Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে। নাম হয়ে যাচ্ছে বিক্ষোভ। বদহজমের রোগী বমি করার পর যেমন স্বস্তি বোধ করেন, ঠিক তেমনই ক্ষোভ উগরে দিয়ে পাবলিকও কিছুটা হালকা হচ্ছে। বমি আর ক্ষোভের দুর্গন্ধ মারাত্মক। টেকা দায়। অনেকের আবার অন্যের দেখে নিজের পেয়ে যায়। কিন্তু ভদ্রতার খাতিরে এমন ভাব দেখাতে হয়, এ তো হতেই পারে। বিচক্ষণরা সেটাই করছেন। অনেকে আবার দুর্গন্ধের ভয়ে পোষ্যদের ঘেরাটোপে ‘জনসংযোগ’ সারছেন। গোছা গোছা ছবি পোস্ট করছেন। তবে, এই ‘জননেতা’দের উদ্ধার করার ক্ষমতা টিম পিকে কেন, স্বয়ং গোবিন্দেরও নেই। কিন্তু দুর্গন্ধ কোনওরকমে সহ্য করে হজমের দাওয়াই দিতে পারলেই ‘দিদিকে বলো’ তখন টনিক।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সিপিএমের ‘নেগেটিভ’ ভোটের সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেছিলেন। অনেকেই বলেছিলেন, ‘এই একবারই।’ তৃণমূলের দ্বিতীয়বারের ক্ষমতা দখল নিয়ে সন্দেহ ছিল দলের অনেক নেতা-কর্মীর মনেও। তাই পাঁচ বছর পর এলেবেলে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় অনেকেই প্রথম ইনিংসে খুল্লামখুল্লা খেলার সাহস পাননি। তখন সংগঠনও তেমন দানা বাঁধেনি। সিপিএমের ভূত তাড়া করছে। সবসময় কী হয়, কী হয় একটা ভাব।
ফলে নেতারা ছিলেন সংযত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রকল্পের দৌলতে লক্ষ লক্ষ বেনিফিসিয়ারি তৈরি করে ফেলায় ২০১৬ সালে তৃণমূল হই হই করে জিতে যায়। আর তারপরই নেতাদের ডানা গজানোর শুরু। ‘প্রোটিনে’ ভরপুর নেতাদের ডানার দ্রুত বৃদ্ধিতে নিজেরাই চমকে গেলেন। ভাবতে লাগলেন, আর বোধহয় মাটিতে নামতে হবে না। উড়ে উড়েই কেটে যাবে বাকি জীবনটা। কিন্তু পিকের হ্যাঁচকা টানে ওই ‘উড়নচণ্ডী’ নেতারা একে একে মাটিতে ল্যান্ডিং করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে ‘সফ্ট ল্যান্ডিং’ খুব কমই হচ্ছে। ‘হার্ড ল্যান্ডিং’ এর পর অনেকেরই ‘বিক্রম’-এর মতো দশা।
গাড়ি বা যে কোনও যন্ত্র বাজারে ছাড়ার আগে সমস্ত কিছু পরীক্ষার পর যেভাবে ‘টেস্টেড ওকে’ ছাপ মারা হয়, ঠিক সেভাবেই পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। ২০২১ সালে মার্কেটে ছাড়ার আগে ‘পাবলিক ল্যাবরেটরি’তে টেস্টিং শুরু হয়েছে। সেই পরীক্ষা দিতে গিয়েই অনেকের ত্রাহি মধুসূদন অবস্থা। কমোড ও এসিতে অভ্যস্ত জননেতাদের পক্ষে গ্রামে গিয়ে কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন যে কী ভয়ঙ্কর কষ্টের, তা অনেকেই টের পাচ্ছেন। কেউ মশার কামড় সহ্য করতে না পেরে বাড়ি বদল করছেন, কেউ আবার কর্মীর বাড়িতে কোনওরকমে রাতটা কাটিয়ে ভোরের আলো ফোটার আগেই কমোডের সন্ধানে পাড়ি দিচ্ছেন। তবে বুদ্ধিমানদের ব্যাপারটা আলাদা, তাঁরা কিন্তু যাওয়ার আগে থেকেই পেট পরিষ্কারের প্রযুক্তির সন্ধান নিয়েই বেরচ্ছেন।
উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার এক বিধায়ক তো ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে জোর বিপাকে পড়ে গিয়েছেন। ওই নেতা ভেবেছিলেন, চালাকির দ্বারাই মহৎ কাজটি সেরে ফেলবেন। কর্মীর বাড়িতে রাত্রিযাপন না করেই কর্মসূচি পালনের রিপোর্ট দিলেন। কিন্তু টিম খবর দিল, বিধায়ক বাড়িতেই ছিলেন। রিপোর্ট পেয়েই বিধায়ককে ফোন, যে বাড়িতে গিয়েছিলেন, সেই কর্মীর ফোন নম্বর দিন। বিধায়কের চটজলদি জবাব, ‘কর্মী খুবই গরিব, ফোন নেই।’ পাল্টা বলা হয়, ঠিকানা বলুন। তখন তো বিধায়কের ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’ অবস্থা। ভুল স্বীকার করে সে যাত্রায় রক্ষা পান।
ফুটবলের ময়দানে পিকের ভোকাল টনিক যেভাবে ঝিমিয়ে পড়া খেলোয়াড়দেরও তাতিয়ে তুলত, একইভাবে ভোটের মাঠের পিকেও টোটকা দিয়ে বেতোদের টাট্টু বানানোর চেষ্টা করছেন। পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলবে। তবে অধিকাংশ তৃণমূল বিধায়কের ধারণা, বিধানসভা ভোটের টিকিটে প্রশান্ত কিশোরের টিমের ভূমিকা থাকবে। তাই অনেক ‘বেতো’ ঘোড়াও ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি পালনের জন্য দৌড়চ্ছে।
এতদিন যাঁরা টিকিট বিলির আগে কলকাতায় ক্যাম্প করে থেকে নিজাম প্যালেসে, তৃণমূল ভবনে দাদা ধরতেন, এবার তাঁরা বুঝে গিয়েছেন, দিন বদলেছে, খেটে খেতে হবে। পাবলিক মৌমাছির মতো ছেঁকে ধরবে, হুল ফোটাবে বুঝেও এলাকায় যাচ্ছেন। অনেকের অবস্থা নাক টিপে, চোখ বুঝে খালি পেটে করলার রস খাওয়ার মতো। চোখের সামনে ভাসছে কয়লা, পাথর, বালি, বোল্ডার, আরও কত কিছু।
জনসংযোগ যাত্রায় সব চেয়ে বিপাকে পড়েছেন ‘ভাড়াটিয়া বিধায়করা’। যাঁরা জেলা শহরের বাসিন্দা হয়েও লবির জোরে গ্রামীণ এলাকার টিকিট জোগাড় করে বিধায়ক হয়েছেন। তাঁদের এক জায়গায় চাষ, অন্য জায়গায় বাস। ফলে জমির সঙ্গে তাঁদের তেমন সম্পর্ক নেই। এই সব বিধায়কের ভূমিকা অনেকটা জমি ভাগে দিয়ে ফসলের ভাগ নেওয়ার মতো। পৈত্রিকসূত্রে জমির মালিক হয়ে বসে আছেন, কিন্তু জমির আল মাড়ান না। তবে, ভাগের ফসল ঠিক ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র এলাকা দেখভালের জন্য একজন করে ভাগচাষি আছেন। তাঁদের সাদা পাজামা আর পাঞ্জাবিই সম্বল। পাশে পাবলিকের ‘প’ পর্যন্ত নেই। কিন্তু, তাঁরাই এলাকায় ছড়ি ঘোরান। দায়িত্ব পেয়েই দলের দক্ষ নেতাকে টাইট দিতে নেমে পড়েন। প্রশাসনিক সভায় তাঁরাই যান। বিধায়ক তহবিলের টাকা খরচের দায়িত্বও তাঁদের। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিনিধি এতটাই ‘পারদর্শী’ যে সরকার উন্নয়নের স্বার্থে টাকা দিলেও তা খরচ করতে পারেন না।
পিকের কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বেশ কিছু ‘ভাড়াটে বিধায়ক’ বিপাকে পড়ছেন। শহরের ঝলমলে জীবন ছেড়ে অজ গাঁয়ে গিয়ে রাত কাটাতে হচ্ছে, প্রশ্নবাণে ক্ষতবিক্ষত হতে হচ্ছে। প্রশ্ন তো নয়, এক একটা যেন বুলেট। কাটমানি, তোলাবাজি থেকে কেন ভোটের সময় প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও জলের ব্যবস্থা হল না, কেন রাস্তায় আলো জ্বলল না, কেন বালি পাচার বন্ধ হচ্ছে না? এমন সব চোখা চোখা প্রশ্নে বিব্রত বহু বিধায়কের মুখে কেবল ‘জানতাম না তো, দেখছি... অ তাই বুঝি’ ছাড়া কোনও শব্দ বেরচ্ছে না।
অনেকেই বলছেন, ‘ভাড়াটে বিধায়ক’দের জন্য নৈশযাপন ও জনসংযোগ কর্মসূচি দ্বিগুণ করা হোক। কারণ তাঁরা প্রচারের সময় যেখান থেকে দাঁড়াচ্ছেন, সেই নির্বাচনী কেন্দ্রকে ‘সেকেন্ড হোম’ বলে দাবি করে থাকেন। সেই কেন্দ্রে বাড়ি ভাড়া করে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলছে, জেতার পর অধিকাংশ বিধায়কই দলীয় কর্মসূচি ছাড়া সেখানে পা রাখেন না। তাই এবার লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ ‘ভাড়াটে বিধায়কে’র কেন্দ্রেই তৃণমূলের বেশি বিপর্যয় ঘটেছে।
তবে, যাঁরা নিয়মিত নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, তাঁদের কাছে ‘দিদিকে বলো’ আর্শীবাদের কাজ করছে। এলাকার লোকজন বিধায়ককে ছোটখাটো সমস্যার কথা বলতে পারছেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যার চটজলদি সমাধানও হয়ে যাচ্ছে। হুগলি জেলার এক বিধায়ক জনসংযোগ কর্মসূচিতে গিয়ে আদিবাসী পাড়ায় রাত কাটানোর সময় শুনলেন, এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করেও কার্ড পাননি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল, তিন মাস আগে তাঁর রেশনকার্ড বিডিও অফিসে এসে পড়ে রয়েছে। দু’দিনের মধ্যে তাঁর কাছে কার্ড পৌঁছে যাওয়ায় তিনি ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির গুণকীর্তন করে বেড়াচ্ছেন।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির একটা বিষয় কিন্তু নেতাদের বেশ ভাবাচ্ছে। ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিও জানাচ্ছেন। অধিকাংশ বিধায়কই তাঁদের দাবি লিখে নিচ্ছেন। গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে বিধায়করা অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। সেই বিধায়করা তাঁদের দাবি ও নামঠিকানা লিখে নেওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, এবার সমস্যার সমাধান হবে। তাই এই সব দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচি চালু হওয়ার পর কেউ কেউ নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করে সুফল পেয়েছেন। আর সেসব ঘটনা ফলাও করে প্রচার হওয়ায় অনেকেই ভাবছেন, ‘দিদিকে বলো’ হল মুশকিল আসান। একবার ফোন লাগাতে পারলেই কাজ হাসিল। ‘দিদিকে বলো’ মানুষের মধ্যে কেমন প্রভাব ফেলেছে, তা একটা ঘটনার কথা উল্লেখ করলে কিছুটা বোঝা যাবে।
কয়েকদিন আগে পরিচিত অবসরপ্রাপ্ত এক অধ্যাপিকা ‘দিদিকে বলো’র ফোন নম্বর জানতে চাইলেন। তাঁর গলায় উৎকণ্ঠার ছাপ স্পষ্ট। তিনি বললেন, তাঁর পরিচিত কলকাতার এক বৃদ্ধাকে ছেলে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। ওই বৃদ্ধা নিরুপায় হয়ে থানায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে এলাকায় শাসক দলের দাপুটে নেতা। তাই পুলিস পাত্তা দিচ্ছে না। খুব অসহায় অবস্থার মধ্যে দিন কাটছে। তাই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করতে চান।
উপেক্ষা আর অবহেলায় অভ্যস্ত মানুষজন অনেকেই প্রতিকারের আশায় ৯১৩৭০৯১৩৭০ নম্বরে ফোন করছেন। কর্মসূচি শুরুর একদিনের মধ্যে প্রায় এক লক্ষ ফোনকল প্রমাণ করে, এখনও মমতা নামটির উপর মানুষের ভরসা রয়েছে। তাঁরা বিশ্বাস করেন, দিদির কানে পৌঁছে দিতে পারলেই সুরাহা মিলবে। কেউ কেউ হয়তো ফোন করে প্রতিকারও পাচ্ছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়। এটা একটা কর্মসূচি। জনগণের রায়ে নির্বাচিতদের মানুষের মুখোমুখি করানোর কর্মসূচি। প্রশান্ত কিশোর হয়তো উপলব্ধি
করেছেন, বিধায়কদের জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলেই, ভোট ফিরবে তৃণমূলে। তাই বেড়ে যাওয়া ডানা ছেঁটে মাটিতে নামিয়ে আনার চেষ্টা। কারণ ঘাসফুল ফোটে মাটিতেই। 
05th  October, 2019
ভোটকে কলুষিত করলে
উচিত শিক্ষা দিতে হবে
হিমাংশু সিংহ

তৃণমূল ভাঙতে দশ মণ তেল পুড়িয়ে বিজেপি এখন বুঝতে পারছে শুধু অবিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে বাংলা দখল প্রায় অসম্ভব! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুর্বল করা যাচ্ছে না। বিশদ

ভোটের আগে ‘গাজর’ ঝোলানো
বিজেপির ট্র্যাডিশন
তন্ময় মল্লিক

ভোটের মুখে ‘গাজর’ ঝোলানোটা বিজেপির ট্র্যাডিশন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটের আগে সুইস ব্যাঙ্কে ভারতীয়দের জমা ‘বেআইনি অর্থ’ ফিরিয়ে এনে প্রত্যেককে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিজেপি। ‘গাজর’ ঝোলানোর সেই শুরু। এবার সোনার বাংলা ও কৃষি সম্মান নিধির ‘গাজর’। বিশদ

16th  January, 2021
ক’দিনের জন্য বাঙালি হওয়া যায় না
মৃণালকান্তি দাস

মাস কয়েকের জন্য রবীন্দ্রনাথ, রামমোহন, শ্রীচৈতন্য... বাংলার মনীষীরাই হয়ে উঠছেন গেরুয়া বাহিনীর প্রচারের অনুঘটক। এটা স্পষ্ট, ‘বহিরাগত’ তকমা ঘোচাতে বিজেপিকে নিরুপায় হয়েই বাংলার মনীষীদের আশ্রয় খুঁজতে হচ্ছে। বাংলার মনীষীরা কোন দলে, ভোট-হাওয়ায় সেই ধন্দ উস্কে দিতে চাইছে বিজেপি। বিশদ

15th  January, 2021
বাঙালির অস্তিত্ব রক্ষা দেশের
জন্যও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ
জিষ্ণু বসু

বাঙালি ভারতের নবজাগরণের কাণ্ডারীর ভূমিকা পালন করেছে। জীবন্ত জাগ্রত ভারতাত্মার পূজাবেদি ছিল বাংলা। ১৮৮২ সালে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র লিখলেন আনন্দমঠ উপন্যাস। বাঁধা হল ‘বন্দেমাতরম’ গান। দেশমাতৃকাকে দশপ্রহরণধারিণী দেবী দুর্গার সঙ্গে তুলনা করলেন সাহিত্যসম্রাট। বিশদ

14th  January, 2021
এই রাজ্যে মেয়েদের
ভোট ভাগ করা যাবে না
সন্দীপন বিশ্বাস

বিজেপি জানে, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারলে তাদের সিএএ-এনআরসি সব ব্যর্থ হয়ে যাবে। সারা দেশে একজন ব্যক্তিত্বই তাঁদের সব ভুলভাল কাজকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লড়াই জারি রাখতে পারেন। তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কাছে মমতা নামটাই জুজুর মতো। বিশদ

13th  January, 2021
বিজেপির প্রচারে স্বামীজি
আছেন, কিন্তু অনুসরণে...?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

স্বামীজি বলতেন, ‘এমন ধর্ম চাই, যার মূল মন্ত্র হবে মানবপ্রেম। এমন ধর্ম চাই, যা মানুষকে, বিশেষ করে অবহেলিত, পদদলিত মানুষকে প্রত্যক্ষ মানুষ বলে প্রচার করবে। খালি পেটে ধর্ম হয় না। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে ধর্ম বা ঈশ্বর অর্থহীন।’ নাঃ... যে পরিব্রাজক এমন কথা বলতে পারেন, তাঁকে বিজেপি অন্তত অনুসরণ করে না। বিশদ

12th  January, 2021
বিবেকানন্দের স্বপ্নের
বাংলা আবার গঠিত হবে
জগৎপ্রকাশ নাড্ডা

এক নতুন ভারতবর্ষের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্বামীজি, যেখানে দারিদ্র্যের মোচন এবং চেতনার উন্মেষ ঘটবে। এই কাজে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ যুবশক্তি। বিশদ

12th  January, 2021
মহামারী, ভ্যাকসিন
এবং বিতর্ক
পি চিদম্বরম

মহামারী বিদায় নিচ্ছে বলে মনে হয়, তবে এখনও বিদায় হয়নি। ভ্যাকসিন আসছে বলে মনে হয়, তবে বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছয়নি। কিন্তু একটা জিনিস বরাবর একজায়গায় রয়ে গিয়েছে, সেটা হল বিতর্ক! বিশদ

11th  January, 2021
আদি বনাম নব্য, বিজেপিতে
নরকগুলজার সপ্তমে
হিমাংশু সিংহ

শেষে হাটে হাঁড়িটা ভাঙলেন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষই। দলে স্বার্থপর দলবদলুদের দাপাদাপি দেখে আর স্থির থাকতে পারলেন না। বলেই বসলেন, একদিন যাঁরা নন্দীগ্রামে বিজেপিকে ঢুকতে বাধা দিয়েছিলেন, তাঁরাই আজ নতমস্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। আলিঙ্গন করছেন। একেবারে হক কথা। বিশদ

10th  January, 2021
রাজনীতিবিদদের ‘সৌজন্যে’ই
করোনার নয়া স্ট্রেইনে পঙ্গু ব্রিটেন
রূপাঞ্জনা দত্ত

বি.১.১.৭। কোভিডের নয়া অবতার বা বিলিতি স্ট্রেইনের পোশাকি নাম এটাই। চীনের উহান থেকে সার্স-কোভ-২ ছড়িয়ে পড়ার পর যতটা আতঙ্ক ছড়িয়েছিল বিশ্বজুড়ে, সেই দিনগুলিই ফিরিয়ে এনেছে ভাইরাসের এই নয়া রূপ। ‘ভাইরাস আন্ডার ইনভেস্টিগেশন’ থেকে ‘ভাইরাস অব কনসার্ন’ হতে এর খুব বেশিদিন সময় লাগেনি। বিশদ

10th  January, 2021
প্রচারকে নিয়েও রাজনীতি
করা যায়, দেখাচ্ছে বিজেপি

তন্ময় মল্লিক

তৃণমূলের ‘অতৃপ্ত আত্মা’রা চলে যাওয়ায় দলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বও কমে গিয়েছে। দলের কর্মীরা যে মমতার সঙ্গে আছে, সেটা প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠছে। ভিড়ের প্রতিযোগিতায় এঁটে উঠতে না পেরে বিজেপির অস্ত্র ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’। বিশদ

09th  January, 2021
বিরোধী দলগুলির
স্থায়ী ক্ষতি হল
সমৃদ্ধ দত্ত

যাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে বিজেপি সরব ছিল, তাঁদেরই বিজেপি এখন উচ্চপদে বরণ করছে। এর ফলে বিজেপির শক্তি ও প্রভাব হয়তো বাড়ছে বলে তারা মনে করছে। কিন্তু বড়সড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে ভাবমূর্তির। বিশদ

08th  January, 2021
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ এবং সংবাদদাতা: গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় শনিবার উৎসবের মেজাজে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি হল। এদিন মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে টিকাকরণকে কেন্দ্র করে স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।   ...

করাচি: দীর্ঘ ১৪ বছর পর পাকিস্তান সফরে পৌঁছল দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল। ২০০৭ সালে শেষবার পাক সফরে গিয়েছিল প্রোটিয়া ব্রিগেড। শনিবার করাচিতে পা রাখেন কুইন্টন ডি’ককরা। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দু’টি টেস্ট ও তিনটি টি-২০ ম্যাচ খেলবেন তাঁরা। টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ...

করোনা কালেও বিখ্যাত গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থা হন্ডা সিটি রেকর্ড সংখ্যাক গাড়ি বিক্রি করেছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সংস্থা সংস্থার ‘মিড সাইজ সেডান’ বিভাগে এই সময়ে ২১ হাজার ৮২৬টি গাড়ি বিক্রি হয়েছে। ...

বিচ্ছিন্নতাবাদী খলিস্তানপন্থী সংগঠন ‘শিখ ফর জাস্টিস’-এর সঙ্গে যোগসাজশ নিয়ে বহু কৃষক নেতাকে সমন পাঠালো জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। সম্প্রতি শিখ ফর জাস্টিসের নেতা গুরপতওয়ান্ত সিং পান্নু বলেছেন, ‘মানুষের ক্ষোভ, হতাশাকে কাজে লাগিয়ে ভয় এবং নৈরাজ্যের পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বাড়তি অর্থ পাবার যোগ আছে। পদোন্নতির পাশাপাশি কর্মস্থান পরিবর্তন হতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পক্ষে থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪১ - বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম মাউন্ট এভারেস্ট রাখা হয়
১৯৪২: মার্কিন মুষ্টিযোদ্ধা মহম্মদ আলির জন্ম
১৯৪৫: গীতিকার ও চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতারের জন্ম
১৯৫৩ - সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার এবং চিত্রপরিচালক অঞ্জন দত্তের জন্ম
২০১০: কমিউনিস্ট নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর মৃত্যু 
২০১১ - অভিনেত্রী গীতা দের মৃত্যু
২০১৪ - অভিনেত্রী সুচিত্রা সেনের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭২.২৯ টাকা ৭৪.০০ টাকা
পাউন্ড ৯৭.৬৬ টাকা ১০১.১২ টাকা
ইউরো ৮৬.৭৮ টাকা ৮৯.৯৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,১২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৮৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী ৪/২৫ দিবা ৮/৯। পূর্বভাদ্রপদ নক্ষত্র অহোরাত্র। সূর্যোদয় ৬/২৩/৫, সূর্যাস্ত ৫/১০/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৭/৬ গতে  ৯/৫৮ মধ্যে, রাত্রি ৬/৫৫ গতে ৮/৪১ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৬ মধ্যে পুনঃ ১২/৫০ গতে ১/৩৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩ গতে ৬/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১২/১২ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৫ গতে ১/৭ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৫ গতে ৩/৪ মধ্যে।
৩ মাঘ ১৪২৭, রবিবার, ১৭ জানুয়ারি ২০২১, চতুর্থী দিবা ৯/২৪। শতভিষা নক্ষত্র দিবা ৭/৪৮। সূর্যোদয় ৬/২৬, সূর্যাস্ত ৫/১০। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩ গতে ১০/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪ গতে ৮/৪৮ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ৭/৩ মধ্যে ও ১২/৫৬ গতে ১/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/১২ গতে ৭/৪ মধ্যে ও ১২/১৬ গতে ৩/৪৩ মধ্যে। বারবেলা ১০/২৭ গতে ১/৮ মধ্যে। কালরাত্রি ১/২৭ গতে ৩/৭ মধ্যে। 
৩ জমাদিয়ল সানি।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
আইএসএল: গোয়া ও মোহন বাগানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র

09:32:47 PM

আইএসএল: গোয়া ১- মোহন বাগান ১ (৮৪ মিনিট)

09:18:38 PM

আইএসএল: গোয়া ০- মোহন বাগান ১ (৭৫ মিনিট)

09:15:00 PM

আইএমএ রাজ্যশাখার নির্বাচনে ফের জিতল তৃণমূলপন্থী প্যানেল

08:01:00 PM

করোনা পজেটিভ প্রয়াত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পৌলমি

07:17:00 PM

সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের
বিষ্ণুপুরের সংসদ সদস্য সৌমিত্র খাঁ-কে তিরস্কার করল বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। ...বিশদ

06:40:08 PM