Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

ব্যর্থতা নয়, অভিনন্দনই
প্রাপ্য ইসরোর বিজ্ঞানীদের
মৃণালকান্তি দাস

‘সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে!’ বারবার কথাটা বলেছিলেন ইসরোর সভাপতি কে শিবন। গত শুক্রবার মাঝরাত পর্যন্ত সবকিছু একেবারে নিখুঁতভাবেই চলেছিল। আশা করা হচ্ছিল কামাল দেখাবে কৃত্রিম মেধা। রাত দেড়টা থেকে দুটোর মধ্যে অনুসন্ধানী যান ‘প্রজ্ঞান’কে ভিতরে নিয়ে পালকের মতো ভেসে চাঁদের পিঠে নামার কথা ছিল ‘বিক্রম’-এর। ঠিক যেভাবে হেলিকপ্টার হেলিপ্যাডে নেমে আসে, ঠিক তেমনভাবে চাঁদে তার চার পা রাখবে ভারতের বিক্রম। এই এক ঘণ্টার মধ্যে সবথেকে উদ্বেগের সময় ছিল শেষ পনেরো মিনিট। বিক্রমের চাঁদের মাটি ছোঁয়ার মুহূর্ত থেকে থিতু হওয়া পর্যন্ত। তারপর একটু জিরিয়ে নেওয়ার কথা বিক্রমের। ঘণ্টা তিনেক। ভারতীয় সময় সকাল ৫.৩০ থেকে ৬.৩০, এই এক ঘণ্টা বরাদ্দ ছিল ‘ল্যান্ডার’ বিক্রমের ভিতর থেকে রোভার ‘প্রজ্ঞান’–এর বেরিয়ে আসার জন্য। বাইরে এসে নিজের সোলার প্যানেল প্রথমে মেলে ধরবে প্রজ্ঞান। সৌরশক্তিই তাকে চালাবে। অবতরণ ক্ষেত্র থেকে ৫০০ মিটার দূর পর্যন্ত গড়গড়িয়ে যেতে পারবে সে। নমুনা সংগ্রহ করবে চাঁদের মাটি, পাথরের। খুঁজবে জলের দাগ। চাঁদের জমিতে যাচাই করে দেখবে কোনও নতুন খনিজ পদার্থ আছে কি না। গোটা দেশ ভরসা রেখেছিল ইসরোর বিজ্ঞানীদের উপরে। শুক্রবার মাঝরাতে গোটা দুনিয়াকে তাক লাগিয়ে ‘বিক্রম’ নেমে এসেছিল নিখুঁতভাবেই। কিন্তু চাঁদের মাটি থেকে আকাশে ২.১ কিলোমিটার উপরে থাকার সময় ইসরো যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেছিল বিক্রমের সঙ্গে। থমকে গিয়েছিল পর্দা!
শুরু থেকেই ছিল বিপত্তি! গত ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটা থেকে চন্দ্রযান ২-এর যাত্রা থমকে গিয়েছিল শেষ মুহূর্তে। ত্রুটি সামলে এক সপ্তাহ পরেই গত ২২ জুলাই বাহুবলী রকেটের ঘাড়ে চেপে রওনা দিয়েছিল ভারতের দ্বিতীয় চন্দ্রযান। তখনই ঠিক হয়েছিল যাত্রা পিছিয়ে গেলেও আগের নির্ধারিত দিনেই গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে চন্দ্রযান ২-কে। যাত্রা পিছিয়ে গেলেও পৌঁছনোর দিন একই রাখায় প্রশ্ন উঠেছিল, তাতে কোনও বিপত্তি হবে না তো! ইসরো আশ্বাস দিয়েছিল, এরজন্য গতি কিছুটা বাড়াতে হবে। পৃথিবীকে পাঁচ পাক ও চাঁদের চার পাশ পাঁচ পাক খাবে চন্দ্রযান ২। তার মাপজোকেও কিছু বদল অবশ্যই ঘটাতে হবে।
তবে কি একটু বেশি তাড়াহুড়ো করে ফেলেছিল ইসরো? নাকি এই তাড়াহুড়োর পিছনে ছিল রাজনৈতিক মহলের চাপ? এত বছরের পরিশ্রম বৃথা গেল? তিল তিল করে গড়ে তোলা স্বপ্ন সত্যি কি শেষ হয়ে গেল? কোথায় বিক্রম? কেন সে ইসরোর মিশন কন্ট্রোল রুমের কম্যান্ডের উত্তর দিল না? কোথায় গাফিলতি হল? সেই প্রশ্নই এখনও ঘুরপাক খাচ্ছে বিভিন্ন মহলে। কাকতালীয় ঘটনা বলতে পারেন, ৭ সেপ্টেম্বর ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে নরেন্দ্র মোদি সরকারের। সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার দিনেই এমন একটা সাফল্য আসতে চলেছে— প্রধানমন্ত্রী তা নিয়ে খুবই উৎসাহিত ছিলেন দিনভর। এক ঝাঁক ট্যুইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই অভিযান ভারতের মেধা এবং নিষ্ঠার প্রমাণ। এই সাফল্য দেশের মানুষের উপকারে আসবে। আবার কোনও ট্যুইটে দেশবাসীকে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে বলেছেন। কখনও জানিয়েছেন, তাঁর বেঙ্গালুরুতে আসার কথা। সারা দেশ থেকে কুইজের মাধ্যমে বেছে নেওয়া যে ৬০ পড়ুয়া বেঙ্গালুরুতে তাঁর সঙ্গে বসে অবতরণ দেখবে, ট্যুইট করেছেন তাদের নিয়েও। সাফল্যের তালিকায় চন্দ্র বিজয়কে জুড়ে নেওয়ার পক্ষে এমন ভালো দিন আর কী হতে পারত শাসক শিবিরের কাছে! কিন্তু হল না। নামার আগে হারিয়ে গেল বিক্রম। ইতিহাসকে আর ছোঁয়া যায়নি। সাফল্যের উচ্ছ্বাসও নিমেষে ম্লান। কিন্তু ভারতবাসী সমালোচনার পথে হাঁটেনি। ইসরোর ৪৮ দিনের সফল পথ যাত্রাকেই বাহবা দিচ্ছে। কেউ কেউ স্যালুট জানিয়েছে ইসরোকে। হিরোর মর্যাদা দিয়েছে কে শিভনকে। হিরোই বটে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘ইসরো’।
এত কম খরচে ভারতের চন্দ্রাভিযান কর্মসূচিতে রীতিমতো বিস্মিত গোটা দুনিয়া। গোটা প্রকল্পে খরচ ৯৭৮ কোটি টাকা,যা হলিউডের ছবি অ্যাভেঞ্জার্স: অ্যান্ড গেম–এর বাজেটের চেয়ে কম। বলেছিলেন রুশ মহাকাশচারী জেরিলিনেনগার। বলেছিলেন, ‘অভিযানের খরচ যত কম হবে, তত বেশিবার অভিযান করা যাবে। আর অভিযান থেকে যত বেশি আমরা শিখব, তত বেশি মানুষের জ্ঞানের জগৎ প্রসারিত হবে। তাই ইসরোর কাছে সকলের শেখা উচিত।’ ইসরো এত দিন অত্যন্ত শক্তিশালী ও সর্বাধুনিক মিসাইল বানানোর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করত। মিসাইল বানাত। পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য সেগুলির উৎক্ষেপণ করত। কাগজে ছবি বেরত। কিন্তু সেই প্রযুক্তিটা কী, দেশের নিরাপত্তার কারণেই ইসরো সে ব্যাপারে মুখে কুলুপ এঁটে থাকত। স্বাভাবিকভাবেই এখনও থাকে। কারণ, প্রযুক্তিটা সকলকে বলে দিলে তো শত্রু দেশও তা বানিয়ে ফেলবে! তাই গোপনীয়তা বজায় রাখতেই হতো, এখনও হয়। যেহেতু সেগুলি হয় প্রতিরক্ষা গবেষণা উন্নয়নসংস্থা (ডিআরডিও) বা কেন্দ্রীয় পরমাণু শক্তি মন্ত্রকের (ডিএই) তত্ত্বাবধানে। চন্দ্রযান-২ সেই আড়ালটা ভেঙে দিয়েছে। চন্দ্রযান-২ কিন্তু ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নতুন হিরোর জন্ম দিয়েছে।
১৯৬৯ থেকে ২০১৯। ৫০ বছর ধরে বিজ্ঞানের নানা উপহার সারা বিশ্বের সামনে হাজির করে চলেছে ইসরো। শুরুতে সর্বাধিক ৪০ কেজি ওজনের উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হয়েছিল ইসরো। সেখান থেকে আজ চন্দ্রযান ২ চাঁদের কক্ষপথে উড়ে গিয়েছিল ৪ হাজার কেজি ওজন নিয়ে। এই ৫০বছরের পথে অনেক চড়াই-উতরাই হয়েছে। বারবার হোঁচট খেয়েছে ইসরো। কিন্তু কখনও দমে যায়নি। বরং বারবারই নতুন করে ব্যর্থতাকে ছাপিয়ে আরও বড় আকারে সাফল্যের দিকে এগিয়ে গিয়েছে ইসরো। কে না জানে, বিশ্বের সামনে ইসরো এতটাই সফল যে, আমেরিকা, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, ইতালি, জার্মানি, জাপানও তাদের স্যাটেলাইট পাঠানোর জন্য আজ ইসরোর উপর ভরসা করে। ভারতের চন্দ্র-অভিযান প্রশংসা আদায় করে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিধর দেশ আমেরিকার। প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে সে দেশের মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র নাসাও। জানিয়ে দিয়েছে, ইসরোর সঙ্গে যৌথভাবে সৌরজগৎ অন্বেষণের কাজ করতে চায় তারা। কারণ, ইসরোর অভিযান নাসার কাছে প্রেরণা জুগিয়েছে। ট্যুইটারে ইসরোকে ট্যাগ করে নাসা লিখেছে,‘মহাকাশটা কঠিন জায়গা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে পা রাখতে ইসরোর চন্দ্রযান-২ অভিযান প্রশংসনীয়। একে অভিনন্দন জানাই। এই প্রেরণাদায়ক অভিযানের পর ভবিষ্যতে একসঙ্গে সৌরজগতের অন্বেষণ করতে আমরা উদ্বুদ্ধ।’ আমেরিকা জানিয়েছে, চন্দ্রযান-২ অভিযান ভারতের একটি বিরাট পদক্ষেপ। যা ভবিষ্যতে বৈজ্ঞানিক অগ্রগতিতে রসদ জোগাবে।
আসলে ব্যর্থতার মধ্যেই রয়েছে আগামীর সাফল্যের সন্ধান। মনে করছে আসমুদ্র হিমাচল। ‘নাসা’র মতো গর্ব করার একটা সংস্থা আমার দেশেই রয়েছে। আগামী দিনে মৌল বিজ্ঞানের গবেষণায় যদি ইসরো বেশি বেশি করে হাত মেলায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হাতে, তাতে নতুন প্রজন্মের লাভ যথেষ্টই। বিজ্ঞানে সাফল্য যেমন আছে, তেমনি আছে হতাশা। আর হতাশা আছে বলেই তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশ হয়েও চাঁদের মাটি ছোঁয়ার ধৃষ্টতা দেখাতে পেরেছে ভারত। জানা গিয়েছে, অরবিটারে থাকা ৮টা যন্ত্র এখনও ঠিকঠাক কাজ করে যাচ্ছে। আগামীদিনে আমরা যদি চাঁদে ঘাঁটি গাড়তে চাই, তা হলে জলের খোঁজ জরুরি। চাঁদে যে জল আছে, চন্দ্রযান-১ আমাদের আগেই সে খবর দিয়েছে। এখন চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কতটা জল আছে, মাটি থেকে কতটা নীচে, সেই জল বার করতে কতটা ঝামেলা হতে পারে— সব বলে দেবে অরবিটারে থাকা যন্ত্র। এই অরবিটারেই আছে দু’টো অত্যন্ত শক্তিশালী হাই-রেজলিউশন ক্যামেরা। চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে এর আগে কখনও পা পড়েনি। ওই অঞ্চলের মানচিত্র এনে দেবে এই দু’টি ক্যামেরা। এখানেই ভারতের চন্দ্রযান ২–এর অভিযানের সাফল্য। দ্বিতীয় চন্দ্রযানের অরবিটার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তার পর্যবেক্ষণ থেকে প্রচুর মূল্যবান তথ্য মেলার সম্ভাবনা। অবশ্যই এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য। সেই সাফল্য ৯৫ শতাংশ, না পুরোটাই ব্যর্থ, সে বিতর্ক থাকবেই। তা বলে এ নিয়ে বেশিদিন বসে থাকলে হতাশা আসতে বাধ্য।
বিক্রমের খোঁজ চালানোর পাশাপাশি এবার তাই চন্দ্রযানের তৃতীয় অভিযানের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসরো। চেয়ারম্যান কে শিবন ইতিমধ্যেই ঘোষণা করে দিয়েছেন চন্দ্রযান-৩ মিশনের জন্য আলাদা টিম কাজ শুরু দিয়েছে। তবে এরপরের অভিযানটি হবে জাপানের সহযোগিতায়। নিয়ম মতো সব এগলে আরও এক ল্যান্ডারকে নিয়ে ২০২৪ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতেই ফিরে যাবে ইসরো। শুধু চন্দ্রযান-৩ নয়,প্রস্তুতি শুরু হয়েছে সৌর মিশন ‘আদিত্য এল-১’,‘শুক্রযান-১’, ‘গগনযান’, ‘মঙ্গলযান-২’ ও চাঁদে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বানানো নিয়েও। জাপানের এয়ারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি বা জাক্সার সঙ্গে যৌথভাবে চন্দ্রযান-৩ অভিযান করবে ভারত। সেই সময় চাঁদের মাটি খুঁড়ে পৃথিবীতে এনে গবেষণা করার কথা রয়েছে। জাক্সার উপগ্রহ বিশ্লেষক যান হায়াবুসা-২ গত জুলাই মাসেই দ্বিতীয়বারের জন্য ঝুঁকিবহুল একটি উপগ্রহে গিয়ে নেমেছে। কোনও বিপদসঙ্কুল জায়গায় ঝুঁকি নিয়ে নামতে তারা কতটা সফল তা প্রমাণ করে দিয়েছে। ২০২৪-এর যৌথ মিশন অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত ঠিক রয়েছে রকেট আর রোভার তৈরি ও তাকে প্রেরণের দায়িত্ব থাকবে জাপানের উপর। আর ল্যান্ডার পাঠাবে ভারত। রোভারটি চাঁদে ড্রিল করে মাটি-পাথর তুলে পৃথিবীতে ফিরে আসবে। বিশ্বে এই প্রথম দুই দেশ যৌথভাবে চাঁদে মানববিহীন যান পাঠিয়ে সেখানকার মাটি নিয়ে ফিরে আসার পরিকল্পনা করেছে। ২০৩০ সালে একটি মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র বানানোর পরিকল্পনাও রয়েছে ভারতের। আর তা রয়েছে সেই চাঁদেই। এই অভিযান প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা মহাকাশ বিজ্ঞানী এ পি জে আব্দুল কালামের স্বপ্ন। তাঁর যুক্তি ছিল, চাঁদে ল্যাবরেটরি, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র বানাতে খরচ কম পড়বে। ইসরোর হাতে অনেক কাজ। অনেক।
ইতিমধ্যে ইসরো জানিয়েছে, এক বছর কাজ করার কথা থাকলেও অরবিটারটি সাত বছর ধরে কাজ করতে পারবে। কারণ, সফল ও উন্নত উৎক্ষেপণের ফলে অরবিটারের জ্বালানি কম খরচ হয়েছে এবং কর্মক্ষমতা বেড়ে গিয়েছে। বিক্রমের কী অবস্থা, তা জানতে ইসরোর ভরসা ওই অরবিটার। সেটা কী কম সাফল্য? ইসরোর কয়েক হাজার বিজ্ঞানী-ইঞ্জিনিয়ার তো বটেই, এত জটিলতার মধ্যে দিয়ে গিয়ে প্রায় শিখর ছোঁয়া জীবনের ক্ষেত্রেও একটা বড় শিক্ষা। কিন্তু তারও চেয়ে মূল্যবান কথা এই যে, এই প্রজন্মের ভারতীয়রা একটা অন্ধকার অতীত পিছনে ফেলে মহাকাশ অভিযানের পথে এগিয়ে গেলেন। আর একটা সাফল্যের পিছনে থাকে অজস্র ব্যর্থতা! বিজ্ঞানের ইতিহাসই তো ইসরোর সম্বল। যে ইতিহাসে রয়েছে ১৯৭৯ সালে ভারতের প্রথম উপগ্রহ প্রেরণের ব্যর্থতা।
কালামের জেদেই ভেঙে পড়েছিল ইসরোর রোহিনী। না, তারপরেও এ পি জে আব্দুল কালামকে সে দিন ‘ফায়ার’ করেননি ইসরোর তদানীন্তন চেয়ারম্যান সতীশ ধাওয়ান! বলেননি, ‘দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল কালামকে’! তার এক বছরের মধ্যেই ধরা দিয়েছিল সাফল্য। ধাওয়ানের নির্দেশে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেই কালাম-ই। তাঁর কথায়, ‘ওই দিন আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ পাঠ পেয়েছিলাম। ব্যর্থতা এলে তার দায় সংস্থার প্রধানের। কিন্তু,সাফল্য পেলে তা দলের সকলের। এটা কোনও পুঁথি পড়ে আমাকে শিখতে হয়নি। এটা অভিজ্ঞতা থেকে অর্জিত।’ ব্যর্থতার সময় গোটা দেশ যখন ক্ষিপ্ত তখন সতীশ ধাওয়ান আড়াল করে রেখেছিলেন তাঁর বিজ্ঞানীদের। সাফল্যের পর সবাই যখন ফুলের মালা নিয়ে বরণ করতে প্রস্তুত তিনি তখন সামনে এগিয়ে দিয়েছেন অভিনন্দনের আসল দাবিদারকে। বিক্রম সারাভাইয়ের হাতে জন্মের পর থেকে ইসরো এই ভাবেই চলে এসেছে। এখনও চলছে। অভিনন্দন ইসরোর বিজ্ঞানীদের। থমকে যাবেন না। আপনাদের দিকে তাকিয়ে গোটা দেশ। সাফল্যের খোঁজে আগামীর ভারত।
13th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
আমেরিকায় মধ্যবয়সের
সঙ্গী সোশ্যাল মিডিয়া
আলোলিকা মুখোপাধ্যায়

যে বয়সে পৌঁছে দূরের আত্মীয়স্বজন ও পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা ক্রমশ আগের মতো সম্ভব হয় না, সেই প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধার জীবনে ইন্টারনেট এক প্রয়োজনীয় ভূমিকা নিয়েছে। প্রয়োজনীয় এই কারণে যে, নিঃসঙ্গতা এমন এক উপসর্গ যা বয়স্ক মানুষদের শরীর ও মনের উপর প্রভাব ফেলে। বিশদ

14th  September, 2019
মোদি সরকারের অভূতপূর্ব কাশ্মীর পদক্ষেপ পরবর্তী ভারতীয় কূটনীতির সাফল্য-ব্যর্থতা
গৌরীশঙ্কর নাগ

 এই অবস্থায় এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ৩৭০ ধারা বিলোপ পর্বের প্রাথমিক অবস্থাটা আমরা অত্যন্ত উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছি।
বিশদ

14th  September, 2019
রাষ্ট্রহীনতার যন্ত্রণা
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভিক্টর নাভরস্কি নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে আবিষ্কার করলেন, তিনি আচমকাই ‘রাষ্ট্রহীন’ হয়ে পড়েছেন। কারণ, তাঁর দেশ ক্রাকোজিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলির কাছে মানবিকতার নিরিখে ক্রাকোজিয়ার আর কোনও ‘অস্তিত্ব’ নেই।
বিশদ

10th  September, 2019
জাতির গঠনে জাতীয় শিক্ষানীতি
গৌরী বন্দ্যোপাধ্যায়

 অভিধান অনুসরণ করে বলা যায়, পঠন-পাঠন ক্রিয়াসহ বিভিন্ন অভিজ্ঞতালব্ধ মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানোর প্রক্রিয়াই শিক্ষা। জ্ঞানকে বলা হচ্ছে অভিজ্ঞতালব্ধ প্রতীতি। শিক্ষা দ্বারা অর্জিত বিশেষ জ্ঞানকে আমরা বিদ্যা বলি। কালের কষ্টিপাথরে যাচাই করে মানুষ আবহমান কাল ধরে নিজ অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞানরাশিকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পুস্তকের মধ্যে লিখে সঞ্চিত করে গেছে।
বিশদ

09th  September, 2019
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শতবর্ষে ভারত প্রান্তিক রাষ্ট্র থেকে প্রথম দশে, লক্ষ্য শীর্ষস্থান
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 প্রথম বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তির মুখে উড্রো উইলসন সমেত বিশ্বের তাবড় নেতারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। যুদ্ধের রাহুর গ্রাস থেকে এই সুন্দর পৃথিবীকে কীভাবে রক্ষা করা যায় তা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। উইলসন বুঝতে পেরেছিলেন মানুষের মগজে রয়েছে যুদ্ধের অভিলাষ। যুদ্ধভাবনা মুছে ফেলে শান্তিভাবনা প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
বিশদ

09th  September, 2019
পুজোর মুখে বিপর্যয়: ঘরে বাইরে

 দুর্ঘটনা বিপর্যয় তো আর জানান দিয়ে আসে না! নেপালের ভূমিকম্প কি আমাদের আয়েলার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে কত মানুষ ঘর-সংসার সব হারিয়ে রাতারাতি সর্বস্বান্ত হয়েছেন, কত সংসার উজাড় হয়ে গেছে—শত চেষ্টাতেও সেই ক্ষত পুরোটা পূরণ করা গিয়েছে কি? যায়নি। এই বউবাজারে রশিদ জমানার সেই ভয়ানক বিস্ফোরণের পর কত লোকের কত সর্বনাশ হয়েছিল—কজন তার বিহিত পেয়েছিলেন? মেট্রো রেলের সুড়ঙ্গ কাটতে গিয়ে সেপ্টেম্বরের শুরুতে বউবাজারে বাড়ি ধসে যে ক্ষতি বাসিন্দাদের হল তাতে তাই ‘অপূরণীয় ক্ষতি’ বললে কিছুমাত্র ভুল হয় না। বিশদ

08th  September, 2019
বন্ধ হোক বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পঞ্চায়েত দখল
তন্ময় মল্লিক

পঞ্চায়েত কারও চোখে স্থানীয় সরকার, কারও চোখে উন্নয়নের হাতিয়ার, কারও চোখে চোর তৈরির কারখানা। পঞ্চায়েত সম্পর্কে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্ন হলেও একটা ব্যাপারে প্রায় সকলেই এক মত, পঞ্চায়েত আসলে মধুভাণ্ড। এই মধুভাণ্ডের নাগাল পাওয়া নিয়েই যত মারামারি, বোমাবাজি, খুনোখুনি। এই পঞ্চায়েতই নাকি এবার পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা ভোটে ওলট-পালটের নাটের গুরু।
বিশদ

07th  September, 2019
অজানা ভবিষ্যৎ
সমৃদ্ধ দত্ত

টাকা কোথায় গেল? একের পর এক গ্রামবাসীর টাকা উধাও। সকলে সেই অফিসে আবার গেলেন। তারা এবার ভালো করে কম্পিউটার চেক করে বললেন, তোমাদের আগে যে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ছিল সেটা তো চেঞ্জ হয়েছে। এখানে নতুন এক অ্যাকাউন্ট দেখাচ্ছে। ওখানেই গেছে টাকা। প্রমোদকুমাররা জানেই না কোথায় নতুন অ্যাকাউন্ট! এক সহৃদয় ব্যাঙ্ককর্মী আবিষ্কার করলেন মোবাইল সার্ভিস প্রভাইডার কোম্পানি পেমেন্ট ব্যাঙ্ক চালু করেছে। ওই যে ফোনে আধার নম্বর চাওয়া হল এবং প্রমোদকুমাররা গিয়ে লিংক করিয়ে এলেন, আসলে ওই আধার নম্বরের মাধ্যমে তাঁদের অজ্ঞাতেই তাঁদের নামে পেমেন্ট ব্যাঙ্ক ‌অ্যাকাউন্ট চালু হয়ে গিয়ে সেই অ্যাকাউন্টই শো করতে শুরু করেছে সরকারি দপ্তরে। আর সব টাকা সেখানে যাচ্ছে।
বিশদ

06th  September, 2019
নিজেকে জিজ্ঞেস করো, দেশের জন্য কী করতে পার
মৃণালকান্তি দাস

হোয়াইট হাউস-এর  পবিত্রতা নষ্ট করার দুর্নাম জুটেছিল কি না বেচারি বিল ক্লিন্টনের!‌ তখনও নাকি মার্কিন আম জনতা মুখ বেঁকিয়ে বলেছিল,  কোথায় মেরিলিন মনরো,  আর কোথায় মনিকা লিউইনস্কি!‌ তবে, মনরো–কেনেডির এই প্রেম রীতিমত ঢাক–ঢোল পিটিয়ে উদ্‌যাপিত হয়েছে মার্কিন গণজীবনে। ১৯ মে ১৯৬২। কেনেডির আসল জন্মদিনের ১০ দিন আগেই উৎসব হয়েছিল নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়্যার গার্ডেনে। ১৫ হাজার অতিথির তালিকায় তাবড় রাজনীতিক ও হলিউড সেলেবদের ছড়াছড়ি। বিরাট কনসার্টে মারিয়া কালাস,  এলা ফিটজেরাল্ড-এর মতো ডাকসাইটে শিল্পীদের পাশাপাশি মেরিলিন মনরো!‌ ইতিহাস হয়ে গিয়েছে সেই সন্ধ্যায় মনরোর গাওয়া  ‘হ্যাপি বার্থডে টু ইউ মিস্টার প্রেসিডেন্ট’।  
বিশদ

06th  September, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, হলদিয়া: হলদিয়া শিল্পশহরে একদিন আগেই শুরু হয়ে গেল বিশ্বকর্মাপুজো। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত একাধিক বড় শিল্পসংস্থার পুজো উদ্বোধন করেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ...

বিশ্বজিৎ দাস, কলকাতা: রাজ্যবাসীকে ডেঙ্গুর বিপদ থেকে বাঁচাতে এ বছর ৪৭৫ কোটি টাকা খরচ করছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য দপ্তর। শুধু ডেঙ্গু মোকাবিলাতেই এই বিপুল ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: দরিদ্রতাকে উপেক্ষা করে নবদ্বীপের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র রাজ দেবনাথ রাজ্য স্কুল গেমস প্রতিযোগিতায় জিমন্যাস্টিক বিভাগে দ্বিতীয় স্থান দখল করেছে। খুশির হওয়া নবদ্বীপে। ...

সংবাদদাতা, গাজোল: যাত্রীদের সুবিধার্থে পুজোর মুখে চার দিন মালদহ ডিপো থেকে বাড়তি বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা (এনবিএসটিসি)। মালদহ থেকে কলকাতা যাওয়ার জন্য বাড়তি সরকারি বাস চালানো হবে জেনে যাত্রীদের মধ্যেও খুশির হাওয়া ছড়িয়েছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অশান্তি সম্ভাবনা। মাতৃস্থানীয় কারও শরীর-স্বাস্থ্যের অবনতি। প্রেমে সফলতা। বাহন ক্রয়-বিক্রয়ের যোগ। সন্তানের বিদ্যা-শিক্ষায় উন্নতি।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার স্বাধীনতা দিবস
১৫০২ - কোস্টারিকা আবিষ্কার করেন ক্রিস্টোফার কলম্বাস
১৮৯৯- সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ রাজনারায়ণ বসুর মৃত্যু
১৯৫০- অভিনেত্রী শাবানা আজমির জন্ম
১৯৭৬- ব্রাজিলের ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
২০০৬- ফুটবলার সুদীপ চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যু





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭১.০২ টাকা ৭২.৭৩ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৬০ টাকা ৯০.৮০ টাকা
ইউরো ৭৭.৬২ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৩৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ৩১/৫১ সন্ধ্যা ৬/১২। অশ্বিনী ৩/১১ দিবা ৬/৪৪। সূ উ ৫/২৭/৩১, অ ৫/৩৪/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৫ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ৭/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১০/১৮ গতে ১২/৪৪ মধ্যে। রাত্রি ৬/২২ গতে ৭/১০ মধ্যে পুনঃ ৮/৪৫ গতে ৩/৫ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১০/০ মধ্যে পুনঃ ১১/৩১ গতে ১/১ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯ গতে ৩/৫৮ মধ্যে।
৩১ ভাদ্র ১৪২৬, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বুধবার, চতুর্থী ২৪/৪০/১০ দিবা ৩/১৯/১৪। অশ্বিনী ০/৫/৪৪ প্রাতঃ ৫/২৯/২৮, সূ উ ৫/২৭/১০, অ ৫/৩৬/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৯/৩১ গতে ১১/১০ মধ্যে ও ৩/১৮ গতে ৪/৫৭ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৩ মধ্যে ও ১/৩১ গতে ৫/২৭ মধ্যে, বারবেলা ১১/৩১/৫০ গতে ১/৩/১ মধ্যে, কালবেলা ৮/২৯/৩০ গতে ১০/০/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/২৯/৩০ গতে ৩/৫৮/২০ মধ্যে। 
১৮ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মোদিকে তাদের আকাশপথ ব্যবহার করতে দেবে না পাকিস্তান
 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মার্কিন সফরের জন্য পাকিস্তানের আকাশপথ ব্যবহার ...বিশদ

08:02:00 PM

দ্বিতীয় টি২০: টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত বিরাট কোহলির 

06:40:25 PM

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভালো কথা হয়েছে: মমতা 
দীর্ঘ দিন পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্তে বৈঠক করলেন ...বিশদ

05:31:00 PM

খানাকুল ও পুরশুড়া থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন ১২জন
 

খানাকুল ও পুরশুড়া থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সহ ১২ জন ...বিশদ

05:15:00 PM

রেল কর্মীদের জন্য সুখবর 
উৎসবের মরশুমে সুখবর। বুধবার রেলকর্মীদের জন্য ৭৮ দিনের উৎপাদনভিত্তিক বোনাস ...বিশদ

05:13:50 PM

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 

05:04:26 PM