Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বালুচিস্তানের যন্ত্রণা
নিয়ে কিছু বলুন!
মৃণালকান্তি দাস

২০১৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর। বালুচিস্তানের দেরা বুগতি জেলার গৈন্ধরি গ্রামে তখন সূর্য উঠেছে মাত্র। হঠাৎ আকাশ কাঁপিয়ে ধেয়ে এসেছিল ১০টি পাকিস্তানি বেল এইচ হেলিকপ্টার। মুহূর্তেই আকাশ থেকে গুলি ও বোমা ছুটে এসেছিল গৈন্ধরি গ্রামের উপর। একদিকে আকাশপথে হামলা, অন্যদিকে পাকসেনারাও ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ গ্রামবাসীর উপর। নির্বিচারে চলেছিল ঘণ্টা তিনেকের গণহত্যা। গ্রামের প্রতিটি ঘরেই লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগুন। মানুষ নিধনের মহোৎসবে বৃদ্ধ-মহিলা-শিশু কেউই বাদ যায়নি। সেদিন মেয়েদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল পাকিস্তানি সেনা ছাউনিতে। ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা চার দিনের ওই সেনা অভিযানে নিহত হয়েছিল ৩৪ জন গ্রামবাসী আর নিখোঁজ পঞ্চাশের বেশি মানুষ। সেনা অভিযানের ৩০দিন পর ২২ অক্টোবর হেলিকপ্টার থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল শাম্মি বুগতি নামে এক মহিলার ছিন্নভিন্ন দেহ। তাঁর স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে—কেউই তখন বেঁচে নেই। গৈন্ধরিতে শাম্মির মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য কেউ বেঁচে ছিল না।
বালুচিস্তানের রুক্ষ্ম পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে আজ মানুষের মৃতদেহ, পাথরের গায়ে মনুষ্যশোণিতের কালচে লাল ছিটে আর তার আঁশটে গন্ধ... প্রতিদিনই ঘটে যাওয়া মানবিক বিপর্যয়ের এমনই এক ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে কেঁপে উঠেছিলেন বালোচ মানবাধিকার সংস্থা (বিএইচআরও)-র সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লা আব্বাস বালোচ। সাত-আট বছর আগে তিনিও পাক সেনাবাহিনীর হুলিয়ায় পালিয়ে জার্মানিতে গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন। আর ফিরে আসতে পারেননি নিজের জন্মভূমিতে।
আব্বাসের বয়সের তরুণ প্রজন্মের বালোচরাই আজ পাক সেনাবাহিনীর প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। কারণ, অপেক্ষাকৃত শিক্ষিত বালোচ নবপ্রজন্ম ৮০ বছর ধরে চলা বালুচিস্তানের স্বাধীনতা সংগ্রামকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। স্বাধিকারের আন্দোলনকে বর্তমানে পাকিস্তান থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের আন্দোলনে পরিণত করেছে এই তরুণ প্রজন্মই। বালুচিস্তানের মুক্তিসংগ্রামে শামিল হয়েছে কমপক্ষে ১২টি রাজনৈতিক দল। বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ), বালোচ রিপাবলিকান আর্মি (বিআরএ), বালোচ লিবারেশন ফ্রন্ট, ইউনাইটেড বালোচ আর্মি (ইউবিএ), লস্কর-ই-বালুচিস্তান (এলইবি), বালুচিস্তান লিবারেশন ইউনাইটেড ফ্রন্ট যাদের অন্যতম। এই তো দিন কয়েক আগের কথা। জেনেভায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের বৈঠক চলাকালীন বাইরে হাতে ব্যানার নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন ‘দ্য বালোচ হিউম্যান রাইটস কাউন্সিল অ্যান্ড পাশতুনস’-এর কর্মীরা। উদ্দেশ্য পাক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। এই আন্দোলনের নেতা রাজ্জাক বালোচ বলেছিলেন, ‘পাকিস্তান কোনও সভ্য দেশ নয়। বিশেষ করে বালুচিস্তান, সিন্ধ ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে যে ধরনের নৃশংসতা ওরা দেখিয়েছে, তারপর কাশ্মীরিদের নিয়ে কথা বলার সময় ওদের লজ্জিত হওয়া উচিত।’
জেনেভায় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বালুচিস্তানের মানবাধিকার কাউন্সিলের মহাসচিব সামাদ বালোচ বলেন, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের ‘প্রজনন ক্ষেত্র’। পাকিস্তান এমন একটি দুর্বৃত্ত রাষ্ট্র যা বিশ্ববাসীর কাছেও মূর্তিমান ত্রাস বা বিপদ। কারণ, এখানে কোনও আইন নেই, ন্যায়বিচার নেই।
‘পাকিস্তানে নিয়মিত গণহত্যার শিকার হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। আমাদের সমাজ-সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক অধিকারগুলি থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। ওরা (পাকিস্তান) আমাদের সম্পদ লুঠ করে চলেছে। বালুচিস্তান খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। তা সত্ত্বেও আমরাই ভুগে চলেছি। বালুচের মানুষরাই শুধু নয়, সিন্ধি ভাইরাও পাকিস্তানে গণহত্যার শিকার হচ্ছে।’ বালোচ মানবাধিকার কর্মীরাই আজ বলছেন, ‘চীন পাকিস্তানের অপরাধের সঙ্গী। ওরা আমাদের সোনা আর সম্পত্তি লুঠ করছে। বালুচিস্তানের সব সোনার খনি দখল করেছে চীনের সংস্থাগুলি। ওরা বালুচের স্বর্ণখনি থেকে ধনী হয়েছে। পাক সেনার নেতারা এখানকার সম্পত্তি থেকে লাভবান হয়েছে। বালুচিস্তান থেকে পাওয়া টাকায় ওরা সুইস ব্যাঙ্ক ভরাচ্ছে।’
পৃথিবীর কোনও সংবাদমাধ্যমকেই আজ বালুচিস্তানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। এই কারণে যাতে এই ব্যাপক গণহত্যার খবর বাইরের বিশ্বে না পৌঁছায়। যেটুকু যায় তাও আবার ঘটনা ঘটে যাওয়ার অনেক দিন পর। এই কারণে এসব সংবাদ বিশ্ব মিডিয়ায় তেমন একটা গুরুত্ব পায় না। আসলে বালুচিস্তানের গণহত্যা হল ‘সিসটেমেটিক জেনোসাইড’। আয়তনের দিক দিয়ে বালুচিস্তান পাকিস্তানের প্রায় ৪৬ শতাংশ ভূমি নিয়ে গঠিত হলেও এখানে বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে আটটি। এর মধ্যে মাত্র একটি মধ্যম মানের, অন্যগুলো নামমাত্র। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বালোচ ভাষার পরিবর্তে শেখানো হয় উর্দু। পাকিস্তানের মোট উৎপাদনের ৪৫ শতাংশ গ্যাস বালুচিস্তান থেকে উত্তোলন করা হলেও তা পাইপলাইনে চলে যায় পাঞ্জাব প্রদেশে। অথচ, বালুচিস্তানের মানুষ গ্যাস পায় না। বেশিরভাগ পরিবারে রান্নাবান্না হয় কাঠখড় পুড়িয়ে। এখানকার সোনা, তামা, মার্বেল পাথরসহ মূল্যবান সব প্রাকৃতিক সম্পদের পুরোটাই ভোগ করে পাক সরকার। তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে বালোচদের মধ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন—এই দুটো সুকৌশলে ঢুকিয়ে দিয়েছে পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিস ইন্টেলিজেন্স (আইএসআই)। এতে দিন দিন শেষ হয়ে যাচ্ছে বেলুচিস্তানের যুবসমাজ। সরকারি চাকরির উঁচু পর্যায়ের জায়গাগুলোতে যোগ্যতা থাকলেও জায়গা পায় না বালোচরা। না, এসব অভিযোগ নিয়ে নীরবই থাকেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কারণ, তাঁর সরকার সেনাবাহিনীকে ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছে। এখন সেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ চলছে এবং চলবে কিছুদিন। এবং আমরা সেই ফ্রি হ্যান্ডের মানে তত্ত্বগতভাবে বুঝি। বালোচ জনতা জীবন দিয়ে বোঝেন। এক ভিশাস সার্কেল! অন্তহীন!
একসময় পাকিস্তানের সেনাশাসক জেনারেল পারভেজ মোশারফ বালোচ বিদ্রোহ সম্পূর্ণ শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। বালোচদের নেতা নবাব আকবর বুগতিকে ২০০৬ সালে একটি পাহাড়ের গুহার মধ্যে ঢুকে খুন করে পাক সেনা। মোশারফ ভেবেছিলেন বালোচ নবাবকে খুন করতে পারলেই শেষ হয়ে যাবে বিদ্রোহ। কিন্তু বিদ্রোহের আগুন তারপর থেকে দাবানলের মতো ছড়িয়েছে বালুচিস্তান জুড়ে। ২০১২ সালে করাচিতে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যা করা হয় বুগতির আপন বড় বোন ও তার ১২ বছরের মেয়েকে। আইএসআইয়ের এজেন্টরাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল বলে অভিযোগ করা হলেও এর কোনও বিচার আজ পর্যন্ত হয়নি। তাঁর মতো হাজার হাজার মুক্তিকামী বালোচ রয়েছেন যাঁদের প্রত্যেকের পরিবারের কেউ না কেউ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হাতে খুন বা নিখোঁজ হয়েছেন। বুগতির হত্যার পর থেকে আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবি বদলে গিয়েছে সম্পূর্ণ স্বাধীনতার সংগ্রামে। বালোচরা আজ মনে করেন, ইসলামাবাদ বিশ্বাসঘাতক। গত প্রায় সাত দশক ধরে পাকিস্তানের সরকার যে নৃশংসতার সাহায্য নিয়ে দমন করতে চেয়েছে বালোচদের, তাতে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা বালোচদের মনে।
পাকিস্তানের মানুষের কাছে দিনটির বিশেষ কোনও তাৎপর্যই না থাকলেও, বালুচিস্তানের মানুষের কাছে ২৭ মার্চ দিনটা যন্ত্রণার। ‘পরাধীনতা দিবস’! সাত দশক আগে এই দিনেই পাকিস্তানি সেনা দখল করেছিল বালুচিস্তান। স্রেফ বেয়নেটের খোঁচা আর বন্দুকের জোরে সেখানকার তৎকালীন শাসককে বাধ্য করেছিল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে। বালুচিস্তানের পরবর্তী ইতিহাস বলতে বিদ্রোহ, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর কয়েক হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া। ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তির জন্য এই রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম নতুন নয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা বালোচ অঞ্চলকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকেই রক্তপাত শুরু। নির্মম দমননীতি চালিয়ে পাকিস্তান বহু বার স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করেছে বালোচদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। কিন্তু বার বার মাথাচাড়া দিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। এই লড়াইয়ের শিকড় কিন্তু সুদূর অতীতে।
ইতিহাস বলে, বালুচিস্তানের চার স্বাধীন রাজ্য ব্রিটিশের কাছে বশ্যতা স্বীকার করলেও, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার কখনওই ছেড়ে দেয়নি। সমস্যার সূত্রপাত হয় ১৯৪৭ সালের পর। বালুচিস্তানের যে অংশ সরাসরি ব্রিটিশদের হাতে ছিল, ১৯৪৭ সালে বালুচিস্তানের চারটি করদ রাজ্যের মধ্যে তিনটি (মাকরান, লাস বেলা, খারান) পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়। আর কালাটের শাসক বা খানের সঙ্গে ১৯৪৮ সালে পাক সরকারে যে চুক্তি হয়েছিল, তাতে স্বাধীন বালোচ অঞ্চলটিকে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বা স্বশাসন দেওয়ার কথা হয়েছিল। মহম্মদ আলি জিন্না নিজে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অর্থনীতি, বিদেশনীতি এবং প্রতিরক্ষা—শুধু এই তিনটি বিষয় ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে চুক্তি হয়েছিল। বাকি সব কিছুই বালোচদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে স্থির হয়েছিল।
কিন্তু জিন্না কথা রাখেননি। পাকিস্তান
পরবর্তী কালে সে চুক্তির শর্ত আর মানেনি। উল্টে বালোচ এলাকার সঙ্গে আরও নানা অঞ্চলকে যুক্ত করে, বালুচিস্তান নামে একটি অখণ্ড প্রদেশ গঠন করে তাকে পাকিস্তানের অন্য প্রদেশগুলির
সঙ্গে একই আসনে বসিয়ে দেওয়া হয়।
বালোচদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার দেওয়া হবে বলে যে চুক্তি হয়েছিল, তা ইসলামাবাদ মানতে অস্বীকার করে। চতুর্থ প্রদেশ কালাটের খান নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করে বসে। মহম্মদ আলি জিন্না অনেক করে বোঝানোর চেষ্টা করেন যাতে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে চলে আসে, কিন্তু কালাটের খান আহমেদ ইয়ার খান সময় চেয়ে বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখেন। ধৈর্য হারিয়ে ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান কালাটকে তার অধীনস্থ হিসাবে ঘোষণা করে। এপ্রিলে সামরিক অভিযান হয়। যুদ্ধে হেরে গিয়ে আহমেদ ইয়ার খান সন্ধিচুক্তি সই করেন ঠিকই কিন্তু তার দু’ভাই আঘা আবুদিল করিম বালোচ এবং মহম্মদ রাহিম বন্দুক নামাতে রাজি হন না। পাকিস্তান সেনার উপর আক্রমণ চালাতে থাকেন। পাক সরকারের এই বিশ্বাসঘাতকতাই বিদ্রোহী করে তোলে বালোচদের।
পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ১৯৪৮ সালেই প্রথম বার চরমে পৌঁছেছিল ক্ষোভ। শুরু হয়েছিল বিদ্রোহ। তার পর ১৯৫৮ থেকে ১৯৫৯, ১৯৬২ থেকে ১৯৬৩ এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত বার বার পাক সেনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী লড়াই করেছেন বালোচ বিদ্রোহীরা। বার বারই নির্মম দমননীতি চালিয়ে, বলপ্রয়োগ করে, বহু প্রাণ কেড়ে নিয়ে বিদ্রোহ দমিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে পাকিস্তান সরকারকে বালুচিস্তানের স্থানে স্থানে নতুন সামরিক ঘাঁটি তৈরি করতে হয়েছে। ১৯৭৩ সালে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভুট্টো ফের সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন বালুচিস্তানে। সেখানকার প্রাদেশিক সরকারকে ফেলে দিয়ে সামরিক শাসন জারি করা হয়। দমন যত বাড়ে ততই বাড়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গেরিলা আক্রমণের ধার। বালোচ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের স্রোত ক্রমশ বেড়েছে বই কমেনি। যেখানে শুধুই রক্তপাত, সংগ্রাম এবং বারুদের গন্ধ।
২০০৬ সালের আগস্টে আকবর খান বুগতি খুন হন পাক সেনার হাতে। সেই সঙ্গে প্রাণ হারান ৬০ জন পাক সেনা এবং ৭ জন অফিসার। মূলত এই সময় থেকেই ইসলামাবাদ অভিযোগ করতে শুরু করে, বালোচ জঙ্গিদের এই সামরিক সক্রিয়তায় ভারতের মদত রয়েছে। ভারতীয় নৌসেনার প্রাক্তন কমান্ডার কূলভূষণ যাদবকে পাকস্তান সে দেশ থেকে গ্রেপ্তার করে প্রচার করে যে তিনি আসলে বালোচ বিদ্রোহে মদত দিতে ভারতের হয়ে চরবৃত্তি করছিলেন।
প্রুসিয়ান আর্মি জেনারেল কার্ল ভন ক্লসউইত্জ বলেছিলেন, যুদ্ধটাও এক ধরনের রাজনীতি। অধিকারের রাজনীতি। এর ডায়নামিক্স ঘটে দুটি শ্রেণীর মধ্যে—উপরতলার শাসক এবং যাঁরা তাঁদের দ্বারা শাসিত। বিক্ষোভ এই নিয়ে, শাসকরা যে সুবিধাগুলি ভোগ করছেন, তা শাসিতদের সঙ্গে ভাগ করতে নারাজ। কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া বেলুচ ছাত্র সংগঠনের (বিএসও আজাদ) চেয়ারম্যান বানুক করিমা বেলুচের কথাই শুনুন। চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডর (সিপিইসি) বালুচিস্তানের অভিশাপ আখ্যা দিয়ে বানুক করিমা বলেন, ৪৫ বিলিয়ন ডলারের এই চুক্তি বালুচিস্তানের জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে করা হয়েছে। চুক্তিতে যা আছে তা কখনওই প্রকাশ করা হয়নি।
পাকিস্তানের সিভিল সরকারও বোধহয় জানে না ওই চুক্তিতে কী আছে। কারণ, চুক্তি বাস্তবায়নের পুরোটাই সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত। এই চুক্তি বালুচিস্তানের নিজ ভূমিতে বালোচদের সংখ্যালঘু বানানোর ষড়যন্ত্র। চীন বালুচিস্তানে একটি সেনা পোতাশ্রয় নির্মাণ করবে এবং গদর বন্দর থেকে সড়কপথে পশ্চিম চীনের জিনজিয়াং প্রদেশের কাশহার পর্যন্ত সংযুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানকার যত প্রাকৃতিক সম্পদ আছে তা গদর বন্দরের মাধ্যমে চালান হয়ে যাবে অন্যত্র। এখানে পাঞ্জাব ও সিন্ধের জনগণকে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার পুরোটাই বালুচিস্তানের জনগণের স্বার্থ উপেক্ষা করে।
গদর বন্দরের জন্য ইতিমধ্যে হাজার হাজার বালোচকে তাদের ভিটে থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যারা এখনও রয়েছে তাদেরও নিজের বাড়িতে ফিরতে অনুমতি নিতে হয়। কত দিন এসব সহ্য করবে বালুচিস্তানের জনগণ! সিপিইসিকে বাস্তবায়ন করতেই বালুচিস্তানে সবচেয়ে বেশি সেনা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আর এসব অভিযানের লক্ষ্য একটাই—এই অঞ্চলকে বালোচ-শূন্য করা। এই অনিঃশেষ পঙ্কিল বিষাক্ত আবর্তই বালোচদের ভবিতব্য... অতএব!
বালোচরা চান, ১৯৭১-এ ভারত যে ভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল, সে ভাবেই পাশে দাঁড়াক বালুচিস্তানের। ‘বালুচিস্তানের গান্ধী’ বলে পরিচিত আব্দুল কাদির বালোচ গত বছর দিল্লি এসে বলেছিলেন, ‘আমাদের অস্ত্র দিন! যাতে আমরা লড়াই করতে পারি।’ নিজে অহিংসার পথে স্বাধীনতার দাবিতে লড়াই করতে করতে কখন তিনিও সশস্ত্র আন্দোলনকারী হয়ে গিয়েছেন, নিজেই হয়তো জানেন না বালুচিস্তানের গান্ধী!
27th  September, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
নয়ন ভুলানো এলে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

এবার সব কিছুর পরও কোথায় যেন একটা কিন্তুর কাঁটা ফুটছে, ফুটেই চলেছে! ফলে, জমজমাট পুজোর মজার আবহটা যেন এখনও ঠিক জমাট বাঁধতেই পারছে না। কী সেই কাঁটা? এনআরসি? বাজারদর? কাজ হারানো? মাসের পর মাস বেতনবিহীনতা, অভাব? দেশ জুড়ে হাজার হাজার লাখ লাখের কাজ হারানোর আতঙ্ক? —তালিকা শেষ হবার নয়। ক’দিন আগে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ রাজ্যের পুজো উদ্বোধনে এসে ফের একবার এনআরসি লাগু করার সন্দেশ দিয়ে গেলেন। উদ্বাস্তু নয় অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই যে খড়্গহস্ত হবে এনআরসি সেটা অমিতজিরা বোঝানোর পরও বঙ্গজনের আতঙ্ক যে কাটছে না!  
বিশদ

03rd  October, 2019
মহাত্মা গান্ধীর জীবনদর্শন অনুসরণীয়
মোহন ভাগবত

ভারতের আধুনিক ইতিহাস তথা স্বাধীন ভারতের উত্থানের কাহিনীতে যেসব মহান ব্যক্তির নাম চিরকালের জন্য লেখা হয়ে আছে, যা সেই সনাতন কাল থেকে চলে আসা ভারতের ঐতিহাসিক গাথার এক একটি অধ্যায় হয়ে যাবে, পূজ্য মহাত্মা গান্ধীর নাম তাঁদের মধ্যে অন্যতম। ভারতবর্ষ আধ্যাত্মিক দেশ এবং আধ্যাত্মিকতার ভিত্তিতেই তার উত্থান হবে।  
বিশদ

02nd  October, 2019
দুর্গাপুজোর আঙিনায় ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ
চৈতন্যময় নন্দ 

বঙ্গাব্দ ১২৭৭। রানি রাসমণি নেই। পরিবারের কর্তা জামাতা মথুরমোহন বিশ্বাস। ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণদেব এসেছেন জানবাজারে দুর্গাপুজো উপলক্ষে। ঠাকুরের উপস্থিতিতে সেই বাড়ি তখন আনন্দস্রোতে প্রবাহিত হয়ে আনন্দধামে পরিণত।   বিশদ

01st  October, 2019
এনআরসি: বাঙালির নয়া আতঙ্ক এবং অপমান
হারাধন চৌধুরী 

বাঙালির যেন আতঙ্ক-লগ্নে জন্ম। একটা আতঙ্ক যায়, আবার একটা এসে জোটে। নতুন আতঙ্কের নাম এনআরসি। এনআরসি-আতঙ্ক গ্রাস করেছে পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিকেও। বাঙালিকে নতুন করে নাগরিকত্বের পরীক্ষায় বসতে হবে।   বিশদ

01st  October, 2019
গান্ধী, পৃথিবী, পরিবেশ
রঞ্জন সেন

এনভায়রনমেন্ট, ইকোলজি এসব কথা গান্ধী কোন দিন ব্যবহার না করলেও তাঁর চিন্তা চেতনা ও কাজের একটা বড় এলাকা জুড়ে রয়েছে পরিবেশ। গ্রাম স্বরাজ থেকে অহিংসা, চরকা থেকে স্বনির্ভরতা কোন কিছুই যেন পরিবেশ ছাড়া সম্পূর্ণ হয়না। অথচ ঘোষিত পরিবেশবাদী বলতে যা বোঝায় তা তিনি কোনদিনই ছিলেন না। 
বিশদ

30th  September, 2019
মা দুর্গা ও মেয়ে দুর্গা
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

দুর্গাপুজো এলে কখনও কখনও একটা ছোট মেয়ের কথা মনে পড়ে যে তার বাবার সঙ্গে ঠাকুর গড়া দেখতে বাঙালি আখড়ায় যেত। ঠাকুর গড়া দেখতে যাবার সূত্রে পুজোর অনেক আগেই তার মনে এক পুজো পুজো ভাব এসে যেত। আখড়ায় সার বেঁধে বহু প্রতিমা গড়া হতো। কলকাতার কারিগর এসে সেখানে প্রতিমা গড়তেন। মেয়েটির চোখের সামনে খড়বাঁধা কাঠামোয় মাটি চাপত, রং পড়ত ও ধীরে ধীরে সপরিবারে মা দুর্গা রূপ পরিগ্রহ করতেন। ... প্রতিমার অঙ্গে ক্রমে বস্ত্র ও আভরণ উঠত, তাঁর দশহস্তে, আয়ুধগুলি স্থান পেত। সেই প্রতিমায় যখন পুজো হতো তখন তাতে প্রাণের যোগ ঘটত। 
বিশদ

30th  September, 2019
পুজোয় অনলাইন প্রক্সি
অতনু বিশ্বাস

প্রচেষ্টাটায় বেশ চমক আছে নিঃসন্দেহে। পুজোতে এই অনলাইন প্রক্সির ইতিবৃত্ত যে প্রবাসী এবং অনাবাসী বাঙালিদের কলকাতার পুজোর আওতায় আনার একটা প্রচেষ্টা, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। তবে একে প্রবাসী কিংবা অনাবাসীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, তার কোনও বাধ্যবাধকতা অবশ্যই নেই। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে যাঁরা বৃদ্ধ, অসুস্থ, অশক্ত, ভিড়ভাট্টায় পুজো প্যান্ডেলে ঘুরতে অসমর্থ, তাঁরাও তো দিব্যি ভার্চুয়াল পুজোর শরিক হতে পারেন। আর শুধু যাঁরা অসমর্থ তাঁরাই বা কেন, যাঁরা ভিড়ের স্রোতে অস্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাঁরাও কেন নন? কে আটকাচ্ছে?
বিশদ

29th  September, 2019
পুজো এসে গেল
শুভা দত্ত

দিন গোনা শেষ। বছরভর প্রতীক্ষার অবসান। গতকাল মহালয়ার ভোর ফুটতেই এবারের দেবীপক্ষের সূচনা হয়ে গেল। আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল দুর্গাপুজো, মানে মহামায়া বন্দনার উদ্‌যোগ-আয়োজনের ফাইনাল রাউন্ড। আর সেইসঙ্গেই বাঙালির সংবৎসরের সবচেয়ে বড় উৎসব—শারদোৎসবের ঢাকেও কার্যত কাঠি পড়ে গেল। শহর মহানগর থেকে গ্রাম গ্রামান্ত পাড়ায়-পাড়ায় মাঠে-ঘাটে, পথে-রাজপথে এবার শুরু হয়ে যাবে পুজোর প্রতিমা-মণ্ডপের উদ্বোধন। 
বিশদ

29th  September, 2019


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থ প্রাপ্তির যোগ। যে কোনও ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪০- ‘দি বিটলস’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা, গায়ক জন লেননের জন্ম
১৯৪৫- সারোদবাদক আমজাদ আলি খানের জন্ম
১৯৪৫- অভিনেত্রী সুমিতা সান্যালের জন্ম
১৯৬৭- কিউবার বিপ্লবের প্রধান ব্যক্তিত্ব চে গেভারার মৃত্যু
২০১৫- সংগীত পরিচালক রবীন্দ্র জৈনের মৃত্যু  





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার    
পাউন্ড    
ইউরো    
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৯৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩৪৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
05th  October, 2019

দিন পঞ্জিকা

১৮ আশ্বিন ১৪২৬, ৫ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ১০/৪৫ দিবা ৯/৫১। মূলা ১৯/২৪ দিবা ১/১৮। সূ উ ৫/৩২/৪৫, অ ৫/১৭/৫৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ মধ্যে পুনঃ ৭/৭ গতে ৯/২৮ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৯ গতে ২/৫৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৪৪ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ১২/৩৯ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৪ গতে ২/২৩ মধ্যে পুনঃ ৩/৫১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ৬/৫১ মধ্যে পুনঃ ৪/০ গতে উদয়াবধি। 
১৭ আশ্বিন ১৪২৬, ৫ অক্টোবর ২০১৯, শনিবার, সপ্তমী ২১/২৭/৩৯ দিবা ২/৮/০। মূলা ৩১/৪৭/১২ রাত্রি ৬/১৫/৪৯, সূ উ ৫/৩২/৫৬, অ ৫/১৯/৩৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৩ মধ্যে ও ৭/৯ গতে ৯/২৭ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ২/৫০ মধ্যে ও ৩/৩৭ গতে ৫/১৮ মধ্যে এবং রাত্রি ১২/৩৭ গতে ২/১৭ মধ্যে, বারবেলা ১২/৫৪/৩৬ গতে ২/২২/৫৫ মধ্যে, কালবেলা ৭/১/১৬ মধ্যে ও ৩/৫১/১৬ গতে ৫/১৯/৩৬ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫১/১৬ মধ্যে ও ৪/১/১৬ গতে ৫/৩৩/১৮ মধ্যে। 
মোসলেম: ৫ শফর 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এবছর রসায়নে নোবেল পাচ্ছেন জন বি গুডএনাফ, এম স্ট্যানলি হুইটিংহ্যাম ও আকিরা ইয়োশিনো 

03:42:41 PM

মালদহের বৈষ্ণবনগরে নৌকাডুবি, মৃত ৩ 
ঠাকুর দেখতে যাওয়ার সময় নৌকাডুবি। ঘটনাটি ঘটে মালদহের বৈষ্ণবনগর থানার ...বিশদ

03:18:19 PM

৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা বাড়াল কেন্দ্র, উপকৃত হবেন ৫০ লক্ষ কর্মী ও ৬২ লক্ষ পেনশনভোগী 

02:30:04 PM

ফলতার রামনগরে বিসর্জনের বাজি বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম ২ শ্রমিক 

01:20:11 PM

কেতুগ্রামের শ্রীরামপুর দুর্গা প্রতিমার গয়না চুরি, চাঞ্চল্য 

12:21:00 PM

রায়গঞ্জে যুবতীর শ্লীলতাহানি ঘিরে ধুন্ধুমার 
এক যুবতীর শ্লীলতাহানির অভিযোগকে ঘিরে ধুন্ধুমার বাধল রায়গঞ্জ শহরের বকুলতলা ...বিশদ

12:07:44 PM