকির দ্বারাই মহৎ কাজটি সেরে ফেলবেন। কর্মীর বাড়িতে রাত্রিযাপন না করেই কর্মসূচি পালনের রিপোর্ট দিলেন। কিন্তু টিম খবর দিল, বিধায়ক বাড়িতেই ছিলেন। রিপোর্ট পেয়েই বিধায়ককে ফোন, যে বাড়িতে গিয়েছিলেন, সেই কর্মীর ফোন নম্বর দিন। বিধায়কের চটজলদি জবাব, ‘কর্মী খুবই গরিব, ফোন নেই।’ পাল্টা বলা হয়, ঠিকানা বলুন। তখন তো বিধায়কের ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’ অবস্থা। ভুল স্বীকার করে সে যাত্রায় রক্ষা পান।
ফুটবলের ময়দানে পিকের ভোকাল টনিক যেভাবে ঝিমিয়ে পড়া খেলোয়াড়দেরও তাতিয়ে তুলত, একইভাবে ভোটের মাঠের পিকেও টোটকা দিয়ে বেতোদের টাট্টু বানানোর চেষ্টা করছেন। পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়কের ধারণা, বিধানসভা ভোটের টিকিটে প্রশান্ত কিশোরের টিমের ভূমিকা থাকবে। তাই অনেক ‘বেতো’ ঘোড়াও ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি পালনের জন্য দৌড়চ্ছে।
এতদিন যাঁরা টিকিট বিলির আগে কলকাতায় ক্যাম্প করে থেকে নিজাম প্যালেসে, তৃণমূল ভবনে দাদা ধরতেন, এবার তাঁরা বুঝে গিয়েছেন, দিন বদলেছে, খেটে খেতে হবে। পাবলিক মৌমাছির মতো ছেঁকে ধরবে, হুল ফোটাবে বুঝেও এলাকায় যাচ্ছেন। অনেকের অবস্থা নাক টিপে, চোখ বুঝে খালি পেটে করলার রস খাওয়ার মতো। চোখের সামনে ভাসছে কয়লা, পাথর, বালি, বোল্ডার, আরও কত কিছু।
জনসংযোগ যাত্রায় সব চেয়ে বিপাকে পড়েছেন ‘ভাড়াটিয়া বিধায়করা’। যাঁরা জেলা শহরের বাসিন্দা হয়েও লবির জোরে গ্রামীণ এলাকার টিকিট জোগাড় করে বিধায়ক হয়েছেন। তাঁদের এক জায়গায় চাষ, অন্য জায়গায় বাস। ফলে জমির সঙ্গে তাঁদের তেমন সম্পর্ক নেই। এই সব বিধায়কের ভূমিকা অনেকটা জমি ভাগে দিয়ে ফসলের ভাগ নেওয়ার মতো। পৈত্রিকসূত্রে জমির মালিক হয়ে বসে আছেন, কিন্তু জমির আল মাড়ান না। তবে, ভাগের ফসল ঠিক ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র এলাকা দেখভালের জন্য একজন করে ভাগচাষি আছেন। তাঁদের সাদা পাজামা আর পাঞ্জাবিই সম্বল। পাশে পাবলিকের ‘প’ পর্যন্ত নেই। কিন্তু, তাঁরাই এলাকায় ছড়ি ঘোরান। দায়িত্ব পেয়েই দলের দক্ষ নেতাকে টাইট দিতে নেমে পড়েন। প্রশাসনিক সভায় তাঁরাই যান। বিধায়ক তহবিলের টাকা খরচের দায়িত্বও তাঁদের। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিনিধি এতটাই ‘পারদর্শী’ যে সরকার উন্নয়নের স্বার্থে টাকা দিলেও তা খরচ করতে পারেন না।
পিকের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বেশ কিছু ‘ভাড়াটে বিধায়ক’ বিপাকে পড়ছেন। শহরের ঝলমলে জীবন ছেড়ে অজ গাঁয়ে গিয়ে রাত কাটাতে হচ্ছে, প্রশ্নবাণে ক্ষতবিক্ষত হতে হচ্ছে। প্রশ্ন তো নয়, এক একটা যেন বুলেট। কাটমানি, তোলাবাজি থেকে কেন ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও জলের ব্যবস্থা হল না, কেন রাস্তায় আলো জ্বলল না, কেন বালি পাচার বন্ধ হচ্ছে না? এমন সব চোখা চোখা প্রশ্নে বিব্রত বহু বিধায়কের মুখে কেবল ‘জানতাম না তো, দেখছি... অ তাই বুঝি’ ছাড়া কোনও শব্দ বেরচ্ছে না।
অনেকেই বলছেন, ‘ভাড়াটে বিধায়ক’দের জন্য নৈশযাপন ও জনসংযোগ কর্মসূচি দ্বিগুণ করা হোক। কারণ তাঁরা প্রচারের সময় যেখান থেকে দাঁড়াচ্ছেন, সেই নির্বাচনী কেন্দ্রকে ‘সেকেন্ড হোম’ বলে দাবি করে থাকেন। সেই কেন্দ্রে বাড়ি ভাড়া করে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলছে, জেতার পর অধিকাংশ বিধায়কই দলীয় কর্মসূচি ছাড়া সেখানে পা রাখেন না। তাই এবার লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র কেন্দ্রেই তৃণমূলের বেশি বিপর্যয় ঘটেছে।
তবে, যাঁরা নিয়মিত নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, তাঁদের কাছে ‘দিদিকে বলো’ আর্শীবাদের কাজ করছে। এলাকার লোকজন বিধায়ককে ছোটখাটো সমস্যার কথা বলতে পারছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যার চটজলদি সমাধানও হয়ে যাচ্ছে। হুগলি জেলার এক বিধায়ক জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে আদিবাসী পাড়ায় রাত কাটানোর সময় শুনলেন, এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করেও কার্ড পাননি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, তিন মাস আগে তাঁর রেশনকার্ড বিডিও অফিসে এসে পড়ে রয়েছে। দু’দিনের মধ্যে তাঁর কাছে কার্ড পৌঁছে যাওয়ায় তিনি ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির গুণকীর্তন করে বেড়াচ্ছেন।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির একটা বিষয় কিন্তু নেতাদের বেশ ভাবাচ্ছে। ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিও জানাচ্ছেন। অধিকাংশ বিধায়কই তাঁদের দাবি লিখে নিচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে বিধায়করা অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। সেই বিধায়করা তাঁদের দাবি ও নামঠিকানা লিখে নেওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, এবার সমস্যার সমাধান হবে। তাই এই সব দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কেউ কেউ নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে সুফল পেয়েছেন। আর সেসব ঘটনা ফলাও করে প্রচার হওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, ‘দিদিকে বলো’ হল মুশকিল আসান। একবার ফোন লাগাতে পারলেই কাজ হাসিল। ‘দিদিকে বলো’ মানুষের মধ্যে কেমন প্রভাব ফেলেছে, তা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলে কিছুটা বোঝা যাবে।
কয়েকদিন আগে পরিচিত অবসরপ্রাপ্ত এক অধ্যাপিকা ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর জানতে চাইলেন। তাঁর গলায় উৎকণ্ঠার ছাপ স্পষ্ট। তিনি বললেন, তাঁর পরিচিত কলকাতার এক বৃদ্ধাকে ছেলে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ওই বৃদ্ধা নিরুপায় হয়ে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে এলাকায় শাসক দলের দাপুটে নেতা। তাই পুলিস পাত্তা দিচ্ছে না। খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটছে। তাই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করতে চান।
উপেক্ষা আর অবহেলায় অভ্যস্ত মানুষজন অনেকেই প্রতিকারের আশায় ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করছেন। কর্মসূচি শুরুর একদিনের মধ্যে প্রায় এক লক্ষ ফোনকল প্রমাণ করে, এখনও মমতা নামটির উপর মানুষের ভরসা রয়েছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, দিদির কানে পৌঁছে দিতে পারলেই সুরাহা মিলবে। কেউ কেউ হয়তো ফোন করে প্রতিকারও পাচ্ছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়। এটা একটা কর্মসূচি। জনগণের রায়ে নির্বাচিতদের মানুষের মুখোমুখি করানোর কর্মসূচি। প্রশান্ত কিশোর হয়তো উপলব্ধি
করেছেন, বিধায়কদের জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলেই, ভোট ফিরবে তৃণমূলে। তাই বেড়ে যাওয়া ডানা ছেঁটে মাটিতে নামিয়ে আনার চেষ্টা। কারণ ঘাসফুল ফোটে মাটিতেই। 
05th  October, 2019
বিশ্ববাজারে ক্ষমতা হারাচ্ছে চীন
মৃণালকান্তি দাস

গত বছর গোটা দুনিয়ার অর্থনীতিকেই ধাক্কা দিয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শুল্ক-যুদ্ধ। যার প্রভাবে বিভিন্ন দেশে বৃদ্ধির হার কমেছে। এরই সঙ্গে ইউরোপে যোগ হয়েছিল ব্রেক্সিট ঘিরে অনিশ্চয়তা।  
বিশদ

পদবি বনাম ব্যক্তি, কংগ্রেসের নেতৃত্ব সঙ্কট
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 তিনমূর্তি ভবনে শায়িত নিথর শরীরটা। পাশে দাঁড়িয়ে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোর। নিষ্প্রাণ মুখটার দিকে তাকিয়ে স্থির হয়ে রয়েছে তার চোখ দুটো। ভবনের পরিবেশ ভারী হতে হতে প্রায় দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা... ছেলেটি তার মৃত ঠাকুমার ভিজে গাল সবার অলক্ষে পরিষ্কার করে দিল।
বিশদ

25th  February, 2020
ঈশ্বরদর্শনে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের অষ্টমার্গ
বাবুলাল দাস

ঈশ্বরে মন এলে ক্রমে বুদ্ধি সুপথে পরিচালিত হয়। মন শুদ্ধ হয়ে ওঠে। শুদ্ধ মনে সদা শান্তি বিরাজ করে। শান্ত মনে ঈশ্বর অনুভব হয়। এসব কেবল শাস্ত্রেরই কথা নয়। এটিই অতি বাস্তব সত্য। শ্রীরামকৃষ্ণ তা হাতেকলমে দেখিয়ে দিয়েছেন। সংসারে থেকে নানান প্রলোভনে পড়ে আমরা তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হই। শুদ্ধ মন কী জিনিস বুঝি না। তাই এত গোল। এত কষ্ট। ঠাকুর উপায় বলে দিলেন। একহাতে সংসার ধরো, অন্য হাতে ঈশ্বর।
বিশদ

25th  February, 2020
কুকথায় পঞ্চমুখ, কণ্ঠভরা বিষ ...
সন্দীপন বিশ্বাস

আচ্ছা, দুধ থেকে কি করোনা ভাইরাসের আশঙ্কা থাকে?
আচমকা শিবের প্রশ্নে একটু থতমত খেয়ে যান পার্বতী। একটু থেমে বলেন, এমন কথা বলছো কেন?  বিশদ

24th  February, 2020
মোদি সরকারের সবকিছুই জাতীয় স্বার্থে আর তার তালিকাটিও শেষ হওয়ার নয়
পি চিদম্বরম

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি বারাণসীতে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করার প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, ‘‘এই সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন ছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা এই সিদ্ধান্তগুলির পক্ষে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।’’ 
বিশদ

24th  February, 2020
রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে পুরভোট কার্যত সেমিফাইনাল
হিমাংশু সিংহ

মাত্র এক বছর পরেই বিধানসভার ভোট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে পরপর তিনবার বাংলায় ক্ষমতা দখলের সুবর্ণ সুযোগ। এই অবস্থায় শাসক তৃণমূলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের উচিত সংযত থাকা। সেইসঙ্গে গণ্ডগোল, রক্তপাত এড়ানোর সবরকম চেষ্টা করা। তাহলেই এরাজ্যের মানুষ আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্দ্বিধায় আরও একবার দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবেন।
বিশদ

23rd  February, 2020
প্রার্থী নির্বাচনে সাহসী হলে পুরভোটে লাভ পাবে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস
তন্ময় মল্লিক

নির্বাচন মানেই পরীক্ষা। রাজনৈতিক দলের পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষা পুরসভা বা পঞ্চায়েতের হলে বিষয়বস্তু হয় উন্নয়ন, পরিষেবা ও সমস্যা। কিন্তু, এই ধরনের পরীক্ষায় ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ প্রার্থীর মুখ। আর এবার পুরভোটে তৃণমূলের কাছে প্রার্থী নির্বাচনই অগ্নিপরীক্ষা। তার জন্য তৃণমূল সহ রাজ্যবাসী তাকিয়ে আছে টিম পিকের দিকে।  
বিশদ

22nd  February, 2020
বিশ্বাসের অভাব
সমৃদ্ধ দত্ত

 বিগত তিন বছর ধরে ভারতের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ নিজেদের সঞ্চয়ের টাকা জমা রাখছে বেসরকারি ব্যাঙ্কে। সরকারি তথা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কে নয়। দেশের আটটি সরকারি এবং আটটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট বিশ্লেষণ করে এই তথ্য জানা গিয়েছে। যার ফলশ্রুতি হল সরকারি ব্যাঙ্কে যে টাকা জমা রয়েছে তার সিংহভাগই আগে থেকে জমা হয়ে থাকা ফিক্সড ডিপোজিট।
বিশদ

21st  February, 2020
মুখ চাই মুখ
মেরুনীল দাশগুপ্ত

মুখ হয়তো অনেক আছে। কিন্তু, ঠিক সেই মুখটির দেখা এখনও মেলেনি। কোন মুখটি? যে মুখটি সৌজন্যে পরাক্রমে রাজনৈতিক কূটকৌশলে এবং অবশ্যই জনপ্রীতিতে পাল্লা দিতে পারে বাংলার একচ্ছত্র নেত্রীকে, ২০২১ বিধানসভার রণাঙ্গনে ছুঁড়ে দিতে পারে চ্যালেঞ্জ, জাগাতে পারে আর এক মহাবিজয়ের সম্ভাবনা। সেই মুখ কোথায় পদ্মশিবিরে? 
বিশদ

20th  February, 2020
বিপুল অভ্যর্থনা পেয়ে বিশ্বজয়ী বিবেকানন্দ
কলকাতায় বলেন, এ ঠাকুরেরই ‌জয়জয়কার
হারাধন চৌধুরী

ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলেছিলেন, ‘‘নরেন শিক্ষে দেবে।’’ ঠাকুরের কথা ফলিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর মানসপুত্রটি বেছে নিয়েছিলেন পাশ্চাত্যের মাটি। কারণ, যে-কোনও জিনিস পাশ্চাত্যের মানুষ গ্রহণ করার পরেই যে ভারতের মানুষ তা গ্রহণে অভ্যস্ত! স্বামী বিবেকানন্দের সামনে সেই সুযোগ এনে দিয়েছিল শিকাগো বিশ্ব ধর্ম মহাসভা।
বিশদ

19th  February, 2020
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

18th  February, 2020
টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে সেগুলির মধ্যে কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: নেটে ব্যাট করতে ঢোকার আগে বাংলার ক্যাপ্টেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ একটা কাগজ ভিডিও অ্যানালিস্টের হাতে তুলে দিয়ে বললেন, ‘চোখ বুলিয়ে নাও। পরে এই ...

স্বার্ণিক দাস  কলকাতা: ‘ভাই তোকে আমি বিয়ের কার্ডটা হোয়াটসঅ্যাপ করে দিয়েছি। খরচ করে আর কার্ড বানাইনি। ঠিক সময়ে চলে আসিস।’- এইভাবেই নিজের বিয়ের নিমন্ত্রণ ...

মুম্বই, ২৭ ফেব্রুয়ারি (পিটিআই): ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে বিশেষ এনআইএ আদালতে হাজিরা দিলেন বিজেপি এমপি প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর। এদিন দুপুর ১টা নাগাদ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কর্মযোগে বিলম্ব ঘটবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে কর্মযোগ আছে। ব্যবসায় যোগ দেওয়া যেতে পারে। কোনও বন্ধুর ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

জাতীয় বিজ্ঞান দিবস
১৮২৭: আমেরিকায় প্রথম বাণিজ্যিক রেলপথ চালু হয়
১৮৪৪: বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব গিরিশচন্দ্র ঘোষের জন্ম
১৮৮৩: ভারতে প্রথম টেলিগ্রাফ চালু হয়
১৯২৮: ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন-এর ‘রামন এফেক্ট’ আবিষ্কার
১৯৩৬: জওহরলাল-পত্নী কমলা নেহরুর মৃত্যু
১৯৪৪: সঙ্গীতকার রবীন্দ্র জৈনের জন্ম
১৯৪৮ - ব্রিটিশ সৈন্যদের শেষ দল ভারত ত্যাগ করে
১৯৫১: ক্রিকেটার কারসন ঘাউড়ির জন্ম
১৯৬৩: ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ডঃ রাজেন্দ্রপ্রসাদের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৬ টাকা ৯৪.২৩ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৯ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৩,১৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪০,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪১,৫৪০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৭,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, (ফাল্গুন শুক্লপক্ষ) চতুর্থী। অশ্বিনী ৫৪/৫৮ রাত্রি ৪/৩। সূ উ ৬/৩/২৭, অ ৫/৩৫/১৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৮/২২ গতে ১০/৪২ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৯ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৪৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে পুনঃ ৪/১ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/১৩ গতে ৮/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৫ গতে ৪/২৪ মধ্যে বারবেলা ৮/৫৬ গতে ১১/৪৯ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২ গতে ১০/১৫ মধ্যে। 
১৪ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, পঞ্চমী, অশ্বিনী ৪৮/১৯/৪৪ রাত্রি ১/২৬/১৫। সূ উ ৬/৬/২১, অ ৫/৩৪/৪০। অমৃতযোগ দিবা ৭/২৯ মধ্যে ও ৮/১৬ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৮ গতে ২/৩১ মধ্যে ৪/৫ গতে ৫/৩৫ মধ্যে
এবং রাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৫৫ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৪/১৭ মধ্যে। কালবেলা ১০/২৪/২৮ গতে ১১/৫০/৩০
মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৪২/৩৫ গতে ১০/১৬/৩৩ মধ্যে। 
মোসলেম: ৩ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এসএসকেএম থেকে ছাড়া পেল পোলবা দুর্ঘটনায় জখম দিব্যাংশ ভকত 

27-02-2020 - 07:08:00 PM

দিল্লি হিংসার ঘটনায় দুটি সিট গঠন করল ক্রাইম ব্রাঞ্চ 

27-02-2020 - 06:49:02 PM

১৪৩ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

27-02-2020 - 04:08:26 PM

জলপাইগুড়িতে ২১০ কেজি গাঁজা সহ ধৃত ৩ 

27-02-2020 - 03:39:45 PM

পুরভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে হবে, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্দেশ রাজ্যপাল 
পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও প্রশাসনিক তৎপরতা তুঙ্গে। এরমধ্যেই রাজ্য ...বিশদ

27-02-2020 - 01:25:00 PM

লেকটাউনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিং থেকে পড়ে মৃত শ্রমিক 

27-02-2020 - 01:10:00 PM