Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজো এসে গেল
শুভা দত্ত

দিন গোনা শেষ। বছরভর প্রতীক্ষার অবসান। গতকাল মহালয়ার ভোর ফুটতেই এবারের দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে গেল। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল দুর্গাপুজো, মানে মহামায়া বন্দনার উদ্‌যোগ-আয়োজনের ফাইনাল রাউন্ড। আর সেইসঙ্গেই বাঙালির সংবৎসরের সবচেয়ে বড় উৎসব—শারদোৎসবের ঢাকেও কার্যত কাঠি পড়ে গেল। শহর মহানগর থেকে গ্রাম গ্রামান্ত পাড়ায়-পাড়ায় মাঠে-ঘাটে, পথে-রাজপথে এবার শুরু হয়ে যাবে পুজোর প্রতিমা-মণ্ডপের উদ্বোধন। রাজনৈতিক নক্ষত্র থেকে টলিউড-বলিউডের তারকা, খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক, সেলিব্রিটি—আগামী এক-দেড় হপ্তা দিনরাত একাকার করে মণ্ডপ থেকে মণ্ডপে ছুটে বেড়াবেন কখনও উদ্বোধনের খাতিরে, কখনও পুজোয় পুজোয় সেরার লড়াইয়ে সেরার সেরা বাছাই করার বিচারক হিসেবে। তবে যতদূর খবর, এবারও পুজো উদ্বোধনে অন্তত সংখ্যার বিচারে আর সকলকে বহু পিছনে ফেলে নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নামীদামি থেকে সাধারণ—এত পুজোর উদ্বোধনের অনুরোধ তাঁর দপ্তরে এসে পৌঁছেছে যে সেগুলোর সবকটিতে হাজিরা দিতে গেলে নাকি কালীপুজো পার হয়ে যাবে! রসিকতার মেজাজে এমনই কথা শুনিয়েছেন আমাদের এক তথ্যভিজ্ঞ বন্ধু।
তবে, এই রসিকতার পিছনে একটা সত্যিও কি নেই! ইতিমধ্যেই তো খবর ছড়িয়েছে যে বিগত বছরগুলোর
মতো এবারও, রাজনীতির যাবতীয় টানাপোড়েন বিতর্ক অস্বস্তি
উড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজো উদ্বোধনের ময়দানে তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। বিজেপি’র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা রাজ্য-রাজনীতির অন্য দিকপালেরাও পুজো উদ্বোধনের দৌড়ে আছেন বটে তবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের ফারাকটা এবারেও যোজন যোজন। পাশাপাশি, দিল্লি, মুম্বই বা দেশের অন্য রাজ্য থেকেও এইসময় যে বিশিষ্ট অতিথি-অভ্যাগতবৃন্দ পুজোর উদ্বোধন বা সেরা নির্বাচনের প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে আসেন এবং এবারও আসছেন, তাঁদের সেলেব দ্যুতিতে সংশ্লিষ্ট মণ্ডপে আড়ম্বর গরিমা, কৌতূহলী মানুষের ভিড় বাড়বে সন্দেহ নেই, কিন্তু জনপ্রিয়তায় এবারও সকলকে টেক্কা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। এমনটাই আশা করছেন পুজোর উদ্যোক্তা থেকে সাধারণ মানুষজন। এই যদি হয় বাস্তব তাহলে রসিক মানুষ ওটুকু মজা তো করতেই পারেন, তাই না?
তবে, ওয়াকিবহালেরা বলছেন, পুজো উদ্বোধন বা জনপ্রিয়তার নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে অবধারিতভাবেই থাকবেন পদ্মশিবিরের মধ্যমণি দিলীপ ঘোষ। কয়েক বছর আগে রামনবমীতে সশস্ত্র মিছিল করে সাড়া ফেলে দেওয়ার পর শেষ লোকসভা ভোটে ১৮ আসনের চমক বিজেপি রাজ্যশিবিরের সভাপতি দিলীপ ঘোষকে কেবল প্রধান মুখ হিসেবেই তুলে ধরেনি, দলের সদস্য সমর্থককুলে তাঁকে এক মহানেতার শিরোপায় ভূষিত করেছে। সেই সুবাদে বিরোধী নেতা দিলীপ ঘোষের আকর্ষণ যে রাজনীতির পরিসরের বাইরেও যথেষ্ট ছড়িয়েছে তাও আজ কেউ খুব অস্বীকার করেন না। ফলে পুজো উদ্বোধনের মঞ্চে উদ্যোক্তাদের কাছে অন্যদের তুলনায় তাঁর গ্রহণযোগ্যতা যে অধিক হবে তা বলাই বাহুল্য। এখন এই গ্রহণযোগ্যতার বলে শাসক তৃণমূলের বাদবাকি নেতা-মন্ত্রীদের তিনি কতটা টেক্কা দিতে পারেন তা দেখার জন্য বাংলার কমপিটিশনপ্রিয় জনতা যে উদ্‌গ্রীব সেটা পথেঘাটে আড্ডা আলোচনা থেকে বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে। সুরসিক বন্ধুর সংযোজন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লাগাতার গরম গরম তরজা, রোখাচোখা বাক্যবাণ দিলীপ ঘোষের যে যুদ্ধং দেহি ভাবমূর্তি তৈরি করেছে সেটা শান্ত-শিষ্ট ভক্তিমাধুর্যমণ্ডিত পুজোর আসরে কেমন দেখায় তা দেখার কৌতূহলও পাবলিক মনে দানা বাঁধতে শুরু করেছে। অস্বাভাবিক নয়। বাঁধতেই পারে। সবমিলিয়ে তাই অনেকেই বলছেন পুজোর লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার মহোৎসবে মুখ্য আকর্ষণের ক্রম তালিকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যতিরেকে বাদবাকিরা উদ্বোধন-সংখ্যার লড়াইতে কে কোন পজিশন দখল করেন তা দেখার উৎসাহ আতিশয্য ক্রমশ সাধারণজনের মধ্যে প্রবলতর হচ্ছে।
কিন্তু, জনতার এই উৎসাহ আগ্রহে বাদ সাধতে কি উঠেপড়ে লাগল বৃষ্টি! ভাদ্র শেষ হয়ে আশ্বিন পড়েছে কবেই। এখন কোথায় ঝলমলে রোদ্দুরে তুলো মেঘ ভাসা নীল আকাশ থাকবে, তা না, দেখলে মনে হচ্ছে ভরা শ্রাবণ! ঘন কালো আবার কখনও ধোঁয়াটে ধূসর একটা আকাশ, সারাদিনরাত কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় অঝোর ঝরে চলেছে, থামা নেই! পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে তাতে পুজোর চার দিন রেহাই পাবে কিনা তা নিয়েই তো ঘোর সন্দেহ দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অফিসও জোর দিয়ে তেমন কিছু এখনও বলতে পারছে না! অন্তত, শুক্রবার এই লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখনও সেরকম কিছু শোনা গেল না! শেষ পর্যন্ত কী হবে কে জানে? তবে অনেকবার এমনও হয়েছে, পঞ্চমী অব্দি যে আকাশ মুখ ভার করে রইল মাঝে মধ্যেই ভাসাল, সেই আকাশটাই ষষ্ঠীর ভোরে ভোল পাল্টে এক্কেবারে ঝকঝকে সুন্দর হয়ে দেখা দিল! সেই নীল শরতের আকাশ, পুজোর গন্ধ আর ঢাকের শব্দে জমে গেল উৎসবের আমেজ, আবালবৃদ্ধবনিতার মুখে ফুটল হাসি। এমনটা এর আগে অনেকবারই হয়েছে। কিন্তু এবার?!উদ্যোক্তা থেকে সাধারণ উৎসবমুখর মানুষ—সকলের মনেই এখন ওই একটি প্রশ্নের উত্তর নিয়ে সংশয়ের দোলাচল। কুমোরটুলির মতো রাজ্যের পটুয়াপাড়াতেও কোথাও কোথাও সে দোলাচালের অস্বস্তি। প্রতিমায় শেষ তুলির টান দেওয়ার লগ্নে যদি বৃষ্টিজল বিপত্তি বাধায় তবে সে অস্বস্তি তো স্বাভাবিক। এমনিতেই প্রতিমা তৈরিতে নতুন প্রজন্মের অনীহা পটুয়াপাড়ার ভিতরে ভিতরে একটা সমস্যা বাড়িয়ে চলেছে। তা সত্ত্বেও যেটুকু আছে সেটুকু উজাড় করে দিয়ে যাঁরা অক্লান্ত পরিশ্রমে নিষ্ঠায় লাভালাভের চিন্তা ভুলে বাঙালির সবচেয়ে বড় সবচেয়ে মহিমাময় এই উৎসবকে বছর বছর সফল করে চলেছেন তাঁদের যাবতীয় শ্রম যদি অকালবর্ষণে বিপন্ন হয়ে পড়ে তবে সমস্যার ভার যে আরও ভারী হয় তা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
তার উপর রাজ্য-রাজনীতিতে যা শুরু হয়েছে সেটাও তো পুজো উৎসবের মরশুমের পক্ষে খুব স্বস্তিদায়ক নয়। এতদিন কিছু হল না হঠাৎ পুজোর একেবারে মুখে দুই আইপিএস অফিসারকে সারদা-নারদা কাণ্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তৎপর হল সিবিআই। একজন গ্রেপ্তার হলেন অন্যজন বেপাত্তা। আর সিবিআইয়ের এই তৎপরতা নিয়ে অনিবার্যভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল এবং প্রধান বিরোধী বিজেপি’র শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে জোর তরজা শুরু হয়ে গেল। রাজ্যে এনআরসি লাগু করা নিয়ে ইতিমধ্যে এমনিতেই রাজনীতির হাওয়া গরম হয়ে আছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে কোনও অবস্থাতেই এনআরসি করতে দেবেন না। আর তার পাল্টা রাজ্যে এনআরসি করতে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও তাঁর সহযোগীরা একরকম চ্যালেঞ্জই নিয়ে বসেছেন! শেষ পর্যন্ত কী হবে সেটা সময় বলবে। কিন্তু পুজোর সময় সারদা-নারদা এনআরসি এবং অবশ্যই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয়র সাম্প্রতিক ব্যাপারটা নিয়ে বাংলায় যে চাপা রাজনৈতিক উত্তাপ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে তাতে পুজোর আনন্দে যে কিছুটা হলেও বেসুর বেজেছে তাতে সন্দেহ কী? গতকাল মহালয়ার দিনটিতেও রাজনীতি রেহাই দিল না। কী আশ্চর্য!
অথচ, একটা সময় ছিল যখন এই মহালয়ার ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী আর গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্য তর্পণের মন্ত্রে এই দিনটাকে অন্য দিনগুলোর চেয়ে কেমন যেন আলাদা মনে হতো। প্রিয়জনের উস্কে ওঠা স্মৃতি আর পুজোর গন্ধ মিলেমিশে উৎসবের একটা আবেশ-আমেজ তৈরি করে দিত। বলতে কী, মহালয়ার ভোর এলেই যেন শুরু হয়ে যেত বাঙালির মহাপূজার মহোৎসব। রাজ্যে-রাজনীতির যত টানাপোড়েনই থাক, এই দিন থেকে সাময়িক বিরতিতে চলে যেত যাবতীয় বাক্‌-বিতণ্ডা। শাসক-বিরোধী শত্রু-মিত্র সমস্ত বিবাদ ভুলে একযোগে মেতে উঠত উৎসবে। বাঙালির মহাপুজোর সেই চিরচেনা ছবিটা কি তবে আর পাঁচটার সঙ্গে বদলেই গেল! আর তাই কি পুজোর উষ্ণতা পুজোর আবেগ এখন রাজনীতির চক্রপাক কূটকচাল উপেক্ষা করে আপন ছন্দে দুর্নিবার হয়ে উঠতে থমকায়, ইতস্তত করে এবং উৎসবপ্রিয় সাধারণ জনের মনে নিঃশব্দে নীরবে সংশয়ের বীজ বুনে দিয়ে যায়! তাই ঩কি, প্রাণখোলা হাসি উল্লাসের উৎসবে গা ভাসিয়েও বাঙালি এখন আর পুরোপুরি স্বস্তি পায় না, তার মনের কোণে একটা কাঁটা ফুটতেই থাকে! এবং রাজ্য-রাজনীতির দাপটে এবার কি সে কাঁটার জ্বালা একটু বেশিই?! কে জানে? তবে তথ্যভিজ্ঞদের অভিমত তো তেমনই।
তবু, তার মধ্যেও পুজো এসে গেল। মহালয়ার দেবীপক্ষের উদ্বোধনের পর মাঝে আর কটামাত্র দিন। তারপরই সব ভোলানোর সেই দিনগুলো এসে পড়বে। এবং চোখের পলক ফেলতে না ফেলতেই দেখব আমাদের বছরভরের প্রতীক্ষায় রেখে কোথায় হারিয়ে গেল দিনগুলো! আলো নেভানো প্রতিমাহীন প্যান্ডেলের বিষাদ পিছনে ফেলে আপামর বাঙালি ফের নেমে পড়বে দৈনন্দিনের কাজে। কিন্তু তার আগে বাঙালিজন আপাতত মহামায়ার আরাধনার ওই চারদিনে অপার আনন্দের প্রত্যাশায় উন্মুখ। এখন লাগাতার বৃষ্টি আর সংঘাতময় রাজনীতির প্রতিকূলতা কাটিয়ে সাধারণের সেই প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয় সেটাই দেখার। তবে আমাদের বিশ্বাস, মহামায়ার আশীর্বাদে সব বিঘ্ন কেটে যাবে, মানুষ পুজোর চারটে দিন নির্মল আনন্দে মাতোয়ারা হতে পারবে। পারবেই। 
29th  September, 2019
ট্রাম্পের ভারত সফর এবং প্রাপ্তিযোগের অঙ্ক 

শান্তনু দত্তগুপ্ত: সফর মাত্র দু’ঘণ্টার। আর তাতে আয়োজন পাহাড়প্রমাণ। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলে কথা! তাই এতটুকু ফাঁক রাখতে নারাজ গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি (বা বেসরকারিভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি)।  বিশদ

টুকরে টুকরে গ্যাং-ই জিতল
পি চিদম্বরম

 গত ১১ ফেব্রুয়ারি লোকসভার কার্যবিবরণীতে নথিভুক্ত নিম্নলিখিত প্রশ্নোত্তরগুলি আনন্দের কারণ হতে পারত যদি না বিষয়টি বিজেপি নেতাদের (এই পঙ্‌ক্তিতে আছেন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্য মন্ত্রীরাও) দুঃখের ধারাবিবরণীতে পরিণত হতো: বিশদ

17th  February, 2020
স্বর্গলোকে মহাত্মা ও
গুরুদেবের সাক্ষাৎকার
সন্দীপন বিশ্বাস

 অনেকদিন পর আবার দেখা হল মহাত্মা এবং গুরুদেবের। মর্ত্যে দু’জনের প্রথম সাক্ষাৎ ঘটেছিল শান্তিনিকেতনে ১৯১৫ সালে আজকের দিনে অর্থাৎ ১৭ ফেব্রুয়ারি। তারপর বেশ কয়েকবার তাঁদের দেখা হয়েছিল। কবিগুরু সবরমতী আশ্রমে গিয়েছিলেন ১৯২০ সালে। বিশদ

17th  February, 2020
এবার হ্যাটট্রিকের দোরগোড়ায় অগ্নিকন্যা
হিমাংশু সিংহ

তবে কি দিল্লিতে হেরে বোধোদয় হল অমিত শাহদের? নাকি ভোট জেতার নামে ঘৃণা ছড়ানো ঠিক হয়নি বলাটা আরও বড় কোনও নাটকের মহড়ারই অংশ? বোঝা কঠিন, তুখোড় রাজনীতিকরা কোন উদ্দেশ্যে কখন কোন খেলাটা খেলেন! আর সেই তালে অসহায় জনগণকে তুর্কি নাচন নাচানো চলে অবলীলায়। 
বিশদ

16th  February, 2020
শাহিনবাগে যেসব কথা জানানো হয়নি

 ‘যত্র নার্যস্তু পূজ্যন্তে রমন্তে তত্র দেবতাঃ’, যেখানে মহিলারা পূজিতা হন সেখানেই ভগবান অবস্থান করেন। ভারতবর্ষের মানুষ হাজার বছর ধরে এই শ্লোক আবৃত্তি করে এসেছে। গত একমাসের বেশি সময় ধরে দিল্লির শাহিনবাগে শিশু থেকে বৃদ্ধা বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের কষ্ট দেওয়া হয়েছে। বিশদ

15th  February, 2020
মাফলার ম্যানের দিল্লি জয়
মৃণালকান্তি দাস 

ঠেকে শিখেছেন তিনি। ‌‌‌‌পদস্থ আমলা থেকে রাজনীতিক এবং প্রশাসক হিসেবে পরিণত হয়েছেন। বুঝেছেন, এ দেশের আমআদমি বাড়ির কাছে ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল চান। বাড়ির মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়েই তাঁদের উদ্বেগ। 
বিশদ

14th  February, 2020
রাজনীতির কাছে মানুষের চাহিদাটাই
বদলে দিল দিল্লির এই ভোট-সংস্কৃতি
হারাধন চৌধুরী

 প্রতিমা গড়ে পুজো করা আর ভগবানকে লাভ করা এক নয়। প্রতিমা সাজিয়ে পুজো যে-কেউ করতে পারে। কিন্তু, ভগবান লাভ? মানুষ চিরদিন মনে করে এসেছে, সে শুধু সাচ্চা সাধকের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু, ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ এসে একেবারে অন্যকথা বললেন।
বিশদ

13th  February, 2020
সেনাবাহিনীও যখন রাজনীতির অস্ত্র
শান্তনু দত্তগুপ্ত

লঞ্চপ্যাড মাত্র ৫০ মিটার দূরে... অন্ধকারের মধ্যেই তাঁর চোখ দু’টো খুঁজে চলেছে... নজরে এসেও গেল দুই জঙ্গি... ছায়ার মতো সেঁটে আছে লঞ্চপ্যাডের অন্ধকারে। নাইট ভিশন গ্লাস চোখে লাগিয়ে নিশ্চিত হলেন মেজর মাইক ট্যাঙ্গো। আগেভাগে নিশ্চিত হয়ে নেওয়ার কারণ আরও ছিল তাঁর কাছে।
বিশদ

11th  February, 2020
রাজস্ব-শৃঙ্খলা অক্ষুণ্ণ রেখেই জনমুখী বাজেট
দেবনারায়ণ সরকার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই বাজেট নিঃসন্দেহে জনমুখী, তবে রাজস্ব-শৃঙ্খলা (ফিসকাল ডিসিপ্লিন) যথেষ্ট বজায় রেখে জনমুখী বাজেট পেশ করলেন অমিতবাবু। প্রথমে রাজস্ব-শৃঙ্খলার প্রসঙ্গে আসা যাক। বিশদ

11th  February, 2020
মানুষ কী চায়, বুঝিয়ে দেবে দিল্লির ভোটের ফল
সন্দীপন বিশ্বাস

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘বাহুবল ও বাক্যবল’ নিবন্ধে দুই প্রকার বলের প্রভূত ব্যাখ্যা করেছেন। যদিও তিনি বলেছেন, বাহুবল পশুর বল এবং বাক্যবল মানুষের বল, তা সত্ত্বেও মনুষ্য সমাজে বাহুবলের প্রয়োগ অনবরত দেখা যায়। মানুষের বল সমাজ গঠনে কখনও কখনও নিশ্চয়ই কাজে লাগে। কিন্তু দেখা যায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ আপন স্বার্থে এই বাহুবলকে ব্যবহার করে। 
বিশদ

10th  February, 2020
সরকার দিশেহারা এবং ভীত
পি চিদম্বরম

অর্থমন্ত্রী বাধ্য হয়েছেন সরকারি ব্যয় নামক একমাত্র ‘ইঞ্জিন’-এর উপর আস্থা রাখতে। কিন্তু এই ইঞ্জিনটাও যে জ্বালানি সঙ্কটে ভুগছে এবং নড়বড়ে রাজকোষের ভূতের ছায়াটিও পড়ছে সরকারের উপর! তীব্র বেকারত্ব এবং ব্যাপক হারে ছোট ও মাঝারি শিল্প-ব্যবসা চৌপাট হয়ে যাওয়ার মতো দুটি ভয়ঙ্কর ইস্যুও অস্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী। সাম্প্রতিককালে ভারতের অর্থনীতিকে সবচেয়ে কঠিন যে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে সেটা হল—স্বঘোষিত শক্তিমান এবং নির্ণায়ক (ডিসিসিভ) সরকার—যে সরকার নিজেকে দিশেহারা এবং ভীত বলেই প্রতিপন্ন করেছে।
বিশদ

10th  February, 2020
প্রবীণ নাগরিকদের জ্বলন্ত সমস্যাগুলির
দিকে সরকার এবার একটু নজর দিক
হিমাংশু সিংহ

 অধিকাংশ পরিবারেই এখন শিক্ষান্তে ছেলেমেয়েরা চাকরির জন্য বাইরে চলে যাচ্ছে, তাই বৃদ্ধাবাসের প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। একাকীত্ব বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সবচেয়ে বড় অসুখ। এই একাকীত্ব থেকেই হাজারো মানসিক রোগেরও জন্ম হয়। নিকট আত্মীয় এবং ছেলেমেয়েও বাইরে, আবার অন্যদিকে, সঞ্চয়ের উপর ক্রমাগত সুদ কমে যাওয়ায় আয়ও নিম্নমুখী। এই সাঁড়াশি আক্রমণ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের পক্ষে সামলে ওঠা দুষ্কর হয়ে পড়ছে। তার উপর যদি কোনও কঠিন রোগ দেহে বাসা বাঁধে তাহলে তো রক্ষে নেই!
বিশদ

09th  February, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিস্তর অভিযোগ ওঠায় আলিপুর জেলা জজ কোর্টে সওয়াল করা থেকে সরিয়ে দেওয়া হল পাঁচ সরকারি আইনজীবীকে। ওই পাঁচ সরকারি কৌঁসুলির ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে আদালত সূত্রের খবর। ...

মুম্বই, ১৭ ফেব্রুয়ারি: আই লিগে তিন ম্যাচ পর জয়ে ফিরল ইস্ট বেঙ্গল। সোমবার কুপারেজ স্টেডিয়ামে ইন্ডিয়ান অ্যারোজকে ৩-১ গোলে হারাল মারিও রিভেরার দল। গত ২৫ ...

সুখেন্দু পাল, বহরমপুর, বিএনএ: বর্ষার সময় গঙ্গায় জল বেড়ে যাওয়ায় সেতু নির্মাণের গতি কিছুটা শ্লথ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময়টা মেকআপ করে গঙ্গার উপর সেতু নির্মাণ করার জন্য দিন রাত কাজ চলছিল।   ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পণের দাবিতে বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। কিন্তু, প্রিয়াকে পেতে মরিয়া পলাশ তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। কিন্তু, বিয়ের দেড় বছরের মধ্যে সেই প্রিয়াই অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যেতে পলাশের ১০ বছরের জেল হয়েছিল। আরও পণের দাবিতে ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে শুভ। সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-ভালোবাসায় মানসিক অস্থিরতা থাকবে। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৪৮৬: শ্রী চৈতন্যদেবের জন্ম
১৫৪৬: মার্টিন লুথারের মৃত্যু
১৮৩৬: শ্রীরামকৃষ্ণদেবের জন্ম
১৯৬৭: ইতালির ফুটবলার রবার্তো বাজ্জোর জন্ম
২০০৭: হরিয়ানায় সমঝোতা এক্সপ্রেসে বিস্ফোরণ, মৃত্যু ৬৮ জনের 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.৮২ টাকা ৭২.৯৭ টাকা
পাউন্ড ৯০.৯৯ টাকা ৯৫.৩৮ টাকা
ইউরো ৭৫.৫৯ টাকা ৭৯.২৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৪২০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৩০০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৯,৮৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৫৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, (মাঘ কৃষ্ণপক্ষ) দশমী ২০/৫৫ দিবা ২/৩৩। মূলা ৫৯/৪৯ শেষ রাত্রি ৬/৬। সূ উ ৬/১০/৫৯, অ ৫/৩০/৩৫, অমৃতযোগ দিবা ৮/২৭ গতে ১০/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে পুনঃ ৩/৩১ গতে ৪/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/২০ মধ্যে পুনঃ ৮/৫২ গতে ১১/২৫ মধ্যে পুনঃ ১/৫৮ গতে ৩/৩৯ মধ্যে। বারবেলা ৭/৩৫ গতে ৯/০ মধ্যে পুনঃ ১/১৫ গতে ২/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে। 
৫ ফাল্গুন ১৪২৬, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, দশমী ২৯/৭/২২ সন্ধ্যা ৫/৫২/৫৭। জ্যেষ্ঠা ৬/৪২/১৬ দিবা ৮/৫৪/৫৪। সূ উ ৬/১৪/০, অ ৫/২৯/২২। অমৃতযোগ দিবা ৮/১৭ গতে ১০/৩৭ মধ্যে ও ১২/৫৭ গতে ২/৩০ মধ্যে ও ৩/১৭ গতে ৪/৫০ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/২৬ মধ্যে ও ৮/৫৪ গতে ১১/২২ মধ্যে ও ১/৫০ গতে ৩/২৯ মধ্যে। কালবেলা ১/১৬/৬ গতে ২/৪০/৩১ মধ্যে। কালরাত্রি ৭/৪/৫৭ গতে ৮/৪০/৩২ মধ্যে। 
২৩ জমাদিয়স সানি 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাপস পালের শেষকৃত্য কাল 
আগামীকাল প্রয়াত অভিনেতা তথা প্রাক্তন এমপি তাপস পালের শেষকৃত্য সম্পন্ন ...বিশদ

03:48:59 PM

এপ্রিল মাসে রাজ্যের ১০২টি পুরসভায় নির্বাচন 
অবশেষে রাজ্যে পুরভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়ে গেল। এপ্রিল মাসে রাজ্যের ...বিশদ

03:39:08 PM

মালদহে হোয়াটসঅ্যাপে ছড়াল মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র! 
ইন্টারনেট বন্ধ করেও রোখা গেল না প্রশ্ন ফাঁস! মাধ্যমিক শুরু ...বিশদ

01:49:00 PM

কুঁদঘাটে মাকে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে 
রাগের মাথায় মাকে ঘুসি মেরে খুনের অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে। আজ ...বিশদ

12:57:00 PM

প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ 
প্রেমিকাকে বাড়িতে ডেকে তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল ...বিশদ

12:56:00 PM

আরামবাগে দুর্ঘটনার কবলে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী
মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে যাওয়ার সময় সাইকেল থেকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে ...বিশদ

12:39:00 PM