Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন অনুসরণীয়
মোহন ভাগবত

ভারতের আধুনিক ইতিহাস তথা স্বাধীন ভারতের উত্থানের কাহিনীতে যেসব মহান ব্যক্তির নাম চিরকালের জন্য লেখা হয়ে আছে, যা সেই সনাতন কাল থেকে চলে আসা ভারতের ঐতিহাসিক গাথার এক একটি অধ্যায় হয়ে যাবে, পূজ্য মহাত্মা গান্ধীর নাম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ভারতবর্ষ আধ্যাত্মিক দেশ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিতেই তার উত্থান হবে। তাকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় রাজনীতির আধ্যাত্মিক ভিত্তি স্থাপনের উদ্যোগ গান্ধীজি নিয়েছিলেন।
গান্ধীজির কর্মজীবন ক্ষমতার রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। সমাজ ও তার নেতৃত্বের সাত্ত্বিক আচরণের উপর তিনি উনি বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও স্বার্থ প্রেরিত,  অহংকার ও বিকারের  ভিত্তিতে চলা দেশের মধ্যকার এবং বিশ্ব রাজনীতি কে তিনি  সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছিলেন। সত্য, অহিংসা, স্বাবলম্বন এবং যে-কোনও মানুষের প্রকৃত স্বাধীনতার ভিত্তিতে ভারতের জনজীবন গড়ে উঠুক,  দেশ এবং মানবতার জন্য এটাই তার স্বপ্ন ছিল। গান্ধীজির নিজের জীবন তার এই ভাবনার মূর্ত রূপ  হয়ে উঠেছিল।
১৯২২- এ গান্ধীজি বন্দি হওয়ার পর নাগপুর শহর কংগ্রেস এক সভার আয়োজন করেছিল। সেই সভায় বক্তা রূপে ড. হেডগেওআর  ‘পুণ্যপুরুষ’ বিশেষণে গান্ধীজিকে অভিহিত করে বলেছিলেন যে, গান্ধীজির কথা ও কাজের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই। নিজের ধৈর্য এবং চিন্তাধারার জন্য সর্বস্ব ত্যাগ করতে তিনি সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন যে শুধু গান্ধীজির  গুণ কীর্তন করলেই গান্ধীজির আরাধ্য কাজ এগবে না। গান্ধীজির অনেক গুণ  নিজেদের জীবনে অনুসরণ করলেই  তা গান্ধীজির কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
পরাধীনতা  জাত দাস মানসিকতা যে কত ক্ষতিকর গান্ধীজি তা জানতেন। সেই মানসিকতা মুক্ত, শুদ্ধ স্বদেশী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ভারতের বিকাশ এবং আচরণের এক  স্বপ্নীল চিত্র  তিনি ‘হিন্দ স্বরাজ’-এ ফুটিয়ে তুলেছিলেন। সেই সময় বিশ্বের সকলের চোখ ধাঁধিয়ে দেওয়ার মতো পার্থিব উন্নতির বলে বিজয়ী পাশ্চাত্য জগৎ, তাদের জীবন পদ্ধতি ও শৈলী, ক্ষমতা বলে শিক্ষাকে বিকৃত করে আর্থিক দৃষ্টিতে সকলকে নিজেদের আশ্রিত তৈরি করার চেষ্টা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল। এরকম সময়ে  গান্ধীজির এই প্রয়াস  ‘স্বত্বের’ ভিত্তিতে জীবনের সমস্ত দিকগুলি সম্পর্কে এক নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সফল প্রয়োগ । কিন্তু দাস মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিরা না ভেবে চিন্তে পশ্চিমি সমস্ত বিষয়কেই প্রামান্য মনে করে নিজেদের পূর্বজ, পূর্ব গৌরব এবং পূর্বসংস্কারকে হীন ও হেয় মনে করে অন্ধ অনুকরণ ও চাটুকারিতায় মেতে ওঠেন। তার  বিরাট প্রভাব আজ ভারতবর্ষের দিশা এবং দশায় প্রতিফলিত। অন্য বহু দেশে সমকালীন মহান ব্যক্তিরা গান্ধীজির ভারত-কেন্দ্রিক চিন্তা থেকে  কিছু অংশ গ্রহণ করে নিজেদের দেশের চিন্তাধারাকে ঋদ্ধ করেছিলেন। আইনস্টাইন তো গান্ধীজির মৃত্যুতে  বলেছিলেন যে, আগামী প্রজন্মের পক্ষে এটা বিশ্বাস করাই কঠিন যে এরকম কোনও ব্যক্তি এই ভূমিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এরকম পবিত্র আচরণ এবং বিচারধারা গান্ধীজি নিজের জীবনের উদাহরণের মাধ্যমে আমাদের সামনে রেখেছিলেন।
গান্ধীজি ১৯৩৬ সালে  ওয়ার্ধার কাছে আয়োজিত সংঘ শিক্ষা বর্গে  এসেছিলেন। পর দিন ডাক্তারজির  সঙ্গে  তাঁর সাক্ষাৎ গান্ধীজির বাসস্থানেই হয়েছিল। গান্ধীজির সঙ্গে তাঁর বিস্তৃত চর্চা এবং প্রশ্ন-উত্তর এখন প্রকাশিত হয়েছে। দেশ বিভাজনের রক্তরঞ্জিত সময় দিল্লিতে তার বাসস্থানের কাছাকাছি এক শাখায় উনি এসেছিলেন। শাখাতে তাঁর বৌদ্ধিক হয়েছিল। এর বর্ণনা ২৭ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালের ‘হরিজন’-এ ছাপা হয়েছিল। সংঘের স্বয়ংসেবকদের অনুশাসন এবং তাঁদের মধ্যে জাতপাতের বিভেদ সম্পূর্ণ অনুপস্থিত দেখে গান্ধীজি প্রসন্ন হয়েছিলেন।
‘স্ব’-এর ভিত্তিতে ভারতের পুনর্গঠনের স্বপ্ন দেখা এবং সামাজিক সমতা ও সমরসতার  সম্পূর্ণ পক্ষপাতী, নিজের কথাকে স্বয়ং আচরণের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা,  সমস্ত মানুষের জন্য আদর্শ পূজ্য গান্ধীজিকে আমাদের সকলেরই দেখা, উপলব্ধি করা ও সেইমতো আচরণ করা উচিত। তাঁর এসব সদগুণের কারণে গান্ধীজির  চিন্তাধারার সঙ্গে ভিন্নমত পোষণকারী ব্যক্তিও তাঁকে শ্রদ্ধার চোখে দেখেন। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ক্ষেত্রে প্রতি দিন সকালে এক স্ত্রোত্রম-এর মাধ্যমে আমাদের দেশের মহান ব্যক্তিদের পরম্পরা স্মরণ করার প্রথা সংঘ স্থাপনার সময় থেকেই আছে । ১৯৬৩ সালে তাতে কিছু নতুন নাম যুক্ত করা হয়। ইতিমধ্যে পূজনীয় গান্ধীজির তিরোধান হয়েছিল। তাঁর নামও এতে যুক্ত হয়। বর্তমানে এটিকে ‘একাত্মতা স্তোত্রম’ বলে। সংঘের স্বয়ংসেবক প্রতিদিন সকালে ‘একাত্নতা স্তোত্রম’-এ গান্ধীজির নাম উচ্চারণ করার মধ্য দিয়ে উপরোক্ত গুণসম্পন্ন তার জীবনকে স্মরণ করে।
তাঁর আবির্ভাবের ১৫০-তম বর্ষে  তাঁকে স্মরণ করে আমাদের সকলের সংকল্প করা উচিত যে তাঁর পবিত্র, ত্যাগময় এবং দৃষ্টান্তস্বরূপ জীবন তথা ‘স্ব’ ভিত্তিক জীবন অনুসরণ করে আমরা বিশ্বগুরু ভারতকে গড়ে তোলার জন্য নিজেদের জীবনকেও  ত্যাগ ও  সমর্পণের গুণে সমৃদ্ধ করি।
 লেখক রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রধান 
02nd  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
নয়ন ভুলানো এলে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এবার সব কিছুর পরও কোথায় যেন একটা কিন্তুর কাঁটা ফুটছে, ফুটেই চলেছে! ফলে, জমজমাট পুজোর মজার আবহটা যেন এখনও ঠিক জমাট বাঁধতেই পারছে না। কী সেই কাঁটা? এনআরসি? বাজারদর? কাজ হারানো? মাসের পর মাস বেতনবিহীনতা, অভাব? দেশ জুড়ে হাজার হাজার লাখ লাখের কাজ হারানোর আতঙ্ক? —তালিকা শেষ হবার নয়। ক’দিন আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যের পুজো উদ্বোধনে এসে ফের একবার এনআরসি লাগু করার সন্দেশ দিয়ে গেলেন। উদ্বাস্তু নয় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই যে খড়্গহস্ত হবে এনআরসি সেটা অমিতজিরা বোঝানোর পরও বঙ্গজনের আতঙ্ক যে কাটছে না!  
বিশদ

03rd  October, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): টানা প্রায় তিন দশক ভারতের রাস্তায় দাপট দেখিয়ে বিদায় নিয়েছিল ‘চেতক’। তখন আট থেকে আশির মুখে মুখে উচ্চারিত হত ‘হামারা বাজাজ’। ...

সংবাদদাতা, গাজোল: বুধবার, বিকেলে পুরাতন মালদহ ব্লক অফিসের মধ্যে বিধবাভাতার ফর্ম জমা না নেওয়ায় বিডিওর সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেতা বিজেপির নিতাই মণ্ডল। এনিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ব্লক অফিস চত্বরে ব্যাপক শোরগোল চলে। পরে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ...

 জালালাবাদ, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): আফগানিস্তানের পূর্বে লাঘামপ্রদেশে তালিবান জঙ্গিদের গাড়িবোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হল তিনজনের। পাশাপাশি ২০ জন পড়ুয়া সহ অন্তত ২৭ জন জখম হয়েছে। আফগানিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী নসরত রাহিমি বলেন, বুধবার সকালে আলিশিং জেলার প্রত্যন্ত গ্রামে একটি মাদ্রাসার বাইরে ট্রাকে ...

  ওডেনসে (ডেনমার্ক), ১৬ অক্টোবর: ডেনমার্ক ওপেন ব্যাডমিন্টনের প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে গেলেন সাইনা নেহওয়াল। বিশ্বের আট নম্বর সাইনা ১৫-২১, ২১-২৩ পয়েন্টে হারলেন জাপানের সায়াকা তাকাহাশির কাছে। ৩৭ মিনিট লড়াইয়ের পর হেরে যান সাইনা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেশি বন্ধুবান্ধব রাখা ঠিক হবে না। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য আসবে। বিবাহ যোগ আছে। কর্ম পরিবেশ পরিবর্তন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 আন্তর্জাতিক দারিদ্র দূরীকরণ দিবস
১৮৯০: সাধক বাউল লালন ফকিরের মৃত্যু
১৯৫৫: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের জন্ম
১৯৭০: ক্রিকেটার অনিল কুম্বলের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৯ টাকা ৯৩.০৩ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৭ টাকা ৮০.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২/৫৮ দিবা ৬/৪৮। কৃত্তিকা ২৫/৩৬ দিবা ৩/৫২। সূ উ ৫/৩৭/১৮, অ ৫/৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ৭/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৫ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ৫৯/২৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২৪/৪৬। কৃত্তিকা ২৪/১৩/৩৫ দিবা ৩/১৯/১২, সূ উ ৫/৮/১৫, অ ৫/৮/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৫ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৩/৪২/৬ গতে ৫/৮/২৬ মধ্যে, কালবেলা ২/১৫/৪৬ গতে ৩/৪২/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২৩/৬ গতে ১২/৫৬/৪৬ মধ্যে।
১৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:52:00 PM

খেজুরিতে সমুদ্রে নেমে মৃত নাবালক পর্যটক 
বেড়াতে এসে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে প্রাণ গেল ...বিশদ

04:19:36 PM

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কমিউনিস্ট পার্টির সূচনা অনুষ্ঠান 

03:47:00 PM

জলঙ্গিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিএস‌এফ কর্মীর মৃত্যু, জখম আর‌ও এক জ‌ওয়ান, অভিযোগ বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে 

03:07:52 PM

মালদহে শিক্ষিকা খুনে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে পথ অবরোধ 
মালদহের হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রামে এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা খুনের ...বিশদ

02:11:02 PM

কুলটিতে নিখোঁজ তিন ব্যক্তির সন্ধানে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী 
পাঁচ দিন ধরে কুয়ো খাদানে নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে নামল জাতীয় ...বিশদ

02:03:57 PM