Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

মাইক্রোসফ্ট-এর মতো নামজাদা কোম্পানি আইআইটি বম্বের প্লেসমেন্টের প্রথম দিনই বছরে ১কোটি ১৪ লক্ষ টাকার চাকরির প্যাকেজ অফার করেছে, এমন খবর মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই। আইআইটি-র উপচে-পড়া গ্ল্যামারের মোহে আবিষ্ট হয়ে আছে সারা দেশের অগণিত জনতা। সে প্রেক্ষিতে ছাত্র এবং অভিভাবকদের আরও বেশি পরিমাণে আচ্ছন্ন করে তোলে সদ্য-স্নাতকের এমন বিপুল মাইনের চাকরির খবর। কিন্তু কেমন হয় যদি আইআইটি-র স্নাতক সেই কোটি টাকার চাকরির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন, কেবলমাত্র সরকারি চাকরির নিরাপত্তার মোহে?
হ্যাঁ, এমন ঘটনাও ঘটে। যেমন, সম্প্রতি খবরের শিরোনামে এসেছেন শ্রাবণ কুমার। পাটনার ছেলে। দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইআইটি বম্বে থেকে বি টেক এবং এম টেক পাশ করেছেন শ্রাবণ। এখন তিনি চাকরি করতে ঢুকেছেন ধানবাদ রেলওয়ে ডিভিশনে। চন্দ্রপুরাতে। গ্রুপ ‘ডি’ কর্মী হিসেবে। সেখানে তাঁর কাজ ট্র্যাকম্যান হিসেবে। চন্দ্রপুরা এবং তেলো বিভাগের মধ্যে ট্র্যাক রক্ষণাবেক্ষণের দেখাশোনা করার কাজ।
আইআইটি বম্বের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা ইঞ্জিনিয়ার কেন রেলের গ্রুপ ডি কর্মী হিসেবে বছরে মাত্র তিন লাখ টাকার চাকরিতে যোগ দিলেন, সে এক বিস্ময়কর জিজ্ঞাসা অবশ্যই। যেখানে ২০১৮-তেই আইআইটি বম্বের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং প্রযুক্তির ছাত্রদের প্লেসমেন্টে গড় মাইনে বছরে সাড়ে আঠেরো লক্ষ টাকা। তাই অবাক সকলেই। অবাক ধানবাদ রেল বিভাগের অনেক সিনিয়র কর্মকর্তাও। তাঁরা কখনও ভাবেননি যে, আইআইটির ডিগ্রিধারী কোনও ইঞ্জিনিয়ার বেছে নিতে পারেন কোনও গ্রুপ ডি’র পদ, যার জন্য আবশ্যিক যোগ্যতা মান দশম বোর্ডের পরীক্ষা পাশ করা। শ্রাবণ কুমার নিজে অবশ্য তাঁর এই চাকরিতে ঢোকার কারণ হিসেবে বলেছেন, সরকারি চাকরির সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার কথা। বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত তাঁর আইআইটির বন্ধুরাও তাঁকে টলাতে পারেনি। শ্রাবণ কুমার নিজে অবশ্য শিগগিরই সরকারি চাকরিতেই ‘অফিসার পর্যায়ে’ উন্নতির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
সে যাই হোক না কেন, সরকারি চাকরির প্রতি এই মোহ কিন্তু আমাদের সমাজ-জীবনে একেবারে গা-সওয়া ঘটনা। যে কোনও কাগজের পাত্র-পাত্রীর বিজ্ঞাপনেই এর প্রমাণ মিলবে। যেখানে সদর্পে ঘোষণা করা হয় যে, পাত্র সঃ চাঃ, কিংবা কেবলমাত্র সরকারি চাকুরে পাত্রের তরফেই যেন যোগাযোগ করা হয়, ইত্যাদি ইত্যাদি।
অবশ্য সাধারণত একটা মস্ত বড় ভুল করা হয় এসব ক্ষেত্রে। ‘সরকারি’ চাকরি বলতে এখানে ‘সরকারি’ আর ‘পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং’ বা সরকারি ক্ষেত্রের উদ্যোগের চাকরিগুলোকেও ধরা হয়। এই দু’ধরনের চাকরির চরিত্র আর নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা কিন্তু এক রকমের নয় একেবারেই।
সে যাই হোক না কেন, সেই কবে আমাদের ছাত্রজীবনেও দেখেছি তথাকথিত সরকারি চাকরির প্রতি প্রবল মোহ, গোটা সমাজ-ব্যবস্থাটারই। সেটা বিশ শতকের আটের এবং নয়ের দশকের কথা। বেশিরভাগ ছাত্রই তখন পড়াশুনার শেষে, বা তার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, রেল, এলআইসি, ইত্যাদি নানা চাকরির পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। যাঁরা আরও ভালো, তাঁদের অনেকের আবার পছন্দ আইএএস কিংবা ডব্লুবিসিএস-এর মতো প্রশাসনিক চাকরি, যার গ্ল্যামার, ক্ষমতা এবং মাইনে বেশ উপরের দিকে। সে যুগে বেসরকারি চাকরির সুযোগও ছিল কম, আর ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা ম্যানেজমেন্টের মতো কিছু ক্ষেত্র ছাড়া অন্য ছাত্ররা গোড়াতেই সেসব চাকরির কথা বড় একটা ভাবতেন না। এমনকী বহু সংখ্যক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রও চেষ্টা করতেন সরকারি ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার। অবশ্য এটা ঠিক যে, সরকারি চাকরির মাইনে, মাইনের বাৎসরিক বৃদ্ধি, পদোন্নতি, দশ বছর পরপর পে কমিশন, সবই বাঁধাধরা ছক ধরে এগোয়। কর্মীর যোগ্যতা অনেকটা বেশি হলেও তাঁর বাঁধনছাড়া বেশি মাইনে পাবার কোনও সুযোগ নেই। তবে এমনিতে সরকারি চাকরির মাইনে আকাশ-ছোঁয়া সাঙ্ঘাতিক কিছু না-হলেও মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রার নিরিখে বেশ ভালোই ছিল। কিন্তু আসল কথা ছিল তার নিরাপত্তা, নিশ্চিন্ততা, চিকিৎসা এবং অবসরকালীন বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা। আর সেই সঙ্গে অগণিত মানুষ মনে করত, সরকারি চাকরি যেন পাওয়াটাই কঠিন, পেয়ে গেলে কাজ বিশেষ না করলেও চলে।
তারপর নয়ের দশকের গোড়ায় এক মনমোহিনী জাদুতে ভেসে গেল ভারতবর্ষ। মুক্ত অর্থনীতি কিন্তু সঙ্গে করে আনে মুক্ত চিন্তার স্রোতও। গোটা বিশ্বের জীবনস্রোত আর তার প্রকাশভঙ্গির সঙ্গে একাত্ম হয় ভারতবাসী। সেই সঙ্গে এক টেকনোলজিক্যাল বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে তার ড্রয়িংরুমে এসে হাজির হয় গোটা দুনিয়া, স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মধ্য দিয়ে। তারপর সময়ের স্রোতে ক্রমে স্মার্ট মুঠোফোনের মাধ্যমে পৃথিবীটা হয়ে যায় আরও ছোট, আর দুনিয়ার সমস্ত খবর আর জীবনশৈলীর চালচিত্র ঢুকে গেছে তার পকেটে। ভারতবাসী অবাক হয়ে দেখে, পশ্চিমি দেশগুলিতে চাকরির নিরাপত্তা কিন্তু বেশ কম। অধিকাংশ চাকরিই সেখানে অস্থায়ী। কিন্তু সে সমস্ত দেশ চলছে বেশ। তাদের সাধারণ জনগণের হাতে অর্থের অভাব নেই, খাবারের অভাব নেই। আর, মজার কথা হল, বড় একটা নেই চাকরি হারাবার ভয়ও। (সাম্প্রতিক অতীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দাপটে অবশ্য চাকরি হারানোর ভয় ঢুকেছে পশ্চিমের। সে অবশ্য ভিন্ন প্রসঙ্গ।) আসলে চাকরি সেখানে প্রচুর। নানা ধরনের। হোক না বেসরকারি। তাই নিয়োগকর্তা যেমন কর্মীকে ছাঁটাই করে দিতে পারে সহজে, কর্মীর মাথাতেও আকাশ ভেঙে পড়ে না চাকরি চলে গেলে। এমনকী চাকরির সুযোগের এই আধিক্য কর্মীকেও সুযোগ দিয়েছে সহজে চাকরি বদল করার। তাই কর্মী এবং নিয়োগকর্তা উভয়ের হাতে পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে পারিশ্রমিক এবং চাকরির শর্তাবলি নিয়ে দরাদরির। অর্থনীতির নবজাগরণের সুতো ধরে ভারতের বাজারেও অচিরে এসে গেল বিভিন্ন ধরনের চাকরি। তার সবই যে খুব বেশি মাইনের চাকরি, তা অবশ্য নয়। তবু, অবাক হয়ে দেখি, আজকের ছাত্রসমাজ তাদের ছাত্রজীবনের শেষলগ্নে এসে সরকারি চাকরির মোহের আবর্তে আর ঘুরপাক খায় না তিন দশক আগেকার তাদের অনন্যোপায় আগের প্রজন্মের মতো। তারা এখন বিনা দ্বিধায় বেসরকারি চাকরিতে যোগ দেয়। আবার খুব সহজেই এক চাকরি ছেড়ে বেছে নেয় অন্য চাকরি। কখনও আবার চাকরি থেকে ‘ব্রেক’ নেয় এক-দু’বছরের জন্য। হয়তো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও কোর্স করতে, কিংবা ব্যাকপ্যাক নিয়ে দুনিয়ার একটা অংশ ঘুরে দেখতে। যে মানসিকতা পশ্চিমি দেশের ছেলেমেয়েদেরই ছিল বলে আমরা জানতাম আমাদের ছাত্রজীবনে। এই পরিবর্তনটা কিন্তু ঘটে গিয়েছে আমাদের সমাজেও। ইতিমধ্যেই। তবু, তার মধ্যেও, সরকারি চাকরির প্রতি এক মহিমান্বিত আকর্ষণ, এক মোহের অন্তঃস্রোত, অবশ্যই বয়ে চলেছে কোথাও। এখনও। শ্রাবণ কুমাররা চোখে আঙুল দিয়ে তা দেখিয়ে দেন।
শ্রাবণ কুমার আইআইটি-তে পড়তে ঢোকেন ২০১০ সালে, আর পাশ করে বেরন ২০১৫-তে। তারপর এতদিন তিনি কী করেছেন, সে খবর অবশ্য পাওয়া যায়নি মিডিয়া থেকে। আবার আইআইটির আর পাঁচজন ছাত্রের মতো কোনও বেসরকারি বা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে মোটা মাইনের চাকরিতে যোগ দিলে, দু-এক বছরের মধ্যেই তিনি হয়তো আয় করে ফেলতে পারতেন তাঁর রেলের দশ-বিশ বছরের মাইনে। তাই তথাকথিত যে ‘সুরক্ষা’ এবং ‘নিরাপত্তা’র কথা তিনি বলেছেন, সেটা এক্ষেত্রে কষ্টকল্পনা বলেই মনে হয়।
তবে, সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
এই সামাজিক পরিবর্তনগুলি ভালো না মন্দ, সে প্রসঙ্গ অবশ্য ভিন্ন।
 ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। মতামত ব্যক্তিগত
21st  September, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ অক্টোবর (পিটিআই): ভারতের অর্থনীতির পূর্বভাস নিয়ে অশনি সঙ্কেত দিলেও কর্পোরেট সংস্থাকে কর ছাড়ের প্রশংসা আগেই করেছিল বিশ্বব্যাঙ্ক। এবার একই সুর শোনা গেল আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের (আইএমএফ) কথায়। ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
তাংধার সেক্টর সীমান্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি গুড়িয়ে দিল ভারতীয় সেনা 

12:18:43 PM

কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ 

12:12:00 PM

নিমতা কাণ্ড: ধৃত প্রিন্সকে আজ বারাকপুর আদালতে তুলল পুলিস

12:11:38 PM

কৃষ্ণনগর পুলিস লাইনের কাছে এনআরসির প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ বামেদের  

12:01:00 PM

দিল্লিতে কাশ্মীরি গেট মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি ব্যাগে মিলল সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জালনোট

11:54:00 AM

শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM