Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।
কিন্তু কীভাবে? তিনি বলেছেন, সংযুক্তির ফলে ব্যাঙ্কের মূলধনের অভাব হবে না । নতুন শিল্প তৈরিতে ঋণ যাতে অনেক পরিমাণে বাড়িয়ে দেওয়া যায় তার ব্যাবস্থা হচ্ছে। সবচেয়ে বড় কথা, ঝুঁকিটা ভালোভাবে নেওয়া যাবে।
লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল, অর্থমন্ত্রী একবারও বলেননি ব্যাঙ্কগুলোকে সংযুক্ত করে জনগণের আর্থিক ক্ষমতা বাড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্কিমে প্রচুর ঋণদান বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেননি, গ্রামে শহরে সমাজের সর্বস্তরে আর্থিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের উদ্দেশ্য। এও বলেননি, সংযুক্তির মধ্য দিয়ে আম জনতার আর্থিক সক্ষমতা ও আর্থিক সুবিধা প্রসারের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সরকারের পক্ষ থেকে মূলত দুটি কারণ উল্লেখ করে এই সংযুক্তিকে খুব যুক্তিগ্রাহ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হচ্ছে। প্রথমত বলা হচ্ছে, এর ফলে ব্যাঙ্কগুলোতে পুঁজির ঘাটতি হবে না। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও দ্রুত ও নিশ্চিতভাবে ঋণ দান করা যাবে। তাতে মূলধন ও ঝুঁকির আনুপাতিক হিসেবটা অনেক নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এই কথা শোনা গেছে অর্থমন্ত্রী ও অর্থ সচিবের মুখে। সংযুক্তিকরণ প্রসঙ্গে, এমনকী, এসবিআই-এর চেয়ারম্যানকেও এমন কথা বলতে শোনা গেছে।
জানা গেছে, আরও দ্রুত এবং বেশি পরিমাণে ঋণদানের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই ঋণ দেওয়া হবে বাণিজ্য ক্ষেত্রে এবং শিল্প বিকাশে বাজার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে। কীভাবে? সম্পন্নদের জন্য গৃহঋণ, গাড়ি কেনার ঋণ (কার লোন) এবং নানাবিধ ভোগ্যপণ্য কেনাকাটার জন্য ঋণ। ভোগ্যপণ্য শিল্পের অনুকূলে দেওয়া হবে পার্সোনাল লোন বা ব্যক্তিগত ঋণ। এইভাবে ধীরে ধীরে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থাকে সম্পন্ন, উচ্চবিত্ত ও নানা স্তরের উদ্যোগপতিদের প্রয়োজনে কাজে লাগানোর ব্যাপারে ভাবা হচ্ছে।
আসলে, অর্থনীতির বৃদ্ধির হার বজায় রাখতে নানাভাবে বেসরকারি প্রকল্পে এবং টার্গেট বাজারের কাস্টমারকে অর্থের জোগান দিতে এই ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণ করা হচ্ছে। নইলে এর প্রয়োজন কতটা ছিল তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে যায়। সরকারি ব্যাঙ্কগুলি কিছুদিন আগেও অনাদায়ী ঋণ ও পুঁজির স্বল্পতায় যথেষ্ট ধুঁকছিল। তাদের মূলধনের বিপুল অভাব ছিল। বরং তখনই এটা করা অনেক বেশি যুক্তিগ্রাহ্য ছিল। ইউপিএ-র দ্বিতীয় পর্যায়ে তৎকালীন সরকারও ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের পথে এই একই কারণে হেঁটেছে। অভিজ্ঞতা বলে, তাতে কিন্তু খুব বেশি লাভ হয়নি। তবুও কেন সেই পরীক্ষিত ব্যর্থ পথটি অনুসরণ?
এখন মজার কথা হল, দুর্বল ব্যাঙ্কগুলির প্রায় সকলেই যখন তাদের সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের হিসেবে এককভাবেই চলতে সক্ষম তারা এবং নিজের ঋণদানের ক্ষমতা বিস্তৃত করতে সক্ষম বলে তারা বিবেচিত হচ্ছে ঠিক সেই সময় বেশ বড় মাপের সরকারি ব্যাঙ্ক তৈরি করার জন্য ব্যাঙ্ক-সংযুক্তি করার দরকারটা হল কেন? সেটা আমাদের জানা দরকার।
গত বছরের তুলনায় ভারতের অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার ৩ শতাংশ কমে গেছে। ঠিক এই সময়েই কয়লা উত্তোলন, ডিজিটাল মিডিয়া ও একক ব্র্যান্ডের খুচরো পণ্যের কেনাবেচায় ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি লগ্নিতে অনুমতি দিয়ে সরকার ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে। আরও এরকম নতুন নতুন পদক্ষেপ সফল করতে সংযুক্তির মাধ্যমে সরকারি ব্যাঙ্ককে সক্ষম করে তোলা হল।
এর থেকে বোঝা যাচ্ছে, সরকার চাইছে বেসরকারি শিল্পোদ্যোগীদের জন্য ব্যাঙ্কের দরজা পুনরায় হাট করে দিতে। আটকে থাকা নানা সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পে ঋণ দেওয়া এতে সহজ হবে। এইসব উদ্দেশ্যেই বাজেটে রাখা হয়েছিল ৯০ হাজার কোটি টাকা। সেই টাকায় ব্যাঙ্কে পুঁজি জোগানের কথা বলা হয়েছিল। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের থেকে ১ লক্ষ ৭৬ হাজার কোটি টাকা পাওয়ার পর সে পথ আরও সুগম হল।
কিন্তু প্রশ্ন থেকেই গেল: সংযুক্তিকরণের ফলে কি ব্যাঙ্কের পরিষেবা, প্রোডাক্টিভিটি, লাভ ও হিসেবের স্বচ্ছতা বাড়বে? জুলাই মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নতুন গভর্নর শক্তিকান্ত দাস কিন্তু এটাই চেয়েছিলেন। ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার উন্নতি ও সংস্কার সাধন নিয়ে ২০১৪ সালে তৈরি কমিটিও একই সুপারিশ করেছিল। এই সংযুক্তির পর কি সেগুলি কার্যকর করা যাবে? ব্যাঙ্কের অর্থ দেশবাসীর উন্নতিতে কাজে লাগাতে কি ব্যবহার করা হচ্ছে? নাকি নতুন কোনোভাবে নতুন নীতিতে ঋণদানের কথা ভাবছে সরকার? তা যদি না-হয়, তাহলে তো আবার কিছু নতুন নীরব মোদি বা বিজয় মালিয়া তৈরি হবে! মুখ থুবড়ে পড়বে দেশের সরকারি ব্যাঙ্কব্যবস্থাটি। এমন আশঙ্কা বোধহয় অমূলক নয়।
তাই ঘটা করে সংযুক্তি করা হচ্ছে, কিন্তু সংযুক্ত তহবিল থেকে কীসের ভিত্তিতে ঋণ দেওয়া হবে, তার ব্যাপারে কোনও ঘোষিত মানদণ্ড প্রকাশ্যে না-এলে বিপদের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো মুশকিল হতে পারে বইকি। এই ব্যাপারে কোনও জনকল্যাণমূলক সিদ্ধান্ত এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়নি। মনে রাখা দরকার, গ্রামীণ অর্থনীতিতে চাহিদা বাড়াতে একশো দিনের কাজে মূলধন বরাদ্দ বাড়ানো দরকার। শহুরে বেকারত্ব কমাতে ‘মুদ্রা লোন’ স্কিমে অর্থ বরাদ্দ বাড়ানোর প্রচুর সুযোগ আছে। সেটা নিয়ে আশ্চর্যরকমভাবেই এই সরকার নীরব। শুধু কর্পোরেট লগ্নি বাড়াতে এবং সম্পন্ন ও উচ্চবিত্তের হাতে নগদ জোগান বাড়িয়ে আর্থিক স্টিমুলাস তৈরি করতেই ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের পথ নেওয়া হচ্ছে বলে সন্দেহ দেখা দিয়েছে।
সুদের হার রাতারাতি কমিয়ে আরও বেশি ঋণ দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ঘোষণা শুরু হয়ে গেছে। রপ্তানি বাড়াতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প চাঙ্গা করতে স্বল্প সুদে ঋণ দিতে এবং আটকে থাকা সরকারি পরিকাঠামো প্রকল্পগুলোকে পুনরায় চালু করতেই ব্যবহার করা হবে সংযুক্ত তাহবিল। আইএলএফএস-এর মতো নন-ব্যাঙ্কিং আর্থিক সংস্থা গুটিয়ে যাওয়ায় যে বিপুল একটা শূন্যতা তৈরি হয়েছিল, সেই জায়গাটা পূরণ করতেও সরকার এবার ব্যবস্থা নিতে পারে।
এতদ্‌সত্ত্বেও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়ে গেছে: সংযুক্তিকরণের পর নতুন ব্যাঙ্কের মূলধন অনেক বাড়লেও সেই ব্যাঙ্কটি সঠিকভাবে মানুষের প্রয়োজন মেটাতে পারবে কি? অর্থনীতির প্রয়োজন মিটিয়ে আরও বেশি মুনাফা তৈরি করতে পারবে কি? তার কোনও গ্যারান্টি কোথায়? এর সবথেকে বড় দৃষ্টান্ত হচ্ছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (এসবিআই)। এটাই ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক ব্যাঙ্ক। বিরাট তার পরিকাঠামো এবং বল। তবুও ইতিপূর্বে বেশ কিছু সহযোগী ব্যাঙ্ককে তার সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েও স্টেট ব্যাঙ্ক কিন্তু উপরের প্রত্যাশাগুলি পূরণ করতে পারেনি। হাজার হাজার গ্রামে ও শহর এলাকায় অবস্থান সত্ত্বেও নীতিগত ও প্রযুক্তিগত কারণে এই সাফল্য তার অধরা রয়ে গেছে। আর্থিক প্রোডাক্ট ও নানা স্কিমে সঞ্চয়আকর্ষণ ও ঋণদানে যে-ধরনের মৌলিক উদ্ভাবনী চিন্তার প্রয়োগ দরকার ছিল তার অভাবেই এসবিআই পারেনি। তাই অনেক কম পুঁজি নিয়েও বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাঙ্কের মূলধন ও ঋণের উৎপাদনশীলতা ও মুনাফার হার অনেক বেশি।
ক্রেতা পরিষেবা বাড়াতে না পারলে কেবলমাত্র ব্যাঙ্কিং সংযুক্তি দিয়ে ব্যাঙ্কের মুনাফা বাড়ে না। সমস্যাটা এখানেই। মূলত যে-সমস্ত সমস্যায় ছোট রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলি ভুগছিল তা হল ক্রমশ মুনাফা করবার ক্ষমতা কমে যাওয়া, লগ্নি থেকে রিটার্ন কমে আসা এবং অনাদায়ের আশঙ্কায় ভোগা সম্পদের পরিমাণ ক্রমশ বাড়তে থাকা। সংযুক্তির পর যদি এই বিষয়গুলি সঠিকভাবে নজর না-দেওয়া হয় তাহলে আবার ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে উঠতে পারে। এর জন্য যেটা করতে হবে সেটা হল রোজ এই সমস্ত ব্যাঙ্কের পারফরম্যান্সের উপরে নজর দেওয়া, নইলে ব্যাঙ্কগুলিকে শুধুমাত্র সংযুক্তি ঘটিয়ে দিলেই তাদের আসল সমস্যা দূর হবে না।
আজকের দুনিয়ায় নিওলিবারেল অর্থনীতিতে ব্যাঙ্কিংকার্যাবলি দু’ভাবেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে প্রভাবিত করে। একটি চাহিদা তৈরি করার ক্ষেত্রে, আর-একটি জোগান দেওয়ার ক্ষেত্রে। এই দু’জায়গায় সঠিক ভূমিকা নিয়ে ঋণদান, পুঁজিনির্মাণ, সঞ্চয়গঠন ও ঋণআদায় কার্যক্রমের মধ্যে ভারসাম্য রেখে জনগণের মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে এগিয়ে আসতে হয় ব্যাঙ্ককে। অর্থনীতির মৌলিক চাহিদাগুলোর প্রয়োজন না-মেটানো গেলে ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণ অর্থহীন হয়ে যাবে। মনে রাখতে হবে, দুর্বল, ঋণআদায়ে অনুপযুক্ত, অনুৎপাদক সম্পদে (এনপিএ) ভারাক্রান্ত ব্যাঙ্ককে একটি সবল সক্রিয় ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত করে দিলে সাধারণত কোনও লাভ হওয়ার কথা নয়। সক্রিয় ব্যবস্থাটিকে তখন অনেকখানি উৎপাদনশীলতা হারাতে হয় অক্ষম ব্যবস্থাকে সচল রাখার জন্য। মাথাভারী ও দুর্বল ব্যাঙ্ক টেনে নিয়ে যাওয়ার পিছনে কোনও অর্থনৈতিক যুক্তি থাকতে পারে না।
তার থেকে অনেক ভালো হল দুর্বল ব্যাঙ্ক বন্ধ করে দিয়ে তার সকল কর্মী, সম্পদ এবং সম্ভাব্য কুঋণ বাতিল করে ব্যালান্স যা-কিছু আছে সেগুলো সবল ব্যাঙ্কে ট্রান্সফার করে দেওয়া। অনেকে মনে করেন, এইভাবে হিসেবের খাতায় দুটি ব্যাঙ্কের মিলিত অস্তিত্বে সরকারি সিলমোহর দিয়ে একনামে চালালেই বোধ হয় ঘটে যাবে সংযুক্তিকরণ। আসলে এই উদ্যোগ তখনই সার্থক হবে যখন দুর্বলকে সাহায্য করার সঙ্গে সঙ্গে সবল ব্যাঙ্কের ক্ষমতাও আরও বাড়তে থাকে, দুর্বলের নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে। আশা করি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার কর্মকর্তারা এ বিষয়টি মনে রেখে সংযুক্তিকে সফল করে তোলার চেষ্টা করবেন। আজকের পরিস্থিতিতে উচিত হবে, ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি নর্ম অনুযায়ী প্রতিটি অ্যাঙ্কর ব্যাঙ্কের তহবিল থেকে অবিলম্বে ক্রেডিট ফ্লো বাড়ানো। এর মানে শুধু ঋণ দেওয়া নয়। অর্থাৎ নতুন ঋণ কীভাবে কতটা আরও প্রোডাক্টিভ হতে পারে তার জন্য নতুন প্যাকেজের কথা ভাবা। উৎপাদন রপ্তানি ও কৃষিক্ষেত্রকে চাঙ্গা করতে ব্যাঙ্কের ঋণ বাড়াতে হবে। তবেই সংযুক্তিকরণ সার্থক হবে।
আসল কথা হল, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের পরিচালন ব্যবস্থায় গুণমান বাড়াতে হবে। অর্থমন্ত্রীও অবশ্য তার জন্য ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। ঝুঁকি নিয়ে শুধু ঋণ দেওয়াটাই যথেষ্ট নয়, ঋণদানকে ঝুঁকিহীন করে তোলাটাই কিন্তু আসল কাজ। ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পুঁজি খাটানোর উদ্দেশ্যকে রাজনীতির প্রভাবমুক্ত করে তোলা দরকার। তবেই ব্যাঙ্ক শক্তিশালী হবে। নইলে সংযুক্ত হওয়ার পর আরও বেশি করে নতুন ঋণ দেওয়ার নামে আরও বেশি লুট চলবে।
কীভাবে সংযুক্তিকরণ থেকে সরকার সুফল আদায় করবেন সেটা নির্ভর করবে ব্যাঙ্কের তহবিল পরিচালনার উদ্দেশ্যের উপর। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গভর্নর বিমল জালান তাঁর ‘ফিউচার অফ ইন্ডিয়া’ গ্রন্থে লিখেছিলেন, কর্তৃত্ববাদী সরকার অর্থনৈতিক ব্যর্থতার সঙ্গে সঙ্গে গণতন্ত্রকেও বিপন্ন করে তোলে (ফিউচার অফ ইন্ডিয়া, পেঙ্গুইন, পৃষ্ঠা ১২)। ব্যাঙ্ক সংযুক্তিকরণের ক্ষেত্রেও এই কথাটি মনে রাখা বিশেষভাবে জরুরি।
সরকার যদি মনে করে, তার ইচ্ছেমতো ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যাঙ্কের তহবিল ব্যবহার করবে তাহলে অর্থনৈতিক উন্নতি হবে না এবং এদেশটা টুকরো টুকরো হয়ে যাবে অর্থনৈতিক বৈষম্যে। এই বিষয়টি নিয়ে আর-এক প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজনের সঙ্গে সরকারের বিরোধ চরম জায়গায় পৌঁছেছিল। সেই সময় থেকেই এ দেশের ব্যাঙ্কিংব্যবস্থার মধ্যে যে ঘুণ ধরেছে সে-কথা বার বার বোঝাতে চাইছিলেন। নিজের রিপোর্টে রাজন পরিষ্কার লিখেছিলেন, দুষ্টচক্রের পুঁজিবাদ গ্রাস করছে ভারতের অর্থনীতিকে। রাজনৈতিক প্রভাবে বা অন্য সূত্রে প্রভাব খাটিয়ে অযোগ্য কর্পোরেটকে দিয়ে শিল্পায়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ পাইয়ে দেওয়ার যে-বন্দোবস্ত চালু রয়েছে অবিলম্বে তা বন্ধ না-হলে দেশের ব্যাঙ্কিংব্যবস্থা মুখ থুবড়ে পড়বে। সমস্ত ব্যাঙ্কের অনুৎপাদক সম্পদ (এনপিএ) বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার কারণ এটাই।
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তির উদ্দেশ্য যদি শুধুমাত্র অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার বাড়ানো হয় (ব্যাঙ্কের এবং জনগণের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা বাদ দিয়ে) তাহলে একথাও বলে রাখা ভালো—এই সংযুক্তিকরণের পরেও সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক এবং সামগ্রিকভাবে ব্যাঙ্কব্যবস্থা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। অর্থনীতির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে এমন কিছু ব্যবস্থা নেওয়া তাই জরুরি। নিজস্ব সম্পদের উপরে ব্যাঙ্কের আয়বৃদ্ধির বিষয়টিও ভাবা দরকার। শক্তিশালী ব্যাঙ্ক হলে তবেই শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব। এই সংযুক্তিকরণ থেকে যাতে ব্যাঙ্ক আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে তার জন্য প্রয়োজন ইকনোমিজ অফ স্কেলের সুবিধা নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে খরচ কমানো, আয় বাড়ানো, কর্মচারীদের সুরক্ষা বৃদ্ধি এবং গ্রাহক পরিষেবা বাড়াতে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা। এছাড়া ভারতীয় ব্যাঙ্কিংব্যবস্থার পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো বস্তুত অসম্ভব।
শেষে একটি কথা বলা প্রয়োজন। এই সংযুক্তিকরণের ফলে যে-সমস্ত দুর্বল ব্যাঙ্ককে মিশিয়ে দেওয়া হল, তাদের গ্রাহক পরিষেবা ও ব্যাঙ্কের নিজের প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্মের মিলকরণ নিয়ে সরকারকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। নইলে অর্থনীতিতে আর-একটি বড় ঝড় আসতে পারে। সেটা হয়তো নোট বাতিল বা তড়িঘড়ি জিএসটি লাগুর মতো ভয়ঙ্কর হবে না, তবুও বিষয়টি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে আর্থিক লেনদেন ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা থাকবে। তার বহুকৌণিক প্রতিঘাতে দেশের হালফিল অর্থনৈতিক সমস্যাটি হ্রাসের পরিবর্তে বেড়ে যেতে পারে, তীব্রতর হতে পারে আর্থিক বৃদ্ধির হার হ্রাসের প্রবণতাটিও। তাই এই বিষয়ে এখনই যথার্থ পদক্ষেপ জরুরি।
 মতামত লেখকের ব্যক্তিগত
16th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

 কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ বিশদ

13th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু।
বিশদ

07th  September, 2019
অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। সকলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
বিশদ

06th  September, 2019
নিজেকে জিজ্ঞেস করো, দেশের জন্য কী করতে পার
মৃণালকান্তি দাস

হোয়াইট হাউস-এর  পবিত্রতা নষ্ট করার দুর্নাম জুটেছিল কি না বেচারি বিল ক্লিন্টনের!‌ তখনও নাকি মার্কিন আম জনতা মুখ বেঁকিয়ে বলেছিল,  কোথায় মেরিলিন মনরো,  আর কোথায় মনিকা লিউইনস্কি!‌ তবে, মনরো–কেনেডির এই প্রেম রীতিমত ঢাক–ঢোল পিটিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে মার্কিন গণজীবনে। ১৯ মে ১৯৬২। কেনেডির আসল জন্মদিনের ১০ দিন আগেই উৎসব হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে। ১৫ হাজার অতিথির তালিকায় তাবড় রাজনীতিক ও হলিউড সেলেবদের ছড়াছড়ি। বিরাট কনসার্টে মারিয়া কালাস,  এলা ফিটজেরাল্ড-এর মতো ডাকসাইটে শিল্পীদের পাশাপাশি মেরিলিন মনরো!‌ ইতিহাস হয়ে গিয়েছে সেই সন্ধ্যায় মনরোর গাওয়া  ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মিস্টার প্রেসিডেন্ট’।  
বিশদ

06th  September, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: দরিদ্রতাকে উপেক্ষা করে নবদ্বীপের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র রাজ দেবনাথ রাজ্য স্কুল গেমস প্রতিযোগিতায় জিমন্যাস্টিক বিভাগে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। খুশির হওয়া নবদ্বীপে। ...

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: ঠিকা কর্মীদের মাইনে নেই মাসের পর মাস। বিএসএনএলের পরিষেবা অনেকটাই নির্ভর করে তাঁদের উপর। তাই পরিষেবাও লাটে উঠেছে। মরার উপর খাঁড়ার ঘায়ের ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: রাজ্যবাসীকে ডেঙ্গুর বিপদ থেকে বাঁচাতে এ বছর ৪৭৫ কোটি টাকা খরচ করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য দপ্তর। শুধু ডেঙ্গু মোকাবিলাতেই এই বিপুল ...

সংবাদদাতা, গাজোল: যাত্রীদের সুবিধার্থে পুজোর মুখে চার দিন মালদহ ডিপো থেকে বাড়তি বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা (এনবিএসটিসি)। মালদহ থেকে কলকাতা যাওয়ার জন্য বাড়তি সরকারি বাস চালানো হবে জেনে যাত্রীদের মধ্যেও খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তি সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কারও শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস
১৫০২ - কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস
১৮৯৯- সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ রাজনারায়ণ বসুর মৃত্যু
১৯৫০- অভিনেত্রী শাবানা আজমির জন্ম
১৯৭৬- ব্রাজিলের ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
২০০৬- ফুটবলার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.০২ টাকা ৭২.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৬০ টাকা ৯০.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৬২ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৩৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৩১/৫১ সন্ধ্যা ৬/১২। অশ্বিনী ৩/১১ দিবা ৬/৪৪। সূ উ ৫/২৭/৩১, অ ৫/৩৪/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৭/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৫ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩১ গতে ১/১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৮ মধ্যে।
৩১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ২৪/৪০/১০ দিবা ৩/১৯/১৪। অশ্বিনী ০/৫/৪৪ প্রাতঃ ৫/২৯/২৮, সূ উ ৫/২৭/১০, অ ৫/৩৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/২৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩১/৫০ গতে ১/৩/১ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩০ গতে ১০/০/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩০ গতে ৩/৫৮/২০ মধ্যে। 
১৮ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মোদিকে তাদের আকাশপথ ব্যবহার করতে দেবে না পাকিস্তান
 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরের জন্য পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার ...বিশদ

08:02:00 PM

দ্বিতীয় টি২০: টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত বিরাট কোহলির 

06:40:25 PM

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভালো কথা হয়েছে: মমতা 
দীর্ঘ দিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্তে বৈঠক করলেন ...বিশদ

05:31:00 PM

খানাকুল ও পুরশুড়া থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন ১২জন
 

খানাকুল ও পুরশুড়া থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ ১২ জন ...বিশদ

05:15:00 PM

রেল কর্মীদের জন্য সুখবর 
উৎসবের মরশুমে সুখবর। বুধবার রেলকর্মীদের জন্য ৭৮ দিনের উৎপাদনভিত্তিক বোনাস ...বিশদ

05:13:50 PM

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

05:04:26 PM