Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন অনুসরণীয়
মোহন ভাগবত

ভারতের আধুনিক ইতিহাস তথা স্বাধীন ভারতের উত্থানের কাহিনীতে যেসব মহান ব্যক্তির নাম চিরকালের জন্য লেখা হয়ে আছে, যা সেই সনাতন কাল থেকে চলে আসা ভারতের ঐতিহাসিক গাথার এক একটি অধ্যায় হয়ে যাবে, পূজ্য মহাত্মা গান্ধীর নাম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ভারতবর্ষ আধ্যাত্মিক দেশ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিতেই তার উত্থান হবে। তাকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় রাজনীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি স্থাপনের উদ্যোগ গান্ধীজি নিয়েছিলেন।
গান্ধীজির কর্মজীবন ক্ষমতার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমাজ ও তার নেতৃত্বের সাত্ত্বিক আচরণের উপর তিনি উনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও স্বার্থ প্রেরিত,  অহংকার ও বিকারের  ভিত্তিতে চলা দেশের মধ্যকার এবং বিশ্ব রাজনীতি কে তিনি  সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন। সত্য, অহিংসা, স্বাবলম্বন এবং যে-কোনও মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতার ভিত্তিতে ভারতের জনজীবন গড়ে উঠুক,  দেশ এবং মানবতার জন্য এটাই তার স্বপ্ন ছিল। গান্ধীজির নিজের জীবন তার এই ভাবনার মূর্ত রূপ  হয়ে উঠেছিল।
১৯২২- এ গান্ধীজি বন্দি হওয়ার পর নাগপুর শহর কংগ্রেস এক সভার আয়োজন করেছিল। সেই সভায় বক্তা রূপে ড. হেডগেওআর  ‘পুণ্যপুরুষ’ বিশেষণে গান্ধীজিকে অভিহিত করে বলেছিলেন যে, গান্ধীজির কথা ও কাজের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। নিজের ধৈর্য এবং চিন্তাধারার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন যে শুধু গান্ধীজির  গুণ কীর্তন করলেই গান্ধীজির আরাধ্য কাজ এগবে না। গান্ধীজির অনেক গুণ  নিজেদের জীবনে অনুসরণ করলেই  তা গান্ধীজির কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
পরাধীনতা  জাত দাস মানসিকতা যে কত ক্ষতিকর গান্ধীজি তা জানতেন। সেই মানসিকতা মুক্ত, শুদ্ধ স্বদেশী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভারতের বিকাশ এবং আচরণের এক  স্বপ্নীল চিত্র  তিনি ‘হিন্দ স্বরাজ’-এ ফুটিয়ে তুলেছিলেন। সেই সময় বিশ্বের সকলের চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো পার্থিব উন্নতির বলে বিজয়ী পাশ্চাত্য জগৎ, তাদের জীবন পদ্ধতি ও শৈলী, ক্ষমতা বলে শিক্ষাকে বিকৃত করে আর্থিক দৃষ্টিতে সকলকে নিজেদের আশ্রিত তৈরি করার চেষ্টা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। এরকম সময়ে  গান্ধীজির এই প্রয়াস  ‘স্বত্বের’ ভিত্তিতে জীবনের সমস্ত দিকগুলি সম্পর্কে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সফল প্রয়োগ । কিন্তু দাস মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা না ভেবে চিন্তে পশ্চিমি সমস্ত বিষয়কেই প্রামান্য মনে করে নিজেদের পূর্বজ, পূর্ব গৌরব এবং পূর্বসংস্কারকে হীন ও হেয় মনে করে অন্ধ অনুকরণ ও চাটুকারিতায় মেতে ওঠেন। তার  বিরাট প্রভাব আজ ভারতবর্ষের দিশা এবং দশায় প্রতিফলিত। অন্য বহু দেশে সমকালীন মহান ব্যক্তিরা গান্ধীজির ভারত-কেন্দ্রিক চিন্তা থেকে  কিছু অংশ গ্রহণ করে নিজেদের দেশের চিন্তাধারাকে ঋদ্ধ করেছিলেন। আইনস্টাইন তো গান্ধীজির মৃত্যুতে  বলেছিলেন যে, আগামী প্রজন্মের পক্ষে এটা বিশ্বাস করাই কঠিন যে এরকম কোনও ব্যক্তি এই ভূমিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এরকম পবিত্র আচরণ এবং বিচারধারা গান্ধীজি নিজের জীবনের উদাহরণের মাধ্যমে আমাদের সামনে রেখেছিলেন।
গান্ধীজি ১৯৩৬ সালে  ওয়ার্ধার কাছে আয়োজিত সংঘ শিক্ষা বর্গে  এসেছিলেন। পর দিন ডাক্তারজির  সঙ্গে  তাঁর সাক্ষাৎ গান্ধীজির বাসস্থানেই হয়েছিল। গান্ধীজির সঙ্গে তাঁর বিস্তৃত চর্চা এবং প্রশ্ন-উত্তর এখন প্রকাশিত হয়েছে। দেশ বিভাজনের রক্তরঞ্জিত সময় দিল্লিতে তার বাসস্থানের কাছাকাছি এক শাখায় উনি এসেছিলেন। শাখাতে তাঁর বৌদ্ধিক হয়েছিল। এর বর্ণনা ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালের ‘হরিজন’-এ ছাপা হয়েছিল। সংঘের স্বয়ংসেবকদের অনুশাসন এবং তাঁদের মধ্যে জাতপাতের বিভেদ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত দেখে গান্ধীজি প্রসন্ন হয়েছিলেন।
‘স্ব’-এর ভিত্তিতে ভারতের পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখা এবং সামাজিক সমতা ও সমরসতার  সম্পূর্ণ পক্ষপাতী, নিজের কথাকে স্বয়ং আচরণের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা,  সমস্ত মানুষের জন্য আদর্শ পূজ্য গান্ধীজিকে আমাদের সকলেরই দেখা, উপলব্ধি করা ও সেইমতো আচরণ করা উচিত। তাঁর এসব সদগুণের কারণে গান্ধীজির  চিন্তাধারার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণকারী ব্যক্তিও তাঁকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ক্ষেত্রে প্রতি দিন সকালে এক স্ত্রোত্রম-এর মাধ্যমে আমাদের দেশের মহান ব্যক্তিদের পরম্পরা স্মরণ করার প্রথা সংঘ স্থাপনার সময় থেকেই আছে । ১৯৬৩ সালে তাতে কিছু নতুন নাম যুক্ত করা হয়। ইতিমধ্যে পূজনীয় গান্ধীজির তিরোধান হয়েছিল। তাঁর নামও এতে যুক্ত হয়। বর্তমানে এটিকে ‘একাত্মতা স্তোত্রম’ বলে। সংঘের স্বয়ংসেবক প্রতিদিন সকালে ‘একাত্নতা স্তোত্রম’-এ গান্ধীজির নাম উচ্চারণ করার মধ্য দিয়ে উপরোক্ত গুণসম্পন্ন তার জীবনকে স্মরণ করে।
তাঁর আবির্ভাবের ১৫০-তম বর্ষে  তাঁকে স্মরণ করে আমাদের সকলের সংকল্প করা উচিত যে তাঁর পবিত্র, ত্যাগময় এবং দৃষ্টান্তস্বরূপ জীবন তথা ‘স্ব’ ভিত্তিক জীবন অনুসরণ করে আমরা বিশ্বগুরু ভারতকে গড়ে তোলার জন্য নিজেদের জীবনকেও  ত্যাগ ও  সমর্পণের গুণে সমৃদ্ধ করি।
 লেখক রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রধান 
02nd  October, 2019
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
একনজরে
  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা খাতে কেন্দ্রের কাছে ৩০০ কোটি টাকা চাইল শিক্ষা দপ্তর। চিঠি দিয়ে তা জানানো হয়েছে। সুস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্কুলগুলিকে জীবাণুমুক্ত করা থেকে শুরু করে অন্যান্য নানা কাজের জন্যই এই বিপুল অর্থের প্রয়োজন। ...

অলকাভ নিয়োগী, বর্ধমান: সুপার সাইক্লোন উম-পুনের জেরে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি মেরামতি তথা পুনর্গঠনের জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলার দু’হাজারের বেশি পরিবার ২০ হাজার টাকা করে অনুদান পাবে। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর পূর্ব বর্ধমান জেলার জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দও করেছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...

 মাদ্রিদ, ১ জুন: করোনার ধাক্কা সামলে স্প্যানিশ লিগের পরিবর্তিত সূচি ঘোষণা করল লিগ কমিটি। ১১ জুন সেভিয়া ডার্বি দিয়ে বন্ধ হওয়া লিগ শুরু হবে। ঘরের মাঠে সেভিয়া মুখোমুখি হবে রিয়াল বেতিসের। ১৩ জুন মাঠে নামবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৫২২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 
আজও ৫২২.০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স। ১.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আজকের ...বিশদ

04:48:35 PM

 আগামীকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক
আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টার সময় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন লোক কল্যাণ মার্গে ...বিশদ

04:38:30 PM

 গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত আরও ৩৪৮
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে আরও ৩৪৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

04:21:08 PM

পাকিস্তানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৩,৯৩৮ ও মৃত ৭৮ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ ...বিশদ

03:57:03 PM

রাশিয়ায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৮,৮৬৩ ও মৃত ১৮২ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৮৬৩ ...বিশদ

03:39:35 PM

মনোজ তিওয়ারির বদলে নয়াদিল্লির বিজেপি সভাপতি হলেন আদেশ কুমার গুপ্তা 

03:26:00 PM