Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গান্ধী, পৃথিবী, পরিবেশ
রঞ্জন সেন

এনভায়রনমেন্ট, ইকোলজি এসব কথা গান্ধী কোন দিন ব্যবহার না করলেও তাঁর চিন্তা চেতনা ও কাজের একটা বড় এলাকা জুড়ে রয়েছে পরিবেশ। গ্রাম স্বরাজ থেকে অহিংসা, চরকা থেকে স্বনির্ভরতা কোন কিছুই যেন পরিবেশ ছাড়া সম্পূর্ণ হয়না। অথচ ঘোষিত পরিবেশবাদী বলতে যা বোঝায় তা তিনি কোনদিনই ছিলেন না। অথচ চিপকো, যা ছিল দেশের প্রথম সফল পরিবেশ আন্দোলন তার নেতা সুন্দরলাল বহুগুণা থেকে শুরু করে আশির দশকে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটেকারের মতো মানুষদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অথচ, তাঁর পরিবেশ ভাবনার দিকটা অনেকটাই অনালোচিত থেকে গেছে। অ্যাকাডেমিক মহলে কিছু কথাবার্তা হয় কিন্তু সেসব আলোচনা সাধারণ মানুষের জীবনে কোন শিক্ষা হয়ে আসে না। বিরোধীরা তো বটেই এমনকী গান্ধীবাদী বলে বিজ্ঞাপিত যাঁরা সবচেয়ে বেশিদিন দেশ শাসন করলেন তাঁরাও গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে কাজে লাগানোর বদলে তাঁর বিরোধিতা করেছেন।
স্বাভাবিক প্রজ্ঞা থেকেই গান্ধী ১৯০৯ লেখা তাঁর বই হিন্দ স্বরাজ এ বলেছিলেন অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন এবং বস্তুবাদের ফল দেশের পক্ষে ভাল হবে না। নদী ও জলদূষণের যা এখন এক ব্যাপক চেহারা নিয়েছে, তার বিপদ সম্পর্কে তিনি বহু আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। অতিরিক্ত ফলনের আশায় জমির স্বাভাবিক উর্বরতা শক্তিকে অস্বীকার করে বেশিমাত্রায় কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারের বিপদ যে আমাদের কৃষি উৎপাদন তো বটেই জল ও জমির বিরাট বিপদ ডেকে এনেছে তা এখন আমরা রোজকার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝছি।
পরিবেশ কথাটার সঙ্গে সচেতন কথাটা বলা এখন প্রায় একটা অনিবার্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গান্ধীজি দেখেছিলেন, আদিবাসী ভূমিপুত্ররা তো বটেই, গরিবরাও পরিবেশের ক্ষতি কম করেন। পরিবেশ সচেতনতা যেন তাঁদের একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। গাছের ফল, নদীর জল, মাছ, ক্ষেতের ফসল সবকিছুই তাঁরা ব্যবহার করেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী। গান্ধীর ভাষায়, তাঁরা বিশ্বাস করেন পৃথিবীর সম্পদগুলি সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। ভাগ করে দিতে হবে সবার মধ্যে। এখানেই গান্ধীর ভাবনার সঙ্গে মার্কসের ক্ষমতা অনুযায়ী দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার তত্ত্ব মিলে যায়। কিন্তু ‘রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি’র মতোই বিত্তবান মানুষ, শিল্পপতি ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির লোভ এই ভাবনাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এমন ঘটতে পারে বুঝেই বাপু সাবধানবাণী করেছিলেন সমবণ্টনই দারিদ্র্য দূর করতে পারে। একজন সবটা নিয়ে নিলে আরেকজন বাঁচবে না। এখন সেটাই ঘটছে। জল-বায়ু-দূষণের বিপদ স্পর্শ করেছে বিত্তবানদেরও। ধনী দেশগুলিও পরিবেশ দূষণের শিকার। শিল্পোন্নত পৃথিবীতে এখন দূষণ সবচেয়ে বেশি। শহরের দূষণ স্পর্শ করেছে গ্রামকে।
গান্ধীর দর্শনের সবচাইতে আকর্ষণীয় দিক হল তিনি কোন কিছুকেই খণ্ডিত দৃষ্টিতে দেখেননি, দেখেছেন একটা সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে। জল-স্থল-অন্তরীক্ষে বিরাজমান প্রাণীকুলের একটা বড় অংশকে প্রায় শেষ করে আনার পর মানুষের এখন তাঁর শিক্ষা মনে পড়েছে। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর সব প্রাণীদেরই মানুষের মতো বাঁচার অধিকার রয়েছে। মানুষকে তাদের সঙ্গে মিলেমিশেই বাঁচতে হবে। আমাদের ধর্ম, লোকাচার, লোককথা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ঠিক এই কথাটাই বলেছে। সেখানে আমরা গান্ধীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিরই প্রতিফলন দেখি। খুব স্পষ্ট করেই তিনি জানিয়েছেন, জল-জমি-বাতাস পৃথিবীর কোনোকিছুই মানুষের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি নয়। আমরা যে অবস্থায় এটা পেয়েছি ঠিক সেই অবস্থাতেই এসব শিশুদের হাতে তুলে দিতে হবে আমাদের।
আজকের পরিবেশবিদরা গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে বলছেন হিউম্যান ইকোলজি বা মানবিক বাস্তুতন্ত্র। যা মানুষের সঙ্গে তাকে ঘিরে থাকা পরিবেশের সম্পর্কের কথা বলে। আমরা দেখতেই পাচ্ছি, আমাদের ভালোমন্দ সব কাজেরই প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর। বনবিনাশ, জলাজমি ভরাট করে ইমারত বানানো ইত্যাদি নিজেদের অপকর্মের ফল ভোগ করছি আমরা নিজেরাই। পরিবেশ সংরক্ষণে সচেষ্ট নাহলে আমরা বিপন্ন হব। সেই কবে বাপু বলে গিয়েছেন, পৃথিবী মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো সবকিছুই যথেষ্ট পরিমাণে দিয়েছে, কিন্তু তা মানুষের লোভ মেটানোর জন্য নয়।
অথচ আমরা দেখছি প্রয়োজন ছাড়াই মানুষ প্রকৃতি থেকে প্রাণী জগৎ সর্বত্র অবাধ লুণ্ঠন চালাচ্ছে, গোলমালটা সেখানে। মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার যে কথা তিনি বলেছিলেন, আমাদের অকারণ লোভ তা শোনেনি। তিনি বুঝেছিলেন এই বিপদ আসতে পারে, তাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন সমগ্র পরিবেশ এবং জীবজগতকে নিয়ে বাস করার ওপর। এই ভাবনাকেই আজকের চিন্তাবিদরা বলছেন হিউম্যান ইকোলজি।
যে গ্রামনির্ভর অর্থনীতির কথা তিনি বলেছিলেন তা আদতে এই ভাবনারই বিস্তৃতি। তাঁর পরিবেশ ভাবনার সঙ্গে অর্থনৈতিক চিন্তার কোনও দূরত্ব নেই। উল্টোভাবে বলা যায়, এই অর্থনীতির রাস্তা ধরতে হলে পরিবেশকে সঙ্গে নিয়েই এগতে হবে। কারণ গ্রামীণ সমাজে চাষবাস তো বটেই এমনকী কুম্ভকার, মালাকার, সূত্রধর, তন্তুবায় ইত্যাদি আমাদের দেশের প্রধান বৃত্তিজীবী সম্প্রদায়গুলির কাজকর্ম একান্তভাবেই গ্রামীণ প্রয়োজন মেটায়। পরিবেশ থেকেই এদের কাজকর্মের উপাদান ও উপকরণ আহরিত হয়। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই বাপু গ্রাম-ভারতের উপযোগী বিকল্প অর্থনীতির পরিকল্পনা করেছিলেন। এই তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, আজকের পৃথিবীতে তা কতটা কার্যকর প্রশ্ন থাকতে পারে তা নিয়েও কিন্তু তার সামগ্রিক চেহারাটা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষদের কথা ভেবে এমন একটা গ্রামসমাজের পরিকল্পনা তিনি করেছিলেন যা পরিবেশকে বজায় রেখে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তত্ত্বের দিক থেকে গান্ধীর একটা মৌলিক অবদান হল অহিংসা। সেই অহিংসাকে কেন্দ্র করে আমাদের জীবন হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব। অহিংসার নীতি শুধু রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেই নয়, তা আমাদের বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পরিবেশ সংরক্ষণ কথাটা ব্যবহার না করে তিনি বলেছেন পরিবেশবান্ধব বিকাশের কথা। বলেছেন, বিকাশ যেন জল-বাতাস-নদী-সমুদ্র কোন কিছুকেই ধ্বংস না করে এগোয়। তাঁর কাছে বিকাশ মানে ভূমিপুত্রদের বাস্তুচ্যুত করা নয়, জল-জঙ্গল-জমি ধ্বংস করা নয়। পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্ব ও অধিকার স্বীকার করেই মানুষকে বিকাশের রাস্তায় হাঁটার কথা বলেছিলেন তিনি। গান্ধীভাবনা মানে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। যেখানে প্রতিটি মানুষ ও প্রাণের বাঁচার একটা স্বাভাবিক পরিসর থাকবে।
দুঃখের বিষয়, গান্ধীর নামে যাঁরা লাগাতার জয়ধ্বনি দেন, তাঁরাও তাঁর উন্নয়ন ভাবনার তাৎপর্য বুঝতে পারেননি। উন্নয়ন বলতে তাঁরা বুঝেছেন চওড়া রাস্তা, উঁচু ইমারত, প্রচুর কারখানা, প্রচুর গাড়ি এবং যতটা সম্ভব নদী-নালা-সবুজ ধ্বংস করা। এই উন্নয়নের গুঁতো এমনই যে তা শুনেই গরিবরা চমকে ওঠেন, ভাবেন এই বুঝি তাদের জীবন ও জীবিকায় টান পড়লো। উন্নয়ন, বিকাশ, অগ্রগতি এসব শব্দ তাদের মনে আশার বদলে তৈরি করেছে হতাশা। অথচ ব্যাপারটা হওয়া উচিত ছিল ঠিক উল্টো।
পরিবেশ আজ যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে নতুন করে গান্ধীকে বোঝার পাঠ নিতে হবে সবাইকেই। মানে দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে পরিচয়, মানুষের সঙ্গে পরিচয়। শুধু নিজের স্বার্থ নয়, দেখতে হবে সমগ্র প্রাণীজগতের স্বার্থ, বাস্তুতন্ত্রের স্বার্থ, শিখতে হবে সবাইকে নিয়ে চলা। প্রকৃতি কিন্তু বারবার আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে মানুষের অবাধ লুণ্ঠন সে আর মানবে না। একসময় মানুষের উদ্ভাবনী ভাবনার হাত ধরে এসেছিল যন্ত্র। কিন্তু তার যথেচ্ছ অপব্যবহার আমাদের চিন্তাভাবনাকেও যান্ত্রিক করে তুলেছে। যন্ত্রবলে বলীয়ান মানুষ বীরবিক্রমে চড়াও হয়েছে পরিবেশের ওপর। সর্বংসহা প্রকৃতি বহুদিন তা সহ্য করেছে। লোভী মানুষকে রক্ষা করার দায় এখন আর তার নেই। শুরু হয়েছে প্রকৃতির প্রতিশোধ। গান্ধীর ভাবনাকে আশ্রয় করেই মানুষ আজ নতুন করে পরিবেশ বাঁচানোর পাঠ নিতে পারে। 
30th  September, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...

পাটনা, ১২ ডিসেম্বর (পিটিআই): নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (ক্যাব) সমর্থন না করায় ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে কোণঠাসা হয়ে গিয়েছেন জেডিইউয়ের সহ সভাপতি প্রশান্ত কিশোর। তবে তা সত্ত্বেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড়ই থাকলেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ওই বিলের মাধ্যমে সরকার ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে ...

শীর্ষেন্দু দেবনাথ, কৃষ্ণনগর, বিএনএ: গত পাঁচ বছরে কৃষ্ণনগরের পকসো আদালতে প্রায় ৫০০ মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১২ সালে ‘প্রিভেনশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সসেস’ বা পকসো আইন চালু হয়েছে। কৃষ্ণনগরে এই বিশেষ আদালত চালু হয়েছে ২০১৪ সালে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাটোয়ায় বিয়ের আসরে গুলি, গ্রেপ্তার পাত্রীর দাদু
 

কাটোয়ায় বিয়ের আসরে বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ। ঘটনায় পাত্রীর ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ শুভ মুক্তি
 মর্দানি ২— গোপী পুথরান পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, ...বিশদ

11:23:19 AM

লাইন পারাপারের সময় আটকে পড়ল টোটো, ব্যাহত ট্রেন চলাচল
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং শাখার তালদি স্টেশনের কাছে লাইন পারাপার ...বিশদ

11:09:00 AM

ইংল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী বরিস জনসন, পেলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা 

11:02:17 AM

গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু
গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

10:37:00 AM

হিমাচলের কুফরিতে ব্যাপক তুষারপাতের জেরে অবরুদ্ধ ৫ নং জাতীয় সড়ক 

10:25:13 AM