Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

পুজোর মুখে
শুভা দত্ত

পরের শনিবার মহালয়া। কিন্তু, এর মধ্যেই চারদিকে পুজো পুজো গন্ধটা যেন বেশ ঘনিয়ে উঠেছে। মনে আছে কয়েক দশক আগেও এই সময়টায় কলকাতা বা তার পার্শ্ববর্তী এলাকার অনেকের বাড়ির উঠোন থেকেই শরৎ এলেই শিউলির গন্ধ ভেসে আসত। কারণ, তখনও এই মহানগরীর অনেক বাড়িতেই উঠোন ছিল, ছিল গাছগাছালি। তার মধ্যে শিউলিও থাকত। আজ এই ২০১৯ সালের প্রোমোটারি হাইরাইজ ভরা মল কালচারের কলকাতায় বসে সে দৃশ্য অবিশ্বাস্য লাগলেও একদিন সত্যি ছিল এবং সে দিনটা এখনও খুব দূরে চলে যায়নি। শুধু তাই নয়, তখন শহর ছেড়ে একটু বেরলেই দিগন্তজোড়া মাঠের মধ্যে মধ্যে দেখা যেত কাশফুলের ঝাড় হাওয়ায় দুলছে। নীল আকাশে সাদা মেঘের দল আর তার নীচে ঢেউ খেলানো কাশের বন বুঝিয়ে দিত—মা আসছেন, আমাদের সংবৎসরের আনন্দ আসছে। আজ যেখানে ই এম বাইপাস, কোটি কোটির চোখ-ধাঁধানো ঘরবাড়ি, হোটেল, রেস্তরাঁ, সেখানে মাত্র দশক দেড়েক আগেও দিগন্তজোড়া মাঠ বা জলার ধারে তেমন কাশের বাহার মন ভোলাত—আজ সে দৃশ্য ভাবাই যায় না!
তবু, এই সময়টায় প্রকৃতিতে কী যেন একটা পরিবর্তন আজও ঘটে যায়! সত্যিই ঘটে না আমাদের আমুদে উৎসব প্রিয় বাঙালি মন ঘটিয়ে তোলে জানা নেই—তবে কিছু একটা ঘটে অবশ্যই। আর তার জেরে আমাদের নিত্যদিনের মনখারাপগুলো আমাদের অভাব অভিযোগ ক্ষোভ সব কেমন দূরে সরে যেতে থাকে, মনটা হাঁফ ছাড়ার জন্য কেমন যেন আকুলিবিকুলি শুরু করে! এবং তার পাশাপাশি কাজের চাপ থেকে সাময়িক বিরতি নেওয়ার ইচ্ছেটাও যেন চাগাড় দিয়ে ওঠে বাঙালি মনে। ফলে, পুজোর সেই অমূল্য দিনগুলো যত এগিয়ে আসতে থাকে ঘরে-বাইরে সর্বত্র একটা ছুটির আমেজও যেন ক্রমশ ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ে। মানুষজনের কথায় কাজে সেটা বেশ ধরাও পড়ে যায়। এবারও, এত এত বছর পর এত এত পরিবর্তনের মধ্যেও সে ছুটির ডাকে ব্যতিক্রম ঘটেনি! শুধু কি তাই, প্রকৃতিদেবীও মনে হয় আমাদের প্রতি কিছু প্রসন্ন হয়েছেন। তাই হয়তো মাঝে ক’দিন ধুমধাম করে যে বৃষ্টি নামছিল, তার দাপটও অনেকটা কমে যাচ্ছিল। এক আধ পশলা সামান্য ঝিরঝিরে কখনও কোথাও হলেও তা পুজোর আয়োজনে বা মানুষজনের কেনাকাটার আনন্দে বিশেষ বিঘ্ন ঘটাচ্ছে না। বরং, বিশ্বকর্মা পুজো শেষে আশ্বিন পড়তেই বৃষ্টি মেঘের ফাঁক দিয়ে শরতের ঝলমলে নীল আকাশটা উঁকি দিতে শুরু করেছে। তাতে, পুজো উদ্যোক্তাদের বুকে ঘনিয়ে ওঠা ক’দিন আগের দুশ্চিন্তা যেমন অনেকটা ফিকে হয়েছে তেমনি মানুষজনের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে। এবার দক্ষিণবঙ্গে দেরি করে এসে বর্ষা যেভাবে শুরু করেছিল তাতে মনে হচ্ছিল সে এবার পুজোটা হয়তো কাদা জলে পণ্ড করে ছাড়বে। এখন অনেকসময়েই শরতের ঝকঝকে আকাশ দেখে মানুষজনের মন থেকে সে শঙ্কাও নিশ্চয়ই অনেকটা দূর হয়ে গেছে। দোকানে বাজারে উৎসবমুখর মানুষের ঢল তার প্রমাণ দিচ্ছে। তবে, প্রকৃতিদেবীর খেয়াল বলে কথা। আমাদের যা অত্যাচার তিনি সইছেন, সয়ে আসছেন বছরের পর বছর তাতে তাঁর মাথা মন কতদিন কতটা শান্ত, ঠান্ডা থাকবে তা বোধহয় খোদ বিশ্বকর্তাও বলতে পারেন না, আমরা তো সামান্য মানুষ! তাই, পুজোর দিনগুলো নিয়ে একটা হালকা চিন্তা থেকে যায় বইকি।
তবে সে চিন্তার চেয়ে তো এখন বড় চিন্তা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনীতি—পুজোর মুখে রাজ্যে এমন হইহই রাজনীতি, এমন একটা ডামাডোল পরিস্থিতি—সাধারণের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে নাকি? পুজোর মুখে কোথায় সবদিক ঠিকঠাক থাকবে, মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুরবে ফিরবে কেনাকাটা খাওয়া-দাওয়া করবে, প্যান্ডেল আলো মাইক প্রতিমা নিয়ে ব্যস্ত থাকবে, তা না হাঙ্গামা পুলিস মিছিল পাল্টা মিছিল সিবিআই খোঁজাখুঁজি যানজট তর্ক-বিতর্কে উত্তাল এবং কিছুটা হলেও উদ্বিগ্ন। ক’দিন আগে এই রাজনৈতিক চাপান-উতোরের শুরুটা হল কলকাতার প্রাক্তন পুলিস কমিশনার রাজীব কুমারকে হেফাজতে নিতে সিবিআই অভিযানের মধ্য দিয়ে। কলকাতার সিবিআই দিল্লি থেকে আসা স্পেশাল সিবিআই দলে দলে ভাগ হয়ে মহানগরীর আইপিএস মেস থেকে পাঁচতারা হোটেল রিসর্ট মায় তার রান্নাঘর তোলপাড় করে খোঁজা শুরু করলেন রাজীব কুমারকে! টিভিতে তার ধারবাহিক বর্ণনার রোমাঞ্চ পুজোর আনন্দ ক’দিন অনেকটাই চাপা দিয়ে দিল। সকলে রাজীব-সিবিআই এপিসোড নিয়ে পড়লেন!
তার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি যাত্রা নিয়ে শুরু হল আর একপ্রস্থ রাজনৈতিক তরজা। সিপিএম, কংগ্রেস সমেত বিরেধীরা মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে নানা কটুকাটব্য ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে আসর মাতিয়ে তুললেন। আর তারপরই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল-কাণ্ড। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গেরুয়া শিবিরের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি’র একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে যাদবপুরের একদল ছাত্রছাত্রীর প্রবল ক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। অভিযোগ, গণ্ডগোল ঝামেলার মধ্যে বাবুল শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও রীতিমতো আহত হন, তাঁর জামাও ছিঁড়ে যায়! তাঁর সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হল ডিজাইনার অগ্নিমিত্রাও! পরে রাজ্যপাল স্বয়ং ঘটনাস্থল থেকে বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করে আনেন। এই ঘটনা নিয়ে অনিবার্যভাবেই শাসক তৃণমূল-বিজেপি’র মধ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতার অনুরোধ উপেক্ষা করে রাজ্যপালের ঘটনাস্থলে যাওয়া উচিত হয়েছে কি হয়নি তা নিয়েও বিতর্ক বেধেছে। আপাতত আমরা সে বিতর্কে
ঢুকছি না।
তবে, এটুকু বলছি, যাদবপুরের ঘটনা চূড়ান্ত অনভিপ্রেত। বাম অতিবাম কী অন্য কেউ—যাঁরাই এই কাণ্ড করে থাকুন তাঁরা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্বজোড়া সুনামের প্রতি সুবিচার করেননি। বাবুল সুপ্রিয় শত হলেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাছাড়া, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ যশস্বী উপাচার্য সুরঞ্জন দাসকেও তো অস্বস্তিতে পড়তে হল, অসুস্থ হয়ে ভর্তি হতে হল হাসপাতালে। পুজোর মুখে এমন দৃশ্য কি বাংলা বা বাঙালি কারও পক্ষেই সুখকর হল?
তার চেয়ে বড় কথা, ঘটনা তো যাদবপুরেই শেষ হল না। তাই নিয়ে মিছিল, পাল্টা মিছিল, ভাঙচুর, অবস্থান বিক্ষোভ—সব চলল। চলবেও হয়তো আরও! রাজীব কুমারের কী হবে, তাঁকে সিবিআই গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাবে কি না বা নাকি শেষ অব্দি রণে ভঙ্গ দিয়ে রাজীব-সন্ধানে সাময়িক বিরতি নেবেন গোয়েন্দা কর্তারা—জানা নেই। কিন্তু যাদবপুর নিয়ে যদি জল আরও ঘোলায় তবে বাঙালির পুজোর উৎসবে তার প্রভাব পড়তেই পারে। এমনিতেই আমাদের সমস্যার অন্ত নেই। পুজোর ক’টা দিন সেসব ভুলে থাকতে চান সকলেই। পুজোর ক’টা দিন মানে তো ওই চারটে দিন মাত্র নয়। বিশ্বকর্মা বিসর্জন থেকে জগদ্ধাত্রী—এই সময়টা। কিন্তু, বছরের এই সময়টুকুও যদি রাজনীতির হানাহানি বিতর্ক বিভ্রাট আর
শঙ্কা সংশয়ে ভরে থাকে তবে মানুষ হাঁফ ছাড়বে কোথায়! মুখ্যমন্ত্রী মমতার দিল্লি যাত্রা নিয়ে যাঁরা কটাক্ষ করছেন তাঁরাও কি প্রকারান্তরে পুজোর মুখের দিনগুলোকে রাজনীতি ভারাক্রান্ত করে তোলারই ব্যবস্থা করছেন না!
এদিকে উত্তরবঙ্গের ময়নাগুড়িতে একটি মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটার পর জানা যাচ্ছে মানুষটি নাকি এনআরসি’র আতঙ্কে আত্মঘাতী হয়েছেন! এমন আরও কয়েকটি মৃত্যুর ঘটনার পিছনে এনআরসি’র আতঙ্ক কাজ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো কিছু এলাকায়। অথচ, এই পশ্চিমবঙ্গে আপাতত এনআরসি’র সম্ভাবনা যে নেই সেটা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন প্রথম থেকেই। দিল্লি থেকে ফিরেও বলেছেন, এ রাজ্যে এনআরসি হতে দেবেন না। তা সত্ত্বেও এমন সব বেদনাদায়ক মৃত্যু কেন? পুজোর মুখে যাঁদের পরিবারে এমন প্রিয়জন হারানোর ঘটনা ঘটল তাঁদের জন্য কোনও সান্ত্বনাই কি যথেষ্ট? কিন্তু, কী আর করা? নিয়তি বলে
মেনে নেওয়া ছাড়া সাধারণ মানুষের আর কী-ই বা করার আছে?
তবে, এনআরসি নয় আসন্ন পুজোয় যাদবপুর বা রাজীব নিয়ে রাজনীতি যেন আর গোল না পাকায় রাজ্যবাসী আপাতত সেই প্রার্থনাই জানাতে চাইছে। কারণ, তথ্যভিজ্ঞ মহলের খবর, অসমে এনআরসি নিয়ে নানা বিতর্ক ওঠার পর মোদিজি অমিতজিরা নাকি এনআরসি নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিচ্ছেন। তাছাড়া, এনআরসি করতে যে বিপুল টাকা লাগছে সে খরচ চলতি মন্দার বাজারে জোগানোও অসুবিধেজনক। তাই, অসমে মহামান্য আদালতের নির্দেশে লাগু এনআরসির যাবতীয় সমস্যা মেটানোর পর অন্য রাজ্যের কথা ভাবা হবে—এমনটাই নাকি সিদ্ধান্ত। একথা বাতাসে উড়ছে, আমজনতার দরবারেও সে বাতাস পৌঁছেছে। তা সত্ত্বেও যে এনআরসি আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না—প্রান্তিক মানুষের ঘরে মর্মান্তিক আত্মহননের ঘটনা কি সেটাই বলছে না? অথচ, এই আতঙ্কের অবশ্য তেমন কোনও পোক্ত ভিত্তি এখনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, গোটাটাই তৈরি হচ্ছে গুজব ও এক ধরনের অতিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা এনআরসি নিয়ে এই গুজব ও অতিরঞ্জনে লাগাম টানার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন। এবং সেসবে কান না দিতেও অনুরোধ জানিয়েছেন।
যাই হোক, পুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র ক’টা দিন—তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার আরাধনায় মত্ত বাঙালির উৎসব যাপন। আমাদের বিশ্বাস, সেই উৎসবের আনন্দ কোলাহলে আলোর বন্যায় জনস্রোতে ক’দিনের জন্য হলেও এনআরসি হোক কি যাদবপুর কি সারদা নারদা রাজীব কুমার—সব তলিয়ে যাবে। চিহ্নমাত্র থাকবে না। এতদিন তাই হয়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
অতএব, মাভৈঃ।
22nd  September, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। বুড়ো হবার সব লক্ষণ একেবারে স্পষ্ট। 
বিশদ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দৃঢ় নীতির
কাছে ভারতের স্বার্থটাই সবার উপরে
অমিত শাহ

 মোদিজির নেতৃত্বাধীন উন্নতশির ভারতের কথা বিবেচনা করে আরসিইপি সদস্য রাষ্ট্রগুলি বেশিদিন আমাদের এড়িয়ে থাকতে পারবে না। তারা আমাদের শর্তে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে রাজি হবে। এর মধ্যে আমরা এফটিএ মারফত আসিয়ান রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্করক্ষায় সফল হয়েছি। আরসিইপি প্রত্যাখ্যান করে চীনের সম্ভাব্য গ্রাস থেকে আমাদের শিল্পকে আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে সুরক্ষা দিতে পেরেছি। আমাদের জন্য ভারতের স্বার্থটাই সবার আগে। বিশদ

13th  November, 2019
ভাষা বিতর্কে জেইই মেনস
শুভময় মৈত্র

পশ্চিমবঙ্গের যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এই ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসেন, তাঁরা মোটামুটি ভালোভাবেই ইংরেজি পড়তে পারেন। তার জন্যে কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল বা বিজেপির কোনও কৃতিত্ব নেই। সারা দেশের মধ্যে বাঙালিরা যে শিক্ষা সংস্কৃতিতে বেশ এগিয়ে আছে সেটা বোঝার জন্যে প্রচুর পরিসংখ্যান আছে, যেগুলো জায়গামতো ছাপা হয় না। বিশেষ করে বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে এরাজ্যের ছেলেমেয়েরা ঐতিহ্যগতভাবে ভালো, ঔপনিবেশিক কারণে ইংরেজিতেও। সেখানে জেইই মেনসের মতো পরীক্ষার প্রশ্ন বাংলায় করতে হবে বলে বাংলার পরীক্ষার্থীদের না গুলিয়ে দেওয়াই মঙ্গল। বিশদ

13th  November, 2019
অস্তাচলে মন্দির রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত 

সালটা ১৯৯২। লালকৃষ্ণ আদবানির ‘রথযাত্রা’ শুরু হওয়ার ঠিক আগের কথা...। কথোপকথন চলছে বিজেপি নেতার সঙ্গে বজরং দলের এক নেতার। ‘বাবরির কলঙ্ক মুছে দিতে পারবে না?’ বজরং দলের সেই নেতা উত্তর দিলেন ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষাতেই তো বসে আছি। 
বিশদ

12th  November, 2019
প্রেমময় শ্রীকৃষ্ণের মধুর রাসলীলা
চিদানন্দ গোস্বামী

বিশারদ সর্ব বিষয়ে। বাঁশিতে, রথ চালনায়, চৌর্যকর্ম, কূটনীতি, যুদ্ধবিদ্যা, ছলচাতুরি—সবকিছুতেই বিশারদ। আর প্রেমপিরিতে তো মহা বিশারদ। এবং, কলহ বিতর্ক বাগযুদ্ধ যুক্তি জাদু, অপমান উপেক্ষা করতেও কম যায় না। অথচ পরমতম প্রেমিক পুরুষ। হ্যাঁ, এমন প্রেম জানে ক’জনা! আর, সেই প্রেমেও কত না কাণ্ড!  
বিশদ

11th  November, 2019
ক্ষমতায় ফিরে আসার লক্ষ্যে কমনিষ্ঠ পার্টি অব মৃত্যুলোকের নয়া পরিকল্পনা
সন্দীপন বিশ্বাস

হাতের চুরুটটা নিভতে নিভতেও আগুন ছুঁয়ে আছে। আর কমরেট প্রমোদিয়েভ ঝিমোতে ঝিমোতেও জেগে আছেন। ওদিকে কমরেট জ্যোতোভস্কি আরাম কেদারায় হেলান দিয়ে টেবিলে পা তুলে দিয়ে টিভি দেখছেন। একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণার দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। এখনও অন্য কমরেটরা আসেননি। 
বিশদ

11th  November, 2019
সবার হাতে কাজ ছাড়া ‘সবকা বিকাশ’ অসম্ভব, মন্দির-মসজিদে তো পেট ভরবে না
হিমাংশু সিংহ

২০১৯ প্রায় শেষের দিকে। নতুন বছর আসতে আর বাকি দেড় মাসের সামান্য বেশি। বছরের শুরুটায় আপামর দেশবাসী মেতেছিল সাধারণ নির্বাচন নিয়ে। পাঁচবছরের জন্য কে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে তা ঘিরে রাজনৈতিক দাপাদাপি আর তরজায় জমজমাট ছিল বছরের শুরুটা। বিশদ

10th  November, 2019
পঞ্চাশোর্ধ্বে বানপ্রস্থ?
অতনু বিশ্বাস

 পঞ্চাশ ছুঁই-ছুঁই হয়ে একটা প্রায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধ ভাব এসেছে আমার মধ্যে। সেটা খুব অস্বাভাবিক হয়তো নয়। এমনিতেই চারপাশের দুনিয়াটা বদলে গিয়েছে অনেক। চেনা-পরিচিত বাচ্চা বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলো হঠাৎ যেন বড় হয়ে গিয়েছে। আমাকে ডাকনাম ধরে ডাকার লোকের সংখ্যাও কমে যাচ্ছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে।
বিশদ

09th  November, 2019
ফজলুর রহমানের উত্থান, ইমরানের মাথাব্যথা
মৃণালকান্তি দাস

ক্ষমতা টলমল পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের! সরকারের অপদার্থতা, ভোটে রিগিং এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পদত্যাগের দাবি তুলেছেন জমিয়াত উলেমা-এ-ইসলামের প্রধান মৌলানা ফজলুর রহমান।  
বিশদ

08th  November, 2019
ঐতিহাসিক নভেম্বর বিপ্লব: ফিরে দেখা
জিষ্ণু বসু

৭ নভেম্বর মধ্যরাত্রে বলশেভিকরা এই ডুমার সদস্যদের হত্যা করে ক্ষমতা দখল করে। ত্রোৎস্কির নেতৃত্বে বলশেভিকদের এই অভিযানে সহায়তা করেছিলেন ‘জার্মান গোল্ড’ দিয়ে কেনা সরকারি আধিকারিক ও সৈনিকদের একাংশ। গণতন্ত্র সমাপ্ত হওয়ার পরে, ৮ নভেম্বর অজ্ঞাতবাস থেকে আত্মপ্রকাশ করেন ভ্লাদিমির ইলিচ উলিওনভ ওরফে লেনিন।
বিশদ

07th  November, 2019
ঘরে ঘরে হানাদার 
শান্তনু দত্তগুপ্ত

উওটার স্লটবুম আমস্টারডামের একটি কাফেতে ঢুকলেন। সঙ্গে একজন ডাচ সাংবাদিক। কাফেতে ওয়াই-ফাই চলছে। স্লটবুম একটি চেয়ার টেনে বসে তাঁর ল্যাপটপটা খুললেন। পাশে ছোট কালো রঙের একটা ডিভাইস।  বিশদ

05th  November, 2019
মর্ত্যলোক থেকে ঘুরে গিয়ে শিবের কাছে রিপোর্ট জমা দিল টিম-দুর্গা
সন্দীপন বিশ্বাস

মর্ত্য থেকে ফিরে প্রতিবারই শিবের কাছে টিম-দুর্গা একটা করে রিপোর্ট জমা দেয়। ‘পিতৃগৃহং পরিক্রমণং সন্দেশম্‌’ ফাইলে সেই রিপোর্ট জমা পড়ে এবং শিব সেই রিপোর্ট পড়ে মর্ত্যধামের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে অবহিত হন। এবারও যথারীতি প্রত্যেকে তাঁদের রিপোর্ট ‘মহাদেব অ্যাট কৈলাস ডট কমে’ পাঠিয়ে দিয়েছেন। ওটা শিবের ই-মেল অ্যাড্রেস। 
বিশদ

04th  November, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, গাজোল: স্কুলে যেতে ইচ্ছা করলেও উপায় নেই। সংসার চালাতে হবে তো। তাই বয়স ষোলোর গণ্ডী না পেরোলেও স্কুল ছেড়ে কাজেই মন দিয়েছে ওরা। কারও আবার বাড়ি অন্য ঩রাজ্যে। বাবা-মায়ের হাত ধরে আপাতত ঠাঁই হয়েছে পুরাতন মালদহে। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খাদ্য দপ্তরের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ভর্তুকিহীন রেশন কার্ডের জন্য আবেদনে ভালো সাড়া মিলছে। ৫ নভেম্বর আবেদন করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে।  ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: বুলবুলের কারণে হাওড়া জেলায় ৮৭ কোটি ১১ লক্ষ টাকার ফসল নষ্ট হয়েছে। জেলা কৃষি দপ্তর থেকে নবান্নে যে প্রাথমিক রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, মূলত আমতা ১ ও ২, শ্যামপুর ১ ও ২, বাগনান ১ ও ...

ইসলামাবাদ, ১৩ নভেম্বর (পিটিআই): ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মুখ পুড়েছিল পাকিস্তানের। রুলভূষণ যাদবের ফাঁসির সাজা স্থগিত রাখতে হয়েছিল। দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারতের দাবি মেনে সেপ্টেম্বরের গোড়ায় কুলভূষণের সঙ্গে কূটনৈতিকভাবে যোগাযোগের সুযোগও দিতে হয়েছে ইসলামাবাদকে।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের আকস্মিক অবনতি। বিদেশ ভ্রমণের সুযোগ আসতে পারে। সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। ব্যবসায় নতুন সুযোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
১৮৮৯: পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্ম ও শিশুদিবস
১৯৭১: অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্টের জন্ম 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৩ টাকা ৭৩.২৯ টাকা
পাউন্ড ৯০.০১ টাকা ৯৪.৩৪ টাকা
ইউরো ৭৭.১৫ টাকা ৮০.৮৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,৯০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,০০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয়া ৩৫/৭ রাত্রি ৭/৫৫। রোহিণী ৪২/১৮ রাত্রি ১০/৪৭। সূ উ ৫/৫২/৭, অ ৪/৪৯/৫৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৯ মধ্যে পুনঃ ১/১০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪২ গতে ৯/১১ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/১৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৬ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/২১ গতে ১২/৫৮ মধ্যে। 
২৭ কার্তিক ১৪২৬, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, দ্বিতীয়া ৩৪/৪২/৫২ রাত্রি ৭/৪৬/৩৬। রোহিণী ৪৪/২/৫২ রাত্রি ১১/৩০/৩৬, সূ উ ৫/৫৩/২৭, অ ৪/৫০/৪৭, অমৃতযোগ দিবা ৭/৩০ মধ্যে ও ১/১৩ গতে ২/৩৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪১ গতে ৯/১৩ মধ্যে ও ১১/৫২ গতে ৩/২৫ মধ্যে ও ৪/১৮ গতে ৫/৫৪ মধ্যে, বারবেলা ৩/২৮/২০ গতে ৪/৫০/৪৭ মধ্যে, কালবেলা ২/৬/১২ গতে ৩/২৮/২০ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/২১/৫৭ গতে ১২/৫৯/৫০ মধ্যে। 
১৬ রবিয়ল আউয়ল  

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
বায়ুদূষণের জেরে আগামী ২ দিন দিল্লিতে স্কুল বন্ধ 

13-11-2019 - 07:49:58 PM

খড়্গপুরে নাকা চেকিংয়ের সময় এক ব্যবসায়ীর থেকে উদ্ধার হল ১৮ লক্ষ টাকা 

13-11-2019 - 04:01:42 PM

যুব মোর্চার পুরসভা অভিযান ঘিরে উত্তেজনা 
যুব মোর্চার কলকাতা পুরসভা অভিযান ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা। চাঁদনি চকে ...বিশদ

13-11-2019 - 03:26:39 PM

প্রধান বিচারপতির দপ্তরও আরটিআই-এর আওতায়, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের 
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির অফিস তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনের ...বিশদ

13-11-2019 - 03:21:00 PM

নেতাজি নগর ডে কলেজে আগুন 
নেতাজি নগর ডে কলেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল। আজ দুপুরে কলেজ ...বিশদ

13-11-2019 - 03:12:07 PM

কুলভূষণ যাদবকে দেওয়ানি আদালতে আবেদনের সুযোগ দেবে পাকিস্তান 
পাকিস্তানের জেলে বন্দি কুলভূষণ যাদবকে দেওয়ানি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সুযোগ ...বিশদ

13-11-2019 - 01:46:00 PM