Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

গান্ধী, পৃথিবী, পরিবেশ
রঞ্জন সেন

এনভায়রনমেন্ট, ইকোলজি এসব কথা গান্ধী কোন দিন ব্যবহার না করলেও তাঁর চিন্তা চেতনা ও কাজের একটা বড় এলাকা জুড়ে রয়েছে পরিবেশ। গ্রাম স্বরাজ থেকে অহিংসা, চরকা থেকে স্বনির্ভরতা কোন কিছুই যেন পরিবেশ ছাড়া সম্পূর্ণ হয়না। অথচ ঘোষিত পরিবেশবাদী বলতে যা বোঝায় তা তিনি কোনদিনই ছিলেন না। অথচ চিপকো, যা ছিল দেশের প্রথম সফল পরিবেশ আন্দোলন তার নেতা সুন্দরলাল বহুগুণা থেকে শুরু করে আশির দশকে নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটেকারের মতো মানুষদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন তিনি। অথচ, তাঁর পরিবেশ ভাবনার দিকটা অনেকটাই অনালোচিত থেকে গেছে। অ্যাকাডেমিক মহলে কিছু কথাবার্তা হয় কিন্তু সেসব আলোচনা সাধারণ মানুষের জীবনে কোন শিক্ষা হয়ে আসে না। বিরোধীরা তো বটেই এমনকী গান্ধীবাদী বলে বিজ্ঞাপিত যাঁরা সবচেয়ে বেশিদিন দেশ শাসন করলেন তাঁরাও গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে কাজে লাগানোর বদলে তাঁর বিরোধিতা করেছেন।
স্বাভাবিক প্রজ্ঞা থেকেই গান্ধী ১৯০৯ লেখা তাঁর বই হিন্দ স্বরাজ এ বলেছিলেন অনিয়ন্ত্রিত শিল্পায়ন এবং বস্তুবাদের ফল দেশের পক্ষে ভাল হবে না। নদী ও জলদূষণের যা এখন এক ব্যাপক চেহারা নিয়েছে, তার বিপদ সম্পর্কে তিনি বহু আগে থেকেই সতর্ক করে দিয়েছিলেন। অতিরিক্ত ফলনের আশায় জমির স্বাভাবিক উর্বরতা শক্তিকে অস্বীকার করে বেশিমাত্রায় কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের ব্যবহারের বিপদ যে আমাদের কৃষি উৎপাদন তো বটেই জল ও জমির বিরাট বিপদ ডেকে এনেছে তা এখন আমরা রোজকার জীবনের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝছি।
পরিবেশ কথাটার সঙ্গে সচেতন কথাটা বলা এখন প্রায় একটা অনিবার্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গান্ধীজি দেখেছিলেন, আদিবাসী ভূমিপুত্ররা তো বটেই, গরিবরাও পরিবেশের ক্ষতি কম করেন। পরিবেশ সচেতনতা যেন তাঁদের একটা স্বাভাবিক ব্যাপার। গাছের ফল, নদীর জল, মাছ, ক্ষেতের ফসল সবকিছুই তাঁরা ব্যবহার করেন নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী। গান্ধীর ভাষায়, তাঁরা বিশ্বাস করেন পৃথিবীর সম্পদগুলি সাবধানে ব্যবহার করতে হবে। ভাগ করে দিতে হবে সবার মধ্যে। এখানেই গান্ধীর ভাবনার সঙ্গে মার্কসের ক্ষমতা অনুযায়ী দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নেওয়ার তত্ত্ব মিলে যায়। কিন্তু ‘রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি’র মতোই বিত্তবান মানুষ, শিল্পপতি ও বহুজাতিক সংস্থাগুলির লোভ এই ভাবনাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। এমন ঘটতে পারে বুঝেই বাপু সাবধানবাণী করেছিলেন সমবণ্টনই দারিদ্র্য দূর করতে পারে। একজন সবটা নিয়ে নিলে আরেকজন বাঁচবে না। এখন সেটাই ঘটছে। জল-বায়ু-দূষণের বিপদ স্পর্শ করেছে বিত্তবানদেরও। ধনী দেশগুলিও পরিবেশ দূষণের শিকার। শিল্পোন্নত পৃথিবীতে এখন দূষণ সবচেয়ে বেশি। শহরের দূষণ স্পর্শ করেছে গ্রামকে।
গান্ধীর দর্শনের সবচাইতে আকর্ষণীয় দিক হল তিনি কোন কিছুকেই খণ্ডিত দৃষ্টিতে দেখেননি, দেখেছেন একটা সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে। জল-স্থল-অন্তরীক্ষে বিরাজমান প্রাণীকুলের একটা বড় অংশকে প্রায় শেষ করে আনার পর মানুষের এখন তাঁর শিক্ষা মনে পড়েছে। তিনি বলেছেন, পৃথিবীর সব প্রাণীদেরই মানুষের মতো বাঁচার অধিকার রয়েছে। মানুষকে তাদের সঙ্গে মিলেমিশেই বাঁচতে হবে। আমাদের ধর্ম, লোকাচার, লোককথা, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ঠিক এই কথাটাই বলেছে। সেখানে আমরা গান্ধীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতিরই প্রতিফলন দেখি। খুব স্পষ্ট করেই তিনি জানিয়েছেন, জল-জমি-বাতাস পৃথিবীর কোনোকিছুই মানুষের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি নয়। আমরা যে অবস্থায় এটা পেয়েছি ঠিক সেই অবস্থাতেই এসব শিশুদের হাতে তুলে দিতে হবে আমাদের।
আজকের পরিবেশবিদরা গান্ধীর পরিবেশ ভাবনাকে বলছেন হিউম্যান ইকোলজি বা মানবিক বাস্তুতন্ত্র। যা মানুষের সঙ্গে তাকে ঘিরে থাকা পরিবেশের সম্পর্কের কথা বলে। আমরা দেখতেই পাচ্ছি, আমাদের ভালোমন্দ সব কাজেরই প্রভাব পড়ছে পরিবেশের উপর। বনবিনাশ, জলাজমি ভরাট করে ইমারত বানানো ইত্যাদি নিজেদের অপকর্মের ফল ভোগ করছি আমরা নিজেরাই। পরিবেশ সংরক্ষণে সচেষ্ট নাহলে আমরা বিপন্ন হব। সেই কবে বাপু বলে গিয়েছেন, পৃথিবী মানুষের প্রয়োজন মেটানোর মতো সবকিছুই যথেষ্ট পরিমাণে দিয়েছে, কিন্তু তা মানুষের লোভ মেটানোর জন্য নয়।
অথচ আমরা দেখছি প্রয়োজন ছাড়াই মানুষ প্রকৃতি থেকে প্রাণী জগৎ সর্বত্র অবাধ লুণ্ঠন চালাচ্ছে, গোলমালটা সেখানে। মানুষ এবং প্রকৃতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে চলার যে কথা তিনি বলেছিলেন, আমাদের অকারণ লোভ তা শোনেনি। তিনি বুঝেছিলেন এই বিপদ আসতে পারে, তাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন সমগ্র পরিবেশ এবং জীবজগতকে নিয়ে বাস করার ওপর। এই ভাবনাকেই আজকের চিন্তাবিদরা বলছেন হিউম্যান ইকোলজি।
যে গ্রামনির্ভর অর্থনীতির কথা তিনি বলেছিলেন তা আদতে এই ভাবনারই বিস্তৃতি। তাঁর পরিবেশ ভাবনার সঙ্গে অর্থনৈতিক চিন্তার কোনও দূরত্ব নেই। উল্টোভাবে বলা যায়, এই অর্থনীতির রাস্তা ধরতে হলে পরিবেশকে সঙ্গে নিয়েই এগতে হবে। কারণ গ্রামীণ সমাজে চাষবাস তো বটেই এমনকী কুম্ভকার, মালাকার, সূত্রধর, তন্তুবায় ইত্যাদি আমাদের দেশের প্রধান বৃত্তিজীবী সম্প্রদায়গুলির কাজকর্ম একান্তভাবেই গ্রামীণ প্রয়োজন মেটায়। পরিবেশ থেকেই এদের কাজকর্মের উপাদান ও উপকরণ আহরিত হয়। এই ব্যাপারটা মাথায় রেখেই বাপু গ্রাম-ভারতের উপযোগী বিকল্প অর্থনীতির পরিকল্পনা করেছিলেন। এই তত্ত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে, আজকের পৃথিবীতে তা কতটা কার্যকর প্রশ্ন থাকতে পারে তা নিয়েও কিন্তু তার সামগ্রিক চেহারাটা নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই। সমাজের প্রতিটি বর্গের মানুষদের কথা ভেবে এমন একটা গ্রামসমাজের পরিকল্পনা তিনি করেছিলেন যা পরিবেশকে বজায় রেখে নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর উপযোগী স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তত্ত্বের দিক থেকে গান্ধীর একটা মৌলিক অবদান হল অহিংসা। সেই অহিংসাকে কেন্দ্র করে আমাদের জীবন হয়ে উঠতে পারে আরও বেশি পরিবেশবান্ধব। অহিংসার নীতি শুধু রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেই নয়, তা আমাদের বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। পরিবেশ সংরক্ষণ কথাটা ব্যবহার না করে তিনি বলেছেন পরিবেশবান্ধব বিকাশের কথা। বলেছেন, বিকাশ যেন জল-বাতাস-নদী-সমুদ্র কোন কিছুকেই ধ্বংস না করে এগোয়। তাঁর কাছে বিকাশ মানে ভূমিপুত্রদের বাস্তুচ্যুত করা নয়, জল-জঙ্গল-জমি ধ্বংস করা নয়। পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্ব ও অধিকার স্বীকার করেই মানুষকে বিকাশের রাস্তায় হাঁটার কথা বলেছিলেন তিনি। গান্ধীভাবনা মানে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটা সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি। যেখানে প্রতিটি মানুষ ও প্রাণের বাঁচার একটা স্বাভাবিক পরিসর থাকবে।
দুঃখের বিষয়, গান্ধীর নামে যাঁরা লাগাতার জয়ধ্বনি দেন, তাঁরাও তাঁর উন্নয়ন ভাবনার তাৎপর্য বুঝতে পারেননি। উন্নয়ন বলতে তাঁরা বুঝেছেন চওড়া রাস্তা, উঁচু ইমারত, প্রচুর কারখানা, প্রচুর গাড়ি এবং যতটা সম্ভব নদী-নালা-সবুজ ধ্বংস করা। এই উন্নয়নের গুঁতো এমনই যে তা শুনেই গরিবরা চমকে ওঠেন, ভাবেন এই বুঝি তাদের জীবন ও জীবিকায় টান পড়লো। উন্নয়ন, বিকাশ, অগ্রগতি এসব শব্দ তাদের মনে আশার বদলে তৈরি করেছে হতাশা। অথচ ব্যাপারটা হওয়া উচিত ছিল ঠিক উল্টো।
পরিবেশ আজ যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে নতুন করে গান্ধীকে বোঝার পাঠ নিতে হবে সবাইকেই। মানে দেশের প্রকৃতি ও পরিবেশের সঙ্গে পরিচয়, মানুষের সঙ্গে পরিচয়। শুধু নিজের স্বার্থ নয়, দেখতে হবে সমগ্র প্রাণীজগতের স্বার্থ, বাস্তুতন্ত্রের স্বার্থ, শিখতে হবে সবাইকে নিয়ে চলা। প্রকৃতি কিন্তু বারবার আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে মানুষের অবাধ লুণ্ঠন সে আর মানবে না। একসময় মানুষের উদ্ভাবনী ভাবনার হাত ধরে এসেছিল যন্ত্র। কিন্তু তার যথেচ্ছ অপব্যবহার আমাদের চিন্তাভাবনাকেও যান্ত্রিক করে তুলেছে। যন্ত্রবলে বলীয়ান মানুষ বীরবিক্রমে চড়াও হয়েছে পরিবেশের ওপর। সর্বংসহা প্রকৃতি বহুদিন তা সহ্য করেছে। লোভী মানুষকে রক্ষা করার দায় এখন আর তার নেই। শুরু হয়েছে প্রকৃতির প্রতিশোধ। গান্ধীর ভাবনাকে আশ্রয় করেই মানুষ আজ নতুন করে পরিবেশ বাঁচানোর পাঠ নিতে পারে। 
30th  September, 2019
হিসেব মেলানো ভার
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সাত দু’গুণে কত হয়? উঁহু, ১৪ নয়। আপনি কখন বলছেন, তার উপর নির্ভর করছে। মানে, কাকেশ্বর কুচ্‌কুচে যদি মনে করে, আপনি বলার সময় ১৩ টাকা ১৪ আনা ৩ পাই হয়েছিল... মানে পুরোপুরি ১৪ হয়নি, তাহলে সেটাই। অর্থাৎ, হাতে একটা পেনসিল থাকছেই। বিশদ

সতর্ক প্রহরী
পি চিদম্বরম

ব্যারিস্টার ভি জি রো মাদ্রাজ হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। তিনি ছিলেন বাম-মনস্ক উদার। সমস্ত ধরনের বিজ্ঞানের ব্যবহারিক জ্ঞান, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং শিল্প, সাহিত্য, নাটক প্রভৃতিকে জনপ্রিয় করে তুলতে তিনি পিপলস এডুকেশন সোসাইটি গড়েছিলেন।
বিশদ

01st  June, 2020
একটু সময় দিন,
পাশে দাঁড়ান
হিমাংশু সিংহ

বামফ্রন্ট সরকার ১৯৭৭ সালে ক্ষমতায় আসার পরের বছরই ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। ভেসে গিয়েছিল একের পর এক জেলা, দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর। কলকাতাও রেহাই পায়নি সেই বিপর্যয়ের হাত থেকে।
বিশদ

31st  May, 2020
বিশ্বাসযোগ্যতা ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের এক বছর
রাজনাথ সিং

যে কোনও দেশের ইতিহাসে পাহাড়প্রমাণ পরিবর্তন দেখার সুযোগ খুব কমই আসে। ২০১৪ সালে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এরকমই একটি বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। দেশের মানুষ দুর্বল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসনের হাত থেকে রেহাই পেতে চেয়েছিলেন।
বিশদ

30th  May, 2020
বন্দি যখন শিশুমন
তন্ময় মল্লিক

 ‘উফ, আর পারা যাচ্ছে না। কবে যে মুক্তি পাব?’ ‘কতদিন বাজার যাইনি। এইভাবে দমবন্ধ অবস্থায় থাকা যায়?’ ‘দিনরাত গাধার খাটুনি খাটছি। তার উপর তোদের জ্বালাতন। এবার ঠাস ঠাস করে চড়িয়ে দেব।’ লকডাউনের গৃহবন্দি জীবনে এমন সংলাপ আজ প্রায় ঘরে ঘরে।
বিশদ

30th  May, 2020
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

29th  May, 2020
ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১ জুন: এবার চলবে শতাব্দী এক্সপ্রেসও। শীঘ্রই শুরু হবে টিকিট বুকিং। পাশাপাশি অত্যধিক চাহিদা থাকায় বাছাই করা কিছু রুটে শুরু হতে চলেছে ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: করোনা খাতে কেন্দ্রের কাছে ৩০০ কোটি টাকা চাইল শিক্ষা দপ্তর। চিঠি দিয়ে তা জানানো হয়েছে। সুস্বাস্থ্য ও পরিবেশ বজায় রাখার জন্য স্কুলগুলিকে জীবাণুমুক্ত করা থেকে শুরু করে অন্যান্য নানা কাজের জন্যই এই বিপুল অর্থের প্রয়োজন। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলতেই শহরে লকডাউনকে আঁটোসাঁটো করল দিনহাটা পুর প্রশাসন। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য শহরে বন্ধ করে দেওয়া হল অটো, টোটো ও বাইক চলাচল।  ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লকডাউনের জন্য ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর সল্টলেক স্টেডিয়াম থেকে ফুলবাগান পর্যন্ত সম্প্রসারিত পথে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির ইন্সপেকশন থমকে গিয়েছিল। মেট্রো রেল সূত্রের খবর, জুন মাসের মধ্যে এই ইন্সপেকশন হবে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীরা কোনও বৃত্তিমূলক পরীক্ষার ভালো ফল করবে। বিবাহার্থীদের এখন ভালো সময়। ভাই ও বোনদের কারও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৭: লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভারতকে দ্বিখণ্ড করার পরিকল্পনা মেনে নিল কংগ্রেস ও মুসলিম লিগ
১৯৬৫ - অস্ট্রেলীয় প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্ক ওয়ার জন্ম।
১৯৭৫ - বিশিষ্ট পদার্থ বিজ্ঞানী দেবেন্দ্র মোহন বসুর মৃত্যু
১৯৮৭: বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষি সিনহার জন্ম
১৯৮৮: অভিনেতা ও নির্দেশক রাজ কাপুরের মৃত্যু
২০১১: গায়ক অমৃক সিং আরোরার মৃত্যু
২০১১: বিশিষ্ট সংবাদ পাঠক তথা আবৃত্তিকার তথা বাচিক শিল্পী দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৫২ টাকা ৭৬.২৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৭৩ টাকা ৯৫.০২ টাকা
ইউরো ৮২.৩৮ টাকা ৮৫.৪৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী ১৭/৫৪ দিবা ১২/৫। চিত্রা নক্ষত্র ৪৪/৫৮ রাত্রি ১০/৫৫। সূর্যোদয় ৪/৫৫/২৮, সূর্যাস্ত ৬/১৩/৪৪। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৪ মধ্যে পুনঃ ৯/২১ গতে ১২/০ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে ৪/২৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৫ গতে ২/৪ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৪ গতে ২/৫৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৪ গতে ৮/৫৪ মধ্যে।
 ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২ জুন ২০২০, মঙ্গলবার, একাদশী দিবা ৯/৪৬। চিত্রা নক্ষত্র রাত্রি ৯/২১। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৫। অমৃতযোগ দিবা ৭/৩৬ মধ্যে ও ৯/২৪ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ৩/৩৮ গতে ৪/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২ মধ্যে ও ১১/৫৮ গতে ২/৬ মধ্যে। বারবেলা ৬/৩৬ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১/১৫ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৩৫ গতে ৮/৫৫ মধ্যে।
৯ শওয়াল।

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
৫২২ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 
আজও ৫২২.০১ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স। ১.৫৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে আজকের ...বিশদ

04:53:52 PM

 আগামীকাল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক
আগামীকাল সন্ধ্যা ৭ টার সময় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন লোক কল্যাণ মার্গে ...বিশদ

04:38:30 PM

 গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে করোনা আক্রান্ত আরও ৩৪৮
গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরপ্রদেশে আরও ৩৪৮ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

04:21:08 PM

পাকিস্তানে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৩,৯৩৮ ও মৃত ৭৮ 
পাকিস্তানে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ ...বিশদ

03:57:03 PM

রাশিয়ায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৮,৮৬৩ ও মৃত ১৮২ 
রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮,৮৬৩ ...বিশদ

03:39:35 PM

মনোজ তিওয়ারির বদলে নয়াদিল্লির বিজেপি সভাপতি হলেন আদেশ কুমার গুপ্তা 

03:26:00 PM