Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বিপদ যখন ওষুধে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

সামান্য জ্বর জ্বর ভাব হলে কি ডাক্তার দেখাবেন? নাকি পাড়ার ওষুধের দোকানে গিয়ে বলবেন, দাদা একটা ক্যালপল দিন তো...! নিশ্চিতভাবে পরেরটা। ক্যালপলের জায়গায় ক্রোসিন, প্যারাসেফ হতেই পারে, কিন্তু ৮০ শতাংশ গ্রাহকই ‘প্যারাসিটামল’ দেওয়ার কথা বলেন না। প্যারাসিটামল অর্থাৎ ওষুধটির জেনেরিক নাম। আর ক্যালপল বা ক্রোসিন হল প্যারাসিটামলেরই ব্র্যান্ড নেম। আর এই দুই নামের সঙ্গেই জড়িয়ে ওষুধের নানা গোপন কাহিনী। কেন?
ধরা যাক ডাঃ অমুকচন্দ্র বিশ্বাস সরকারি হাসপাতালে প্র্যাক্টিস করেন। আউটডোরের বাইরে লম্বা লাইন... ২ টাকার টিকিট কেটে হাজার হাজার মানুষ এসে দাঁড়িয়ে। দূরদূরান্ত থেকে এসেছেন। শরীর খারাপটুকু বোঝেন তাঁরা। তাও কখন? সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেলে। আর বোঝেন প্রেসক্রিপশন বলে একটা কাগজ ডাক্তারবাবু দেবেন। সেখানে ওষুধের নাম লেখা থাকবে। সরকারি হাসপাতালে ডাক্তারবাবু লিখবেন ওষুধের জেনেরিক নেম। অর্থাৎ সরষের তেল লিখবেন... কোন ব্র্যান্ডের কিনতে হবে, সেটা লিখবেন না। সরষের তেল তো অনেক কোম্পানিই বানায়! নামী, অনামী... সেগুলির কিছু প্যাকেট করে বিক্রি হয়, কিছু আবার বিক্রি হয় লুজ। যেমন ঘানির তেল বা মুদি দোকানে বোতলে ভরা। সবাই সরষের তেল কিনল। অর্থাৎ জেনেরিক নামের ওষুধ। কিন্তু সেই ডাক্তার যখন নিজের চেম্বারে বসবেন? কিংবা কোনও কর্পোরেট হাসপাতালে? তখন প্রেসক্রিপশনে কিন্তু তিনি ওষুধের জেনেরিক নাম লিখবেন না! তখন লিখবেন ব্র্যান্ড নেম। অর্থাৎ, কোন কোম্পানির সরষের তেল আপনাকে কিনতে হবে, সেটা নির্দিষ্ট করে বলে দেবেন তিনি। প্রশ্নটা হল, এই ফারাক কেন?
এর নেপথ্যে কারণ এবং ধারাবাহিক ঘটনা পরম্পরার একটা চেইন রয়েছে। একটির হদিশ পেলে পরেরটি নজরে চলে আসবে। শুরু করা যাক চেইনের প্রথম বেড়ি থেকে। অর্থাৎ ব্র্যান্ড নেমের ওষুধ, যা বড় কোম্পানি তৈরি করে। যে কোনও পণ্য তৈরি করতে কাঁচামাল লাগে। র মেটেরিয়াল। ওষুধ তৈরিতেও লাগে। সেই কাঁচামালের দাম সর্বত্রই উনিশ-বিশ। তা নিয়ে সন্দেহ নেই। এবার বড় কোম্পানিগুলো বাড়তি যে প্রক্রিয়ায় জোর দেয় সেটা হল, কেমিক্যাল সিন্থেসিস। এক একটি ওষুধ তৈরির সময় কোথাও ১০টি, কোথাও ১২টি, আবার কোথাও ১৫টি ধাপে কেমিক্যাল সিন্থেসিস হয়। সোজা বাংলায় বললে, কাঁচামালগুলোকে ওষুধের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার আগে রাসায়নিক বিশ্লেষণ করা। প্রয়োজনমতো। তাহলে সেগুলো ভেজালমুক্ত হবে। ‘শুদ্ধিকরণ’ ঘটিয়ে তারা ওষুধ তৈরির কাজে লাগার যোগ্য হয়ে উঠবে।
কিন্তু ছোট কোম্পানিগুলিও কি একই রকম পদ্ধতি মেনে ওষুধ বানায়? মনে হতেই পারে, ওষুধ তৈরির সঙ্গে ছোট-বড় কোম্পানির সম্পর্ক কী? ওষুধ তো সর্বত্রই একভাবে তৈরি হয়! উত্তরটা হল, না। একই জেনেরিক নামের ওষুধ সর্বত্র একইভাবে তৈরি হওয়া উচিত। কিন্তু সেই উচিত কাজটি সর্বত্র হয় না। প্রথমত, বড় কোম্পানিগুলির মতো ছোট কোম্পানিগুলির পরিকাঠামো থাকে না। তার উপর আরও বেশি করে যে ফ্যাক্টরটা কাজ করে সেটা হল, ছোট কোম্পানিরা সাধারণত ওষুধের কোয়ালিটি বা গুণমান নিয়ে খুব একটা ভাবনাচিন্তা করে না। করলে প্রফিটের মার্জিন কমতে থাকবে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই প্রভাবটা দেখা যায় দামে। কীভাবে?
উদাহরণ দেওয়া যাক। অ্যাজিথ্রোমাইসিন। গলায় ব্যথা, ইনফেকশন হলে এই জেনেরিক নামের অ্যান্টিবায়োটিকটি লাগে। ছোট-বড় প্রচুর কোম্পানি অ্যাজিথ্রোমাইসিন বানায়। বাজারে যে ব্র্যান্ডটি সবচেয়ে বেশি চলে, সেটির এমআরপি ১০০ টাকা। কিন্তু একটু খোঁজ-খবর করলেই এর থেকে কম দামের অ্যাজিথ্রোমাইসিন পাওয়া যাবে। একটি কোম্পানি ওই কম্পোজিশনেরই জেনেরিক ওষুধ বিক্রি করে ৬৭ টাকা এমআরপিতে। শুধু ব্র্যান্ডিংটা থাকে না। অর্থাৎ ডাক্তারবাবুরা প্রেসক্রিপশনে সেটা লিখবেন না, কিংবা তার জন্য মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌড়তে হবে না। আর একটু খুঁজুন। দেখবেন, ২৫-৩০ টাকাতেও একপাতা পাওয়া যাচ্ছে। ৩ হাজার টাকার শাড়ির যা কোয়ালিটি, সাড়ে তিনশো টাকার শাড়ির কি এক কোয়ালিটি হতে পারে? এই ভাবনাটা কেন আমরা ওষুধের ক্ষেত্রে ভাবি না? যে ওষুধ তৈরি, মার্কেটিং, মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং অন্যান্য কর্মীদের বেতন দেওয়ার পর সব খরচ এবং প্রফিট ধরে ১০০ টাকা পাতা দাম হয়, সেই গুণমানের কি ২৫ টাকায় পাওয়া যেতে পারে? ধরে নেওয়া যাক, ২৫ টাকায় যে কোম্পানি বিক্রি করছে (এই দামে বিক্রির পরও কিন্তু তার ভালোই লাভ থাকছে), তাকে মার্কেটিংয়ের পিছনে খরচ করতে হচ্ছে না। সে বানাচ্ছে, আর সরাসরি ওষুধের দোকানে সাপ্লাই দিচ্ছে। তাতেও কিন্তু কোয়ালিটি আসে না! এলে বড় কোম্পানিগুলোও মার্কেট ধরে রাখার জন্য ওই দামে ওষুধ বিক্রি করত। আসলে যে সংস্থার বাজারে নাম হয়ে গিয়েছে, তারা কখনও খারাপ কোয়ালিটির ওষুধ বেচে বদনাম কুড়োবে না। তাহলে খুব পরিষ্কার, ব্র্যান্ডিং ছাড়া কোয়ালিটি বজায় রেখে ওষুধ বেচতে হলেও তাতে ৪০-৪৫ শতাংশের বেশি ডিসকাউন্ট দেওয়া সম্ভব নয়! তাহলে কিছু কিছু কোম্পানি ৮০ শতাংশ দিচ্ছে কী করে?
কথা হচ্ছিল এক ডিস্ট্রিবিউটরের সঙ্গে। সজ্জন ব্যক্তি। ওষুধ নিয়ে এক পয়সার কালোবাজারি করেন না। কিন্তু দেখতে পান প্রায় সবটাই। নাম না লেখার শর্তে বললেন, এমন প্রচুর ছোটখাটো বৈধ-অবৈধ কোম্পানি আছে, যারা যেমন তেমন করে ওষুধ বানায়। তাদের না আছে কোয়ালিটির জ্ঞান, না আছে সদিচ্ছা। যে ওষুধের একটা পাতা বানাতে একটা বড় কোম্পানির কস্টিং ৫০ টাকার কাছাকাছি চলে যায়, তারা সেটাই ৮ টাকা বা ১০ টাকায় বানিয়ে ফেলে। সেই ওষুধ বানানেওয়ালারা না করে কেমিক্যাল সিন্থেসিস, না ব্যবহার করে ভালো কাঁচামাল। ফলে সেই ওষুধের কার্যকারিতা কি আর দামি ব্র্যান্ডের ওষুধের মতো হবে?
এরপরও সেই ওষুধগুলোই বাজারে চলছে। রমরমিয়ে। নামজাদা এক ফার্মা সংস্থার পূর্ব ভারতের দায়িত্বে থাকা অফিসার বলছিলেন, ‘এটা জেনেরিক ওষুধের যুগ হয়ে গিয়েছে। মানে, ব্র্যান্ডের নামমাহাত্ম্য কাটিয়ে অনামীরা বাজারে জাঁকিয়ে বসেছে। এরা ডাক্তারের কাছে যায় না। এদের মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ লাগে না। সরাসরি ওষুধের দোকানে। ধরুন আপনি দোকানে গিয়ে বললেন, গলাটা গতকাল থেকে খুব ব্যথা করছে। সঙ্গে জ্বর জ্বর ভাব। মনে হচ্ছে গলায় ইনফেকশন হয়েছে। কিছু একটা দাও তো! দোকানদান আপনাকে এমন একটা ওষুধ দেবে, যার মার্কেটে নাম নেই। সেই নামওয়ালা ওষুধ বিক্রি করলে ওর হয়তো ১০ টাকা প্রতি পাতায় প্রফিট থাকে। আর অনামীটা চালিয়ে দিলে ২০-২৫ টাকা। এটাই হল ডাক্তার না দেখিয়ে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওষুধ কেনার বিপদ। সেই ওষুধ খেয়ে যদি ভয়ানক সাইড এফেক্ট হয়, রোগী অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে দোকানদারকেও ধরতে পারবেন না। কারণ, তিনি দোকানদারের থেকে পাকা বিল নেননি! আর যদি নিয়েও থাকেন, সেই কোম্পানিকে কোথায় খুঁজে পাওয়া যাবে? সরকারই তখন রোগীকে বলবে, ডাক্তার না দেখিয়ে ওষুধ কিনেছিলেন কেন?’
ভেজাল ওষুধ। জাল ওষুধ। গোটা দেশে এর চোরাবাজার ছড়িয়ে রয়েছে। মহারাষ্ট্র, গোয়া, গুজরাত, পাঞ্জাব, সিকিম... এমনকী আমাদের রাজ্যেও। শোনা যায় কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া, আসানসোলে জাল ওষুধের রমরমা ব্যবসা। কোথাও জাল ওষুধ তৈরি হচ্ছে, কোথাও আবার লেবেল। গুড়জল বা আজেবাজে কেমিক্যালের বোতলে কাফ সিরাপের লেবেল সেঁটে দিলেই হল। জালিরা অবশ্য নিজের এলাকাতেই এই ব্যবসা করে না! ধরা যাক, হাওড়ায় এমন একটা জায়গায় তৈরি হল ৫০ বোতল কাফ সিরাপ। একজন লোক সেই স্টক নিয়ে চলে গেল আসানসোল। নামী কোম্পানির লেবেল লাগিয়ে। সরাসরি ওষুধের দোকানে গিয়ে বলল, রেট কাট করে কোম্পানি বেচছে। আপনি কত টাকায় কেনেন? দোকানদার বলল ৮০ টাকা। সে বলল, আমি ৫০ টাকায় দেব। দোকানদার দেখল, দারুণ অফার তো! ৫০ টাকায় কিনে ১০০ টাকায় বেচলে ডবল প্রফিট! তবে হ্যাঁ, কোনও দোকানদার কিন্তু জেনেশুনে জাল ওষুধ বেচেন না। কারণ, সবার আগে তিনিই ধরা পড়বেন। তিনি এসব করেন বেশি লাভের আশায়। এভাবে এক্সপায়ারি ওষুধও দেদার মার্কেটে চলে যায়। জাল তারিখের স্ট্যাম্প, ব্যাচ নম্বর মেরে। অফিসার ভদ্রলোক বলছিলেন, ‘সবচেয় বেশি জাল হয় কিন্তু ইঞ্জেকশনে। আপনি টেডব্যাগ নেওয়ার সময় জিজ্ঞেস করেন কোন কোম্পানিরটা দেওয়া হচ্ছে? এভাবে কমদামি, অজানা কোম্পানির ওষুধ যেমন আপনার শরীরে ঢুকে পড়ে, তেমনই জাল ইঞ্জেকশনও আসে। সবচেয়ে বেশি ভেজাল হয় সঙ্গের ফ্লুইডে, যা মিশিয়ে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। আর সিরিঞ্জে। এতটাই বিপজ্জনক অবস্থায় ব্যাপারটা চলে যাচ্ছে, ভাবা যায় না। দাম কিন্তু সেই একই দিতে হয় আপনাকে’।
এবার আসা যাক দামে। ওষুধের বাড়তে থাকা দাম ইদানীং সত্যিই বড় চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেদিনই এক ভদ্রলোক বলছিলেন, ‘যে প্রেশারের ওষুধ এক পাতা ১৩৬ টাকা ১৩ পয়সা এমআরপি ছিল, সেটাই এখন ১৪৯ টাকা ৫৪ পয়সা। সুগার, গিন্নির থাইরয়েড সবকিছুর দাম বেড়েছে। কী করি বলুন?’ বিষয়টা মোটেও ভুল নয়। এই নজরকাড়া দাম বৃদ্ধির কারণটা কী? প্রথমে আসা যাক ট্যাক্সে। আগে ওষুধের জন্য ট্যাক্স পড়ত ৪.৭৫ শতাংশ। জিএসটি চালু হওয়ার পর সেটাই ৫ থেকে ১৮ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করে। কয়েকটা হাতেগোনা আছে, সেই ওষুধে জিএসটি চাপে না। কিন্তু বেশিরভাগই ১২ শতাংশ। তাহলে এখানেই একটা ওষুধের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে গেল। তার উপর কিছু জীবনদায়ী ওষুধ, ইঞ্জেকশনের দাম সরকার বেঁধে দিয়েছে। কাজেই কেমিক্যাল, কিংবা ওষুধ তৈরিতে দরকারি স্টার্চ, ল্যাকটোজ, গ্লিসারিনের মতো জিনিসপত্রের দাম বাড়লেও এই ধরনের কিছু ওষুধের এমআরপি বাড়াতে পারে না কোম্পানিগুলি। তারা গুণমানের সঙ্গে সমঝোতাও করতে পারে না! তখন কী হয়? যে সব ওষুধের দামের উপর বিধিনিষেধ নেই, সেগুলিকে টার্গেট করা হয়। অধিকাংশ ওষুধের দাম আবার ১০ শতাংশের বেশি বাড়ানোও যায় না। আর রয়েছে মার্কেটের তালমেল। একটা বড় কোম্পানি যে কম্পোজিশনের ওষুধের দাম ১০০ টাকা রাখে, অন্য বড় সংস্থাও তারই কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করে। যদি কেউ সেটা ১৩০ টাকা করে দেয়, তাহলে ডাক্তার বলবেন, ‘তোমারটা লিখব কেন? দাম বেশি যে!’ এরপরও চিকিৎসকদের একাংশের সাহায্যে তেমনটা হয়ে থাকে। বেশি হয় ইঞ্জেকশনের ক্ষেত্রে। ধরা যাক একটা কম্পোজিশনের অ্যাম্পুলের গড় দাম বাজারে ১১০০ টাকা। কিন্তু ১৬০০ টাকার অ্যাম্পুল নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন একজন মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ। বললেন, আপনি আমাদেরটাই লিখুন। যে ক’টা লিখলেন, মাসের শেষে সবগুলোর জেরক্স দিয়ে দেবেন। বদলে আপনি অমুক বা তমুক গিফ্ট পাবেন। এমন ডাক্তারের সংখ্যা যদিও কম, তাও প্রবণতাটা রয়েছে। অনেক সময় ডাক্তারের হাতের লেখা বোঝা দুষ্কর হয়ে যাওয়ায় রোগী দ্বারস্থ হন দোকানদারের। তিনি যদি বুঝতে না পারেন, তাহলে অন্য একটি ওষুধ গছিয়ে দেন। সে আর এক ভয়ানক ব্যাপার। কিংবা অন্য ব্র্যান্ডের ওষুধ ধরিয়ে বলেন, ‘একই ওষুধ। এতেও একই কাজ হবে। দামটাও কম।’ রোগীও তাতে বিশ্বাস করে নেন।
এখন আবার কেন্দ্রের ফার্মাসিউটিক্যাল পলিসি আটকে রয়েছে বড় কোম্পানিদের আপত্তিতে। দাবি, এই নীতি কার্যকর হলে ওষুধের দাম আরও বাড়াতে হবে। তাই সেই খসড়ায় অদলবদল চলছে। এই হাইপ্রোফাইল যুদ্ধে আরও একটা মজা আছে। হঠাৎ সরকার একটা ওষুধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করল। অথচ বড় কোম্পানির সেই ব্র্যান্ড মার্কেটে প্রচুর ছড়িয়ে আছে। তখন সেই সংস্থা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করে দিল। এসব ক্ষেত্রে বড় ফার্মা কোম্পানিদের কাগজপত্র এতটাই জোরদার থাকে যে, সরকারপক্ষকে রীতিমতো নাকানিচোবানি খেতে হয়। ব্যাস, যতদিন মামলা চলবে, বিক্রিতে বাধা নেই। মার্কেটে যা স্টক ছিল, শেষ হয়ে গেল। বরং নতুন করে উৎপাদন এবং বিক্রি চলতে থাকল রমরমিয়ে।
তারতম্যের বাজার। ওষুধের দামের। এই তারতম্য মেটাতে হলে সরকার এবং রেগুলেটরি কমিটিগুলোকে অনেক বেশি সক্রিয় কিন্তু হতেই হবে। কঠোর হতে হবে প্রশাসনকে। ছোট, অবৈধ কারখানা বন্ধ করা সবার আগে দরকার। আচমকা অভিযান চালানো দরকার ওষুধের দোকানেও। অভিযানের অভিমুখটা হোক অবশ্যই গুণমান। যেমন তেমনভাবে ওষুধ বানিয়ে বাজারে ছাড়ার আগে যদি সত্যিকারের একটা স্ক্যানারের মধ্যে দিয়ে যায়, তাহলেই ধরা পড়বে ভেজাল। কোনও ওষুধ দোকানে ঢোকার আগে দেখে নিতে হবে তার সবরকম পরীক্ষা হয়েছে কি না। পিউরিফিকেশন, কেমিক্যাল সিন্থেসিস... সবকিছু। এটা করলেই গুণমান বজায় রাখতে হবে সবাইকে। আর ওষুধের দামও একটা নির্দিষ্ট পরিধির মধ্যে চলে আসবে। ‘জেনেরিক যুগে’ আজ ১৫ থেকে ২০ শতাংশ লোকসান করতে হয় বড় কোম্পানিদের। তাতে যদি সাধারণ মানুষের উপকার হতো, প্রশ্ন ছিল না। তা কিন্তু হচ্ছে না। আমরা জানতেও পারছি না, ওষুধের নামে কী মিশছে শরীরে।
24th  September, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোর্ট মিটিংয়ে যোগ দিতে যাদবপুরে যাচ্ছেন আচার্য তথা রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার। তা নিয়ে যেমন চাপা উত্তেজনা রয়েছে, তেমনই কর্তৃপক্ষের একটু চিন্তাও রয়েছে। এদিন সকাল ১১টা নাগাদ তাঁর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইউটিটি জাতীয় র‌্যাঙ্কিং টেবল টেনিস প্রতিযোগিতা আজ শুরু বৃহস্পতিবার হাওড়ার ডুমুরজোলা স্টেডিয়ামে। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস প্রমুখ। ...

 রিয়াধ, ১৭ অক্টোবর (পিটিআই): পুণ্যতীর্থ মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে বাস দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ৩৫ জন তীর্থযাত্রী। সৌদি আরবের সরকারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। তীর্থযাত্রীবাহী ওই বাসটি আরও কোনও বড় গাড়িতে ধাক্কা মারে। ...

সংবাদদাতা, কালনা: বুধবার রাতে কালনার কোম্পানিডাঙায় বালি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে চারজন জখম হয়েছে। তাদের কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। উভয়পক্ষের তরফে কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, তদন্ত ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে, ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণ যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজের মৃত্যু
১৯১৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের জন্ম
১৯৩১: গ্রামাফোনের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনের মৃত্যু
১৯৪০: টলিউড অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা ওমপুরীর জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬১ টাকা ৭২.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৯৯ টাকা ৯৩.২৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৭ টাকা ৮০.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, চতুর্থী ৪/৩৮ দিবা ৭/২৯। রোহিণী ২৮/৪১ অপঃ ৪/৫৯। সূ উ ৫/৩৭/৪৪, অ ৫/৬/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, পঞ্চমী ৫৮/২৯/৫১ শেষরাত্রি ৫/২/১০। রোহিণী ২৫/৩৩/৪৮ দিবা ৩/৫১/৪৫, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৭/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩১ মধ্যে ও ৭/১৫ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪১ মধ্যে ও ২/২৫ গতে ৫/৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০/৩৪ গতে ৯/৫৬/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৬/৪৪ গতে ১১/২২/৫৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৫/১৪ গতে ৯/৪৯/৪ মধ্যে।
 ১৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, শুক্রবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:09:02 AM

পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় ধৃত বিজেপি নেতা, অশান্তি
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বাকচায় তৃণমূল নেতা বসুদেব মণ্ডল খুনের ...বিশদ

09:44:00 AM

চারটি একক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ভোটের অনুমতি রাজ্যের
রাজ্যের চারটি একক (ইউনিটারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি দিল রাজ্য ...বিশদ

09:30:00 AM

প্রাচীন গ্রিক পদ্ধতি মেনে বিশ্ব সুন্দরী বেলা
সুপার মডেল বেলা হাদিদই বিশ্বের সবথেকে সুন্দর মহিলা। গ্রিক গণিত ...বিশদ

09:27:09 AM

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে বিজন সেতুর, বন্ধ হবে যান চলাচল
আগামী শুক্রবার থেকে বালিগঞ্জের বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার অনুমতি দিল ...বিশদ

09:08:19 AM

হকি বিশ্বকাপের দাবিদার ভারত
২০২৩ হকি বিশ্বকাপ আয়োজনের দাবিদার ভারত। তারা ২০২৩ সালের উইনডোতে ...বিশদ

08:57:16 AM