Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোয় অনলাইন প্রক্সি
অতনু বিশ্বাস

প্রক্সি তো কত রকমের হয়। কলেজের ক্লাসে হয় আপনি কোনও সহপাঠীর প্রক্সি দিয়েছেন, অথবা আপনার প্রক্সি কেউ দিয়ে দিয়েছে। এর কোনওটাই না হলে কিন্তু কলেজ জীবনের বারো আনাই মাটি। (ষোল আনা লিখেও যত্ন করে কেটে বারো আনা করলাম। মনে হল, আমাদের সমাজ-ব্যবস্থায় কলেজ জীবনে হইহই করে উপভোগ করাটাই মূল উদ্দেশ্য বলে লিখলে বিপদ আছে।) কিন্তু তা বলে পুজোতেও প্রক্সি? সশরীরে উপস্থিত থাকার পরিবর্তে অন্তর্জালে উপস্থিতি। কিন্তু তাও কি সম্ভব? হ্যাঁ, সে রকম ব্যবস্থাই তো হচ্ছে আজকাল। সযত্নে। এবং সাড়ম্বরে। কলকাতার বাছাই করা কিছু পুজোতে।
বিষয়টা একটু খতিয়ে দেখা যাক। সশরীরে না এসেও অনলাইনে পুজোতে অংশ নেবার সুযোগ এতদিন ছিল অবশ্যই। কিন্তু তা সীমাবদ্ধ ছিল বড় বড় মন্দিরের ক্ষেত্রেই। যেমন তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে, কিংবা সিদ্ধিবিনায়ক গণপতি মন্দিরে। তার দিগন্ত এবার প্রসারিত হল কলকাতার প্রাণের উৎসব দুর্গা পুজোতেও। এইমাত্র। আইডিয়ার গ্লোবালাইজেশন তো এভাবেই হয়। জনগণের চাহিদা এবং সুবিধার সঙ্গে ব্যবসায়ের সুনিপুণ যোগসূত্রের মধ্য দিয়ে। কলকাতার পুজোর ক্ষেত্রে আপাতত এক প্রাইভেট কোম্পানির ব্যবস্থাপনায় হয়েছে এর শুরু। এদের আকাশপাতায় দেওয়া হয়েছে এই অনলাইনে পুজো উপভোগের সুযোগ। আপাতত চুক্তি হয়েছে কলকাতার তিনটে বড় পুজোর উদ্যোক্তাদের সঙ্গে। অনলাইনে করা যাবে এই পুজোগুলির দর্শন, পুষ্পাঞ্জলি, এমনকী ডালা এবং প্রণামী দেবার ব্যবস্থাও। আকাশপাতায় এই দর্শন হবে বিনামূল্যে। দর্শন মানে কিন্তু সোজাসাপ্টা শুধুমাত্র প্রতিমা দেখাই নয়। সেখানে রয়েছে ক্যামেরা এবং টেকনোলজির উৎকর্ষের প্রতিশ্রুতি। বাজার অর্থনীতির এটাই শর্ত। আগামী দিনে এক্ষেত্রে তীব্র ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতা আসা শুধু হয়তো সময়ের অপেক্ষা। যাই হোক, আকাশপাতায় পুষ্পাঞ্জলিও বিনামূল্যে। ডালা এবং প্রণামী দেওয়া যাবে কার্ডে বা ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে। শুধু মিষ্টি হলে ৫০১ টাকা, মিষ্টি আর ফল হলে ১০০১, আর তাতে শাড়ি, আলতা, সিঁদুর যোগ হলে ২১০০। ডালায় ফল, মিষ্টি, শাড়ি, সিঁদুরের সাথে উপভোক্তার নাম ও গোত্র জানাবার ব্যবস্থাও একেবারে পাকা। পুজো বলে কথা। ঠিক যেমনটা হয় আর কী। কলকাতার বাইরের কেউ অর্ডার দিলে ডালা পৌঁছে দেওয়া হবে কলকাতায় তার কোনও আত্মীয়ের বাড়িতে।
প্রচেষ্টাটায় বেশ চমক আছে নিঃসন্দেহে। পুজোতে এই অনলাইন প্রক্সির ইতিবৃত্ত যে প্রবাসী এবং অনাবাসী বাঙালিদের কলকাতার পুজোর আওতায় আনার একটা প্রচেষ্টা, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে একে প্রবাসী কিংবা অনাবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, তার কোনও বাধ্যবাধকতা অবশ্যই নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে যাঁরা বৃদ্ধ, অসুস্থ, অশক্ত, ভিড়ভাট্টায় পুজো প্যান্ডেলে ঘুরতে অসমর্থ, তাঁরাও তো দিব্যি ভার্চুয়াল পুজোর শরিক হতে পারেন। আর শুধু যাঁরা অসমর্থ তাঁরাই বা কেন, যাঁরা ভিড়ের স্রোতে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাঁরাও কেন নন? কে আটকাচ্ছে?
এটা প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তি যে কতটা বিস্তৃত হয়েছে, এবং প্রতি মুহূর্তে ছড়িয়ে চলেছে তার ডানা, তার হদিশ পাওয়াই মুশকিল। সত্যি বলতে কী, টেকনোলজির যা রমরমা, স্বশিক্ষার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন দুর্বার গতিতে ছাপিয়ে নিয়ে চলেছে নিজেকেই, ভবিষ্যতে এই ভার্চুয়াল জগতের পুজোয় কী কী অবাক-করা অজানা বিপ্লব আসতে চলেছে, তা অনুমান করাও অসম্ভব। এমন হতেই পারে যে, ভার্চুয়াল জগতে আয়োজন হবে নানা ধরনের ভার্চুয়াল পুজোর। তাদের ঘিরে চলবে শিল্পিত সব প্রতিযোগিতাও। এভাবে সব মিলিয়ে এক স্বপ্নের আবেশ তৈরি হলেই বা ঠেকাচ্ছে কে! নানা ধরনের ভার্চুয়াল অ্যাডভেঞ্চার রিয়েলিটি গেমের রমরমা এখন। সেখানে সিমুলেটরের সাহায্যে ত্রিমাত্রিক জগতে এমন সব আবেশ তৈরি হয় যে, মনে হবে আমি আপনিই যেন বাস্তবে সেই সব অ্যাডভেঞ্চারের খেলোয়াড়। যেন কখনও পাহাড় এবং উপত্যকার মাঝখান দিয়ে পিছলে চলেছি আমি, কিংবা শূন্যে বা সমুদ্রে ঝাঁপ দেবার বিপজ্জনক খেলায় মেতেছি। আজকের টেকনোলজিতে সম্ভব এ সবই। তাই সেভাবেই পুজোর কলকাতায় সশরীরে কয়েক লক্ষ লোকের শরিক হওয়ার আবেশ তৈরি করাও অবশ্যই সম্ভব। অনলাইনের পুজোর টেকনোলজিকে আরও বিস্তৃত করা যায় সহজেই। আনা যায় স্পেশাল এফেক্ট। যাতে মনে হবে লক্ষ লক্ষ লোকের সঙ্গে আলো-ঝলসানো পুজো প্যান্ডেলগুলোতে ঘুরে বেড়াচ্ছি আমিও। এইসব টেকনোলজির ব্যবহার তাই আসতে পারে অচিরেই। ক্রমে এমন দিনও কি আসতে পারে যে, যত লোক বাস্তবে ঘুরে ঘুরে পুজো দেখবে তার চাইতে বেশি পুজো উপভোগ করবে ভার্চুয়াল দুনিয়ায়? আমি হয়তো একটু বেশিই ভেবে ফেলছি। এবং বড্ড তাড়াতাড়ি। তবে অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের নানা অ্যাপ নিয়ে নানা কোম্পানি ব্যবসায়ের প্রতিযোগিতায় নামবে, এটা একান্তই সম্ভব। আর তাই পুজো উপভোগ এবং সেই সঙ্গে পুজোর অর্থনীতিতেও নতুন নতুন মোড় আসবে, সেটাই বাস্তব। অদূর ভবিষ্যতেই পুজো উদ্যোক্তাদের পুজোর খরচ জোগানের একটা বিকল্প পথ খুলে যেতে পারে এইসব ভার্চুয়াল পুজোর উপভোগ এবং পুজো পরিক্রমার মধ্যও দিয়ে। টেকনোলজির হাত ধরে বদলায় সমাজ, পরিবর্তিত হয় তার জীবনধারার স্টাইল। আর সেই সঙ্গে বদলে যায় অর্থনীতির ছন্দ আর বিন্যাস। তার রূপরেখা আর দিক।
কল্পনাকে আর একটু বিস্তৃত করা যাক। ক্রমে এই অনলাইন প্রক্সির আওতায় কিন্তু আসতে পারে আরও অনেক কিছুই। ধরা যাক, আমার হাওয়াইয়ের সমুদ্র তীরে বসে হাওয়া খেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু সময়, সুযোগ, অর্থ, শারীরিক পরিস্থিতি, ইত্যাদি কোনও না কোনও কারণে যাওয়া অসম্ভব। কিন্তু অনলাইনে এমনই কোনও আকাশপাতায় গিয়ে ফিস্‌ অ্যান্ড চিপ্‌স খেতে খেতে সমুদ্রের ঢেউ গোনা তো এক চুটকিতেই করা সম্ভব। ভার্চুয়াল ট্যুরিজম তাই এখন সহজেই হাতের নাগালে। এবং ভার্চুয়ালি হাতের নাগালে আসতে পারে এমন আরও অনেক কিছুই।
আচ্ছা, সে যখন হবে তো দেখা যাবে। আপাতত অনলাইনে পুজোর স্তোত্রটুকু শোনা সম্ভব, এবং সেটা এই পুজোতেই, এটুকু অন্তত বোঝা গেল। অনলাইনে হাজিরা দেওয়া সম্ভব পুজো মণ্ডপে, দেখা সম্ভব আরতি, অঞ্জলি, দেওয়া যাবে প্রণামী বা পাওয়া যাবে প্রসাদ। শুরুতে এই বা কম কীসে?
তবু, আমরা যারা আগের প্রজন্মের ট্র্যাডিশনাল লোকজন, তাদের হৃদয়ের গোপন কোণে একটু কেমন কেমন ভাব থেকেই যায় এই অনলাইনের ভার্চুয়াল পুজোর ধামাকার মধ্যেও। ব্যাপারটা খুলেই বলি। কৈলাসেও খাসা ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চয়ই আছে, তা সে ৫জি হোক বা ৮জি। পুজোর সময় প্যাচপ্যাচে বৃষ্টির আশঙ্কা, বউবাজারে মেট্রোর ধস, যাদবপুরে শোরগোল, আর ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির সম্মিলিত ফলশ্রুতিতে মা দুর্গা বা তাঁর সন্তান-সন্ততির কেউ, নিদেন অসুরটাও যদি এবার বলে বসে, ‘‘সেই কবে থেকে ফি-বছর পুজোর ভিড়ভাট্টায় গিয়ে গিয়ে বড্ড ক্লান্ত হয়ে গেছি। এবারে আর মর্ত্যে না হয় নাই গেলাম। ইন্টারনেটেই বরং হাজিরার প্রক্সিটা দিয়ে দেওয়া যাক। ভার্চুয়ালি।’’ তবে?
ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত 
29th  September, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
নয়ন ভুলানো এলে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এবার সব কিছুর পরও কোথায় যেন একটা কিন্তুর কাঁটা ফুটছে, ফুটেই চলেছে! ফলে, জমজমাট পুজোর মজার আবহটা যেন এখনও ঠিক জমাট বাঁধতেই পারছে না। কী সেই কাঁটা? এনআরসি? বাজারদর? কাজ হারানো? মাসের পর মাস বেতনবিহীনতা, অভাব? দেশ জুড়ে হাজার হাজার লাখ লাখের কাজ হারানোর আতঙ্ক? —তালিকা শেষ হবার নয়। ক’দিন আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যের পুজো উদ্বোধনে এসে ফের একবার এনআরসি লাগু করার সন্দেশ দিয়ে গেলেন। উদ্বাস্তু নয় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই যে খড়্গহস্ত হবে এনআরসি সেটা অমিতজিরা বোঝানোর পরও বঙ্গজনের আতঙ্ক যে কাটছে না!  
বিশদ

03rd  October, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, তেহট্ট: বুধবার তেহট্ট থানার কুষ্টিয়া গ্রামে মাঠের মধ্যে নিমগাছ থেকে উদ্ধার হল এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ। ওই যুবককে পিটিয়ে খুন করে গাছে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম তাপস সরকার(২২)।  ...

 নয়াদিল্লি, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): টানা প্রায় তিন দশক ভারতের রাস্তায় দাপট দেখিয়ে বিদায় নিয়েছিল ‘চেতক’। তখন আট থেকে আশির মুখে মুখে উচ্চারিত হত ‘হামারা বাজাজ’। ...

 মুম্বই, ১৬ অক্টোবর (পিটিআই): বুধবার মহারাষ্ট্রের ওসমানাবাদ জেলায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির ছুরির আঘাতে আহত হলেন শিবসেনার সাংসদ ওমরাজে নিম্বালকর। ঘটনার পরই আততায়ী পালিয়ে যায়। তার খোঁজে চিরুনি তল্লাশি শুরু হয়েছে। ...

 বিএনএ, চুঁচুড়া: পুজোর উদ্বোধন থেকে বিসর্জন, সিসি ক্যামেরার নজরদারিতেই চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো হবে। মঙ্গলবার রাতে পুজো নিয়ে পুলিস, আয়োজক কমিটি, চন্দননগর পুরসভা সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। পাশাপাশি, পুজোর আয়োজন থেকে বিসর্জন পর্ব নির্বিঘ্নে মেটাতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেশি বন্ধুবান্ধব রাখা ঠিক হবে না। প্রেম-ভালোবাসায় সাফল্য আসবে। বিবাহ যোগ আছে। কর্ম পরিবেশ পরিবর্তন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 আন্তর্জাতিক দারিদ্র দূরীকরণ দিবস
১৮৯০: সাধক বাউল লালন ফকিরের মৃত্যু
১৯৫৫: অভিনেত্রী স্মিতা পাতিলের জন্ম
১৯৭০: ক্রিকেটার অনিল কুম্বলের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৮১ টাকা ৭২.৫১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৭৯ টাকা ৯৩.০৩ টাকা
ইউরো ৭৭.৫৭ টাকা ৮০.৫২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৫০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,০০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,১০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, তৃতীয়া ২/৫৮ দিবা ৬/৪৮। কৃত্তিকা ২৫/৩৬ দিবা ৩/৫২। সূ উ ৫/৩৭/১৮, অ ৫/৭/৮, অমৃতযোগ দিবা ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ৭/৫৫ মধ্যে পুনঃ ১/১৭ গতে ২/৪৭ মধ্যে। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/১৫ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২২ গতে ১২/৫৬ মধ্যে।
২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ৫৯/২৭/২৯ শেষরাত্রি ৫/২৪/৪৬। কৃত্তিকা ২৪/১৩/৩৫ দিবা ৩/১৯/১২, সূ উ ৫/৮/১৫, অ ৫/৮/২৬, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৫ মধ্যে ও ১/১২ গতে ২/৪১ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১২ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৩/৪২/৬ গতে ৫/৮/২৬ মধ্যে, কালবেলা ২/১৫/৪৬ গতে ৩/৪২/৬ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২৩/৬ গতে ১২/৫৬/৪৬ মধ্যে।
১৭ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

04:52:00 PM

খেজুরিতে সমুদ্রে নেমে মৃত নাবালক পর্যটক 
বেড়াতে এসে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গিয়ে প্রাণ গেল ...বিশদ

04:19:36 PM

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কমিউনিস্ট পার্টির সূচনা অনুষ্ঠান 

03:47:00 PM

জলঙ্গিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিএস‌এফ কর্মীর মৃত্যু, জখম আর‌ও এক জ‌ওয়ান, অভিযোগ বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বিরুদ্ধে 

03:07:52 PM

মালদহে শিক্ষিকা খুনে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে পথ অবরোধ 
মালদহের হবিবপুর ব্লকের মঙ্গলপুরা গ্রামে এক বেসরকারি স্কুলের শিক্ষিকা খুনের ...বিশদ

02:11:02 PM

কুলটিতে নিখোঁজ তিন ব্যক্তির সন্ধানে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী 
পাঁচ দিন ধরে কুয়ো খাদানে নিখোঁজ তিনজনকে উদ্ধারে নামল জাতীয় ...বিশদ

02:03:57 PM