Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি। এপার ওপার—দু’পার জুড়ে যাদের ঘর-উঠোন, পদ্মা-গঙ্গা-মেঘনা-যমুনা ছুঁয়ে যারা, শিলচর পুববাংলাতে (তৎকালীন) কত বড় এক-একটা কাণ্ড যারা ঘটাল, তাদের আবার বাঙালি ছাড়া কী বলতে হবে শুনি। হ্যাঁ, জানি—কিছু অপ্রীতিকর কাণ্ডও ঘটে যায়। যেমন, বসিরহাট-কাণ্ড, ক্যানিং-উস্তি-ধুলাগড় ইত্যাদি।
সেবার (২০১৭-তে) অগ্নিগর্ভ ছিল বসিরহাট। ক্ষোভে-বিরক্তিতে বিনয় বসিরহাট ছাড়তে চেয়েছিল। কিন্তু কে এসে তার সামনে দাঁড়িয়েছিল? দাঁড়িয়েছিল ইশাদ। সে বলেছিল—যাব বললেই হল? অত সহজ? এসো মিলেজুলে থাকি। বিনয়ের যাওয়া হয়ে ওঠেনি। এটা কি নিছক লোক-দেখানো? ইশাদের বাইরের খোলস? উত্তরটা বিনয়ই দিতে পারে। এবার যদি বলি—আমরা বাঙালিরা কেমনভাবে এখানে বেঁচে আছি? শুধু কি পুজোর ভিড়ে, ঈদের ভিড়ে? না। আমরা আছি জীবনে, আছি দৈনন্দিনতায়।
আপনি হয়তো ভাবছেন—আমরা কেউ নামাজে মগ্ন, কেউ মগ্ন তেত্রিশ কোটি দেবতায়। সুতরাং এটাই তো সামগ্রিকভাবে বাঙালি হয়ে ওঠার পিছনে বড় বাধা। কিন্তু না। ওটা আমাদের একটা জীবনচর্যা, একটা লাইফ-স্টাইল মাত্র। বরং আসুন ব্যাপারটা এইভাবে নিই: সবাই কি সব কাজে কাঁটায় কাঁটায় একসঙ্গে থাকতে পারে, নাকি থেকেছে? না-ও থাকতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে, মিটিংয়ে, মিছিলে, বিধানসভায়, লোকসভায় যেমন ইচ্ছেমতো পক্ষ বেছে নেওয়া যায়, তেমনি সেই নিয়মে কেউ বেছেছে তেত্রিশ কোটি, কেউ আল্লাকে। এটা আমাদের ধ্যান-ধারণাগত বা জীবনচর্যাগত একটা ব্যাপার। অনর্থক এসবের গায়ে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ছেঁকা না লাগানোই ভালো। ওটা না লাগালে দেখবেন আমরা ভালো থাকব।
এমনটাও ধরে নিতে পারেন—আমরা পুজোয় থাকি আর নামাজেই থাকি, আমরা সূক্ষ্মভাবে সমগোত্রীয়ই। কী রকম? না, আমরা আস্তিক। একটা কমন থিঙ্কিং নিয়ে বেঁচে আছি। এদিক থেকে সিরাজুল-কৃষ্ণেন্দুরা একই চরিত্রের। এখন প্রশ্ন—সবাই কি নামাজে-মন্ত্রে? একেবারেই নিষ্ঠাবান? না, তাও নয়। কয়েকজন কাঁটায় কাঁটায় চলে না। কিছুটা ছেড়ে, কিছুটা ধরে, লোকে কী বলবে—এমন একটা ভয়ে ভয়ে। এ দলে অমলও আছে, সফিকুলও আছে। বাধা-নিষেধ কিছুটা মেনে চলে, সবটা নয়। আবার কয়েকজন ভিন্ন। নামাজেও নেই, মন্ত্রেও নেই। যেমন, তাজিমুর, স্বপন। হিসাবটা অতএব দাঁড়াল এইরকম: আমরা বাঙালিরা—(১) কেউ ঠিকঠাক আস্তিক, (২) কয়েকজন আধা আস্তিক, আধা নাস্তিক, (৩) কেউ আবার ঠিকঠাক নাস্তিক।
প্রথমদের শরীরে পৈতে-দাড়ি-টুপি। কিছু বাধা-নিষেধ কিছু লোকাচারের চাপে এদের থাকতে হয়। দু-একজন কট্টর পথে এগলেও প্রায় সবাই মনে করে—আমরা বিশ্বপিতা বা আব্বার সন্তান। মুর্শিদাবাদের খড়েরা গ্রামের ইসু শেখকে চেনেন? তিনি মনে করেন—আমরা সবাই তানারই সন্তান, তাই সবাই আমার আত্মীয়। একেবারে আস্তিক জনোচিত কথা। রূপচাঁদ শেখও বেলুড়মঠে পুজোর ভিড়ে মিশে যান, খুশি থাকেন।
কেন, আমতার বসুবাড়ির লোকগুলোকে দেখুন না। ওদের বাড়ির চাতালে মহরম উপলক্ষে সমাবেশ হয়। সেখানে সাবেদ-গোলামেরা সরবত পায়, আপ্যায়িত হয়। দণ্ডিরহাটে (বসিরহাট) বসুবাড়ির লোকেরা মাজেদ-মোল্লাদের বাড়িতে ঠাকুর ভাসানের অনুমতি চাইতে যায়। কালনার ষষ্ঠী মল্লিক একবার ফিরোজাবিবির মেয়ে বর্ষা খাতুনকে কুমারী পুজোয় বসিয়েছিল, জানেন? বোলপুরের কাছাকাছি নওদায় যান, দেখবেন ওখানে মাজারের চাদর চাপানোর আগে এক সাধকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। বুঝুন একবার! প্লিজ, এদের ভিন্ন রকমের বাঙালি ভাববেন না। এরা একই গোত্রের।
দ্বিতীয় দলভুক্তরাই বা কেমন বাঙালি? শরীরে পৈতে আছে, অথচ পুজোয় অনাগ্রহী। আবদুল্লার দাড়ি-টুপি আছে, কিন্তু আচারবিমুখ। অমলের পৈতে নেই, কিন্তু পুজো প্যান্ডেলে যায়, পূর্বপুরুষের ধর্মীয় পাণ্ডিত্যে গর্ববোধ করে। রফিকুল দাড়ি রাখে না, টুপি পরে না, অথচ ধরে বসলে রোজাও রাখে এবং মাঝখানে ছেড়েও দেয়। এই অমল-রফিকুলদের এক পা বিজ্ঞান-আন্দোলনে, আরেক পা হজে-দক্ষিণেশ্বরে। তৃতীয় শ্রেণীভুক্ত বাঙালি মনসুর-রোদ্দুরেরা মুক্তমনা। এদের ইডিওলজি ধর্মীয় আবহ পারমিট করে না। তাই না পুজোয়, না নামাজে। আছে ভাষা উৎসবে, বর্ষবরণে, বঙ্গ সংস্কৃতি উৎসবে, কিছু সামাজিক ইস্যুতে মানুষের পাশে। আস্থা মানবিকতায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ধর্মপ্রাণদের ভোটও আশা করে না। ডাহা ফেলেও ভয় নেই।
এই তিন জীবনচর্যা যদি মেনে নেওয়া যায় তবে স্বপন-সিরাজুল-অমল-রফিকুল-রোদ্দুরেরা কি আলাদা রকমের বাঙালি? কারা ক’জন বাঙালি পুজোয়-ঈদে অংশ নিচ্ছে, সব্বাই কি পুজোয় এবং ঈদে—দুটোতেই—উপরের আলোচনায় এসবেরই উত্তর কিছুটা। একথাও হয়েছে—সঙ্গত কারণে সবার অংশগ্রহণ হয়ে ওঠে না। তাই বলে ‘সম্প্রীতি গেল গেল’—এমন চেঁচামেচিও হতে পারে না। প্রসঙ্গত বলি: বাঙালি হিসেবে সিরাজ শেখের কৃতিত্ব অনেকটাই। একটা বিশ্বাস, লোকায়ত ভাবনা ও অন্তরের টানেই এমন কাজগুলো হয়। সে কালীভক্ত হয়ে গেল। এক প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে সে আরেকটিতে। বৈশাখে বৈশাখে সে জহুরাকালীর পুজো দেয়। বাবারও (খোদাবক্স) এতে সায় ছিল।
তাছাড়া সে আস্তিকই ছিল, কালীভক্ত হয়ে সেই আস্তিকই রয়ে গেল। এই অপশনটাই বা থাকবে না কেন? অথচ অনেকে বলছেন—এটা নাকি ‘গুনাহ’। ওই যে আগে বলেছি—দু-একজন বাঙালি আস্তিক হয়েও কট্টর পথেই আছেন। তাই বলতে পারেন—কোথাকার এক সিরাজ কালীভক্ত হয়ে গেল—দু-একটা এরকম ঘটতেই পারে। অর্থাৎ দু-একটা
ঘটে বলে এর কোনও গুরুত্বই নেই? কিন্তু মরি-বাঁচি
করে একটা পাকা সমীক্ষা হোক (এখনও
পর্যন্ত সমীক্ষাই হয়নি), দেখবেন অনেক উদাহরণ সামনে আসবে।
সবশেষে বলি: আশাবাদী আমরা হয়তো একদিন দেখব—সব বাঙালিরই লাইফ-স্টাইলটা এক হয়ে গেছে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা।
 
04th  October, 2019
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
রাজধর্ম
তন্ময় মল্লিক 

যেমন কথা তেমন কাজ। উম-পুন সুপার সাইক্লোনে ক্ষতিপূরণ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন, টাঙিয়ে দেওয়া হবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা। ফেরানো হবে অবাঞ্ছিতদের হাতে যাওয়া ক্ষতিপূরণ।   বিশদ

04th  July, 2020
উন্নয়ন  ও  চীনা  আগ্রাসনের  উত্তর  একসুতোয় গাঁথা
নীলাশিস  ঘোষদস্তিদার 

আমরা ভারতীয়রা চীনা পণ্য বয়কট করব কি না, এই প্রশ্নে অনেকেই বেশ দ্বিধায়। এই কারণে যে এত সস্তায় কেনা সাধের চীনা অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি ছেড়ে কি দামি আই-ফোন বা অকাজের দেশি ফোন কিনতে হবে?   বিশদ

03rd  July, 2020
ভার্চুয়াল স্ট্রাইক নাকি ড্যামেজ কন্ট্রোল!
মৃণালকান্তি দাস

ভারতের কোনও রাষ্ট্রনেতা তাঁর মতো বিদেশ সফর করেননি। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও বিনিয়োগ টানতে চীনে গিয়েছেন অনেকবার। তখন তিনি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী। দশ বছরে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং চীনে গিয়েছেন ২ বার।  বিশদ

03rd  July, 2020
চীনের নতুন পুতুলের নাম পাকিস্তান
হারাধন চৌধুরী 

পাকিস্তান ছিল আমেরিকার পুতুল। এবার সেটা হাত বদলে চীনের হয়েছে। চীনের কোনও কিছুর গ্যারান্টি নেই। যেমন তাদের কথা আর বিশ্বাসের মূল্য, তেমনি চীনা প্রোডাক্টের আয়ু। এ নিয়ে চালু রসিকতাও কম নয়।  বিশদ

02nd  July, 2020
‘শোলে’ ছবির পুনর্নির্মাণ
সন্দীপন বিশ্বাস

দৃশ্য ১
রামগড়ের পাহাড়ের কোলে নিজের ডেরায় রাগে ফুঁসছেন গব্বর সিং। হাতের লোহার বেল্টটা পাথুরে মাটিতে ঘষতে ঘষতে এদিক ওদিক করছেন। চোখ মুখ দিয়ে তাঁর রাগ উথলে পড়ছে। চারপাশে গব্বর সিংয়ের চ্যালা কালিয়া, সাম্ভারা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে আছে। একটু পরে গব্বর সিং বললেন, ‘হুম, সীমান্তে ওরা কতজন ছিল?’ কালিয়া ভয়ে মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, ‘ওরা অনেকেই ছিল সর্দার। হাতে ওদের অনেক অস্ত্রশস্ত্রও ছিল।’
বিশদ

01st  July, 2020
সুদিনের আশায়
গ্রামীণ পর্যটন
দেবাশিস ভট্টাচার্য

 ক’দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের গ্লোবাল হওয়ার কথা বললেন। বললেন দেশীয় উৎপাদন ও সম্পদকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে। মেড ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ওয়ার্ল্ড। ব্যাপারটাকে আমরা লোকাল টু গ্লোবাল হিসেবে দেখতে পারি। বিশদ

01st  July, 2020
‘সাম্রাজ্যবাদী’ জিনপিং...
শেষের এটাই শুরু নয় তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তরুণ বয়সে মাও সে তুং লিখেছিলেন... চীনকে ধ্বংস করতে হবে, আর সেই ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে তুলতে হবে নতুন দেশ। বিপ্লব—এটাই ছিল তাঁর লক্ষ্য... এবং স্বপ্নও। ভেবেছিলেন, কমিউনিজমই পারবে এই বিপ্লব আনতে। শত শত আইডিয়া ঘোরাফেরা করত তাঁর মাথায়। কিন্তু গা করেনি কেউ। বিশদ

30th  June, 2020
আপনি কি আর্থিক পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখছেন?
পি চিদম্বরম

 কিছু মানুষের দূরদৃষ্টি নিখুঁত। কিছু মানুষ অন্যদের চেয়ে ভালো দেখেন। তাঁরা দ্রষ্টা। সাধারণ মরণশীল মানুষ দেখতে পায় না এমন জিনিসও তাঁরা দেখতে পান। কিছু মানুষের দৃষ্টিশক্তি আমাদের ভাবনার চেয়েও উন্নত। তাঁরা মহাজ্ঞানী। তাঁরা ভবিষ্যৎ বলে দিতে পারেন। গড়পড়তা মানুষের যা অসাধ্য।
বিশদ

29th  June, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন: ভারতকে ভালোবাসে আমেরিকা— প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছার জবাবে ট্যুইটে এই বার্তাই দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মোদি লিখেছিলেন, ‘আমেরিকার ২৪৪তম স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকার সবাইকে ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: এই প্রথম রাজ্যে বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষের উদ্যোগ নিল মৎস্য দপ্তর। পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি জেলায় এই পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে।   ...

নয়াদিল্লি (পিটিআই): একদিকে পাকিস্তান, অন্যদিকে চীন। জোড়া শত্রুর ষড়যন্ত্র সামলাতে হচ্ছে ভারতকে। এই অবস্থায় সীমান্তের পরিকাঠামো মজবুত করতে একসঙ্গে অনেকগুলি হাইওয়ে প্রকল্পের কাজ চলছে।  ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: শত্রু যখন প্রবল পরাক্রমী, অস্ত্রও দরকার তেমনি আধুনিক। করোনার সঙ্গে যুদ্ধে সরকারি হাসপাতালগুলির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে হাইটেক সব ‘অস্ত্র’। ভয়ঙ্কর সংক্রামক করোনা ছড়ায় ড্রপলেটের মাধ্যমে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চবিদ্যার ক্ষেত্রে বাধার মধ্য দিয়ে অগ্রসর হতে হবে। কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ যোগ। ব্যবসায় যুক্ত হলে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৮৫- জোসেফ মেইস্টারের উপর জলাতঙ্ক রোগের টিকা সফলভাবে পরীক্ষা করলেন লুই পাস্তুর
১৮৯২- ব্রিটেন পার্লামেন্টে প্রথম ভারতীয় হিসাবে নির্বাচিত হলেন দাদাভাই নওরোজি
১৯০১- শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৬- আমেরিকার ৪৩তম প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লু বুশের জন্ম
১৯৪৬- মার্কিন অভিনেতা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের জন্ম
১৯৮৫- অভিনেতা রণবীর সিংয়ের জন্ম
১৯৮৬- রাজনীতিবিদ জগজীবন রামের মৃত্যু
২০০২- রিলায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ধীরুভাই আম্বানির মৃত্যু 



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৩.৮৯ টাকা ৭৫.৬১ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭০ টাকা ৯৪.৯৭ টাকা
ইউরো ৮২.৫৭ টাকা ৮৫.৬৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
05th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৮, ৯৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৬, ৪৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭, ১৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৯, ২৭০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৯, ৩৭০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২২ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ ১০/৫৩ দিবা ৯/২৩। উত্তরাষাঢ়া ৪৫/২৭ রাত্রি ১১/১২৷ সূর্যোদয় ৫/১/১২, সূর্যাস্ত ৬/২১/২০৷ অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৪ গতে ১০/২০ মধ্যে। রাত্রি ৯/৪২ গতে ১২/২ মধ্যে পুনঃ ১/২৭ গতে ২/৫৩ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪১ মধ্যে।  
২১ আষাঢ় ১৪২৭, ৬ জুলাই ২০২০, সোমবার, প্রতিপদ দিবা ৯/২২। উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্র রাত্রি ১২/০। সূযোদয় ৫/১, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৫ গতে ১০/২২ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৩ মধ্যে ও ১/২৮ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪১ গতে ৮/২২ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২২ গতে ১১/৪২ মধ্যে।  
১৪ জেল্কদ 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনা: রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে ভারত 
বিশ্বে করোনা আক্রান্ত হওয়ার নিরিখে রাশিয়াকে টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে ...বিশদ

05-07-2020 - 09:32:25 PM

হালিশহরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ 
তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার ...বিশদ

05-07-2020 - 09:28:41 PM

কর্ণাটকে করোনা পজিটিভ আরও ১,৯২৫, মোট আক্রান্ত ২৩,৪৭৪ 

05-07-2020 - 09:06:12 PM

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ সীমান্তে পাক সেনার গোলাগুলি 

05-07-2020 - 08:37:27 PM

করোনা: মহারাষ্ট্রে নতুন করে আক্রান্ত হলেন ৬৫৫৫, মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬ হাজার ৬১৯ 

05-07-2020 - 08:04:07 PM

করোনা: ফের একদিনে রাজ্যে রেকর্ড সংক্রমণ 
পর পর দু’দিন। নতুন সংক্রমণের নিরিখে ফের রেকর্ড রাজ্যে। গত ...বিশদ

05-07-2020 - 08:02:02 PM