Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি। এপার ওপার—দু’পার জুড়ে যাদের ঘর-উঠোন, পদ্মা-গঙ্গা-মেঘনা-যমুনা ছুঁয়ে যারা, শিলচর পুববাংলাতে (তৎকালীন) কত বড় এক-একটা কাণ্ড যারা ঘটাল, তাদের আবার বাঙালি ছাড়া কী বলতে হবে শুনি। হ্যাঁ, জানি—কিছু অপ্রীতিকর কাণ্ডও ঘটে যায়। যেমন, বসিরহাট-কাণ্ড, ক্যানিং-উস্তি-ধুলাগড় ইত্যাদি।
সেবার (২০১৭-তে) অগ্নিগর্ভ ছিল বসিরহাট। ক্ষোভে-বিরক্তিতে বিনয় বসিরহাট ছাড়তে চেয়েছিল। কিন্তু কে এসে তার সামনে দাঁড়িয়েছিল? দাঁড়িয়েছিল ইশাদ। সে বলেছিল—যাব বললেই হল? অত সহজ? এসো মিলেজুলে থাকি। বিনয়ের যাওয়া হয়ে ওঠেনি। এটা কি নিছক লোক-দেখানো? ইশাদের বাইরের খোলস? উত্তরটা বিনয়ই দিতে পারে। এবার যদি বলি—আমরা বাঙালিরা কেমনভাবে এখানে বেঁচে আছি? শুধু কি পুজোর ভিড়ে, ঈদের ভিড়ে? না। আমরা আছি জীবনে, আছি দৈনন্দিনতায়।
আপনি হয়তো ভাবছেন—আমরা কেউ নামাজে মগ্ন, কেউ মগ্ন তেত্রিশ কোটি দেবতায়। সুতরাং এটাই তো সামগ্রিকভাবে বাঙালি হয়ে ওঠার পিছনে বড় বাধা। কিন্তু না। ওটা আমাদের একটা জীবনচর্যা, একটা লাইফ-স্টাইল মাত্র। বরং আসুন ব্যাপারটা এইভাবে নিই: সবাই কি সব কাজে কাঁটায় কাঁটায় একসঙ্গে থাকতে পারে, নাকি থেকেছে? না-ও থাকতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে, মিটিংয়ে, মিছিলে, বিধানসভায়, লোকসভায় যেমন ইচ্ছেমতো পক্ষ বেছে নেওয়া যায়, তেমনি সেই নিয়মে কেউ বেছেছে তেত্রিশ কোটি, কেউ আল্লাকে। এটা আমাদের ধ্যান-ধারণাগত বা জীবনচর্যাগত একটা ব্যাপার। অনর্থক এসবের গায়ে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ছেঁকা না লাগানোই ভালো। ওটা না লাগালে দেখবেন আমরা ভালো থাকব।
এমনটাও ধরে নিতে পারেন—আমরা পুজোয় থাকি আর নামাজেই থাকি, আমরা সূক্ষ্মভাবে সমগোত্রীয়ই। কী রকম? না, আমরা আস্তিক। একটা কমন থিঙ্কিং নিয়ে বেঁচে আছি। এদিক থেকে সিরাজুল-কৃষ্ণেন্দুরা একই চরিত্রের। এখন প্রশ্ন—সবাই কি নামাজে-মন্ত্রে? একেবারেই নিষ্ঠাবান? না, তাও নয়। কয়েকজন কাঁটায় কাঁটায় চলে না। কিছুটা ছেড়ে, কিছুটা ধরে, লোকে কী বলবে—এমন একটা ভয়ে ভয়ে। এ দলে অমলও আছে, সফিকুলও আছে। বাধা-নিষেধ কিছুটা মেনে চলে, সবটা নয়। আবার কয়েকজন ভিন্ন। নামাজেও নেই, মন্ত্রেও নেই। যেমন, তাজিমুর, স্বপন। হিসাবটা অতএব দাঁড়াল এইরকম: আমরা বাঙালিরা—(১) কেউ ঠিকঠাক আস্তিক, (২) কয়েকজন আধা আস্তিক, আধা নাস্তিক, (৩) কেউ আবার ঠিকঠাক নাস্তিক।
প্রথমদের শরীরে পৈতে-দাড়ি-টুপি। কিছু বাধা-নিষেধ কিছু লোকাচারের চাপে এদের থাকতে হয়। দু-একজন কট্টর পথে এগলেও প্রায় সবাই মনে করে—আমরা বিশ্বপিতা বা আব্বার সন্তান। মুর্শিদাবাদের খড়েরা গ্রামের ইসু শেখকে চেনেন? তিনি মনে করেন—আমরা সবাই তানারই সন্তান, তাই সবাই আমার আত্মীয়। একেবারে আস্তিক জনোচিত কথা। রূপচাঁদ শেখও বেলুড়মঠে পুজোর ভিড়ে মিশে যান, খুশি থাকেন।
কেন, আমতার বসুবাড়ির লোকগুলোকে দেখুন না। ওদের বাড়ির চাতালে মহরম উপলক্ষে সমাবেশ হয়। সেখানে সাবেদ-গোলামেরা সরবত পায়, আপ্যায়িত হয়। দণ্ডিরহাটে (বসিরহাট) বসুবাড়ির লোকেরা মাজেদ-মোল্লাদের বাড়িতে ঠাকুর ভাসানের অনুমতি চাইতে যায়। কালনার ষষ্ঠী মল্লিক একবার ফিরোজাবিবির মেয়ে বর্ষা খাতুনকে কুমারী পুজোয় বসিয়েছিল, জানেন? বোলপুরের কাছাকাছি নওদায় যান, দেখবেন ওখানে মাজারের চাদর চাপানোর আগে এক সাধকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। বুঝুন একবার! প্লিজ, এদের ভিন্ন রকমের বাঙালি ভাববেন না। এরা একই গোত্রের।
দ্বিতীয় দলভুক্তরাই বা কেমন বাঙালি? শরীরে পৈতে আছে, অথচ পুজোয় অনাগ্রহী। আবদুল্লার দাড়ি-টুপি আছে, কিন্তু আচারবিমুখ। অমলের পৈতে নেই, কিন্তু পুজো প্যান্ডেলে যায়, পূর্বপুরুষের ধর্মীয় পাণ্ডিত্যে গর্ববোধ করে। রফিকুল দাড়ি রাখে না, টুপি পরে না, অথচ ধরে বসলে রোজাও রাখে এবং মাঝখানে ছেড়েও দেয়। এই অমল-রফিকুলদের এক পা বিজ্ঞান-আন্দোলনে, আরেক পা হজে-দক্ষিণেশ্বরে। তৃতীয় শ্রেণীভুক্ত বাঙালি মনসুর-রোদ্দুরেরা মুক্তমনা। এদের ইডিওলজি ধর্মীয় আবহ পারমিট করে না। তাই না পুজোয়, না নামাজে। আছে ভাষা উৎসবে, বর্ষবরণে, বঙ্গ সংস্কৃতি উৎসবে, কিছু সামাজিক ইস্যুতে মানুষের পাশে। আস্থা মানবিকতায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ধর্মপ্রাণদের ভোটও আশা করে না। ডাহা ফেলেও ভয় নেই।
এই তিন জীবনচর্যা যদি মেনে নেওয়া যায় তবে স্বপন-সিরাজুল-অমল-রফিকুল-রোদ্দুরেরা কি আলাদা রকমের বাঙালি? কারা ক’জন বাঙালি পুজোয়-ঈদে অংশ নিচ্ছে, সব্বাই কি পুজোয় এবং ঈদে—দুটোতেই—উপরের আলোচনায় এসবেরই উত্তর কিছুটা। একথাও হয়েছে—সঙ্গত কারণে সবার অংশগ্রহণ হয়ে ওঠে না। তাই বলে ‘সম্প্রীতি গেল গেল’—এমন চেঁচামেচিও হতে পারে না। প্রসঙ্গত বলি: বাঙালি হিসেবে সিরাজ শেখের কৃতিত্ব অনেকটাই। একটা বিশ্বাস, লোকায়ত ভাবনা ও অন্তরের টানেই এমন কাজগুলো হয়। সে কালীভক্ত হয়ে গেল। এক প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে সে আরেকটিতে। বৈশাখে বৈশাখে সে জহুরাকালীর পুজো দেয়। বাবারও (খোদাবক্স) এতে সায় ছিল।
তাছাড়া সে আস্তিকই ছিল, কালীভক্ত হয়ে সেই আস্তিকই রয়ে গেল। এই অপশনটাই বা থাকবে না কেন? অথচ অনেকে বলছেন—এটা নাকি ‘গুনাহ’। ওই যে আগে বলেছি—দু-একজন বাঙালি আস্তিক হয়েও কট্টর পথেই আছেন। তাই বলতে পারেন—কোথাকার এক সিরাজ কালীভক্ত হয়ে গেল—দু-একটা এরকম ঘটতেই পারে। অর্থাৎ দু-একটা
ঘটে বলে এর কোনও গুরুত্বই নেই? কিন্তু মরি-বাঁচি
করে একটা পাকা সমীক্ষা হোক (এখনও
পর্যন্ত সমীক্ষাই হয়নি), দেখবেন অনেক উদাহরণ সামনে আসবে।
সবশেষে বলি: আশাবাদী আমরা হয়তো একদিন দেখব—সব বাঙালিরই লাইফ-স্টাইলটা এক হয়ে গেছে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা।
 
04th  October, 2019
সবুজ হচ্ছে জঙ্গলমহলের প্রকৃতি ও মানুষ
সন্দীপন বিশ্বাস

জঙ্গলমহল হাসছে। এই কথাটা একসময় বহু ব্যবহৃত শব্দবন্ধের মতো হয়ে গিয়েছিল। তারপর সেটা নিয়ে বিরোধীদের বিদ্রুপ করা শুরু হল। কিন্তু এটা ঠিক, ২০১১ সালের আগে যে জঙ্গলমহলের চোখে জল ছিল, তা আর ফিরে আসেনি।
বিশদ

 সমাজ ব্যর্থ হলে অসহায় মানুষের
পাশে দাঁড়াবার রাজনীতিই কাম্য
শুভময় মৈত্র

কোভিডাক্রান্ত ফুসফুসে সাহস জোগাতে সরকারের সহযোগিতায় দলমত নির্বিশেষে আরও কিছুটা উদ্যোগ জরুরি। দ্রুততার সঙ্গে সে কাজ না-হলে আম জনতা বিপদে পড়বে। সমাজ অকৃতকার্য হলে অ্যাম্বুলেন্সে উঠতে না-পেরে অসুস্থের মৃত্যু রুখতে হবে নিঃসহায়ের রাজনীতিকেই।
বিশদ

নয়া নীতিতে শিক্ষা
আমাদের ‘বাহন’ হবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

নরেন্দ্র মোদি সরকার নয়া শিক্ষানীতি ঘোষণা করার পর দিকে দিকে কেমন একটা হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে। বিষয়ে নতুনত্ব আছে। আর তা অস্বীকার করার জায়গা নেই। সরকারি স্কুলে প্লে-গ্রুপ ও কিন্ডারগার্টেন, ১০+২ এর ধারণা পিছনে ফেলে ফুটবলের মতো ৫+৩+৩+৪ ছকে স্কুলশিক্ষাকে সাজানো এবং সায়েন্স, আর্টস, কমার্স উঠে যাওয়া... নড়েচড়ে বসার মতো পরিস্থিতি বটে।
বিশদ

04th  August, 2020
রাজ্য-রাজনীতির বর্ণময় চরিত্র
সোমেন মিত্রের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত 
প্রবীর ঘোষাল

২০০০ সালের মার্চ মাস। রাজ্য কংগ্রেস রাজনীতিতে ঘোর সঙ্কট। দু’বছর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করে ঝড় তুলে দিয়েছেন। দু’-দু’টি লোকসভা নির্বাচনে জোড়াফুলের সাফল্য গোটা দেশকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই সময় এল পশ্চিমঙ্গে রাজ্যসভা নির্বাচন।  
বিশদ

03rd  August, 2020
করুণ কাহিনীতে কোনও ‘সমাপ্ত’ হয় না 
পি চিদম্বরম

গত বছরের ৫ আগস্ট ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়। তারপর থেকে লিখিত আদেশ ছাড়াই জম্মু ও কাশ্মীরের অনেক ব্যক্তিকে ‘গৃহবন্দি’ করা হয়েছে। এরকমই একজন গৃহবন্দি রাজনৈতিক নেতা বলেন যে, ‘জম্মু ও কাশ্মীর একটা বিরাট বন্দিশালা’। 
বিশদ

03rd  August, 2020
৫ আগস্ট ও নরেন্দ্র
মোদির ভোট অঙ্ক
হিমাংশু সিংহ 

২৯ বছর আগে ছবিটা তুলেছিলেন মহেন্দ্র ত্রিপাঠি। করোনা আবহে সেই ছবিই গোটা দেশে আজ হঠাৎ ভাইরাল। মহেন্দ্র পেশায় শখের ফটোগ্রাফার। ছোট্ট একটা স্টুডিও আছে অযোধ্যার প্রস্তাবিত রামমন্দির চত্বরের কাছেই।   বিশদ

02nd  August, 2020
ভাবনা বদলালেই সহজ
হবে করোনা মোকাবিলা
তন্ময় মল্লিক 

‘আমারই চেতনার রঙে পান্না হল সবুজ, চুনি উঠল রাঙা হয়ে। আমি চোখ মেললুম আকাশে, জ্বলে উঠল আলো পুবে-পশ্চিমে।’—রবীন্দ্রনাথ। ‘শিক্ষা আনে চেতনা, চেতনা আনে বিপ্লব, বিপ্লব আনে মুক্তি।’—লেনিন।   বিশদ

01st  August, 2020
বন্ধু চীনই এখন
আমেরিকার বড় শত্রু
মৃণালকান্তি দাস 

পঞ্চাশ বছরের ‘সম্পর্ক’ মাত্র চার বছরে উল্টে গিয়েছে! এই সেদিনও চীন-আমেরিকা নিজেদের বলত ‘কৌশলগত বন্ধু’। ১৯৭১ সালে বেজিং সফরে গিয়ে ধুরন্ধর মার্কিন বিদেশসচিব হেনরি কিসিঞ্জার সেই ‘বন্ধুত্বে’র চারা লাগিয়ে এসেছিলেন।   বিশদ

31st  July, 2020
মমতাকে স্বস্তি দিচ্ছে
বিজেপির এই রাজনীতি
হারাধন চৌধুরী 

যদি ক্যুইজে প্রশ্ন করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে? প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নাম ক’জনের মাথায় আসবে সংশয় রয়েছে। বেশিরভাগ উত্তরদাতার ঠোঁটের ডগায় তৈরি থাকবে বিধানচন্দ্র রায়ের নামটা।   বিশদ

30th  July, 2020
মোদিজি, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন
সন্দীপন বিশ্বাস 

কতটা লড়াইয়ের পর করোনার মতো এমন ভয়ঙ্কর ভাইরাসকে নিঃশেষ করা যাবে, আমরা জানি না। কতদিনে আমরা এর ওষুধ বের করতে পারব, তাও জানি না! কোভিড ওষুধ নিয়ে আমাদের দেশের ও বিশ্বের বিজ্ঞানীদের গবেষণা এখন ঠিক কোন পর্যায়ে, সেটাও আমরা জানি না।   বিশদ

29th  July, 2020
পাঁপড়ভাজা খেলে ভ্যাকসিন
বানানোর দরকারটা কী?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ফিদেল কাস্ত্রোর ইন্টারভিউ নিতে গিয়েছেন এক সাংবাদিক। শুরুতেই কাস্ত্রো পাল্টা একটা প্রশ্ন ছুঁড়লেন... ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা পড়েছেন? ফিনিশ লেখক না?... দারুণ লেখা কিন্তু।’ মার্কিনিদের জীবনযাত্রা ছিল ‘দ্য ফোর্থ ভার্টিব্রা’র বিষয়বস্তু।   বিশদ

28th  July, 2020
চীন ‘মাকড়শা’ হলে ভারত তার ‘শিকার’
পি চিদম্বরম

 দ্য স্পাইডার্স ওয়েব। মানে মাকড়শার জাল। এই সম্পর্কে তথ্য জানতে যদি ইন্টারনেট সার্চ করেন, তবে আপনি জিনিসটাকে পাবেন—‘সিক্স সারপ্রাইজিং ফ্যাক্টস অ্যাবাউট স্পাইডারওয়েবস’ হিসেবে। মানে মাকড়শার জাল সম্পর্কে ছয়টি অবাক করা সত্য।
বিশদ

27th  July, 2020
একনজরে
বরুসিয়া ডর্টমুন্ড থেকে পাঁচ বছরের চুক্তিতে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে পা রাখতে চলেছেন জ্যাডন স্যাঞ্চো। ইংল্যান্ডের এই উইঙ্গারকে ১০৮ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে দলে নিতে চাইছে ম্যান ইউ।   ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে, সেগুলির কয়েকটির বাজার বন্ধকালীন দর।  ...

সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: এবছর স্বাধীনতা দিবসে রায়গঞ্জের ঘড়ি মোড় এলাকায় ১০৫ ফুট উঁচু স্তম্ভের সঙ্গে আকাশে উড়বে জাতীয় পতাকা। সেজন্য ইতিমধ্যেই প্রায় সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করে ফেলা হয়েছে। মঙ্গলবার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে ঘড়ি মোড় এলাকায় পরিদর্শন করলেন রায়গঞ্জ পুরসভার ...

শুধু হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি নয়। আজ, বুধবার অযোধ্যায় সম্পূর্ণ হচ্ছে ব্যক্তি নরেন্দ্র মোদির ৩০ বছরের জার্নির একটি বৃত্ত। গুজরাত থেকে অযোধ্যা—১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে লালকৃষ্ণ আদবানির ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের কোনও সুখবর আসতে পারে। কর্মক্ষেত্রে পদোন্নতির সূচনা। গুপ্তশত্রু থেকে সাবধান। নতুন কোনও প্রকল্পের জন্য ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৭৫ - বৃটিশ ভারতে কর কর্মকর্তা মহারাজা নন্দকুমারের মৃত্যু
১৯৩০ -মার্কিন নভোচারী তথা প্রথম মানুষ, যিনি চাঁদে অবতরণ করেন নীল আর্মস্ট্রংয়ের জন্ম
১৯৩১: অভিনেত্রী গীতা দে’র জন্ম
১৯৬২: অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর মৃত্যু
১৯৬৯: প্রাক্তন ক্রিকেটার বেঙ্কটেশ প্রসাদের জন্ম
১৯৭৪: অভিনেত্রী কাজলের জন্ম
২০০০: ক্রিকেটার লালা অমরনাথের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩৮ টাকা ৭৬.১০ টাকা
পাউন্ড ৯৬.৬৯ টাকা ১০০.০৭ টাকা
ইউরো ৮৬.৯৫ টাকা ৯০.১৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৫৪,৬৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৫১,৮৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৫২,৬৫০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৬৫,০৮০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৬৫,১৮০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া ৪৪/৩ রাত্রি ১০/৫১। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১০/৪২ দিবা ৯/৩০। সূর্যোদয় ৫/১৩/২৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৪২। অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৯/৩২ গতে ১১/১৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে ২/২১ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৭ গতে ৯/৯ মধ্যে পুনঃ ১/৩২ গতে উদয়াবধি। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৫৩ গতে ৩/৩৭ মধ্যে, রাত্রি ৯/৯ গতে ১০/৩৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৫ মধ্যে পুনঃ ১১/৪২ গতে ১/১৯ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫১ মধ্যে।
২০ শ্রাবণ ১৪২৭, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২০, দ্বিতীয়া রাত্রি ৯/৪৮। ধনিষ্ঠানক্ষত্র দিবা ৯/৪০। সূর্যোদয় ৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে ও ৯/৩২ গতে ১১/১৪ মধ্যে ও ৩/২৮ গতে ৫/১০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৪৬ গতে ৯/১ মধ্যে ও ১/৩২ গতে ৫/১৩ মধ্যে। মাহেন্দ্রযোগ দিবা ১/৪৬ গতে ৩/২৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১ গতে ১০/৩১ মধ্যে। কালবেলা ৮/২৮ গতে ১০/৬ ও ১১/৪৩ গতে ১/২১ মধ্যে। কালরাত্রি ২/২৮ গতে ৩/৫০ মধ্যে।
১৪ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রুপোর প্রধান শিলা সহ মোট ৯টি শিলার পুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী 

01:13:04 PM

ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান সমাপ্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

01:07:44 PM

সুশান্ত মৃত্যুর সিবিআই তদন্তের সুপারিশ গ্রহণ করল কেন্দ্র 
বিহার সরকারের সুপারিশ মেনে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু রহস্য ...বিশদ

12:18:32 PM

অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান
অযোধ্যায় রাম জন্মভূমিতে শুরু হল ভূমিপুজোর অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ...বিশদ

12:18:00 PM

অযোধ্যায় হনুমানগড়িতে পুজো দেওয়ার পর রামলালা দর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী 

12:08:00 PM

অযোধ্যায় হনুমানগড়ি থেকে বেরিয়ে রামলালার পথে প্রধানমন্ত্রী 

12:02:35 PM