Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি। এপার ওপার—দু’পার জুড়ে যাদের ঘর-উঠোন, পদ্মা-গঙ্গা-মেঘনা-যমুনা ছুঁয়ে যারা, শিলচর পুববাংলাতে (তৎকালীন) কত বড় এক-একটা কাণ্ড যারা ঘটাল, তাদের আবার বাঙালি ছাড়া কী বলতে হবে শুনি। হ্যাঁ, জানি—কিছু অপ্রীতিকর কাণ্ডও ঘটে যায়। যেমন, বসিরহাট-কাণ্ড, ক্যানিং-উস্তি-ধুলাগড় ইত্যাদি।
সেবার (২০১৭-তে) অগ্নিগর্ভ ছিল বসিরহাট। ক্ষোভে-বিরক্তিতে বিনয় বসিরহাট ছাড়তে চেয়েছিল। কিন্তু কে এসে তার সামনে দাঁড়িয়েছিল? দাঁড়িয়েছিল ইশাদ। সে বলেছিল—যাব বললেই হল? অত সহজ? এসো মিলেজুলে থাকি। বিনয়ের যাওয়া হয়ে ওঠেনি। এটা কি নিছক লোক-দেখানো? ইশাদের বাইরের খোলস? উত্তরটা বিনয়ই দিতে পারে। এবার যদি বলি—আমরা বাঙালিরা কেমনভাবে এখানে বেঁচে আছি? শুধু কি পুজোর ভিড়ে, ঈদের ভিড়ে? না। আমরা আছি জীবনে, আছি দৈনন্দিনতায়।
আপনি হয়তো ভাবছেন—আমরা কেউ নামাজে মগ্ন, কেউ মগ্ন তেত্রিশ কোটি দেবতায়। সুতরাং এটাই তো সামগ্রিকভাবে বাঙালি হয়ে ওঠার পিছনে বড় বাধা। কিন্তু না। ওটা আমাদের একটা জীবনচর্যা, একটা লাইফ-স্টাইল মাত্র। বরং আসুন ব্যাপারটা এইভাবে নিই: সবাই কি সব কাজে কাঁটায় কাঁটায় একসঙ্গে থাকতে পারে, নাকি থেকেছে? না-ও থাকতে পারে। ভিন্ন ভিন্ন সামাজিক-রাজনৈতিক ইস্যুতে, মিটিংয়ে, মিছিলে, বিধানসভায়, লোকসভায় যেমন ইচ্ছেমতো পক্ষ বেছে নেওয়া যায়, তেমনি সেই নিয়মে কেউ বেছেছে তেত্রিশ কোটি, কেউ আল্লাকে। এটা আমাদের ধ্যান-ধারণাগত বা জীবনচর্যাগত একটা ব্যাপার। অনর্থক এসবের গায়ে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ছেঁকা না লাগানোই ভালো। ওটা না লাগালে দেখবেন আমরা ভালো থাকব।
এমনটাও ধরে নিতে পারেন—আমরা পুজোয় থাকি আর নামাজেই থাকি, আমরা সূক্ষ্মভাবে সমগোত্রীয়ই। কী রকম? না, আমরা আস্তিক। একটা কমন থিঙ্কিং নিয়ে বেঁচে আছি। এদিক থেকে সিরাজুল-কৃষ্ণেন্দুরা একই চরিত্রের। এখন প্রশ্ন—সবাই কি নামাজে-মন্ত্রে? একেবারেই নিষ্ঠাবান? না, তাও নয়। কয়েকজন কাঁটায় কাঁটায় চলে না। কিছুটা ছেড়ে, কিছুটা ধরে, লোকে কী বলবে—এমন একটা ভয়ে ভয়ে। এ দলে অমলও আছে, সফিকুলও আছে। বাধা-নিষেধ কিছুটা মেনে চলে, সবটা নয়। আবার কয়েকজন ভিন্ন। নামাজেও নেই, মন্ত্রেও নেই। যেমন, তাজিমুর, স্বপন। হিসাবটা অতএব দাঁড়াল এইরকম: আমরা বাঙালিরা—(১) কেউ ঠিকঠাক আস্তিক, (২) কয়েকজন আধা আস্তিক, আধা নাস্তিক, (৩) কেউ আবার ঠিকঠাক নাস্তিক।
প্রথমদের শরীরে পৈতে-দাড়ি-টুপি। কিছু বাধা-নিষেধ কিছু লোকাচারের চাপে এদের থাকতে হয়। দু-একজন কট্টর পথে এগলেও প্রায় সবাই মনে করে—আমরা বিশ্বপিতা বা আব্বার সন্তান। মুর্শিদাবাদের খড়েরা গ্রামের ইসু শেখকে চেনেন? তিনি মনে করেন—আমরা সবাই তানারই সন্তান, তাই সবাই আমার আত্মীয়। একেবারে আস্তিক জনোচিত কথা। রূপচাঁদ শেখও বেলুড়মঠে পুজোর ভিড়ে মিশে যান, খুশি থাকেন।
কেন, আমতার বসুবাড়ির লোকগুলোকে দেখুন না। ওদের বাড়ির চাতালে মহরম উপলক্ষে সমাবেশ হয়। সেখানে সাবেদ-গোলামেরা সরবত পায়, আপ্যায়িত হয়। দণ্ডিরহাটে (বসিরহাট) বসুবাড়ির লোকেরা মাজেদ-মোল্লাদের বাড়িতে ঠাকুর ভাসানের অনুমতি চাইতে যায়। কালনার ষষ্ঠী মল্লিক একবার ফিরোজাবিবির মেয়ে বর্ষা খাতুনকে কুমারী পুজোয় বসিয়েছিল, জানেন? বোলপুরের কাছাকাছি নওদায় যান, দেখবেন ওখানে মাজারের চাদর চাপানোর আগে এক সাধকের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। বুঝুন একবার! প্লিজ, এদের ভিন্ন রকমের বাঙালি ভাববেন না। এরা একই গোত্রের।
দ্বিতীয় দলভুক্তরাই বা কেমন বাঙালি? শরীরে পৈতে আছে, অথচ পুজোয় অনাগ্রহী। আবদুল্লার দাড়ি-টুপি আছে, কিন্তু আচারবিমুখ। অমলের পৈতে নেই, কিন্তু পুজো প্যান্ডেলে যায়, পূর্বপুরুষের ধর্মীয় পাণ্ডিত্যে গর্ববোধ করে। রফিকুল দাড়ি রাখে না, টুপি পরে না, অথচ ধরে বসলে রোজাও রাখে এবং মাঝখানে ছেড়েও দেয়। এই অমল-রফিকুলদের এক পা বিজ্ঞান-আন্দোলনে, আরেক পা হজে-দক্ষিণেশ্বরে। তৃতীয় শ্রেণীভুক্ত বাঙালি মনসুর-রোদ্দুরেরা মুক্তমনা। এদের ইডিওলজি ধর্মীয় আবহ পারমিট করে না। তাই না পুজোয়, না নামাজে। আছে ভাষা উৎসবে, বর্ষবরণে, বঙ্গ সংস্কৃতি উৎসবে, কিছু সামাজিক ইস্যুতে মানুষের পাশে। আস্থা মানবিকতায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে ধর্মপ্রাণদের ভোটও আশা করে না। ডাহা ফেলেও ভয় নেই।
এই তিন জীবনচর্যা যদি মেনে নেওয়া যায় তবে স্বপন-সিরাজুল-অমল-রফিকুল-রোদ্দুরেরা কি আলাদা রকমের বাঙালি? কারা ক’জন বাঙালি পুজোয়-ঈদে অংশ নিচ্ছে, সব্বাই কি পুজোয় এবং ঈদে—দুটোতেই—উপরের আলোচনায় এসবেরই উত্তর কিছুটা। একথাও হয়েছে—সঙ্গত কারণে সবার অংশগ্রহণ হয়ে ওঠে না। তাই বলে ‘সম্প্রীতি গেল গেল’—এমন চেঁচামেচিও হতে পারে না। প্রসঙ্গত বলি: বাঙালি হিসেবে সিরাজ শেখের কৃতিত্ব অনেকটাই। একটা বিশ্বাস, লোকায়ত ভাবনা ও অন্তরের টানেই এমন কাজগুলো হয়। সে কালীভক্ত হয়ে গেল। এক প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে সে আরেকটিতে। বৈশাখে বৈশাখে সে জহুরাকালীর পুজো দেয়। বাবারও (খোদাবক্স) এতে সায় ছিল।
তাছাড়া সে আস্তিকই ছিল, কালীভক্ত হয়ে সেই আস্তিকই রয়ে গেল। এই অপশনটাই বা থাকবে না কেন? অথচ অনেকে বলছেন—এটা নাকি ‘গুনাহ’। ওই যে আগে বলেছি—দু-একজন বাঙালি আস্তিক হয়েও কট্টর পথেই আছেন। তাই বলতে পারেন—কোথাকার এক সিরাজ কালীভক্ত হয়ে গেল—দু-একটা এরকম ঘটতেই পারে। অর্থাৎ দু-একটা
ঘটে বলে এর কোনও গুরুত্বই নেই? কিন্তু মরি-বাঁচি
করে একটা পাকা সমীক্ষা হোক (এখনও
পর্যন্ত সমীক্ষাই হয়নি), দেখবেন অনেক উদাহরণ সামনে আসবে।
সবশেষে বলি: আশাবাদী আমরা হয়তো একদিন দেখব—সব বাঙালিরই লাইফ-স্টাইলটা এক হয়ে গেছে। শুধু একটু সময়ের অপেক্ষা।
 
04th  October, 2019
আমাদেরও দম
আটকে আসছে
মৃণালকান্তি দাস

মার্কিন ভণ্ডামি! এটাই ছিল আমেরিকার প্রথম সারির সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ। ৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডের হত্যাকাণ্ড। জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু রাতারাতি বদলে দিয়েছে করোনা আক্রান্ত নিস্তব্ধ আমেরিকাকে। একেই করোনার থাবায় এক লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি।
বিশদ

কিছু বৃক্ষ স্বয়ং ইতিহাস
হারাধন চৌধুরী

 টানা ৬৮ দিনের লকডাউনের নিদারুণ যন্ত্রণা সবে কাটিয়ে উঠেছি আমরা। প্রবেশ করেছি আনলক-১ পর্বে। কেন্দ্রের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী দিনে আরও দু’টি আনলক পর্ব পেরতে হবে। বিশদ

04th  June, 2020
ব্যর্থতার নামাবলি গায়ে
মোদিজির বর্ষপূর্তি
সন্দীপন বিশ্বাস

 লকডাউনের চারটে ইনিংস শেষ করে আমরা ঢুকে পড়েছি প্রথম আনলক সিজনে। করোনা বিধ্বস্ত আমাদের জীবন বইতে শুরু করেছে এক নতুন খাতে। মাত্র কয়েক মাসেই আমাদের জীবনের সামগ্রিক চালচিত্র ম্যাজিকের মতো বদলে গিয়েছে।
বিশদ

03rd  June, 2020
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

02nd  June, 2020
সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
একনজরে
অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে আচমকা লকডাউন শুরু হওয়ায় বিভিন্ন রা঩জ্যে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষ আটকে পড়েছিলেন। এখন প্রতিদিন সেই ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনার দাপটে বিভিন্ন দেশ থেকে ফেরা পেশাদার ব্যক্তিদের জীবিকার সংস্থান করে দিতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এঁদের জন্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে নিয়োগকারী সংস্থা, রাজ্য সরকার এবং বণিকসভাগুলিকে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মাসখানেক হল চালু হয়েছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কোভিড হাসপাতাল। চালু হয়েছে করোনা রোগীদের সুপার স্পেশালিটি ব্লক বা এসএসবি বাড়ি। কিন্তু, এরই মধ্যে কোভিডে মৃত ব্যক্তির মোবাইল উধাও হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ জমা পড়েছে মেডিক্যালের সিকিউরিটি অফিসারের ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী ১ আগস্ট ভারতে খুলছে ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো। আন্তঃরাজ্য ছাড়পত্রও শুরু হবে একই দিনে। বৃহস্পতিবার অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের সচিব কুশল দাস এই কথা জানিয়ে বলেছেন, ‘৯ জুন ভারতে ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো খোলার কথা ছিল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

সঠিক বন্ধু নির্বাচন আবশ্যক, কর্মরতদের ক্ষেত্রে শুভ। বদলির কোনও সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই। শেয়ার বা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩২: শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃতের রচনাকার মহেন্দ্রনাথ গুপ্তের (শ্রীম) মৃত্যু
১৯৩৬: অভিনেত্রী নূতনের জন্ম
১৯৫৯: শিল্পপতি অনিল আম্বানির জন্ম
১৯৭৪: অভিনেতা অহীন্দ্র চৌধুরির মৃত্যু
১৯৭৫ - মার্কিন অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির জন্ম
১৯৮৫: জার্মান ফুটবলার লুকাস পোডোলোস্কির জন্ম

04th  June, 2020


ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৭৪ টাকা ৭৬.৪৫ টাকা
পাউন্ড ৯৩.১৩ টাকা ৯৬.৪৪ টাকা
ইউরো ৮৩.২২ টাকা ৮৬.৩১ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

দৃকসিদ্ধ: ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ৪৯/২৮ রাত্রি ১২/৪২। অনুরাধা নক্ষত্র ২৯/৩১ অপঃ ৪/৪৪। সূর্যোদয় ৪/৫৫/১২, সূর্যাস্ত ৬/১৪/৩২। অমৃতযোগ দিবা ১২/১ গতে ২/১৪ মধ্যে। রাত্রি ৮/২২ মধ্যে পুনক্ষ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/২৯ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৫ গতে ১০/১৫ মধ্যে।
২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৫ জুন ২০২০, শুক্রবার, পূর্ণিমা ১/১। অনুরাধা নক্ষত্র অপরাহ্ন ৫/১২। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৬। অমৃতযোগ দিবা ১২/৬ গতে ২/৪৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৯ মধ্যে ও ১২/৪২ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৬ গতে ১১/৩৬ মধ্যে কালরাত্রি ৮/৫৬ গতে ১০/১৬ মধ্যে।
১২ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯৪ 
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭২ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

07:03:39 PM

করোনা: ইরানে একদিনে আক্রান্ত ২৮৮৬ জন
 

ইরানে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২৮৮৬ জন। মৃত্যু ...বিশদ

05:40:15 PM

উত্তরপাড়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট ১৮ লক্ষ টাকা 
উত্তরপাড়ায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে লুট হল ১৮ লক্ষ টাকা। ...বিশদ

04:29:00 PM

দুর্যোগ নিয়েও রাজনীতি করা হচ্ছে: মমতা 

04:20:00 PM

উমপুনে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ নষ্ট হয়েছে: মমতা 

04:15:00 PM

পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেন-বাসের ভাড়া দিয়েছি: মমতা

04:13:00 PM