Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর মুখে
শুভা দত্ত

পরের শনিবার মহালয়া। কিন্তু, এর মধ্যেই চারদিকে পুজো পুজো গন্ধটা যেন বেশ ঘনিয়ে উঠেছে। মনে আছে কয়েক দশক আগেও এই সময়টায় কলকাতা বা তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অনেকের বাড়ির উঠোন থেকেই শরৎ এলেই শিউলির গন্ধ ভেসে আসত। কারণ, তখনও এই মহানগরীর অনেক বাড়িতেই উঠোন ছিল, ছিল গাছগাছালি। তার মধ্যে শিউলিও থাকত। আজ এই ২০১৯ সালের প্রোমোটারি হাইরাইজ ভরা মল কালচারের কলকাতায় বসে সে দৃশ্য অবিশ্বাস্য লাগলেও একদিন সত্যি ছিল এবং সে দিনটা এখনও খুব দূরে চলে যায়নি। শুধু তাই নয়, তখন শহর ছেড়ে একটু বেরলেই দিগন্তজোড়া মাঠের মধ্যে মধ্যে দেখা যেত কাশফুলের ঝাড় হাওয়ায় দুলছে। নীল আকাশে সাদা মেঘের দল আর তার নীচে ঢেউ খেলানো কাশের বন বুঝিয়ে দিত—মা আসছেন, আমাদের সংবৎসরের আনন্দ আসছে। আজ যেখানে ই এম বাইপাস, কোটি কোটির চোখ-ধাঁধানো ঘরবাড়ি, হোটেল, রেস্তরাঁ, সেখানে মাত্র দশক দেড়েক আগেও দিগন্তজোড়া মাঠ বা জলার ধারে তেমন কাশের বাহার মন ভোলাত—আজ সে দৃশ্য ভাবাই যায় না!
তবু, এই সময়টায় প্রকৃতিতে কী যেন একটা পরিবর্তন আজও ঘটে যায়! সত্যিই ঘটে না আমাদের আমুদে উৎসব প্রিয় বাঙালি মন ঘটিয়ে তোলে জানা নেই—তবে কিছু একটা ঘটে অবশ্যই। আর তার জেরে আমাদের নিত্যদিনের মনখারাপগুলো আমাদের অভাব অভিযোগ ক্ষোভ সব কেমন দূরে সরে যেতে থাকে, মনটা হাঁফ ছাড়ার জন্য কেমন যেন আকুলিবিকুলি শুরু করে! এবং তার পাশাপাশি কাজের চাপ থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার ইচ্ছেটাও যেন চাগাড় দিয়ে ওঠে বাঙালি মনে। ফলে, পুজোর সেই অমূল্য দিনগুলো যত এগিয়ে আসতে থাকে ঘরে-বাইরে সর্বত্র একটা ছুটির আমেজও যেন ক্রমশ ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। মানুষজনের কথায় কাজে সেটা বেশ ধরাও পড়ে যায়। এবারও, এত এত বছর পর এত এত পরিবর্তনের মধ্যেও সে ছুটির ডাকে ব্যতিক্রম ঘটেনি! শুধু কি তাই, প্রকৃতিদেবীও মনে হয় আমাদের প্রতি কিছু প্রসন্ন হয়েছেন। তাই হয়তো মাঝে ক’দিন ধুমধাম করে যে বৃষ্টি নামছিল, তার দাপটও অনেকটা কমে যাচ্ছিল। এক আধ পশলা সামান্য ঝিরঝিরে কখনও কোথাও হলেও তা পুজোর আয়োজনে বা মানুষজনের কেনাকাটার আনন্দে বিশেষ বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না। বরং, বিশ্বকর্মা পুজো শেষে আশ্বিন পড়তেই বৃষ্টি মেঘের ফাঁক দিয়ে শরতের ঝলমলে নীল আকাশটা উঁকি দিতে শুরু করেছে। তাতে, পুজো উদ্যোক্তাদের বুকে ঘনিয়ে ওঠা ক’দিন আগের দুশ্চিন্তা যেমন অনেকটা ফিকে হয়েছে তেমনি মানুষজনের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে। এবার দক্ষিণবঙ্গে দেরি করে এসে বর্ষা যেভাবে শুরু করেছিল তাতে মনে হচ্ছিল সে এবার পুজোটা হয়তো কাদা জলে পণ্ড করে ছাড়বে। এখন অনেকসময়েই শরতের ঝকঝকে আকাশ দেখে মানুষজনের মন থেকে সে শঙ্কাও নিশ্চয়ই অনেকটা দূর হয়ে গেছে। দোকানে বাজারে উৎসবমুখর মানুষের ঢল তার প্রমাণ দিচ্ছে। তবে, প্রকৃতিদেবীর খেয়াল বলে কথা। আমাদের যা অত্যাচার তিনি সইছেন, সয়ে আসছেন বছরের পর বছর তাতে তাঁর মাথা মন কতদিন কতটা শান্ত, ঠান্ডা থাকবে তা বোধহয় খোদ বিশ্বকর্তাও বলতে পারেন না, আমরা তো সামান্য মানুষ! তাই, পুজোর দিনগুলো নিয়ে একটা হালকা চিন্তা থেকে যায় বইকি।
তবে সে চিন্তার চেয়ে তো এখন বড় চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনীতি—পুজোর মুখে রাজ্যে এমন হইহই রাজনীতি, এমন একটা ডামাডোল পরিস্থিতি—সাধারণের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে নাকি? পুজোর মুখে কোথায় সবদিক ঠিকঠাক থাকবে, মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুরবে ফিরবে কেনাকাটা খাওয়া-দাওয়া করবে, প্যান্ডেল আলো মাইক প্রতিমা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, তা না হাঙ্গামা পুলিস মিছিল পাল্টা মিছিল সিবিআই খোঁজাখুঁজি যানজট তর্ক-বিতর্কে উত্তাল এবং কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন। ক’দিন আগে এই রাজনৈতিক চাপান-উতোরের শুরুটা হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে হেফাজতে নিতে সিবিআই অভিযানের মধ্য দিয়ে। কলকাতার সিবিআই দিল্লি থেকে আসা স্পেশাল সিবিআই দলে দলে ভাগ হয়ে মহানগরীর আইপিএস মেস থেকে পাঁচতারা হোটেল রিসর্ট মায় তার রান্নাঘর তোলপাড় করে খোঁজা শুরু করলেন রাজীব কুমারকে! টিভিতে তার ধারবাহিক বর্ণনার রোমাঞ্চ পুজোর আনন্দ ক’দিন অনেকটাই চাপা দিয়ে দিল। সকলে রাজীব-সিবিআই এপিসোড নিয়ে পড়লেন!
তার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাত্রা নিয়ে শুরু হল আর একপ্রস্থ রাজনৈতিক তরজা। সিপিএম, কংগ্রেস সমেত বিরেধীরা মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে নানা কটুকাটব্য ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে আসর মাতিয়ে তুললেন। আর তারপরই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল-কাণ্ড। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি’র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে যাদবপুরের একদল ছাত্রছাত্রীর প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। অভিযোগ, গণ্ডগোল ঝামেলার মধ্যে বাবুল শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও রীতিমতো আহত হন, তাঁর জামাও ছিঁড়ে যায়! তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হল ডিজাইনার অগ্নিমিত্রাও! পরে রাজ্যপাল স্বয়ং ঘটনাস্থল থেকে বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করে আনেন। এই ঘটনা নিয়ে অনিবার্যভাবেই শাসক তৃণমূল-বিজেপি’র মধ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতার অনুরোধ উপেক্ষা করে রাজ্যপালের ঘটনাস্থলে যাওয়া উচিত হয়েছে কি হয়নি তা নিয়েও বিতর্ক বেধেছে। আপাতত আমরা সে বিতর্কে
ঢুকছি না।
তবে, এটুকু বলছি, যাদবপুরের ঘটনা চূড়ান্ত অনভিপ্রেত। বাম অতিবাম কী অন্য কেউ—যাঁরাই এই কাণ্ড করে থাকুন তাঁরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বজোড়া সুনামের প্রতি সুবিচার করেননি। বাবুল সুপ্রিয় শত হলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাছাড়া, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ যশস্বী উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকেও তো অস্বস্তিতে পড়তে হল, অসুস্থ হয়ে ভর্তি হতে হল হাসপাতালে। পুজোর মুখে এমন দৃশ্য কি বাংলা বা বাঙালি কারও পক্ষেই সুখকর হল?
তার চেয়ে বড় কথা, ঘটনা তো যাদবপুরেই শেষ হল না। তাই নিয়ে মিছিল, পাল্টা মিছিল, ভাঙচুর, অবস্থান বিক্ষোভ—সব চলল। চলবেও হয়তো আরও! রাজীব কুমারের কী হবে, তাঁকে সিবিআই গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে কি না বা নাকি শেষ অব্দি রণে ভঙ্গ দিয়ে রাজীব-সন্ধানে সাময়িক বিরতি নেবেন গোয়েন্দা কর্তারা—জানা নেই। কিন্তু যাদবপুর নিয়ে যদি জল আরও ঘোলায় তবে বাঙালির পুজোর উৎসবে তার প্রভাব পড়তেই পারে। এমনিতেই আমাদের সমস্যার অন্ত নেই। পুজোর ক’টা দিন সেসব ভুলে থাকতে চান সকলেই। পুজোর ক’টা দিন মানে তো ওই চারটে দিন মাত্র নয়। বিশ্বকর্মা বিসর্জন থেকে জগদ্ধাত্রী—এই সময়টা। কিন্তু, বছরের এই সময়টুকুও যদি রাজনীতির হানাহানি বিতর্ক বিভ্রাট আর
শঙ্কা সংশয়ে ভরে থাকে তবে মানুষ হাঁফ ছাড়বে কোথায়! মুখ্যমন্ত্রী মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে যাঁরা কটাক্ষ করছেন তাঁরাও কি প্রকারান্তরে পুজোর মুখের দিনগুলোকে রাজনীতি ভারাক্রান্ত করে তোলারই ব্যবস্থা করছেন না!
এদিকে উত্তরবঙ্গের ময়নাগুড়িতে একটি মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটার পর জানা যাচ্ছে মানুষটি নাকি এনআরসি’র আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন! এমন আরও কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনার পিছনে এনআরসি’র আতঙ্ক কাজ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো কিছু এলাকায়। অথচ, এই পশ্চিমবঙ্গে আপাতত এনআরসি’র সম্ভাবনা যে নেই সেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন প্রথম থেকেই। দিল্লি থেকে ফিরেও বলেছেন, এ রাজ্যে এনআরসি হতে দেবেন না। তা সত্ত্বেও এমন সব বেদনাদায়ক মৃত্যু কেন? পুজোর মুখে যাঁদের পরিবারে এমন প্রিয়জন হারানোর ঘটনা ঘটল তাঁদের জন্য কোনও সান্ত্বনাই কি যথেষ্ট? কিন্তু, কী আর করা? নিয়তি বলে
মেনে নেওয়া ছাড়া সাধারণ মানুষের আর কী-ই বা করার আছে?
তবে, এনআরসি নয় আসন্ন পুজোয় যাদবপুর বা রাজীব নিয়ে রাজনীতি যেন আর গোল না পাকায় রাজ্যবাসী আপাতত সেই প্রার্থনাই জানাতে চাইছে। কারণ, তথ্যভিজ্ঞ মহলের খবর, অসমে এনআরসি নিয়ে নানা বিতর্ক ওঠার পর মোদিজি অমিতজিরা নাকি এনআরসি নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিচ্ছেন। তাছাড়া, এনআরসি করতে যে বিপুল টাকা লাগছে সে খরচ চলতি মন্দার বাজারে জোগানোও অসুবিধেজনক। তাই, অসমে মহামান্য আদালতের নির্দেশে লাগু এনআরসির যাবতীয় সমস্যা মেটানোর পর অন্য রাজ্যের কথা ভাবা হবে—এমনটাই নাকি সিদ্ধান্ত। একথা বাতাসে উড়ছে, আমজনতার দরবারেও সে বাতাস পৌঁছেছে। তা সত্ত্বেও যে এনআরসি আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না—প্রান্তিক মানুষের ঘরে মর্মান্তিক আত্মহননের ঘটনা কি সেটাই বলছে না? অথচ, এই আতঙ্কের অবশ্য তেমন কোনও পোক্ত ভিত্তি এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, গোটাটাই তৈরি হচ্ছে গুজব ও এক ধরনের অতিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা এনআরসি নিয়ে এই গুজব ও অতিরঞ্জনে লাগাম টানার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন। এবং সেসবে কান না দিতেও অনুরোধ জানিয়েছেন।
যাই হোক, পুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র ক’টা দিন—তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার আরাধনায় মত্ত বাঙালির উৎসব যাপন। আমাদের বিশ্বাস, সেই উৎসবের আনন্দ কোলাহলে আলোর বন্যায় জনস্রোতে ক’দিনের জন্য হলেও এনআরসি হোক কি যাদবপুর কি সারদা নারদা রাজীব কুমার—সব তলিয়ে যাবে। চিহ্নমাত্র থাকবে না। এতদিন তাই হয়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
অতএব, মাভৈঃ।
22nd  September, 2019
বাংলার দুর্ভাগ্য
সমৃদ্ধ দত্ত

এত বড় একটা সাইক্লোনে একটি রাজ্যের বৃহৎ অংশ একপ্রকার বিধ্বস্ত হয়ে গেল, অথচ গোটা দেশের কোনও দোলাচল নেই? প্রথমদিন ট্যুইটারে সমবেদনা জানিয়েই সকলে যে যার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে গেল? কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজ্যটাকে পুনরায় মাথা তুলে দাঁড়ানোর কোনও দৃপ্ত সহায়তা প্রতিজ্ঞাও তো দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
বিশদ

ভাবুন, সুন্দরবন নেই আর উম-পুন
বয়ে গিয়েছে কলকাতার উপর দিয়ে!
হারাধন চৌধুরী

ভাঙা যায়নি অনুন্নয়নের ট্র্যাডিশন। সামান্য উন্নয়নেও তীব্র বৈষম্য। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা। চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যাও ক্রমবর্ধমান। পরিণামে কোটি কোটি মানুষ কাজের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন শত শত মাইল দূরে—চরম অনিশ্চয়তা আর বিপদকে সঙ্গী করে। অন্যদিকে, সঙ্কীর্ণ রাজনীতির বোড়ে হয়ে উঠেছেন দেশবাসীর প্রায় সকলে।
বিশদ

28th  May, 2020
‘আত্মসম্মান’ খ্যাত এক ভাঁড়ের রসিকতা
সন্দীপন বিশ্বাস 

অন্য দেশের রাজাদের মতো হবুরও আছে বিদূষক। অনেক বিদূষক তাঁর। তাঁদের তিনি ছড়িয়ে রেখেছেন বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে। তাঁরা সেই সব রাজ্যের প্রপালক। তাঁদের কাজ হল মহারাজ হবুর মুৎসুদ্দি করা। আর নানা ধরনের মন্তব্য করে অঙ্গরাজ্যের জনগণকে আনন্দ বিতরণ করা।  বিশদ

27th  May, 2020
মানবিকতার উপর
বিশ্বাসটা যেন রাখতে পারি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

একটা ঝড়... যা পথে বসিয়েছিল সরযূ মণ্ডলকে। জানতেও পারেননি, কোথায় উড়ে গিয়ে পড়েছিল তাঁর ছাদটা। কিন্তু সে দুঃখ ছাপিয়ে গিয়েছিল এক অন্য আতঙ্ক... নির্জলা মরতে হবে না তো? জলেই তার বসত, অথচ সে জল মুখে দেওয়া যায় না... তেষ্টা মেটে না।   বিশদ

26th  May, 2020
ব্যয় করো, ঋণ করো, টাকার জোগান বাড়াও 

পি চিদম্বরম: প্রধানমন্ত্রী গত ১২ মে ২০ লক্ষ কোটি টাকার যে স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করেছিলেন, গত সপ্তাহে আমি সেটার বিশ্লেষণ করেছিলাম। বিগত সপ্তাহে অর্থমন্ত্রী পাঁচ দফায় বিস্তারিতভাবে যে ঘোষণা করেছিলেন বিশেষজ্ঞ এবং অর্থনীতিবিদরা পরে সেসব কাটাছেঁড়া করেছেন।   বিশদ

25th  May, 2020
মহামারীর সঙ্গে মহাপ্রলয়,
তবু বাংলা জিতবেই
হিমাংশু সিংহ

ইতিহাসের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলা। আমাদের বঙ্গভূমি। দেশভাগ, মন্বন্তর, বন্যা, মহামারী কিছুই আমাদের জীবনীশক্তিকে নিঃশেষ করতে পারেনি। ভেঙে গিয়েও আবার ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছি আমরা। নতুন ভোরের স্বপ্নে শুরু হয়েছে ফের পথ চলা।
বিশদ

24th  May, 2020
আত্মকেন্দ্রিক হোন,
কিন্তু স্বার্থপর নয়
তন্ময় মল্লিক

 করোনাকে নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু এমনটাই জানিয়ে দিয়েছে। হু-এর এই ঘোষণার পিছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে। চীন, জাপান, আমেরিকা, জার্মানি, ইতালি, ইজরায়েল যাই দাবি করুক না কেন, বাস্তবটা হল, করোনা ভ্যাকসিন নাগালের ধারেকাছে নেই।
বিশদ

23rd  May, 2020
করোনা প্যাকেজের অশ্বডিম্ব!
মৃণালকান্তি দাস

 প্রায় সাড়ে ৮ হাজার কোটির বিলাসবহুল বিমানের খবরটাই গিলে খেয়ে নিয়েছে করোনা সঙ্কট! খবরটা কী? এতদিন বোয়িং ৭৪৭ বিমানে বিদেশ সফরে যেতেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খুব শীঘ্রই এর জায়গা নিতে আসছে বোয়িং ৭৭৭।
বিশদ

22nd  May, 2020
সুযোগের সদ্ব্যবহারে
কতটা প্রস্তুত ভারত
হারাধন চৌধুরী

 জলে কুমির ডাঙায় বাঘের এমন জলজ্যান্ত দৃষ্টান্ত স্মরণকালের মধ্যে আমরা দেখিনি। শুধু বাংলা বা ভারত নয়, সারা পৃথিবীর জন্যই এ এক অনন্য অভিজ্ঞতা। রোগ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে সবাই ঘরের নিরাপদ কোণ বেছে নিলাম।
বিশদ

21st  May, 2020
আত্মনির্ভরতার স্টিকার
মারা ‘খুড়োর কল’
সন্দীপন বিশ্বাস

সুকুমার রায়ের ‘খুড়োর কল’ কবিতার সঙ্গে বাঙালির দীর্ঘদিনের পরিচয়। চণ্ডীদাসের খুড়োর সেই আজব কল ছিল একটা ভাঁওতা। ভালো ভালো খাবারের লোভ দেখিয়ে মানুষকে তা ছুটিয়ে মারত। মরীচিকার মতো অবাস্তব এবং বিরাট একটা ধাপ্পা ছিল ওই খুড়োর কল।
বিশদ

20th  May, 2020
গালভরা প্যাকেজ,
দেশ বাঁচবে তো?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 ঊষা জগদালে। মহারাষ্ট্রের বিদ জেলায় বাড়ি তাঁর। রোজ সকালে যখন পরিবারকে ঘরের চার দেওয়ালের মধ্যে ছেড়ে দরজার বাইরে পা রাখেন, তখনও ঠিকঠাক জানেন না, কোন বিদ্যুতের খুঁটিতে তাঁকে উঠতে হবে। তবে জানেন, কাজের চৌহদ্দির মধ্যে কোথাও সমস্যা হলে তাঁরই ডাক পড়বে।
বিশদ

19th  May, 2020
২০ লক্ষ কোটি টাকার রহস্য কাহিনী
পি চিদম্বরম

চলতি অর্থবর্ষে ৩০ লক্ষ ৪২ হাজার ২৩০ কোটি টাকা খরচ করার পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ২০২০-২১-এর বাজেট পেশ করেছিল। ৭ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রাজস্বের দিকের ঘাটতি মেটাবে সরকার।
বিশদ

18th  May, 2020
একনজরে
ওয়াশিংটন, ২৮ মে: ‘তথ্য যাচাই’ (ফ্যাক্ট চেক) নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ট্যুইটারের লড়াই অন্য মাত্রা পেল। বুধবার ট্রাম্প জানান, কৃতকর্মের জন্য শাস্তি পেতে ...

নয়াদিল্লি, ২৮ মে (পিটিআই): ভিসার শর্ত অমান্য করে করোনার দাপটের মধ্যে নিজামুদ্দিনের ধর্মীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ২৯৪ জন বিদেশির বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিস নতুন করে আরও ১৫টি চার্জশিট জমা দেবে। ...

সংবাদদাতা, দিনহাটা: করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে এবার আইসোলেশন ওয়ার্ড চালুর উদ্যোগ নিল কোচবিহার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। জুন মাসের মধ্যেই ১৫-২০টি বেডের আইসোলেশন ওয়ার্ড করা হবে।   ...

  নয়াদিল্লি, ২৮ মে: কর্মীরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়ায় তামিলনাড়ুতে উৎপাদন কেন্দ্র বন্ধ করল মোবাইল প্রস্তুতকারী সংস্থা নোকিয়া। তামিলনাড়ুর শ্রীপেরুম্বুদুরের ওই প্ল্যান্টে গত সপ্তাহ থেকেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় সাফল্যও হতাশা দুই বর্তমান। নতুন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠবে। কর্মপ্রার্থীদের শুভ যোগ আছে। কর্মক্ষেত্রের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৬৫—প্রবাসী, মডার্ন রিভিউয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম।
১৯৫৩—প্রথম এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করলেন তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি
১৯৫৪—অভিনেতা পঙ্কজ কাপুরের জন্ম।
১৯৭২—অভিনেতা পৃথ্বীরাজ কাপুরের মৃত্যু।
১৯৭৭—ভাষাবিদ সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু।
১৯৮৭—ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরি চরণ সিংয়ের মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৫.০১ টাকা ৭৬.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৯১.৩২ টাকা ৯৪.৫৭ টাকা
ইউরো ৮১.৯৯ টাকা ৮৫.০৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪১,৮৮০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৯,৭৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪০,৩৩০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
22nd  March, 2020

দিন পঞ্জিকা

১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী ৪২/২৯ রাত্রি ৯/৫৬। অশ্লেষানক্ষত্র ৫/৫ দিবা ৬/৫৮। সূর্যোদয় ৪/৫৬/৬, সূর্যাস্ত ৬/১১/৫৫। অমৃতযোগ দিবা ১২/০ গতে ২/৩৯ মধ্যে। রাত্রি ৮/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/৩৮ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩০ গতে উদয়াবধি। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৪ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫২ গতে ১০/১৩ মধ্যে।
১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৯ মে ২০২০, শুক্রবার, সপ্তমী রাত্রি ৭/৩। মঘানক্ষত্র রাত্রি ৩/৩৬। সূর্যোদয় ৪/৫৬, সূর্যাস্ত ৬/১৪। অমৃতযোগ দিবা ১২/৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৮/২৭ মধ্যে ও ১২/৪০ গতে ২/৪৮ মধ্যে ও ৩/৩০ গতে ৪/৫৬ মধ্যে। বারবেলা ৮/১৫ গতে ১১/৩৫ মধ্যে। কালরাত্রি ৮/৫৪ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ শওয়াল

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
করোনায় আক্রান্ত প্রখ্যাত জ্যোতিষি বেজান দারুওয়ালার মৃত্যু 
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল বিশ্ব বিখ্যাত জ্যোতিষি বেজান দারুওয়ালার। ...বিশদ

07:04:38 PM

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত আরও ২৭৭  
রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৭৭ জনের শরীরে মিলল করোনা ...বিশদ

06:52:35 PM

কেরলে করোনায় আক্রান্ত আরও ৬২ জন, রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১,১৫০ 

06:34:52 PM

টালিগঞ্জে গাড়ির ধাক্কায় ভেঙে পোস্টের ঘায়ে মৃত্যু দমকল কর্মীর 
গাড়ির ধাক্কায় ভেঙে পড়া পোস্টের আঘাতে মৃত্যু হল দমকল কর্মীর। ...বিশদ

05:38:30 PM

খড়্গপুরে মাস্ক না পড়ে বেরোলে ১০০ টাকা জরিমানা করা হবে 
করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল খড়্গপুর পুরসভা। এবার থেকে ...বিশদ

05:34:16 PM

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ৫০ লক্ষ টাকা এবং প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী তাঁর এক মাসের পেনশন ত্রাণ তহবিলে দান করেছেন, আমরা তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞ: মমতা

05:16:52 PM