Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গান্ধী, পৃথিবী, পরিবেশ
রঞ্জন সেন

এনভায়রনমেন্ট, ইকোলজি এসব কথা গান্ধী কোন দিন ব্যবহার না করলেও তাঁর চিন্তা চেতনা ও কাজের একটা বড় এলাকা জুড়ে রয়েছে পরিবেশ। গ্রাম স্বরাজ থেকে অহিংসা, চরকা থেকে স্বনির্ভরতা কোন কিছুই যেন পরিবেশ ছাড়া সম্পূর্ণ হয়না। অথচ ঘোষিত পরিবেশবাদী বলতে যা বোঝায় তা তিনি কোনদিনই ছিলেন না। অথচ চিপকো, যা ছিল দেশের প্রথম সফল পরিবেশ আন্দোলন তার নেতা সুন্দরলাল বহুগুণা থেকে শুরু করে আশির দশকে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটেকারের মতো মানুষদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অথচ, তাঁর পরিবেশ ভাবনার দিকটা অনেকটাই অনালোচিত থেকে গেছে। অ্যাকাডেমিক মহলে কিছু কথাবার্তা হয় কিন্তু সেসব আলোচনা সাধারণ মানুষের জীবনে কোন শিক্ষা হয়ে আসে না। বিরোধীরা তো বটেই এমনকী গান্ধীবাদী বলে বিজ্ঞাপিত যাঁরা সবচেয়ে বেশিদিন দেশ শাসন করলেন তাঁরাও গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে কাজে লাগানোর বদলে তাঁর বিরোধিতা করেছেন।
স্বাভাবিক প্রজ্ঞা থেকেই গান্ধী ১৯০৯ লেখা তাঁর বই হিন্দ স্বরাজ এ বলেছিলেন অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন এবং বস্তুবাদের ফল দেশের পক্ষে ভাল হবে না। নদী ও জলদূষণের যা এখন এক ব্যাপক চেহারা নিয়েছে, তার বিপদ সম্পর্কে তিনি বহু আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। অতিরিক্ত ফলনের আশায় জমির স্বাভাবিক উর্বরতা শক্তিকে অস্বীকার করে বেশিমাত্রায় কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারের বিপদ যে আমাদের কৃষি উৎপাদন তো বটেই জল ও জমির বিরাট বিপদ ডেকে এনেছে তা এখন আমরা রোজকার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝছি।
পরিবেশ কথাটার সঙ্গে সচেতন কথাটা বলা এখন প্রায় একটা অনিবার্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গান্ধীজি দেখেছিলেন, আদিবাসী ভূমিপুত্ররা তো বটেই, গরিবরাও পরিবেশের ক্ষতি কম করেন। পরিবেশ সচেতনতা যেন তাঁদের একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। গাছের ফল, নদীর জল, মাছ, ক্ষেতের ফসল সবকিছুই তাঁরা ব্যবহার করেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী। গান্ধীর ভাষায়, তাঁরা বিশ্বাস করেন পৃথিবীর সম্পদগুলি সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। ভাগ করে দিতে হবে সবার মধ্যে। এখানেই গান্ধীর ভাবনার সঙ্গে মার্কসের ক্ষমতা অনুযায়ী দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার তত্ত্ব মিলে যায়। কিন্তু ‘রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি’র মতোই বিত্তবান মানুষ, শিল্পপতি ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির লোভ এই ভাবনাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এমন ঘটতে পারে বুঝেই বাপু সাবধানবাণী করেছিলেন সমবণ্টনই দারিদ্র্য দূর করতে পারে। একজন সবটা নিয়ে নিলে আরেকজন বাঁচবে না। এখন সেটাই ঘটছে। জল-বায়ু-দূষণের বিপদ স্পর্শ করেছে বিত্তবানদেরও। ধনী দেশগুলিও পরিবেশ দূষণের শিকার। শিল্পোন্নত পৃথিবীতে এখন দূষণ সবচেয়ে বেশি। শহরের দূষণ স্পর্শ করেছে গ্রামকে।
গান্ধীর দর্শনের সবচাইতে আকর্ষণীয় দিক হল তিনি কোন কিছুকেই খণ্ডিত দৃষ্টিতে দেখেননি, দেখেছেন একটা সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে। জল-স্থল-অন্তরীক্ষে বিরাজমান প্রাণীকুলের একটা বড় অংশকে প্রায় শেষ করে আনার পর মানুষের এখন তাঁর শিক্ষা মনে পড়েছে। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর সব প্রাণীদেরই মানুষের মতো বাঁচার অধিকার রয়েছে। মানুষকে তাদের সঙ্গে মিলেমিশেই বাঁচতে হবে। আমাদের ধর্ম, লোকাচার, লোককথা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ঠিক এই কথাটাই বলেছে। সেখানে আমরা গান্ধীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিরই প্রতিফলন দেখি। খুব স্পষ্ট করেই তিনি জানিয়েছেন, জল-জমি-বাতাস পৃথিবীর কোনোকিছুই মানুষের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি নয়। আমরা যে অবস্থায় এটা পেয়েছি ঠিক সেই অবস্থাতেই এসব শিশুদের হাতে তুলে দিতে হবে আমাদের।
আজকের পরিবেশবিদরা গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে বলছেন হিউম্যান ইকোলজি বা মানবিক বাস্তুতন্ত্র। যা মানুষের সঙ্গে তাকে ঘিরে থাকা পরিবেশের সম্পর্কের কথা বলে। আমরা দেখতেই পাচ্ছি, আমাদের ভালোমন্দ সব কাজেরই প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর। বনবিনাশ, জলাজমি ভরাট করে ইমারত বানানো ইত্যাদি নিজেদের অপকর্মের ফল ভোগ করছি আমরা নিজেরাই। পরিবেশ সংরক্ষণে সচেষ্ট নাহলে আমরা বিপন্ন হব। সেই কবে বাপু বলে গিয়েছেন, পৃথিবী মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো সবকিছুই যথেষ্ট পরিমাণে দিয়েছে, কিন্তু তা মানুষের লোভ মেটানোর জন্য নয়।
অথচ আমরা দেখছি প্রয়োজন ছাড়াই মানুষ প্রকৃতি থেকে প্রাণী জগৎ সর্বত্র অবাধ লুণ্ঠন চালাচ্ছে, গোলমালটা সেখানে। মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার যে কথা তিনি বলেছিলেন, আমাদের অকারণ লোভ তা শোনেনি। তিনি বুঝেছিলেন এই বিপদ আসতে পারে, তাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন সমগ্র পরিবেশ এবং জীবজগতকে নিয়ে বাস করার ওপর। এই ভাবনাকেই আজকের চিন্তাবিদরা বলছেন হিউম্যান ইকোলজি।
যে গ্রামনির্ভর অর্থনীতির কথা তিনি বলেছিলেন তা আদতে এই ভাবনারই বিস্তৃতি। তাঁর পরিবেশ ভাবনার সঙ্গে অর্থনৈতিক চিন্তার কোনও দূরত্ব নেই। উল্টোভাবে বলা যায়, এই অর্থনীতির রাস্তা ধরতে হলে পরিবেশকে সঙ্গে নিয়েই এগতে হবে। কারণ গ্রামীণ সমাজে চাষবাস তো বটেই এমনকী কুম্ভকার, মালাকার, সূত্রধর, তন্তুবায় ইত্যাদি আমাদের দেশের প্রধান বৃত্তিজীবী সম্প্রদায়গুলির কাজকর্ম একান্তভাবেই গ্রামীণ প্রয়োজন মেটায়। পরিবেশ থেকেই এদের কাজকর্মের উপাদান ও উপকরণ আহরিত হয়। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই বাপু গ্রাম-ভারতের উপযোগী বিকল্প অর্থনীতির পরিকল্পনা করেছিলেন। এই তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, আজকের পৃথিবীতে তা কতটা কার্যকর প্রশ্ন থাকতে পারে তা নিয়েও কিন্তু তার সামগ্রিক চেহারাটা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষদের কথা ভেবে এমন একটা গ্রামসমাজের পরিকল্পনা তিনি করেছিলেন যা পরিবেশকে বজায় রেখে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তত্ত্বের দিক থেকে গান্ধীর একটা মৌলিক অবদান হল অহিংসা। সেই অহিংসাকে কেন্দ্র করে আমাদের জীবন হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব। অহিংসার নীতি শুধু রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেই নয়, তা আমাদের বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পরিবেশ সংরক্ষণ কথাটা ব্যবহার না করে তিনি বলেছেন পরিবেশবান্ধব বিকাশের কথা। বলেছেন, বিকাশ যেন জল-বাতাস-নদী-সমুদ্র কোন কিছুকেই ধ্বংস না করে এগোয়। তাঁর কাছে বিকাশ মানে ভূমিপুত্রদের বাস্তুচ্যুত করা নয়, জল-জঙ্গল-জমি ধ্বংস করা নয়। পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্ব ও অধিকার স্বীকার করেই মানুষকে বিকাশের রাস্তায় হাঁটার কথা বলেছিলেন তিনি। গান্ধীভাবনা মানে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। যেখানে প্রতিটি মানুষ ও প্রাণের বাঁচার একটা স্বাভাবিক পরিসর থাকবে।
দুঃখের বিষয়, গান্ধীর নামে যাঁরা লাগাতার জয়ধ্বনি দেন, তাঁরাও তাঁর উন্নয়ন ভাবনার তাৎপর্য বুঝতে পারেননি। উন্নয়ন বলতে তাঁরা বুঝেছেন চওড়া রাস্তা, উঁচু ইমারত, প্রচুর কারখানা, প্রচুর গাড়ি এবং যতটা সম্ভব নদী-নালা-সবুজ ধ্বংস করা। এই উন্নয়নের গুঁতো এমনই যে তা শুনেই গরিবরা চমকে ওঠেন, ভাবেন এই বুঝি তাদের জীবন ও জীবিকায় টান পড়লো। উন্নয়ন, বিকাশ, অগ্রগতি এসব শব্দ তাদের মনে আশার বদলে তৈরি করেছে হতাশা। অথচ ব্যাপারটা হওয়া উচিত ছিল ঠিক উল্টো।
পরিবেশ আজ যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে নতুন করে গান্ধীকে বোঝার পাঠ নিতে হবে সবাইকেই। মানে দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে পরিচয়, মানুষের সঙ্গে পরিচয়। শুধু নিজের স্বার্থ নয়, দেখতে হবে সমগ্র প্রাণীজগতের স্বার্থ, বাস্তুতন্ত্রের স্বার্থ, শিখতে হবে সবাইকে নিয়ে চলা। প্রকৃতি কিন্তু বারবার আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে মানুষের অবাধ লুণ্ঠন সে আর মানবে না। একসময় মানুষের উদ্ভাবনী ভাবনার হাত ধরে এসেছিল যন্ত্র। কিন্তু তার যথেচ্ছ অপব্যবহার আমাদের চিন্তাভাবনাকেও যান্ত্রিক করে তুলেছে। যন্ত্রবলে বলীয়ান মানুষ বীরবিক্রমে চড়াও হয়েছে পরিবেশের ওপর। সর্বংসহা প্রকৃতি বহুদিন তা সহ্য করেছে। লোভী মানুষকে রক্ষা করার দায় এখন আর তার নেই। শুরু হয়েছে প্রকৃতির প্রতিশোধ। গান্ধীর ভাবনাকে আশ্রয় করেই মানুষ আজ নতুন করে পরিবেশ বাঁচানোর পাঠ নিতে পারে। 
30th  September, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
নয়ন ভুলানো এলে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এবার সব কিছুর পরও কোথায় যেন একটা কিন্তুর কাঁটা ফুটছে, ফুটেই চলেছে! ফলে, জমজমাট পুজোর মজার আবহটা যেন এখনও ঠিক জমাট বাঁধতেই পারছে না। কী সেই কাঁটা? এনআরসি? বাজারদর? কাজ হারানো? মাসের পর মাস বেতনবিহীনতা, অভাব? দেশ জুড়ে হাজার হাজার লাখ লাখের কাজ হারানোর আতঙ্ক? —তালিকা শেষ হবার নয়। ক’দিন আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যের পুজো উদ্বোধনে এসে ফের একবার এনআরসি লাগু করার সন্দেশ দিয়ে গেলেন। উদ্বাস্তু নয় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই যে খড়্গহস্ত হবে এনআরসি সেটা অমিতজিরা বোঝানোর পরও বঙ্গজনের আতঙ্ক যে কাটছে না!  
বিশদ

03rd  October, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): টানা প্রায় তিন দশক ভারতের রাস্তায় দাপট দেখিয়ে বিদায় নিয়েছিল ‘চেতক’। তখন আট থেকে আশির মুখে মুখে উচ্চারিত হত ‘হামারা বাজাজ’। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর টিচার এডুকেশনের (এনসিটিই) নির্দেশ মতো এবার শিক্ষক শিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরার পরিকাঠামো তৈরি করা হবে। ইতিমধ্যেই এই যন্ত্র বসানোর জন্য কলেজগুলিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: পুজোর উদ্বোধন থেকে বিসর্জন, সিসি ক্যামেরার নজরদারিতেই চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো হবে। মঙ্গলবার রাতে পুজো নিয়ে পুলিস, আয়োজক কমিটি, চন্দননগর পুরসভা সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি, পুজোর আয়োজন থেকে বিসর্জন পর্ব নির্বিঘ্নে মেটাতে ...

 মুম্বই, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): বুধবার মহারাষ্ট্রের ওসমানাবাদ জেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ছুরির আঘাতে আহত হলেন শিবসেনার সাংসদ ওমরাজে নিম্বালকর। ঘটনার পরই আততায়ী পালিয়ে যায়। তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেশি বন্ধুবান্ধব রাখা ঠিক হবে না। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য আসবে। বিবাহ যোগ আছে। কর্ম পরিবেশ পরিবর্তন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 আন্তর্জাতিক দারিদ্র দূরীকরণ দিবস
১৮৯০: সাধক বাউল লালন ফকিরের মৃত্যু
১৯৫৫: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের জন্ম
১৯৭০: ক্রিকেটার অনিল কুম্বলের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৯ টাকা ৯৩.০৩ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৭ টাকা ৮০.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২/৫৮ দিবা ৬/৪৮। কৃত্তিকা ২৫/৩৬ দিবা ৩/৫২। সূ উ ৫/৩৭/১৮, অ ৫/৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ৭/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৫ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ৫৯/২৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২৪/৪৬। কৃত্তিকা ২৪/১৩/৩৫ দিবা ৩/১৯/১২, সূ উ ৫/৮/১৫, অ ৫/৮/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৫ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৩/৪২/৬ গতে ৫/৮/২৬ মধ্যে, কালবেলা ২/১৫/৪৬ গতে ৩/৪২/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২৩/৬ গতে ১২/৫৬/৪৬ মধ্যে।
১৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:52:00 PM

খেজুরিতে সমুদ্রে নেমে মৃত নাবালক পর্যটক 
বেড়াতে এসে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে প্রাণ গেল ...বিশদ

04:19:36 PM

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কমিউনিস্ট পার্টির সূচনা অনুষ্ঠান 

03:47:00 PM

জলঙ্গিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিএস‌এফ কর্মীর মৃত্যু, জখম আর‌ও এক জ‌ওয়ান, অভিযোগ বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে 

03:07:52 PM

মালদহে শিক্ষিকা খুনে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে পথ অবরোধ 
মালদহের হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রামে এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা খুনের ...বিশদ

02:11:02 PM

কুলটিতে নিখোঁজ তিন ব্যক্তির সন্ধানে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী 
পাঁচ দিন ধরে কুয়ো খাদানে নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে নামল জাতীয় ...বিশদ

02:03:57 PM