Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোয় অনলাইন প্রক্সি
অতনু বিশ্বাস

প্রক্সি তো কত রকমের হয়। কলেজের ক্লাসে হয় আপনি কোনও সহপাঠীর প্রক্সি দিয়েছেন, অথবা আপনার প্রক্সি কেউ দিয়ে দিয়েছে। এর কোনওটাই না হলে কিন্তু কলেজ জীবনের বারো আনাই মাটি। (ষোল আনা লিখেও যত্ন করে কেটে বারো আনা করলাম। মনে হল, আমাদের সমাজ-ব্যবস্থায় কলেজ জীবনে হইহই করে উপভোগ করাটাই মূল উদ্দেশ্য বলে লিখলে বিপদ আছে।) কিন্তু তা বলে পুজোতেও প্রক্সি? সশরীরে উপস্থিত থাকার পরিবর্তে অন্তর্জালে উপস্থিতি। কিন্তু তাও কি সম্ভব? হ্যাঁ, সে রকম ব্যবস্থাই তো হচ্ছে আজকাল। সযত্নে। এবং সাড়ম্বরে। কলকাতার বাছাই করা কিছু পুজোতে।
বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখা যাক। সশরীরে না এসেও অনলাইনে পুজোতে অংশ নেবার সুযোগ এতদিন ছিল অবশ্যই। কিন্তু তা সীমাবদ্ধ ছিল বড় বড় মন্দিরের ক্ষেত্রেই। যেমন তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে, কিংবা সিদ্ধিবিনায়ক গণপতি মন্দিরে। তার দিগন্ত এবার প্রসারিত হল কলকাতার প্রাণের উৎসব দুর্গা পুজোতেও। এইমাত্র। আইডিয়ার গ্লোবালাইজেশন তো এভাবেই হয়। জনগণের চাহিদা এবং সুবিধার সঙ্গে ব্যবসায়ের সুনিপুণ যোগসূত্রের মধ্য দিয়ে। কলকাতার পুজোর ক্ষেত্রে আপাতত এক প্রাইভেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় হয়েছে এর শুরু। এদের আকাশপাতায় দেওয়া হয়েছে এই অনলাইনে পুজো উপভোগের সুযোগ। আপাতত চুক্তি হয়েছে কলকাতার তিনটে বড় পুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। অনলাইনে করা যাবে এই পুজোগুলির দর্শন, পুষ্পাঞ্জলি, এমনকী ডালা এবং প্রণামী দেবার ব্যবস্থাও। আকাশপাতায় এই দর্শন হবে বিনামূল্যে। দর্শন মানে কিন্তু সোজাসাপ্টা শুধুমাত্র প্রতিমা দেখাই নয়। সেখানে রয়েছে ক্যামেরা এবং টেকনোলজির উৎকর্ষের প্রতিশ্রুতি। বাজার অর্থনীতির এটাই শর্ত। আগামী দিনে এক্ষেত্রে তীব্র ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা আসা শুধু হয়তো সময়ের অপেক্ষা। যাই হোক, আকাশপাতায় পুষ্পাঞ্জলিও বিনামূল্যে। ডালা এবং প্রণামী দেওয়া যাবে কার্ডে বা ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। শুধু মিষ্টি হলে ৫০১ টাকা, মিষ্টি আর ফল হলে ১০০১, আর তাতে শাড়ি, আলতা, সিঁদুর যোগ হলে ২১০০। ডালায় ফল, মিষ্টি, শাড়ি, সিঁদুরের সাথে উপভোক্তার নাম ও গোত্র জানাবার ব্যবস্থাও একেবারে পাকা। পুজো বলে কথা। ঠিক যেমনটা হয় আর কী। কলকাতার বাইরের কেউ অর্ডার দিলে ডালা পৌঁছে দেওয়া হবে কলকাতায় তার কোনও আত্মীয়ের বাড়িতে।
প্রচেষ্টাটায় বেশ চমক আছে নিঃসন্দেহে। পুজোতে এই অনলাইন প্রক্সির ইতিবৃত্ত যে প্রবাসী এবং অনাবাসী বাঙালিদের কলকাতার পুজোর আওতায় আনার একটা প্রচেষ্টা, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে একে প্রবাসী কিংবা অনাবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, তার কোনও বাধ্যবাধকতা অবশ্যই নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে যাঁরা বৃদ্ধ, অসুস্থ, অশক্ত, ভিড়ভাট্টায় পুজো প্যান্ডেলে ঘুরতে অসমর্থ, তাঁরাও তো দিব্যি ভার্চুয়াল পুজোর শরিক হতে পারেন। আর শুধু যাঁরা অসমর্থ তাঁরাই বা কেন, যাঁরা ভিড়ের স্রোতে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাঁরাও কেন নন? কে আটকাচ্ছে?
এটা প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তি যে কতটা বিস্তৃত হয়েছে, এবং প্রতি মুহূর্তে ছড়িয়ে চলেছে তার ডানা, তার হদিশ পাওয়াই মুশকিল। সত্যি বলতে কী, টেকনোলজির যা রমরমা, স্বশিক্ষার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন দুর্বার গতিতে ছাপিয়ে নিয়ে চলেছে নিজেকেই, ভবিষ্যতে এই ভার্চুয়াল জগতের পুজোয় কী কী অবাক-করা অজানা বিপ্লব আসতে চলেছে, তা অনুমান করাও অসম্ভব। এমন হতেই পারে যে, ভার্চুয়াল জগতে আয়োজন হবে নানা ধরনের ভার্চুয়াল পুজোর। তাদের ঘিরে চলবে শিল্পিত সব প্রতিযোগিতাও। এভাবে সব মিলিয়ে এক স্বপ্নের আবেশ তৈরি হলেই বা ঠেকাচ্ছে কে! নানা ধরনের ভার্চুয়াল অ্যাডভেঞ্চার রিয়েলিটি গেমের রমরমা এখন। সেখানে সিমুলেটরের সাহায্যে ত্রিমাত্রিক জগতে এমন সব আবেশ তৈরি হয় যে, মনে হবে আমি আপনিই যেন বাস্তবে সেই সব অ্যাডভেঞ্চারের খেলোয়াড়। যেন কখনও পাহাড় এবং উপত্যকার মাঝখান দিয়ে পিছলে চলেছি আমি, কিংবা শূন্যে বা সমুদ্রে ঝাঁপ দেবার বিপজ্জনক খেলায় মেতেছি। আজকের টেকনোলজিতে সম্ভব এ সবই। তাই সেভাবেই পুজোর কলকাতায় সশরীরে কয়েক লক্ষ লোকের শরিক হওয়ার আবেশ তৈরি করাও অবশ্যই সম্ভব। অনলাইনের পুজোর টেকনোলজিকে আরও বিস্তৃত করা যায় সহজেই। আনা যায় স্পেশাল এফেক্ট। যাতে মনে হবে লক্ষ লক্ষ লোকের সঙ্গে আলো-ঝলসানো পুজো প্যান্ডেলগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছি আমিও। এইসব টেকনোলজির ব্যবহার তাই আসতে পারে অচিরেই। ক্রমে এমন দিনও কি আসতে পারে যে, যত লোক বাস্তবে ঘুরে ঘুরে পুজো দেখবে তার চাইতে বেশি পুজো উপভোগ করবে ভার্চুয়াল দুনিয়ায়? আমি হয়তো একটু বেশিই ভেবে ফেলছি। এবং বড্ড তাড়াতাড়ি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের নানা অ্যাপ নিয়ে নানা কোম্পানি ব্যবসায়ের প্রতিযোগিতায় নামবে, এটা একান্তই সম্ভব। আর তাই পুজো উপভোগ এবং সেই সঙ্গে পুজোর অর্থনীতিতেও নতুন নতুন মোড় আসবে, সেটাই বাস্তব। অদূর ভবিষ্যতেই পুজো উদ্যোক্তাদের পুজোর খরচ জোগানের একটা বিকল্প পথ খুলে যেতে পারে এইসব ভার্চুয়াল পুজোর উপভোগ এবং পুজো পরিক্রমার মধ্যও দিয়ে। টেকনোলজির হাত ধরে বদলায় সমাজ, পরিবর্তিত হয় তার জীবনধারার স্টাইল। আর সেই সঙ্গে বদলে যায় অর্থনীতির ছন্দ আর বিন্যাস। তার রূপরেখা আর দিক।
কল্পনাকে আর একটু বিস্তৃত করা যাক। ক্রমে এই অনলাইন প্রক্সির আওতায় কিন্তু আসতে পারে আরও অনেক কিছুই। ধরা যাক, আমার হাওয়াইয়ের সমুদ্র তীরে বসে হাওয়া খেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সময়, সুযোগ, অর্থ, শারীরিক পরিস্থিতি, ইত্যাদি কোনও না কোনও কারণে যাওয়া অসম্ভব। কিন্তু অনলাইনে এমনই কোনও আকাশপাতায় গিয়ে ফিস্‌ অ্যান্ড চিপ্‌স খেতে খেতে সমুদ্রের ঢেউ গোনা তো এক চুটকিতেই করা সম্ভব। ভার্চুয়াল ট্যুরিজম তাই এখন সহজেই হাতের নাগালে। এবং ভার্চুয়ালি হাতের নাগালে আসতে পারে এমন আরও অনেক কিছুই।
আচ্ছা, সে যখন হবে তো দেখা যাবে। আপাতত অনলাইনে পুজোর স্তোত্রটুকু শোনা সম্ভব, এবং সেটা এই পুজোতেই, এটুকু অন্তত বোঝা গেল। অনলাইনে হাজিরা দেওয়া সম্ভব পুজো মণ্ডপে, দেখা সম্ভব আরতি, অঞ্জলি, দেওয়া যাবে প্রণামী বা পাওয়া যাবে প্রসাদ। শুরুতে এই বা কম কীসে?
তবু, আমরা যারা আগের প্রজন্মের ট্র্যাডিশনাল লোকজন, তাদের হৃদয়ের গোপন কোণে একটু কেমন কেমন ভাব থেকেই যায় এই অনলাইনের ভার্চুয়াল পুজোর ধামাকার মধ্যেও। ব্যাপারটা খুলেই বলি। কৈলাসেও খাসা ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চয়ই আছে, তা সে ৫জি হোক বা ৮জি। পুজোর সময় প্যাচপ্যাচে বৃষ্টির আশঙ্কা, বউবাজারে মেট্রোর ধস, যাদবপুরে শোরগোল, আর ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির সম্মিলিত ফলশ্রুতিতে মা দুর্গা বা তাঁর সন্তান-সন্ততির কেউ, নিদেন অসুরটাও যদি এবার বলে বসে, ‘‘সেই কবে থেকে ফি-বছর পুজোর ভিড়ভাট্টায় গিয়ে গিয়ে বড্ড ক্লান্ত হয়ে গেছি। এবারে আর মর্ত্যে না হয় নাই গেলাম। ইন্টারনেটেই বরং হাজিরার প্রক্সিটা দিয়ে দেওয়া যাক। ভার্চুয়ালি।’’ তবে?
ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
29th  September, 2019
বৈধ-অবৈধ নাগরিক কথা
সমৃদ্ধ দত্ত

পাকিস্তান কিংবা আফগানিস্তান থেকে ভারতে চলে আসার পর মানুষদের কী অবস্থা সে সব আমরা খুব বেশি জানি না। আমরা বাঙালিরা জানি বাংলাদেশ সম্পর্কে। কারণ, বাংলাদেশ আমাদের পাশের দেশ। সুতরাং নয়া নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে যে প্রশ্নগুলির উত্তর পাওয়া দরকার সেগুলি বাংলাদেশ সংক্রান্ত হওয়াই বাঞ্ছনীয়।  
বিশদ

এনকাউন্টার, আইন এবং ন্যায়বিচার
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

জাস্টিস ইজ ডান। নীচে একটা স্মাইলি... প্ল্যাকার্ডে লেখা বলতে শুধু এটাই। কোনও কায়দা নেই। নেই রাজনীতির রং। নেহাতই সাদা কাগজে মোরাদাবাদের স্কুলের ছাত্রীদের হাতে লেখা কাগজগুলো বলছে, এবার হয়তো আমরা নিরাপদ হব।
বিশদ

10th  December, 2019
আর ক’জন ধর্ষিতা হলে রামরাজ্য পাব
সন্দীপন বিশ্বাস 

রাত অনেক হল। মেয়েটি এখনো বাড়ি ফেরেনি। কোথাও আটকে গিয়েছে। অনেক লড়াই করে, পুরুষের সঙ্গে পাশাপাশি ঘাম ঝরিয়ে তাকে বেঁচে থাকতে হয়। বাড়িতে বাবা-মা অস্থির হয়ে ওঠেন।  বিশদ

09th  December, 2019
অর্থনীতিবিদদের ছাড়াই অর্থনীতি
পি চিদম্বরম

প্রত্যেকেই অর্থনীতিবিদ। যে গৃহবধূ পরিবার সামলানোর বাজেট তৈরি করেন, তাঁকে থেকে শুরু করে একজন ডেয়ারি মালিক যিনি দুধ বিক্রির জন্য গোদোহন করেন এবং একজন ছোট উদ্যোগী যিনি বড় নির্মাণ ব্যবসায়ীর জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করেন, সকলেই এই গোত্রে পড়েন।  বিশদ

09th  December, 2019
বাজার আগুন, বেকারত্ব লাগামছাড়া,
শিল্পে মন্দা, সরকার মেতে হিন্দুরাষ্ট্রে
হিমাংশু সিংহ

 দেশভাগ, শরণার্থীর ঢল, বার বার ভিটেমাটি ছাড়া হয়ে উদ্বাস্তু হওয়ার তীব্র যন্ত্রণা আর অভিশাপের মাশুল এই বাংলা বড় কম দেয়নি। ইতিহাস সাক্ষী, সাবেক পূর্ববঙ্গের শত শত নিরাশ্রয় মানুষকে নিজের বুকে টেনে নিতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তে তৈরি হয়েছে নতুন নতুন সঙ্কট। বদলে গিয়েছে গোটা রাজ্যের জনভিত্তি।
বিশদ

08th  December, 2019
বাঙালি হিন্দু উদ্বাস্তুর প্রাপ্য অধিকার
জিষ্ণু বসু

 কয়েকদিন আগেই রাজ্যসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা বলেছেন। চলতি অধিবেশনেই হয়তো পাশ হবে ঐতিহাসিক নাগরিকত্ব সংশোধনী। এটি আইনে রূপান্তরিত হলে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আসা হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান ও পারসিক সম্প্রদায়ের মানুষেরা এদেশের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাবেন।
বিশদ

08th  December, 2019
কর্পোরেটদের যথেষ্ট সুবিধা দিলেও অর্থনীতির বিপর্যয় রোধে চাহিদাবৃদ্ধির সম্ভাবনা ক্ষীণ
দেবনারায়ণ সরকার

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘ক্ষণিকা’ কাব্যগ্রন্থে ‘বোঝাপড়া’ কবিতায় লিখেছিলেন, ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক সত্যেরে লও সহজে।’ কিন্তু কেন্দ্রের অন্যান্য মন্ত্রীরা থেকে শুরু করে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ভারতীয় অর্থনীতির চরম বেহাল অবস্থার বাস্তবতা সর্বদা চাপা দিতে ব্যস্ত। 
বিশদ

07th  December, 2019
অণুচক্রিকা বিভ্রাট
শুভময় মৈত্র

সরকারি হাসপাতালে ভিড় বেশি, বেসরকারি হাসপাতালের তুলনায় সুবিধে হয়তো কম। তবে নিম্নবিত্ত মানুষের তা ছাড়া অন্য কোনও পথ নেই। অন্যদিকে এটাও মাথায় রাখতে হবে যে রাজ্যে এখনও অত্যন্ত মেধাবী চিকিৎসকেরা সরকারি হাসপাতালে কাজ করেন। 
বিশদ

06th  December, 2019
সার্ভিল্যান্স যুগের প্রথম পরীক্ষাগার উইঘুর সমাজ
মৃণালকান্তি দাস

চীনের সংবাদ মানেই তো যেন সাফল্যের খবর। সমুদ্রের উপর ৩৪ মাইল লম্বা ব্রিজ, অতিকায় যাত্রী পরিবহণ বিমান তৈরি, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া উদ্ভাবন, চাঁদের অপর পিঠে অবতরণ...। মিহিরগুল তুরসুনের ‘গল্প’ সেই তালিকায় খুঁজেও পাবেন না। ১৪১ কোটি জনসংখ্যার চীনে মিহিরগুল মাত্র সোয়া কোটি উইঘুরের প্রতিনিধি। 
বিশদ

06th  December, 2019
আর ঘৃণা নিতে পারছে না বাঙালি
হারাধন চৌধুরী

 এটাই বোধহয় আমার শোনা প্রথম কোনও ছড়া। আজও ভুলতে পারিনি। শ্রবণ। দর্শন। স্পর্শ। প্রথম অনেক জিনিসই ভোলা যায় না। জীবনের উপান্তে পৌঁছেও সেসব অনুভবে জেগে থাকে অনেকের। কোনোটা বয়ে বেড়ায় সুখানুভূতি, কোনোটা বেদনা। এই ছড়াটি আমার জীবনে তেমনই একটি। যখন প্রথম শুনেছি তখন নিতান্তই শিশু। বিশদ

05th  December, 2019
আগামী ভোটেও বিজেপির গলার কাঁটা এনআরসি
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির বিপর্যয় বিশ্লেষণ করতে গিয়ে যখন ওই প্রার্থীদের পরাজয়ের ব্যাপারে সকলেই একবাক্যে এনআরসি ইস্যুকেই মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, তখনও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এনআরসিতে অটল। তিন বিধানসভা কেন্দ্রের বিপর্যয়ের পর আবারও অমিত শাহ এনআরসি কার্যকর করবার হুংকার ছেড়েছেন।  
বিশদ

03rd  December, 2019
সিঁদুরে মেঘ ঝাড়খণ্ডেও
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভারতের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে একটা কথা বেশ প্রচলিত... এদেশের ভোটাররা সাধারণত পছন্দের প্রার্থীকে নয়, অপছন্দের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিয়ে থাকেন। ২০১৪ সালে যখন নরেন্দ্র মোদিকে নির্বাচনী মুখ করে বিজেপি আসরে নামল, সেটা একটা বড়সড় চমক ছিল। 
বিশদ

03rd  December, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি, ১২ ডিসেম্বর: বজবজের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হল বঙ্গ বিজেপি। এদিন দলের রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সংসদ সদস্য দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এক প্রতিনিধি দল জাতীয় নির্বাচন কমিশনে যায়। ...

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: ডেঙ্গু প্রতিরোধের পাশাপাশি প্লাস্টিক বর্জন ও জল অপচয়ের বিরুদ্ধে এবার পথে নামল উলুবেড়িয়া পুরসভা। বৃহস্পতিবার এই উপলক্ষে পুরসভার তরফে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এক পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি পুরসভার ২২নং ওয়ার্ডটিও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।  ...

ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল।  ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: কয়েক মাস আগে আবেদনের পরেও দলীয় কর্মীর বাড়িতে বিদ্যুতের খারাপ মিটার বদলে না দেওয়ায় দিনহাটায় বিদ্যুৎ দপ্তরে ডেপুটেশন দিল দি গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশন। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
aries

শারীরিক দিক থেকে খুব ভালো যাবে না। মনে একটা অজানা আশঙ্কার ভাব থাকবে। আর্থিক দিকটি ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৩০: রাইটার্সে অলিন্দ যুদ্ধের সেনানী বিনয় বসুর মৃত্যু
১৯৮৬: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের মূত্যু
২০০১: ভারতের সংসদে জঙ্গি হামলা
২০০৩: তিকরিত থেকে গ্রেপ্তার হলেন সাদ্দাম হুসেন





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮৫ টাকা ৭১.৫৪ টাকা
পাউন্ড ৯১.৮৫ টাকা ৯৫.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.২৯ টাকা ৮০.২৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪১৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৩,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৩,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ৯/২৪ দিবা ৯/৫৭। মৃগশিরা ০/১৮ দিবা ৬/১৮ পরে আর্দ্রা ৫৯/৯ শেষরাত্রি ৫/৫১। সূ উ ৬/১১/২, অ ৪/৪৯/৩৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫৪ মধ্যে পুনঃ ৭/৩৬ গতে ৯/৪৪ মধ্যে পুনঃ ১১/৫২ গতে ২/৪২ মধ্যে পুনঃ ৩/২৫ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৪৩ গতে ৯/১৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৮ গতে ৩/৩২ মধ্যে পুনঃ ৪/২৫ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৫০ গতে ১১/৩০ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৯ গতে ৯/৪৯ মধ্যে। 
২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, প্রতিপদ ১০/৫৮/৫৭ দিবা ১০/৩৬/৩৮। মৃগশিরা ৩/১৮/৩৯ দিবা ৭/৩২/৩১, সূ উ ৬/১৩/৩, অ ৪/৪৯/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে ও ৭/৪৬ গতে ৯/৫৩ মধ্যে ও ১২/০ গতে ২/৪৯ মধ্যে ও ৩/৩২ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৫০ গতে ৯/২৫ মধ্যে ও ১২/৬ গতে ৩/৪০ মধ্যে ও ৪/৩৪ গতে ৬/১৪ মধ্যে, কালবেলা ১০/১১/৫৩ গতে ১১/৩১/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১০/৪২ গতে ৯/৫১/৫ মধ্যে। 
১৫ রবিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
কাটোয়ায় বিয়ের আসরে গুলি, গ্রেপ্তার পাত্রীর দাদু
 

কাটোয়ায় বিয়ের আসরে বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়ার অভিযোগ। ঘটনায় পাত্রীর ...বিশদ

11:27:00 AM

আজ শুভ মুক্তি
 মর্দানি ২— গোপী পুথরান পরিচালিত ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে আইনক্স, ...বিশদ

11:23:19 AM

লাইন পারাপারের সময় আটকে পড়ল টোটো, ব্যাহত ট্রেন চলাচল
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং শাখার তালদি স্টেশনের কাছে লাইন পারাপার ...বিশদ

11:09:00 AM

ইংল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী বরিস জনসন, পেলেন সংখ্যাগরিষ্ঠতা 

11:02:17 AM

গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু
গড়ফায় গাছ থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। জানা গিয়েছে, ...বিশদ

10:37:00 AM

হিমাচলের কুফরিতে ব্যাপক তুষারপাতের জেরে অবরুদ্ধ ৫ নং জাতীয় সড়ক 

10:25:13 AM