Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। বাড়ি সারানোর জন্যে পুজোর আগে কয়েকদিন সবাই মিলে চলে যাওয়া হয়েছে সেই ঝকঝকে নতুন আবাসনে। মিস্তিরিরা কাজ করছে পুরনো বাড়িতে। ছাত্র পড়ানোর ফাঁকে ফাঁকে সেখানে কাজের দেখভাল করছেন জয়। সন্ধেবেলা ছাত্র পড়াচ্ছেন, এর মধ্যেই মায়ের ফোন। সাধারণত মা এইসব সময় ফোন করেন না, জানেন ছেলে পড়ানোয় ব্যস্ত। টুক করে ফোনটা কেটে দিয়ে ছাত্রের না পারা অঙ্ক কষায় মন দিলেন জয়। কিন্তু আবার ফোন। বিরক্ত হলেও ফোনটা ধরতেই হল। সত্তর বছর পেরনো মা, হয়তো কোন জরুরি দরকার পড়েছে। কিন্তু তার জন্যে তো বাড়িতে দশ ক্লাসে পড়া নাতনী আছেই। মুঠোফোনে কথা শুরু হতেই মায়ের আকুতি, “আমাকে এক্ষুনি পুরনো বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে চল, এখানে আর এক মুহূর্ত থাকব না।” কারণ জানতে গিয়ে বোঝা গেল মনের কোণে লুকিয়ে আছে বৌবাজার। নতুন ফ্ল্যাট বাড়ির ছাদে উঠেছিলেন শেষ বিকেলে। বিশ্বকর্মা পুজোর আবহে কার্নিশে পড়ে ছিল সব হারানো কাটা একটা ঘুড়ি। তখনই তাঁর মনে আসে নিজের পুরনো একতলা বাড়ির ছাদে পথ ভুলে আশ্রয় নেওয়া অন্য অনেক কাটা ঘুড়ির কথা। মনে হয় আর কখনও যদি ফিরে যেতে না পারেন নিজের বহু পুরনো আশ্রয়ে!
আসলে সমাজবদ্ধ মানুষের জীবনশৈলী যেভাবে এগিয়েছে, তাতে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল স্থিতাবস্থা। অবশ্যই কিছু মহান মানুষ বদ্ধ ঘরে না থেকে জগৎ জয় করতে চান। তাঁরাই হয়তো এই সভ্যতার অগ্রগতিতে অনেকটা বেশি অবদান রাখেন। কিন্তু মোটের উপর বেশিরভাগ সাধারণ মানুষ জীবন কাটিয়ে দেন সাদামাটা উপায়ে। এর মধ্যে যদি বিশেষভাবে পশ্চিমবঙ্গে বসবাসকারী হিন্দু বাঙালিদের কথা ধরা যায়, তারা খুব বাধ্য না হলে নিজের গ্রাম-শহর ছেড়ে দুঃসাহসিক অভিযানে নেমে পড়েন না। অবশ্যই যত দিন যাচ্ছে এই রাজ্যে কাজের সুযোগ কমছে অনেকটা। সে জন্যেই হয়তো দেশের অন্যান্য অংশে বৃত্তির সন্ধানে পাড়ি দেন নিম্নবিত্ত মানুষ। বাঙালি মধ্যবিত্তদের একটা অংশ পড়াশোনা করে পৌঁছে যান আমেরিকা কিংবা ইউরোপে। কিন্তু শতাংশের হিসেবে তা নগণ্য। সাধারণ বাঙালি থাকতে চান তাঁর নিজের বাড়িতে, অতিপরিচিত সংসারের বন্ধনী আঁকড়ে। তাতে একটু কষ্ট হলেও তাঁরা মেনে নেন অনেক কিছু। সময়ের সঙ্গে শহরাঞ্চলে যৌথ পরিবার ভেঙে টুকরো অণুবৃত্ত। তবে তা শুধু শহরকেন্দ্রিক মধ্যবিত্ত বাঙালির বৈশিষ্ট্য। উত্তর কলকাতার পুরনো বাড়ির ছাদে বেড়ার দেওয়াল দিয়ে ভেন্ন হওয়া কিন্তু সারা বাংলার চিত্র নয়। গ্রাম কিংবা মফস্‌স঩লে নিম্নবিত্ত বাঙালি সংসার এখনও ততটা ভাঙেনি। সব মিলিয়ে হিন্দু বাঙালি মনের যে নমনীয়তা, দুঃসাহসিকতার অভাব, স্থিতিশীল একান্নবর্তী জীবনযাত্রার প্রতি আসক্তি, সেটাই আমাদের চরিত্র। কথায় কথায় সমাজবদলের ডাক দিয়ে শুধু হইচই করলেই তো চলবে না। মায়ের হলুদ মাখা আঁচল, বাবার সন্ধেবেলার আড্ডা, ছোট ছেলেমেয়েদের দল বেঁধে সরস্বতী আরাধনা, বিশ্বকর্মা পুজোর আগে ঘুড়িতে মাঞ্জা, দুর্গাপুজোয় অষ্টমীর অঞ্জলি, মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল, উত্তম-সুচিত্রা, হেমন্ত-মান্না-সন্ধ্যা-আরতি সব মিলিয়ে হিন্দু বাঙালির যে ছবি, সেটাকে মুছে দেওয়ার একটা চেষ্টা চলছে অনেক দিন ধরেই। বিশেষ করে আজকের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই প্রবণতা বিশেষভাবে বর্তমান, আমাদের এই রাজ্যেই। সেই জন্যেই হিন্দু বাঙালি এখন পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে। তারা কি বাধ্য হবে রাজনৈতিক নেতাদের অঙ্গুলিহেলনে নিজেদের বদলাতে? নাকি লড়ে যাবে শিকড়টাকে শক্ত অথচ চেনা মাটিতে গেঁথে রাখার সংগ্রামে?
অসমে যখন দেশ হারাচ্ছেন মানুষ, ঠিক সেই সময়েই শহর কলকাতায় নিজের বাড়ি হারাচ্ছেন বহু বছর ধরে বউবাজারে দিন কাটানো লোকজন। দু’দিকেই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি। অসমের এনআরসিতে দেশ থেকে কিছু মানুষ কমিয়ে বাকি নাগরিকের উন্নতির উপন্যাস। কলকাতায় মাটির তলা দিয়ে পাতালরেল চালিয়ে শহরের মুখ উজ্জ্বল করার ছোটগল্প। দু’দিকেই হাড় হিম করা অনুভূতি। কোথাও হারাতে হবে দেশ, কোথাও বা নিজের পূর্বপুরুষের ভিটে। উন্নয়নের হিংস্রতায় কিছু মানুষের যে প্রাণ যাবে, একথা এখন সবার জানা হয়ে গেছে। সেটাই তো সভ্যতার সংজ্ঞা। কিন্তু তবু তো আমরা চাই নিজের মতো করে একটু শান্তিতে বাঁচতে। পাতাল রেলের পথ কখন কীভাবে বদলাবে সেকথা জানার অধিকার থাকবে না কলকাতায় বহু বছর ধরে বাস করা বাঙালি পরিবারের? কী ভাবছেন আমাদের রাজ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করা তৃণমূল সরকার আর তাঁদের দখল করা কলকাতা পুরসভা? তাঁদের অনুমতি ছাড়া তো মাটির তলার দানবীয় যন্ত্র যখন তখন পথ বদলাত না। বহুদিন ধরে অসমে বাস করা হিন্দু বাঙালির নাম বাদ যাবে নাগরিকপঞ্জি থেকে। এ ব্যাপারে কী ভাবছে বিজেপি? তাদেরও তো কেন্দ্রে দ্বিতীয় ইনিংস। প্রশ্ন উঠবেই, কারণ গত সাতই সেপ্টেম্বর, শনিবার, রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের সম্মেলন হয়েছে রাজস্থানের পুষ্করে। সেখানে আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত সংগঠন ‘সীমা জাগরণ মঞ্চ’ অত্যন্ত দুশ্চিন্তার সঙ্গে জানিয়েছে যে অসমে নাগরিকপঞ্জী থেকে বাদ যাওয়া উনিশ লক্ষ মানুষের মধ্যে একটা বড় অংশ হিন্দু। বুঝতে অসুবিধে হয় না যে এই সংখ্যায় হিন্দু বাঙালি খুব কম নেই।
একটু ভাবলেই বোঝা যাবে যে স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে কংগ্রেস, বাম এবং তৃণমূল ব্যাপকভাবে সংখ্যালঘু তোষণ করেছে। আর এই তোষণ একেবারেই লোক দেখানো, কারণ সকলেই জানেন এরাজ্যে সেভাবে সংখ্যালঘুরা উচ্চপদের সরকারি বা বেসরকারি চাকরি পেয়ে থাকেন বেশ কম। তাঁদের সার্বিক উন্নতি হয়নি কিছুই। তবে এই লেখায় তাঁদের কথা থাক। যেটা বলার তা হল কংগ্রেস, বাম, তৃণমূলের লোক দেখানো অসাম্প্রদায়িকতার স্লোগানে হিন্দু বাঙালিদের ভুগতে হয়েছে প্রচুর। আর আজকের দিনে বিজেপির যে রাজনীতি, তাতে সংখ্যালঘুদের চাপে রাখার বিষয়টা পরিষ্কার। কিন্তু একইসঙ্গে তাঁদের কর্মসূচিতে হিন্দু বাঙালিদের ভবিষ্যতের কথাও খুব পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে না। বাংলার বাইরে থেকে ধার করে আনা হিন্দুত্বের দাপটে এই রাজ্যের মানুষের অবস্থা বেশ কোণঠাসা। রামনবমী কিংবা গণেশপুজোর উৎসবে অবশ্যই অবাঙালি প্রভাব বেশি। তাই বিজেপির নেতানেত্রীদের মুখে বাংলা থেকে এক, দুই কিংবা তিন কোটি অনুপ্রবেশকারী বিদায় করা নিয়ে যে আস্ফালন তাতে হিন্দু বাঙালিদের ভয় পাওয়ারই কথা। শেষে হয়তো দেখা গেল যে এরাজ্যে হিন্দু বাঙালিরাই ভিড় করে ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকছে!
আসলে সাধারণ হিন্দু বাঙালিদের মধ্যে কড়া হিন্দুত্ব কম, উদারনীতি এবং প্রগতিশীলতা বেশি। রোজ দুবেলা লোক দেখানো পুজো পার্বণ বাঙালিদের ট্র্যাডিশন নয়। কিন্তু একটু পরিসংখ্যান নিলেই দেখতে পাবেন বহু বাঙালি বাড়িতে নিত্যপূজা হয় আজকের দিনেও। সে পুজোয় আড়ম্বর নেই, আছে বিশ্বাস। সাধারণ বাঙালিদের কাছ থেকে তাদের সাধের দুর্গোৎসব একেবারে হাতছাড়া। তা এখন কর্পোরেটের বিজ্ঞাপনে মুখ ঢেকেছে। পুজো কমিটি আর প্যান্ডেলের মালিকানা নিয়ে লড়াই করছে তৃণমূল-বিজেপি। বাড়ির কাছে শান্তিতে অঞ্জলি দেওয়ার জায়গা নেই, এদিকে দুর্গাপুজোর সময় রাস্তা আটকে বাঁশ বেঁধে প্যান্ডেল বানানোয় যানজটে বিপর্যস্ত হিন্দু বাঙালিরাই। কলকাতার বাইরে অবশ্যই দুর্গাপুজো হয়। কিন্তু একটু হিসেব কষলে দেখা যাবে যে মুম্বইতে কুড়ি বছর আগে যতগুলো দুর্গাপুজো হতো, তার থেকে খুব বেশি কিছু সংখ্যা বাড়েনি। অথচ, কলকাতায় কুড়ি বছর আগে গণেশপুজোর এরকম রমরমা বারোয়ারি চরিত্র দেখা যেত না আদৌ। এর কারণ বাংলার প্রচারসর্বস্ব ধর্মাচরণে এখন পুরোটাই রাজনীতি। আর সেই জায়গাতেই হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ আর সংখ্যালঘু তোষণের জটে পথ হারাচ্ছে হিন্দু বাঙালি। অন্ধ ধর্মবিশ্বাস বা ধান্দাবাজির রাজনীতি দিয়ে এই শ্রেণীর উন্নতির সম্ভাবনা কম।
হিন্দু বাঙালিদের বাঁচাতে পারে তাদের নিজস্ব প্রগতিশীল চেতনা, উদারনৈতিক ভাবধারা এবং আন্তরিক ধর্মবিশ্বাস। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক এবং যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর মধ্যে থেকেও যে হিন্দু বাঙালিদের ভালো রাখা যেতে পারে, এই বিষয়টা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। তাই নিজেদের উৎসবের মরশুমে একটাই প্রার্থনা, হিন্দু বাঙালিরা পুজোর কদিন একটু শান্তিতে ধর্মাচরণের সুযোগ পাক। সেটা আমিষ খেয়েই হোক বা নিরামিষ। সেখানে যেন রাজ্যের উন্নয়নে পায়ের তলার মাটি না সরে যায়, আর রাষ্ট্রের উন্নয়নে যেন দাঁড়াতে না হয় নাগরিকত্ব প্রমাণের দীর্ঘ বক্ররেখায়। রাজনীতির কারবারিরা একটু সরে দাঁড়িয়ে আম জনতাকে একবার মনে করার সুযোগ দিন যে দুর্গাপুজো আসছে। তিনি তো শুধু আমাদের উপাস্য দেবী নন, হিন্দু বাঙালির ঘরের মেয়ে।
 লেখক ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক, মতামত ব্যক্তিগত 
20th  September, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
বাঙালির গল্প সম্প্রীতির গল্প
সুব্রত চট্টোপাধ্যায়

এই লেখায় হিন্দু-মুসলমান—শব্দ দুটি ব্যবহারের কোনও দরকারই পড়ল না। শব্দ দুটির মধ্যে বাঙালি-সত্তার ভাঙনের একটা গন্ধ। তাই ‘বাঙালি’ শব্দটি দিয়েই দিব্যি কাজ চলে যায়। উৎসব সমাসন্ন। তাই আবেগে ভেসে গিয়ে কথাটি বলছি এমন নয়, যা সত্যি তা-ই বলছি।  
বিশদ

04th  October, 2019
বাঙালির দ্বিচারিতা
সমৃদ্ধ দত্ত

মহাত্মা গান্ধীর সবথেকে বড় শক্তি হল, যারা তাঁকে মন থেকে অপছন্দ করে কিংবা তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক অবস্থানকে আদর্শগতভাবে গ্রহণযোগ্য মনে করে না, তারা নিজেরা কিন্তু আন্দোলনে নেমে অজান্তে সেই গান্ধীকেই অনুসরণ করে।  
বিশদ

04th  October, 2019
একনজরে
 নয়াদিল্লি, ১৭ অক্টোবর: সরকার অর্থনীতির আসল রোগটাই ধরতে পারেনি। শুধু কারও উপর দোষ চাপাতে চাইছে। বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রে ভোট প্রচারে এসে মোদি সরকার এবং তাঁর অর্থমন্ত্রীকে ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইয়োনো গ্রাহকদের জন্য ‘গ্রিন রিওয়ার্ড পয়েন্ট’ চালু করল স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া। এসবিআই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে যে ‘ইয়োনো এসবিআই গ্রিন ফান্ড’-এর তদারকি হয়, সেখানেই ওই গ্রিন রিওয়ার্ড পয়েন্টগুলিকে কাজে লাগানোর জন্য গ্রাহকদের আর্জি জানিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইউটিটি জাতীয় র‌্যাঙ্কিং টেবল টেনিস প্রতিযোগিতা আজ শুরু বৃহস্পতিবার হাওড়ার ডুমুরজোলা স্টেডিয়ামে। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস প্রমুখ। ...

 রিয়াধ, ১৭ অক্টোবর (পিটিআই): পুণ্যতীর্থ মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে বাস দুর্ঘটনায় মারা গেলেন ৩৫ জন তীর্থযাত্রী। সৌদি আরবের সরকারি সংবাদমাধ্যম সূত্রে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে। তীর্থযাত্রীবাহী ওই বাসটি আরও কোনও বড় গাড়িতে ধাক্কা মারে। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর ও গবেষণামূলক বিদ্যার ক্ষেত্রে সাফল্য আসবে, ব্যবসায় যুক্ত হলে শুভ যোগাযোগ ঘটবে। ভ্রমণ যোগ ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৭১: কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজের মৃত্যু
১৯১৮: চিত্রশিল্পী পরিতোষ সেনের জন্ম
১৯৩১: গ্রামাফোনের আবিষ্কারক টমাস আলভা এডিসনের মৃত্যু
১৯৪০: টলিউড অভিনেতা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৫০: অভিনেতা ওমপুরীর জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬১ টাকা ৭২.৩১ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৯৯ টাকা ৯৩.২৪ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৭ টাকা ৮০.৬৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৮৪৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৮৫৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪১০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,২৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৩৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, চতুর্থী ৪/৩৮ দিবা ৭/২৯। রোহিণী ২৮/৪১ অপঃ ৪/৫৯। সূ উ ৫/৩৭/৪৪, অ ৫/৬/১৬, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৪ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৫ গতে ২/৪৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৩ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৫/৫৭ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ৩/৭ মধ্যে পুনঃ ৩/৫৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৮/৩০ গতে ১১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৩ গতে ৯/৪৭ মধ্যে।
৩০ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, পঞ্চমী ৫৮/২৯/৫১ শেষরাত্রি ৫/২/১০। রোহিণী ২৫/৩৩/৪৮ দিবা ৩/৫১/৪৫, সূ উ ৫/৩৮/১৪, অ ৫/৭/৩৪, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩১ মধ্যে ও ৭/১৫ গতে ৯/২৯ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪১ মধ্যে ও ২/২৫ গতে ৫/৮ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪৬ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ৩/১২ মধ্যে ও ৪/৩ গতে ৫/৩৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৩০/৩৪ গতে ৯/৫৬/৪৪ মধ্যে, কালবেলা ৯/৫৬/৪৪ গতে ১১/২২/৫৪ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/১৫/১৪ গতে ৯/৪৯/৪ মধ্যে।
 ১৮ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল 
আজ, শুক্রবার সকালে শহরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে অফিস টাইমের ...বিশদ

10:02:33 AM

পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় ধৃত বিজেপি নেতা, অশান্তি
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বাকচায় তৃণমূল নেতা বসুদেব মণ্ডল খুনের ...বিশদ

09:44:00 AM

চারটি একক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র ভোটের অনুমতি রাজ্যের
রাজ্যের চারটি একক (ইউনিটারি) বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি দিল রাজ্য ...বিশদ

09:30:00 AM

প্রাচীন গ্রিক পদ্ধতি মেনে বিশ্ব সুন্দরী বেলা
সুপার মডেল বেলা হাদিদই বিশ্বের সবথেকে সুন্দর মহিলা। গ্রিক গণিত ...বিশদ

09:27:09 AM

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে বিজন সেতুর, বন্ধ হবে যান চলাচল
আগামী শুক্রবার থেকে বালিগঞ্জের বিজন সেতুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার অনুমতি দিল ...বিশদ

09:08:19 AM

হকি বিশ্বকাপের দাবিদার ভারত
২০২৩ হকি বিশ্বকাপ আয়োজনের দাবিদার ভারত। তারা ২০২৩ সালের উইনডোতে ...বিশদ

08:57:16 AM