Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

অসহিষ্ণুতা
জিষ্ণু বসু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭০ সাল। অতি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন পরীক্ষা বয়কটের ডাক দিয়েছে। কেন? কী কারণ? কারণটা অদ্ভুত। কাউকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এক সিংহহৃদয় মানুষ। অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক এই ছাত্রদরদি মানুষটি অস্থায়ীভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। অধ্যাপক সেন বলেছিলেন, পরীক্ষা হবেই। যারা পরীক্ষা দিতে চায় তারা নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দেবে। তিনি পরীক্ষা নিয়েছিলেন এবং সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় দুর্গাপুজোর ছুটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে পরীক্ষার মার্কশিট দিয়েছিলেন।
সেই অপরাধে ১৯৭০ সালের ৩০ ডিসেম্বর যাদবপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হত্যা করা হয় গোপালচন্দ্র সেনকে। বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের সক্রিয় সদস্য রানা বসুর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে উপচার্যকে খুনের। পিছন থেকে ছুরির আঘাতে ঘটনার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই মারা যান গোপালচন্দ্র সেন। আর ধনী ডাক্তার বাবার ক্ষমতার কারসাজিতে কানাডায় পালিয়ে যান অতি বিপ্লবী রানা বসু। আচ্ছা, রানা যে নিকৃষ্টতম কাজটি করেছিলেন সেটা কি কেবল তাঁর অল্প বয়সের হঠকারিতা? না কি কেউ পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় প্ররোচনা দিয়ে ধীরে ধীরে তাঁর মাথায় বিষ ঢুকিয়েছিল? তার নাম ‘অসহিষ্ণুতা’!
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ২০১৯ সাল। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) বিশ্ববিদ্যালয়ের কে পি বসু সভাগৃহে নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেইসঙ্গে বক্তৃতামালা—‘স্বাধীন ভারতে গণতন্ত্রের স্বরূপ’। আমন্ত্রিত বক্তা ছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপক অচিন্ত্য বিশ্বাস, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী দিলীপকুমার দুবে, শিল্পী অগ্নিমিত্রা পল এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। এবিভিপি-কে বা বিজেপি-কে কারও অপছন্দ হতেই পারে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তৃতা দেওয়ার অধিকার থাকবে না? তাঁকে ঘিরে ধরে জামাকাপড় ছিঁড়ে দিয়ে হেনস্তা করা হবে? কত বামপন্থী বক্তা ভারতের কত বিশ্ববিদ্যালয়ে যান, তাঁদের মতামত রাখেন, সেইসব বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়েও বামপন্থীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। কিন্তু, বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে যে অসভ্যতা যাদবপুরে করা হয়েছে সাম্প্রতিককালে ভূভারতে এর উদাহরণ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকরা এই উচ্ছৃঙ্খল অসহিষ্ণুদের বোঝাবার চেষ্টা করেছেন, উপাচার্য বলেছেন, আচার্য স্বয়ং এসেছেন। কিন্তু প্রতিবাদী ছাত্রদের কেউ কথা শোনেননি। তাঁরা বলেছেন, বাবুল সুপ্রিয়কে ক্ষমা চাইতে হবে। কেন? বাবুল কী অপরাধ করেছেন? যাদবপুরে অবামপন্থী মতবাদী হয়ে বক্তব্য রাখতে এসেছেন—এই তাঁর অপরাধ? কারণ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সেদিন ৩ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই তো এই দল তাঁকে ছেঁকে ধরে। এই চরম অসহিষ্ণুতাকে কেবল ছাত্রসুলভ চপলতা ভাবলে ভুল হবে। কয়েক দশক ধরে ঠান্ডা মাথায় শেখানো হচ্ছে এই অসহিষ্ণুতা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে বার বার চোখে পড়েছে এই অসহিষ্ণুতা। কেউ যেন সুনিপুণভাবে শিখিয়েছে এই নিষ্ঠুর আচরণ। সংঘবদ্ধভাবে এই অসহিষ্ণুতার প্রদর্শনী যেন কৃতিত্ব! ১৯৯২ সাল। এপ্রিল মাসের এক দুপুরে সেন্ট্রাল লাইব্রেবির সামনে মাটিতে ফেলে একটি ছেলেকে চোরের মতো পেটাচ্ছে এক বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের কয়েকজন। সেই বীরের দল তারপর তাঁকে ‘আশীর্বাদ ক্যান্টিন’-এর পিছনে ‘সায়েন্স ক্লাব’-এর সামনে নিয়ে এল। তখনও ছেলেটিকে পেটে ক্রমাগত লাথি মারা হচ্ছে আর জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে—‘বল, কোন কলেজ তোর?’ ছেলেটির তখন আর কথা বলার সামর্থ্য নেই। জানা গেল, ছেলেটি বিদ্যাসাগর কলেজে পড়েন আর এবিভিপি-র পক্ষে রামমন্দির আন্দোলনের উপর আপত্তিকর (?) কিছু লিফলেট বিলি করছিলেন। সেদিন উপাচার্যের অফিসে গিয়ে ছেলেটিকে বাঁচিয়েছিলেন অধ্যাপক ধনঞ্জয় দাস। অধ্যাপক দাস সেদিন প্রশ্ন করেছিলেন—‘এত নিষ্ঠুরতা কেন? ছেলেটিকে বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে এখানে ঢুকেছে বলে? নাকি ও যে লিফলেট বিলি করছিল সেটা দেশের আইনে নিষিদ্ধ?’ উপাচার্যের অফিসে কারও কোনও উত্তর ছিল না। কারণ, উত্তরটা হল—‘আমরা অসহিষ্ণু।’ বিরোধী কোনও মত এখানে প্রকাশ করা যাবে না।
ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির কিছু ছেলে ২০১৬ সালের ৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ ত্রিগুণা সেন প্রেক্ষাগৃহে একটি ছায়াছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা করেছিলেন। ছায়াছবিটি সেন্সর বোর্ডের অনুমোদিত একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার-পাওয়া—বিবেক অগ্নিহোত্রীর ‘বুদ্ধ ইন আ ট্রাফিক জ্যাম’। শেষ পর্যন্ত এই অতি বামপন্থীরা কর্তৃপক্ষকে চাপ দিয়ে ফিল্মটির প্রদর্শন প্রেক্ষাগৃহে করতে দেননি। কিন্তু, ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাকাল্টির স্নাতক স্তরের নাছোড়বান্দা ছাত্ররা ব্লু আর্থ ওয়ার্কশপের সামনে চাদর টাঙিয়ে দেখিয়েছিলেন বুদ্ধ ইন আ ট্রাফিক জ্যাম। ফিল্মের প্রদর্শন বন্ধ করতে না পেরে এই অসহিষ্ণুর দল সেদিন পাগলের মতো আচরণ করেছিল। পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রীর গাড়িতে লাথি মেরে, পরিচালকের গায়ে থুতু দিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিল। শেষে বঙ্গবাসী কলেজের অধ্যাপক দেবাশিস চৌধুরীকে ধরে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর অপরাধ ‘থিঙ্ক ইন্ডিয়া’ নামে ছাত্রদের যে সংগঠন এই স্ক্রিনিংয়ের আয়োজন করেছিল তিনি তাদের মেন্টর ছিলেন। সেই অপরাধে ‘বহিরাগত’ অধ্যাপককে একটি মিথ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই অসহিষ্ণু দলের আদর্শের ভিত এতটাই ঠুনকো যে তারা ভয় পায়, যে ছাত্রছাত্রীরা এরকম ছবি দেখলে তাদের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে।
সেদিন দেখা গিয়েছিল চলচ্চিত্র প্রদর্শনের সময় একদল লোক সেখানে ঢুকল। যাদের সামনে ছিলেন পঞ্চাশোর্ধ্ব কয়েকজন। একজন পরিণত বয়স্কা একটি হ্যান্ড মাইক হাতে প্রদর্শনস্থলে চিৎকার করছেন। বাবুল সুপ্রিয়কে চুল টানা, জামা ছিঁড়ে দেওয়া কিছু কমবয়সি ছেলের কাজ ভাবলে, তাঁদের মদতদাতাদের পাপকে লঘু করা হবে। হ্যান্ড মাইক হাতে ওই ভদ্রমহিলা—যাঁরা বাম জমানায় নিরন্তর তরুণ মনগুলোকে একটিমাত্র মত ছাড়া সবকিছুকে মেরে থেঁতলে দেওয়ার পাঠ দিয়েছেন, যাঁদের ‘পার্টি ক্লাস’ শুনে রানা বসু তদানীন্তন উপাচার্যকে হত্যা করেছিলেন—সেই পরিণত বুদ্ধির মানুষগুলি সমানভাবে দায়ী। দায়িত্ব থেকে যায় সেইসব সংবাদ মাধ্যমেরও যারা তাদের সুপরিণত বাণিজ্যিক বুদ্ধিতে এই ‘নুইসেন্স ভ্যালু’কে টিআরপি বাড়ানোর কাজে লাগান।
রবীন্দ্রনাথ গান্ধারীর আবেদনে বলেছিলেন—‘‘অধর্মের মধুমাখা বিষফল তুলি/আনন্দে নাচিছে পুত্র; স্নেহ মোহে ভুলি/ সে ফল দিয়ো না তারে ভোগ করিবারে;/কেড়ে লও, ফেলে দাও, কাঁদাও তাহারে।’’ ছাত্রছাত্রীদের প্রকৃত স্বার্থে এই মধুমাখা বিষফল হাত থেকে টেনে ফেলে দেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন। আজও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ের শারীরিক হেনস্তায় যে শতাধিক ছাত্রছাত্রী সমবেত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজনের মস্তিষ্কেই ওই অদম্য অসহিষ্ণুতা ঢোকাতে পেরেছে ওই অতি বামপন্থীরা। বাকিরা কেউ ভয়ে, কেউ বিপ্লবের স্টেটাস সিম্বল গায়ে লাগাতে আর বেশিরভাগই বন্ধুকৃত্য করতেই এই অশোভন কাজের সঙ্গে ছিলেন। এর জন্য অবশ্যই দায়ী যাদবপুরের মেরুদণ্ডহীন কর্তৃপক্ষ। যে মানুষটির শালগাছের মতো মেরুদণ্ড ছিল সেই উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তীকে সমর্থন করার সাহস হয়নি রাজনৈতিক নেতৃত্বের।
আমার মতো হাজার হাজার প্রাক্তন ছাত্রের কাছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় তীর্থক্ষেত্র। প্রযুক্তিবিদ্যায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর থেকে পিএইচ-ডি, সবটুকু পাঠই এখান থেকে। দেবদুর্লভ হৃদয়ের, অসামান্য পণ্ডিত অধ্যাপকদের সান্নিধ্য পেয়েছি। এঁরা কত বড় মাপের মানুষ তা গ্রামের দরিদ্র পরিবার থেকে এসেছিলাম বলে আরও গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি। আজও গবেষণার কাজে বিশ্ববিদ্যালয় পরিসরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। প্রযুক্তিবিদ্যা বা বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিভাগের (সাহিত্য আর সমাজবিজ্ঞানেরও নিশ্চয় আছেন) যাদবপুরের ছাত্রছাত্রীদের পৃথিবীর নামকরা প্রতিষ্ঠানে দেখে গর্ব হয়। যে-কোনও জায়গায় যাদবপুরের কোনও প্রাক্তনীকে পেলে পরমাত্মীয় বোধহয়। কিন্তু, বিগত তিন দশক ধরে বিশ্ববিদ্যালয় পরিসরে বার বার এই অসহিষ্ণুতা দেখে মন ভারাক্রান্ত হয়েছে। বিদেশি প্রভুদের দাসত্ব থেকে চিন্তা মননের মুক্তির জন্যই তো ঋষি অরবিন্দের মতো মনীষীরা ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশন’ তৈরি করেছিলেন, যেখানে সব মতের সব ভাবনার জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা হবে। সেই তীর্থক্ষেত্রের আজ এ কী অবস্থা! নিজের মতের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এ কোন বর্বর পন্থা?
একটা জিনিস মনে রাখা প্রয়োজন অতি বামপন্থীরা কোনোভাবে ছাত্র সংসদে টিকে আছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়টা তাদের নয়। গত ১৯ সেপ্টেম্বর যারা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে সংঘবদ্ধভাবে বাবুল সুপ্রিয়কে শারীরিক নির্যাতন করেছেন, অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন—যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কেবল তাঁদের সম্পত্তি নয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় সম্পত্তি। যেসব ছেলেমেয়ে অনেক কষ্ট করে ভারতের অন্যতম বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে কেবল পড়াশোনা করতে এসেছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয় পরিসরটা তাঁদেরও। পশ্চিমবঙ্গের যে কৃষক, যে দিন মজুর, যে শ্রমিক কর দেন, যাঁদের ছেলেমেয়েরা কখনও হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে আসবে না, এই বিশ্ববিদ্যালয় তাঁদেরও। বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যেক শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক, সম্মাননীয় কর্মচারী, গবেষক আর পাঠাগারে আসা সকলের। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সকল প্রাক্তন অধ্যাপিকা-অধ্যাপকের, প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রী—সকলের। যে আলিদা প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে চা দিতেন, যে বিজনদা ব্লু আর্থ ওয়ার্কশপে কারিগর ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর তাঁদেরও অধিকার আছে। আমাদের সকলের কাছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় মায়ের মতো। মায়ের গায়ে কেউ যদি কালি লাগাতে চায় তবে সকলের বুকেই বেদনা হয়। আজ বোধহয় সময় এসেছে, সমবেতভাবে এই অসহিষ্ণুতার প্রতিবাদ করার। অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেনের ঋণ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় হয়তো কখনও শোধ করতে পারবে না কিন্তু তাঁর পতাকা বহন করার শক্তি আমাদের অর্জন করতেই হবে।
 লেখক কলকাতায় সাহা ইনস্টিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্স-এ কর্মরত  
23rd  September, 2019
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

মাদ্রিদ: রিয়াল মাদ্রিদের লিগ জয় কার্যত নিশ্চিত। অঘটন না ঘটলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই খেতাব জিতবে জিনেদিন জিদান-ব্রিগেড। লিগ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে ...

  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৭৭০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,২২০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৭,৯৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫১,২২০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫১,৩৩০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
12th  July, 2020

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
১২ আগস্ট থেকে বন্ধ তারাপীঠ মন্দির
করোনা মোকাবিলায় কৌশিকী অমাবস্যার সময় লোক সমাগম রোধে ১২ আগস্ট ...বিশদ

01:53:16 PM

কেতুগ্রামে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত অন্তঃসত্ত্বা মহিলা 
কেতুগ্রামে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর। মৃতের নাম ...বিশদ

01:14:00 PM

আজ দ্বাদশ শ্রেণীর ফল প্রকাশ করল সিবিএসই 
আজ সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণীর ফল ঘোষণা করা হল। সর্বমোট পাশের ...বিশদ

01:11:00 PM

করোনা: কোন রাজ্যে কত আক্রান্ত?  
ভারতে এখনও পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ...বিশদ

12:51:31 PM

নেপালে বন্যা ও ধসে মৃত ৬০ 
নেপালে বন্যা ও ধসে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৬০ জনের। নিখোঁজ ...বিশদ

12:35:16 PM

মোবাইল নিয়ে বচসা, পাণ্ডুয়ায় স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে
মোবাইল নিয়ে বচসা। আর তার জেরেই খুন হতে হল এক ...বিশদ

12:26:33 PM