Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। ক’দিন আগে সিইএসসি অভিযান নিয়ে মধ্য কলকাতায় বিজেপি-পুলিস খণ্ডযুদ্ধ বা সেইরকম জঙ্গি ধাঁচের আন্দোলন করে মাঝেমধ্যেই পদ্ম শিবির সংবাদ শিরোনামে উঠে আসছে ঠিকই কিন্তু তার ধারাবাহিকতা যেন তেমন নিবিড় নয়, কেমন ছাড়া ছাড়া অগোছালো। ফলে আন্দোলনগুলো যেন পথে শুরু হয়ে পথেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। পাবলিক মনে তার আলোড়ন কতটা রেখাপাত করতে পারছে তা নিয়েও সংশ্লিষ্ট মহলে কমবেশি ধন্দ জাগছে! অস্বাভাবিক নয়। ২০১৯ লোকসভা ভোটে ২ থেকে এক লাফে ১৮ আসন, ভোট পার্সেন্টেজে ২২ শতাংশ বৃদ্ধির মতো চমকদার ফল তো এই বাংলায় বিজেপি কেবল প্রধান বিরোধীর শিরোপা মাত্র দেয়নি, পরন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই একচ্ছত্র প্রভাব প্রতিপত্তি ও প্রশ্নাতীত গণ-আনুগত্যের রাজ্যে প্রায় নিশ্চিহ্ন বিরোধী শিবিরে নতুন করে প্রাণ সঞ্চারের একটা ঘোর সম্ভাবনা জাগিয়ে দিয়েছিল।
সেই সম্ভাবনার প্রতি গেরুয়া বাহিনী কতটা সুবিচার করে, বাড়তি ভোটের অঙ্কটা ধরে রাখতে বা তাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বঙ্গবিজেপি নেতৃত্ব কী পদক্ষেপ করেন বঙ্গজনতার দেখার ছিল সেটাই। কারণ, অঙ্কের হিসেবে যে ২২ শতাংশ বাড়তি সমর্থন লোকসভায় বিজেপির রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতাকে একলপ্তে শাসক তৃণমূলের প্রায় সমকক্ষ করে তুলেছিল তা যে পদ্মদলের একান্ত নিজস্ব ছিল না সেটা সকলেই জানেন। এবং এটাও জানেন, এ রাজ্যের মমতা বিরোধী ভোট বাম-কংগ্রেস ছেড়ে পুঞ্জীভূত হয়েছিল বিজেপির ভোটবাক্সে আর সেটাই বাংলার বিরোধী শিবিরে নতুন শক্তি হিসেবে বিজেপিকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছিল। সেই অগ্রগামিতা ধরে রাখতে বিজেপির যে কর্মসূচিগুলো জনতার নজরে কেড়েছিল তার মধ্যে সন্দেহ নেই অন্যতম ছিল মূলত মুকুল রায়ের উদ্যোগে তৃণমূলের ‘পদ্ম অভিলাষী’দের ঘরে তোলা এবং সেই সুবাদে এলাকা থেকে পুরবোর্ড যেখানে যেমন মেলে ‘দখল’। বীরভূমের বিতর্কিত মণিরুলকে নিয়ে সংঘ পরিবারে অসন্তোষ সৃষ্টির আগে অব্দি এই কর্মসূচি বেশ জমেও উঠেছিল। এ যাচ্ছে, সে আসছে, আজ দিল্লি কাল কলকাতা—এই বোর্ড তৃণমূলের হাতছাড়া আবার কদিন পরে দলবদলুদের ঘরে ফেরায় বোর্ড আবার তৃণমূলের ঝান্ডাতলে এবং এই বদলাবদলি নিয়ে ভাটপাড়া-জগদ্দল সমেত গোটা নৈহাটি-বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মতো কত জায়গায় কত ধুন্ধুমার, মারদাঙ্গা খুনখারাপি, পুলিস প্রশাসনে যাকে বলে একেবারে তাধৈ মাধৈ অবস্থা! আবার এই বদলাবদলির আর এক চূড়ান্ত নাটকীয় রূপ দেখা গিয়েছিল কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের গেরুয়া শিবিরে যোগদান এবং অনতিকাল পরেই মুখ ফেরানোকে কেন্দ্র করে! সেই নাটকে যবনিকাপাত এখনও পুরোপুরি ঘটেছে কি না আমরা জানি না, তবে দলবদলের হিড়িকটা যে কোনও কারণেই হোক এখন অনেকটাই স্তিমিত। তথ্যভিজ্ঞরা বলছেন, এর জন্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বা রন্তিদেব সেনগুপ্তের মতো শীর্ষ নেতাদের চেতাবনি বিশেষ ক্রিয়াশীল।
অন্যদিকে, দলের অগ্রগতি ও বিস্তার বজায় রাখতে জনমন জয়ে বিজেপি নির্বাচন পরবর্তী সময়ে আর যেটা করেছে সেটা ‘আন্দোলন’, বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধাঁচে জঙ্গি প্রতিবাদ সংগঠিত করার চেষ্টা। কিন্তু, সেটা তো খুব সহজ নয়। আগেই বলেছি, মুশকিলটা হল ধারাবাহিকতার অভাব। তাছাড়া, মমতার মতো প্রাণ বাজি রেখে লাগাতার অমন একরোখা আগুনে আন্দোলন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নেতানেত্রী আজ কোথায়? নেতানেত্রী থাকলেও পরিবেশের সেই আনুকূল্যও কি মিলবে? বাম আমলের শেষ অধ্যায়ে সিপিএমের একাংশের অবিরাম উৎপাতে ক্যাডাররাজের অত্যাচার লাঞ্ছনায় পশ্চিমবঙ্গের গ্রাম শহর নগর মহানগরে সর্বস্তরে মানুষের মধ্যে যে অগ্নিময় ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল, নন্দীগ্রাম-সিঙ্গুর-নেতাই ইত্যাদি নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে যে উত্তাল ঝড়ঝঞ্ঝা সৃষ্টি হয়েছিল— এখন তেমন ইস্যুই বা কোথায়? বলছি না যে রাজ্যের শাসকদলের প্রতি মানুষের অসন্তোষ নেই। অবশ্যই আছে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গ্রাম শহরের পরিষেবা পরিকাঠামো অর্থাৎ রাস্তাঘাট পানীয় জল স্বাস্থ্য শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটিয়েছেন, সাধারণ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের ঘরে ঘরে কন্যাশ্রী স্বাস্থ্যসাথী ইত্যাদি হাজারো সরকারি সহায়তা প্রকল্প যেভাবে পৌঁছে দিয়েছেন তাতে বাংলার মানুষের অনেক ক্ষোভ অসন্তোষই চাপা পড়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, কট্টর মমতা বিরোধীদের কথা অবশ্যই আলাদা। তাঁরা হয়তো এখনও মমতা কী কী পারেননি, শিল্পায়ন-কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কতটা কী করল মুখ্যমন্ত্রী মমতার রাজ্য, মমতার দলের কারা সারদা-নারদায় অদূর ভবিষ্যতে ধরা পড়বেন—তা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক কল্পনা-জল্পনায় মশগুল। এবং এঁদেরই একটা বড় অংশ যে গত লোকসভা ভোটে বিজেপিকে ঢেলে দিয়েছে তাতেও বা সন্দেহ কী? কিন্তু গোল বেধেছে এবার। অসমের জাতীয় নাগরিক পঞ্জির ঢেউ পশ্চিমবঙ্গে ওঠার উপক্রম হতেই মমতার অভক্তিবাদী দলে কোথায় যেন একটা শিরসিরানি গুনগুন করতে শুরু করেছে! এবার কী হবে? আমার পরিচিত এক চরম অভক্তিবাদী সেদিন কথায় কথায় বলছিলেন, মোদিজির আর সব তো ঠিকই আছে। তালাক বন্ধ কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বন্ধ চাঁদে অভিযান—সব। কিন্তু এনআরসিটা কী হবে বোঝা যাচ্ছে না!
কেন বিজেপি সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ তো স্পষ্ট বলে দিয়েছেন, শরণার্থীরা নাগরিক। সমস্যা অনুপ্রবেশকারী নিয়ে। এনআরসি করে অনুপ্রবেশকারীদের দেশছাড়া করলে বা ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখলে ক্ষতি কোথায়! উত্তর এল তৎক্ষণাৎ—অসমে দেখছেন, এগারো লক্ষের ওপর হিন্দু বাঙালি আটকে গেছে। ওখানে তো বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বজরং দলের মতো সংঘ পরিবারের প্রভাবশালী দুটি শাখা থেকেই প্রতিবাদ উঠেছে। তাহলে...! কথা ফুরোয় না তাঁর, ভারী হয়ে ওঠে মুখ। কপালে ভাঁজ গাঢ় হয়, তাহলে! আর এখান থেকেই সঙ্গতকারণে সমাজ-রাজনীতিতে সেই সংশয়ের উদ্ভব হচ্ছে, বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো! একথা আজ কারও অজানা নয়, বিজেপি ২০২১ সালের ভোট জিতে এ রাজ্যের ক্ষমতা দখল করতে চায়। সেটাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মনোবাঞ্ছা এবং রাজ্য নেতৃত্বের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন সফল করতে যাঁদের সমর্থন না অত্যাবশ্যক সেই মমতা বিরোধী মহলের মানুষজনের মনে যদি এহেন সংশয়ের উদয় হয় তবে যে কাজটি কঠিনতর হয়ে পড়বে— তা কি বলার অপেক্ষা রাখে?
এর মধ্যে আবার প্রায় পরপর দু-দুটি বোমা ফাটিয়ে দিলেন অমিতজি। এক, এক দেশ এক ভাষা বলে হিন্দিকে সর্বভারতীয় প্রাধান্য দেওয়ার কথা বললেন এবং দুই, ওই একই কারণে বহুদলীয় গণতন্ত্রের এই মহান ভারতে একদলীয় শাসনের নিদান দিলেন! দুটি নিয়েই আসমুদ্রহিমাচল ভারতে আলোড়ন পড়ে গেছে সন্দেহ নেই। হিন্দির একাধিপত্য কায়েমের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে বিগত শতকের ষাটের দশকে দেশ জুড়ে, বিশেষত দক্ষিণ ভারতে প্রবল হিংসা ও প্রাণহানির যে বিরাট ঘটনা ঘটেছিল, অমিত শাহের মন্তব্যের পর অনেকের মনেই তার স্মৃতি উসকে উঠেছে, এ নিয়ে বিতর্কে আলোচনাতেও তার মর্মান্তিক ছায়া পড়ছে। অন্যদিকে একদলীয় ‘গণতন্ত্র’ ব্যাপারেও ঝড় উঠতে চলেছে দেশের রাজনৈতিকমহলে। এনআরসির পাশাপাশি এই দুই নতুন ইস্যুতে সারা দেশে মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিক। বাংলাও তার ব্যতিক্রম হতে পারে না। একদিকে এনআরসি নিয়ে অসমের মানুষের শঙ্কা-ক্ষোভ অন্যদিকে আঞ্চলিক ভাষার ওপর হিন্দির আগ্রাসন চিন্তা এবং একদলীয় শাসন কায়েম সম্ভাবনার উৎকণ্ঠা—সব মিলিয়ে বাঙালির বিজেপি সমর্থনের স্বতঃস্ফূর্ততা নিশ্চিতভাবেই কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে। কট্টর মমতা বিরোধীদের মনেও জেগেছে দোলাচল—মোদিজি না মমতা কে অপেক্ষাকৃত শ্রেয়, কার কাছে অপেক্ষাকৃত সুরক্ষিত বাঙালির ভবিষ্যৎ? কদিন আগে বিকেলে সিঁথি থেকে শ্যামবাজার এনআরসির বিরুদ্ধে মিছিল করে এবং ‘প্রাণ থাকতে বাংলায় এনআরসি হতে দেব না’ বলে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্যুতে সাধারণজনের বাড়তি আস্থা অর্জন করেছেন, এমনকী তাঁদেরও যাঁরা মনে করেন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে এ রাজ্যেও এনআরসি করা উচিত। অসমের উদাহরণে তাঁদের বুকে যে ভয় জমেছে। পথেঘাটে কথায় আলোচনায় সে ভয় উঠে আসছে। শিক্ষিত অশিক্ষিত নির্বিশেষে মোবাইলে ইলেকশন কমিশনের অ্যাপ ডাউনলোড করে ডি-ভোটার হওয়ার কোপ থেকে বাঁচাতে চাওয়ার মধ্যেও সেই উদ্বেগ টের পাওয়া যাচ্ছে। না হলে অঙ্কের অমন নামজাদা অধ্যাপক কেন বলবেন, সে কি! এখনও করেননি! এখুনি ইলেকশন কমিশনের ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ ডাউনলোড করে তথ্য দিন। না হলে কিন্তু ডি-ভোটার করে দেবে। তখন ঝক্কি সামলাতে প্রাণ বেরিয়ে যাবে।
এনআরসি নিয়ে বাংলার মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া এই শঙ্কা এই উদ্বেগের মোকাবিলা বিজেপিকে করতেই হবে। এবং করতে হবে ভোট ময়দানে নামার আগেই। সঙ্গে দোসর হিসেবে হিন্দির সর্বাত্মক প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা এবং একদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার বার্তা নিয়ে শাসক তৃণমূল এবং বাম-কংগ্রেসের কড়া প্রতিক্রিয়া ও বাংলার জনমনে তার প্রভাবও সামলাতে হবে। এই তিন গুরুতর ‘সমস্যা’ তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতার মতো অসাধারণ কৌশলী, অমিত প্রভাবশালী রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী সামলে বিজেপির বঙ্গনেতৃত্ব ২০২১ জয়ের লক্ষ্যে শেষ পর্যন্ত কতদূর এগতে পারেন এখন সেটাই দেখার। তাই না?  
19th  September, 2019
পুলিস ও আমরা
তন্ময় মল্লিক

 বহু বছর আগের কথা। এক আত্মীয়ের মালবাহী গাড়ির কেবিনে বসে কলকাতার দিকে যাচ্ছিলাম। গাড়িতে কাপড় ছিল। ড্রাইভার বড় রাস্তার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিসের হাতে টাকা দিচ্ছিলেন। টাকা দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে ড্রাইভার বললেন, ‘টাকা না দিলে ঝামেলা করবে।
বিশদ

19th  October, 2019
পশ্চাতে টানিছে সে
রঞ্জন সেন

 অপুষ্টি, অস্বাস্থ্য আর দারিদ্র্যে ব্যাহত হচ্ছে শিশুদের বৃদ্ধি। পাঁচ বছরের নীচে বয়স, দেশের প্রতি তিনজন শিশুর একজনের শরীর স্বাস্থ্যের এমনই হাল। বাড়ের বয়সেই আটকে গেছে এদের বৃদ্ধি। এমন শিশুরা জীবনের রাস্তায় কতটা এগতে পারবে বা আদৌ পারবে কিনা তা বলা সত্যিই খুব কঠিন। বিশদ

19th  October, 2019
রাজনৈতিক জুটি, অন্য সমীকরণ
সমৃদ্ধ দত্ত

গান্ধীজিকে রক্ষা করতে না পারা সরকারের ব্যর্থতা। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সেই দায় এড়াতে পারে না। পুলিস এবং আর্মিও ব্যর্থ। অসংখ্য চিঠি আছড়ে পড়ছে গভর্নর জেনারেল মাউন্টব্যাটেনের অফিসে। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দপ্তরে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসে।
বিশদ

18th  October, 2019
মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার ভোট: বিধ্বস্ত বিরোধী
বনাম দোর্দণ্ডপ্রতাপ মোদি-অমিত শাহ জুটি
বিশ্বনাথ চক্রবতী

 ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর চার মাসের মধ্যে মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সম্মুখীন মোদি-অমিত শাহ জুটি। এই দুই রাজ্যে পাঁচ বছর শাসন করবার পরও মোদিই বিজেপির প্রধান ভরসার স্থল। বিশদ

17th  October, 2019
আফ্রিকায় ‘আবিম্যানিয়া’
মৃণালকান্তি দাস

 ইথিওপিয়ার মানুষ আজ মনে করেন, আবি আহমেদ আলি আর কেউ নন, স্বয়ং ভগবানের দূত! তাদের রক্ষাকর্তা! বিশদ

17th  October, 2019
সোনিয়ার দলে অন্ধকার যুগ, মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় অ্যাডভান্টেজ মোদি বাহিনীই
শান্তনু দত্তগুপ্ত

যতদূর মনে পড়ে সময়টা ১৯৯৬। সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকে মোহিত সেনের নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বিষয়বস্তু তোলপাড় ফেলে দেওয়ার মতো। তাঁর বিশ্লেষণ, সোনিয়া গান্ধীর সক্রিয় রাজনীতিতে এসে কংগ্রেসের হাল ধরা উচিত। এই প্রসঙ্গে তিনি কংগ্রেসের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন। অ্যানি বেসান্ত। বিশদ

15th  October, 2019
শেখ হাসিনার দিল্লি সফর: ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়
গৌরীশংকর নাগ 

দুঁদে কূটনীতিক মুচকুন্দ দুবের মতে, সামঞ্জস্যের প্রত্যাশা না করেও যদি এক্ষেত্রে ভারতকে তার স্বার্থ সামান্য বিসর্জন দিতেও হয় তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। কারণ বাংলাদেশের সমৃদ্ধি ও অভ্যন্তরীণ স্থিরতা ভারতের সুরক্ষা তথা শক্তিকেই সুনিশ্চিত করবে। সুতরাং ভারতের উচিত অর্থনৈতিক বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যথাসম্ভব তালমিল রেখে কাজ করা।
বিশদ

14th  October, 2019
বদলে যাচ্ছে পুজো
শুভময় মৈত্র

পুজো এখন এক লক্ষ কোটি টাকা কিংবা তার থেকেও বেশি অঙ্কের ব্যবসা। এমনটা সব ধর্মেই হয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ যে বিভিন্ন সময় উৎসব করেন তারও একটা বাজার আছে। রোজার সময় সন্ধেবেলা জিভে জল আনা খাবারের গন্ধ বিনা পয়সায় শোঁকা যেতেই পারে, কিন্তু কিনে খেতে গেলে পয়সা লাগবেই। ফলে ব্যবসা সেখানে অবধারিত। 
বিশদ

12th  October, 2019
সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হওয়ার পাঠ শেখাচ্ছে সত্তর বছরের গণচীন
মৃণালকান্তি দাস

এখন সাধারণ পোশাক পরা মাও বা টায়ারের চপ্পল পায়ে হো চি মিনরা আর সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বে নেই। এখন স্যুট টাই পরা বিলাসী সাহেবরা নেতৃত্বে। কমিউনিস্ট নাম ধারণ করে আছে শুধু রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে দলীয় একনায়কতন্ত্র অব্যাহত রাখার গরজে। ব্রিটিশরা যেমন বলে থাকেন আওয়ার কিং ইজ ডেড, লং লিভ আওয়ার কিং। ঠিক তেমনই। আগে ধনতন্ত্র পরে সমাজতন্ত্র। তার জন্য জানলা খুললে কিছু মাছি-মশা আসবে। কথাটা বলেছিলেন দেং নিজেই। অবশ্য এই মাছি-মশা নিয়ে তাঁদের কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই। কী করে সাচ্চা ক্যাপিটালিস্ট হতে হয় সেটাও শেখাচ্ছে চীন! 
বিশদ

11th  October, 2019
এক কাপ চায়ে 
অতনু বিশ্বাস

এক কাপ চা, কত গল্প বলে সকাল, বিকেল, সন্ধে বেলা...।
এ গানের লিরিকের মতোই চা নিয়ে এবং চায়ের টেবিলে গল্পেরও কোনও শেষ নেই। এক কাপ চায়ে আমেজ আছে নিশ্চয়ই। দার্শনিক কিংবা কবি এক কাপ চায়ে খুঁজে পেতে পারে জীবনের জয়ধ্বনি, অবরুদ্ধ আবেগ, অনাবিল অনুভূতি, মুক্তির আনন্দ কিংবা উল্লাস। এমনকী গণতন্ত্রও।  
বিশদ

10th  October, 2019
জল সঙ্কট নিরসনে: শারদীয়া দুর্গোৎসবের বার্তা
জয়ন্ত কুশারী
 

শারদীয়া দুর্গোৎসব বাঙালির প্রধান উৎসব। বাঙালি দুর্গোৎসবকে কলিযুগের অশ্বমেধযজ্ঞ বলে মনে করেন। দেবীপুরাণের পুজো প্রকরণেও এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে—অশ্বমেধমবাপ্নোতি ভক্তিনা সুরসত্তমঃ, মহানবম্যাং পূজেয়ং সর্বকামপ্রদায়িকা।
বিশদ

05th  October, 2019
‘দিদিকে বলো’ কোনও ম্যাজিক নয়
তন্ময় মল্লিক
 

প্রশান্ত কিশোরের ‘দিদিকে বলো’ দাওয়াই তৃণমূল কংগ্রেসকে কতটা বেনিফিট দেবে, তা জানা যাবে ২০২১ সালে। কিন্তু বঙ্গ রাজনীতিতে ‘পিকে’ যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছেন, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। বিধায়কদের দলীয় কর্মীর বাড়িতে নিশিযাপন, মানুষের মুখোমুখি হওয়ার টোটকায় অনেক বিধায়ক মাটিতে আছাড় খাচ্ছেন। কৃতকর্মের জবাবদিহি করতে না পারলেই অভিমান সীমা অতিক্রম করছে।  
বিশদ

05th  October, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-২০ সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। গত বছরের অক্টোবর থেকে ৫৬টির মধ্যে দেশের জার্সিতে ৪৮টি ...

 প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেল মন্ত্রক প্রতিটি জোনকেই ভাড়া ছাড়া অন্যান্য খাতে আয় বৃদ্ধির রাস্তা খুঁজতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই পথে চলে বিজ্ঞাপন সহ বিভিন্ন খাতে ইতিমধ্যেই আয় বাড়িয়েছে একাধিক জোন। ভাড়া ছাড়া অন্য খাতে আয় বৃদ্ধিতে এবার অব্যবহৃত জমিতে পুকুর কেটে ...

 মস্কো, ১৯ অক্টোবর (এএফপি): সাইবেরিয়ার ক্রাসনোইয়ারস্ক অঞ্চলে এক খনি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ...

বিএনএ, কোচবিহার: কোচবিহার পুরসভার বেশকিছু ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তার অবস্থা একেবারে বেহাল হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাগুলি বেহাল হয়ে থাকার কারণে বাসিন্দাদের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মরতদের সহকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকবে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা ও ব্যবহারে সংযত থাকা দরকার। ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

 বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
১৮৭১: কবি ও গীতিকার অতুলপ্রসাদ সেনের জন্ম
১৯৭৮: ক্রিকেটার বীরেন্দ্র সেওয়াগের জন্ম





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৮৯.৮৬ টাকা ৯৩.১৫ টাকা
ইউরো ৭৭.৭৩ টাকা ৮০.৬৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  October, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৯২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৯৩০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৪৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,৬৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,৭৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, ষষ্ঠী ৪/৩৯ দিবা ৭/৩০। আর্দ্রা ৩০/৩৪ সন্ধ্যা ৫/৫২। সূ উ ৫/৩৮/৩৫, অ ৫/৪/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/২৫ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৫ গতে ৯/১৬ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৭ গতে ১/২৮ মধ্যে পুনঃ ২/১৮ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৬ গতে ১২/৪৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬ গতে ২/৩০ মধ্যে।
২ কার্তিক ১৪২৬, ২০ অক্টোবর ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৫৩/৪/১৩ রাত্রি ২/৫২/৫২। আর্দ্রা ২৪/৪১/৫৯ দিবা ৩/৩১/৫৯, সূ উ ৫/৩৯/১১, অ ৫/৫/৫১, অমৃতযোগ দিবা ৬/৩২ গতে ৮/৪৫ মধ্যে ও ১১/৪২ গতে ২/৪০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/২৮ গতে ৯/১১ মধ্যে ও ১১/৪৬ গতে ১/২৯ মধ্যে ও ২/২১ গতে ৫/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৬/৪১ গতে ১১/২২/৩১ মধ্যে, কালবেলা ১১/২২/৩১ গতে ১২/৪৮/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৬/৪১ গতে ২/৩০/৫১ মধ্যে।
২০ শফর

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
শহরে ট্রাফিকের হাল
আজ, রবিবার সকালে শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। ...বিশদ

10:28:57 AM

উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগে ভূমিধস, আহত ৩, নিখোঁজ ২ 

10:25:00 AM

রায়গঞ্জে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা
 

করণদীঘির পর এবার রায়গঞ্জ শহরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের চেষ্টা। ...বিশদ

10:21:40 AM

ওড়িশার জগৎপুরে একাধিক বেআইনি বাজি কারখানার হদিশ, গ্রেপ্তার ১২ 

10:21:00 AM

পুনেতে ৫টি দেশি পিস্তল সহ গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি 

10:19:00 AM

গুরুগ্রামে একটি গাড়ি থেকে ১.৩৩ কোটি টাকা উদ্ধার করল পুলিস 

10:18:00 AM