Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

দুর্গাপুজোর আঙিনায় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ 

বঙ্গাব্দ ১২৭৭। রানি রাসমণি নেই। পরিবারের কর্তা জামাতা মথুরমোহন বিশ্বাস। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এসেছেন জানবাজারে দুর্গাপুজো উপলক্ষে। ঠাকুরের উপস্থিতিতে সেই বাড়ি তখন আনন্দস্রোতে প্রবাহিত হয়ে আনন্দধামে পরিণত। তার উপর মথুরমোহন শ্রীরামকৃষ্ণকে ইষ্টজ্ঞানে ‘বাবা’ ডাকতেন। ঠাকুর আর মা সারদামণির প্রতি মথুরবাবু আর তাঁর স্ত্রী জগদম্বা দেবীর শ্রদ্ধা, ভক্তি, অনুরাগ পবিত্র ধারার মতো স্বতোৎসারিত। মথুরনাথের জীবনের উপর শ্রীরামকৃষ্ণের প্রভাব অবিস্মরণীয়।
রানিনিবাসে শুরু হল মহামহোৎসব। ভক্তজন প্রিয় ঠাকুরের দিব্য উপস্থিতিতে ঘটা করে শুরু হল সপ্তমী পুজো। মথুরের আননে তখন আনন্দের আল্পনা। জানবাজার স্ফূর্ত ও দীপ্ত। মাতৃঅঙ্গন ভাবগাম্ভীর্যে পরিপূরিত। সেবার দুর্গতিহারিণী দেবীমূর্তি যেন বড় হাস্যময়ী, প্রাণময়ী ও আনন্দময়ী। পুণ্যার্থীরা ভাসতে থাকেন এক অনাস্বাদিত উপলব্ধির অমৃতপ্রবাহে। স্বামী সারদানন্দ ‘লীলাপ্রসঙ্গে’ লিখেছেন: ‘... প্রতিমা বাস্তবিকই জীবন্ত জ্যোতির্ময়ী হইয়া যেন হাসিতেছেন। আর ঐ প্রতিমাতে মা-র আবেশ ও ঠাকুরের দেবদুর্লভ শরীর-মনে মা-র আবেশ একত্র সম্মিলিত হওয়ায় পূজার দালানের বায়ুমণ্ডল কি একটা অনির্বচনীয়, অনির্দেশ্য সাত্ত্বিক ভাবপ্রকাশে পূর্ণ বলিয়া অতি জড়মনেরও অনুভূতি হইতেছে। দালান জম জম করিতেছে—উজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছে। ...সর্বত্র যেন সেই অদ্ভুত প্রকাশে অপূর্ব শ্রীধারণ করিয়াছে।’
সপ্তমী পূজান্তে মথুরবাবু সস্ত্রীক পদ্ম, কুমুদ, জবা ও বিল্বপত্র দিয়ে মহামাতৃকা মহিষাসুরমর্দিনী ও শ্রীরামকৃষ্ণের রাজীব চরণে বার বার পুষ্পাঞ্জলি নিবেদন করে ধন্য হলেন।
সন্ধ্যায় মায়ের আরতির প্রস্তুতি। মথুরবাবুর দেওয়া সুন্দর গরদের চেলি মেয়েদের মতো করে পরে ঠাকুর বসে আছেন অন্দরমহলে। জগন্মাতার সহচরী ভাবে উদ্দীপিত হয়ে দক্ষিণেশ্বরের পূজারি ঠাকুর নিজের পুরুষ শরীরের কথা আক্ষরিক বিস্মৃত হয়ে গেছেন। তাঁর দিব্যপ্রভা, প্রেমাবেশ ও সাত্ত্বিক বিকার যেই দর্শন করে কেউই আর চোখ ফিরিয়ে নিতে পারে না। মা দুর্গার আরতি শুরু হয়েছে। জগদম্বা দেবী শ্রীরামকৃষ্ণকে রমণী বেশে নিয়ে এলেন পুজোমণ্ডপে। সেখানে ঠাকুর কিছুটা প্রকৃতিস্থ হয়ে অন্যান্য মেয়ের সঙ্গে চামর ব্যজন করতে লাগলেন সহর্ষে। সে এক অপূর্ব দৃশ্য। ধূপ, দীপ, ধূনা প্রজ্বলিত হওয়ায় মাতৃমন্দির সৌরভে আমোদিত। সে আরতি দেখতে সকলে ভক্তিভরে দাঁড়িয়ে। হঠাৎ মথুরবাবুর চোখে পড়ল তাঁর স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে সুন্দর বস্ত্র পরিহিতা সালংকারা এক অনিন্দ্যকান্তি মহিলা চামর দোলাচ্ছেন, কিন্তু বার বার সেই ভাবময়ীকে দেখেও তিনি চিনতে পারলেন না। আরতির পর মথুরবাবু অন্দরমহলে গিয়ে স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করলেন; ‘আরতির সময় তোমার পাশে দাঁড়িয়ে যে চামর দোলাচ্ছিলেন, তিনি কে?’ জগদম্বা হেসে বললেন: ‘তুমি চিনতে পারলে না? ‘বাবা’ ভাবাবস্থায় এভাবে চামর করছিলেন। মেয়েদের মতো কাপড় পরলে বাবাকে পুরুষ বলে চেনে কার সাধ্য?’
এভাবে উৎসব মুখরিত সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীর দিনগুলিও সার্থক হয়ে ওঠে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের দিব্য উপস্থিতিতে। এবার বিজয়া দশমী। বিষাদের ছায়ার মধ্যে বিসর্জনের আয়োজন। সেবার দশমী খুব কম সময় থাকায় নির্দিষ্টকালে দশমীবিহিত পুজো শেষ করে সন্ধ্যার পর হবে দুর্গা প্রতিমা নিরঞ্জন। বিকেলে পুরোহিত মশাই মথুরবাবুর কাছে বলে পাঠালেন, মায়ের বিসর্জন যাত্রার আর দেরি নেই, বাবু যেন নীচে নেমে এসে দুর্গা-বন্দনা ও প্রণাম করে যান। একদিকে দশভুজার মহাপুজোর অনির্বচনীয় আনন্দ, অপরদিকে শ্রীরামকৃষ্ণদেবের কয়েক দিনের উপস্থিতিতে তাঁর সান্নিধ্য লাভ—এই অভাবনীয় আনন্দে বিহ্বল ও আত্মহারা মথুরমোহন সেদিন যে বিজয়ার বিসর্জন সে-কথা অবলীলাক্রমে ভুলেই গিয়েছিলেন। পরে যখন বুঝে উঠলেন যে সেদিন বিজয়া দশমী, তখন নিরাশ আর মনোবেদনায় মুহ্যমান মথুরনাথ। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন মাকে আর বিসর্জন দিয়ে দুঃখ ডেকে আনবেন না। রাজামশাইয়ের দু’চোখ বেয়ে নামে অবিরত অশ্রুর ঢল।
এদিকে বিসর্জনের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে দেখে পুরোহিত মশাই বার বার লোক পাঠিয়েও বিফল। তখন মথুরবাবু বলে উঠলেন, ‘আমি মাকে বিসর্জন কিছুতেই দিতে দেব না। যেমন পুজো হচ্ছে তেমনই পুজো চলবে। আমার অননুমোদনে কেউ যদি প্রতিমা বিসর্জন দেয়, তাহলে সাংঘাতিক বিপত্তি দেখা দেবে, খুনোখুনি পর্যন্ত হতে পারে।’ এই বার্তা গিয়ে পৌঁছাল দুর্গা দালানে। বাড়িতে সম্মাননীয়রা তখন অনেকেই উপস্থিত ছিলেন, সবাই এসে গৃহকর্তাকে অনেক বোঝালেন। কিন্তু কাকস্য পরিবেদনা। মথুরবাবু নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে বরং উল্টে বললেন, ‘কেন? আমি মা’র নিত্যপুজো করব। মা’র কৃপায় আমার যখন সে ক্ষমতা আছে, তাহলে বিসর্জনই বা দেব কেন?’ উপায়হীন হয়ে তখন মথুর-গৃহিণী জগদম্বা দেবী শ্রীরামকৃষ্ণের শরণাগত হলেন। ঠাকুর মথুরবাবুর কাছে গিয়ে দেখেন, চোখ লাল করে গম্ভীর মুখে উদাস হয়ে মথুরনাথ ঘরের ভেতর পায়চারি করছেন। শ্রীরামকৃষ্ণ মথুরের বুকে হাত বোলাতে বোলাতে বললেন: ‘ও এই তোমার ভয়। একথা কে বলল যে, মাকে ছেড়ে তোমাকে থাকতে হবে? আর বিসর্জন দিলেও তিনি বা যাবেন কোথায়? মা এই তিনদিন ঠাকুর দালানে বসে তোমার পুজো নিয়েছেন। আজ থেকে তোমার আরও কাছে থেকে সর্বদা হৃদয়ে বসে তোমার পুজো নেবেন।’ অবশেষে ঠাকুরের স্পর্শানুভূতি ও মধুমাখা কথায় মথুরবাবু দমিত হলেন। রাজি হলেন তিনি মাকে বিসর্জন দিতে।
এবার আসি ভক্তবর সুরেন্দ্রনাথ মিত্রের সিমুলিয়ার বাড়িতে দুর্গোৎসব প্রসঙ্গে। ১৮৮৫ সালের আশ্বিন মাস। শ্রীরামকৃষ্ণের শরীর খুবই খারাপ। চিকিৎসার জন্য ভক্তরা তাঁকে ‘শ্যামপুকুর বাটী’তে এনেছেন। ডা. মহেন্দ্রলাল সরকার ঠাকুরের চিকিৎসা ও সেবার দায়িত্ব নিয়েছেন। ক্রমে মহামায়ার আগমনগীতি দশদিক ভরে তুলল। সুরেন্দ্রনাথ মিত্রের বাড়িতে শুরু হল মহাসমারোহে দুর্গাপুজোর আয়োজন। খবর এল, অসুস্থ শরীর নিয়ে ঠাকুর আসতে পারবেন না। মুহ্যমান হলেন সুরেনবাবু। তবুও গুরুভ্রাতারা একত্র হয়ে মহানন্দে মুখর হলেন। এদিকে মহাষ্টমীর বিকালে অনেক ভক্ত এলেন ঠাকুরের কাছে।
ডা. সরকারের আসার কিছুক্ষণ পর নরেন্দ্রনাথ (স্বামী বিবেকানন্দ) তাঁর সুরেলা কণ্ঠে গাইলেন ভক্তিসঙ্গীত। সবাই তখন আনন্দে বিহ্বল। রাত্রি সাড়ে সাতটা বাজতেই ডাক্তারবাবু যখন উঠে দাঁড়ালেন ঠাকুরের কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য, ঠিক সেই সময় শ্রীরামকৃষ্ণ সহাস্যে উঠে দাঁড়িয়ে হঠাৎ আত্মহারা হয়ে গেলেন। সঙ্গে সঙ্গে দু’চোখ বুজে দু’হাত তুলে হয়ে পড়লেন গভীরভাবে সমাধিস্থ। ভক্তবৃন্দের কেউ কেউ বলতে থাকলেন, ‘এই সময়টা সন্ধিপুজোর লগ্ন কিনা, তাই এই সন্ধিক্ষণে ঠাকুরের দিব্য ভাব।’ তাঁর শ্রীচরণে রাশি রাশি ফুল ঢেলে অঞ্জলি প্রদানে অনেকে ধন্য হলেন। প্রায় আধঘণ্টা পরে তিনি আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এলেন। ভাব তন্ময়তার সময় তিনি যা দেখেছিলেন সেই কথা ভক্তদের বললেন: ‘এখান হইতে সুরেন্দ্রের বাড়ি পর্যন্ত একটা জ্যোতির রাস্তা খুলিয়া গেল। দেখিলাম, তাহার ভক্তিতে প্রতিমায় মা’র আবেশ হইয়াছে। তৃতীয় নয়ন দিয়া জ্যোতি রশ্মি নির্গত হইতেছে। দালানের ভিতর দেবীর সম্মুখে দীপমালা জ্বালিয়ে দেওয়া হইয়াছে, আর উঠানে বসিয়া সুরেন্দ্র ব্যাকুল হৃদয়ে মা মা বলিয়া রোদন করিতেছে। তোমরা সকলে তাহার বাড়িতে এখনই যাও। তোমাদের দেখিলে তাহার প্রাণ শীতল হইবে।’ (শ্রীশ্রী রামকৃষ্ণলীলা প্রসঙ্গ)।
শ্রীরামকৃষ্ণদেবের নির্দেশ মতো নরেন্দ্রনাথ ও অন্য ভক্তরা ঠাকুরকে প্রণাম করে সুরেন্দ্রবাবুর বাড়িতে গেলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলেন, ভাব-সমাধির সময় ঠাকুরের দৃষ্ট ঘটনাগুলি একেবারেই বাস্তবিক ও যথার্থ। তাঁর ভক্ত বৎসল রূপটি এভাবে প্রকট হওয়ায় সকলে সেদিন বিস্ময়ে আনন্দে অভিভূত হয়ে গেলেন। সার্থক হল সুরেন্দ্রনাথের দুর্গোৎসব, ভক্ত-ভগবানের লীলা খেলায়। 
01st  October, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, কালীগঞ্জ: দৌড় প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অংশ নিয়ে কালীগঞ্জের মুখ উজ্জ্বল করতে চায় সুতপা মণ্ডল। পরিবারে অভাবকে হার মানিয়ে ইচ্ছা শক্তির জোরে আগামী দিনে দৌড় প্রতিযোগিতার বিভিন্ন খেলায় সফল হতে চায় লাখুরিয়া হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ওই ছাত্রী। বাবা ...

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর, বিএনএ: গত পাঁচ বছরে কৃষ্ণনগরের পকসো আদালতে প্রায় ৫০০ মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে ‘প্রিভেনশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সসেস’ বা পকসো আইন চালু হয়েছে। কৃষ্ণনগরে এই বিশেষ আদালত চালু হয়েছে ২০১৪ সালে। ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

ওয়াশিংটন ও লাহোর, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): হাফিজ সইদ নিয়ে পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াল আমেরিকা। জামাত-উদ-দাওয়া (জেইউডি) প্রধান সইদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুক ইসলামাবাদ। ২০০৮ মুম্বই হামলার মূলচক্রীর সাজা নিয়ে পাকিস্তানকে এমনই নির্দেশ দিল আমেরিকা।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাটোয়ায় বিয়ের আসরে গুলি, গ্রেপ্তার পাত্রীর দাদু
 

কাটোয়ায় বিয়ের আসরে বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ। ঘটনায় পাত্রীর ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ শুভ মুক্তি
 মর্দানি ২— গোপী পুথরান পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, ...বিশদ

11:23:19 AM

লাইন পারাপারের সময় আটকে পড়ল টোটো, ব্যাহত ট্রেন চলাচল
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং শাখার তালদি স্টেশনের কাছে লাইন পারাপার ...বিশদ

11:09:00 AM

ইংল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী বরিস জনসন, পেলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা 

11:02:17 AM

গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু
গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

10:37:00 AM

হিমাচলের কুফরিতে ব্যাপক তুষারপাতের জেরে অবরুদ্ধ ৫ নং জাতীয় সড়ক 

10:25:13 AM