Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ। কট্টর হিন্দুত্বের লাইনকে হাতিয়ার করে ধর্মীয় মেরুকরণের অন্যতম কাণ্ডারীর মুখে একথা শুনে রীতিমতো চমকে গিয়েছিলেন উপস্থিত অনেকেই। তাঁরা নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। বুঝে উঠতে পারছিলেন না, তাঁরা ঠিকঠাক শুনছেন কি না। বুঝলেন তখন, যখন রাজ্যের ১৮টি আসন দখলে তৃপ্ত নেতারা জানতে পারলেন, এরাজ্যের ২৩টি লোকসভা আসনে তাঁদের প্রাপ্ত মুসলিম ভোট গড়ে ৫ শতাংশের আশপাশে। অতএব বঙ্গ জয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করতে হলে মুসলিম ভোট ‘মাস্ট’।
পরিকল্পনা মতো শুরু হল কাজ। তৃণমূলের দাপুটে, কোণঠাসা, প্রভাবশালী মুসলিম নেতাদের সঙ্গে তলে তলে যোগাযোগ। একবুক প্রত্যাশা নিয়ে দিল্লিতে উড়ে গিয়ে বীরভূমের লাভপুরের বিতর্কিত দাপুটে বিধায়ক মনিরুল ইসলাম, খানাকুল পঞ্চায়েত সমিতির কর্তা নইমুল হক ওরফে রাঙা বিজেপিতে যোগ দিলেন। লাইনে তখন আরও অনেকে। কারণ দল বাড়ানোর আশায় হাট করে খুলে রাখা বিজেপির দরজা দেখে কাটমানিতে আতঙ্কিত অনেকেই ‘রক্ষাকবচ’-এর আশা দেখেছিলেন। কিন্তু, জেলায় ফিরতেই মনিরুল সাহেবের কপালে সংবর্ধনার বদলে জুটল বিক্ষোভ। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গেল যে, মনিরুল ইসলাম প্রকাশ্যে সদস্যপদ গ্রহণ করেও ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হলেন। মনিরুল সাহেবের ‘আমও গেল, ছালাও গেল’। আর এসব দেখে বিজেপির দিকে পা বাড়ানো নেতারা ব্রেক কষলেন।
বিজেপি নেতৃত্বও স্ট্র্যাটেজি বদল করল। তৃণমূলের ভুলভ্রান্তিকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে কাছে পাওয়ার দিকে নজর দিল। কৌশলটা অনেকটা মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো হাতে গ্লাভস পরে উইকেটের পিছনে ওঁত পেতে বসে থাকা। ক্রিজ ছেড়ে বেরলেই স্টাম্প আউট করা অথবা ক্যাচের জন্য অপেক্ষা। বল ব্যাটের কানায় লাগলেই তা লোফার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়া।
সেই স্টাইলেই বিজেপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলি গ্রামেগঞ্জে, মহল্লায় মহল্লায় তৃণমূলের ত্রুটি কাজে লাগিয়ে মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা। সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে বিবাদ, প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝামেলা, রাস্তা তৈরি নিয়ে অশান্তি, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দেখলেই হাজির। বিক্ষুব্ধ তৃণমূল ও সিপিএমের হতাশাগ্রস্তদের বিজেপির পতাকার নীচে শামিল করে থানায়, বিডিও অফিসে ডেপুটেশন। কিন্তু, মুসলিম প্রভাবিত এলাকার বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ভুলেও ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছে না। যে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের কাছে মৃতসঞ্জীবনী সুধার কাজ করে, সেটাও কৌশলগত কারণে এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।
মুসলিম তোষণের জন্যই এরাজ্যে বিজেপির বাড়বাড়ন্ত—এমন কথা সিপিএম এবং কংগ্রেসের প্রায় সর্বস্তরের নেতার মুখেই শোনা যায়। তাঁদের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অত্যধিক মুসলিম তোষণে’র কারণেই এরাজ্যে বিজেপি বেড়েছে এবং ধর্মীয় মেরুকরণ ঘটেছে। অনেকে আরও একধাপ এগিয়ে অভিযোগ করেন, তৃণমূলের জন্যই গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্র মুসলিমদের প্রভাব ও দাপট বেড়েছে। আর সেই কারণেই হিন্দুদের একটা বড় অংশ সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতির কথা না ভেবে আবেগতাড়িত হয়ে বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।
মুসলিম ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিছু হটেননি। উল্টে তিনি কোনও রকম রাখ ঢাক গুড় গুড় না করেই জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি মুসলিমদের জন্য কাজ করবেন। কারণ মুসলিম সহ সমস্ত সংখ্যালঘুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাঁর কর্তব্য। অনেকেই মনে করেন, মমতা মুখ ফসকে এমন কথা বলে ফেলেছেন, এটা ভাবার কোনও কারণ নেই। বরং মুসলিম ভোট নিজের দলের অনুকূলে আরও এককাট্টা করার জন্যই এমনটা বলেছেন। কারণ তিনি হয়তো মনে করেছেন, মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে পারলে ২০২১ সালে ফের ক্ষমতা দখলের দৌড়ে তিনি একধাপ এগিয়ে থাকবেন।
তবে বিজেপিও তৃণমূল নেত্রীর এই বক্তব্যকে কাজে লাগিয়ে ভোট রাজনীতিতে ধর্মীয় মেরুকরণ আরও সুদৃঢ় করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিজেপি নেতা-কর্মীরা হিন্দু প্রভাবিত এলাকায় গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মুসলিম প্রীতি’র কথা অত্যন্ত কৌশলে প্রচার করছেন। এমনকী, এনিয়ে প্রচার করতে গিয়ে তাঁরা ফিরহাদ হাকিমকে কলকাতার মেয়র করার প্রসঙ্গও টেনে আনছেন। বলছেন, ‘কলকাতার মেয়র করার জন্য আর কি কেউ ছিলেন না? সুব্রত মুখোপাধ্যায়ই তো মেয়র হিসেবে কলকাতার কত উন্নয়ন করেছিলেন। তাঁকেও তো দায়িত্ব দেওয়া যেত! আসলে মুসলিমদের খুশি করতেই এই সিদ্ধান্ত।’ চায়ের দোকানে, পাড়ার আড্ডায় বিজেপি এবং আরএসএস কর্মীদের এসব কথা মানুষ শুনছেন। সম্ভবতও তাঁরা ভাবছেনও। বিজেপি বোঝাতে চাইছে, তৃণমূল থাকলে এরাজ্যে হিন্দুদের ‘নিজভূমে পরবাসী’র অবস্থা হবে।
পঞ্চায়েত স্তরে কাটমানি, তৃণমূলের এক শ্রেণীর নেতার ফুলেফেঁপে ওঠা, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল, স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্বলতা, ধর্মীয় মেরুকরণ সহ নানা ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পায়ের তলার মাটি অনেকটাই শক্ত করে ফেলেছে। কিন্তু তাতেও বঙ্গজয়ের ব্যাপারে গেরুয়া শিবিরের সংশয় থেকেই যাচ্ছে। লোকসভা ভোটে কেন্দ্রে স্থায়ী এবং দৃঢ় সরকার গঠনের ইস্যুটি ভীষণভাবে কাজ করেছিল। পাকিস্তানকে শায়েস্তা করতে এবং দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে মোদিজির উপরেই পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশের অধিকাংশ মানুষ আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু, মোদিজির দ্বিতীয় ইনিংসের ১০০ দিন অতিক্রান্ত হতে না হতেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের জোরদার সমালোচনা শুরু হয়েছে।
দেশের আর্থিক অবস্থা যে ক্রমশই খারাপ হচ্ছে, তা বোঝার জন্য অমর্ত্য সেন হওয়ার দরকার হয় না। নতুন করে কর্মসংস্থান দূরঅস্ত, প্রায় সর্বস্তরেই মানুষ কাজ হারাচ্ছে। বিএসএনএল দিন দিন রুগ্ন হচ্ছে, গাড়ির বিক্রি ৩১ শতাংশ কমেছে। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্কটজনক যে মারুতির মতো সংস্থাকেও দু’টি ইউনিটের উৎপাদন দু’দিন বন্ধ রাখতে হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিও ধুঁকছে। ব্যাঙ্কের ও ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বাস্থ্য ফেরাতে ঋণ নেওয়া ও জনগণের গচ্ছিত রাখা টাকার সুদের উপর কোপ পড়ছে। তাতে ব্যাঙ্কের ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতি হবে কি না, সেটা সময় বলবে। কিন্তু, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষোভ বাড়ছে। কারণ তাঁদের সংসার চলে মূলত সঞ্চিত টাকার সুদের ভরসায়। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, আর আয় কমছে। ফলে সংসার চালাতে গিয়ে তাঁরা নাকানি চোবানি খাচ্ছেন।
ব্যাঙ্কের মেরুদণ্ড সোজা রাখার জন্য সরকারকে টাকার জোগান দিতে হচ্ছে। আবার সরকারও রিজার্ভ ব্যাঙ্কের দীর্ঘদিনের সঞ্চিত ভাণ্ডার থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে। এসবের পিছনে বিজেপি নেতৃত্ব যে যুক্তিই ঩দেখাক না কেন, অর্থনীতির হাল যে ভালো নয়, সেটা বুঝতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। কারণ সাধারণ মানুষ একটা কথা জানে, রক্ত তখনই দিতে হয়, যখন রোগী সঙ্কটজনক।
কাটমানি ইস্যুতে লাগাতার হেনস্তা হওয়ার পর বেশিরভাগ গ্রামেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের অবস্থা অনেকটা সাপে কাটা রোগীর মতো হয়ে গিয়েছিল। ভয়েই হার্টফেল করার উপক্রম। সাপ বিষ ঢালতে পেরেছে কি না, সেটা দেখার অবস্থাতেও ছিল না। কিছু একটা কিলবিল করলেই আতঙ্কে তড়াক তড়াক করে লাফাচ্ছিলেন তাঁরা। যে সব দাপুটে প্রধানের ঝাঁঝের চোটে মানুষ কাছে ঘেঁষতে পারত না, লোকসভা ভোটের পর তাঁরাই বাড়িতে সেঁধিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু কিছুদিন এই অবস্থা চলার পর কোথাও কোথাও বিজেপির নেতাকে ‘তোয়াজ’ করে, কোথাও ‘খুশি’ করে, আবার কোথাও পুলিসের ভরসায় তাঁরা এলাকায় ফিরেছেন। শুধু এলাকায় ফিরেই থেমে থাকেননি, মিছিল মিটিংও শুরু করেছেন। সেসব দেখে বহু জায়গায় গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া পঞ্চায়েত ও পুরসভার সদস্যরা ফের তৃণমূলমুখী হচ্ছেন। ফলে, লোকসভা ভোটের পরপরই হাটে-বাজারে ওঠা ‘গেল গেল’ রবটা কেমন যেন দিন দিন মিইয়ে যেতে বসেছিল। আর ঠিক সেই সময় দুম করে বাজারে এনআরসি চলে আসায় ‘রাজনীতির শেয়ার মার্কেট’ বেশ চাঙ্গা হয়ে উঠেছে।
অনেকে মনে করছেন, এনআরসিকে সামনে রেখে বিজেপি এক ঢিলে দু’টি পাখি মারতে চাইছে। একদিকে, নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসির জুজু দেখিয়ে মুসলিমদের কব্জা করা। অন্যদিকে ‘নিজরাজ্যে পরবাসী’ হয়ে থাকার আক্ষেপ মোচনের স্বপ্ন দেখিয়ে হিন্দুভোট আরও বেশি করে নিজেদের দিকে টানা। তাছাড়া যদি এনআরসি হুজুগে মাতিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়, তখন রাজ্যবাসীর মাথায় কেন্দ্রের সাফল্য-ব্যর্থতার কোনও অঙ্কই কাজ করবে না। তাই রাজ্য সরকারের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও এরাজ্যে এনআরসি চালু করতে মরিয়া মোদি-অমিত শাহ জুটি।
অনেকেই বলছেন, এনআরসি এরাজ্যে বিজেপির বিপদ বাড়াবে। কারণ অসমে প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ এদেশের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তার মধ্যে মাত্র ৬ লক্ষ মুসলিম, বাকিটা হিন্দু সহ অন্য ধর্মের। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হিসেব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় ২ কোটি। অর্থাৎ এই বিপুল সংখ্যক মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বেন। তাঁদের পরিণতি কী হবে, সেটা এখনও কেউ জানেন না, বলতেও পারছেন না। কিন্তু, যে দলের সিদ্ধান্তের জন্য এই অনিশ্চয়তা তৈরি হবে তাদের মানুষ ‘আপনজন’ ভাবতে পারে না।
রাজনীতিতে ‘ব্যুমেরাং’ বলে একটি শব্দের ভীষণ চল আছে। আর এই অস্ত্রটি বহুবার তার কার্যক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে। ভারতীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন দল এবং নেতার ছোঁড়া অস্ত্রে‌ই নিজে ঘায়েল হওয়ার নজির বিস্তর আছে। বঙ্গ রাজনীতিতেও এনআরসি গেরুয়া শিবিরের কাছে ব্যুমেরাং হয়ে উঠবে না তো? ২০২১ সালের বিধানসভা ভোট পর্যন্ত রাজ্যবাসীর কাছে সেটাই কোটি টাকার প্রশ্ন।
21st  September, 2019
শীর্ষ সম্মেলন কূটনীতির পরাজয়

দুই নেতার সিদ্ধান্ত ছিল যে ‘২০২০ সালটাকে ভারত-চীন সংস্কৃতি এবং মানুষে মানুষে ভাব বিনিময়ের বর্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে’। আইডিয়াটা স্মরণীয় হবে ভেবে মোদিজি নিশ্চয় আহ্লাদিতই হয়েছিলেন!
বিশদ

ভ্যাকসিন বের করা আর
সার্জিকাল স্ট্রাইক এক নয়
হিমাংশু সিংহ

ধামাকা দিয়ে সব যুদ্ধ জয় করা যায় না। বিশেষ করে ভ্যাকসিন আবিষ্কারের যুদ্ধ, আর সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা মোটেই এক নয়। বিজ্ঞানের কোনও কালজয়ী আবিষ্কারই ১৫ আগস্ট, ২৬ জানুয়ারি কিম্বা পূর্ণিমা-অমাবস্যার তিথি নক্ষত্র দেখে আসে না।
বিশদ

12th  July, 2020
প্রতিপক্ষ যখন পঞ্চায়েত
তন্ময় মল্লিক

উদ্দেশ্য এবং উপায় সৎ হলে তার ফল ভালো হয়। এমন কথাই যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে সেটা খাটে না। জ্বলন্ত উদাহরণ পঞ্চায়েত ব্যবস্থা। লক্ষ্য ছিল ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ। তৈরি হয়েছিল জেলা পরিষদ। জেলার রাইটার্স বিল্ডিং।
বিশদ

11th  July, 2020
নিত্য নতুন ইভেন্টের
আড়ালে যত খেলা
সমৃদ্ধ দত্ত

বয়কটের আগে বুঝতে হবে যে, এখন এসব বয়কট করার অর্থ আমাদের দেশেরই ব্যবসায়ী, দোকানিদের চরম আর্থিক ক্ষতি। বিগত তিনমাসের লকডাউনে এমনিতেই জীবিকা সঙ্কটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা। আমাদের এলাকার চাইনিজ প্রোডাক্ট এখন আমরা না কিনলে চীনের ক্ষতি নেই।
বিশদ

10th  July, 2020
করোনা যুদ্ধে জাপানকে জেতাচ্ছে সুস্থ সংস্কৃতি 
হারাধন চৌধুরী

সারা পৃথিবীর হিসেব বলছে, করোনা ভাইরাসে বা কোভিড-১৯ রোগে মৃতদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যাই বেশি। সেই প্রশ্নে জাপানিদের প্রচণ্ড ভয় পাওয়ার কথা। কারণ, প্রতি একশো জনের মধ্যে বয়স্ক মানুষের সংখ্যা জাপানেই সর্বাধিক।   বিশদ

09th  July, 2020
 একাদশ অবতার
সন্দীপন বিশ্বাস

কতদিন হয়ে গেল ওইসব দামি দামি স্যুট পরা হয়নি, কতদিন বিদেশ যাওয়া হয়নি, কত বিদেশি রাজার সঙ্গে জড়াজড়ি করে হাগ করা হয়নি। সেসব নিয়ে খুবই মন খারাপ হবু রাজার।
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্ত বিতর্ক অছিলা, বাণিজ্য যুদ্ধ
জিততেই চীনের গলওয়ান কাণ্ড
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে চীনের বিদেশ মন্ত্রীর বৈঠক আপাতত স্বস্তি দিয়েছে। কিন্তু, স্থায়ী সমাধান সূত্র মেলেনি। বরং বৈঠকের পর চীনের সরকারের বক্তব্য, দুই দেশের সম্পর্ক এক জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। কী সেই পরিস্থিতি?
বিশদ

08th  July, 2020
সীমান্তেও মোদির
চমকদার রাজনীতি
শান্তনু দত্তগুপ্ত

তারিখটা ৭ নভেম্বর, ১৯৫৯। কংকা পাসের ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে চিঠি দিয়েছেন চৌ-এন-লাই। লিখেছেন, দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক এবং মোটেও কাঙ্ক্ষিত নয়।
বিশদ

07th  July, 2020
আইনের হাত থেকে
স্বাধীনতাকে উদ্ধার করো
পি চিদম্বরম

যদি কোনও ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে সে অবশ্যই কোনও ভুল করেছে। যদি কারও জামিন নামঞ্জুর হয়ে যায়, তবে সে নিশ্চয় অপরাধী। যদি কোনও ব্যক্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়, তবে জেলসহ শাস্তিই তার প্রাপ্য।  বিশদ

06th  July, 2020
গুরু কে, কেনই বা গুরুপূর্ণিমা?
জয়ন্ত কুশারী

কে দেখাবেন আলোর পথ? পথ অন্ধকারাচ্ছন্নই বা কেন? এই অন্ধকার, মনের। মানসিকতারও। চিন্তার। আবার চেতনারও। এই অন্ধকার কুসংস্কারের। আবার অশিক্ষারও। অথচ আমরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় উচ্চশিক্ষিত এক একজন।   বিশদ

05th  July, 2020
জাতির উদ্দেশে ভাষণের চরম অবমূল্যায়ন
হিমাংশু সিংহ

অনেক প্রত্যাশা জাগিয়েও মাত্র ১৬ মিনিট ৯ সেকেন্ডেই শেষ। দেশবাসীর প্রাপ্তি বলতে আরও পাঁচ মাস বিনামূল্যে রেশন। শুধু ওইটুকুই। ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুক ফুলিয়ে চীনকে কোনও রণহুঙ্কার নয়, নিহত বীর জওয়ানদের মৃত্যুর বদলা নয় কিম্বা শূন্যে নেমে যাওয়া অর্থনীতিকে টেনে তোলার সামান্যতম অঙ্গীকারও নয়। ১৬ মিনিটের মধ্যে ১৩ মিনিটই উচ্চকিত আত্মপ্রচার।   বিশদ

05th  July, 2020
মধ্যবিত্তের লড়াই শুরু হল
শুভময় মৈত্র 

কোভিড পরিস্থিতি চীনে শুরু হয়েছে গত বছরের শেষে। মার্চ থেকেই আমাদের দেশে হইচই। শুরুতেই ভীষণ বিপদে পড়েছেন নিম্নবিত্ত মানুষ। পরিযায়ী শ্রমিকদের অবর্ণনীয় দুর্দশার কথা এখন সকলেই জানেন।  বিশদ

04th  July, 2020
একনজরে
সুমন তেওয়ারি  আসানসোল: করোনার দাপটের মধ্যেই এবার ডেঙ্গু হানা দিল পশ্চিম বর্ধমান জেলায়। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোল, দুর্গাপুর সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে এখনও ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বদলির পর বাড়ির কাছেই কাজের সুযোগ পেলেন চারশোর বেশি স্বাস্থ্যকর্মী। শুক্রবার ৪১৫ জন মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টকে রাজ্যের বিভিন্ন ...

সংবাদদাতা, মালদহ: প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও লকডাউনের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত মালদহের আম ব্যবসাকে চাঙ্গা করতে ইতিমধ্যেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ ও উদ্যানপালন দপ্তর। দিল্লিতে নিযুক্ত ...

  নয়াদিল্লি: ফের বাড়ল ডিজেলের দাম। দু’সপ্তাহ আগে দিল্লিতে প্রথমবার ডিজেলের মূল্য লিটার প্রতি ৮০ টাকা ছাড়িয়েছিল। রবিবার তা প্রতি লিটারে ১৬ পয়সা বেড়ে ৮১ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম ( মিত্র )
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মপ্রার্থীরা বেশ কিছু সুযোগের সংবাদে আনন্দিত হবেন। বিদ্যার্থীরা পরিশ্রমের সুফল নিশ্চয় পাবে। ভুল সিদ্ধান্ত থেকে ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৩০: কলকাতায় দ্য জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন, অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ প্রতিষ্ঠা করলেন আলেকজান্ডার ডাফ এবং রাজা রামমোহন রায়
১৯০০: অভিনেতা ছবি বিশ্বাসের জন্ম
১৯৪২: মার্কিন অভিনেতা হ্যারিসন ফোর্ডের জন্ম
১৯৫৫: সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর মৃত্যু
২০১১: মুম্বইয়ে ধারাবাহিক তিনটি বিস্ফোরণে হত ২৬, জখম ১৩০
২০১৩: বোফর্স কান্ডে অভিযুক্ত ইতালীয় ব্যবসায়ী অত্তাভিও কাত্রোচ্চির মৃত্যু।



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭৪.৩১ টাকা ৭৬.০৩ টাকা
পাউন্ড ৯৩.০০ টাকা ৯৬.২৯ টাকা
ইউরো ৮৩.২৩ টাকা ৮৬.২৯ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
11th  July, 2020
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৪৯,৯৪০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৪৭,৩৮০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৪৮,০৯০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৫২,১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৫২,২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২৯ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী ৩২/৪৫ অপঃ ৬/১০। রেবতী ১৫/২৫ দিবা ১১/১৪। সূর্যোদয় ৫/৩/৫২, সূর্যাস্ত ৬/২০/৩৮। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২২ মধ্যে। রাত্রি ৯/১২ গতে ১২/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ২/৫৫ মধ্যে। বারবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২২ মধ্যে পুনঃ ৩/১ গতে ৪/৪১ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২১ গতে ১১/৪২ মধ্যে।
২৮ আষাঢ় ১৪২৭, ১৩ জুলাই ২০২০, সোমবার, অষ্টমী অপরাহ্ন ৫/০। রেবতী নক্ষত্র দিবা ১১/৮। সূযোদয় ৫/৩, সূর্যাস্ত ৬/২৩। অমৃতযোগ দিবা ৮/৩৬ গতে ১০/২৩ মধ্যে এবং রাত্রি ৯/১৩ গতে ১২/৪ মধ্যে ও ১/২৯ গতে ২/৫৫ মধ্যে। কালবেলা ৬/৪৩ গতে ৮/২৩ মধ্যে ও ৩/৩ গতে ৪/৪৩ মধ্যে। কালরাত্রি ১০/২৩ গতে ১১/৪৩ মধ্যে।
২১ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
গুজরাটে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৯০২ 
গুজরাটে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯০২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু ...বিশদ

08:06:12 PM

মহারাষ্ট্রে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৬,৪৯৭ 
মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ হাজার ৪৯৭ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

07:52:00 PM

উত্তর প্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৬৬৪ 
উত্তর প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৬৬৪ জন করোনায় ...বিশদ

07:47:39 PM

২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১,৪৩৫
গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১,৪৩৫ জন। ...বিশদ

07:47:36 PM

তামিলনাড়ুতে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৪,৩২৮ 
তামিলনাড়ুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ হাজার ৩২৮ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

06:40:21 PM

অন্ধ্রপ্রদেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১,৯৩৫ 
অন্ধ্রপ্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত ...বিশদ

05:53:11 PM