Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি। এপার ওপার—দু’পার জুড়ে যাদের ঘর-উঠোন, পদ্মা-গঙ্গা-মেঘনা-যমুনা ছুঁয়ে যারা, শিলচর পুববাংলাতে (তৎকালীন) কত বড় এক-একটা কাণ্ড যারা ঘটাল, তাদের আবার বাঙালি ছাড়া কী বলতে হবে শুনি। হ্যাঁ, জানি—কিছু অপ্রীতিকর কাণ্ডও ঘটে যায়। যেমন, বসিরহাট-কাণ্ড, ক্যানিং-উস্তি-ধুলাগড় ইত্যাদি।
সেবার (২০১৭-তে) অগ্নিগর্ভ ছিল বসিরহাট। ক্ষোভে-বিরক্তিতে বিনয় বসিরহাট ছাড়তে চেয়েছিল। কিন্তু কে এসে তার সামনে দাঁড়িয়েছিল? দাঁড়িয়েছিল ইশাদ। সে বলেছিল—যাব বললেই হল? অত সহজ? এসো মিলেজুলে থাকি। বিনয়ের যাওয়া হয়ে ওঠেনি। এটা কি নিছক লোক-দেখানো? ইশাদের বাইরের খোলস? উত্তরটা বিনয়ই দিতে পারে। এবার যদি বলি—আমরা বাঙালিরা কেমনভাবে এখানে বেঁচে আছি? শুধু কি পুজোর ভিড়ে, ঈদের ভিড়ে? না। আমরা আছি জীবনে, আছি দৈনন্দিনতায়।
আপনি হয়তো ভাবছেন—আমরা কেউ নামাজে মগ্ন, কেউ মগ্ন তেত্রিশ কোটি দেবতায়। সুতরাং এটাই তো সামগ্রিকভাবে বাঙালি হয়ে ওঠার পিছনে বড় বাধা। কিন্তু না। ওটা আমাদের একটা জীবনচর্যা, একটা লাইফ-স্টাইল মাত্র। বরং আসুন ব্যাপারটা এইভাবে নিই: সবাই কি সব কাজে কাঁটায় কাঁটায় একসঙ্গে থাকতে পারে, নাকি থেকেছে? না-ও থাকতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে, মিটিংয়ে, মিছিলে, বিধানসভায়, লোকসভায় যেমন ইচ্ছেমতো পক্ষ বেছে নেওয়া যায়, তেমনি সেই নিয়মে কেউ বেছেছে তেত্রিশ কোটি, কেউ আল্লাকে। এটা আমাদের ধ্যান-ধারণাগত বা জীবনচর্যাগত একটা ব্যাপার। অনর্থক এসবের গায়ে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ছেঁকা না লাগানোই ভালো। ওটা না লাগালে দেখবেন আমরা ভালো থাকব।
এমনটাও ধরে নিতে পারেন—আমরা পুজোয় থাকি আর নামাজেই থাকি, আমরা সূক্ষ্মভাবে সমগোত্রীয়ই। কী রকম? না, আমরা আস্তিক। একটা কমন থিঙ্কিং নিয়ে বেঁচে আছি। এদিক থেকে সিরাজুল-কৃষ্ণেন্দুরা একই চরিত্রের। এখন প্রশ্ন—সবাই কি নামাজে-মন্ত্রে? একেবারেই নিষ্ঠাবান? না, তাও নয়। কয়েকজন কাঁটায় কাঁটায় চলে না। কিছুটা ছেড়ে, কিছুটা ধরে, লোকে কী বলবে—এমন একটা ভয়ে ভয়ে। এ দলে অমলও আছে, সফিকুলও আছে। বাধা-নিষেধ কিছুটা মেনে চলে, সবটা নয়। আবার কয়েকজন ভিন্ন। নামাজেও নেই, মন্ত্রেও নেই। যেমন, তাজিমুর, স্বপন। হিসাবটা অতএব দাঁড়াল এইরকম: আমরা বাঙালিরা—(১) কেউ ঠিকঠাক আস্তিক, (২) কয়েকজন আধা আস্তিক, আধা নাস্তিক, (৩) কেউ আবার ঠিকঠাক নাস্তিক।
প্রথমদের শরীরে পৈতে-দাড়ি-টুপি। কিছু বাধা-নিষেধ কিছু লোকাচারের চাপে এদের থাকতে হয়। দু-একজন কট্টর পথে এগলেও প্রায় সবাই মনে করে—আমরা বিশ্বপিতা বা আব্বার সন্তান। মুর্শিদাবাদের খড়েরা গ্রামের ইসু শেখকে চেনেন? তিনি মনে করেন—আমরা সবাই তানারই সন্তান, তাই সবাই আমার আত্মীয়। একেবারে আস্তিক জনোচিত কথা। রূপচাঁদ শেখও বেলুড়মঠে পুজোর ভিড়ে মিশে যান, খুশি থাকেন।
কেন, আমতার বসুবাড়ির লোকগুলোকে দেখুন না। ওদের বাড়ির চাতালে মহরম উপলক্ষে সমাবেশ হয়। সেখানে সাবেদ-গোলামেরা সরবত পায়, আপ্যায়িত হয়। দণ্ডিরহাটে (বসিরহাট) বসুবাড়ির লোকেরা মাজেদ-মোল্লাদের বাড়িতে ঠাকুর ভাসানের অনুমতি চাইতে যায়। কালনার ষষ্ঠী মল্লিক একবার ফিরোজাবিবির মেয়ে বর্ষা খাতুনকে কুমারী পুজোয় বসিয়েছিল, জানেন? বোলপুরের কাছাকাছি নওদায় যান, দেখবেন ওখানে মাজারের চাদর চাপানোর আগে এক সাধকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। বুঝুন একবার! প্লিজ, এদের ভিন্ন রকমের বাঙালি ভাববেন না। এরা একই গোত্রের।
দ্বিতীয় দলভুক্তরাই বা কেমন বাঙালি? শরীরে পৈতে আছে, অথচ পুজোয় অনাগ্রহী। আবদুল্লার দাড়ি-টুপি আছে, কিন্তু আচারবিমুখ। অমলের পৈতে নেই, কিন্তু পুজো প্যান্ডেলে যায়, পূর্বপুরুষের ধর্মীয় পাণ্ডিত্যে গর্ববোধ করে। রফিকুল দাড়ি রাখে না, টুপি পরে না, অথচ ধরে বসলে রোজাও রাখে এবং মাঝখানে ছেড়েও দেয়। এই অমল-রফিকুলদের এক পা বিজ্ঞান-আন্দোলনে, আরেক পা হজে-দক্ষিণেশ্বরে। তৃতীয় শ্রেণীভুক্ত বাঙালি মনসুর-রোদ্দুরেরা মুক্তমনা। এদের ইডিওলজি ধর্মীয় আবহ পারমিট করে না। তাই না পুজোয়, না নামাজে। আছে ভাষা উৎসবে, বর্ষবরণে, বঙ্গ সংস্কৃতি উৎসবে, কিছু সামাজিক ইস্যুতে মানুষের পাশে। আস্থা মানবিকতায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ধর্মপ্রাণদের ভোটও আশা করে না। ডাহা ফেলেও ভয় নেই।
এই তিন জীবনচর্যা যদি মেনে নেওয়া যায় তবে স্বপন-সিরাজুল-অমল-রফিকুল-রোদ্দুরেরা কি আলাদা রকমের বাঙালি? কারা ক’জন বাঙালি পুজোয়-ঈদে অংশ নিচ্ছে, সব্বাই কি পুজোয় এবং ঈদে—দুটোতেই—উপরের আলোচনায় এসবেরই উত্তর কিছুটা। একথাও হয়েছে—সঙ্গত কারণে সবার অংশগ্রহণ হয়ে ওঠে না। তাই বলে ‘সম্প্রীতি গেল গেল’—এমন চেঁচামেচিও হতে পারে না। প্রসঙ্গত বলি: বাঙালি হিসেবে সিরাজ শেখের কৃতিত্ব অনেকটাই। একটা বিশ্বাস, লোকায়ত ভাবনা ও অন্তরের টানেই এমন কাজগুলো হয়। সে কালীভক্ত হয়ে গেল। এক প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে সে আরেকটিতে। বৈশাখে বৈশাখে সে জহুরাকালীর পুজো দেয়। বাবারও (খোদাবক্স) এতে সায় ছিল।
তাছাড়া সে আস্তিকই ছিল, কালীভক্ত হয়ে সেই আস্তিকই রয়ে গেল। এই অপশনটাই বা থাকবে না কেন? অথচ অনেকে বলছেন—এটা নাকি ‘গুনাহ’। ওই যে আগে বলেছি—দু-একজন বাঙালি আস্তিক হয়েও কট্টর পথেই আছেন। তাই বলতে পারেন—কোথাকার এক সিরাজ কালীভক্ত হয়ে গেল—দু-একটা এরকম ঘটতেই পারে। অর্থাৎ দু-একটা
ঘটে বলে এর কোনও গুরুত্বই নেই? কিন্তু মরি-বাঁচি
করে একটা পাকা সমীক্ষা হোক (এখনও
পর্যন্ত সমীক্ষাই হয়নি), দেখবেন অনেক উদাহরণ সামনে আসবে।
সবশেষে বলি: আশাবাদী আমরা হয়তো একদিন দেখব—সব বাঙালিরই লাইফ-স্টাইলটা এক হয়ে গেছে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা।
 
04th  October, 2019
করোনার পরেও আছে এক অন্ধকার সময়
সন্দীপন বিশ্বাস

 কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য তখন যক্ষ্মারোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসারত। তাঁর ওই অবস্থা নিয়ে সাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় একটি অসাধারণ কবিতা লিখেছিলেন। ‘আমরা চাঁদা তুলে মারব কীট/... বসন্তে কোকিল কেশে কেশে রক্ত তুলবে সে কীসের বসন্ত!’
বিশদ

জরুরি দ্রুত এবং ব্যাপক জনমুখী পদক্ষেপ
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

করোনা ভাইরাস ভারতীয় অর্থনীতির সামনে একই সঙ্গে একটা বড় ধাক্কা এবং কিছুটা সুযোগ দিয়ে গেল। এমনিতেই বৃদ্ধির হার কমতে কমতে ৪ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল। আশা করা যাচ্ছিল এবার হয়তো সেটা ৫ শতাংশের কাছে পৌঁছবে।
বিশদ

গ্যালারি শো কতদিন?
খাবার জুটবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ব্যবসার কাজে হংকং গিয়েছিলেন বেথ এমহফ। কাজ সেরে পার্টি... তারপর দেশে ফেরা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। শিকাগো হয়ে যখন মিনিয়াপোলিস ফিরলেন, ততক্ষণে উপসর্গ দেখা দিয়েছে। দুই, চার, ১৬, ২৫৬... বাড়তে শুরু করল সংখ্যা। সর্দি, কাশি, জ্বর... মৃত্যু। এটাই ছিল চক্র। বিশদ

07th  April, 2020
যাও সুখের সন্ধানে যাও
অতনু বিশ্বাস

 সাম্প্রতিক ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প গিয়েছিলেন দিল্লির একটি সরকারি স্কুলে। পূর্বনির্ধারিত ‘হ্যাপিনেস ক্লাস’-এ যোগ দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সুখের ক্লাস দেখতে। বিশদ

07th  April, 2020
এখন সবাই জেলবন্দি
পি চিদম্বরম

 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে, করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) ২০৫টি দেশ আক্রান্ত হয়েছে। ভাইরাস হল সংক্রমণ ঘটাতে পটু এক ধরনের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম বস্তু, যা কেবলমাত্র প্রাণীদেহের জীবিত কোষের ভিতরে প্রবেশ করে নিজের প্রতিলিপি ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে চলে। বিশদ

06th  April, 2020
ধর্মীয় গোঁড়ামির কাছে কি শেষে
হার মানবে করোনা বিরোধী লড়াই?
হিমাংশু সিংহ

 এই ভয়ঙ্কর মহামারীর দিনে দিল্লির নিজামুদ্দিনে লকডাউন ভেঙে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জমায়েত থেকে মানবসভ্যতার কী লাভ হল? কিংবা গত বৃহস্পতিবার বালুরঘাটে রামনবমীর ভিড়ে ঠাসা মেলায়? সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের রামমন্দিরের সামনে মানুষের লম্বা লাইনে?
বিশদ

05th  April, 2020
আত্মঘাতী খেলা
তন্ময় মল্লিক

লড়াইটা আমরা কি ক্রমশই কঠিন করে ফেলছি। লকডাউন ঘোষণার পর সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই লড়াইকে হাল্কা চালে নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। আর সেটা এই মুহূর্তে রুখে দিতে না পারলে সর্বনাশ অনিবার্য। ইতালি, আমেরিকা, স্পেনের রিপ্লে দেখতে হবে ভারতেও। প্রথমদিকে লকডাউন মানার যে মানসিক দৃঢ়তা আমরা দেখাতে পেরেছিলাম, দিন দিন তা শিথিল হচ্ছে।
বিশদ

04th  April, 2020
হাঁটার গল্প
সমৃদ্ধ দত্ত 

অনেকবার আবেদন করেও আধার কার্ড পায়নি রতু লাল। রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করা হলে রেশনও পাওয়া যায় না। সুতরাং সে রেশন পায় না। তার খুব দুঃখ ছিল, সরকারের কোনও কাগজ তার কাছে নেই বলে। সেই কষ্ট ঘুচল। অবশেষে করোনা ভাইরাসের দৌলতে এই প্রথম সরকারিভাবে একটি স্বীকৃতি পেল রতু লাল। কোনও কাগজ, সার্টিফিকেট নয়। আরও স্পষ্ট, আরও সোজাসুজি।   বিশদ

03rd  April, 2020
তাল কেটে দিল দিল্লি একাই
হারাধন চৌধুরী

একটি মাত্র শব্দ। করোনা। সারা পৃথিবীর শিরোনাম দখল করেছে। খবরের কাগজের প্রথম পাতা। বিনোদনের পাতা। খেলার পাতা। টেলিভিশনের নিউজ চ্যানেল। সব রকম সোশ্যাল মিডিয়া। এমনকী সরকারি, বেসরকারি বিজ্ঞাপনগুলিও আজ করোনাময়! সকাল থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগে পর্যন্ত আমাদের কুশলাদি বিনিময়ের বিস্তৃত সংস্কৃতিতেও করোনা ভাগ বসিয়েছে পুরোমাত্রায়।  বিশদ

02nd  April, 2020
লকডাউনেই থামবে করোনার অশ্বমেধের ঘোড়া
সন্দীপন বিশ্বাস

 এ এক অন্য পৃথিবী। এই পৃথিবী দেখার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু হঠাৎই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো অতি দ্রুত আমরা মুখোমুখি হলাম এই অন্য পৃথিবীর। যেখানে গাছের পাতা ঝরার মতোই ঝরে পড়ছে মানুষের প্রাণ। বিশদ

01st  April, 2020
ঘরে থাকতে অক্ষম যে ভারত
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 রণবীর সিং। বয়স ৩৮ বছর। ডেলিভারি এজেন্টের কাজ করতেন দিল্লিতে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণার পর হাঁটতে শুরু করেছিলেন তিনি। জাতীয় সড়ক ধরে। যেভাবে হোক গ্রামে পৌঁছতে হবে। গ্রাম মানে মধ্যপ্রদেশের কোথাও একটা... দিল্লি থেকে বহুদূর।
বিশদ

31st  March, 2020
ভীরু এবং আধখেঁচড়া
ব্যবস্থা, তবু স্বাগত
পি চিদম্বরম

গত ১৯ মার্চ, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন যে ২২ মার্চ, রবিবার দেশজুড়ে ‘জনতা কার্ফু’ পালন করা হবে। আমি ভেবেছিলাম প্রধানমন্ত্রী জল মাপছেন, জনতা কার্ফুর শেষে তিনি নানা ধরনের লকডাউন ঘোষণা করবেন। কিন্তু রবিবার কোনও ঘোষণা শোনা গেল না। বিশদ

30th  March, 2020
একনজরে
 কিয়েভ (ইউক্রেন), ৭ এপ্রিল (এপি): করোনা আতঙ্কের মধ্যে চেরনোবিল পরমাণু কেন্দ্র থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়া নিয়ে ইউক্রেনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পরমাণু কেন্দ্র লাগোয়া জঙ্গলে দাবানল লেগে যাওয়ার এই বিপত্তি তৈরি হয়েছে। ...

 সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: করোনা মোকাবিলার পাশাপাশি ডেঙ্গু দমনেরও প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্য সরকার। করোনার প্রকোপের মধ্যে ডেঙ্গু যাতে নতুন করে মাথাব্যথার কারণ না হয়, সে ব্যাপারে সোমবারই প্রশাসনকে সতর্ক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: গাছের ডাল কাটতে গিয়ে তা ছিটকে বুকে এসে লাগায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক যুবকের। পটাশপুর থানার রামনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম লক্ষ্মণ মাইতি(৩৭)।   ...

 জীবানন্দ বসু, কলকাতা: করোনা কেন্দ্রিক লকডাউনের জেরে গত কয়েকদিনে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাপন অনেকটাই দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত খাদ্য-রসদের অভাবই যে তার অন্যতম কারণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

ব্যবসায় বাড়তি বিনিয়োগ প্রত্যাশিত সাফল্য নাও দিতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতি শ্বাসকষ্ট ও বক্ষপীড়ায় শারীরিক ক্লেশ। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫৭: বাংলার নবাব আলীবর্দী খাঁ মারা যান।
১৭৫৯: ব্রিটিশ বাহিনী ভারতের মাদ্রাজ দখল করে।
১৮৫৭: বারাকপুরে সিপাহি বিদ্রোহের নায়ক মঙ্গল পাণ্ডের ফাঁসি
১৮৯৪: সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯০২: কলকাতায় মূক ও বধির বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯২৯: দিল্লির সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলিতে বোমা ছুঁড়ে ধরা পড়লেন ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত
১৯৫০: ভারত পাক চুক্তি স্বাক্ষর করলেন লিয়াকত-নেহরু
১৯৫০: বিপ্লবী হেমচন্দ্র কানুনগোর মৃত্যু
১৯৭৩: স্পেনের চিত্রশিল্পী পাবলো পিকাসোর মৃত্যু
১৯৭৬: ফুটবলার গোষ্ঠপালের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০৯ টাকা ৭৬.৮১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৫৭ টাকা ৯৪.৮৬ টাকা
ইউরো ৮০.৬৮ টাকা ৮৩.৭২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৪ চৈত্র ১৪২৬, ৭ এপ্রিল ২০২০, মঙ্গলবার, (চৈত্র শুক্লপক্ষ) চতুর্দশী ১৬/২৬ দিবা ১২/২। উত্তরফাল্গুনী ৯/৩০ দিবা ৯/১৫। সূ উ ৫/২৭/২৬, অ ৫/৫০/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৭ গতে ১০/২৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে পুনঃ ৩/২১ গতে ৫/০ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৬ মধ্যে পুনঃ ৮/৫৬ গতে ১১/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/৩৫ গতে ৩/৮ মধ্যে। বারবেলা ৭/০ গতে ৮/৩৩ মধ্যে পুনঃ ১/১২ গতে ২/৪৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/১৭ গতে ৮/৪৪ মধ্যে।
২৪ চৈত্র ১৪২৬, ৭ এপ্রিল ২০২০, মঙ্গলবার, চতুর্দশী ১৩/৫৮/১৪ দিবা ১১/৪/৯। উত্তরফাল্গুনী ৭/১০/১০ দিবা ৮/২০/৫৫। সূ উ ৫/২৮/৫১, অ ৫/৫০/৫৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৫৪ গতে ১০/২৩ মধ্যে ও ১২/৫৩ গতে ২/৩২ মধ্যে ও ৩/২২ গতে ৫/১ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৭ মধ্যে ও ৮/৫৬ গতে ১১/১৫ মধ্যে ও ১/৩৩ গতে ৩/৬ মধ্যে। বারবেলা ৭/১/৩৬ গতে ৮/৩৪/২২ মধ্যে, কালবেলা ১/১২/৩৮ গতে ২/৪৫/২৩ মধ্যে।
১৩ শাবান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: নতুন করে হরিয়ানায় আক্রান্ত ১১
পাঞ্জাবের হরিয়ানায় নতুন করে আরও ১১ জনের শরীরে মিলল কোভিড-১৯ ...বিশদ

02:09:11 PM

পঃ মেদিনীপুরের ডেবরায় মোবাইলের দোকান থেকে উদ্ধার প্রচুর শব্দবাজি, গ্রেপ্তার ১ 

01:53:55 PM

করোনা চিকিৎসায় এবার ইন্টানেট চালিত রোবট !
করোনায় আক্রান্তদের সেবায় এবার ব্যবহার করা যেতে পারে রোবট। এমনটাই ...বিশদ

01:46:52 PM

দঃ দিল্লির তুঘলকাবাদে জীবানুনাশক স্প্রে করল পুরসভা 

01:35:00 PM

করোনা: রাশিয়ায় নতুন করে আক্রান্ত ১১৭৫ জন 

01:31:43 PM

১১২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

01:28:37 PM